ঈদুল আযহায় পশু কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো এর গোস্ত শুধু নিজে খাওয়া নয় বরং আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদেরকে খাওয়ানো এবং চামড়া অথবা তা বিক্রির অর্থ দান করে দেয়া। যারা কোরবানি দেবেন তাদের জন্য কোরবানির গোস্ত বিশেষ কারন ছাড়া তিন দিনের বেশি জমা করে রাখা উচিত নয়।
আল-কোরআন-সূরা নং ২২-আয়াত নং ২৮
(যাতে তারা তাদের কল্যাণের স্থান পর্যন্ত পৌছে এবং নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে তাঁর দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময়। অতঃপর তোমরা তা থেকে আহার কর এবং দুঃস্থ-অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।)
বুখারী শরীফের হাদিছ-
(আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কুরবানির গোস্ত লবণ মেখে রেখে দিতাম। তারপর তা থেকে কিছু অংশ হুজুর (সাঃ) এর খেদমতে পেশ করতাম। তিনি বলতেন (কুরবানীর গোস্ত) তিন দিন পর্যন্তই খাও। এই নির্দেশ অলঙ্ঘনীয় বিধান রূপে দেয়া হয় নাই; বরং তিনি অন্যদেরকে নিয়েও খেতে চেয়েছিলেন। আল্লাহই অধিক অবগত।)
কিন্তু আমাদের মধ্যে যাদের কোরবানি করার মত সামর্থ আছে, বর্তমানে এন্থ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ায় কোরবানির পশু না পাওয়া গেলে আমাদের কি করণীয়? এ বিষয়ে আল-কোরআন ও হাদিছের আলোকে আলেম সমাজের পাশাপাশি সকল ইমানদাদের চিন্তা-ভাবনা করার অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। আমার এ পোষ্টটি সেই উদ্দেশ্যেই দেয়া। আশাকরি সবাই অংশ নেবেন। আল্লাহতায়ালা যেন আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল-ত্রটি ক্ষমা করেন। নিচের লিংকটিতে এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশকারী একজনের সাথে আলোচনাটি তুলে ধরা হলো যেন বুঝতে সুবিধা হয়।
এ সম্পর্কে জনৈক নাস্তিকের প্রশ্ন-
আমি জানতে চাচ্ছিঃ
১. এবার এনথ্রাক্স-এর কারণে গরু-ছাগল বা এ-জাতীয় পশু কোরবানী দেয়া যাবে-কি যাবে-না, এই সম্পর্কে কি বলা আছে কোরআন-এ??? (কারণ, এনথ্রাক্স-এর কারণ-এ পশু জবাই করলে-ও তার মাংস কেবল নিজেরা-ই নয়... কেউ-ই খেতে পারবে-না; অর্থাৎ বিলানো যাবে-না...)...
২. বিকল্প কি করার কথা বলা আছে সেখান-এ??? (কোরআন-এ...)...
৩. এ-বার বাংলাদেশে এনথ্রাক্স হবে~ এমন কোনো বিষয় কি সেখান-এ আছে??? (যে-কোনো দেশ-এর নাম থাকলে-ও চলবে...)...
জানাবেন আশা করি! বড়-ই পেরেশানি-তে আছি!!! বিরিয়ানী খাওয়া বন্ধ!!!...
আমার উত্তর-
ভাই, যদিও কোরবানি আপনার বিষয় নয়, তথাপি এ নিয়ে কেন?? আপনি মাথা ঘামাচ্ছেন তা পরিষ্কার বুঝতে পারছি!! ইসলাম ধর্ম এত কঠিন নয় যে সামান্য এন্থ্রাক্স-ই এর জন্য সমস্যা সৃষ্টি করবে। কোন সমস্যা নেই-
আল-কোরআন-২২নং সূরা হাজ্জ্ব-আয়াত ৩৭
(২২:৩৭) অর্থ- এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
কোরবানি করা সুন্নত। নামাজ যেমন ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার জন্য ফরজ অর্থাৎ কায়েম করতেই হয়, এটি তেমন বিষয় নয়। তবে কারো আর্থিক সামর্থ থাকলে তখন তার উপর কোরবানি করা ওয়াজিব হয়ে যায়।
এই সামর্থ বলতে যিনি কোরবানি করবেন তার আর্থিক সামর্থর সাথে সাথে যেসব পশু কোরবানি করা হবে সেগুলো সুস্থ-সবল হওয়াও শর্ত।
আল-কোরআন-২ নং সুরা বাকারা
(২:৭০) তারা বলল, 'আমাদের জন্য তোমার প্রতিপালককে স্পষ্টরূপে জানিয়ে দিতে বল- গরুটি কি ধরনের? কেননা, গরু তো আমাদের কাছে একই রকম মনে হয়। ইনশাআল্লাহ এবার আমরা অবশ্যই পথপ্রাপ্ত হব।
(২:৭১) মূসা (আঃ) বললেন, "তিনি বলেছেন যে, এ এমন একটি গাভী যা জমির চাষে ও ক্ষেতে পানি সেচের কাজে ব্যবহৃত হয়নি -হবে সুস্থ, নিখুঁত।"
লোক দেখানোর জন্য অনেক বড় নয় বরং সামর্থের মধ্যে কোরবানির যোগ্য সুস্থ-সবল ও নিখুঁত পশু পেলেই তো হলো।
যদি নিয়ত ঠিক থাকে এবং তিন দিনের মধ্যে অনেক চেষ্টার পরও সামর্থ থাকা সত্বেও শর্ত পুরণ করা সম্ভব না হয় অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে সুস্থ-সবল পশু পাওয়া না যায় তাহলে কোরবানি করার প্রয়োজন নেই। তবে সামর্থ মত চেষ্টা করা হয়েছে কিনা সেটা নিজের কাছে পরিষ্কার থাকতে হবে। এক্ষেত্রে যদি কোরবানি করা একদমই সম্ভব না হয়- তবে তা না করলে বা অল্টার্নেট ব্যবস্থা না নিলে কোন পাপ হবে না। আল্লাহতায়ালা মানুষের উপর জুলুম করেন না।
যেহেতু বাকী বিষয়টি একজন মুমীনের তাকওয়ার উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং এ পরিস্থিতিতে আল্লাহতায়ালা দেখবেন যে সেই ব্যক্তিটি মনের দিক থেকে কতখানি পরিষ্কার ছিল। এই কোরবানির গোস্তের একটি অংশ এবং চামড়ার পুরোটাই গরীবের জন্য নির্ধারিত। তাই একজন মুমীন যদি তাকওয়ার আলোকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ গরীবের মধ্যে বিলিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে তার তাকওয়া বাড়বে বই কমবে না।
এভাবে বিভিন্ন পরিস্থিতে আল্লাহতায়ালা মানুষের মন ও তাকওয়ার পরীক্ষা নেন। যেসব বিষয় সরাসরি কোন অল্টার্নেট বলে দেয়া হয়নি সেগুলোর ব্যপারে মানুষ তার বিবেকের সহায়তায় যে সিদ্ধান্ত নেয় তার মাধ্যমে তার তাকওয়ার পরীক্ষা নেয়া হয়। এই সদ্ধান্তের ভিত্তি হলো একজন মানুষের বিবেক ও তাকওয়া। আর এ বিষয়টি ইমান না থাকলে অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
তাই বিষয়টি আপনারও বুঝতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে!!!!
আবারও সেই নাস্তিকের মন্তব্য ও প্রশ্ন-
আপনি যেই তথ্য দিলেন... তার ভিত্তি কি???...
ভাই... আসলে-ই সমস্যা হচ্ছে...
কারণ... আপনারা বলেন... এই সেই মহা-গ্রন্থ... যেখানে সব অন্তর্ভূক্ত আছে... কিন্তু দেখতে-ই পাচ্ছেন... সব নেই!!!... তার-পর-ও আপনারা স্বীকার করেন-না!!!... তাকওয়া খুজেন!!!...
বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার ফলে-ই... এই প্রশ্ন-টি করা-র সুযোগ হয়েছে... অন্য-সময় হলে... আপনারা নিশ্চয় পুরো-পুরি উড়িয়ে দিতে চেষ্টা করতেন... কাজেই দেখা যাচ্ছে... পৃথিবীতে এমন অনেক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে... যেগুলো সম্পর্কে কোরআন-এ কিছু-ই বলা নেই...
আর... আপনি বলছেন... নিজের বিচার-বুদ্ধির উপর নির্ভর করতে... তাহলে আর ধর্মীয় নিয়ম-কানুন কেন???... আমরা-ও কিন্তু সেই কথা-ই বলি!!!..
আমার উত্তর-
ইসলামের নিয়ম-কানুনগুলো আপনি যেমন ভাবছেন তেমন নয়। অত্যন্ত বাস্তবধর্মী এবং যান্ত্রিকতা-মুক্ত। মানুষকে আল-কোরআনের আলোয় আলোকিত করার সাথে সাথে নিজের বিবেক ও তাকওয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এভাবেই মহান স্রষ্টা পরীক্ষা করেন। তাই নাস্তিকদের চোখে এগুলো বেমানান লাগবারই কথা। ভাই আমি জানি, বর্তমান পরিস্থিতে আল-কোরআন থেকে পশু কোরবানির বিষয়ে কোন তথ্য বের করে দেবার পর আপনি আবারও অন্য প্রসংগ টেনে আনবেন। তারপরও আমার নিজের ইচ্ছাতেই বলছি।
প্রথমেই মহান স্রষ্টার কাছে মাথা নত করে কৃতজ্ঞা প্রকাশ করছি।
আপনি আল-কোরআনের এই (২:১৯৬) নং আয়াতের দিকে দৃষ্টি দেবেন আশাকরি। যদিও বিধানটি হজ সম্পর্কে তথাপি কোরবানির সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে এটি সার্বজনিন বটে। এতদিন আমাদেরকে এ ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হয়নি। তাই বিধানটিকে শুধুমাত্র হজের সাথেই সম্পর্কিত ভাবতাম। কিন্তু বর্তমানে কোরবানির জন্য ব্যবহৃত অধিকাংশ পশু এন্থ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ায় এই আয়াতের মর্ম নুতন কোরে অনুধাবন করার সুযোগ হলো। আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রমান করে দিল যে, আল-কোরআনের প্রতিটি তথ্যই সার্বজনিন। কারন সারা বিশ্বে ঈদুল আজহার নামাজ এবং নামাজের পর যে পশু কোরবানি করা হয় তা হজের সঙ্গে সম্পর্কিত। ঈদুল আজহা উৎযাপনের জন্য পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষ হজের দিনটির দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়। তাই কুরবানরি ক্ষেত্রেও বর্তমানে শুধু আমাদের দেশের জন্যই নয়, ভবিষ্যতেও পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের যে কোন দেশের ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই আয়াতের বিধান সমভাবে প্রযোজ্য হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। মহান আল্লাহ যেন সকল প্রকার ভুল-ভ্রান্তির হাত হতে আমাদের রক্ষা করেন।
আল-কোরআন-২ নং সূরা বাকারা
(২:১৯৬) অর্থ- আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ্ব ওমরাহ পরিপূর্ণ ভাবে পালন কর। যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য। আর তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মাথা মুন্ডন করবে না, যতক্ষণ না কোরবাণী যথাস্থানে পৌছে যাবে। যারা তোমাদের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বে কিংবা মাথায় যদি কোন কষ্ট থাকে, তাহলে তার পরিবর্তে রোজা করবে কিংবা খয়রাত দেবে অথবা কুরবানী করবে। আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ্ব ওমরাহ একত্রে একই সাথে পালন করতে চাও, তবে যাকিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য। বস্তুত যারা কোরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জ্বের দিনগুলোর মধ্যে রোজা রাখবে তিনটি আর সাতটি রোযা রাখবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি রোযা পূর্ণ হয়ে যাবে। এ নির্দেশটি তাদের জন্য, যাদের পরিবার পরিজন মসজিদুল হারামের আশে-পাশে বসবাস করে না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক। সন্দেহাতীতভাবে জেনো যে, আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন।
এই আয়াত থেকে বুঝে নয়ো যায় যে, আমাদের দেশে যদি এমন পরিস্থিতি চলতে থাকে যে অনেকেই কোরবানির উপযুক্ত পশু পাচ্ছেন না। তাদেরকে উপরের আয়াতের নির্দেশনা অনুসারে হজের মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত তিনটি রোজা এবং হজ তথা ঈদের তিনদিন বাদ দিয়ে পরবর্তীতে আরও সাতটি অর্থাৎ মোট দশটি রোজা রাখতে হবে। আল্লাহতায়ালা মানুষের উপর জুলুম করেন না। তাই এই সংকটময পরিস্থিতিতে পশু কোরবানি দেয়া সম্ভব না হলে রোজা রাখার বিধান দেয়া হয়েছে।
সেই সাথে আমি তাকওয়া ও নিজের বিবেকের আলোকে যে সিদ্ধান্ত নেবার কথা বলেছি তা ববিচেনা করা যেতে পারে। তবে কারো জন্য তা জলুম অর্থাৎ কঠিন হলে তা মানা আবশ্যক নয়।
সুতরাং আল-কোরআন যে সর্বকালেই সর্বাবস্থায় তথা সকল সংকটময় পরিস্থিতে মানার ও গ্রহণ করার মত ঐশী বিধান তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। মহান আল্লাহতায়ালা একজন অবিশ্বাসীর মাধ্যমেও ইমানদারদের ইমানী চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করে দিতে পারেন - এটাই তার বাস্তব প্রমান।
আবারও সেই নাস্তিকের মন্তব্য-
ধন্যবাদ... এই-তো ভাই... এখন আপনারা তিল থেকে তাল বের করতে শুরু করেছেন... এটা-ই হয়তো সঠিক পদ্ধতি...
আমি যেহেতু অযথা বিতর্ক পছন্দ করি-না... তাই... এই বিষয় নিয়ে আর কিছু বলার নেই... কারণ... আপনি নিজে-ই স্বীকার করেছেন... আয়াত-এর বিষয়-টি কেন প্রযোজ্য...
আমার লেখা পড়ার... এবং... মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ...
আমার উত্তর-
আমি তো আগেই বলেছি-
ইসলামের নিয়ম-কানুনগুলো আপনি যেমন ভাবছেন তেমন নয়। অত্যন্ত বাস্তবধর্মী এবং যান্ত্রিকতা-মুক্ত। মানুষকে আল-কোরআনের আলোয় আলোকিত করার সাথে সাথে নিজের বিবেক ও তাকওয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এভাবেই মহান স্রষ্টা পরীক্ষা করেন। তাই নাস্তিকদের চোখে এগুলো বেমানান লাগবারই কথা। ভাই আমি জানি, আল-কোরআন থেকে আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পশু কোরবানির বিষয়ে কোন তথ্য বের করে দেবার পর আপনি আবারও অন্য প্রসংগ টেনে আনবেন। তাই হলো----------
তাহলে এবার শুনুন, আল্লাহতায়ালা আপনাদের সম্পর্কে বলেন-
আল-কোরআনের বাণী-
(৬১:৮) তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।
(৩১:৪০) আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোরআনকে বিশ্বাস করবে এবং কেউ কেউ বিশ্বাস করবে না। বস্তুতঃ তোমার পরওয়ারদেগার যথার্থই জানেন দুরাচারদিগকে।
(৩১:৪১) আর যদি তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তবে বল, আমার জন্য আমার কর্ম, আর তোমাদের জন্য তোমাদের কর্ম। তোমাদের দায়-দায়িত্ব নেই আমার কর্মের উপর এবং আমারও দায়-দায়িত্ব নেই তোমরা যা কর সেজন্য।
(৩১:৪২) তাদের কেউ কেউ কান রাখে তোমাদের প্রতি; তুমি বধিরদেরকে কি শোনাবে যদি তাদের বিবেক-বুদ্ধি না থাকে!
(৩১:৪৩) আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের প্রতি দৃষ্টিনিবদ্ধ রাখে; তুমি অন্ধদেরকে কি পথ দেখাবে যদি তারা মোটেও দেখতে না
পারে।
(৩১:৪৩) আল্লাহ জুলুম করেন না মানুষের উপর, বরং মানুষ নিজেই নিজের উপর জুলুম করে।
বিঃদ্রঃ - লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য ও সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করা হবে। অপ্রাসঙ্গিক কোন মন্তব্য মুছে ফেলা হবে এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করলে প্রয়োজনে ব্লক করতে বাধ্য হব।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


