জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মহত হলেও বস্তুতপক্ষে প্রায় ক্ষমতা বিহীণ নাটকীয় ভুমিকা পালণ করতে হচ্ছে; কারণ বৃহত সদস্যগণ জাতিসংঘসহ দুনিয়াটি মুহুর্তে উড়িয়ে দেয়ার শক্তি স্ব স্ব অধিকারে রেখে যত্কিঞ্চিত ক্ষমতা জাতিসংঘকে দান করেছে। ফলে উক্ত সংস্থা প্রয়োজনবোধে মানবাধিকার দূরের কথা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এমনকি দল উপ-দলীয় অধিকার সংরক্ষণে সম্পূর্ণভাবেই অক্ষম হেতু প্রধানতঃ বৃহত্ শক্তিগুলির রাজনৈতিক জলসা ঘর এবং কর্মচারীদের বিলাসবহুল ক্লাব হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে; তুলনায় সর্বোচ্য সন্মান, ট্যাক্স বিহীণ সর্বোচ্য বেতন, প্রায় জবাবদিহীহীন দায়িত্ব/কর্তব্য; দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট সর্বউন্নত সর্ব নিম্ন মূল্যে ভক্ষণ, ভোগ বিলাস! অতপর আজীবন পেনসন!আর উহার যোগান দিতে হয় ধনী-গরীব সকল দেশের; ফলে বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্ব চরমভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক একটি সমস্যাও সমাধান করতে সক্ষম হয়নি। কারণ স্বীয় হাতে সর্বোচ্য শক্তি ধারণ করে কারো অধীনত্ব স্বীকার এমনকি বন্ধুত্ব গড়ে উঠারও ইতিহাস নেই।
কতিপয় বিশ্ব বিধংসীর হাতে চিরস্থায়ী ক্ষমতা দিয়ে অবশিষ্ট সদস্য দেশগুলিকে জিম্মি রেখে জাতি সংঘ নাটকীয়, ভোগ বিলাসী ভূমিকা পালণ করছে।
সংক্ষেপে জাতিসংঘের অধিকার/কর্তব্য নিম্নরূপ হওয়া উচিত:
১. ছোট-বড় প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই পদাধিকার বলে পরিষদের সমমান সম্পন্ন সদস্য হবে। ‘নিরাপত্তা’ নামে স্বতন্ত্র কোন পরিষদ থাকবে না। ভেটো ক্ষমতা থাকবে একমাত্র সেক্রেটারী জেনারেলগণের।
২. পৃথিবীকে ১৯টি ভাগ করে ১৯জন সেক্রেটারী জেনারেল (দ্র: ৭৪: ৩০, ৩১) ও ১জন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন; প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা থাকবে নির্দিষ্ট শর্তানুকুলে প্রস্তাবাদির সচরাচর অনুমোদন মাত্র।
৩. কোন দেশেরই সামরিক শক্তি, গোলাবারূদ থাকতে পারবে না। উতপাদনও করতে পারবে না। যার যা আছে অবিলম্বে জাতিসংঘের কাছে সমর্পণ করতে হবে। জাতিয় দুর্যোগ, সন্ত্রাস ও শান্তি রক্ষায় স্ব স্ব দেশে মাত্র হালকা অস্রধারী পুলিশ বাহিনী থাকবে।
৪. ছোট-বড় প্রত্যেক দেশের সম-সংখ্যক সৈন্য সমন্বয় সামরিক শক্তি থাকবে একমাত্র জাতিসংঙ্ঘের অধীনে।
৫. প্রত্যেকটি সদস্যদেশের জাতিয় উন্নয়ন, শান্তি রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি বাজেটের পর, উদ্বৃত্ত্ব অংশের ৪৯% শতাংশ অর্থসম্পদ কোরবানী [হাদিয়া/ত্যাগ/চাঁদা] হিসাবে বাধ্যতামূলক জাতিসংঙ্ঘে সমর্পণ করবে। এতে জাতীয় সরকার বা বিরোধী দলগুলি আপন দেশ শোষণের সুযোগ সীমিত হবে এবং সংঘের বিশাল অর্থ ভান্ডার তৈরী হবে যার দ্বারা অভাবী ও ঘাটতি দেশের প্রত্যেকটি মানুষের খাদ্য, চিকিত্সা, শিক্ষা ও বাসস্থান নিশ্চিত করতে হবে; পর্যায়ক্রমে স্বাবলম্বি করতে হবে। অবশিষ্ট অর্থ আকাশ-পাতাল বিজ্ঞান-গবেষণায় নিয়োগ করবে।
৬. প্রত্যেকটি দেশেই জাতিসংঘের শাখা অফিস থাকবে এবং তার অধীনে এবং নিয়ন্ত্রনে থাকবে সীমিত সৈন্য।
৭. কোন দেশে রাজনৈতিক দল-উপদল থাকবে না। স্বতন্ত্র গণতন্ত্র নীতির মধ্যে জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রনে জাতিয় নির্বাচন হবে। এতে তৃতীয় বিশ্বের আত্মঘাতি কলহ, ধংসযজ্ঞ, অপচয়, লালসা ও বৈদেশিক প্রভাব থাকবে না, দল-উপদল বিহীণ নির্বচনে উপযুক্ত সেবক নির্বাচিত হবে।
৮. প্রাকৃতিক সম্পদের উপর ব্যক্তি ও দেশের সম-অধিকারই শ্রেষ্ঠতম মানবাধিকার, জন্ম ও জীবীতের অধিকার। কিন্তু সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি এ বিষয় রহস্যজনক কারণে নির্বাক। বিশেষ করে মাটি পানি জনসংখ্যার ভিত্তিতে সমবন্টন ও নিঃশর্ত পুনর্বাসন করবে। প্রতি ৫ বছর অন্তর দুনিয়ার আদমশুমারী অনুযায়ী ভূমি বা জনসংখ্যা বন্টন, পুনর্বাসন নীতি সংস্কার করতে হবে।
৯. বিশ্বের কোথাও একনায়ক,রাজ বা দলতন্ত্র থাকতে পারবে না।
১০. একক মুদ্রা ব্যবস্থা থাকবে সমগ্র বিশ্বে। আই ডি হিসাবে প্রতিটি মানুষের পাসপোর্ট থাকবে কিন্তু দেশ ভ্রমনে ভিসার প্রয়োজন হবে না।
১১. দেশ, জাতি ও আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধান তথা শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘ধর্ম’ একটি কালাকালভেদী অলিখিত কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্তরায় হেতু ধর্মের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
কে না জানে যে, একক স্রষ্টার একক পৃথিবীর একক জন্ম-মৃত্যুর অধীন একক মানব পরিবারে একাধিক ধর্ম বিশ্বাস অযৌক্তিক অবাস্তব তথা অবান্তর। নাস্তিক ধর্মসহ এমন কোন ব্যক্তি বা দেশ নেই যারা কোন না কোন ধর্ম বিশ্বাসে আস্থাশীল নয়। যদিও ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র সংখ্যক মানব গোষ্ঠি উহার বিধি বিধান অনুসরণ করে। কিন্তু জন্মগত সুত্রে স্ব স্ব ধর্ম বিশ্বাসকেই সত্য সঠিক এবং বাকি সকল অসত্য বে-ঠিক বলে গণ্য করে; মূলতঃ সত্য একটিই তাতে কারোই সন্দেহ বা দ্বিমত নেই। সুতরাং জাতি সংঘের উচিত এই সর্বশ্রেষ্ট সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্য গুরুত্ব আরোপ করা।
পক্ষান্তরে ধর্ম অনিরপেক্ষ হয়েও ব্যক্তি বা দেশ ধর্ম নীতি থেকে রাজনীতি আলাদা করে ধর্ম নিরপেক্ষতার মিথ্যা ভান করে বিষয়টি সর্বদাই এরিয়ে যাচ্ছে এবং তার ফলাফল আজ শুন্যের কোঠায়; প্রধানত: জাতিসংঘ আজ অবধি একটি মাত্র আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান করতেও সক্ষম হয়নি। অথচ ধর্ম নামক ঐ একটি মাত্র সমস্যার সমাধান হলে বিশ্বের ৯৫% ভাগ সমস্যার সমাধান অনিবার্য।
অতএব জাতিসংঘের উচিত অতীত বিশাল অভিজ্ঞতার আলোকে ধর্ম বিষয় সর্বোচ্য গুরুত্ব আরোপ করা। প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে আস্তিক নাস্তিক সকল দলের প্রতিনিধিদের সমন্বয় একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা। এরা সকল জাতির মূল ঐশী গ্রন্থ গবেষণা করতঃ সমন্বয় সাধনের চেষ্টায় নিবেদিত থাকবে। যাবতিয় দুনম্বরী বা উপধর্ম গ্রন্থাদি অবৈধ ঘোষনা করতঃ সমূলে ধংস করতে হবে। কারণ ঐ উপ-ধর্ম প্রন্থগুলিই অভিন্ন একক মানব পরিবারে ব্যতিক্রম ও অপব্যাখ্যা, সম্যক জ্ঞান ও দূরদর্শিতার অভাবে রূপক বা গৌণ বিষয়গুলি মূখ্য বা অব্যর্থবোধক করে ঘৃণা ও বিভৎস সাম্প্রদায়িকতার জন্ম দিয়েছে। সকল ধর্মের মধ্যেই অনুরূপ অসংখ্য রূপক বিষয়গুলির অপ ব্যাখ্যাই সাম্প্রদায়িকতার অন্যতম প্রধান কারণ।
বৃহত্তর মানব কল্যাণের অজুহাতে জাতিসংঘ অদ্যাবধি ধর্মকে সর্বদাই এড়িয়ে চলছে; কিন্তু তাতে কল্যাণ আনতে পারেনি বরং সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মকে কাগজ কলমে এড়িয়ে চললেও সদস্য, কর্মচারী বা ছোট-বড় শক্তিগুলি মন-মগজে কোন অবস্থাতেই মরণশীল মানুষ হিসাবে এড়াতে পারছে না বা পারবে না এবং তা পরীক্ষীত বলেই অধিকাংশ আন্তর্জাতিক সংঘাত অমীমাংশীত রয়েছে; বরং কুৎসীত সাম্প্রদায়ীকতা ও ঘৃণ্য জাতীয়তা এবং মানষিক ও সম্প্রসারণবাদ বেড়েই চলছে; অতএব অতীত বিশাল বাস্তব অভিজ্ঞতার নিরীখে ‘ধর্ম’ বিষয়টি জাতিসংঘে গুরুত্বের সহিত সংযোজন করা জরুরী। এজন্য সকল জাতের উপ-ধর্মগ্রন্থ প্রত্যাখ্যান করে মূল ঐশী গ্রন্থ গ্রহণ করা এবং সে অনুযায়ী দেশটি পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা কঠিণভাবে তদারক করা। উল্লেখ্য যে: ধর্ম গ্রহণ/বর্জন বা ধর্মান্তর ব্যক্তিগত বিষয় হলেও যে যা স্বেচ্ছায় গ্রহণ করে তার বিধি বিধান অমান্য করা ব্যক্তিগত বিষয় বলে গণ্য হতে পারবে না।
বিশ্বের নিরপেক্ষ জ্ঞানী-বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ, যাদের স্ব-স্ব মূল ঐশী গ্রন্থের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও অনুশীলণ আছে তাদের সমন্বয় ধর্ম গবেষণা কমিটি গঠন করতে হবে। একক স্রষ্টার একক প্রকৃতি একক পৃথিবীতে একক মানব গোষ্ঠির ব্যতিক্রম ধর্ম দর্শনের কারণ ও তার সমাধান কল্পে সমন্বয় সাধনের নিরলস এবং সর্বোচ্য ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। স্মরণ করা উচিৎ যে জাতিসংঘের অন্যতম নায়ক সদস্য আমেরিকার ডলারেও ধর্মের সাক্ষি রয়েছে। কথিত ‘নিরপেক্ষতা’র অজুহাতে আমেরিকা কখনও তা মুছতে রাজি হবে না। নাস্তিক ধর্মসহ বিশ্বের প্রায় ৭ বিলিয়ন মানুষই কোন না কোন ধর্ম বিশ্বাসে অটল, সেখানে জাতিসংঘের ধর্ম বিষয়ক অবহেলা যুক্তিসঙ্গত হয়নি এবং তার ফলও যে ভাল হয়নি তা সর্বজন স্বীকৃত।
তদানিন্তন সোভিয়েট রাশিয়া ও চীন বিশ্বে কল্যাণকর অবদান রাখার জন্য ‘কমিউনিজম’ বাস্তবায়ণে আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। প্রকারান্তরে ‘কমিউনিষ্টবাদ’ও একটি সাম্প্রদায়িক ধর্মবাদ এবং তার ইমাম (নেতা) এবং নির্ধারিত বিধি-বিধান, গ্রন্থও আছে। এ সমস্ত ইতিহাস ও অতীত অভিজ্ঞতা জাতিসংঘের কোন মতেই উপেক্ষা করা উচিৎ হয়নি।
সম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্বলিত ‘ধর্ম ও রাজনীতি, ধর্ম ও বিজ্ঞান আলাদা করে দেখার কোন যুক্তি বা ফাঁক-ফোকড় নেই; বরং ধর্ম হলো সুত্র এবং রাজনীতি হলো সুত্রের অনুশীলণ! জ্ঞানের বাস্তবায়ণ বা বাস্তব রূপই বিজ্ঞান, যেমন:
রকেট বা একটি সুইটি তৈরী করার আগে সুত্রটি যখন মাথায় ছিল তখন উহা জ্ঞান, যখন তৈরী করা হলো তখন উহা বিজ্ঞান; আর যিনি তৈরী করলেন তিনি বৈজ্ঞানিক। আর সুইটি অস্তিত্ত্বে এসেই প্রমান করলো যে, ইহা মাথায় আসার পূর্বেও অনস্তিত্ত্বে ছিল! সুতরাং ঈশ্বর বা গড নিয়ে সন্দেহ বা বিতর্ক হাস্যকর
সুতরাং বিতর্কীত ধর্ম ও রাজনীতি বিষয়দ্বয় বিচ্ছিন্ন করে দেখার সুযোগ নেই এবং ইহার সমন্বয় সাধনই শান্তি (ইছলাম) ধারণের সহজ-সরল পথ। অর্থাৎ রাজনীতির প্রধান গঠনতন্ত্র স্ব-স্ব মূল ঐশী গ্রন্থ। কিন্তু সকল জাতির ধুরন্দর রাজনীতিক ও মৌলবাদীগণ মসজিদ, মন্দির, গীর্যা, প্যাগোডায় ধর্মকে (শান্তিবাদ) বন্দী করে সাধারণের চোখে ধুলা দিয়ে আলাদা ধর্ম ও রাজনীতির নামে দেশ ও গণ-শোষণ অব্যহত রেখেছে। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের শাষন/গণতন্ত্র অর্থই ব্যক্তি বা দলীয় অবাধ ভোগ-বিলাস।
দৃঢ় বিশ্বাস যে, সকল জাতির মূল ঐশী গ্রন্থ গবেষণা কমিটির নিরপেক্ষ এবং নিরলস প্রচেষ্টায় একক পরিবার মানব গোষ্ঠীর ভিন্ন ধর্ম দর্শনের সমন্বয় সাধনের অব্যহত প্রচেষ্টা অতীত বা বর্তমান পরিণতির চেয়ে ভবিষ্যতে উন্নত অবদান রাখবে। এতে সাম্প্রদায়িক সমস্যা, যুদ্ধংদেহী স্বভাব, সর্ব জাতির মৌলবাদী দর্শন এবং ইহাদের অজুহাতে সন্ত্রাসী, গণহত্যা, সম্প্রসারণবাদী ইত্যাদি সমস্যাগুলি গোলা-বারুদ ছাড়াই শান্তিপূর্ণ মীমাংশা করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে! পৃথিবীও ধংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
উল্লিখিত বিষয়গুলি মাত্র কয়েকটি বৃহৎ দেশ চেষ্টা করলেই বাস্তবায়ণ সম্ভব। গড কোন কিছুর বিনিময় অহংকার ক্ষমা করে না; কারণ ইহাই প্রধান ও শ্রেষ্টতম শিরক। কালাকালের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, পৃথিবীর বিশাল কর্তৃত্ব ও নেতৃত্ব একমাত্র ভোগ ও অহংকারের কারণেই আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। সুতরাং ব্যক্তি, দেশ-বিদেশ সকলেরই উচিৎ এ বিষয় সোচ্চার হওয়া।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের কথিত চরম উৎকর্ষতার যুগে একক জাতের জীব পরস্পর ঝগড়া-ফাছাদ ও খুণের নেশায় মদমত্ত! তার প্রধান লক্ষ্য মাটি আর পানির কর্তৃত্ব! উপলক্ষ্য সাম্প্রদায়িক ধর্ম! যে যত শক্তিশালী মারণাস্র তৈরীতে সক্ষম, সে তত জ্ঞানী-সন্মানী! এতে কেহ হয় প্রেসিডেন্ট আবার কেহ পায় নোবেল পুরস্কার! জীবকূলের জন্য এমন উৎকর্ষতার যুগ বিভৎস ও হতাসাজনক বটে!
সাত বিলিয়ণ মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েক লক্ষ লোভী, ভোগ-বিলাসী, হিংসুক, দুশ্চরিত্র মানুষের জন্য আজ পৃথিবী ধংসের সম্মুখীন! উহার আশু ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।
বিনীত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



