আজ থেকে দশ বছর আগের কথা। আমি তখন ক্লাস টেইনে পড়ি। পত্রিকায় কবিতা লেখাতে আমাকে অনেকেই তখন পত্র লিখতো। তাদের মধ্যে সুজানার পত্র আমার কাছে খুবই ভালো লাগতো। নওগাঁয় থাকতো ও তখন। সুলতানপুরে। আর আমিতো Narayangonj এ তখন। এখন অবশ্য দুবাই অবস্থান করছি।
আমি প্রতি ৩/৪ দিন পর পর ডাকঘরে গিয়ে সুজানার পত্রের খোঁজ নিতাম। কেনো জানি ওর পত্র পড়ে ভীষণ ভালো লাগতো আমার। আরো অনেকেই পত্র লিখতো আমাকে। যেমন: মিল্টন রংপুর থেকে, লাবনী ঢাকা থেকে, লাকী সিলেট থেকে, কাজল জামালপুর থেকে, শাহিন খুলনা থেকে এবং আরো অনেকে। ৩/৪ দিন পর ডাকঘরে গেলে তখন দেখতাম আমারই ১৫/২০ টি পত্র। কিন্তু সবার আগে সুজানার চিঠি পড়তাম।
সুজানা আমাকে খুবই ভালো বন্ধু ভেবেছিলো যা ওর চিঠির প্রতিটি লেখাতেই বুঝতে পারতাম। আমার চিঠি নিয়মিত না পেলে ও খুবই রাগ করতো। মাঝে মাঝে চিঠির ভাষায় ও খুবই অভিমান করতো আমার সাথে। ওর আরেকটি মিস্টি নাম ছিলো শিমুল। আমি সুজানা নামেই চিঠি লিখতাম ওকে। আমার দু্ঃসময়ের বন্ধু ছিলো ও। কত ভালো ছিলো ও আমি বলে বোঝাতে পারবো না।
আমার সেই বন্ধু সুজানাকে খুবই মিস করি। মিস করি ওর চিঠি, কবিতা, কথা। দেশের বাইরে আসার পর ওর সাথে আর আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি। এর কারণও আছে, কোথাও একটা সমস্যা হয়তো ছিলো যা আমার জানা নেই।
সুজানা, আমি তোমার সেই বন্ধু মাসুদ রানা (শাব্বীর)।তোমাকে খুবই মনে পড়ে আমার। আসলে বিপদের সময়ের বন্ধু বলেই তোমাকে ভুলতে পারি না। আমি জানি তুমিও আমাকে মনে রেখেছো। তাই না সুজানা ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

