শ্রদ্ধা আর মমতাই তোমাকে জয়ী করতে পারে; তুমি তোমার জ্ঞান প্রয়োগ কর।

পাখিদের উড্ডয়ন: রহস্য ও প্রজ্ঞার V

০১ লা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

শেয়ারঃ
0 10 0


শীতের হিমেল হাওয়ায় ভেসে আসা অতিথি রাজহংস কিংবা সন্ধ্যায় নীড়ে ফেরা সরালীর ঝাঁকে যদি কখনো তাকান, দেখতে পাবেন V আকারে এগিয়ে চলছে পাখির দল।


কেন এই V আকারে ভেসে চলা? কারণটি কি এই, পাখিরা E বা G কিংবা অন্য কোনো বর্ণ ফুটিয়ে তুলতে পারে না আকাশে!

অধিকাংশ পাখি-বিশেষজ্ঞ (ornithologist) বিশ্বাস করেন, বিন্যাসটি সুদক্ষ উড্ডয়নের প্রয়োজনে গঠিত হয়, যদিও তারা এ ব্যাপারে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বহুদিন। এই শতাব্দীর একেবারে শুরুতে বিজ্ঞানীদের একটি দল ছোট বিমানের পেছন পেছন উড্ডয়নের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক ঝাঁক পেলিক্যানের উপর গবেষণা করে দেখতে পান, V বিন্যাসে উড়ার সময় পাখির হৃদস্পন্দন, একা একা উড়ার সময়কার হৃদস্পন্দনের চেয়ে কম থাকে। ধীরে ধীরে প্রমাণ মেলে পাখির বায়ুগতিবিদ্যা (aerodynamics) সংক্রান্ত নানা বিস্ময়কর তথ্যের:

উড্ডয়নের জন্য ঝাঁকের একটি পাখি যখন ডানা ঝাপটায়, এর ঠিক পেছনের পাখিটির উপর বায়ুর ঊর্ধ্বমুখী ঘূর্ণাবর্ত (vortex) সৃষ্টি হয়। ঊর্ধ্বচাপের সুবিধা কাজে লাগিয়ে পেছনের পাখিটি সামনেরটির চেয়ে একটু উপরে অবস্থান করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম শক্তি ব্যয় করেও ভেসে থাকে। এভাবে পাখির ঝাঁকটি একা একা উড্ডয়নে অতিক্রান্ত দূরত্বের চেয়ে ন্যূনতম ৭০ শতাংশ অতিরিক্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে!

যদি কোনো পাখি বিন্যাসের বাইরে চলে যায়, সাথে সাথে এটি বাতাসের অতিরিক্ত টান (drag) ও বাধা অনুভব করে। পরিবর্তনটি বুঝতে পেরে পাখিটি দ্রুত বিন্যাসে চলে আসে এবং সামনের পাখিটির কাছ থেকে সৃষ্ট উড্ডয়ন সুবিধা লাভ করে।


সামনের দলনেতা পাখিটি বাতাসের সবচেয়ে বেশি বাধা অনুভব করে, এবং ক্লান্ত হয়ে গেলে পাখা ঝাপটানোর বেগ কমিয়ে দিয়ে এটি ঝাঁকের পেছন দিকে সরে আসতে থাকে। পেছনের আরেকটি পাখি তখন নেতার স্থানটি গ্রহণ করে।
মজার ব্যাপার হলো, V-এর দুই ডানার সবচেয়ে পেছনের পাখি দুটি আবার মাঝের পাখিগুলির চেয়ে বেশি টান অনুভব করে, ফলে ক্লান্তি লাঘবের জন্য এদেরও নিয়মিত স্থান পরিবর্তিত হতে থাকে। এভাবে পর্যায়ক্রমে সব পাখি ঝাঁকের মাঝখানে থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা লাভ করে এবং অগ্রভাগে নেতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি বাধার মুখোমুখি হয়।


V-বিন্যাস পাখিদের যোগাযোগ রক্ষার কাজটি সহজতর করে। এ বিন্যাসে পাখিরা পরস্পরের সাথে খুব চমৎকার ঐক্ষিক যোগযোগ (visual contact) বজায় রাখতে পারে, যা ঝাঁকটি সুসংহত, ঐক্যবদ্ধ রাখে। দীর্ঘ পথ পরিক্রমার সময় এতে ঝাঁক থেকে পাখি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কমে যায়। এ ছাড়া পেছনের পাখি চিৎকার করে সামনের পাখিকে নিয়মিত উৎসাহ দিয়ে যায়, যাতে সামনের পাখি তার গতিবেগ বজায় রাখে।


কোনো পাখি অসুস্থ, শিকারীর গুলিতে আহত, কিংবা খুব ক্লান্ত হয়ে বিন্যাসের বাইরে চলে গেলে, তার সাথে আরো পাখি নেমে আসে সাহায্য ও নিরাপত্তার জন্য। এরা অসহায় পাখিটির সাথে থেকে যায় যতক্ষণ না সে সুস্থ হয় বা মারা যায়। তারপর তারা উড়ে মূল দলের কাছে পৌঁছে যায়, নতুবা অন্য কোনো দলের সাথে জুড়ে যায়, কিংবা নিজেরাই নতুন বিন্যাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।

____________________



কত অপার রহস্য ছড়িয়ে রেখেছেন স্রষ্টা! চারপাশে বিরাজমান সহমর্মিতার কত না নিদর্শন! পাখির কাছে বিজ্ঞান ও মানবতার কী গভীর প্রজ্ঞা!

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, প্রচ্ছদ। আপনার আইকনটি খুব সুন্দর। মরুভূমিতে লালফুলিটি বেশ দীপ্ত।
চমৎকার প্রদীপ্ত সুখে কাটুক আপনার সময়।

২. ০১ লা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: দারুণ লাগল। দেখেছি অনেক, কিন্তু ভাবি নি কখনও। দ্যা ক্রেনস আর ফ্লাইং সিনেমার প্রথম ও শেষ দৃশ্যে সারস পাখি ওড়ার এ রকম একটি দৃশ্য আছে।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, বেশ মজার। বায়ুগতিবিজ্ঞানীরা এখন চেষ্টা করছেন কিভাবে পাখির ঝাঁকের মতো এক ঝাঁক উড়োজাহাজের উড্ডয়নকে দক্ষ করা যায়। কিন্তু পাখি যত দ্রুত বায়ুর সূক্ষ্ম পরিবর্তনের সাথে উড্ডয়ন অ্যাডজাস্ট করতে পারে, তার এখনও বহু পেছনে অ্যারোডাইনামিক্স। হয়তো কোনো একদিন...

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পোস্ট ভালো লাগা আনন্দময়।
সুখে স্বস্তিতে থাকুন।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার আগমন আনন্দ উৎসারিত করলো আমার ব্লগে।
জীবন কাটুক ফিনফিনে সুখে। :)

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মানুষের জন্য আপনার পরিশ্রম সঠিক মর্যাদা পাক, এই কামনা। ভালো থাকবেন।

৬. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:০৫
বিবেক সত্যি বলেছেন: কী যে ভালো লাগলো !! +++++

পাখির উড়ার কৌশল কে আল্লাহ একটি নিদর্শন আর জ্ঞাণীদের জন্য চিন্তার খোরাক হিসেবে বলে দিয়েছেন ।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার আগমন ও আনন্দ এই ব্লগের জন্য সম্মাননা। ভালো লাগল আপনার কথা। সুখে থাকুন, স্বস্তিতে থাকুন।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: শুভ কামনা। ভালো কাটুক জীবন, আনন্দ সুখে, প্রিয়জনদের সাথে।

