শ্রদ্ধা আর মমতাই তোমাকে জয়ী করতে পারে; তুমি তোমার জ্ঞান প্রয়োগ কর।

(গল্প) জীবন ও জলুস্তির চক্র

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0

১.
নতুন ঘর লেপার জন্য সারা সকাল মাটির ঢেলা ভেঙে আর দুপুরে খড়ের গাদা তৈরি করে অবসন্ন হয়ে উঠল ছমিরণের শরীর। কুটকুট করা শরীর নিয়ে গা ধুতে গেল সে।

চৈত্রের কাঠফাঁটা দুপর শেষে ক্লান্ত, বিষণ্ণ অপরাহ্ন, তপ্ত হাওয়ার হলকা বইছে মৃদু। এখনও উষ্ণ ছোট্ট নদীটির গা, অবশ্য ডুব দিয়ে একটু গভীরে গেলেই শীতল। আহ্‌, জলের কী স্নিগ্ধতা! ছমিরণ বিবি শিশুর মতো মেতে উঠল ডুব খেলায়।

নীল আকাশে চক্কর দিচ্ছে লালরঙা চিলের দল, তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটোছুটি করছে সাদা মেঘ। মাঝেমাঝে সূর্যের একেবারে সামনে এসে পড়ে মেঘেরা, রৌদ্র সরে গিয়ে তখন বেরিয়ে আসে তাদের ছায়া, সরসর করে বোরো ধানের ক্ষেতের উপর দিয়ে, সাদা কাশফুল পেরিয়ে, নদীর আরো গভীরে চলে যায়; এক সময় হারিয়েও যায়। বেশ চলছে এই মেঘ, রৌদ্র-ছায়ার খেলা।

ডুব-সাঁতার দিতে দিতে আর রৌদ্র-ছায়ার খেলা দেখতে দেখতে মাঠের মধ্যে বিশাল বটগাছটির উপর হঠাৎ চোখ পড়ে ছমিরণের, তার পাশ ঘেঁষে দৃষ্টি সরে যায় আরো দূরে, ঈষাণ কোণে। আকাশের গায়ে ঝুলছে এক টুকরো সিঁদুরে মেঘ, বছরের প্রথম জলুস্তি কোনো সন্দেহ নেই।

"নাপিত বাড়ির বৈশাখি মেলার আগে, চোখ রাখবা বট গাছের ফাঁকে," মুরুব্বিদের কথা মনে পড়ে যায় ছমিরণের; আশঙ্কায় কেঁপে উঠে তার বুক। বড় খারাপ জিনিস এই জলুস্তি, লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে যায় সব, মানুষও মারা পড়ে। জলুস্তির পরেও সময় খুব খারাপ। শিলাবৃষ্টি নষ্ট করে যায় ফসল; কফাত লাগে দেশে। কয়েক বছর আগে কফাতে কত মানুষই না মরল না খেয়ে!

সিঁদুরে মেঘটি কালচে বর্ণ ধারণ করে ধেয়ে আসে দ্রুত, অসম্ভব ক্ষীপ্রতায় জল থেকে উঠে পড়ে ছমিরণ। টিনের চালে লাল মরিচ আর উঠোনভর্তি ধান রেখে এসেছে সে, এক ফোঁটা বৃষ্টি লাগলে নষ্ট হয়ে যাবে সব, না খেয়েই থাকতে হবে নতুন বছর। অসহায় ভয়ে পাগলের মতো বাড়ির দিকে ছুটে ছমিরণ, বেশ অনেকটা দূরেই তার বাড়ি।

বাতাস পড়ে যায় হঠাৎ, ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়ে উঠতে থাকে চারপাশ। ভয়ঙ্কর এক লালিমা ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিমাকাশে। ছোট ছোট বানকুড়ালি সৃষ্টি হয় গাঁয়ের সড়কে, ধুলোবালি, খড়কুটো, গাছের পাতা পাক খেয়ে খেয়ে উপরে উঠতে থাকে। দৌড়ে এসে বানকুড়ালির ভেতর ঢুকে পড়ে এক দল বালক, পরস্পরকে খোঁচাতে খোঁচাতে হেসে উঠে তারা।

