শ্রদ্ধা আর মমতাই তোমাকে জয়ী করতে পারে; তুমি তোমার জ্ঞান প্রয়োগ কর।

জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৪

শেয়ারঃ
0 5 0


মধ্য এশিয়ায়, ফারগানা উপত্যকার ঠিক মুখেই খোজেন্দ (Khojend)— সুপ্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী, জৌলুসপূর্ণ এক শহর, আর উত্তরের রেশম পথটি ধরে দূর-দূরান্তে চলে যায় যে সব সফরকারী, তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ যাত্রা বিরতি কেন্দ্র। পাশ দিয়ে কুলকুল করে বয়ে চলছে মুক্তো রঙের নদী সির দরিয়া (Syr Darya), তিয়েন শানের বুক থেকে নির্গত হয়ে পড়েছে সেই সুদূর আরলের কোলে। রেশম পথ ধরে খোজেন্দের দিকে আসা পথিকের, কিংবা তাদের উটের, সবার আগে নজরে পড়ে সুবিশাল এক বটবৃক্ষ, সির দরিয়ার তীরে সগৌরবে আকাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।

গ্রীষ্মের এক তপ্ত দুপুরে, স্তেপের উচ্চভূমি থেকে যখন লু হাওয়া বইছিল, ঘর্মাক্ত দেহে আসে এক মুসাফির, বসে পড়ে সে বটগাছের ছায়ায়। বৃক্ষ শাখার হিল্লোলে সির দরিয়া থেকে আসা ঝিরঝিরে বাতাস পরশ বুলিয়ে দেয় পথিকের দেহে, আবেশে ঘুম এসে যায় তার। অনেকক্ষণ পর বেশ শান্তির এক ঘুম শেষে চোখ মেলে সে।

"খোজেন্দে স্বাগতম, হে মুসাফির।" মিষ্টি হাসে এক লোক, খোজেন্দের অধিবাসী।
"আহ, ধন্যবাদ আপনাকে। চমৎকার বটগাছটি আপনাদের, গর্ব করার মতো।" পথিকও প্রত্যুত্তরে হাসে।
"হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। এ আমাদের জন্য অনেক বড় উপহার।"
"কিন্তু যেভাবে নদীর পাড় ভাঙছে, আপনাদের কী মনে হয়, আগামী বর্ষাটাও টিকে থাকতে পারবে সে!"
"না, ভেসে যাবে না ও, নদীই বরং থেমে যাবে। শেকড়ের ধারে তার জমবে পলিমাটির নতুন স্তর, নদীর বুক চিরে জাগবে চর। আগের মতোই খোজেন্দের আকাশে ডানা মেলবে সে।" দৃঢ় কণ্ঠে বলে খোজেন্দবাসী।
"কিন্তু ধরুন, এরকম হলো না!" পথিকের চোখে অবিশ্বাস।
"কোনোদিন যদি ঢলেও পড়ে সে সির দরিয়ার তীরে, যদি শুকিয়েও যায় তার বল্কল, ঝরে পড়ে তার পত্র-পল্লব, বন্ধ হয়ে যায় নাড়ির স্পন্দন, তবু খোজেন্দের কোনো কুঠার উঠবে না ওর গায়ে। চারদিকে খুঁটি পেতে তাকে ঘিরে দিব আমরা," ঘোরের মতো বলতে থাকে খোজেন্দবাসী, "আর দূরান্তের পথিক আগের মতোই জানবে, এটিই সেই গাছ যা লাগিয়েছিলেন হোজ্জা নাসিরুদ্দীন।"
"হোজ্জা এসেছিলেন এখানে!" চিৎকার করে উঠে পথিক। "আহা, কত গল্প শুনেছি তার ব্যাপারে! আমরা, যারা সেই মহাপ্রাচীরের ভেতর থাকি, তাকে অবশ্য বলি এফেন্দি (Efendi)।"

হাসিতে উদ্ভাসিত হয় খোজেন্দবাসী। "শহরের উপকণ্ঠে রাজ্জাক (রুটি-দানকারী) নামে যে মহল্লাটি আছে, সেখানে গেলে তার আরো স্মৃতি দেখবেন। আমরা বলি হোজ্জা নাসিরুদ্দীন মহল্লা, বহুকাল আগে এখানে এসেছিলেন তিনি।"

"আর, ঐ পাহাড়গুলো পেরিয়ে যদি আকাতের দিকে যান," কী এক আনন্দে বলতে থাকে খোজেন্দবাসী, "দেখবেন পাহাড়ী হ্রদ, ছোট্ট গ্রাম চোরাক, হোজ্জার সেই চা-খানা, আর তার পাশে হোজ্জার বিখ্যাত সেই চড়ুই, হোজ্জা যাদের রুটি খাওয়াতেন, তাদের অসংখ্য বংশধর। হ্রদের কিনারায়, পাহাড়ের গায়ে রয়েছে 'পুণ্যবান সেই চোরের গুহা'।"
"পুণ্যবান চোরের গুহা!"
"হ্যাঁ, বোগদাদের সেই বিখ্যাত চোর, হোজ্জা যাকে চুরি থেকে ফিরিয়ে পুণ্যাত্মা করে তুলেছিলেন।"

এভাবেই বেঁচে আছেন তিনি, হোজ্জা নাসিরুদ্দীন, বসফোরাস থেকে জাবাল-তারিক, হরমুজ থেকে ভলগা, আনাতোলিয়ার উচ্চভূমি থেকে চীনের মহাপ্রাচীরে, এবং আরও দূরে, পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে। বাংলায় তিনি হোজ্জা বা মোল্লা, আরব ও উত্তর আফ্রিকায় জুহা, আজারবাইজান, আফগান, পারস্যে মোল্লা, আলবেনিয়ায় হোক্সহা, উজবেক-চীনে আফেন্দি বা এফেন্দি, উইঘুরে আফেন্তি, কাজাখে খোজা, বসনিয়ায় হোদজা, তাজিকে মুশফিকি

কিন্তু সত্যিই কি রক্তমাংশের মানুষ ছিলেন তিনি, নাকি এসব নিছকই কিংবদন্তির কথা মাত্র!

