আল-কোরআন- ৮৬ নং সূরা আত্ব তারিক্ব- আয়াত নং- ৫, ৬, ৭
(৮৬:৫) ফালা ইয়ানজুরুল ইনসানু মিম্মা খুলিকা
(৮৬:৫) অর্থ:- অতএব, মানুষের (পরীক্ষা নিরীক্ষা করে) দেখা উচিত তাকে কোন জিনিস থেকে সৃজন করা হয়েছে,
(৮৬:৬) খুলিকা মিম্ মাউন দা-ফিকুন
মাউন দাফিকুন = (অর্থ) নির্গলিত পানি, বীর্য্য
(৮৬:৬) অর্থ:- তাকে সৃজন করা হয়েছে নির্গলিত পানি বা বীর্য্য থেকে,
(৮৬:৭) ইয়াখরুজু মিম্ বাইনিছ ছুলবি ওয়াত তারা- ইব,
ইয়াখরুজু = (অর্থ) সে বের হচ্ছে
ছুলবুন = (অর্থ) পিঠ, কোমর, পুরুষের পিঠের হাড়
তারায়িবুন = (অর্থ) বুকের হাড় সমূহ
(৮৬:৭) অর্থ:- যা বের হয়ে আসে পুরুষের পিঠের হাড়, নিতম্ব/কোমর (কশেরুকা) ও বুকের হাড়গুলোর (কশেরুকা) মধ্য থেকে।
(৮৬:৫) নং আয়াতে মানুষকে কি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে তা যেন মানুষেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে সে দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। (৮৬:৬) নং আয়াতে তার উত্তরে বলা হল যে, তাকে (মাইন দাফিকুন) নির্গলিত পানি বা তরল অর্থাৎ বীর্য্য থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই বীর্য্য কোথা থেকে কিভাবে আসে তার ইংগিত দিয়ে পরবর্তী (৮৬:৭) নং আয়াতে বলা হলো- তা পুরুষের পিঠের হাড়, নিতম্ব/কোমর ও বুকের হাড়ের মধ্য থেকে বের হয়ে আসে। কিন্তু পুরুষের বীর্য (semen) বের হয়ে আসার সঙ্গে পিঠের হাড়, নিতম্ব/কোমর ও বুকের হাড়ের মধ্যে অবস্থিত কোন কিছুর যে আদৌ কোন সম্পর্ক থাকতে পারে তা অনেক কাল সঠিকভাবে বোঝা না গেলেও সম্প্রতি গবেষণার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার প্রকৃত তাৎপর্য উন্মোচিত হয়েছে।
(৮৬:৭) নং আয়াতে ইয়াখরুজু শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে তার অর্থ কোন কিছু বের হয়ে আসা
এখানে বীর্য তৈরীর কথা বলা হয়নি। পুরুষের টেসটিসের এপিডিডাইমিসে বীর্যের শুক্রাণূ উৎপাদনের জনন কোষ স্পারমাটোজয়া তৈরি হয়, পরবর্তীতে তা কিভাবে (ইয়াখরুজু = (অর্থ) কোন কিছু বের হয়ে আসা) বের হয়ে আসে এখানে সেটার কথা বলা হয়েছে। শুধু উৎপাদন হলেই তো হবেনা। উৎপাদিত জিনিসটি তো জায়গা মত ঠিকভাবে বিতরনের ব্যবস্থাও থাকতে হবে। এখানে সেই বিতরন ব্যবস্থার তথ্যই দেয়া হয়েছে।
গবেষকদের গবেষণায় যে তথ্য বেরিয়ে এলো তা সত্যি বিস্ময়কর।
দেখা গেছে পুরুষের বীর্যপাত (Ejaculation) দুটো ধাপে হয়:-
Ejaculation
Click This Link
Emission is the term used when sperm moves into the urethra. Ejaculation is the term used when sperm is forced out of the urethra and penis. These are both stimulated by sympathetic nerves.
When a man has achieved a sufficient level of stimulation, ejaculation begins. At that point, under the control of the sympathetic nervous system, semen containing sperm is produced (emission).[3]
The sympathetic division (thoracolumbar outflow) consists of cell bodies in the lateral horn of spinal cord (intermediolateral cell columns of the spinal cord from T1 to L2 )
The semen is ejected through the urethra with rhythmic contractions.[4] These rhythmic contractions are part of the male orgasm. They are generated by the bulbospongiosus muscle under the control of a spinal reflex at the level of the spinal nerves S2-4 via the pudendal nerve.
প্রথমে (Emission of semen) বিভিন্ন গ্ল্যান্ড থেকে তরল নিঃসরনের সাথে শুক্রাণূ গঠনের জন্য বিশেষ কোষ অর্থাৎ স্পারমাটোজোয়া ইউরেথ্রার পশ্চাৎভাগে এসে জমা হয়। এপিডিডাইমিস, ভাসডিফারেন্স, স্যামাইনাল ভেসিকেল ও প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের মাংসপেশী সংকোচনের কারনে প্রথমত বীর্যের এই নিঃসরন সাধিত হয়। ইউরেথ্রায় জমে থাকা এই বীর্য যেন মূত্র থলিতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেইজন্য একই সাথে মূত্রথলির মুখের স্ফিংটারটিও সংকুচিত হয়। আর এই ঘটনাগুলো মূলত সিম্প্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের এর মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।
এরপর (Expulsion of semen) এই জমে থাকা বীর্য পতনের জন্য অর্থাৎ ইউরেথ্রা দিয়ে নিচের দিকে নেমে এসে সবেগে বাহিরে নির্গত হওয়ার বিষয়টি সমাধা করার জন্য বালবোক্যাভার্নোসাস, ইস্চিওক্যাভার্নোসাস ও পেরিইউরেথ্রাল মাংসপেশীগুলো থেকে থেকে নির্দিষ্ট তালে সংকুচিত হতে থাকে। এই মাংসপেশীর সংকোচন সাধিত হয় মূলত পুডেন্ডাল নার্ভের মাধ্যমে।
এই দুটো ধাপের দিকে ভাল করে খেয়াল করলে বোঝা যায় যে, বীর্যের মধ্যে শুক্রাণূ উৎপাদনের মূলে যে জনন কোষ স্পারমাটোজোয়া এবং তরলের যে মিশ্রন থাকে সেগুলো মূলত প্রথম ধাপে এপিডিডাইমিস এবং অন্যান্য গ্ল্যান্ড থেকে নির্গলিত হয়ে বের হয়ে এসে নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে জমা হয়। এই জনন কোষ হতে উৎপাদিত শুক্রানূ থেকেই পরবর্তীতে মানুষের জন্ম হয়। এখানে বিশেষ লক্ষণীয় হলো- যে সিম্প্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে মূলত এই কার্যক্রম পরিচালিত হয় তার উৎপত্তিস্থল হলো মেরুদন্ডের ভিতরে যে স্পাইনালকর্ড থাকে তার মধ্যে।
এই মেরুদন্ডের হাড় বা কশেরুকাগুলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে মূলত এভাবে ভাগ করা হয়েছে- ঘাড়ের হাড় (কশেরুকা) বা সার্ভাইকাল ভার্টিবরা-৭টি, বুকের হাড় (কশেরুকা) বা থোরাসিক ভার্টিবরা-১২টি, পিঠের হাড় (কশেরুকা) বা লাম্বার ভার্টিবরা-৫টি এবং সেইসাথে নিতম্বের হাড় হিসেবে আরও অতিরিক্ত ৪/৫টি কশেরুকা মিলিত হয়ে স্যাকরাম এবং ৩/৪টি কশেরুকা মিলিত হয়ে কক্সিস গঠিত হয় ।
এখানে আমাদের আলোচনার বিষয়টি যেহেতু বুক, পিঠ ও নিতম্ব/কোমরের হাড় (কশেরুকা) নিয়ে, তাই সংক্ষেপে সেটাকেই তুলে ধরছি-
উপরের দেয়া তথ্যমতে ১২টি থোরাসিক ভার্টিবরা বা বুকের কশেরুকাকে সংক্ষেপে T1 - T12 হিসেবে চিহ্নীত করা হয়। অঙ্গব্যবচ্ছেদ নকশা অনুসারে নরকঙ্কালের পিছনের দিকে অবস্থান করলেও এগুলো দ্বারা বক্ষপিঞ্জরের মূল ভিত্তি রচিত হয় এবং রিবস অর্থাৎ পাজরগুলো বুকের এই কশেরুকাগুলোর সাথে যুক্ত থাকে বলেই বক্ষপিঞ্জরের গঠন সম্ভব হয়। তাই (৮৬:৭) নং আয়াতে থোরাসিক ভার্টিবরা বা বুকের কশেরুকাগুলোকে বুকের মূল হাড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর ৫টি লাম্বার ভার্টিবরা অর্থাৎ পিঠের কশেরুকাগুলো সংযুক্ত থাকে। এগুলোকে সংক্ষেপে L1 - L5 হিসেবে চিহ্নীত করা হয়। পিঠের বড় বড় ও শক্তিশালী মাংসপেশীগুলো এই লাম্বার ভার্টিবরা বা পিঠের কশেরুকাগুলোর সাথে সংযুক্ত থাকে। তাই (৮৬:৭) নং আয়াতে এগুলোকে পিঠের মূল হাড় বলা হয়েছে।