"অই হার্মাদের পুতেরা, বাড়িত যা তাড়াতাড়ি। জলুস্তি আইতাছে মিসমার কইরা!" পাশ দিয়ে যাবার সময় চিৎকার করে তাদের সাবধান করে ছমিরণ। হার্মাদের পুত্রদের অবশ্য জলুস্তির আগমন সংবাদে চিন্তিত হতে দেখা যায় না। বানকুড়ালিটা সড়ক থেকে নেমে পড়ে জমিতে, বানকুড়ালির পেছন পেছন ছুটে যায় তারা।

ছমিরণ যখন বাড়ি ফিরল, অদ্ভুত, ঘোর-লাগা ঘোলাটে আলোয় ভরে গেছে চারপাশ। বাঁশঝাড়ের মাথায় সাদা বক উড়তে থাকে। নিরাক-পড়া চারপাশের ভেতর থেকে একেবারে হঠাৎই শুরু হয়ে গেল লাগামহীন বাতাসের শোঁ শোঁ গর্জন। অনেক বড় জলুস্তি হবে এবার!

"কৈ গো বউ, কৈ গেলা? তাড়াতাড়ি ধান মরিচ তোল, জলুস্তি আইতাছে।" এলোমেলো চুলে লুটিয়ে পড়া আঁচলে ঘরের ভেতর লাফ দিয়ে ঢুকে পড়ে ছমিরণ।

ঘর লেপা শেষ করে তখন কেবল খেতে বসেছে নতুন বউটি, শাশুড়ির ডাকে ত্রস্ত হয়ে উঠল সে। ভাতের থালায় চোখ পড়ে ছমিরণের, দপ করে জ্বলে উঠে তার চোখ, "নবাবের বেটি, দ্যাহস না, জলুস্তি আইছে?" হিংস্রতর হয়ে উঠে ছমিরণের চোখ, উঁচু হয় তার গলা, "সব ভিজ্যা গেলে কী খাবি, কোন বাপ খাওয়াবে তোর, ছিনাল বেটি?"

আরো জড়োসড়ো হয়ে উঠে নতুন বউ, বুঝে উঠতে পারে না কী করবে সে। টিনের চালে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ল মনে হয়। ছোঁ মেরে ভাতের থালাটা কেড়ে নেয় ছমিরণ, ছিটকে মাটিতে পড়ে বেশ কিছু ভাত। বউয়ের চুল ধরে উঠানের দিকে হিড়হিড় করে তাকে টানে ছমিরণ, ঘরের চৌকাঠে লেগে কেটে যায় তার কপাল। ছড়িয়ে পড়া ভাতগুলোতে একপাল মুরগি এসে জুটে।

আঁচলে এঁটো হাত মুছে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে বউটি। কাজ করতে পারে সে অমানুষিক, কিন্তু ক্ষুধা-তৃষ্ণাও তীব্র তার। প্রথম বার যখন সে এ বাড়িতে আসে, মা বারবার বলে দিয়েছিলেন কম কথা বলতে আর কম খেতে—একজন ভালো বউয়ের এগুলোই হচ্ছে আসল গুণ। ভালো বউ হওয়ার চেষ্টা অবশ্য করেই যাচ্ছে সে, কথা বলে খুব কম। কিন্তু ক্ষিধেটা তেমন সামাল দিতে পারে না, মাঝেমাঝে তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে সেটি। ব্যাপারটি তাকে খুব লজ্জিতও করে, বিশেষ করে শাশুড়ি যখন পড়শিদের কাছে তা বলে বেড়ায়।

