মিঃ বিখ্যাত নাস্তিক বলে পরিচিত, সব নাস্তিক শিশুরা যাকে গুরু হিসেবে নম নম করে- বিজ্ঞান বিষয়ক তার কিছু বক্তব্য দেখে আমি কত প্রকারে হাসব তা ঠিক করতে পারছিলাম না!!! তার একটা আধ আধ জ্ঞান সম্পন্ন বক্তব্য আমাকে সত্যি খুবই অবাক করেছে!!!!!!!!!- যেহেতু সে অবিশ্বাসীদের গুরু তাই আল-কোরআন এর বিপক্ষে সে কথা বলবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত তথ্য সম্পর্কেও যে সেই বি....খ্যাত্ ব্যাক্তিটি অজ্ঞতায় ডুবে আছে এবং অন্যদেরকেও অজ্ঞ বানিয়ে রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে, তা আমার কাছে একদম পরিষ্কার।
আজ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারনের বিষয় নিয়ে তার অজ্ঞ মতামতটি তুলে ধরছি। আশাকরি আপনারা ধৈর্যসহ পড়বেন-
মিঃ নাস্তিক সাহেব বলেন- ( হ্যাঁ, আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী লিঙ্গ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে এক জোড়া ক্রোমোজোমের ভূমিকা প্রধান এবং XX হলে নারী অথবা XY হলে পুরুষ। ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্তকরণের সময়ে মায়ের কাছ থেকে আসা X এর সাথে বাবার X বা Y এর যেটি মিলে ভ্রূণ তৈরি হয়- তার উপর নির্ভর করে সন্তানটি কন্যা বা পুত্র হবে তা। (কিন্তু আরেক স্টেপ এগিয়ে বিজ্ঞানের নাম করে যে সিদ্ধান্তটা টানা হলো)- অর্থাৎ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের বিষয়টি কেবল শুক্রাণুর উপর নির্ভরশীল, তা বিজ্ঞান অসম্মত হিসাবেই জানি। আজকের বিজ্ঞান বলে- সমান সমান ভূমিকা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর। মানে লিঙ্গ নির্ধারণী ক্রোমোজোম জোড় এর একটি- মায়ের ডিম্বাণু থেকে এবং আরেকটি বাবার শুক্রাণু থেকেই আসে। কোন একটি ছাড়া ভ্রূণ তৈরিই সম্ভব নয়।)
প্রথমে সে ঠিকই বলল যে, ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্তকরণের সময়ে মায়ের কাছ থেকে আসা X এর সাথে বাবার X বা Y এর যেটি মিলে ভ্রূণ তৈরি হয়- তার উপর নির্ভর করে সন্তানটি কন্যা বা পুত্র হবে তা। অর্থাৎ সে স্বীকার করে নিল যে, মায়ের কাছ থেকে আসা X এর সাথে বাবার X বা Y এর যেটি মিলে ভ্রূণ তৈরি হয়- তার উপর নির্ভর করে সন্তানটি কন্যা বা পুত্র হবে তা। অর্থাৎ সেস্ক-ক্রমোজম XX হলে নারী অথবা XY হলে পুরুষ হবে। কিন্তু পরক্ষণেই সে অজ্ঞের মত বলে বসল- সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের বিষয়টি কেবল শুক্রাণুর উপর নির্ভরশীল, তা বিজ্ঞান অসম্মত হিসাবেই জানি। আর এই কথার জের টেনে সে সব নাস্তিকদের আই/ব্রেন ওয়াশ করা শুরু করে দিল। বিভিন্ন ধরনের ছবিও তাতে যুক্ত করা হলো। এসবের মর্ম সে ঠিকমত বোঝে কিনা তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অজ্ঞ গুরুর মিথ্যাচারে গদ গদ সব নাস্তিক শিস্যুদের মগজ ধোলাই হয়ে গেল।
এখন তাহলে তার কাছে আমার প্রশ্ন- পুত্র সন্তান জন্মের জন্য X এর সাথে যে Y ক্রমোজমটা মিলিত হবে তা কি ডিম্বাণূ থেকে আসবে? নাকি শূক্রাণূ থেকে?
