একজন চাকুরিজীবি পিঁপড়ার গল্প
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
![]()
প্রতিদিন সকাল সকাল ছোট্ট পিঁপড়াটি অফিসে এসেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রচুর কাজ করে সে, সময় কাটে তার চমৎকার সুখে।
![]()
অফিসের প্রধান, সিংহ অবাক হয়ে লক্ষ করে কোনো ধরণের সুপারভিশন ছাড়াই পিঁপড়া কাজ করে যাচ্ছে। সুপারভিশন ছাড়াই যদি পিঁপড়া এত কাজ করতে পারে, সিংহ ভাবে, তাহলে একজন সুপারভাইজার থাকলে তো সে আরো বেশি কাজ করতে পারবে।
সিংহ তাই তেলাপোকাকে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দিল; সুপারভাইজার হিসেবে তেলাপোকার রয়েছে প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে এবং চমৎকার সব রিপোর্ট লেখায় তার বেশ সুনাম।
![]()
তেলাপোকার প্রথম পদক্ষেপ হলো অ্যাটেনডেন্স সিস্টেমে একটি ঘড়ির ব্যবস্থা করা। লেখার কাজে তাকে সাহায্য এবং লেখা টাইপ করার জন্য একজন সেক্রেটারিরও প্রয়োজন হলো তার।
তেলাপোকা মাকড়শাকে তার সেক্রেটারি পদে নিয়োগ দিল, যার কাজ হলো সব নথিপত্র ম্যানেজ করা এবং ফোন কল তদারক করা।
![]()
তেলাপোকার রিপোর্ট দেখে সিংহ খুব খুশি হলো। সে তেলাপোকাকে নির্দেশ দিল প্রোডাকশন হার এবং ট্রেন্ড অ্যানালাইসিসের গ্রাফ তৈরি করে দিতে যাতে সেগুলি বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থাপন করা যায়।
তেলাপোকা এ কাজের জন্য একটি নতুন কম্পিউটার এবং একটি লেজার প্রিন্টার ক্রয় করল। এবং আই.টি. ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব নেয়ার জন্য মাছিকে নিয়োগ দিল।
![]()
পিঁপড়া, একদা যে প্রচুর কাজ করত এবং হাসি খুশি ছিল, এত সব পেপারওয়ার্ক, মিটিং অপছন্দ করা শুরু করল, কারণ এগুলি তার মূল কাজের অধিকাংশ সময় নষ্ট করতে লাগলো।
সিংহ এবার সিদ্ধান্ত নিল পিঁপড়া যে ডিপার্টমেন্টে কাজ করে, তার সামগ্রিক দায়িত্ব নেয়ার জন্য কাউকে নিয়োগ দেয়া দরকার। এ কাজের ভার দেয়া হলো সিকাডা'কে, যার প্রথম কাজ হলো একটি কার্পেট এবং একটি এরগোনমিক চেয়ার কেনা।
![]()
সিকাডা'রও দরকার হলো একটি কম্পিউটার, এবং একজন ব্যক্তিগত সেক্রেটারির, যাকে সে তার আগের অফিস থেকে নিয়ে আসলো। সিকাডা বাজেট কন্ট্রোল স্ট্রাটেজিক অপটিমাইজেশন প্ল্যান এর উপর বেশ জোর দিল।
কিন্তু পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট এখন একটি বিষণ্ণ জায়গায় পরিণত হলো; সেখানে কাজ করে কেউ আর হাসে না, সবারই মন ভার থাকে।
ঠিক সে মুহূর্তে সিকাডা সিংহকে বুঝালো যে একটি ক্লাইমেটিক স্টাডি বেশ জরুরি হয়ে পড়েছে। পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্টের পারফরমেন্স পর্যালোচনা করে সিংহ দেখল প্রোডাকশন বেশ কমে গেছে, তাই সে পেঁচার শরণাপন্ন হলো সমাধানের জন্য। পেঁচা বিশ্বখ্যাত, স্বনামধন্য একজন কনসালট্যান্ট।
![]()
পেঁচা তিন মাস ধরে কাজ করে বিশাল এক রিপোর্ট তৈরি করল। রিপোর্টটি কয়েকটি বড় বড় খন্ডে বিভক্ত, যার সারমর্ম: পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট ওভারস্টাফড।
মোটিভেশনের অভাব এবং নেগেটিভ অ্যাটিটিউডের কারণে পিঁপড়াকে ছাটাই করা হলো।
![]()
[গল্পে বর্ণিত সব ঘটনা, চরিত্র কাল্পনিক]
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
গিল্টিমিয়া বলেছেন:
পিঁপড়েরাই সবসোমায় বলি পাঁঠা হয়।
লেখক বলেছেন: হা, হা, ঠিক বলেছেন। তাও ভালো, এটি কাল্পনিক (!)।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এটি কিন্তু কাল্পনিক বৃত্তান্ত। ![]()
গৌতম রায় বলেছেন:
দারুণ লেখা। পিঁপড়ের জন্য কষ্টকর অনুভূতি কিন্তু এটাই হয়ে থাকে।
লেখক বলেছেন: হা, পিঁপড়ার জীবন কষ্টের। গল্পই হয়তো বাস্তব।
রং বেরংয়ের খেলা বলেছেন:
অনেক মজা পেলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: আসলেই পিঁপড়ার জীবন কষ্টের।
লেখক বলেছেন: না, না, ভাই। পরিবর্তন আপনার হাতে।
রোবোট বলেছেন:
ভালো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ কামনা।
পিঁপড়ে নিয়ে আমার একটা ছড়ার লিঙ্ক শেয়ার করছি।
Click This Link
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার ছড়া পড়ছি, শীঘ্রই। ভালো থাকবেন।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
একইসঙ্গে ২টি বিষয় দেখলাম : গল্পোচ্ছলে চমৎকার কিছু ছবির প্রদর্শনী, অদৃষ্টের পরিহাস!! 'story teller' নামেএকটা গল্প পড়েছিলাম, আপনার মাঝে তাকে প্রতিনিয়তই দেখে চলেছি।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার চমৎকার মন্তব্যের মত উৎকর্ষ যাতে আসে জীবনে।
জইন বলেছেন:
রূপক গল্প ভালো লাগলো.....এখান থেকে অনেক কিছু শিখার আছে
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা রইল। চমৎকার কাটুক আপনার সময়।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ভালো লাগছে। নিজেরে পিপড়া পিপড়া মনে হইতাসে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পরিবর্তন আপনার হাতে। শুভ কামনা, শুভ পরিবর্তনের দিকে।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
বাংলাদেশে পিপড়ার সংখ্যা বেশীএইটা একটা সেইরকম উনগল্প হইছে
দারুন রূপকতা..
আমি মুগ্ধ হৈলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পথিক ভাই। ভালো থাকবেন।
বাঙাল যুবক বলেছেন:
একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি। গল্পটি খুব ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা। বাস্তব থেকেই গল্প, হয়তো। চমৎকার কাটুক আপনার সময়।
একা আমি বলেছেন:
বাংলাদেশের প্রায় সব প্রাইভেট লোকাল প্রতিষ্ঠানের বাস্তব চিত্র।কাজ আদায় করার জন্য হাজার কায়দা আছে ম্যানেজমেন্ট এর, কিন্তু সাধারন কর্মচারীদের খুশী,উৎসাহ ও পরিবেশ সুন্দর রাখার কোনই প্রয়াস নেই।
সুন্দর ও বাস্তবিক পোষ্টের জন্য + এবং ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। সহমর্মী পরিবেশের অভাবে আসলেই আমাদের অপার সম্ভাবনা তেমন কাজে লাগে না। ভালো থাকুন।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
অতঃপর পিঁপড়া সম্প্রদায় এই গল্প পড়িয়া একি সাথে দুঃখ ও আনন্দবোধ করিতে লাগিল। দুঃখের কারন নিজের দুরবস্থা আর আনন্দের কারন তাদের কে নিয়ে কেউতো কিছু লিখলো। ধন্যবাদ লেখককে। অসাধারন লেখাটার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনার উপসংহারটি অসাধারণ হয়েছে, মানবীয়। ভালো লাগল।
যীশূ বলেছেন:
দারুন লেখা। ভাই, কই কাজ করেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শুভ কামনা। নানান কাজে ব্যস্ত থাকটে হয়।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লাগলো গল্পটি। আমাদের অনেক সরকারী অফিসগুলোতে আজ একই অবস্থা। কথায় কথায় শুধু কমিটি গঠন করা হয়, কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য কমিটিকে ডাকা হয়। কমিটি অগ্রগতি সম্পর্কে ধীরে সুস্থে তাদের রিপোর্ট পেশ করেন। প্রতি মাসে এই রিপোর্টের ভিত্তিতে সমন্বয় মিটিং হয়, মিটিং-এ সবার জন্য লাঞ্চের ব্যবস্থা থাকে। আসলে কাজের কাজ কিছুই হয় না- সিডিয়্যুল টাইমে কোন কাজ শেষ হয়না। টাইম বাড়ানোর জন্য কমিটি আবার রিপোর্ট পেশ করে- আর এভাবেই দিন গড়াতে থাকে। সরকারি অফিসগুলোতে একটা কথা চালু আছে- কোন কাজ যদি পিছাতে হয় তবে একটা কমিটি করে দাও।
লেখক বলেছেন: হা, হা, চমৎকার বলেছেন। শুভেচ্ছা রইল, এবং কামনা যাতে মানুষের অমিত সম্ভাবনা নিরন্তর গঠনমূলক কাজে ব্যয় হয়।
বলাক০৪ বলেছেন:
দারুণ লিখেছেন। পিঁপড়াদের কখনোই কাজ করতে দেয়া হয় না। না দেয়ার ভুলটা ম্যানেজারেরা অনেক সময়ই নিজেদের অজান্তে করে থাকেন। আপনার এটা সচেতনকারক পোস্টও বটে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যাঁ, যথার্থ বলেছেন।
ঊননের মুখ থেকে বলছি বলেছেন:
হুমম্.. খুবই ভাল একটা গল্প, ছবি থাকাতে আরো ভাল হয়েছে, আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা। চমৎকার অনুভূতিতে কাটুক আপনার সময়।
আমার জন্য লেখা বলেছেন:
I AM ANT
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা, যাতে মহান সুখের পরিবর্তন হয় আপনার।
রোহান বলেছেন:
আজ সকালেই এইচ আর এর মেইল পাইলাম। নয়া পলিসি দিছে। তারপর সামু তে আইসা দেখি পিপড়ার গল্প। নিজেরে পিপড়া পিপড়া লাগতাছে রে ভাই। জটিল পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: আপনার জীবন দীপ্ত দৃপ্ত অনুভূতিতে পরিপূর্ণ হোক, এই কামনা।
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
পিপড়া র জন্য +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পিঁপড়ার জীবনে অন্তত মানুষের ভালবাসা থাকুক।
অরুণোদয় বলেছেন:
তেলাপোকা আর সিংহ গুলার কামড় খাইতে খাইতে আর ভাল্লাগে না, কবে যে পিপড়া জীবন শেষ হইব।
লেখক বলেছেন: প্রার্থনা করি, খুব শীঘ্রই শেষ হবে আপনার কষ্ট, প্রদীপ্ত সুখের প্রাপ্তিতে।
বর্তমানবাংলা বলেছেন:
ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার ইমোটি চমৎকার।
রবিনহুড বলেছেন:
একটা লাল পিপড়া কামুড় দিলে ডলা দিয়া সব পিপরা কে মেরে ফেলা হয়।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, দুঃখজনক হলেও সত্যি। ভালো থাকুন।
ছানাপোনা বলেছেন:
বাস্তবধর্মী কাল্পনিক গল্প..............ভালো লাগলো..........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ভালো থাকুন।
যীশূ বলেছেন:
আমি জানতে চাইছিলাম আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত যীশূ ভাই, বলতে পারছি না। ব্লগে লেখাই হোক আমার একমাত্র পরিচয়--এ কারণে আর কি। আশা করি এটুকু সীমাবদ্ধতা গ্রহণ করবেন।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ হোক আপনার স্বকীয় কর্ম।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
মজা পেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। শুভ কামনা।
পূর্ব বলেছেন:
খুবই সুন্দর । মুগ্ধ হইয়া গেলাম ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: চমৎকার ভালো কাটুক আপনার সময়। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আহ, হা, হা, ভালো কৌশল। ![]()
অিপ্রয় সত্য বলেছেন:
মাইনাস দিল কোন পেঁচা?
লেখক বলেছেন: হা, হা। যা বলেছেন, কোনো পেঁচাই হবে। তবে শুনেছি অনেক হাসি দেখেও যারা গোমড়া মুখে চায়, তাদের দেখে পেঁচার মুখে কেবল হাসি পায়।
সুতরাং পেঁচাই কি!
ধন্যবাদ। শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: এই রে! শ্রান্তি কেটে শান্তিময় পরিবর্তন হউক আপনার জীবনে।
লেখক বলেছেন: হা, হা, হা, আসলেই সেরকম, হয়তো সত্যকথনও বটে! ![]()
না বলা কথা বলেছেন:
খুব সুন্দর অনুবাদ করেছেন,মূল লেখকের নামঃ পি আর অবরিগাডো মারিও। গল্পটির মূল ভাষা যতদূর মনে পড়ে তা হলো পর্তুগীজ।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। চেইন মেইলে প্রেজেন্টেশন আকারে পেয়েছিলাম, ওখান থেকে বাংলা টেকস্টে নিলাম। তথ্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ, অনেক অনেক।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। ![]()
যাক, সিংহ হওয়া খারাপ জিনিস ছিল!
ভালো কটুক সময়।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
সেরকম!
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আশা করি ভালো কাটছে সময়।
লেখক বলেছেন: তবু কেটে যাক তেলাপোকা, সিকাডার প্রভাব, এই প্রত্যাশা।
ভালো কাটুক জীবন।
দীপান্বিতা বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো .........একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি....
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, চারদিকে যেন একই ছবি, প্রায় সর্বত্র।
অথচ মানুষ...এরকম হওয়া উচিত ছিল না মোটেও!
ভালো থাকবেন, চমৎকার অনুভূতিতে সব সময়।
আলিফ মাহমুদ বলেছেন:
কঠিন!!!!
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। হ্যাঁ, একটু কঠিনই।
ভালো থাকুন।
মৈত্রী বলেছেন:
মাইনাস দিলো কে?
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। বেশ দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে। ভালো আছেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, মেঘদূত। বেশ দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে। দুঃখিত।
সিকাডা এক ধরণের পোকা, American Heritage Dictionary বলছে "Any of various insects of the family Cicadidae, having a broad head, membranous wings, and in the male a pair of resonating organs that produce a characteristic high-pitched, droning sound. Also called cicala." ![]()
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনুভবে অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।
মোরশেদ পারভেজ বলেছেন:
ভাই ইহা কাল্পনিক না, গ্রামীনফোনের কাহিনী, আমি জানি।
লেখক বলেছেন: আরে, তাই নাকি!
ভালো কাটুক সময় আপনার।
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
ভালো+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পঠনে অনুভবে মন্তব্যে।
আমি কেহই না বলেছেন:
চিন্তা নাই , এখন পিপড়াগুলো আর চাকরি নিয়া চিন্তিত না কারন, সবাই ফ্রি লাঞ্চ আউট সোর্স করে ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা, কারা এ পিঁপড়া!
ভালো কাটুক সময়, আনন্দে মুক্তিতে।
কাদামাটি বলেছেন:
আমার বাবা মা দুজনেই পিপড়া।আমারেও পিপড়া বানাইতে চায়।তাদের খুশি করতে এতদিন পিপড়া ছিলাম এখন থেকে আমি কমু....আমার নাম এ্যান্ট
সবাইকে করমু ব্যান
লেখক বলেছেন: তাহলে আপনার পিঁপড়াদশা কেটেছে! যাক, বাঁচা গেল। :-)
স্বস্তিতে আনন্দে কাটুক সময়।
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
গল্পটা এমনও হতে পারত...পিপড়াকে চাকরি ছাড়েনি... তার নির্লিপ্ততা ওদের আর প্রশ্রয় দেয়নি। তেলাপোকা বাহিনী পিপড়ার কাছে কোন বেইল না পেয়ে সিংহকে নিয়ে উঠে পড়ল। তাছাড়া পিপড়াকে নিয়ে পড়ে থাকলে তাদের আর সম্মানটা থাকল কই? সিংহ আস্তে আস্তে অসুস্হ হয়ে পড়ল। ..... একদিন মাথা খারাপ অবস্হায় সিংহ তেলাপোকার কাছে সারেন্ডার করে বসল। এবার আর তেলাপোকার দেখা পায় কে...!! ধরা সরা হয়ে দেখা দেয়। সিংহ শুধু নামকেওয়াস্তে বস। সুযোগ বুঝে তেলাপোকা বাহিনী সিংহকে পাবনায় ট্রিটমেন্টের জন্য পাঠিয়ে দিল.... তবে সামনাসামনি কখনো পিপড়ার সাথে লাগতে আসে না।
অনধিকার চর্চা ভাববেন না স্যার। এমন কিছুও ঘটে থাকে আমাদের চারপাশে :-)
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এ-ও ঘটমান গল্প! সত্যিই। গল্প-ভাবনায় +। :-)
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
"পিপড়া চাকরি ছাড়েনি" ...হবে
লেখক বলেছেন: বেশ জেদী পিঁপড়া বটে! ![]()
বিভ্রান্ত পথিক ২০১০ বলেছেন:
একজন নিরব পাঠকের +
লেখক বলেছেন: নিরব পাঠকের সম্মাননা উজ্জ্বীবিত করে যায় নিরন্তর...
লেখক বলেছেন: হাস্যপ্রোজ্জ্বল কাটুক জীবন আপনার। :-)
লেখক বলেছেন: এই পিঁপড়াটার জীবন কাটুক সুখে...
লেখক বলেছেন: বৃষ্টির শব্দ শুনুন, কিংবা সবুজ প্রান্তর দেখুন, অথবা পড়ন্ত বিকেলে নীল আকাশ। মানুষের নিজেকেই আনন্দিত এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়।
লেখক বলেছেন: মুক্তি মিলবে। পিঁপড়া সময়ের বাইরে নিজেকে নিয়োজিত রাখুন আনন্দে, মানুষের আনন্দে। শুভ কামনা।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আপনার এই লেখাটি কি আজ রস+আলোতে ছাপিয়ে দিল? এর আগেও আপনার লেখা অনুমতি না নিয়ে রস+আলো ছেপেছিল।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তাই তো দেখলাম! রস+আলো'র অলস-পরজীবিগুলোর জন্য করূণা হয় বড়! জীবিকার তাগিদে ভদ্রতাবোধটুকু হারিয়ে ফেলেছে।
ভালো থাকবেন।
নাজির বলেছেন:
ভালো লাগলো + ষ্টার চাপলাম।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক। পড়া ও অনুভবে অনেক ধন্যবাদ।
জহুরুল ইসলাম স্ট্রীম বলেছেন:
ভাইজান মশা একটি অতি দরকারী প্রাণী। একে এই আপিসের কোথাও কি একটু একোমোডেট করা যায় না?তাহলে এই জাতি বড়ই উপকার হয় আপনারো দোয়ার পাল্লাটা ভারী হইবেক।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। মশাদের বিবেক-এর কাজ দেয়া যেতে পারে, খোঁজ নিয়ে দেখব।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