উঠোন থেকে ধান আর মরিচ তুলে ঘরের কোণে ছুঁড়ে দিতে দিতে দ্রুতই ক্ষুধার কষ্টটি ভুলে যেতে পারে নতুন বউ, কারণ চৌকাটে লেগে কেটে যাওয়া কপালের ব্যথাটি তার তীব্রতর হয়ে উঠেছে ততক্ষণে। কোনোমতে জিনিসগুলো ঘরের কোণে রাখা শেষ হতেই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে, চমকায় বিদ্যুত, আর ভয়ঙ্কর শব্দে বাজ পড়ে। দমকা হাওয়া প্রবল আক্রোশে গাছপালা উপড়ে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। টিনের চালে বৃষ্টির ফোঁটা ভেঙে ভেঙে সাদা ফেনার মতো ছড়িয়ে পড়ে বাতাসে। অঝোর সেই বৃষ্টির ধারায় কপালের ব্যাথাটিও দ্রুত ভুলে যায় নতুন বউ, কারণ দু'চোখ বেয়ে তার নেমে এসেছে লোনা জলের ধারা; ধীরে ধীরে কাদামাটিতে মিশে হারিয়ে যায় সে ধারা।

২.
১৯ বছর পর।

নতুন বউ পুরাতন হয়েছে বেশ। জলুস্তির পরের বছরই পুত্র সন্তানের মা হয়েছিল সে, তার পরের বছর, তারও পরের বছর। বাড়িটিতে ধীরে ধীরে জোরালো হয়ে উঠে বউটির গলা, আর সেসাথে ম্রিয়মাণ হচ্ছিল ছমিরণের গলা। হাঁপানিতে ভুগে ভুগে ক্ষীণতর গলায় তিন বছর আগে মারা যায় ছমিরণ, মরার আগে জবান একেবারেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তার। বেশ ক'বছর ধরেই বাড়ির সর্বময় কর্ত্রী এখন পুরাতন বউ।

উনিশ বছর পর বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে পড়ন্ত এক বিকেলে কাজ শেষে গা ধুতে যায় পুরাতন বউ, রৌদ্র-ছায়ার খেলা নদীতীরে। ঈষাণ কোণে চোখ পড়তেই সিঁদুরে মেঘটি দেখতে পায় সে। জলুস্তি, কোনো সন্দেহ নেই! নদী থেকে দ্রুত উঠে পড়ে পাগলের মতো বাড়ির দিকে ছুটে পুরাতন বউ, মরিচ আর মসুর পড়ে আছে উঠানে।

"জলুস্তি আইতাছে, জলুস্তি, মিসমার কইরা।" চিৎকার করতে করতে বাড়িতে প্রবেশ করে পুরাতন বউ, নতুন বউটা তার সদ্য খেতে বসেছে তখন। শাশুড়ির চিৎকারে ভয়ে ভয়ে তাকায় সে, আঁচলে দ্রুত হাত মুছে উঠে পড়ে সে।

আলোর ঝলকানিতে ভরে যায় চারপাশ, প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ে। বাজের শব্দ ছাপিয়েও শোনা যায় পুরাতন বউয়ের ক্রুদ্ধ গলা, "উঠবা না বউ, উঠবা না। ভিজ্জা গেলে যাউক সব। আইজকা মানুষ খাইতে না পারলে, কাইলকার জন্য কষ্ট কইরা কী লাভ? আমি একাই পারমু উঠাইতে, তুমি খাওয়া শেষ কর।" প্রবল আক্রোশে উঠানের মরিচ আর মসুর ঘরের কোণে ছুড়ে দিতে থাকে পুরাতন বউ। কীসের উপর আক্রোশ তার কে জানে!