ভেবেছিলাম ওরা অজ্ঞতার মাঝেই ডুবে থাক। কিন্তু যেহেতু আমার নজরে এসেই গেছে- তাই সত্যটা প্রকাশ করতেই হলো। মিথ্যাচার দেখেও জেনেশুনে অন্তত কিছু না বললে আল্লাহতায়ালার কাছে কি জবাব দেব? তাই আজ আমার যৎসামান্য জ্ঞানের সহায়তায় সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারেনর বিষয়ে বিজ্ঞান কি বলে তা আপনাদের জানাতে স্বচেষ্ট হয়েছি। মহান স্রষ্টা যেন আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দেন-
এ বষিয়ে বিজ্ঞান কি বলে তা সংক্ষেপে জেনে নেই-
In humans, there is a gene on the Y chromosome that codes for the presence and development of testes, and if those testes are formed, then, under guidance from other genes, they will begin to produce testosterone and other hormones that, in turn, are able to stimulate development of male genitalia. (Beard quality, by the way, is a totally separate, autosomal trait with its own genes/alleles, and its expression/phenotype is influenced by a variety of factors.) However, for development of male genitalia to happen, another gene, which is located on the X chromosome and which codes for the presence and functioning of testosterone receptors, must also do so. Interestingly, in human embryonic development, development of female genitalia is the “default” condition, so if there is no Y chromosome, there are no instructions to form testes and the baby develops as a girl, but even if there are testes and testosterone, and there’s also an alternate allele that codes for “faulty” or missing testosterone receptors, the baby still developes as a girl. Thus, the mere condition of being, chromosomally, XY, does not automatically mean that person is male! Again, sex is a phenotype, not a genotype. As described below, while it is not a very common thing, it is entirely possible that someone could have an X and a Y chromosome, yet because of the ways in which her alleles/genes are expressed, be phenotypically, female. In the past, before people knew about and were able to test for X and Y chromosomes, such a woman might have been labeled as “barren” or “infertile” – a bad-enough label, but now that we know about X and Y chromosomes and can test for their presence, some people, including some doctors and researchers, forgetting that sex is a phenotype, not a genotype, much less a karyotype, incorrectly and callously try to label these women as “chromosomally male” – a term which is sheer nonsense.
The “opposite” condition is also possible. A colleague told me of a case in which a couple who were having problems conceiving a baby went to a fertility specialist, and it was discovered that the very masculine, fully-bearded husband wasn’t producing sperm because he happened to be XX. Also, sex determination works differently in different species of animals. In humans and other mammals, due to the presence of Barr bodies, the expression of the genes/alleles on the Y chromosome “normally” results in a male phenotype, and thus people who are XXY (Klinefelter’s syndrome) are “normally” male.