কে ছিলেন হোজ্জা?
আফগানিস্তান, পারস্য, তুরস্ক, তাজিকিস্তানসহ মধ্য এশিয়ার সব দেশই তাকে দাবি করে নিজের সন্তান বলে, ছাড় দিতে রাজি নয় কেউ কাউকে। আর উজবেকগণ তো তাদের বুখারা শহরটিকে দেখিয়ে একেবারে জোর গলায়ই বলে থাকে, এটিই হোজ্জার শহর, এখানেই জন্মেছেন তিনি।

বুখারায় হোজ্জা নাসিরুদ্দীনের ভাস্কর্য

হোজ্জা নাসিরুদ্দীনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রাচীনতম গল্পটি পাওয়া যায় আবুল খায়ের-ই-রুমী'র সালতুক-নামা (Saltuk Nama, ১৪৮০ খ্রি.) গ্রন্থে। এতে জানা যায়, হোজ্জা বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমের জেলা শহর আকসেহিরের (Aksehir) তৎকালীন দরবেশ সাঈদ মাহমুদ হায়রানীর একজন সাধক শিষ্য ছিলেন।

তুর্কি ভাষায় রচিত তাঁর আরো কিছু গল্প পাওয়া যায় লামি চেলেবি'র (Lami Celebi, মৃত্যু ১৫৩১ খ্রি.) গল্পগ্রন্থ লেতাইফ(Leta'if)-এ, যেখানে হোজ্জাকে চতুর্দশ শতকের সাঈদ হামজার সমসাময়িক বলে উল্লেখ করা হয়।

তবে পরবর্তী উপাখ্যানসমূহে পৃথিবী জুড়ে হোজ্জার যে সুবিশাল জনপ্রিয়তা, এবং বিশেষ করে তাঁর উপর ইউরোপীয় গবেষকদের পাণ্ডিত্যের ভিত্তি, গড়ে উঠেছে উসমানী (Ottoman) অভিযাত্রী এবলিয়া চেলেবি (Evliya Celebi)'র বর্ণনার উপর। এবলিয়া সপ্তদশ শতকে আকসেহিরে হোজ্জার তথাকথিত মাজার পরিদর্শন করেন এবং একটি গল্প বলেন যেখানে মঙ্গোল খানাতের সম্রাট, আমির তৈমুর লঙের সাথে হোজ্জার মোলাকাতের একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়। তৈমুর মারা যান সির দরিয়ার তীরে, ১৪০৫ সালে।

পরবর্তী শতকগুলোতেও বিভিন্ন বর্ণনায় হোজ্জার খবর পাওয়া যায়। আকসেহিরের সন্নিকটবর্তী এলাকা সিভ্রিহিসারের (Sivrihisar) মুফতি হুসেইন এফেন্দি (মৃত্যু ১৮৮০ খ্রি.) উল্লেখ করেন, হোজ্জা তাঁরই এলাকায় ১২০৮ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৮৪ খ্রিস্টাব্দে আকসেহিরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই উৎস অনুসারে, হোজ্জা সিভ্রিহিসারে তাঁর ইমাম পিতার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন এবং পরে কনিয়া'র হানাফী বিদ্যালয়ে ফিকাহ শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন ও ইমাম হবার যোগ্যতা অর্জন করেন। কনিয়া শহরে মাওলানা জালালুদ্দিন রুমী'র (১২০৭-১২৭৩) সাথে তিনি সাক্ষাত করে তাঁর কাছ থেকে সুফী দর্শন আয়ত্ত করেন। সাঈদ মাহমুদ হায়রানীর বায়েত গ্রহণ করে হোজ্জা পরে আকসেহিরে গমন করেন এবং বিয়ে করে সেখানে স্থায়ী হন ও কাজীর পদে অভিষিক্ত হন।

ত্রয়োদশ শতকের মাঝামাঝি সময়কার দুটি দানপত্রে কনিয়া শহরে হোজ্জার অবস্থানের উল্লেখ পাওয়া যায়: এদের একটি ১২৫৭ খ্রিস্টাব্দে সাঈদ মাহমুদ হায়রানী কর্তৃক, ১২৬৬-৬৭ খ্রিস্টাব্দে অন্যটি হাজী ইব্রাহীম কর্তৃক।

বিভিন্ন সূত্র বিশ্লেষণ করে মোটামুটি নিশ্চিতভাবে বলা যায়, হোজ্জা সিভ্রিহিসার এলাকার সন্নিকটে হর্তু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ত্রয়োদেশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আনাতোলিয়ায় (Anatolia) বাস করতেন। আকসেহিরে গেলে চোখে পড়ে তাঁর কবরে সুদৃঢ় এক লৌহ দরজা, বিশালাকায় এক তালা ঝুলানো তাতে। দর্শনার্থীদের অবশ্য আশাহত হবার কারণ নেই, কবরের চারপাশে কোনো দেয়াল রাখতে নিষেধ করে গেছেন হোজ্জা! অর্থাৎ ইহলোকে আমরা কত কিছুই না সিন্দুকে পুরে আটকাতে চাই, কিন্তু এর চে ঢের বেশী আমাদের অগোচরেই হারিয়ে যায়।

মাওলানা জালালুদ্দিন রুমীর কবরের পাশে শায়িত এক নারীর সমাধিফলক থেকেও হোজ্জার জীবনী সম্পর্কে জানা যায়। ধারণা করা হয়, ফলকটি হোজ্জার কন্যা ফাতিমার, যিনি ১৩২৬ খ্রিস্টাব্দে মারা যান। এ হিসেবে হোজ্জা ত্রয়োদশ শতকেরই মানুষ ছিলেন।