উৎসর্গ:
ব্লগার ভাঙ্গন (http://www.somewhereinblog.net/blog/msd86)

 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭
রাজসোহান বলেছেন: প্রিয়তে নিয়া রাখলাম......সকালে উইঠা পড়মু......এখন ঘুম |-) |-) |-) |-)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রাজসোহান। আনন্দময় শান্তির হোক ঘুম আপনার।

২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৮
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন: ভালো লাগলো খুব +++
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: ভালো লাগায় সম্মানিত হলাম, প্রিয় কৃষ্ণ তরুণ। ভালো কাটুক সময় আপনার।

৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: আমার খুবি ভালো লাগলো গণিতভাই, দুইটা দৃশ্যই স্পষ্ট ভাসছে চোখে। উনিশবছরে আসলেই যদি পাল্টে যেতো মানুষের সভ্যতা তাহলে কেমন হতো কে জানে। জলুস্তি পাল্টে দিতে পারে ভূমি ও বৃক্ষের রেখা, মানুষকে কতোটা পারে? মানুষ এমনই।
আপনার গল্প সত্য হোক সত্য হোক সত্য হোক

পুরাতন বউয়ের আক্রোশ হয়তো সময়ের উপর, যদি সে উনিশবছর পর জন্মাতো!
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: গভীর, মায়াময় প্রত্যাশার মন্তব্যে অনেক আনন্দিত হলাম। লেখার পূর্ণতা মন্তব্যেই, অনুভব করলাম।

ভালো থাকবেন।

৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৪
মানবী বলেছেন: নিকটি আমার ব্লগের সাম্প্রতিক ভিজিটরের লিস্টে দেখি, কখনও কোন মন্তব্য দেখেছি বলে মনে পড়েনা! দেখতে এসেছিলাম ম্যাভেরিকের পরিচয়...
জানলাম লেখালেখির অসাধারন ক্ষমতা সম্পন্ন একজন গল্পকার!!


ভালো লেগেছে গল্পটি, ধন্যবাদ ম্যাভেরিক :-)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০২

লেখক বলেছেন: অনেক সময় শুধু পড়া হয়, বলা হয়ে উঠে না। নিঃসন্দেহে চমৎকার কোনো ব্যাপার নয় এটি, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে বাইরের ব্যস্ততায় আজকাল একটু অলস হয়ে গেছি। মন্তব্যের উত্তর দিতেও দেরি করে ফেলি। শুধরানোর চেষ্টা চলবে। :-)

আর, হ্যাঁ, গভীর শ্রদ্ধায় গৃহীত হলো আপনার মন্তব্য।

৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৬
রথে চেপে এলাম বলেছেন: দারুন বর্ননা করার ক্ষমতা আছে আপনার। চমৎকার সব প্লট এক একটা গল্পের।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মন্তব্যে আবারও ভালো লাগল অনেক।

ভালো থাকুন।

৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
নিজাম কুতুবী বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যে ধন্যবাদ।

ভালো কাটুক সময়।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: অনুভব অনুপ্রাণিত করল।

৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৬
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:

এক নিঃশ্বাসে পড়ে গেলাম!
চমৎকার সাবলীল গদ্য আপনার,
দারুণ সুক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ
প্রাণবন্ত বর্ণনার কারণে মনে হচ্ছিলো থ্রিডি মুভি দেখছি!

গল্পের মূল মেসেজটা নাড়া দিয়ে গেল!!

আরও লিখুন, শুভ কামনা!
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৫

লেখক বলেছেন: কী আনন্দময় প্রেরণারই না মন্তব্য একজন লেখকের জন্য! অভিভূত হলাম খুব।

৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩২
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ভেবেছিলাম টিপিক্যাল শাশুরী ই হবে বোধহয় ! নাহ , শাশুরী ভালো মাশাল্লাহ ! এমন শাশুরী ই হোক সব মেয়ের :-)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আপুটারও যেন। :-)

১০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: অসাধারন ম্যাভেরিক ভাই। আপনি এত শব্দ জানেন! জলুস্তি, বানকুড়ালি - এসব আমার কাছে একদম নূতন।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪০