উপরের দয়া তথ্য অনুসারে X ও Y উভয় ক্রমজোমে টেসটিস গঠন ও টেস্টোসটেরন উৎপাদনের অ্যলিল/জিন থাকলেও সাধারনভাবে Y এর মধ্যকার জেনেটিক সংকেতের কারনেই মূলত পুরুষের পুরুষত্ব নির্ভর করে অর্থাৎ সন্তান জন্মের জন্য শূক্রাণুর উৎপাদন সম্ভব হয়। অতি নগন্য ব্যতিক্রম যে ঘটনাগুলো ঘটে, যেমন- কোন স্ত্রীলোকের স্ত্রী-যৌনাঙ্গ থাকা সত্বেও তার কোষে XY সেক্স-ক্রোমজমের উপস্থিতির কারনে সে নারীত্ব অর্থাৎ সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত থাকে। আবার কিছু কিছু পরুষ XX ক্রমোজম ধরান করার কারনে পুরুষের মত দৈহিক গঠন ও পুরুষাঙ্গ থাকা সত্বেও পরুষত্ব অর্থাৎ সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য শূক্রানু উৎপাদনে অক্ষম হয়। তাই XY সেক্স-ক্রমোজমের অধিকারী একজন নারীকে যেমন পূর্ণরূপে নারীত্বের অধিকারী বলা যায় না, তেমনি XX ক্রমোজমের অধিকারী পরুষকেও পূর্ণরূপে পুরুষত্বের অধিকারী বলা যায় না। সুতরাং এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, শুধুমাত্র ক্রমোজম নয়, বরং ক্রমোজমের মধ্যে নিহিত অ্যালিল বা জিনের কারনেই এরূপ ঘটনা ঘটে। X সেক্স-ক্রমজোমের মধ্যে শুধুমাত্র পরুষের পুরুষাঙ্গ- টেসটিসের গঠন ও হরমোন টেসটোসটেরন উৎপাদনের জিন থাকলেও পরুষের শূক্রাণু উৎপাদনের কোন সংকেত থাকেনা। আর তাই XX ক্রমোজমধারী কোন পুরুষ সন্তান জন্মদানে তথা শূক্রাণু উৎপাদনে অক্ষম হয়। আবার XY সেক্স-ক্রোমজমধারী কোন ফেনোটাইপ নারীও সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়। গবেষণায় দেখা গেছে Y ক্রমোজমের মধ্যে অবস্থিত একটি মাত্র জিনের (SRY) উপস্থিতি maleness অর্থাৎ পরুষত্বের কারন। কথনও X সেক্স-ক্রমজোম এই SRY জিন বহন করলেও XX ক্রমোজমধারী পুরুষটি sterile অর্থাৎ সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়। সুতরাং গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝে নেয়া যায় যে, X+X অথবা X+Y মিলে সন্তান জন্ম নিলেও, শুধুমাত্র আকৃতিতে পুরুষ বা স্ত্রী নয়, বরং পরিপূর্ণ পুরুষ সস্তান জন্মের জন্য X সেক্স-ক্রমজোমের সাথে (SRY) জিন বহনকারী Y ক্রমোজমের মিলন অপরিহার্য। এর ব্যতিক্রম ঘটলেই নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ফলে বংশবিস্তারে অক্ষম সন্তান জন্ম নয়ে।
আল-কোরআন-৫৩ নং সূরা নজম
(বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম)
(৫৩:৪৫) ওয় আন্নাহু খালাকাজ জাওজায়েনজ জাকারা ওয়াল উংসা-
(৫৩:৪৫) অর্থ- এবং তনিই সৃষ্টি করেন পুরুষ ও স্ত্রীর যুগল
(৫৩:৪৬) মিন নুত্বফাতিন এজা তুমনা
(৫৩:৪৬) অর্থ- বীর্য হতে- যখন তা স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত হয়।
নুত্বফাতুন=(অর্থ) পরিচ্ছন্ন পানি, স্ত্রী বা পুরুষের বীর্য ( আল -কাওসার- আধুনিক আরবী বাংলা অভিধান- মদীনা পাবলিকেশান্স)
এবং অতি সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ
যহেতু এখানে নুত্বফাতিন এর সাথে এজা তুমনা (স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত) শব্দটি এসেছে, সুতরাং এখানে নুত্বফাতিন এর অর্খ পুরুষের শূক্রণূ হিসেবে ধরে নেয়াই যুক্তিসংগত হবে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে এখানে স্রষ্টা মহান আল্লাহতায়ালা যে আরবী শব্দ ‘নুতফা’ ব্যবহার করেছেন প্রকৃত অর্থে এটি কোন লিঙ্গ নির্দেশ করেনা। X এর সাথে X অথবা X এর সাথে Y এর মিলন ঘটলেই স্ত্রী/পুরুষ সন্তানের জন্ম হতে পারে। সন্তান জন্মের জন্য তরল পদার্থের অতি সামান্য অংশ বলতে যে ‘নুতফাত্বিন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে প্রকৃত অর্থে এটি দ্বারা বীর্য নয় বরং X এবং Y উভয় ক্রমোজম বহনকারী শুক্রাণু/ডিম্বাণূ উভয়কেই বোঝান যেতে পারে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে এর সাথে অন্য শব্দ যোগ করায় সে স্থানে 'নুত্বফাতিন' এর অর্থ পুরুষের শূক্রাণূ হিসেবে ধরে নেয়াকেই নির্দেশ করে। যহেতু (৫৩:৪৬) নং আয়াতে নুত্বফাতিন এর সাথে এজা তুমনা (স্খলিত/নিক্ষিপ্ত/নর্গিত) শব্দটি এসেছে, সুতরাং এখানে নিক্ষিপ্ত/নর্গিত নুত্বফাতিন এর অর্খ পুরুষের শূক্রণূ হিসেবে ধরে নেয়াই যুক্তিসংগত হবে।
