আমার এক বন্ধু আমাকে বলল 'দোস্ত কি যে জামানা আইলো, প্রেম করা সহজ কিন্তু বিয়া করা কঠিন হইয়া গেছে।'
ছেলেময়েরা প্রেম করতে চায় কিন্তু বিয়ের কথা বললে নানা অজুহাত। এদিকে ছেলেদের চাইতে মেয়েরা একটু বেশি সতর্ক। মেয়েরা প্রেম করার সময় ফ্যাশনেবল আর বিয়ে করার সময় মোটা বেতনের ছেলে খুজে। আর এখনকার ছেলেময়েদের কাছে প্রেম একটা ফ্যাশন এবং ডিজিটাল প্রেম। প্রেমের ভার্ষন ও দিন দিন আপগ্রেড হইতাছে।
এইবার মুল কথায় আসি। পর্ন ছবি দিন আমাদের যুব সমাজকে বিকালাম্গ করে দিচ্ছে, মানষিকভাবে হয়ে পড়ছে দুর্বল। ফলে বিবাহ পুর্ব ও পরবর্তী জীবনে নানা শংকা, ভুলবোঝাবুঝি ও অশান্তি। মোবাইল ফোনের কল্যানে পর্ন পৌছে গেছে মানুষের হাতের মুঠোয়। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরা সমান হারে পর্ন দেখে। ফলে ছেলে মেয়ে উভয়ের মনে তৈরী হচ্ছে ভুল ধারনা। পর্ন ছবি দেখে ছেলে মনে করে আমি কি পারব এতক্ষন যদি নাপারি কি হবে ? ছোট বড় হাবিজাবি অনেক কিছু। মেয়েদের মনেও একধরনের ভুল ধারনার তৈরি হয়। এদেশের অনেক মানুষ এই রোগের রোগি । বেশির ভাগ সময় ছেলেরা এই বিষয়ে বেশি চিন্তা করে, রাস্তার ধারে লেকচারারের ঔষধ কিনে। যা শরিরের জন্য আরো ক্ষতিকর। পর্ন দেখে বিয়ে করতে ভয় পাবেন না,। সকলের সুখি দাম্পত্য জীবন কামনা করছি।
পর্ন ছবি কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার একটা সত্যি গল্প বলছি।
এদেশেরই একটি মহিলা ডিগ্রী কলেজের ছাত্রীনিবাসের কাহিনী। পরীক্ষার কোরবানীর ছুটিতে বাড়িতে যায়নি কিছু ছাত্রী। ইদের দিন তারা মজা করার জন্য ভিসিআর ভারা করলো। আগে মফষ্বলের মানুষ ভিসিআর ভারা করে দেখতো। যেহেতু মহিলা হোষ্টেল অপারেটার হিসেবে ভিসিআরের সাথে একটি ছোট ১২ কি১৪ বছরের ছেলেকে পাঠানো হলো। মেয়েরা রাতের বেলা ছেলেটিকে কিছু টাকা ঘুষ দিয়ে একটি পর্ন ছবি কালেক্ট করে, এবং গভীর রাতে তারা ছেলেটিকে সেটা চালাতে বলে। পর্ন দেখার একপর্যায়ে মেয়েগুলি মিলে ছেলেটার উপড় শারিরিক ও মানষিক নির্যাতন চালায় ফলে ছেলেটি সকালে অসুস্হ্য হয়ে পরে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ( ছেলেটির জবানবন্ধী)।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