লেখক বলেছেন: শব্দকে আমার কাছে প্রাণবন্ত লাগে সবসময়, তাই তাদেরকে চিনতে চেষ্টা করি এবং সহজে ভুলি না। :-)

ভালো থাকবেন, আপু।

১১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৩
ফারজান ওয়াদুদ বলেছেন: আমি এই ব্লগিং জগতে নতুন কিন্তু এতটুকু জানি যে আপনি এখানকার আলোচিত এবং সম্মানিতদের একজন। কেন তা আবারো বুঝালেন।

শুধু গনিত আর প্রাচীন সভ্যতা না এমন অসাধারন গল্পও আরো অনেক চাই ।

ভালো থাকবেন।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনাদের মন্তব্যই নিরন্তর সম্মানিত করে যায়। প্রচেষ্টা চলবে লেখার।

ভালো কাটুক সময় আপনার।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যে আমারও। :)

১৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
অলস ছেলে বলেছেন: ঈর্ষা লাগলো। ভাষার জন্য না, ভাবনাটার জন্য। ভাষা আমাকে আশ্চর্য করে অনেকটা আপনার মতো, কখনো যুক্তি কখনো যাদুর মতো মনে হয় এ বৈচিত্র্, কিন্তু যতো ভালো ভাষাই হোক ঐ বৈশিষ্ট্য কোন কিছুকে দু'বার পড়াতে পারে না। কিন্তু যখন একটা ভাবনা মাথায় ঘুরতে শুরু করে, তখন ভাবনাটাকে চর্চা করি আবার পড়ে পড়ে।

যাক, ঈর্ষাটুকু লুকিয়ে রেখে ভালো লাগা জানিয়ে যাই।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাবনায় ঈর্ষা সম্মানিতই করে গেল, এবং আনন্দিত।

ভালো থাকবেন।

১৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: ইতিহাসের শিক্ষক থেকে তাহলে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে! :)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, কিছু লেখার চেষ্টা করেই ফেললাম। :)

১৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৫
জনৈক আরাফাত বলেছেন: যেখানে হাত দিচ্ছেন, সেখানেই প্লাটিনাম ফলে যাচ্ছে যে! :)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগল দেখে। প্লাটিনাম না, মাটিতে লাউডগাই ফলুক বেশি।:)

১৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
রাজসোহান বলেছেন: চমৎকার প্লাট ফর্ম......অসাধারণ+++
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: রাজসোহানের মন্তব্য, সবাইকে নিরন্তর তার প্রেরণা গভীর সম্মানে সিক্ত করে যায়।

১৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৬
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: হুম ভাইয়া। এটাই ভাল লেগেছে যে বউটা তার শাশুড়ির মত করেনি। বুঝেছিল। সবাই এভাবে বুঝে না এটাই কষ্ট। যে যেভাবে পেয়ে থাকে সেই আক্রশ টাই তার পরের জেনারেশন কে পেতে হয় অনেক সময়। তবে অনেকে বুঝে সেটাও ঠিক।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছ, আপু। পরিবর্তন হোক শুভ'র দিকে।

১৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৫
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: ক্লাসিক স্বাদ হয়েছে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: অনুপ্রাণিত, অনুভবে।

১৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: আমার গল্প পড়া হয় খুব কম। এটা একদমে পড়ে ফেললাম।খুব ভাল লাগল।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার অনুভব লেখার জন্য বড় প্রেরণা।

ভালো থাকুন।

২০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪
পল্লী বাউল বলেছেন: বেশ লাগলো ম্যাভেরিক ভাই।
ভাই, জলুস্তি শব্দটি কোন অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাই। আশা করি ভালো আছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জের সীমান্তে...

