somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলিমদের অবদানকে স্বীকার করতে যারা কৃপণতা করে- তাদের বলছি

০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইংরেজদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে যারা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের মধ্যে সব ধর্মের মানুষের স্বপ্রণোদিত উপস্থিতি ছিল বলেই ইংরেজরা ভারতবর্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল। ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য শুধু অসহযোগ আন্দোলন নয়, বরং স্বশস্ত্র সংগ্রামেরও যে প্রয়োজন ছিল তা অস্বীকার করার উপায় নেই। ভারতের ইতিহাসের পাতায় স্বশস্ত্র বিপ্লবী হিসেবে যাদের নাম সহজেই চোখে পড়ে তারা হলেন সুভাষ বোস, মাস্টার-দা সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকি, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, ভগদ সিং প্রমুখ। নিঃসন্দেহে তাদের আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনমনীয় মনোভাবের কারনে তারা সকল প্রজন্মের অনুপ্রেরণার পাত্র। কোন বিপ্লবের বটবৃক্ষ হঠাৎ করেই গজিয়ে ওঠে না। এর বীজ রোপণ করা থেকে শুরু করে অঙ্কুরোদাম হওয়া এবং পুষ্প পল্লবে সুশোভিত হওয়ার মাঝে অনেকগুলো পর্যায় পার হতে হয়। বীজ যেখানে রোপিত হয় সেখানকার মাটি ও পরিবেশ যদি অনুকূল না থাকে তাহলে সুপ্ত অঙ্কুর বীজের মাঝেই বিনাশ প্রাপ্ত হয়। যাঁরা বিপ্লবের বীজ বপনের পরিবেশ রচনা করেন তাদের অতুলীত ভুমিকা অস্বীকার করা অকৃতজ্ঞতারই নামান্তর। বর্তমানে ভারতীয়রা মুসলিম বীর সেনানীদের নাম নিতে কৃপণতা করলেও ইংরেজদের জুলুমের বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র আন্দোলনের হাতেখড়ি যে মুসলিম বীরদের হাতেই হয়েছিল তা ইতিহাসই সাক্ষি দেয়। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক, আজ সেই বীর যোদ্ধা ও শহীদদের মধ্য থেকে এমন কয়েকজনের নাম ও বীরত্বের কাহিনী সংক্ষেপে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি যাঁরা পক্ষপাতহীন ইতিহাসের পাতায় ও বিবেকবান নিরপেক্ষ মানুষের স্মৃতির খাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন ও থাকবেন। তবে আমি সেই সব বিতর্কিত সুবিধাভোগীদের কথা বলছি না যারা ধর্মের লেবাশ পরে থাকলেও তাদের যেমন কোন ধর্ম নেই, তেমনি ওরা অকর্ম করে শুধুমাত্র আপন স্বার্থসিদ্ধির জন্য।

ইংরেজ আমলের অরাজক পরিস্থিতি যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল, ঠিক তখন (১৭০৩ - ১৭৬৪ খৃঃ) তৎকালীন মুসলিম সভ্যতা-সংস্কৃতি ও ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের তীর্থভূমি দিল্লিতে আবির্ভূত হলেন শাহ্ ওয়লিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী। ইংরেজদের দুঃশাসন, জুলুম এবং একই সাথে ধর্মীয় কুসংস্কার ও বিদেশী অপসংস্কৃতি থেকে মুক্তি দানের লক্ষে সমাজ সংস্কারক হিসেবে আবির্ভূত হয়ে তিনি নিজের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে ভারতবর্ষ তথা এই বাংলার মানুষকে নবজাগরণের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যারা জীবন বাজি রেখেছিলেন তাদের মধ্যে সর্বপ্রথমে যার নাম না নিলেই নয় তিনি হলেন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আহমদ বেরলভী। যদিও তাদের এ আন্দোলনকে ওয়াহাবি আন্দোলন নামে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে মুসলিমদের স্বশস্ত্র যুদ্ধ অর্থাৎ জিহাদ।

সৈয়দ আহমদ শহীদ বেরলভি ১৭৮৬ খৃষ্টাব্দে রায়বেরেলিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভীষন সাহসী, সুঠাম দেহ ও প্রবল মানসিক শক্তির অধিকারী ছিলেন। শৈসবে তিনি সাহ আব্দুল আজিজ ও আকবর মসজিদ ও মাদ্রাসার শিক্ষক এবং আল-কোরআনের প্রথম উর্দু অনুবাদক আব্দুল কাদেরের সংষ্পর্শে আসেন। জ্ঞানতাপস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসহীন এই মানুষটি এক সময় ভারতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত টংকির নবাবের সংষ্পর্শে আসেন এবং সেনাবাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। সেই সময় তাদের সাথে বৃটিশ বাহীনির যুদ্ধ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ নবাব তার মত পরিবর্তন করে বৃটিশদের কাছে আর্থিক সাহয্যের হাত বাড়ালে তিনি তার প্রতিবাদ করেন। তাঁর যুক্তি ছিল বৃটিশদের কাছে একবার হাত পাতলে ভবিষ্যতে আর তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারন করা সম্ভব হবে না। তিনি নবাবকে বিষয়টি বোঝাবার জন্য অনেক চেষ্টা করেন। কিন্তু নবাবের অনমনীয় মনোভাব দেখে তিনি এর প্রতিবাদ স্বরূপ নাবাবের সেনাবাহিনীর উচ্চপদ ত্যাগ করে টংকি ছেড়ে ১৮১৮ খৃষ্টাব্দে দিল্লীতে ফিরে আসেন। একজন স্বাধীনচেতা মানুষ হিসেবে এটি ছিল তাঁর পক্ষ থেকে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ। তখনও ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে না ওঠার কারনে সেই মুহূর্তে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সরারসরি অস্ত্রধারন করা সম্ভব ছিল না। তাই তিনি ইংরেজদের পক্ষ থেকে আহ্বানকৃত সকল লোভ ও পদমর্যাদাকে উপেক্ষা করে আপাতত মানুষকে সচেতন করার মাধ্যমে বৃটিশ বিরোধী জনমত গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। একই সাথে তিনি সকল প্রকার ধর্মীয় কুসংস্কার ও বেদাত দূর করার লক্ষে স্পষ্ট বক্তব্য ও যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে মানুষকে জাগিয়ে তুলে সমাজ সংস্কারের কাজও চালিয়ে যেতে থাকেন। এভাবে তৎকালীন ভারতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিপ্লবের ভিত নির্মাণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।

সৈয়দ আহমদ বেরলভী কাছে দিক্ষিত ও অনুপ্রাণিত আরেকজন বিল্পবী সেনানীর নাম মীর নিসার আলী তিতুমীর। ইংরেজ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার যুদ্ধে বাংলার প্রথম শহীদ তিতুমীর ১৮৩১ সালে চব্বিশপরগনার নারিকেলবাড়িয়ায় বাশের কেল্লা নির্মান করে সহযোদ্ধা সাধারন জনগনকে সাথে নিয়ে যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং আত্মাহুতি দিয়েছিলেন তা ভারতবর্ষের তৎকালীন সকল বিল্পবীদের প্রেরণা যুগিয়েছিল। ইতিহাসের পাতায় ও সকল বিপ্লবীদের খাতায় তাঁর এই বীরত্বগাথা চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

একই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে দুর্বল চাষীদের উপর নিলকরদের জুলুম ও নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ফরিদপুরের হাজি শরীয়তুল্লাহ ও তাঁর পুত্র মহসীন উদ্দীন দুদু মিয়া দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। যা ফারাজিয়া আন্দোলন নামে পরিচিতি লাভ করে।

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব ছিল ইংরেজ দুঃশাসনের ভীত কাপিয়ে দেয়া সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ আন্দোলন। এই বিপ্লবে মুসলিমদের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি এবং তারই মুখ্য ভুমিকা পালন করেছিলেন।

১৯১১ সালের পর ইংরেজদের বিরুদ্ধে মুসলিম ও হিন্দু ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন বেগবান হতে থাকে। একদিকে মওলানা মোহাম্মদ আলীমওলানা শওকত আলী ইংরেজদের বিরুদ্ধে জনগনকে জাগিয়ে তোলেন এবং আপন আবাসভূমিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য যে আন্দোলন গড়ে তুলেন তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিতি লাভ করে। অপরদিকে সুদূর উত্তর-পশ্চিমের পার্বত্য অঞ্চলে পশতুন নেতা আব্দুল গাফফার খানের নেতৃত্বে গঠিত দল 'খোদায়ি খিদমাদগার' অর্থাৎ 'আল্লাহর দাস' এর ছত্রছায়ায় এবং সমতল এলাকায় মহাত্মা গান্ধির নেতৃত্বে কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন, যা ইংরেজদের বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।

স্বদেশপ্রেমের এক উজ্জল দৃষ্টান্ত মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী নুতন ধারার রাজনৈতিক চেতনার জন্ম দিয়েছিলেন। শুধু ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনই নয়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার কারনে তিনি গ্রেফতার হন। বাংলাদেশের সিরাগঞ্জ জেলার ধানগড়া গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম নেয়া এই ক্ষণজন্মা মানুষটি বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতবর্ষকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করতে হলে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের বিকল্প নেই। তাই দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মতাদর্শকে তিনি সাদরে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি অসহযোগ আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। আসামের ভাসানচরে নির্যাতিত বাঙালী কৃষকদের পাশে থেকে তিনি এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ করায় কৃষকরা ভালবেসে তাঁকে ভাসানচরের মওলানা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। পরবর্তীতে তিনি 'মওলানা ভাসানী' নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে পূর্ববাংলার মানুষের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকি-হানাদার বাহিনী তাঁর ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তিনি ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং যুদ্ধকালীন প্রবাসি বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। নির্লোভ ও সাদামাটা জীবন যাপনে অভ্যস্ত এই ধর্মিষ্ঠ মানুষটিকে পার্থিব কোন লোভ-লালসা কখনো তাঁর সরল সোজা পথ থেকে চুল পরিমাণও টলাতে পারেনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দেশে ফিরে এসে ক্ষমতার মোহ ও পদমর্যাদার হাতছানিকে দূরে ঠেলে দিয়ে আবারও জনমুখী কর্মসূচি পালনে আত্মনিয়োগ করেন। বাংলাদেশকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্বরূপ ১৯৭৬ সালে লক্ষ লক্ষ জনগণকে সাথে নিয়ে লং মার্চ পরিচালনা করেন। সাধারন কৃষক, মজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থেকে তিনি তাদের বেদনা, লাঞ্ছনা ও দুঃসহ জীবনের অভাব অভিযোগের কথা জনগণ ও সরকারের সামনে তুলে ধরতেন। স্রষ্টার প্রতি অগাধ বিশ্বাসই ছিল তার মনোবলের মূল উৎস এবং জনগণকে সাথে নিয়েই তিনি সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। দেওবন্দের মাদ্রসায় ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত ও আদর্শে দিক্ষিত পরহেজগার এই মানুষটি স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি কর্তব্য পালনের এক বাস্তব দৃষ্টান্ত। বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী অনাড়ম্বর জীবন যাপনে অভ্যস্ত এই মানুষটি তাঁর যেমন কথা ও তেমনি কর্মের মধ্য দিয়ে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের মনের মণিকোঠায় চির জাগরুক হয়ে থাকবেন। বর্তমানে আমাদের দেশের জন্য তাঁর মত দূরদর্শী ও সুস্থ চিন্তা-চেতনার অধিকারী প্রজ্ঞাবান নেতার খুবই প্রয়োজন।

স্বশস্ত্র বিপ্লবীদের একের পর এক প্রতিরোধের মুখে ইংরেজ সরকার যখন নাস্তানাবুদ প্রায়। তাদের অবস্থা যেন 'ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি'। এই সময় ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিপ্লব পরিচালনা এবং অস্ত্রসস্ত্র ও গোলাবারুদ যোগাড় করার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন দেখা দেয়। তাই ১৯২৫ সালের ৯ মার্চ স্টেশন মাষ্টার সাহজানপুর থেকে লখনৌ গার্ড ভ্যানে টাকার বস্তা নিয়ে যাচ্ছে এই খবর পেয়ে হাই কমান্ডের নির্দেশে আশফাকুল্লাহ ও তার সঙ্গিরা তা ছিনিয়ে নেয়। কাকরি গ্রামের নিকটে এই লুটের ঘটনাটি সংঘটিত হয় বলে ইংরেজ সরকার তাদের বিরুদ্ধে 'কাকরি ডাকাতি' নামে মামলা করে। প্রথমত আশফাকুল্লাহ পালাতে পারলেও বেশ কয়েকমাস পর তারই এক পরিচিতজনের বিশ্বাসঘাতকতার কারনে তিনি ধরা পড়েন এবং ১৯২৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর তার ফাঁসি হয়। ছয় ফুট লম্বা এই মানব সিংহ হাসতে হাসতে শহীদ হন। ফাঁসির মঞ্চে যাবার সময় তার কন্ঠে ধ্বনিত হচ্ছিল মুসলিমদের একত্ববাদের মূলমন্ত্র "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ"

সেই সময় এ উপমহাদেশের শিক্ষা বিস্তারে ও বিজ্ঞান, কলা, ধর্ম ও সমকালীন জ্ঞানচর্চার জগতে যুগান্তকারী বিপ্লব সাধনের সাথে যাদের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাঁরা হলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান, নওয়াব আব্দুল লতিফ, সৈয়দ আমীর আলী প্রমুখ। তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি সমাজ সংস্কারকের ভুমিকাও পালন করেন।

দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এই বীর সেনানী ও শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১২:২৭
১৪টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×