এবার ৩২ নং সূরার ৮ নং আয়াতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই
(৩২ : ০৮) ছুম্মা জ্বাআলা নাছলাহূ মিন ছুলা-লাতিম মিম মা-য়িম মাহীন।
(৩২ : ০৮) অর্থ:- অতঃপর তিনি তার বংশধারা বা ভিত্তি স্থাপন করেছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে।
এখানে তুচ্ছ পানির নির্যাস বলতে X এবং ও Y ক্রমোজমের মধ্যকার জিনগুলোর কথাই সম্ভবত বোঝান হয়েছে। বিশেষ করে পুরুষের বীর্যের Y ক্রমোজমের SRY জিনের কারনে যেহেতু একজন সন্তান পূর্ণরূপে পুরুষ হবে, নাকি স্ত্রী হবে তা নির্ভর করে। তাই এর দ্বারা মূলত পুরুষের বীর্যের শূক্রাণূর Y ক্রমোজমের মধ্যে অবস্থিত এই SRY জিনেকেও বোঝান যেতে পারে। কারন এই SRY জিনের কারনেই মূলত বংশধারা রক্ষা করা অর্থাৎ বংশবিস্তারে সক্ষম পুত্র সন্তান উৎপাদনের বিষয়টি নির্ভরশীল।।
আল-কোরআনে এ ধরনের আরও অনেক শব্দ ও আয়াত এসেছে তা যখন নাজিল হয়েছিল শুধু তথনকার জন্য নয়, বরং কেয়ামত পর্যন্ত এর সঠিক অর্থ বোঝানোর জন্যই মহান স্রষ্টা শব্দটাকে সেভাবেই ব্যবহার করেছেন। মানুষের জ্ঞানের পরিধি যত বিস্তৃত হবে, সে চিন্তা-ভাবনা করলে তত সূক্ষ্মভাবে তার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে।
আমি সব তফসীরকারগণের উপর শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই যে, তাঁরা তাদের সে সময়কার বৈজ্জ্ঞানিক জ্ঞান অনুসারে ভিন্ন জন বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। আর তাই আমি কখনই সেসব ব্যাখ্যার সমালোচনার পক্ষে নই অথবা তাদের এই মহৎ প্রচেষ্টাকে আমি ভুল বলতে রাজি নই।
আল-কোরআনের অন্যান্য সব বিষয়ের ব্যাখ্যায় আমি নিশ্চয় তাদের মত যে পারদর্শি নই- তা নির্দিধায় স্বীকার করছি। তবে এ বিষয়টিকে হয়ত আল্লাহতায়ালা আমাকে এভাবে চিন্তা-ভাবনা করার মত যৎসামান্য জ্ঞান অর্জনের ও ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিয়েছেন। যেহেতু আমি বর্তমান কালের নামকরা আলেম ব্যক্তিবর্গের বা বুদ্ধিজীবি সমাজের অন্তর্ভূক্ত নই, সুতরাং আপনারা অথবা আলেম সমাজ আমার এই যৎসমান্য প্রয়াশকে গ্রহণ করতেও পারেন অথবা নাও করতে পারেন। তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। আমাকে আল্লাহতায়ালা যতটুকু বোঝার মত তৌফিক দিয়েছেন- আমি তা প্রকাশ করেছি মাত্র। এখন সর্বজ্ঞ মহান স্রষ্টা যা চাইবেন তাই হবে।
আল-কোরআনের আলোকে জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ হলে মানুষ ধীরে ধীরে অলীক কল্পনা ও মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে আসে। সত্যের স্বচ্ছ জ্যোতিতে তার জ্ঞানচক্ষু হয় শাণিত ও উন্মোচিত। সুদূরপ্রসারী চিন্তাশক্তির সহায়তায় প্রচলিত মতবাদগুলোর মধ্য থেকে প্রকৃত সত্যটি সে সহজেই খুঁজে ও বুঝে নিতে পারে। এটি নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়। তাই এতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ত্বত্ত্বগুলোর বিস্তারিত বিবরণ না দিয়ে ঐশী ইংগিত দেয়া হয়েছে মাত্র। সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে একজন ইমানদার যখন আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর চিন্তা-গবেষণায় রত হয়, তখন পরম শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসে জগৎসমূহের স্রষ্টা সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে সে বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত হয় না। আল-কোরআন যে স্বয়ং মহান স্রষ্টা প্রেরিত পথপ্রদর্শনকারী মহাগ্রন্থ তা জ্ঞানী ও সরলমনা বিশ্বাসীরা তখন নির্দিধায় মেনে নেয়।।
বিঃদ্রঃ - লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে। অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য মুছে ফেলা হবে এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলে প্রয়োজনে ব্লক করতে বাধ্য হব।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