২১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২
ভাঙ্গন বলেছেন:
...............
গল্পটা আমাকে কী যে মুগ্ধ করেছে ভেবে পাই না। দৃশ্যগুলো এত এত সজীব হয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠেছে। গাঁয়ের শীতল পানির পুকুর,সিঁদুরে মেঘ,জলু্স্তি আর ছমিরনের অসাধারণ বাস্তবিক চরিত্র, আমাকে সত্যি গ্রামেই নিয়ে গেছে। আমাদের একই সমতলের যে কী সীমাহীন পরিবর্তন বিশেষত: আবহমান কাল ধরে গাঁয়ের বউ-শাশুড়ির চিরায়ত দ্বন্দ্ব উঠে এসেছে অনবদ্য ভঙ্গিতে।
ছমিরণ যা করেছে, শেষে এসে পুরাতন বউ সেটা করেনি-এই চূড়ান্ত ক্লাইমেক্স আমাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছে যুগপ্রবাহে পরিবেশ বদলানোর অসাধারণ ইঙ্গিত।
আমাদের বয়ে চলা সামাজিক যে সংস্কার,সেগুলোর একে একে পরিবর্তনের দৃষ্টপটই ভেসে এসেছে। আর গল্পের বর্ননাক্রম যে কী অসাধারণ বাঙ্ময় বলার অপেক্ষা রাখেনা। সুন্দর সুন্দর শব্দগুলো মনে হয় যেন বাছাই করে ব্যবহার করা হয়েছে।

................
আজকে সারাদিন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কেটেছে। গতরাত ২.৩০টা পর্যন্তও এই গল্পের আশায় বসে থেকে ঘুমোতে গেছিলাম।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাঙ্গনকে দেখে, মন্তব্যে গভীর আনন্দিত হলাম; পূর্ণ হলো গল্প।

২২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
ভাঙ্গন বলেছেন:
আরেকটা কথা, আমি কৃতজ্ঞতায় বিনীত হচ্ছি। আপনি যে আমাকে কতটুকুন স্নেহ করেন বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
আমি সত্যি ভাগ্যবান।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাঙ্গনের অসাধারণ লেখা খুব ভালো লাগে তো; এ ছাড়া অপেক্ষা না হলে গল্পটাও হতো না। :)

২৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: শেষ প্যারাটা পড়ার আগ মূহুর্ত পর্যন্ত, বারবার জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসটার কথা মনে পড়ছিল।
শেষে এসে ঘুরিয়ে দিলেন!:)
দারুন লেগেছে। অনেকটা দিন বদলের গল্প!;)
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, তায়েফ ভাই।
হ্যাঁ, ঘুরানপন্থী মানুষ আমি যে! :)

খুব ভালো লাগল আপনাকে দেখে।

২৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: বাহ! দারুণ গল্প। সব কিছুই যেন চোখের সামনে দেখতে পেলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ!
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেকটা নিজেরও দেখা কি না। :)

২৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চমৎকার ।
শেষটা বেশি ভাল লেগেছে ।
গ্রামীণ পরিবেশের নিপুণ বর্ণনা!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: বোহেমিয়ান পদার্পণ ও পঠনে অনেক আনন্দিত হলাম। :)

২৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০১
সকাল রয় বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প
আপনার লেখা সব সময়ই সুন্দর হয়
ভীষণ মুগ্ধ করা লেখা
একদিন সময় করে আমার ব্লগ ঘুড়ে যাবার আমন্ত্রণ রইলো
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। খুব ভালো লাগল আপনাকে। মূল্যায়নটি বড় সম্মাননা লেখার জন্য।

আপনার ব্লগে যাচ্ছি শীঘ্রই। ভালো কাটুক সময়।

২৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
ত্রেয়া বলেছেন: ওমা আপনি এত অদ্ভুত সুন্দর গল্প লিখেন!
লাট্টুপা লিঙ্কটা না দিলে জানাই হত না কখনো। এত শব্দের জাদু জানা আছে আপনার, খুব মুগ্ধ করল খুব...
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: কী সুন্দরই না মূল্যায়ন আর মন্তব্য, ত্রেয়াপুটার! গভীর সম্মানে সিক্ত হলাম।