৮. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:১৩
সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: ব্যাপক জ্ঞান হইল.... আপনার সব পুষ্টই ব্যাপক জ্ঞানী-জ্ঞানী। আপনে আসলে এনসাইক্লোপিডিয়ের জীবন্ত ভার্সন। বিসিএস পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আপনার ব্লগের পার্মানেন্ট কাস্টমার হইলাম.......
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: এই রে, ভাই, অনেক বড় সম্মাননা হয়ে গেল যে! আসলে চেষ্টা করি, আনন্দময় মজার তথ্য অন্যের সাথে শেয়ার করতে, নীরস জ্ঞান ক্লান্ত করে যে!
বিসিএসে সফলে হয়ে, চমৎকার একটি পদে যোগ দিয়ে, গৌরবময় পরিবর্তন আনুন...এই প্রত্যাশায়।

৯. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৩০
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: খুব খুব ভালো লাগলো পোস্ট টা পড়ে। অনেক কিছু জানলাম যা জানা ছিলোনা। আরো চাই এ ধরনের পোস্ট।

পাখিদের এই ওড়ার ব্যাপারে আরো একটি ইন্টারেস্টিং ব্যাপার জানি যেটা সেটা হল পাখির ঝাঁক ওড়বার সময় ফিবোনাক্কি সিরিজ মেনে চলে। মানে প্রথমে একটি পাখি, তারপরেও একটি, এরপর দু'টি, এরপর তিনটি- এভাবে ওড়ে।

"পাখির কাছে বিজ্ঞান ও মানবতার কী গভীর প্রজ্ঞা! " খুব ভালো লেগেছে কথাটা।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। খুব ভালো লাগল আপনাকে দেখে। পাখিদের ফিবোনাচি সিরিজ মেনে চলার ব্যাপারটি আসলেই খুব চমকপ্রদ। নিশ্চয়ই খুব সচেতনভাবে কাজটি করে পাখিরা।

বিজ্ঞান, মানবতায়--প্রজ্ঞায়, সুখে কাটুক আপনার জীবন।

১০. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৩২
রাত্রী বলেছেন: খুব ভালো লাগলো। প্রিয়তে নিলাম।।। :)
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পোস্ট প্রিয়তে যাওয়া সম্মান ও প্রেরণাময় ঘটনা।
আপনার আইকনের দেবদূতটির চোখের অপার কৌতূহলের এই পৃথিবীতে সুখে কাটুক আপনার জীবন।

১১. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
নাজনীন১ বলেছেন: আল্লাহ্‌র সব সৃষ্টির মধ্যে পাখির কৌশলকেই মনে হয় মানুষ বেশি কাজে লাগাতে পেরেছে। আমার ধারণা।

আচ্ছা, এক লাইনেও তো অনেক পাখি উড়তে দেখেছি মনে হয়।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। হ্যাঁ, পাখির কাছ থেকে অনেক কৌশল আয়ত্ত করেছে মানুষ। অন্ধ উইপোকার বাসার শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও বিস্ময়কর।

এক লাইনেও পাখি উড়ে, সাধারণত অল্প পাখি এবং অল্প দূরত্ব হলে। তবে সে লাইনের এলাইনমেন্ট এবং পাখির পারস্পরিক অবস্থানের উপর বায়ুপ্রবাহের ভূমিকা থাকে।

ভালো থাকবেন।

১২. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:০৬
জানজাবিদ বলেছেন: কোরআনের একটা আয়াত আছে পাখীদের ওড়ার ব্যাপারে। কেউ যদি বলতে পারেন খুশী হবো।

পোস্টে প্লাস। মাঝে মাঝে শব্দরাজ্য থেকে বের হলে ভাল লাগে।
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জানজাবিদ। আপনার আগমন একেবারে ঝনঝন করে প্রদীপ্ত করে ব্লগ। শব্দ-রাজ্য থেকে বেরুবার প্রচেষ্টা সব সময়ই থাকে, কিন্তু শব্দ-রাজ্যের পোস্ট লিখতে সময় কম লাগে তো, শুধু লিখে ফেলা, তাই এদের উপর পোস্ট বেশি, এই যা।

ভালো থাকবেন।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, জয়। আপনার আগমনে আনন্দিত হলাম। জয়ী হোন সব সময়, কল্যাণের পথে, শুভ পরিবর্তনে...

