যাকাত (যাকাহ্) হচ্ছে ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। পবিত্র কুরআনের বহু জায়গায় নামাযের পাশাপাশি যাকাতের গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
শাব্দিক অর্থে যাকাত হচ্ছে বরকত, পবিত্রতা, বৃদ্ধি, পরিশুদ্ধ। কারণ যিনি যাকাত প্রদান করবেন তার সম্পদ বৃদ্ধি পাবে এবং সাথে সাথে উহা বালা-মুছিবত থেকেও রক্ষা পাবে। ইব্নে তাইমিয়া হতে বর্নিত, “ যাকাতপ্রদানকারীর মন পবিত্র হয় এবং তার সম্পদে বরকত হয় ও বৃদ্ধি পায়। ”
যাকাত বলতে বুঝায় ,“কুরআনের নির্দেশমতে (ধনীদের) ধন-সম্পদ হতে একটি নির্ধারিত অংশ নিয়ে উহার হকদারদের মধ্যে বিতরণ করা। ” অন্য কথায়,“ নির্ধারিত মালের উপর নির্ধারিত অংশ যা নির্ধারিত ব্যক্তিদের জন্য ফরয করা হয়েছে তাকে যাকাত বলে। ” পবিত্র কুরআনে যাকাতকে কোন কোন ক্ষেত্রে সাদাকাহ্ নামেও অভিহিত করা হয়েছে। কুরআনে উল্লেখ আছে, “ হে রাসুল (সা) আপনি তাদের মালামাল থেকে সাদাকাহ্ (যাকাত) গ্রহন করুন, যাতে তা দিয়ে আপনি তাদের পবিত্র করবেন এবং পরিশুদ্ধ করবেন, আর আপনি তাদের জন্য দোয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া তাদের জন্য চিত্ত স্বস্তিকর। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। ’’ (সূরা তওবা- আয়াত ১০৩)
একটি সহীহ হাদিসে এসেছে নবী করিম (সা) তাঁহার সাহাবী মু’আয (রা) কে ইয়েমেনের গভর্নর করে প্রেরণের সময় বলেছিলেন, “ হে মু’আয! তুমি জানিয়ে দাও আল্লাহ তাদের সম্পদের উপর যাকাত ফরয করেছেন, যা ধনী ব্যক্তিদের থেকে নিয়ে দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করা হবে। ”(তিরমিযি)
প্রত্যেক মুসলমানকে চন্দ্র বৎসরের হিসাবে যাকাতযোগ্য (নিসাব) পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হলে নিসাবের উপর ২.৫% যাকাতরূপে প্রদান করতে
হবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