চমৎকার কাটুক সময়, সুন্দর অনুভবে।

২৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮
কালপুরুষ বলেছেন: বরাবরের মতোই সুন্দর। অদ্ভূত রকমের সুন্দর। গণিত বিহীন একটা গল্প পেয়ে খুব ভাল লাগলো। আপনার লেখা ঈর্ষণীয়। মুগ্ধ হয়ে পড়ি। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: কালপুরুষদা'র মন্তব্যে অনুরণিত হলাম, একজন লেখকের জন্য বড় প্রাপ্তি।

ভালো থাকবেন, দাদা।

২৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৭
নীল ভোমরা বলেছেন:
বরাবরের মত ভাল লেখা! 'জলুস্তি' শব্দটা নতুন শুনলাম! কোন এলাকার শব্দ এটা?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনুভবে সম্মানিত হলাম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জের সীমান্তে জলুস্তি শোনা যাবার কথা। অন্য এলাকায়ও হতে পারে। :-)

৩০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৬
মেহেরুবা বলেছেন: কি বলবো? ভাষাহীন মুগ্ধতাটুকু রেখে গেলাম শুধু....
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: কত সম্মানেরই না এ বলা!

৩১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭
সকাল রয় বলেছেন: আপনার লেখাটা আবার পড়লাম
ভীষন কাছে টানে
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: গভীর সম্মানের আগমন, সকাল রাত্রী। ধন্যবাদ।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্য পোস্টের জন্য অনন্য সম্মাননার। :-)

৩৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩
নাজনীন১ বলেছেন: হুম! এভাবে শাশুড়ীরা পরিবর্তন হোক তবে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, পরিবর্তন হোক, শুভ-সুন্দরে।

৩৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
দীপান্বিতা বলেছেন: সুন্দর লাগলো ....কেমন আছেন! :)
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আরে দীপাদি যে! কী খবর? অনেক দিন দেখিনি যে! আশা করি ভালো আছেন।

৩৫. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
তীব্র রঙিন বলেছেন: ভাল, ভাল্ প্রকৃতিবর্ণনার অংশটা ভাল লাগল। বাকি গল্পটা চলনসই।

ধন্যবাদ।
০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যে ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।

৩৬. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: হিট তো একলাখ পেরিয়ে গেল ম্যাভেরিক ভাই। শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, বোন। আপনার শুভ কামনা লাখের বাতির মতো জ্বলল।

লেখার মহত্তম প্রচেষ্টায় দোয়া রাখবেন।

৩৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪২
ভাঙ্গন বলেছেন: আপসুস!
আমি আগেই এসছিলাম আপনার নতুন পোস্টের খবর নিতে।
কই কই কই?
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: একটু দৌড়াদৌড়িতে ছিলাম, ভাই। পোস্ট রেডি করছি, চলে আসছে শীঘ্রই।

৩৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৫
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: অত্যন্ত আবেশ সৃষ্টিকারী গল্প। মুগ্ধপাঠ!
১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার অনুভব লেখার জন্য অনন্য প্রেরণা। আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ নিরন্তর আনন্দময় হোক।

৩৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০১
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:
একটা রিকোয়েষ্ট
একসময় সকাল রাত্রীর ব্লগে যাবেন
তার গল্প গুলো পড়ে দেখবেন
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, অরুদ্ধ সকাল।

নিশ্চয়ই পড়তে যাব, এবং শীঘ্রই। :)

৪০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার এই অতিরিক্ত অসাধারন গল্প বার বার পড়তে আসি।
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: বোনের গভীর সম্মানের মন্তব্য গৃহীত হলো শ্রদ্ধায়।

৪১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৭
ভাঙ্গন বলেছেন:
১.আরেকটা নতুন গল্প দেন:)

২.আপনি কি আমার উপর রাগ করলেন? :((
০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ১. ব্যস্ততায় এগুচ্ছে না। :-(
২. আয় হায়, এ কী কথা! না, না তো, কক্ষনো না! :-)

ভালো কাটুক ভাঙ্গনের সময়। :-)

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: কবি! কে কবে কোথায়!

৪৩. ২৬ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: অসাধারণ লাগলো । :)
[আপনাদের মত শব্দ যাদুকর নই । তাই খুব ভাল লেখাগুলোতেও আমার মন্তব্যগুলো কেমন যেন সাদা-মাটা হয়ে যায়।]

শুভ কামনা রইল।
২৮ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রক্তিম কৃষ্ণচূড়া। সাদামাটা মন্তব্য অনন্য সম্মানের হয়ে রইল।

আমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক।

৪৪. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:২১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি অসাধারন!

এত ভালো সব লেখা জমে থাকে মাঝে মাঝে..........ভালো লাগে পড়তে।
অনেকদিন পর ম্যাভেরিকের বাড়ি এসে অংকের মাঝে এ কী অংক পেলাম!
জীবন অংক........

শেষটা ছুঁয়ে গেলো
.............."আলোর ঝলকানিতে ভরে যায় চারপাশ, প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ে। বাজের শব্দ ছাপিয়েও শোনা যায় পুরাতন বউয়ের ক্রুদ্ধ গলা, "উঠবা না বউ, উঠবা না। ভিজ্জা গেলে যাউক সব। আইজকা মানুষ খাইতে না পারলে, কাইলকার জন্য কষ্ট কইরা কী লাভ? আমি একাই পারমু উঠাইতে, তুমি খাওয়া শেষ কর।"

শুভকামনা রইলো
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, সাজিপা। আপনার মন্তব্যে গভীর সম্মানিত বোধ করলাম।

ভালো কাটুক জীবন আপনার প্রিয়জনদের নিয়ে।

৪৫. ১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
রেজোওয়ানা বলেছেন: এত ভাল লাগলো.................


কিভাবে এটা মিস করেছিলাম, আমাকে মাইনাস.............
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা। মাইনাসেও আনন্দ থাকুক অটুট। :-)

৪৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
আহাদিল বলেছেন: ছোটবেলায় শোনা জলুস্তি শব্দটার মানে গল্পের শিরোনাম দেখে বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভুলে যাওয়া শব্দটা দেখে ভালো লাগল।

গল্পের অন্তর্নিহিত অর্থটা খুবই সুন্দর।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, মেঘনা তীরের মানুষরাই জলুস্তির ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি পারার কথা।

ভালো লাগল পড়ায়। ভালো কাটুক সময়।

৪৭. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
আহাদিল বলেছেন: আপনার আগমনে মেঘনা পাড়ের মানুষটির ব্লগ আহলাদিত হয়েছিল, কিন্তু তিক্ত-মধুর কোন মন্তব্য না থাকায় বোঝা গেল না তার লেখা বা ছবি কেমন!

সুন্দর কাটুক সময়।
মেঘনা তীরের মানুষের ব্লগে ভ্রমণ আশা করছি।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: দিনের একটা সময় আমাকে ডাকঘরের অমল হয়ে থাকতে হয়-- জানালা ধরে পথ চলতি মানুষ দেখা, জীবনের কত রঙ, কত বৈচিত্র, কত প্রবাহ!

এখন অবশ্য কথা বলা যায়, যাচ্ছি তাই।

ভালো কাটুক জীবন।

৪৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
কবি ও কবিতা বলেছেন: i will give it my little mag if u permit
২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: দেরি হয়ে গেল উত্তরে। লেখাটি নিতে পারেন।

৪৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৩
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: এই গল্পটা আমার খুব পছন্দের ...!!
২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আমারও। খুঁজে ফিরে পড়ায় অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রাচীন সভ্যতা, পুরাণ, সংখ্যাতত্ত্ব, শব্দের ইতিহাস ভালো লাগা একজন মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই