নোটিশ
তোমরা সত্যকে মিথ্যার সংগে মিশ্রিত করবে না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করবে না। (২: ৪২)
হে কিতাবীগণ কেন তোমরা সত্যকে মিথ্যার সহিত মিশ্রিত কর? এবং সত্যকে গোপন কর?( ৩: ৭১)
উল্লিখিত আয়াতের আলোকে নিম্নের বিষয়গুলি ফাস করা প্রতিটি মুছলিমদের ফরজ কাজ! গোপন/মুছে দেয়া জঘন্য অপরাধ বটে!
বিশ্বে শিয়া, ছুন্নী, হানাফি, হাম্বলী, কাদিয়ানী প্রভুতি বেদাত প্রযুক্ত দল উপদলের জন্ম প্রকৃয়া তুলনায় সকলের চেয়ে অশ্লীল, কারন:
১. ৪: ৩ নং (সহযোগী: ৪: ১২৭, ১২৯ বিশেষ বিধানটির অপব্যাখ্যা করে সাধারণভাবে একাধিক স্ত্রীদের মাধ্যমে অবৈধ সন্তান জন্ম দেয়।
২. ৪: ৪ নং আয়াত লংঘন করত মোহরানার টাকা বাকি রেখে জীবনভর অধিকাংশ সন্তান পয়দা করে।
৩. ৩৩: ৫০ নং আয়াতের অপব্যাখ্যা করত ঘনিষ্ট ভাইবোনদের বিয়ের মধ্যে অবৈধ সন্তান জন্ম দেয়।
৪. অত:পর অবৈধ তালাক আর অবৈধ হিল্লা বিয়ে দিয়ে বাকীটুকু অবৈধ করেছে!
অন্তত ১টির আলোচনা করতেই হয়:
ঘনিষ্ঠ ভাইবোনদের মধ্যে বিয়ে সম্পর্ক একমাত্র রাছুলের জন্য হালাল, সাধারণের জন্য হারাম (দ্র: ৩৩: ৫০)। কারণ এদের সংগে বিয়ে সম্পর্কের অর্থই মা-বাবার সাথে পরোক্ষভাবে হাফ হাফ জিনা করা। এই অশ্লীল অবক্ষয় জনিত স্থায়ী শরিয়ত অনুমোদিত বিধান একমাত্র দল উপ-দলীয় মুসলমানদের মধ্যেই।
ভাই-বোন বিয়ে হারাম কেন? কারণ: ক. কোরানে নিশিদ্ধ! খ. উভয়ের রক্তের মান সমানে সমান।
মা-বাপ বিয়ে হারাম কেন? কারণ: কোরানে নিশিদ্ধ! খ. রক্তের সমানুপাত।
মামা-খালা, চাচা-ফুফু বিয়ে হারাম কেন? কারণ: ক. কোরানে নিশিদ্ধ! খ. তাদের ও মা-বাবার রক্তের মান সমান।
খালাতো-ফুফাতো ভাই-বোন বিয়ে হারাম কেন? কারণ: ক. কোরানে নিশিদ্ধ! খ. পরস্পর রক্তের মান অনুপাত সমানে সমান।
উল্লিথিত পারিবারিক রক্তের হিসাব মতে খালাতো, মামাতো, ফুফাতো ভাইবোনের সাথে বিয়ের অর্থ পরোক্ষভাবে আধা-আধি মা-বাপের রক্তের সংগেই মিশামিশী বা সংগম করা!
বিয়ে সম্পর্কীয় আয়াতগুলির প্রধান লক্ষ্য হলো যেখানেই রক্ত-বীর্যের উল্লেখযোগ্য আনুপাতিক সম্পর্ক বিদ্বমান! সেখানেই পরস্পর যৌন সম্পর্ক পুনঃস্থাপন অশ্লীল হারাম বলে বিবেচনা করে।
আদিকাল থেকে সকল ঐশী গ্রন্থে এদের মধ্যে বিয়ে সম্পর্ক অশ্লীল তথা হারাম ঘোষিত হয়ে আসছে! একমাত্র মুসলমান ব্যতীত অন্যেরা অতি সতর্কতার সঙ্গে তা অনুসরণ করছে; যদিয়ো তারা অন্যান্য ক্ষেত্রে যৌন বিষয় পশুর মতই উদার।
কোরান নতুন কিছুই নয়, অতীত কেতাবের সমার্থক/সংরক্ষক এবং ইহারই বিশদ ব্যাখ্যা মাত্র (দ্র: ৫: ৪৮; ১০:৩৭)। কিন্তু ব্যক্তি ও দল রচিত শরিয়তের বদৌলতে একমাত্র মোসলমানদের মধ্যে এই বেদাত অবৈধ অশ্লীল প্রথা চলে আসছে হাজার বছরের অধিককাল থেকে!
অনেকের ধারণা এর সুত্রপাত প্রধানতঃ
•* বংশীয় অহংকার, মান-মর্যাদা এবং সম্পদ রক্ষণ!
•* অত:পর উত্তরাধিকারী অন্ধ বিশ্বাসের অনুসরণ/বংশ পরম্পরায় সংক্রমণ।
একটি মাত্র মাশালায়ই সচেতন জ্ঞানী বিশ্বের দৃষ্টি আকর্শিত হবে:
খালাতো বোনের অন্যত্র বিয়ে হলে তার সন্তান যাকে মামা ডাকতো; সেই মামা, ভাগ্নীর মা অর্থাত খালাতো বোনকে বিয়ে করলে যে সন্তান আসে সে প্রকৃতপক্ষে কি মামুর জন্ম নয়? চাচার ক্ষেত্রেয়ো অনুরূপ হয়!
পক্ষান্তরে শরিয়তী বিশ্বে এমন কোন পরিবার নেই যাদের দু’চার পুরুষের মধ্যে কেউ না কেউ ৩ নং সহ বাকি বেদাতী অশ্লীল সম্পর্ক করেনি! ফলে পর্যায়ক্রমে কালের বিবর্তনে আমাদের মধ্যে ৮০-৯৫ শতাংশ সন্তান বৈধ কি না! আশাকরি নায়েবে রাছুলগণ ইহার কোরানিক ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণের সন্দেহ দূর করবেন; অন্যথায় সাধারণের স্ব স্ব স্বার্থে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া এক্ষুণি জরূরী।
প্রকাশ থাকে যে, চিকিতসা বিজ্ঞানের মতেও ঘনিষ্ঠ ভাইবোনদের মধ্যে রক্তের মান সমানুপাতের কারণে বিয়ে প্রথা সঙ্গত মনে করে না। কারণ এতে প্রধানত: দৈহিক ও মানসিক বিপর্যস্ত কু সন্তান জন্ম নিয়ে বংশ পরম্পরায় সংক্রমিত হয়; হাজার বছরের অধিককাল যাবত হেন সংক্রামক রোগে মুসলমান জাতি আক্রান্ত। সে কারণেই স¤প্রতি সৌদি আরবেও এই জঘন্য বিয়ে প্রথা বাতিলের পরামর্শ চলছে। (পত্রিকায় প্রকাশ)
এবারে নিরপেক্ষ জ্ঞানী-গুণীগণ ভেবে ভাবুক হন যে, রোহীংগা নরপশু হাফেজ আহমদ থেকে ইমাম-আলেম আর জালেম ম জ বাসার খুব একটা দূরে নয়!
সন্তানগণ এজন্য দায়ি নয় বটে! কিন্তু যখন তাদের অবৈধ জন্ম-প্রজন্মের পরিচয় জানতে পাবে তখন তাদের সম্মিলিত প্রশ্নবানের আঘাত শরিয়ত সামাল দিতে পারবে তো!!
বিনীত।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