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ফারহান। আশা করি, জীবন চলছে চমৎকার।

১৫. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:২৯
নাজনীন১ বলেছেন: @ জানজাবিদ,

সূরা নাহ্‌ল, আয়াত ৭৯ঃ

"Do they not see the birds held (flying) in the midst of the sky? None holds them but Allah [none gave them the ability to fly but Allah]. Verily, in this are clear proofs and signs for people who believe (in the Oneness of Allah)."

Click This Link


সৌজন্যেঃ আমার ল্যাবমেট।
০২ রা মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার প্রচেষ্টায়। শুভ কামনা।

১৬. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
মার্ক জুবাবের বলেছেন: চমৎকার লাগল, ম্যাভেরিক আপনার জন্য অনেক শুভকামনা...
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, মার্ক। আপনার মন্তব্য প্রেরণা দিল। ভালো থাকবেন।

১৭. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:২৪
রাত্রী বলেছেন: আমার আইকনের ছবিটি আমার কন্যার। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার মেয়ের জন্য প্রার্থনা, আলোকিত করুক আপনার জীবন, আপনার পরিবার, এবং মানবতা।

১৮. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
সচেতন বলেছেন: খুব মজা পেলাম! ম্যাভেরিক আপনি কি বাংলাদেশে আছেন? যাই হোক, এনাম ভাইকে আপনি চেনেন কি? উনি কিন্তু পাখি পর্যবেক্ষক। উনার সাথে ভ্রমনে ছিলাম দু বার বেশ কয়েকদিন। পাখি নিয়ে বেশ জেনেছি উনার কাছে। আপনার এই 'ভি' অজানা ছিল।
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার আগমনে আনন্দিত হলাম। আপাতত দেশেই আছি। বার্ড-ওয়াচার এনাম সাহেবের নাম শুনেছি, সম্ভবত কোনো পত্রিকায় হতে পারে, যদিও ব্যক্তিগত পরিচয় নেই।

আপনার পাখি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শোনার ইচ্ছে রইলো। ভালো থাকবেন।

১৯. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৩০
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: পুরো লেখাটা একবার পড়লাম, আরো কয়েকবার পড়তে হবে...লেখাটা কয়েকলাইন পড়েই কিভাবে যেন একটা গল্পের আইডিয়া চলে আসল।।।
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, হিমালায়। গল্পটি চমৎকার হবে বুঝতে পারছি, অপেক্ষায় রইলাম।
ভালো কাটুক জীবন।

২০. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১১:৪১
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: কোন একটা বইয়ে ব্যপারটা পড়েছিলাম মনে করতে পারছি না.... পড়ে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম .... আপনারটা পড়ে আবার মুগ্ধ হলাম... গ্রেট... :)
০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যও আনন্দের, প্রেরণাময়। সুখ শান্তি মুগ্ধতায় কাটুক জীবন।

২১. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ৭:০১
সোজা কথা বলেছেন: ম্যাভেরিক, দুর্দান্ত লিখেছেন।

এরকম আরেকটি আশ্চর্য জিনিস পড়েছিলাম মৌমাছি নাচের ভাষা নিয়ে । বাংলা চার বা ইংরেজি ৮ এর মত তার চলন দিয়ে তারা সঙ্গীদের সুর্যের সাপেক্ষে খাদ্যের অবস্হান বলে দেয়। সময় পেলে এর বিষয়েও আপনার ব্লগে একটি লেখা দিতে পারেন।


Click This Link

০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার বিচরণ আনন্দময় হোক। ধন্যবাদ, চমৎকার লিঙ্কের জন্য। বিস্ময়কর মৌমাছির উপর লেখার প্রত্যাশা রইল।
ভালো থাকুন।