নাসিরুদ্দীনের গল্প
হোজ্জার নামে পৃথিবীর আনাচে আনাচে ছড়িয়ে থাকা গল্পগুলো জড়ো হতে থাকে পঞ্চদশ শতক থেকে। কিন্তু গ্রন্থাকারে সেগুলো প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে, ইস্তাম্বুলের রাজকীয় ছাপাখানায়, লেতাইফ-ই-হাসে নাসরেদ্দিন বা 'খোদজা নাসরুদ্দিনের মনোরম গল্প" শিরোনামে। তাঁর প্রথম ক্ষু্দ্রাকৃতির প্রতিকৃতিতে দেখা যায় গাধার পিঠে উল্টো হয়ে বসে আছেন তিনি। প্রতিকৃতিটি বর্তমানে টপকাপি (Tokapi) প্রাসাদের জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।


তুরস্ক থেকে দ্রুত উসমানী সাম্রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে হোজ্জার গল্প। পারস্য ও আরব লোকগাঁথায় হোজ্জা অমর এক চরিত্র। পৃথিবীর বহু জায়গার সংস্কৃতির সাথে একেবারে নিবিড়ভাবে মিশে গেছেন তিনি, দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা প্রবাহে, আনন্দ-বেদনায়, আশা-হতাশায়, ক্ষোভে-দ্রোহে নিরন্তর তাঁকে আহ্বান করে মানুষ। হাজার হাজার তাঁর গল্প, বলে গেছেন তিনি সব মানুষেরই কথা, যা খাপ খেয়ে যায় যেকোনো জায়গায়, যেকোনো ঘটনায়। আলবেনিয়, আরবি, আজেরি, বাংলা, বসনিয়, হিন্দি, পশতু, সার্বিয়, উর্দু প্রথায় তিনি খুব আপনজন, ক্রোয়েশিয়, ককেশীয়, এমনকি চীনা ভাষায়ও।

আপাতদৃষ্টিতে হোজ্জার অধিকাংশ গল্প কৌতুক বা চুটকি হিসবে গণ্য করা যায়। ক্লান্তিহীনভাবে মানুষ এগুলো বলে যায়, কায়রোর নৈশ বাজারে, পারস্যের সরাইখানায়, ভলগার তীরে, ...। একটু গভীরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় তাঁর গল্পের দ্বৈতরূপ: যুক্তিহীন তবু যুক্তিবাদী, বিবেচনারহিত তবু সুবিবেচনাপ্রসূত, পাগলাটে অথচ স্বাভাবিক, বোকা অথচ তীক্ষ্ণ, এবং সরল অথচ সুগভীর। প্রথাবিরুদ্ধ কিন্তু কার্যকরভাবে গভীর সারল্যে স্রোতার মনে তিনি প্রোথিত করে দেন তাঁর বক্তব্য, অনন্য উপায়ে।

কোথায় ঘুমিয়ে আছেন হোজ্জা?
যদিও মোটামুটি গ্রহণযোগ্য মতে আকসেহিরেই চির নিদ্রায় শায়িত হোজ্জা, তবু দাবি ছাড়তে রাজি নয় অন্যরা। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে আটটি জায়গায় তাঁর কবরের কথা শোনা যায়। কে জানে এদের কোনটিতে ঘুমিয়ে আছেন তিনি? অথবা আসলে এদের কোনটিই নয়, অন্য কোথাও, হয়তো সাগরতলে, পাহাড়-কন্দরে কিংবা মরুর বুকে!


তবে আদৌ ঘুমিয়ে আছেন কি তিনি! এখনও কি মানুষ গভীর ভালোবাসায় পথ চলে না তাঁর পাশে? দামেস্ক তলোয়ারের মতো এখনও কি তাঁর ব্যঙ্গ, শাণিত তাঁর বিদ্রুপ আঘাত হানে না দুর্নীতিবাজ, গোঁড়া, অত্যাচারীর পাজরে?

হোজ্জার কিছু গল্প
১। একদা শিষ্যদের নিয়ে মেলায় গেলেন হোজ্জা। এক জায়গায় দেখতে পেলেন তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। খেলায় অংশগ্রহণ করে প্রথম তীরটি নিক্ষেপ করলেন হোজ্জা। কিন্তু তীর গিয়ে পড়ল মাত্র কয়েক হাত দূরে। সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে দেখে হোজ্জা বললেন, "আসলে এমনটি ঘটে সে মানুষের ক্ষেত্রে যে নিজেকে সবসময় ছোট ভাবে।"

"আর এমনটি ঘটে..." তীর নিক্ষেপ করেন হোজ্জা। নির্ধারিত জায়গার উপর দিয়ে বেশ দূরে গিয়ে পড়ে তীরটি এবার, আবারও হাসতে থাকে জনতা। "..এমনটি ঘটে যে মানুষ উদ্ধত আত্মবিশ্বাসে ভুগে, তার ক্ষেত্রে।"

"আর এ হচ্ছে..."আবারও তীর নিক্ষেপ করেন হোজ্জা, ঠিক জায়গামত বিদ্ধ হয় এবার। হোজ্জা শান্ত গলায় বলেন, "এ হচ্ছে আমি।"

২। হাটবারের দিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে জড়বুদ্ধির মতো আচরণ করতেন হোজ্জা, ফলে নির্বোধ ভেবে মানুষ তাকে মুদ্রা দান করত। কিন্তু তার সামনে দুটি মুদ্রা তুলে ধরা হলে, সর্বদাই তিনি ছোট মুদ্রাটি গ্রহণ করতেন, যতবারই, যেভাবেই দেয়া হোক না কেন।

একদিন সদাশয় এক ব্যক্তি তাকে বললেন, "নাসিরুদ্দীন, তুমি তো বড় মুদ্রাটা নিতে পার। এতে তোমার দ্রুত বেশ কিছু টাকা-পয়সা জমে যাবে আর মানুষও আগের মতো তোমাকে নিয়ে তামাশা করতে পারবে না।"

"হুমম, আপনি যা বলছেন তা হয়তো ঠিক হতে পারে। কিন্তু আমি ভাবছি, আমি যদি সবসময় বড় মুদ্রাটা গ্রহণ করি, তাহলে মানুষ আমাকে তাদের চেয়েও নির্বোধ ভেবে যে আনন্দটা পায়, সে আনন্দটা আর পাবে না, ফলে দান হয়তো একেবারেই বন্ধ করে দিবে।" হোজ্জা জবাব দেন।

৩। "আমি যখন মরুভূমিতে ছিলাম," এক স্মৃতিচারণায় বললেন হোজ্জা, "তখন রক্তলোলুপ, নৃশংস একদল বেদুইনকে দৌঁড়িয়েছিলাম।"
"খালি হাতে!" বিস্ময়ে প্রশ্ন করে দর্শক।
"হ্যাঁ, কেবল ছোট একটা লাঠি ছিল আমার হাতে।"
"কিন্তু এ কীভাবে সম্ভব, হোজ্জা!"
"খুবই সহজ। আমি ঝড়ের বেগে দৌঁড়াচ্ছিলাম, আর তারাও আমার পেছন পেছন দৌঁড়াচ্ছিল।"

৪। গোধূলি বেলায় নির্জন মরুপথে একাকি হাঁটতে হাঁটতে হোজ্জা দেখলেন ধূলিঝড় উঠিয়ে একদল ঘোড়সওয়ার আসছে তার দিকে। চিন্তার ঝড় খেলতে লাগল তাঁর মনে, কল্পনায় তিনি নিজেকে দেখতে লাগলেন বন্দী, ডাকাতির শিকার কিংবা নিহত অবস্থায়। উৎকণ্ঠায় হৃদপিণ্ড তাঁর গলায় উঠে আসার উপক্রম হলো। দ্রুত এক কবরস্থানের দেয়ালে বেয়ে অন্যপাশে চলে গেলেন তিনি, তারপর খোলা এক কবরে মরার মতো পড়ে রইলেন।

তার এই অদ্ভুত ব্যবহার লক্ষ করল ঘোড়সওয়ারগণ এবং অনুসরণ করে তার কাছে এসে পড়ল। হোজ্জা তখন ভয়ে কাঁপছেন।
"এই কবরে আপনি কী করছেন? আমরা দেখলাম আপনি দৌঁড়ে চলে গেলেন। আমরা কি কোনো সাহায্য করতে পারি আপনার?" কোমল গলায় দলনেতা জানতে চান।
"আপনি একটি প্রশ্ন করেছেন, তার মানে এই নয় যে এর সরল-সোজা কোনো উত্তর আছে।" বিপদ কেটে গেছে বুঝতে পেরে হোজ্জা বলতে লাগলেন। " আসলে ব্যাপারটি নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপর। আর যদি সত্যি সত্যি জানতে চান, তাহলে বলি, আমি এখানে এসেছি আপনাদের কারণে, আর আপনারা এখানে এসেছেন আমার কারণে।"

৫। কাজী থাকাকালীন একদা নিজের কক্ষে বসে কাজ করছেন হোজ্জা। এমন সময় এক প্রতিবেশি এসে বললেন, "আচ্ছা, হোজ্জা, একজনের গরু যদি আরেকজনের গরু মেরে ফেলে, এর বিধান কী? প্রথম গরুর মালিক কি এতে দায়ী হবে?"
"এটা আসলে নির্ভর করে...।"
"আচ্ছা, তাহলে খুলেই বলি, আপনার গরুটা আমার একটা গরুকে মেরে ফেলেছে।"
"ওহ! সবাই জানে একটা গরু কখনো মানুষের মতো চিন্তা করতে পারে না, তাই গরুর কোনো বিচার হতে পারে না, আর এর মানে হচ্ছে, গরুর মালিকও দায়ী হতে পারেন না।"
"আমি আসলে একটা ভুল করেছি, হোজ্জা। আমি বলতে চাচ্ছিলাম আমার গরুটা আপনার গরুকে মেরে ফেলেছে।"
নাসিরুদ্দীন কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করেন। তারপর বলেন, "একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখলাম, বিষয়টা আসলে প্রথমে যেরকম ভেবেছিলাম, অতটা সহজ নয়।"
তারপর কেরাণীর দিকে ফিরে নির্দেশ দিলেন, "তোমার পেছনে বইয়ের তাক থেকে মোটা বইটা পেড়ে নিয়ে আস তো।"

কিছু মজার তথ্য :)
১। একজন তুর্কিকে চেনার কার্যকর উপায় হচ্ছে হোজ্জার নাম শুনলেই তার হাসি আসে কি না।
২। ইউনেস্কো ১৯৯৬-১৯৯৭ সালকে আন্তর্জাতিক হোজ্জা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে।
৩। প্রতি বছর ৫ থেকে ১০ই জুলাই আকসেহিরের আন্তর্জাতিক হোজ্জা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
৪। মিগুয়েল দ্য সারভান্তেসের বিখ্যাত উপন্যাস ডন কুইক্সোট (Don Quixote)-এ হোজ্জা কাহিনীর বেশ ছাপ আছে।

তথ্যসূত্রঃ
১। Click This Link
২। http://en.wikipedia.org/wiki/Nasrudin
৩। বিমুগ্ধ আত্মা হোজ্জা নাসিরুদ্দিন, সেবা প্রকাশনী

[ব্লগার সৌম্য হোজ্জা নাসিরুদ্দিনের উপর লিখতে বলেছিলেন, মূলত এ কারণেই পোস্টটির সৃষ্টি। পোস্টটি "বাংলার বতুতা" সৌম্যকে শ্রদ্ধার সাথে উৎসর্গ করা হলো।]

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ, অনেক।
ভালো থাকুন।

২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯
বিডি আইডল বলেছেন: প্লাসাইলাম পড়ে পড়ুমনে...
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, আইডল। মূল্যায়নের বিশ্বাসে সম্মানিত হলাম।
ভালো কাটুক সময়।

৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: হোজ্জার গল্পগুলো ছোটবেলার রাত জেগে চুরি করে গল্প পড়ার কথা মনে করিয়ে দেয় । লোকটার গল্পগুলো যাদুর মত টানত আমাকে।

এক উজবেক মেয়ে আমাকে তাসখন্দ সামারখন্দ এর কিছু পুরাকীর্তি দেখিয়েছিল। অসাধারন সমৃদ্ধ ইতিহাস ঔতিহ্য উজবেকিস্তানের।



লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

তাসখন্দ, সমরখন্দ! রেশম পথের ধার ধরে হাঁটতে কত না ইচ্ছে হয় মাঝে মাঝে! কত জীবন, জীবনের কত না রঙ! :) আপনি গিয়েছিলেন নাকি?

ভালো কাটুক জীবন।

৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৬
'লেনিন' বলেছেন: হোজ্জা অমনিবাসই বোধহয় পড়ে ফেলেছিলাম। চাইনিজ প্রকাশনের, রুশ প্রকাশনের আর বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরণের টা।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: অবাক হবার মতো ছিল সেদিনগুলো, কী বলেন?
আশা করি ভালো কাটছে দিন এখনও। :)

৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩২
রাতফুল বলেছেন: কত পড়েছি ছোটবেলায়! অনেক প্রিয়। প্রিয়তে নিলাম।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক।

হ্যাঁ, একেবারে প্রোথিত ছিল হৃদয়ে সেসব গল্প, হোজ্জার বোকামি, হোজ্জার প্রজ্ঞা।
ভালো থাকবেন।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। ভালো লাগল আপনাকে দেখে।
চমৎকার কাটুক সময়।

৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬
সৌম্য বলেছেন: প্লাস। আর কিছু বলবো না। সেদিন ব্লগার 'জটিল' ভাইয়ের সাথে দেখা হলো। জানতামই না আমার খুবই ফেভারিট এই ব্লগার আমার বাড়ির মাত্র কয়েক ফুট দূরে থাকেন। আপনার লেখা নিয়ে দির্ঘ সময় আলোচনা হলো। পারলে কোন ব্লগার্স মিট আপে হাজির হবেন।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সৌম্য ভাই। আপনি না বললে এই পোস্ট লেখাই হতো না। :)
ইচ্ছে খুব মিট আপের, সময় করে চলে আসব একদিন।

৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৬
নুশেরা বলেছেন: গ্রেট পোস্ট!

মধ্যএশিয়ার জায়গা, পর্বত, নদী আর মানুষের নামগুলোর আলাদা একটা ধরণ আছে। পড়লেই কিছু কিছু লেখার কথা মনে পড়ে যায়। "এফেন্দি"র কথায় অনেকদিন পর মনে পড়লো নাগীব মেহফুজের একটা গল্পের চরিত্রের নাম, বাদাবি এফেন্দি।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, বোন। আপনার মন্তব্য বড় সম্মাননা প্রেরণার।
হ্যাঁ, মধ্য এশিয়ার নাম শুনলেই ভেসে উঠে ধূলিধূসরিত পথে এগিয়ে চলা কাফেলা, দূরদূরান্তে, নানা রঙের; সরাইখানায় বসেছে আরব্য রজনী আর আস্তাবল থেকে ক্ষণে ক্ষণে ভেসে আসছে ঘোড়ার ডাক। খোজেন্দ থেকে কোকন্দ, সমরখন্দ থেকে নিশাপুর...

ভালো কাটুক জীবন।

৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: প্রিয়তে ।

রহস্য পত্রিকায় হোজ্জার দিনলিপি ভাজা ভাজা করাছিলো -- অনেক অনেক গল্প -- এবং তাদের নানা রুপ কপিও পড়াছিলো ।

এখন জানলাম তার জন্মস্থানের কাহিনী ।

ধন্যবাদ -- গল্পগুলো চাবুকের মতো উইট দেখে পুরোনো স্বাদ পেলাম ।

~~~~~~~

অফ টপিক: ঈশপের গল্পের বাংলা ভার্শন --- অথবা ভিডিও জাতীয় কোন লিংক শেয়ার করলে উপকৃত হবো।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, প্রিয় আরণ্যক। ধন্যবাদ, পোস্ট প্রিয়তে নেওয়ায়, অনেক অনেক। :)

অন্যায়, অনাচারের বিরুদ্ধে চাবুকই ছিলেন হোজ্জা।

ইউটিউবে ঈশপের গল্পের এই লিঙ্কটা পেলাম। এখান থেকে আরো লিঙ্কে যেতে পারেন। বাংলা ভার্শন পেলে জানাব।

১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:১৩
সততার আলো বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সততার আলো। মূল্যায়নে সম্মানিত বোধ করলাম।
ভালো থাকবেন।

১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
বিডি আইডল বলেছেন: পড়লাম...চমৎকার....আপসুস হয় আপনার মত লেখনী ক্ষমতা নেই বলে...
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আইডল। লেখা যদি মানুষকে কিছুটা টানে, সে আসলে একটু পরিশ্রম প্রচেষ্টার ফল।

লেখার ব্যাপারে একটি বেশ কার্যকর উপায় হচ্ছে

* প্রথমবার বেশি চিন্তা না করে লিখে যান।
* তারপর নিজের কানের উপর মনোযোগ দিয়ে, শুনতে কেমন লাগে-এর উপর ভিত্তি করে, লেখার শব্দগুলোকে সুবিন্যস্ত করুন। একটা ক্রিয়াবিশেষণও এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বসালে নাটকীয়ভাবে বাক্যের প্রভাব পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।
* তৃতীয়বার লেখাটি চূড়ান্ত করুন।

আমার মতে সুবিন্যাস হচ্ছে ৯০%, বাকি ১০% সঠিক কেবল শব্দচয়ন। :)

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনুভবটি বড় সম্মাননা পোস্টের জন্য। :)
ভালো কাটুক সময়, সুখে স্বস্তিতে।

১৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সামুকে মাইনাস। কারণ, প্রতি পোস্টে মাত্র একটা প্লাস দেয়া যায়!
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা।
অনেকগুলো +, - না রেখে অবশ্য ছোট+, বড়+ এরকম রাখা যেতে পারে। পরে একাধিক + মিলে আবার বিভিন্ন মাপের বড় প্লাস হবে! সবাই শুধু একটাই + পেত, কিন্তু তার ব্যাসার্ধ হতো বিভিন্ন সাইজের। :)

১৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
নকীবুল বারী বলেছেন: চিনে হোজ্জা সম্ভবত আফেন্দী বলে পরিচিত...........

হোজ্জার একটা গপ্প বলে নিই....

হোজ্জা একদিন তার এক মিউজিসিয়ান বন্ধুর বাড়িতে গেছে................তো মিউজিসিয়ান ফ্রেন্ড তাকে শুধু মিউজিক শুনিয়েই যাচ্ছে। রাত গভীর হচ্ছে, ক্ষুধায় হোজ্জার পেট চোঁ চোঁ করতেছে। এবসময় বন্ধু বাজনা থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, বন্ধু সংগীত কেমন লাগছে???? হোজ্জা উত্তর দিলেন, ভালো লাগছে বন্ধু, কিন্তু এ মূহুর্তে যে সংগীত আমার সবচেয়ে ভালো লাগতো তা হচ্ছে কড়াইয়ে চামচ চাছাঁর আওয়াজ.........................:)
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, চীনে তিনি এফেন্দি/আফেন্দি নামে পরিচিত।
রসিক হোজ্জা রসনাসঙ্গীতের বেশ সমজদার ছিলেন। ধন্যবাদ, গপ্পের জন্য। :)

১৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন।
এ ধরনের পোষ্ট আরো আশা করছি।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মূল্যায়নে আনন্দিত হলাম। পোস্টের চেষ্টা থাকবে।
ভালো কাটুক জীবন।

১৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
জানজাবিদ বলেছেন: আপনার লেখাগুলো আমাদের ছেলে-মেয়েদের অবশ্যই পড়াতে হবে। সামনের বইমেলায় একটা বই বের করেন না কেন? ..............আগেও মনে হয় একই কথা বলেছি। একটু ভেবে দেখবেন।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, জানজাবিদ। আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল, প্রেরণা পাচ্ছি বইয়ের। :)
আপনি নির্দিষ্ট কিছু দিক বললে, সেটি ধরে এগুতে পারতাম, যাতে সামগ্রিকভাবে বৃহত্তর গ্রুপের কাছে পৌঁছা যায়।

ভালো থাকবেন।

১৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
আহমেদ রাকিব বলেছেন: চরম পোষ্ট। প্রিয়তে তুইলা রাখলাম। :)
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। চরম মন্তব্যে আনন্দিত হলাম। প্রিয় পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
ভালো কাটুক সময়।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: রকাৎমচ ব্যন্তম।
সোহায়ালার কাছ থেকে ধার করা। :)

১৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: ভাল লেখা। আপনার প্রোফাইলটা দিচি এইখানে Click This Link
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সত্যাশ্রয়ী। আপনার পোস্টের আইডিয়াটা বেশ চমৎকার।
ভালো থাকুন।

২০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
কালপুরুষ বলেছেন: ‌আপনার বলার ভঙ্গিটাই গল্পের ভেতরে আটকে রাখে। না শেষ করে নড়া যায়না। বরাবরের মতোই সুন্দর। খুব ভাল লাগলো।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: দাদার কথায় গভীর অনুপ্রাণিত হলাম। আপনার উৎসাহ এবং শুভ কামনা পোস্টের উৎকর্ষের জন্য প্রাণরস হিসেবে কাজ করে সব সময়। ধন্যবাদ, দাদা।

২১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪১
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: র-কা- ৎ-ম-চ !!

যেহেতু হোজ্জা উলটো বসতেন! :- )

ছোট বেলায় যে কয়টা ফানিম্যান দের গল্প পড়তাম , হোজ্জা ছিল বেস্ট! হোজ্জা , গোপালভাঁড় , বীরবল .........

ধন্যবাদ ম্যাভেরিকদা !!! এটা পড়ে হোজ্জাকে একটুও ফানিম্যান মনে হচ্ছেনা! বরং প্রজ্ঞাবান কোন ইতিহাসের চরিত্র , যে কিনা পারস্যে বসবাস করতো , এমন মনে হচ্ছে!



০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা, সুন্দর বলেছিস, র-কা- ৎ-ম-চ !!

হ্যাঁ, অন্যদের সাথে হোজ্জার পার্থক্য হচ্ছে হোজ্জা দরবারী ভাঁড় ছিলেন না, ছিলেন স্বাধীনচেতা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি, এবং অন্যায়ের প্রতিবাদকারী।

ইতিহাস তাঁকে প্রজ্ঞাবান দার্শনিকই বলে। :)

২২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩০
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: নাসির উদ্দিন হোজ্জা সম্পর্কে একসাথে জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

মধ্য এশিয়ার বিস্তারিত বর্ননা সেই সাথে হোজ্জা চমৎকার পোস্ট।

সবচেয়ে ভাল লেগেছে কোথায় ঘুমিয়ে আছেন হোজ্জা অংশটুকু।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পড় দেখলাম আপুকে। ভালো লাগল খুব।
ভালো কাটুক সময়।

২৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আকাশ অম্বর বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট!

ম্যাভেরিক ভাইয়াকে ধন্যবাদ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। ধন্যবাদ অনেক, পড়া ও মূল্যায়নে।

২৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। হোজ্জার সব গল্পই ছেলেবেলার রসদ ছিল। কিন্তু তার সম্পর্কে এতো কিছু জানা ছিল না!
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। প্রিয় পোস্টের সম্মাননায় ধন্যবাদ।
আমিও শুধু হোজ্জার গল্পই শুনে যেতাম মূলত। সৌম্য ভাইয়ের কথায় মনে হল মানুষটাকে আরেকটু খুঁজি, তাই এ পোস্ট।

ভালো থাকুন।

২৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
সবুজ অঙ্গন বলেছেন: খুব তথ্যসমৃদ্ধ লেখা। ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় একটা প্রশ্ন যন্ত্রণা দিচ্ছে। গোপাল ভাঁড়, বীর বল, নাসির উদ্দীন হোজ্জা এবং এরকম আরও একজন যার নাম ভুলে গেছি, এঁদের গল্প খুব শুনেছি এবং পড়েছি। অনেক সময়েই দেখা গেছে গোপাল ভাঁড়ের নামে যে গল্পটা শুনেছি ঐরূপ গল্প নাসির উদ্দিন হোজ্জার নামেও প্রচলিত আছে। আবার বীরবলের গল্পও মনে হয়েছে এমন গল্প হোজ্জা বা গোপাল ভাঁড়ের গল্প নামে শুনেছি। এ মুহূর্তে একটা গল্পের কথা মনে পড়লো যা হোজ্জা ও গোপাল ভাঁড় উভয়ের নামেই পড়েছি।

হোজ্জা/গোপাল ভাঁড়ের পাড়ায় নতুন এক লোক এসেছে। লোকটা জিজ্ঞাসা করলো, এখানে মশা কেমন, মশায়?
খেয়ে তো দেখি নি কখনো - হোজ্জা/গোপাল ভাঁড় নির্বিকার ভাবে জবাব দেয়।

আমার মনে হয়, এদের গল্প সঠিকভাবে সংরক্ষণ/সংকলন করা সম্ভব হয় নি বলে কালক্রমে একই গল্প উভয় বা তিন জনের নামেই প্রচলিত হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারটা নিয়ে কিছু লেখার থাকলে বা বিস্তারিত জানালে তৃপ্তি পেতাম।

সুন্দর লেখার জন্য অভিনন্দন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে আপনার বিচরণ আনন্দময় হোক।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন, একই গল্প একাধিক জনের নামে প্রচলিত আছে। আসলে তাঁরা তাদের সময়ের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন, হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ মানুষের আনন্দ-হাসি, দুঃখ-বঞ্চনা, দ্রোহের প্রতিনিধি। ফলে সাধারণ মানুষ, রাজা-রাণীদের ভীড়ে যাদের গল্প বলে না কেউ, চেয়েছে তাদের অনুভূতিকে এঁদের মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখতে।

এ ব্যাপারে আরও লেখার ইচ্ছে রইল। ভালো থাকবেন।

২৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: হোজ্জা ছিলেন হয়তো, তবে যতটা না বাস্তবে তারচেয়ে অনেক বেশি হৃদয়ে। যখনই কোন অসঙ্গতিকে উইট আর হিউমার দিয়ে আঘাতের দরকার হয়েছে, তখনই মানুষ হোজ্জাকে আশ্রয় করে নতুন কোন গল্প তৈরি করেছে, সম্ভবত, সঠিক জানি না। এজন্যই মনে হয় এত গল্প আর তার এত ভার্শন। গল্পগুলো এখনো খুব প্রিয়। :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: "...যখনই কোন অসঙ্গতিকে উইট আর হিউমার দিয়ে আঘাতের দরকার হয়েছে, তখনই মানুষ হোজ্জাকে আশ্রয় করে নতুন কোন গল্প তৈরি করেছে,.."

সত্য কথা। :)

২৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
মুসাফির... বলেছেন: আমার এক মান্যবর আমার বিরোদ্ধে অবিযোগ করে বলেন: আমি বই এর পোকা ছিলাম-কম্পিউটার আসাতে সেই পাঠকটির মৃত্যু হয়েছে- এই পোষ্টটি পড়ে মনে হলো আমি ঠকি নাই।
সত্যিই চমৎকার পোষ্ট.. নাসির উদ্দিন হোজ্জার নামে চলমান আর একটি গল্প মনে পড়ছে, বলার লোভ সামলাতে পালাম না। তার আগে ক্ষমাপ্রার্থী লেখকের কাছে...

এক গ্রামের কৃষকের সব মুরগী খেয়ে শেষ করল এক শেয়াল।অবশেষে গ্রামবাসীর সফল চেষ্টায় একটিন জালে আটকা পড়ল। প্রতিশোধের পরিকল্পনা পর্বে শেয়ালটিকে কি শাস্তি দেয়া যায় সকলে যার যার মত দিচ্ছে। এমতাবস্থায় হোজ্জার আগমন এবং মন্তব্য- "আরে.. এতসব পরিকল্পনার দরকার নেই - তারচে বরং আমার জামাটা পড়িয়ে ওকে ছেড়ে দাও- দেখবে না খেতে খেতে অনেক কষ্ট পেয়ে সে মারা যাবে।"
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, মুসাফির, সির দরিয়ার তীরে আপনার যাত্রা বিরতিতে। আনন্দময় হোক আপনার ভ্রমণ।

আপনার গল্পটিও চমৎকার, বঞ্চনায় দ্রোহের গল্প।
ভালো থাকবেন।

২৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৪
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ...+
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মূল্যায়নে ধন্যবাদ।
ভালো কাটুক সময়।

২৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
তাজা কলম বলেছেন: শোকেসে রেখে দিলাম, পরে পড়ে নেব। আপনার বলার ঢং-টি পছন্দ হয়েছে।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আপনার শোকেসের সৌন্দর্য বর্ধনই করবে পোস্টটি। :)
ভালো থাকুন।

৩০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
পারভেজ রবিন বলেছেন: হোজ্জার সেবার বই পড়েছিলাম। টিভিতে তার সিরিয়াল দেখেছিলাম, অসাধারণ লেগেছিল। কিন্তু বন্ধ হয়ে গেল। কিছুদিন আগে চীন থেকে প্রকাশিত তার গল্পের বই কিনে এনেছি।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আফেন্দির বইটির নাম কী? :)

৩১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আপনাকে ইদানিং কেন যেন প্রাচীন বাগদাদের একজন লেখক মনে হয় ম্যাভেরিকদা! অষ্টম শতাব্দীর আব্বাসীয় শাসক হারুন আল-রশীদের দরবারের একজন বিদগ্ধজন ! যিনি পরবর্তীতে ইতিহাস রচনা করেছেন ! :-)
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা।
বাগদাদে কিন্তু আসলেই কাটিয়েছি অনেক আরব্য রজনী, ফলে হয়তো তার ছাপ রয়ে গেছে লেখায়, তাই মনে হচ্ছে এরকম। :-)

ভালো থাকিস।

৩২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২২
পারভেজ রবিন বলেছেন: 'আফান্দির গল্প' 102 পৃষ্ঠার পেপারব্যাক বই মাত্র বিশ টাকা, মজা না? দুর্লভ বই, পল্টনের ফুটপাত থেকে কিনেছিলাম।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ইসস, আগে কত যে ফুটপাতে ঘুরঘুর করতাম, কমদামে বইয়ের জন্য। মাঝে মাঝে পেয়ে যেতাম গুপ্তধন। :)

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, ভুডুল। মূল্যায়নের সম্মাননায় আনন্দিত হলাম।
ভালো কাটুক আপনার সময়।

৩৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
দীপান্বিতা বলেছেন: হোজ্জা নাসিরুদ্দীন কি মোল্লা নাসিরুদ্দীন!...ওনাকে নিয়ে সত্যজিতের লেখা আছে......এছাড়া ছোটবেলা দূরদর্শনে সিরিয়ালও হত 'মোল্লা নাসিরুদ্দীন'!...খুব ভাল লাগলো......এত কিছু জানতাম না......আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জেনেও গেলাম...... :)
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, বোন। পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ অনেক।
হ্যাঁ, হোজ্জাই মোল্লা, খোজা, জুহা বা আফেন্দি। সত্যজিত রায়ের বইটা কয়েকদিন আগে আমার ব্যক্তিগত পাঠাগার থেকে নিয়ে আবারও পড়লাম। :)

ভালো কাটুক সময়।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ঠিইইক! :)

৩৬. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৭
তীব্র রঙিন বলেছেন: সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখাটা পড়েছেন কি হোজ্জা সংক্রান্ত?
লেখাটার জন্যে ধন্যবাদ। তবে, একটা ব্যাপার বুঝলাম না।
হোজ্জার কবর নানাস্থানে আছে, এই বলে যে মানচিত্রটা দিলেন, সেখানে কবরগুলোর স্থাননির্দেশ করা আছে কি? কিভাবে?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, তীব্র রঙিন। আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক।

না, সৈয়দ সাহেবের লেখাটি পড়া হয়নি। মজার হলে শোনার প্রত্যাশা রইল।

মানচিত্রটিতে আসলে শুধু আকসেহিরকে চিহ্নিত করতে চেয়েছি, যেখানে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতে হোজ্জার কবর রয়েছে।

ভালো থাকবেন।

৩৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৩
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: আজ ভোরে কাজ ফেলে আপনার এই লেখা নিয়ে বসেছিলাম। আমার এক সমস্যা। কোন লেখা ভাল লাগলে নিজেকে লেখার মূল ব্যাক্তি মনে হয়। কল্পনায় হোজ্জা হয়ে মানুষের কাছ থেকে ছোট সিকি নিয়ে ঘুরে আসলাম কিছুক্ষণ। কি সুন্দর ওনার মার্কেটিং পলিসি......!!!
২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: শুনে অনেক ভালো লাগল, ফারহিন। আপনাকে সত্যি সত্যি হোজ্জা মনে হচ্ছে কিন্তু! :)

আশা করি আমার লেখা আপনার অনুভবে সবসময় চমৎকার হয়ে ধরা দেবে।

৩৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
আব্দুল্লাহ (রাইয়ান) বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রাইয়ান। পড়া ও মন্তব্যে ভালো লাগল।

চমৎকার কাটুক সময়।

৩৯. ২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৪
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: কি যে বলেন স্যার... আমি এত কম জানি যে মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই...
২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: সক্রেটিসীয় জ্ঞানই ভালো। :)

৪০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
কূলীন কপাট বলেছেন: নাসিরুদ্দিন হোজ্জা :) গল্পগুলো ভাল লেগেছে :)
২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও অনুভবে অনেক ধন্যবাদ।

আমার ব্লগে আনন্দময় হোক ভ্রমণ।

৪১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫৯
রেজোওয়ানা বলেছেন: হোজ্জা আমারও খুব প্রিয় চরিত্র, তবে মাঝে মাঝে মনে হয় খুব বুদ্ধিমান, মাঝে মাঝে বোকা বোকাও লাগে!!!

এইটা নিয়ে গেলাম :)
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: এই যে বোকামি-বুদ্ধির খেলা, এটিই হচ্ছে হোজ্জার বিশেষত্ব। নিজেকে একই সাথে বিপরীত দুই মেরুর প্রমাণ করতে পারা উঁচু দরের শিল্প বটে! :)

পোস্ট নিয়ে যাওয়ায় আনন্দিত। সোহামণিকে আদর।

০২ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রসায়ন হরর। আরে, বেশ অদ্ভুত তো আপনার নিকটি!

আমার ব্লগে আনন্দময় হোক আপনার ভ্রমণ। সময় কাটুক চমৎকার।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রাচীন সভ্যতা, পুরাণ, সংখ্যাতত্ত্ব, শব্দের ইতিহাস ভালো লাগা একজন মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই