আর কয়েক ঘন্টা পরই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। বাংলার ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। প্রতিবছরের মত এবারও এদিনকে সামনে রেখে হায়ানারা মাঠে। গতকাল অর্থাৎ ২ দিন আগে থেকেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একের পর এক পোষ্ট আসতে থাকে ব্লগে।
পোষ্টগুলোর বিষয়বস্তু মূলত এতটুকুই---
১. ৭ই মার্চ কেন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিলনা.....
২. শহীদ জীয়াই স্বাধীনতার একমাত্র আসল ঘোষক......
৩. বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানের কাছে আত্নসমপর্ণ করে.....
৪. বঙ্গবন্ধু যুদ্ধচলাকালীন সময়ে পাকিন্তানে গিয়ে দুধ কলা আঙ্গুর খান আর মহা আরাম আয়েশ করেন....
৫. ছয় দফাতে স্বাধীনতার কথা বলা ছিলনা.....
৬. বঙ্গবন্ধু সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়নি, জিয়া সরাসরি যুদ্ধ করেছে....
৭. নয় মাস বঙ্গবন্ধুকে ছাড়াই বাংলার মানুষ যুদ্ধ করেছে....
কেউ আবার বঙ্গবন্ধুকে সাপোর্ট করে অতি সূক্ষভাবে তার ৭১ এর ভূমিকাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এগুলো নতুন কিছু নয়। সেই ৭১ এর পর থেকে বাংলার ইতিহাসের বিশেষ দিনগুলোকে সামনে রেখে এরকম অপপ্রচার চালাতে শুরু করে সেই পুরোনো হায়ানারা। এক সময় তারা ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬শে মার্চ, ২১ ফেব্রুয়ারীর মত দিনগুলোর আগেও এরকম অপপ্রচার চালাতো। স্বাধীন বাংলাকে অস্বীকার করে লেখা আসতো, ভাষণ আসতো। সেই পুরোনো হায়ানা চক্রই এখন নেমেছে ৭ই মার্চ, ১৫ই অগাষ্টের মত দিনগুলোর বিরুদ্ধে। ৭ই মার্চের সাথে সম্পর্ক থাক আর না থাক বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে টানা লিখে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখ লাগে এখানে... এসকল পুরোনো বিষয় নিয়ে এমন কোন প্রপাকান্ড নেই যার সমুচিত জবাব দেয়া হয়নি। একটিও না। বাকি সব কিছু বাদ দেন, এই সামুতেই কয়েক হাজার পোষ্ট আছে যাতে এই সকল প্রপাকান্ডের দলিল প্রমাণসহ জবাব দেয়া আছে। কিন্তু সেই সকল পোষ্টে এদের দেখা যায়না। ভিজিটরের লিস্টে এদের অনেক কেই দেখা যায়। কিন্তু এরা ভুলেও ঐসকল পোষ্টে কমেন্ট করেনা। মাইনাস দিয়ে চলে যায় এ কাপুরুষগুলো। এদের অগনিত প্রপাকাণ্ডমূলক পোষ্ট সামু কর্তৃপক্ষ ব্যান করে দিয়েছে। কিন্তু তাতে কি??? এরা কখনও হয়রান হয় না। এরা আবার লিখে..... আবার সেই পুরোনো আলোচনা নতুন করে... অক্ষরে অক্ষরে পুরোনো লেখা আবার বিশেষ দিনগুলোকে সামনে রেখে পোষ্ট করে। যে প্রপাকান্ডমূলক পোষ্টগুলোর জবাব সে হাজারবার পেয়েছে...
এরা কারা??? এরা আর কেউ না। এরা সেই পুরোনো ঘরের শত্রু, জামাত শিবির হায়ানা চক্র। নেট জগতের ভাষায় ছাগু আর ছাগু বান্ধব..... আর সেই পুরোনো হার না মানা কায়দা... স্লো পয়জনিং। স্বাধীনতার বহু বছর পরও যারা এদেশের স্বাধীনস্বত্তা মেনে নিতে পারেনি, মানসিক যন্ত্রণাকাতর ছটফট করা সেই পাকিন্তান বিতাড়িত আহত হায়ানা, আজ নিজ পায়ে দাড়াতে শিখেছে। এরা অনেকে আজ কৌশলে শহীদ জিয়ার ঘাড়ে বসে অনেক বি.এন.পি ভক্তের সহানুভুতি পেয়ে যাচ্ছে। শহীদ জীয়াকে এরা আসমানে তুলে স্বাধীনতার একমাত্র ঘোষক স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রোষ্টা বানিয়ে দিচ্ছে। যা শহীদ জিয়া নিজে জীবিত অবস্থায় কখনও দাবি করেনি। এরা এমনই জিয়া প্রেমীক যারা জীবনে জীয়া হত্যার বিচার দাবি করেনা।
এই হায়ানাদের রুখতে হবে...
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