কোমরের ভিত্তি গঠনে নিচের দিকের লাম্বার ভার্টিবরা মূল ভূমিকা রাখে এবং ৫ নং লাম্বার ভার্টিবরার সাথে স্যাকরাম (সংক্ষেপে S1 - S5 হিসেবে চিহ্নীত করা হয় ) ও নিতম্ব/কোমরের অন্যান্য হাড়গুলো সংযুক্ত থাকে। তাই (৮৬:৭) নং আয়াতে ছুলবুন শব্দটি দ্বারা ( পিঠ, কোমর, পুরুষের পিঠের হাড়) বীর্য নিঃসরণের সাথে যে কোমরের হাড়ের (কশেরুকা) মধ্যকার কোন কিছুর সম্পর্ক থাকতে পারে সেদিকেই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
আমরা আগেই জেনেছি যৌন জনন কার্য সম্পাদনের সময় বীর্য নিঃসরণের বা নির্গলিত (Emission of semen) হওয়ার কাজটি মূলত সিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমেই সাধিত হয়। সিমপ্যাথেটিক নার্ভের নিউরোনগুলো বুক ও পিঠের মেরুদন্ডের হাড়গুলোর ভিতরের ফাঁকা স্থানে অবস্থিত স্পাইনাল কর্ডের ইন্টারমিডিওল্যাটেরাল কোষের সারি এবং সেন্ট্রাল গ্রে-ম্যাটারে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে এই কাজের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সিমপ্যাথেটিক নার্ভের নিউরোনগুলো মূলত T10 নং থোরাসিক ভার্টিবরা (বুকের কশেরুকা /হাড়) থেকে L2 নং লাম্বার ভার্টিবরার অভ্যন্তরে অবস্থিত (পিঠের কশেরুকা/ হাড়) কশেরুকা-রজ্জুর মধ্যে অবস্থান করে।
Click This Link of ejaculation -
গবেষণায় আরও দেখা গেছে হাইপোগ্যাসট্রিক নার্ভের ফাইবারগুলো এর সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং নিম্নাঙ্গ অর্থাৎ কোমরের নিচের অংশ প্যারালাইসিস রুগীর সুপিরিয়র হাইপোগ্যাসট্রিক প্লেক্সাস উত্তেজিত করলে বীর্য নিঃসরণ (Emission) হয়। যা মূলত লাম্ব-স্যাকরাল অর্থাৎ পিঠ ও নিতম্ব গঠনের মূল হাড় বা কশেরুকার মধ্যস্থিত স্নায়ুরজ্জু দ্বারা চালিত হয়।
এরপর (Expulsion of semen) ইউরেথ্রার পিছনের অংশে জমে থাকা বীর্য সবেগে বাহিরে বের করে দেবার কাজটি পুডেন্ডাল নার্ভের মাধ্যমে সাধিত হয়। এর উৎপত্তি হয় S2 - S4 নং স্যাকরাল ভার্টিবরার (কোমর/নিতম্বের কশেরুকা বা হাড়) অভ্যন্তরে অবস্থিত স্পাইনাল কর্ডের ইন্টারমিডিওল্যাটেরাল কোষ থেকে।
এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে অপূর্ণকালিক বীর্যপাত (Premature Ejaculation) যেন না ঘটে সেজন্য একধরনের সেন্ট্রাল নিউরোট্রান্সমিটার সেরোটনিন (5-HT) বিশেষ ভূমিকা পালন করে। যা (পিঠের হাড় বা কশেরুকার) L3 – L5 নং স্পাইনাল সেগমেন্টে বিমুক্ত হয়।
বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশে “জনসংখ্যা বৃদ্ধি”-কে একটা বড় সমস্যা মনে করা হলেও গবেষণায় দেখা গেছে সমগ্র বিশ্বের প্রেক্ষাপটে এটি একটি অলীক, বানোয়াট বা পুরাণকথা বই কিছু না। Click This Link কোন উন্নয়নশীল দেশের জন্য “জনসংখ্যা বৃদ্ধি”-কে সমস্যা হিসেবে ধরে নিলেও সেখানে বসবাসরত কোন নব দম্পতিকে কি সন্তান গ্রহণের বাসনা থেকে বিরত রাখা সম্ভব? না, কখনই না। সন্তান পাবার আকাংখা শুধু মানুষই নয়- সকল জীবের স্বাভাবিক জীবন প্রবাহের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গবেষণায় দেখা গেছে বর্তমানে প্রায় ৬টি দম্পতির মধ্যে ১টি দম্পতি ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে সন্তান পাবার জন্য চেষ্টা করেও ফল পাচ্ছে না। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে বলা যায় যে, বিশ্বে প্রায় ৮ কোটি দম্পতি স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন জাপনের পরও সন্তানের মুখ দেখতে পারছে না। দেখা গেছে ২০ জন পুরুষের মধ্যে অন্তত একজন পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যে শুক্রাণূ থাকা সত্বেও অস্বাভাবিকতার কারনে সন্তান জন্ম দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাছাড়া অপূর্ণকালিক বীর্যপাত জনিত সমস্যার কারনে পারিবারিক অশান্তি সহ বিবাহ বিচ্ছেদের হারও কম নয়।
সুতরাং গভীরভাবে চিন্তা করলে সহজেই অনুমান করা যায় যে, সন্তান পাবার আকাংখা পুরোনের জন্য স্বাভাবিক বীর্য নিঃসরণ ও বীর্যপাত সম্পর্কে ধারনা নেয়ার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। অপূর্ণকালিক বীর্যপাত রোধ ও ত্রুটিপূর্ণ বীর্যের চিকিৎসার জন্য এ তথ্যগুলো যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এ বিষয়ে আরও গবেষণার যে যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
আল-কোরআনে এ ধরনের আরও অনেক শব্দ ও আয়াত এসেছে তা যখন নাজিল হয়েছিল শুধু তথনকার জন্য নয়, বরং কেয়ামত পর্যন্ত এর সঠিক অর্থ বোঝানোর জন্যই মহান স্রষ্টা শব্দটাকে সেভাবেই ব্যবহার করেছেন। মানুষের জ্ঞানের পরিধি যত বিস্তৃত হবে, সে চিন্তা-ভাবনা করলে তত সূক্ষ্মভাবে তার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে।
"মহান স্রষ্টা যে আছেন" আল-কোরআনই তার চিরন্তর জ্জ্বলন্ত প্রমান। আল-কোরআনের আলোকে জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ হলে মানুষ ধীরে ধীরে অলীক কল্পনা ও মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে আসে। সত্যের স্বচ্ছ জ্যোতিতে তার জ্ঞানচক্ষু হয় শাণিত ও উন্মোচিত। সুদূরপ্রসারী চিন্তাশক্তির সহায়তায় প্রচলিত মতবাদগুলোর মধ্য থেকে প্রকৃত সত্যটি সে সহজেই খুঁজে ও বুঝে নিতে পারে। এটি নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়। তাই এতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও ত্বত্ত্বগুলোর বিস্তারিত বিবরণ না দিয়ে ঐশী ইংগিত দেয়া হয়েছে মাত্র। সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে একজন ইমানদার যখন আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর চিন্তা-গবেষণায় রত হয়, তখন পরম শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসে জগৎসমূহের স্রষ্টা সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে সে বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত হয় না। আল-কোরআন যে স্বয়ং মহান স্রষ্টা প্রেরিত পথপ্রদর্শনকারী মহাগ্রন্থ তা জ্ঞানী ও সরলমনা বিশ্বাসীরা তখন নির্দিধায় মেনে নেয়।।
বিঃদ্রঃ - লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে। অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য মুছে ফেলা হবে এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলে প্রয়োজনে ব্লক করতে বাধ্য হব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