২২. ০২ রা মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
সোজা কথা বলেছেন: মৌমাছির একই বিষয়ে আরো মজার ভিডিও
২৩. ০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। পাখী বিশেষজ্ঞ "ইনাম আল হক" এর সাথে একবার সুন্দরবন ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল। জেনেছিলাম পাখী সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য। সুন্দরবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বিরল প্রজাতির কিছু পাখী। সর্বসাকুল্যে দেশীয় ৩০০ প্রজাতির পাখীর মধ্যে বর্তমানে ২১০ প্রজাতির পাখীর সন্ধান মেলে। পাখীর জন্য এখনো কোন অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়নি। নাই এদেশে কোন বার্ড পার্ক। পাখী দেখতে হলে এখনো চিড়িয়াখানায় যেতে হয়। অতিথি পাখীদের নিরাপত্তার জন্য কোন নির্দ্দিষ্ট বনাঞ্চল বা দ্বীপ এলাকাকে এখন পর্যন্ত "সংরক্ষিত এলাকা" হিসেবে ঘোষনা করা হয়নি। অথচ বিশ্বব্যাপী পরিবেশ নিয়ন্ত্রনকারী যে আন্তর্জাতিক সংস্থা রয়েছে তারা সিলেটের কিছু হাওর অঞ্চল ও সুন্দরবনকে "সংবেদনশীল প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র এলাকা" হিসেবে অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছেন এবং তা সংরক্ষণের সকলপ্রকার প্রচারণা ও উদ্দ্যোগের কথাও জানিয়েছেন। প্রায় বছর দশেক আগে এক সেমিনারে এই তথ্য জেনেছিলাম। জানিনা আজো তা কার্যকর হয়েছে কিনা!
০২ রা মে, ২০০৯ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাই। ভালো লাগল খুব দেখে আপনাকে।
হ্যাঁ, পরিবেশের ব্যাপারে আমরা বেশিই উদাসীন। আশাবাদী অসতর্ক হবার মতো সময় তো নেই। তাই ক্ষুদ্র হলেও যেখানে সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতার বাতিটি টিকিয়ে রাখতে হবে।

সুখ স্বস্তিতে কাটুক সবার জীবন।

২৪. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: মীরপুর চিড়িয়াখানা থেকে প্রতিসন্ধ্যায় শীতের পাখিদের উড়ে যেতে দেখতাম বাসার ছাদে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। খুব ভোরে , সেই ধল পহড়ের সময়, ওরা আবার চিড়িয়াখানায় চলে আসে। সারাদিন সেখানে থাকে , আবার সন্ধ্যায় ফেরে। ছাদে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গুনতাম কয়টা পাখির দল উড়ে গেল।

ছোট বেলায় পাখিদের প্যাঁকপ্যাঁক শব্দ শুনে ভাবতাম, ওদের কি মজা? আমার মত ওদের এখন বাসায় যেয়ে পড়তে বসতে হবে না।

বড় হবার পর মনে হত, কেন যে অন্ধকার হয়ে এল? ওদের আর দেখা যাচ্ছে না।

আমি ভাবতাম, যে পাখিটা সবচেয়ে সামনে থাকে সেই বোধ হয় দলনেতা। পথ চেনে।ও বয়জেষ্ঠ্য। ঐ সামনে থেকে পাখিদের পথ দেখাচ্ছে।

আপনার লেখা পড়ে আজ আসল কারনটা জানলাম। আশ্চর্য কোন দিন এই প্রশ্নটা মাথায় আসেই নি। খুব ভাল লাগল বিষয়টা জেনে।

ধন্যবাদ
০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: আপনার জীবন্ত বর্ণনা ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তুলে আনল আমার শৈশব...বর্ষার নতুন পানির টানে ভেসে আসা কচুরিপানায় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা সারস, শীতের কুয়াশা-ভোরে কচি গম ক্ষেতে কাক শালিকের হেঁটে যাওয়া, পড়ন্ত বিকেলে পানকৌড়ি, সরালী, বালিহাঁসের বাসায় ফেরা...

খুব ভালো লাগল আপনার কথা। বেঁচে থাকুক মধুর শৈশব সবার জীবনে, আন্দোলিত করুক...

সুখ স্বস্তি, চমৎকার বর্তমান, আর চমৎকার স্মৃতিতে কাটুক জীবন।

২৫. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ২:১৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: অসাধারন একটা পোষ্ট

+++++

প্রিয়তে নিলাম ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


পাখিদের দিক নির্নয় ক্ষমতা ক্ষমতায় বেশ আশ্চর্যের

যেমন আশ্চর্যের- বিভিন্ন প্রাণীর প্রজননের সময় হাজার হাজার মাইল পার হয়ে নির্দিষ্ট স্থানে আসা।


সুইফট পাখীদের মধ্যে দ্রুততম (approx 100 mph )


Peregrine falcon যদি মধ্যোকর্ষন ধরা হয় । সবচে দ্রুততম
তাবৎ প্রাণীকূলের মধ্যে । অনেক উচু থেকে ডাইভ দেয় এরা।


নিসংগ পাখীদের উড়ার ক্ষমতাও বিস্ময়কর।

How far will an albatross fly?
One Laysan albatross, tracked by biologists at Wake Forest University, flew more than 24,843 miles in flights across the North Pacific to find food for its chick in just 90 days — a flight distance equivalent to circling the globe.



Click This Link


The Arctic tern (Sterna paradisaea) is a small bird that makes the longest migration of any bird. It breeds in the Arctic tundra (within the Arctic Circle), but flies to the edge of the Antarctic ice pack during the winter. It flies over 21,750 miles (35,000 km) each year - roughly the circumference of the Earth. This excellent flier spends most of its life flying. This tern always experiences long days, since it spends the summer in the Arctic and the (Northern Hemisphere) winter in the Antarctic.






০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আরণ্যক। চমৎকার সব তথ্য পেলাম, নিরন্তর শ্রদ্ধা জাগায় সৃষ্টিজগতের প্রতি।

লিঙ্কটিও বেশ বিস্ময় উদ্রেক করে। ধন্যবাদ। ভালো কাটুক জীবন।

২৬. ০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৩
জানজাবিদ বলেছেন: @নাজনীন১, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ কোরআনের এই আয়াত সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।
২৭. ০৩ রা মে, ২০০৯ সকাল ১১:১১
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন: এই জগতে 'স্রষ্টা' কত অপার রহস্য ছড়িয়ে রেখেছেন তার সবটুকু আবিস্কার করা আসলেই মানুষের পক্ষে অসম্ভব। কি বিজ্ঞানময় আর সুনিপূন সেই স্রষ্টা!

পাখী নিয়ে গবেষণা করেই মানুষ বিমান আবিস্কার করেছিল। পাখী নিয়ে গবেষণা করলে হয়তো আরও অবেক রহস্য রেরিয়ে আসবে। কুরআনুল কারীম পাখী নিয়ে গবেষণা করতে বলেছে: ‍''তারা কি লক্ষ্য করে না (গবেষণা করে না) তাদের উর্ধ্বদেশে পাখীদের প্রতি, যা পাখা বিস্তার করে ও সংকুচিত করে? দয়াময় আল্লাহই তাদেরকে আকাশে স্থির রাখেন (পড়ে যায় না)। তিনি সর্ব বিষয়ে দ্রষ্টা''
(সূরা মূলক: আয়াত- ১৯)
০৩ রা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার বিচরণ আনন্দময় হোক।
প্রজ্ঞাময় স্রষ্টা আমাদের শ্রদ্ধাশীল জ্ঞান দান করুন, যাতে সৃষ্টিজগতের প্রতি আমাদের মমতা নিরন্তর বাড়ে। আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সুখ শান্তিতে কাটুক জীবন।

২৮. ০৩ রা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বরাবরের ভালো লাগা ব্লগে আমার সশ্রদ্ধ সেলাম জানানো পদক্ষেপ!
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। খুব ভালো লাগল দেখে, বরাবরের মতো।
সুখে শান্তিতে উদ্ভাসিত হোক জীবন।

২৯. ০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
বিডি আইডল বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট....সৃষ্টির রহস্য জানার মধ্যেই সুন্দরকে জানা সম্ভব
০৩ রা মে, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন।
সবাই সুন্দরকে জানি, এই প্রত্যাশা।
ভালো থাকুন।

৩০. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ২:৩৫
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ছোটবেলায় "প্রকৃতির কারিগর ......বা এমন নামের একটা রাশান বইয়ে পড়েছিলাম পাখিরা কিভাবে ওড়ে , তার কৌশল! সাথে কিভাবে তা দেখে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি উড্ডয়নযান এর মডেল একেছিলেন! মনে পড়লো!
ম্যা ভে রি ক দা ... ... ... আমিও লিখতে চাই আপনার মত করে কিছু একটা ... অন্তত একবার ! :-(
০৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: আমি তো বরং তোর মতো মন নাড়িয়ে যাওয়া লিখতে চাই--যে রকম প্রতিফলিত হয় জীবন, তোর লেখায়।
ভালো থাকিস।

০৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, বোন। ভালো থাকবেন।

৩২. ০৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৯
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: চমৎকার। নতুন শব্দ কখন পাব?
০৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আসছে শীঘ্রই।

৩৩. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৪
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন: হে হে...টাইটেলে আমার নামসূচক শব্দ দেখে প্রীত হলাম......লেখাটা পড়ে তার চেয়ে বেশি ভালো লাগলো............:)
১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: .... :)
অনেক দিন ব্লগে আপনাকে না দেখে ভাবলাম ব্যস্ততা চলছে খুব। না হলে পোস্টটি চোখে পড়ত। কম্পু বেশ ঝামেলা করছে তাহলে।

হপ্রজ্ঞা আমার প্রিয় একটি শব্দ, আমার কাছে এর মানে জ্ঞানের চেয়েও বেশি, এমন জ্ঞান যা মানুষকে করে তোলে শ্রদ্ধাশীল, আপ্লুত করে বিস্ময়াবিষ্ট মমতায় আপ্লুত করে।

ভালো কাটুক জীবন, প্রজ্ঞায়।

৩৪. ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
জেমসবন্ড বলেছেন:

.......সুন্দর পোষ্ট । প্রিয়তে নিলাম । আর আমি কি আপনার পোষ্টের তথ্য শেয়ার করতে পারি ?

আল্লাহ কিন্তু ইঙ্গিত দিয়েই দিয়েছেন যে , Verily, in this are clear proofs and signs for people who believe (in the Oneness of Allah)."

..তারপরও মানুষ বুঝে না । কতবড় দুর্ভাগ্য !

..আমার পোষ্টে আপনাকে স্বাগতম !!
০৯ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক।
হ্যাঁ, পোস্টের তথ্য শেয়ার করতে পারেন।
মানুষ আসলেই মাঝে মাঝে অহংবোধে দুর্ভাগা হয়ে উঠে।

৩৫. ০৯ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯
নুভান বলেছেন: সত্যিই অসাধারন। পাখিদের এই উড্ডয়নকে পর্যাবেক্ষন করে গণিতের এক নতুন শাখার উৎপত্তি হয়েছে যার নাম PSO (Particle Swarm Optimization). ক্ল্যাসিক্যাল গানিতিক সমীকরণ সমাধানের পদ্ধতির চেয়ে এটা অনেক বেশী কার্যকর, এমন কি নিউরাল নেটওয়ার্ক এর চেয়েও, কারন এর প্রয়োগ খুব সহজ। রিসার্চ পেপারের কিছু লাইন তুলে দিলামঃ
"The birds may fly in different ways to search in the area. In the asynchronous
scheme, the first bird flies a certain distance and in a certain direction based on his own experience and the known location of the best position found so far. When he is done flying, if his location is closer to the bread than the previous globally optimal position, he communicates this information to the second bird. (Otherwise, the global optimal location remains the same.) The second bird then uses this information to update his speed and position, and so on. Since in this method of searching an area the birds all update their speeds and directions at different times, it will be called asynchronous....A different method is obtained if all birds stop after flying in the same time interval, and communicate each other to get the current global best position. Once this
communication is completed, the birds can update their directions and speeds based on their own history and the globally best information available, and fly again. This scheme will be called synchronous, as all of the birds update their information at the same time."
রেফঃ Application of a Novel Parallel Particle Swarm Optimization to
the Design of Electromagnetic Absorbers
Suomin Cui* and Daniel S. Weile
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, নুভান ভাই, চমৎকার তথ্য দিলেন। দুঃখিত, উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল। আশা করি ভালো কাটছে সময়।

৩৬. ২৮ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫
আনোয়ারুল আলম বলেছেন: Swarm এর কথা বলার জন্যই এসেছিলাম দেখি নুভান আমার আগেই সে সম্বন্ধে বলে দিয়ে গেছেন। যদিও Scientific explanation এখনো খুব Shady!
এটা এমন একটা ঘটনা যেটার জন্য কোনো ভাল Scientific explanation নায়।

কেউ কেউ Swarm Intelligence নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু কোথায় থেকে আসে সেই Intelligence? কারও জানা নেই!
Youtube এ পাখির এই আচরনের উপর অনেক ভিডিও পাবেন।


http://www.youtube.com/watch?v=Pm-tOyTkzCM
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: একটু দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে। কৌতূহলী সৃষ্টিকারী মন্তব্য ও লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন।

৩৭. ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: প্রত্যেকের হৃদয় আলোকিত হউক প্রকৃত আলোয়। জ্ঞানের মাধ্যমেই আসবে সে আলো।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আলোকিত হউক হৃদয়, প্রজ্ঞায়।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর। ধন্যবাদ, আপুনি বাবুনি।

৩৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০১
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি কখনও ভাবিনি এসব! কি অদ্ভুত রহস্য ছড়িয়ে আছে আমাদের চারপাশে!
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অপার রহস্য মায়ার জগত এই!

৪০. ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:১৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এই জগত অতীব রহস্যময়; এই রহস্যের মাঝে যেমন তার সৌন্দর্য্য, সেই রহস্যের অবগুন্ঠন উন্মোচনের সমান সৌন্দর্য্য।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ছড়িয়ে আছে ছোট ছোট মুক্তার দানা, পড়ে গেছে মালা থেকে। মালাটি যত বড় হয়, সৌন্দর্য তত বেড়ে যায়।

৪১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১১
নূর-ই-আল-মামুন বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাভেরিক ভাই, আমাদের সাথে এমন একটি আনন্দদায়ক বিষয় শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন। অনেক কিছু জানতে পারলাম। এই জানাটা আনন্দদায়ক।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও অনুভবে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আমার ব্লগে ভ্রমণ আনন্দময় হোক। ভালো কাটুক সময়।

৪২. ৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:২৪
সৌম্য বলেছেন: দারুন! জানতাম নাতো ব্যাপারটা।
ম্যাভারিক দা, সলিম আলী ইন্ডিয়ান বার্ডস এর ই-বুক কি নেটে পাওয়া যায়?
৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর দেখা। আশা করি ভালো চলছে সবকিছু।

সলিম আলী'র বইটি থাকতে পারে নেটে। ইন্টারনেটের কাছে সহজে না নেই, তাই বললাম। :)

৪৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১১
সাব্বির শাহরিয়ার বলেছেন: ছোট বেলায় প্রশ্নটা মনের মধ্যে ছিল। আজ জবাব পেলাম। ভালো লাগলো।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: দুঃখিত লজ্জিত, ভাই, অনেক দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে। আশা করি, চমৎকার কাটছে সময় আপনার।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রাচীন সভ্যতা, পুরাণ, সংখ্যাতত্ত্ব, শব্দের ইতিহাস ভালো লাগা একজন মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই