শ্রদ্ধা আর মমতাই তোমাকে জয়ী করতে পারে; তুমি তোমার জ্ঞান প্রয়োগ কর।

ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (শেষ পর্ব)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

শেয়ারঃ
0 6 0



ফারাও আমাসিস। আহ্‌, কী দূরদর্শী প্রতাপান্বিত সম্রাটই না ছিলেন তিনি! বয়স হয়েছিল বেশ, অন্তিম শয়ানে তখন, তারপরও রণকৌশল সাজিয়ে গেছেন তিনি, রাজধানী মেমফিসের চারপাশে গড়ে তুলেছেন কঠিন প্রতিরক্ষাবেষ্টনী। দক্ষিণ-পশ্চিম আনাতোলিয়া'র (Turkey) কারিয়া এবং গ্রিস থেকে ভাড়াটে সৈন্য এনে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন সেনাদল, মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন সামোসের পলিক্রেটিজকে, যাতে পলিক্রেটিজের বিশাল নৌবহর গাজা থেকে পেলুসিয়াম (Pelusium) পর্যন্ত সঙ্কীর্ণ মরুপথটিতে অরক্ষিত পার্সি বাহিনীর উপর শাম সাগর (Syrian Sea) থেকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ চালায়।

যুদ্ধ শুরু হবার কিছু দিন পূর্বে বিশ্বাঘাতকতা করে পলিক্রেটিজ। ক্যাম্বাইসিজের পক্ষে যোগ দেয় তার নৌবহর, বিনা বাধায় পার্সি সৈন্যদল পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পৌঁছে যায় পেলুসিয়াম উপসাগরের তীরে। আর এ সময় মারা যান বৃদ্ধ আমাসিস, সিংহাসনে আরোহণ করেন সামতিক—সে কেবল কয়েক মাসের জন্য। পেলুসিয়ামে পরাজিত হয় মিশরবাহিনী, ক্যাম্বাইসিজ অগ্রসর হতে থাকেন আরো পশ্চিমে, হেলিওপলিসের পতন ঘটিয়ে পৌঁছে যান রাজধানী মেমফিসের সদর দরজায়। কয়েক মাস অবরোধের পর ভেঙে পড়ে মেমফিস।

পারস্যরাজ আমাকে বন্দি করে ব্যাবিলনে (Babylon) নিয়ে আসেন, কিন্তু রহস্যময়ভাবে মুক্তভাবে সেখানে চলাচল করতে দেন। অপ্রত্যাশিত সুযোগটি আমি কাজেই লাগাই জ্ঞান সাধনায়—প্রাচ্যদেশীয় জ্ঞানীদের (magi) কাছে দীক্ষালাভ করি অতিন্দ্রীয় শাস্ত্রে, আয়ত্ত করি ক্যালডীয় (Caldean) পুরোহিতদের ধর্মাচার, অর্জন করি নক্ষত্র-অবলোকনকারীদের (star-gazer) গণিত ও জ্যোতির্জ্ঞান। সমকোণী ত্রিভুজ নিয়ে এদেরও ছিল সুতীব্র আকর্ষণ যা আমাকেও তীব্র আলোড়িত করে।

আনুমানিক ১৮০০-১৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের একটি ব্যাবিলনীয় শিলাখণ্ড যেখানে কীলক-লিখনের (cuneiform) সাহায্যে ২-এর বর্গমূলের মান ৬০-ভিত্তিক (sexagesimal) পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়েছে; দশমিক পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে বর্গমূলটির মান দশমিকের পর ৫-ঘর পর্যন্ত সঠিক হয়। সৌজন্যে, উইকিপিডয়া

এক যুগ কাটাই আমি ব্যাবিলনে। পারস্যরাজ ক্যাম্বাইসিজ ও গ্রিক স্বৈরাচারী (tyrant) পলিক্রেটিজের মৃত্যু হয় ইত্যবসরে, ফলে সামোস ফিরে আসি আমি। তারপর ক্রিট দ্বীপে কিছু দিন আইনশাস্ত্র অধ্যয়ন করে আবার সামোসে ফিরে একটি বিদ্যালয় চালু করার মনঃস্থির করি।

আহ্‌, সামিয়ানবাসীরা ছিল খুব ব্যস্ত, বিদ্যাশিক্ষার মতো অগুরুত্বপূর্ণ কাজে তাদের সময় ছিল অপ্রতুল। সামগ্রিক বিবেচনা করে চলে আসি ক্রোটন, এখানেই আদিষ্ট আমি, আর সব দার্শনিকের মতো, যারা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দূরদেশে। তবে সামোসে পেয়েছি আমি নক্ষত্র এক, তোমাদেরই একজন সে, তোমাদের মতোই আলোকিত, প্রিয় ফিলোক্রেটজ।

"এ-ই হচ্ছে আমার গল্প, হে স্বর্গীয় আলোর দিশারীগণ, হে নির্বাচিত অভিমন্ত্রিতগণ।" পীথাগোরাস শেষ করেন তাঁর কাহিনী, সসম্ভ্রমে সবাই তাকায় ফিলোক্রেটজের দিকে।

সূর্য ডুবে গেছে পশ্চিমাকাশে, ধীরে ধীরে শীতল হয়ে উঠে ভূমধ্যসাগরীয় রাত। "জগতের সবই সংখ্যা, পূর্ণসংখ্যা, যাদের রয়েছে বাস্তব, স্বকীয় অস্তিত্ব।" রহস্যময়ভাবে বলে উঠেন পীথাগোরাস। "সংখ্যা-ই জীবন, সংখ্যা-ই মরণ, সংখ্যা গড়েছে জগত-সংসার। মহাবিশ্বের সবকিছুই পূর্ণসংখ্যায় পরিমাপযোগ্য (commensurable), এমনকি শরীর বলো, আত্মা বলো, ন্যায়বিচার বলো, সবই সংখ্যা।

যেকোনো দুটি সংখ্যাকে তোমরা সর্বদা সুবিধামতো তৃতীয় একটি ক্ষুদ্রতর সংখ্যার পূর্ণ গুণিতক আকারে প্রকাশ করতে পার। যেমন ধরো, ক্রোটনের বাজার থেকে ৫ ড্রাকমা ২ অবোলি দিয়ে কিছু জলপাই কিনলে তুমি, সম পরিমাণ জলপাই কিনলে সামোস থেকে ৪ ড্রাকমা ৪ অবোলি দিয়ে। তাহলে অবোলি হিসেবে তুমি পেলে দুটি সংখ্যা:
৩২ [অবোলি] ও ২৮ [অবোলি], যেহেতু ১ ড্রাকমা=৬ অবোলি।

এখন তুমি যদি একটি ক্ষুদ্রতর সংখ্যা, ১৬ [অবোলি] নাও, তাহলে মূল সংখ্যা দু'টি কিন্তু পরিপূর্ণ বিভাজ্য তথা পূর্ণ গুণিতক হচ্ছে না, কারণ ৩২÷১৬=পূর্ণ সংখ্যা, কিন্তু ২৮÷১৬=পূর্ণ সংখ্যা নয়।

এবার তুমি আরেকটু ক্ষুদ্রতর সংখ্যা নিয়ে চেষ্টা কর: ধরো, ১৪। না, এবারও দুটি পূর্ণ গুণিতক হচ্ছে না। কিন্তু এভাবে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কমিয়ে যেতে থাক, এক সময় দেখবে সেটি ৪ ধরলে দুটি সংখ্যাই পূর্ণ বিভাজ্য হচ্ছে: ৩২÷৪=৮, ২৮÷৪=৭। ৪ হচ্ছে ৩২ ও ২৮-এর সাধারণ পরিমাপক (common measure)।

আবার তুমি যদি ড্রাকমা হিসেব করো, তাহলে সংখ্যা দুটি:
৫ ও ১/৩ [ড্রাকমা] এবং ৪ ও ২/৩ [ড্রাকমা]।

এখন তুমি যদি ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি নাও ১/৩, তাহলে আগের মতো ভাগফল হিসেবে পাচ্ছ দুটি পূর্ণ সংখ্যা:
(৫ ও ১/৩)÷১/৩=১৫ ও ১=১৬
(৪ ও ২/৩)÷১/৩=১২ ও ২=১৪

জ্যামিতিকভাবে বললে, ৩২ ও ২৮ যদি দুটি রেখাংশ হয়, তাহলে ৪ মাপের রেখাংশটি তাদের সাধারণ পরিমাপক। এভাবে ২, ১, ১/২, ১/৪... প্রভৃতিও তাদের সাধারণ পরিমাপক হবে।

আবার ৫ ও ১/৩ এবং ৪ ও ২/৩ দুটি রেখাংশ হলে, তাদের সাধারণ পরিমাপক হবে ১/৩, ১/৬, ১/৯...এসব মানের রেখাংশ।


এভাবে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি যত ক্ষুদ্র নেবে, এক সময় না এক সময় সেটি দিয়ে মূল সংখ্যাদ্বয়কে ভাগকরলে ভাগফল হিসেবে পূর্ণ সংখ্য পাবেই— মহাবিশ্বের সবকিছুই পূর্ণ সংখ্যায় পরিমাপযোগ্য।

"না, এ সত্য নয়, জগতের সবকিছুই এভাবে পূর্ণ সংখ্যায় প্রকাশযোগ্য নয়। অনেক সংখ্যাযুগল আছে দুনিয়ায় যাদের এরূপ তৃতীয় কোনো সাধারণ পরিমাপক পাওয়া যাবে না, তা যত চেষ্টাই করাই হোক, আর পরিমাপকটি যত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রই নেয়া হোক না কেন।

আতঙ্কে শিউরে উঠল ভ্রাতৃগোষ্ঠির সদস্যগণ। প্রখর রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে ভয়ানক বজ্রপাতেও এতটা চমকে উঠত না তারা। গুরুর সামনে উচ্চকণ্ঠ হয় না তারা, তাঁর শিক্ষাকে অস্বীকার করা তাদের ভয়ানক দুঃস্বপ্নেরও অতীত; আর এ তো স্পষ্ট বিদ্রোহ, ভ্রাতৃগোষ্ঠির বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত, তাদের সামগ্রিক জীবনাচারণকে অস্বীকার। কে সে দুরাত্মা, পাপিষ্ঠ! আক্রোশে ফেটে পড়তে উন্মুখ ভ্রাতৃগোষ্ঠির সদস্যগণ।

"কে, কে বলেছে এ কথা?" কঠোর থমথমে মুখে প্রশ্ন করেন পীথাগোরাস।
"আমি, হিপ্যাসাস।" মেটাপানটামের (Metapontum) যুবকটি বলে। গত কয়েক দিন অস্থির সময় কেটেছে। আবিষ্কারটির ভয়ঙ্করতায় প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল সে, কেঁপে উঠেছিল তার অন্তরাত্মা। তারপরও নানা ভাবে পরীক্ষা করে দেখেছে সে—না, সে-ই ঠিক, পীথাগোরাসের সংখ্যাই জগতের সব সংখ্যা নয়। শেষ পর্যন্ত সহ্য করতে না পেরে উচ্চারণ করেই ফেলেছে সত্যটির কথা।
"তুমি জান কী উচ্চারণ করেছে তুমি? এর কী প্রমাণ আছে তোমার কাছে? প্রমাণ করতে না পারলে তার পরিণতি সম্পর্কে ধারণা আছে?" পীথাগোরাস দৃঢ়কণ্ঠে বলেন।
"হ্যাঁ, প্রমাণ আমি করতে পারব। আপনার সমকোণী ত্রিভুজেই লুকিয়ে আছে তা।" ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে হিপ্যাসাসের।
"উঠে এসো এখানে, প্রমাণ কর।"

ভীড় সরিয়ে সেমিসার্কেলে উঠে হিপ্যাসাস। নানা রঙের বালি ও নূড়িপাথর নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একজন সহকারী। মাটিতে একটি বর্গক্ষেত্র আঁকে হিপ্যাসাস, তারপর নীল বালি ছিটিয়ে রঙিন করে তার বাহুগুলো, আর একটি সবুজ কর্ণ তৈরি করে।
"আপনার কথামতো বাহু-রেখাংশ AB এবং কর্ণ-রেখাংশ AC পরস্পর পরিমাপযোগ্য (commensurable), অর্থাৎ তৃতীয় আরেকটি ক্ষুদ্রতর রেখাংশ তাদের উভয়কে পূর্ণ সংখ্যায় ভাগ করতে পারবে, তাই না?" প্রশ্ন করে হিপ্যাসাস।


"হ্যাঁ, তাই।" ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করে বলেন পীথাগোরাস, স্পষ্টতই এ ধরণের আচরণ, বিশেষ করে শিষ্যদের কাছ থেকে, একেবারে অকল্পনীয়।
"ধরে নেই, তৃতীয় সেই ক্ষুদ্রতর রেখাংশটির মান m। অতএব, AB ও AC উভয়ে m-এর সাপেক্ষে পরিমেয়, যেখানে m হতে পারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি সংখ্যা। বোঝার সুবিধার্থে ধরে নেই, AC=1000m, AB=707m, যদিও পরে আমরা দেখব আমার পদ্ধতিতে 1000 বা 707-এর কোনো ভূমিকা নেই।"
বর্গের কর্ণ যদি ১০ হস্ত হয়, বাহু তার মোটামুটি ৭ হস্ত; ১০০০ হলে মোটামুটি ৭০০, মনে মনে হিসেব করেন পীথাগোরাস। "ঠিক আছে।" বলেন তিনি।

"এবার কর্ণ AC থেকে AB-এর সমান করে AB1 অংশ কেটে নেই। CB1 কে বাহু ধরে আরেকটি বর্গ আঁকি।" বর্গক্ষেত্রটিকে হিপ্যাসাস এবার লালচে বালি দিয়ে স্পষ্ট করেন। পিনপতন নীরবতা সেমিসার্কেলে, কী একটা আঁচ করার চেষ্টা করছেন পীথাগোরাস, কপালে বয়সরেখাগুলোতে ভাঁজ পড়তে শুরু করছে।


"এখন ছোট বর্গের বাহু, CB1=1000m-707m=293m (=EB1)।
ত্রিভুজ ABE এবং ত্রিভুজ AB1E সর্বসম, কারণ এরা সমকোণী ত্রিভুজ যেখানে দুটি করে বাহু সমান: AB=AB1, AE সাধারণ বাহু।
ফলে EB1=EB=293m, এবং
ছোট বর্গের কর্ণ, CE=707m-293m=414m।
অতএব আমরা পাচ্ছি, ছোট বর্গের বাহু ও তার কর্ণ পরস্পর m-এর সাপেক্ষে পরিমাপযোগ্য।" হিপ্যাসাস একটি বিরতি নেন।

মৃদু গুঞ্জন উঠে সেমিসার্কেলের চারপাশে, এ-তো ঠিকই আছে, সমস্যা কোথায়! হিপ্যাসাস আবার তার চিত্রে মনোযোগ দেয়, CE রেখাংশ থেকে CB1 এর সমান করে CB2 অংশ কেটে নিয়ে আগের মতো ক্ষুদ্রতর একটি বর্গক্ষেত্র অঙ্কন করে, এবারেরটি বেগুনি বর্ণের।

"আগের মতোই আমরা বলতে পারি, বেগুনি বর্গের বাহু এবং তার কর্ণও m-এর সাপেক্ষে পরিমাপযোগ্য, তা m-এর যত গুণিতকই হোক না কেন? তবে আগের বর্গদুটোর চেয়ে এখানে গুণিতকের মান কম হবে, তাই না?" হিপ্যাসাস প্রশ্ন করে।
"হ্যাঁ।" পীথাগোরাস সায় দেন, স্বর তার ক্ষীণ, যুক্তিশাস্ত্রের কোন শাখা দিয়ে হিপ্যাসাস অগ্রসর হচ্ছে, তা ধরতে পেরেছেন তিনি।
"এভাবে m-এর সাপেক্ষে কর্ণ ও বাহুতে গুণিতকের মান কমতে থাকবে। আমি ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর বর্গ এঁকে যেতে থাকব, এক সময় এমন এক বর্গ পাব যার বাহু ও কর্ণ m-রেখাংশটির চেয়েও ছোট হয়ে যাবে, ফলে বাহু ও কর্ণ m-এর সাপেক্ষে আর পরিমাপযোগ্য হবে না।"

খানিক থেমে আবার বলে হিপ্যাসাস, "এখন কথা হলো m কত ছোট হতে পারে। আমি সুবিধার জন্য m-কে এমন ধরেছি যে প্রথম বর্গের কর্ণ 1000m ও বাহু 707m হয়। কিন্তু m যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, তা নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের হবে, কিন্তু আমি এভাবে অসীম সংখ্যক ক্ষুদ্রতর বর্গ আঁকতে পারব, যখন বর্গের বাহু নির্দিষ্ট mটি থেকে এক সময় ছোট হবে।"

"অতএব, যুক্তিশাস্ত্রের রিডাকশিও এড অ্যাবসার্ডাম (reductio ad absurdum) এর ব্যাতিরেকী প্রমাণের (proof by contradiction) মাধ্যমে আমি প্রমাণ করলাম, এক সময় এমন বর্গ আঁকাও সম্ভব যার বাহু ও কর্ণ কোনোভাবেই সাধারণ কোনো পরিমাপকের সাপেক্ষে পরিমেয় নয়! কিন্তু এ তো স্ববিরোধী কথা, কারণ সকল বর্গেরই কর্ণ ও বাহু একই আনুপাতিক সম্পর্কে থাকার কথা।
তার মানে বর্গের বাহু ও কর্ণ আসলেই কখনো পরস্পর পরিমেয় নয়—বাহু পূর্ণ সংখ্যায় পরিমেয় হলে কর্ণ পরিমেয় হবে না, আবার কর্ণ পরিমেয় হলে বাহু হবে না। বর্গের বাহু যদি ১ হয়, তার কর্ণ হয় ২-এর বর্গমূল, এবং ১ যেহেতু পরিমেয়, ২-এর বর্গমূল কখনো চূড়ান্ত পরিমেয় নয়। একে দুটি পূর্ণ সংখ্যার কোনো অনুপাতে প্রকাশ করা যায় না। এটি একেবারেই নতুন ধরণের সংখ্যা, মহান পীথাগোরাস! "

গভীর নিঃস্তব্ধতা নেমে আসে সেমিসার্কেলে। আইওনিয়ান সাগর থেকে পাক খেতে খেতে সাদা কুয়াশা ছড়িয়ে পরে ভুখণ্ডে, শীতলতর হয় ভূমধ্যসাগরীয় রাত। হিপ্যাসাসের যুক্তি বুঝতে পেরেছেন তিনি, কিন্তু এখনই সামলে নেয়া প্রয়োজন ব্যাপারটি, নয়তো ভ্রাতৃগোষ্ঠির ভাঙন ঠেকাতে পারবে না কেউ!
"তুমি অশুভ অযৌক্তিক (irrational) এক সংখ্যার কথা বললে, হিপ্যাসাস। আমি আরো পরীক্ষা করে দেখব তোমার প্রমাণ, তবে উদ্ধত, অমার্জিত আচরণের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে তোমাকে। আগামীকাল প্রত্যূষেই জাহাজে করে ক্রোটন ত্যাগ করবে তুমি, আমার নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত মেটাপানটাম আসার চেষ্টা করবে না এবং কোথাও প্রকাশও করবে না অশুভ সংখ্যাটির কথা।" সভা ত্যাগ করেন পীথাগোরাস।
_________________
"এ-ই হচ্ছে হিপ্যাসাসের গল্প, ভয়ঙ্কর অমূলদ সংখ্যার জন্মের গল্প।" বিবর্ণ পোশাক পরিহিত মানুষটি, চোখে তার অপার্থিব আনন্দ-আভা, চারপাশে মানুষের ভীড়, বলতে লাগল। দীনহীন এক চারণকবি সে—পথে-প্রান্তরে বর্ণনা করে গণিতের উপাখ্যান, গণিতই মহান গীতিকবিতা তার কাছে, আনন্দ-বেদনা হাসি-কান্নার গৌরবগাঁথা।
"সহজ-সরল ভাষায় নিজের মতো করে এ উপাখ্যান বর্ণনা করার চেষ্টা করেছি; এতে আছে ইতিহাস, আছে কিংবদন্তি, পুরাকালের পরম কথা, যার সত্য-মিথ্যা আজ হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। মানুষ হিসেবে আমারও রয়েছে সীমাবদ্ধতা, ভুল-ত্রুটি নিজ গুণে মার্জনা করবেন।" দু'হাত জোড় করে বুকের কাছে রাখে সে।
"হিপ্যাসাসের শেষ পর্যন্ত কী হলো!" উৎসুক জনতা জানতে চায়।
"গুরুর আদেশে পরদিনই সমুদ্রযাত্রা করে সে। তারপর হঠাৎই হারিয়ে যায় ভূমধ্যসাগরের বুকে, কেউ তাকে আর দেখেনি কোনো দিন! শান্ত মাছরাঙা দিন [halcyon days] ছিল সেদিন, কিন্তু কেউ বলে ঝড়ে ভেসে গেছে সে, কেউ বলে ভ্রাতৃগোষ্ঠির সদস্যরা খুন করে লাশ তার ফেলে দিয়েছে সাগরে।"

"শান্তি পাক হিপ্যাসাসের আত্মা, সুখে থাকুক জগতের সব মানুষ।" মাটি থেকে কাপড়ের ঝোলাটি তুলে নেয় চারণকবি, জনপদটি পেছনে ফেলে দিগন্তজোড়া সবুজ মাঠে নেমে পড়ে সে, এগিয়ে যেতে থাকে নতুন আরেক জনপথের সন্ধানে, যারা গণিতের প্রতি ভালোবাসা মমতায় তাকে থামিয়ে দেবে চলার পথে, গভীর আগ্রহে শুনতে চাইবে প্রাচীন মানুষদের কথা— জ্ঞানের মধ্যেই যারা খুঁজে পেয়েছেন জীবনের মহত্তম অর্থ, পরিশুদ্ধতম আনন্দ।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। :)

২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫০
অলস ছেলে বলেছেন: ভূমধ্যসাগরীয় রাতের গল্প একবার পড়ে পুরোপুরি বুঝলাম না, কিন্তু আকর্ষণ করলো। আবার পড়বো। খুবই চমৎকার গল্পের উপসংহারটা।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: অনুভবে ধন্যবাদ। আবার দেখার প্রত্যাশায়। :-)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: কিন্তু বেঁচে তো আছে আজও।

৪. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৬
আরাফিন205 বলেছেন: ফারাও আমাসিস এর পুরো কাহিনীটা কোন বইতে পাওয়া যাবে, বলবেন? লেখকের নামটাও প্লীজ ।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। নির্দিষ্ট কোনো বইয়ের নাম মনে পড়ছে না, তবে মিশরীয় সভ্যতার বইয়ে থাকার কথা। খুঁজে জানাব আপনাকে।

ভালো কাটুক সময়।

৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৬
বাবুল হোসেইন বলেছেন: পরে পড়ব........প্রিয়তে রাখলাম।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। প্রিয়তে নেবার সম্মাননায় অনেক ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।

৬. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৬
স্বপ্নকথক বলেছেন: অংক পারিনা সেই ছুটবেলা থেকে। ভয়ে আপনার পোস্টে ঢুকতাম না, যদি অংক ধরে বসেন! আজ সাহস করে বুকে ফু দিয়ে দোয়াদরূদ পড়ে ঢুকছি, খুব খুব সুন্দর একটা গল্পো পড়লাম। অংকের অংশটুকু মাথার উপর দিয়ে গেলেও সাহিত্যের অংশটুকু পুরাই আঘাত করেছে! ধন্য আপনার এ প্রচেষ্টা, ধন্য আপনার অংকসাহিত্য। স্যালুট দিয়ে গেলাম।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে গভীর আনন্দিত হলাম, স্বপ্নকথক। ভালো কাটুক জীবন আপনার।

৭. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৯
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: আপনার লেখা প্রথম জটিল মনে হত।এখন খুবই ভালো লাগে।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মূল্যায়নে আশ্বস্ত আশাবাদী হলাম।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। মূল্যায়ন গৃহীত হলো শ্রদ্ধায়।

৯. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
সায়েম মুন বলেছেন: কত কিছু জানতে পারলাম:)
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: জানার আনন্দ সুখী করুক জীবন সবার। :)

১০. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭
এন্তার এত্তেলা বলেছেন: সংখ্যারস না পাইলেও সাহিত্যরস থেকে বঞ্চিত হইনাই।
ধন্যবাদ।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার অনুভব সম্মানিত বোধ করছি।

ভালো থাকবেন।

১১. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
ঠিকমত লেখাপড়া না করার মাজেজা এখন বুঝতে পারতেছি। :(
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: তবু আনন্দে কাটুক সময়। :)

১২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: নোবেল এবার আমাদের ব্লগের কেউ একজন পাবে। ইনশাআল্লাহ।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার শৈল্পিক ভাবনা বাস্তব হোক, আজ কাল কোনো একদিন।

১৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: দারুন লাগলো। এত প্রঞ্জল করে লিখেছেন। ধন্যবাদ।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, আপা। মন্তব্য আশাবাদী করল লেখায়।

১৪. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন! অসাধারণ!

অমূলদ সংখ্যার পিণ্ডি চটকানোর বেলায় কি আমরা জানতাম এর জন্য কাউকে প্রাণ পর্যন্ত দিতে হয়েছে!
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: আরে, অনেক দিন পর যে! খুব ভালো লাগল দেখে।

হ্যাঁ, কত ইতিহাস রয়েছে প্রাচীন পথে, পাশ কেটে চলে যাই আমরা।

১৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ২ এর বর্গমূলকে অমূলদ প্রমাণ করাটা এখনও আমার কাছে খুব সহজ মনে হয় না! দারুন হইছে পড়তে!
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আসলেই জটিল। তবে পাটিগণিতে কিছুটা সোজা। মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ। :-)

১৬. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: চমৎকার লাগলো!
অমূলদ সংখ্যার এই ব্যাখ্যাটা পড়ানোর সময় ব্যবহার করা যেতে পারে

ভাবলাম,
বৃত্তের বেলায় কেমন হয়?
একটা বৃত্তের ব্যাসকে বাঁকিয়ে ছোট আরেকটা বৃত্ত বানিয়ে সেটার ব্যাসকে আবার বাঁকিয়ে আরো ছোট বৃত্ত বানিয়ে ... এভাবে চালাতে থাকলে শেষমেষ একটা কাল্পনিক বিন্দু পাওয়া যাবে, কিন্তু ঐ বিন্দুর দৈর্ঘ্য আমরা জানিনা!
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: জ্বিনের বাদশা ভাই পড়ান নাকি! গভীর আনন্দের খবর। পড়ানোর শখ ছিল এক সময় খুব, এখন সময় কাটে অন্য ব্যস্ততায়, গল্প রয়ে গেছে।

বৃত্তের ব্যাপারটি মজারই, দৈর্ঘ্যটি জানি না আমরা। কল্পনাযোগ্য ক্ষুদ্রতম ধনাত্মক সংখ্যার চেয়ে বড় সেটি, কিন্তু তা শূন্য নয়!

১৭. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২০
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন: অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ!!++++
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো কাটুক সময়।

১৮. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৯
জ্ঞানী বালক বলেছেন: সুন্দর একটা info দেয়ার জন্য। অসংখ্য ধন্যবাদ
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ।
আপনার আইকনটি তো খুব সুন্দর!

১৯. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
শান্তির দেবদূত বলেছেন: চমৎকার লাগলো, সাহিত্য, গনিত.....উপস্থাপনা সবমিলিয়ে অপূর্ব।

প্রতিষ্ঠিত মতবাদের বিরুদ্ধাচরন সমসময়ই বিপদজনক, এমন কি এখনো। আগের দিনের গুরুরা এত জ্ঞ্যানের অধিকারী ছিলেন তারপরও এত নিষ্ঠুর যে কেন ছিলেন ?
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য আলস্য কাটিয়ে ফেলতে পারলাম। মন্তব্যে গভীর আলোড়িত হলাম।

হ্যাঁ, মানুষ আসলেই অদ্ভুত!

২০. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:২২
শায়মা বলেছেন: গনিতবিদ সাহিত্যিককে জানাই নববর্ষের শুভেচ্ছা।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ। চমৎকার কাটুক সময়।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার অনুভব পোস্টের জন্য বড় সম্মাননা।

ভালো থাকুন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :-)

২৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
পারভেজ রবিন বলেছেন: এখান থেকে আমি সংখ্যারস ঠিকই চিপে বের করব। তবে পরে, এখন একটু ব্যাস্ত আছি।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: সংখ্যারসের ফলাফল জানতে ইচ্ছুক। বৈশাখের ছবি দেন ফ্লিকারে। :)

২৪. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
জুন বলেছেন: স্বপ্নকথকের মত আমিও একই কথাই বলতে চাই যে, অংকের ভাগটুকু সযত্নে এড়িয়ে অনেক ভাল লাগার এক ভয়ংকর নিষ্ঠুর কাহিনী পড়ে শেষ করলাম।
আমি কিন্ত ২য় পর্বের সর্বশেষ মন্তব্যে এইপর্বের জন্য আপনাকে + দিয়ে গেছি ।
আবারও দিচ্ছি +++++++++++++।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: যা মারাত্মক ভয় পেয়েছিলাম, কী লিখব, কীভাবে লিখব!

ভালো কাটুক জীবন আপনার দূরদেশে।

২৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৫
জুন বলেছেন: দূরদেশে মানে!!!what do u mean !
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: ঐ যে আপনি ইটালির গল্প লিখলেন। তাই ভেবেছিলাম ওখানেই বোধহয় থাকেন আপনারা।

২৬. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৭
জুন বলেছেন: আমিতো ঢাকার একদম মধ্যিখানে বসবাস।
স্পেসবারচাপ দিতে গিয়ে মন্তব্যে চাপ পড়লো!
বুঝছেন তো আমার অবস্হা !!
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: হা হা হা। তাই তো দেখি।
আপনার পোস্ট পড়ে আমি অবশ্য ভেবেছিলাম আপনি বাইরে থাকেন। তাই দূরদেশ ভেবেছিলাম। :-P

২৭. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৪
সামিউর বলেছেন: যদিও কিছুটা মন খারাপ করা পোস্ট। কিন্তু শেষটুকু পড়ে মজাই পেলাম।

থ্যাংক ইউ ভাইয়া ইনফর্মেশন গুলার জন্য। :)
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আসলেই মন খারাপ করে দেয়ার মতো। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ, সামিউর।

ভালো থাকুক মন।

২৮. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৩
জুন বলেছেন: না ইতালী আমি বেড়াতে গিয়েছিলাম ।ইতিহাসের ছাত্রী ।
গ্রেইকো রোমান ইতিহাস ছিল অনার্সে তাই আগ্রহ।
আর ভ্রমন ছাড়া বাড়ী গাড়ী শাড়ী গয়না কোনো কিছুর প্রতিই আগ্রহ নেই।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: চমৎকার কাটুক জীবন আপনার, প্রার্থনা।

২৯. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৩
তারার হাসি বলেছেন:
খুব ভাল একটা পোস্ট। পড়তে গিয়ে খুব ভাল লেগেছে।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, লেখার প্রচেষ্টায় এ বড় সম্মাননা।

ভালো থাকবেন।

৩০. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৮
ফারা তন্বী বলেছেন: স্বপ্নকথকের মতই আমার অবস্থা। ছোটবেলায় মুখস্থ টুখস্থ করে কোন মতে লেটার গ্রেড পেতাম। এস এস সির পর বেঁচে গেলাম আর অঙ্ক নাই :) গল্পটা আরও ভাল বুঝতাম যদি অঙ্ক টা বুঝতাম। কেন যে ছোটবেলায় ফাঁকি দিলাম :(:(
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ব্যাপার না, গণিত ভালো বোঝার চেয়ে গণিত ভালো লাগাটাই বড়, গানের কথা না বুঝলেও গান ভালো লাগে যেরকম। :)

৩১. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: না বস্, এখন পড়াইনা, কামলা খাটি
এক সময় পড়াতাম ... অনেক আগে ... সেই স্মৃতি মনে পড়লো আর কি
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, কতই না স্মৃতি!

৩২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ম্যাভেরিক ভাই, ঘটনা কি সত্য হতে পারে? নাকি গুজব হবার সম্ভাবনা রয়েছে?

কি নিষ্ঠুর!

গল্প অসাধারন।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: "...এতে আছে ইতিহাস, আছে কিংবদন্তি, পুরাকালের পরম কথা, যার সত্য-মিথ্যা আজ হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে।"

স্পষ্ট করার জন্য একটি পরিমার্জনা করে দিলাম। :)

৩৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩১
ভোরের তারা বলেছেন: বোঝার জন্য খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। এটাই বুঝলাম সংখ্যা অতি ক্ষুদ্র হয়ে গেলে একে আর পরিমাপ করা যায় না............।

চমৎকার লাগল। ভাল থাকবেন।
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অনেকটা এরকমই।

ব্যাপারটি হচ্ছে, পীথাগোরাসের মতে দুটি সংখ্যার জন্য তৃতীয় আরেকটি ক্ষুদ্রতর সংখ্যা সবসময় পাওয়া যাবে যার দ্বারা সংখ্যা দুটিকে ভাগ করলে ভাগফলদ্বয় পূর্ণ সংখ্যা হবে। যেমন, ২.৫ এবং ৩.২৫ সংখ্যা দুটি ০.২৫ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল দুটি পূর্ণ হয়।


হিপ্যাসাসের মতে, কিছু কিছু সংখ্যাযুগল আছে যাদের জন্য তৃতীয় সংখ্যাটি কখনো পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ তাদের ক্ষেত্রে তৃতীয় সংখ্যাটি মুল সংখ্যাটির ১মটিকে পূর্ণ বিভাজ্য করলে, ২য়টিকে পূর্ণ বিভাজ্য করবে না, আবার ২য়টিকে পূর্ণ বিভাজ্য করলে, ১মটিকে পূর্ণ বিভাজ্য করবে না--তৃতীয় সংখ্যাটি যত ছোটই নেয়া হোক না কেন, পূর্ণ/অপূর্ণ এ বিষয়টি চলতেই থাকবে।

ভালো কাটুক সময় আপনার।

৩৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:০২
পারভেজ রবিন বলেছেন: বৈশাখের ছবি ব্লগে দিয়েছি। ফ্লিকারেও দিতে হবে?
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: না, ব্লগ থেকে দেখে নেব। :)

৩৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫১
মেহেরুবা বলেছেন:
অবাক ব্যাপার তো!
গতকাল একটা মন্তব্য করেছিলাম এখানে। সেটাকে খুন করলো কে? B:-) B:-)

হিপ্যাসাসের জন্য মনটা খুব খারাপ লাগছে।

এখন কিন্তু রদাপেসের গল্পের জন্য অপেক্ষা করে থাকবো। প্লিজ ভাইয়া তার সম্পর্কে কিছু জানান, প্লিইইইজ। 8-|
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ব্লগীয় ভূত মনে হয় মন্তব্য খেয়ে ফেলেছে। /:)

রদোপেসের গল্প ভাবছি। :)

৩৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২১
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: বুঝি নাই . কিন্তু আগ্রহ হল, কেন আগ্রহ হল সেইটা নিয়া আগ্রহ বাড়ছে...
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: কী সুতীব্র আগ্রহোদ্দীপকই না কথা!

ভালো কাটুক সময়।

৩৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ইন্টারনেটে দেখলাম এই বিষয়টি। হিপ্যাসাসকে খুন করা হয়েছিল সংখ্যার জন্যে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এর উপর ভিত্তি করেই লেখা, যদিও নানান বর্ণনায় সঠিক ঘটনা জানা এখন দুষ্কর।

৩৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫৯
জুনেব বলেছেন: অসাধারন..
এরকম একটি ঘটনা জানতাম না!
ধন্যবাদ ম্যাভেরিক ভাই।
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ভালো কাটুক সময়।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আরেব্বাস, এ কে রে!

ভালো আছি, আপুটা। আশা করি তোমারও সময় কেটেছে চমৎকার। এখন জলদি কিছু পোস্ট ছেড়ে দাও, দিতে হবে। :)

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পড়ব।

ভালো কাটুক সময়।

৪১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:০৩
জেরী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট...+++
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: পড়া ও অনুভবে অনেক ধন্যবাদ।

চমৎকার কাটুক সময়।

৪২. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৩
মাসুদুল হক বলেছেন: আপনার লেখাটা মাত্র চোখে পড়ল ( আমি আসলে ব্লগে নিয়মিত না) তিন পর্ব দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম কিন্তু সাহস করে প্রথম পর্ব পড়ার পর সব পর্ব শেষ না করে উঠতে পারলাম না, অমূলদ সংখ্যার মূল ব্যাপারটা জানতাম, অনেকেরই জানা...কিন্তু যে সরস ভাবে আপনার লেখায় উঠে আসল কী আর বলব!! স্তুতি বাক্য লিখে আর বৈচিত্র্যহীনতা তৈরি করব না :-) ... ভালো থাকুন।।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: কী গভীর সম্মানের প্রাপ্তি একজন লেখকের জন্য!

৪৩. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৯
আলী প্রাণ বলেছেন: অসাধারণ লাগলো, আপনার লেখা পড়তে শুরু করলে শেষ করতেই হয়।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি লেখার জন্য।

ভালো থাকবেন।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনুভবে অনেক ধন্যবাদ। সম্মানিত হলাম।

ভালো কাটুক সময় আপনার।

৪৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৫৬
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: কী ভয়ংকর! :(
এক পর্ব পড়ে একে একে তিনটা পর্বই পড়তে হলো! অনেককিছু নতুন জানলাম।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আমার ব্লগে ভ্রমণ আনন্দময় হোক। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন।

৪৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: এর আগে পড়তে শুরু করেছিলাম লোডশেডিং বাগড়ায় শেষ হয় নি, আজ হলো ।
রুট টু এর কাহিনী কিছুটা জানতাম ।


চমৎকার লাগল ।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:২৩

লেখক বলেছেন: অনুভবে অনেক অনেক ধন্যবাদ, বোহেমিয়ান।

ভালো কাটুক সময়।

৪৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: কাহিনীটি কিছুটা জানা গণিতে অদম্য আগ্রহের কারণে কিন্তু এমন অনন্য উপস্থাপনা। আপনার লেখার সাহিত্যগুণের প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দিই। প্লেটো কবিদের খুব অপছন্দ করতেন; আর আমরা রিপাবলিক পড়ে ভাবি এমন চমৎকার সাহিত্যগুণ দর্শনের কোন বইয়ে থাকে কি করে!
শেষ করছি গ্যালিলিও কথা বলে, গণিতকে তিনিই প্রচণ্ড ভালো বাসতেন, তাঁর মতে মহাকাশের ভাষা গণিত আর এর অক্ষর গুলো ত্রিভুজ-চতুর্ভুজ! গণিত না জানলে মহাবিশ্বের কিছুই জানা সম্ভব নয়।

চমৎকার লেখার জন্য গরম কফির দাওয়াত থাকল!
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার মন্তব্য অনন্য সম্মান, প্রাপ্তি একজন লেখকের জন্য, গভীর আলোড়িত করে গেল।

ভালো থাকবেন।

৪৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫১
রুবাইয়্যাত বলেছেন: কল্পনা করো এক অন্ধকার রাত আর চারপাশে গভীর সমুদ্র। শান্ত হলেও ভয়ঙ্কর রূপ। শোনা যাচ্ছে ঢেউয়ের গর্জন। এইমাত্র তীর ছেড়ে যাত্রা শুরু করেছে এক নৌকা, যাত্রী কয়েকজন যুবক। তাদের কেউ ধরে আছে হাল, কেউ ধরে আছে দাঁড়। ভীড়ের মাঝে কেবল একজন আলাদা।
একা, বসে আছে চুপচাপ। সহযাত্রী সে বন্ধুদের।
কিন্তু সাদরে নয়, জানেও না কেন বন্ধুদের মাথায় এমন আজব খেয়াল চেপেছে। এমন বিদঘুটে নৈশ অভিযানে নেমেছে তারা আর সঙ্গী করেছে তাকে, না বুঝেই দলে যোগ দিল সে।
ফেলতে পারেনি বন্ধুদের অনুরোধ। শুধুমাত্র বন্ধু নয় ওরা, এক ঘোষিত পরিবার তারা। যেন একটা সঙ্ঘ।
যার মূলে বিদ্যাচর্চা। একই স্কুলের ছাত্র সবাই। একই গুরুর শিষ্য। সম্পর্কে একে অন্যের গুরু ভাই।
তো এমন সহপাঠিদের অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারেনি সে যুবক। তবে ভাল লাগছে না তার একটুও, তা বলাই বাহুল্য। সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে অন্য কথা ভাবছে সে।
বরাবর ভাবুক সে যুবক।

এই ভাবুক যুবকটি পিথাগোরাসের সূত্রের বদ্ধমূলে আঘাত হেনেছিলেন।

সমকোনী ত্রিভূজের অতিভূজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল তার অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সমান।

কিন্তু সেই ভাবুক যুবক দেখিয়ে দিয়েছিলেন, এই উপপাদ্য গনিতের এক বিশাল দুর্বলতা নির্দেশ করে। কোন সংখ্যা দিয়েই আমরা একটি বর্গক্ষেত্রের কর্নের দৈর্ঘ্য নির্ভুল মাপতে পারি না।
সেই ভাবুক যুবকের আবিষ্কার পিথাগোরাসের মর্মে আঘাত করেছিল, চুরমার হয়ে গিয়েছিল তার বক্তব্য।

তার মাশুল গুনতে হয়েছে ভাবুক ছেলেটিকে সেই রাতে সলিল সমাধি হয়ে।

______________
______________
বর্ননা ভাল হয়েছে?
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: পড়তে পড়তে ভাবছিলাম এর উপর আপনি আগে কোথাও লিখেছিলেন কি না। অনেক সুন্দর হয়েছে, ভাষায় অভিব্যক্তিতে খুব চমৎকার।

৪৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫২
রুবাইয়্যাত বলেছেন: চিত্রটা আকার চেষ্টা করছি, একটু সহজ ভাবে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: সুন্দর হয়েছে বেশ। :-)

৪৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: facebook কারো দেয়া লিন্ক লেখাটা পড়ছিলাম!
এক কথায় দারুন লেগেছিলো

তাই অবেলায় জানিয়ে গেলাম
ভালো থাকুন
সহস্র শুভেচ্ছা!
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও অনুভবে অনেক ধন্যবাদ, আনন্দময় হয়ে উঠল অবেলা।

ভালো কাটুক জীবন।

৫০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৯
পল্লী বাউল বলেছেন: অনেক চমৎকার লাগলো শেষ পর্যন্ত।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: সাথে থাকায় ধন্যবাদ, বাউল, প্রেরণায়। :-)

৫১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
তুষারকনা বলেছেন: কি ভয়ংকর শাস্তি.....
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ভয়ঙ্কর, করুণ!

পড়া ও মন্তব্যে ধন্যবাদ। ভালো কাটুক সময়।

৫২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৪
আলী প্রাণ বলেছেন: কৈ গেলেন, আরো লেখা পোষ্টান।

ভালো থাকবেন।
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: ব্যস্ততা, ভাই। তবে চেষ্টা চলছে, আসবে শীঘ্রই। :-)

ভালো কাটুক সময়।

৫৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১৯
সামিউর বলেছেন: নতুন পোস্ট কবে আসছে ভাইয়া?
২২ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করে যাচ্ছি। যুৎসইভাবে বসতে পারছি না। তবে আর বেশি দেরি হবে না।

সাথে থাকায় অনেক ধন্যবাদ। ভালো কাটুক সময়।

৫৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৮
এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছিনা! দারুন একটা পোষ্ট! আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! ভাল থাকুন।
২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও অনুভবে সম্মানিত হলাম।

ভালো থাকুন, সুখে স্বস্তিতে।

৫৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:০২
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: অংক দিয়ে গল্প! দারুন জিনিস।৩৪+
২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: মূল্যায়ন শ্রদ্ধায় গৃহীত হলো।

ভালো কাটুক সময়।

৫৬. ০২ রা মে, ২০১০ দুপুর ১:৩০
রেজোওয়ানা বলেছেন: গণিতের ঐতিহাসিক গল্প.......

খুব ভাল লাগলো ভাইয়া।

ছোটবেলায় যদি এমন একজন শিক্ষক পেতাম, তাহলে মনে হয় আমার অংক ভীতি কমে যেতো :|


২৮ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপু, পড়া ও মূল্যায়নের সম্মাননায়। আপনার মেয়ে অংক ভালোবাসুক অনেক, ইতিহাস নতুন হোক, এই প্রার্থনা।

৫৭. ০২ রা মে, ২০১০ রাত ১০:২৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: গল্পটা বার বার পড়তে আসি। এত সুন্দর।
০৪ ঠা জুন, ২০১০ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: লেখার জন্য সম্মানের মন্তব্য।

৫৮. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন: আরেকটু সহজ শব্দ ব্যবহার করা যেত মনে হয়। প্রতাপান্বিত সম্রাট, নক্ষত্র-অবলোকনকারী, স্বর্গীয় আলোর দিশারীগণ, নির্বাচিত অভিমন্ত্রিতগণ..... এই জাতীয় শব্দগুলো এখন ব্যবহার হয়না।
১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ।

শব্দগুলো ব্যবহার করেছি প্রাচীন কালের আবহ ফুটিয়ে তোলার জন্যই, বিশেষত যেহেতু মূল বর্ণনা পীথাগোরাসের জবানিতে।

ভালো থাকুন।

১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, রুদ্র তুফান। প্রিয়তে নেয়ার সম্মানে সিক্ত হলাম।

ভালো কাটুক সময়।

৬০. ০৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১২
দীপান্বিতা বলেছেন: শান্তি পাক হিপ্যাসাসের আত্মা

...................

অংকের জায়গাটা খুব বেশি বুঝলাম না, মানে আমিই বুঝতে অক্ষম!

....................

একটা অনুরোধ আছে আপনার কাছে... আমি মহাভারতের টুকরো গল্পগুলো ব্লগে দেওয়ার চেষ্টা করছি... আপনি তো পুরাণও ভালবাসেন! মাঝে মাঝে সময় করে যদি এসে একটু দেখেন, খুব উপকৃত হই!
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: পড়ায় অনেক অনেক ধন্যবাদ।

মহাভারত পড়ছি। :-)

৬১. ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:২৬
জুন বলেছেন: অটঃ কি ব্যাপার আর কিছু লিখবেন না !!
পাঠকদের বন্চিত করা কি ঠিক সুখপাঠ্য থেকে !!
১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: লেখার চেষ্টা তো করছি, কিন্তু সমস্যা হলো সকালে অল্প একটু সময় ছাড়া অন্য সময় ব্লগে ঢুকতে পারছি না বহু দিন ধরে। এই যেমন একটু পরই আর ব্লগ খুঁজে পাব না। তাই লেখা হচ্ছে না।

৬২. ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৭
হুপফূলফরইভার বলেছেন: পরবর্তীর জইন্যে আশায় বসে আছি! :( :(
২৫ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: চেষ্টা চলছে। মাঝে অনেক দিন নেটে সমস্যা চলছিল, কাজ এগোয়নি।

৬৩. ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ। তিনটা পর্বই প্রিয়তে নিলাম।
০৩ রা জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, আগন্তুক।

আনন্দ প্রশান্তিতে কাটুক সময় আপনার।

৬৪. ১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:৩৫
জুন বলেছেন: জানেন আমারো তো এই সমস্যা ছিল তবে কিউবির কানেকশন নেয়ায় এটা সমাধান হয়েছে।গ্রামীন এজ ব্যাবহার করতাম আগে।আপনি শুনলে হাসবেন আজ আমার জন্মদিন আর এই কানেকশন হলো আমার স্বামীর দেয়া জন্মদিনের গিফট্‌ !!!
১২ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: জন্মদিনের শুভেচ্ছা। ভাইয়াকেও ধন্যবাদ চমৎকার উপহারের জন্য।

উপহারে আনন্দে কাটুক জীবন আপনাদের।

৬৫. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৫০
শ্রাবণ এর বৃষ্টি বলেছেন: ভাল লাগল, আপনার পোষ্ট এখন আর প্রিয়তে নেবার ঝামেলা করিনা কারন আস্ত মানুষকেই প্রিয় লিষ্টে নিয়ে রেখেছি ...........
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, শ্রাবণ এর বৃষ্টি। কী চমৎকার স্নিগ্ধ সম্মানের মন্তব্য!

ভালো কাটুক সময়।

৬৬. ২৭ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪২
নাজনীন১ বলেছেন: অনেকদিন পর এলাম আপনার ব্লগে। ভেবেছিলাম অনেক লেখা বুঝি জমে গিয়েছে। কিন্তু না, তেমন নয়। :)

একটানে তিনটি পর্ব পড়ে ফেললাম। মূলদ-অমূলদের ব্যাপার স্যাপার তেমন মনে নেই, এখন আবার পড়লাম। কিন্তু কি লোমহর্ষক ঘটনা!
০৯ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগল আপনাকে দেখে। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ। নেটে সমস্যা ছিল বেশ কিছুদিন, তাই লেখা হয়নি।

ভালো থাকুন।

৬৭. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৬
রিমঝিম বর্ষা বলেছেন: অংকগুলো বাদ দিলে পুরোটা চমৎকার লাগলো পড়তে। অংক বুঝিনা। বুঝতে ইচ্ছাও করেনা।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: একটু দেরি হয়ে গেল উত্তরে। মূল্যায়নে অনেক ধন্যবাদ। অংক হোক সাহিত্যের মতো, আপনার কাছে।

৬৮. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৬
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ভাইয়া Click This Link এই পোস্টের ৬, ২৮, ৩৯ কমেন্ট গুলো পরেন তো ভাইয়া। আর মন্তব্যে যে কাহিনি টা জানতে চাচ্ছে আপনি অবশ্যই জানেন। সুন্দর করে লিখে দিতে পারবেন ভাইয়া?

আমি আবার ভুল করে ফেলি কিছু এই ভয়ে লিখছি না।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: কী খবর, সুপ্তি? আশা করি সবকিছু ভালো কাটছে।

৬৯. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৮
আজমান আন্দালিব বলেছেন: খুব আগ্রহ নিয়ে সব ক'টি পোস্ট পড়েছি। সর্বশেষ পোস্টটিও যে পড়েছি খুব মনে আছে। কমেন্ট করেছিলাম কিনা মনে নেই। আজ আবার পড়ে কমেন্ট খুঁজতে গিয়ে দেখলাম যে কমেন্ট নেই। তারমানে কি কমেন্ট করিনি!

খুব ভাল লেগেছে ম্যাভেরিক ভাই। ভাল থাকবেন।
০৬ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, আন্দালিব ভাই। আপনার আগ্রহে সম্মানিত বোধ করি। নেটে সমস্যার কারণে মন্তব্যে সমস্যা হয়েছে কিনা বলতে পারছি না। ভুলবশতঃ কোনো মন্তব্যেও মুছে যায়নি।

ভালো কাটুক সময় আপনার।

৭০. ০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ??????????????????????????????????????
????????????????????????????????????????
০৬ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: !!! :)

৭১. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৮
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: স্বপ্নকথক বলেছেন: অংক পারিনা সেই ছুটবেলা থেকে। ভয়ে আপনার পোস্টে ঢুকতাম না, যদি অংক ধরে বসেন! আজ সাহস করে বুকে ফু দিয়ে দোয়াদরূদ পড়ে ঢুকছি, খুব খুব সুন্দর একটা গল্পো পড়লাম। অংকের অংশটুকু মাথার উপর দিয়ে গেলেও সাহিত্যের অংশটুকু পুরাই আঘাত করেছে! ধন্য আপনার এ প্রচেষ্টা, ধন্য আপনার অংকসাহিত্য। স্যালুট দিয়ে গেলাম।
১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার অনুভবে গভীর অনুপ্রাণিত হলাম। ভালো কাটুক সময়।

৭২. ২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০৫
মামুন হক অপু বলেছেন: ভাইয়া,
আপনার সাথে যোগাযোগ করা খুব জরুরি ।
দয়া করে যদি যোগাযোগের কোনো অপশন
দিতেন খুব খুশি হতাম।

আমার মেইল আইডিঃ
Mobile No.01726703137
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, যোগাযোগ করছি।

৭৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১০
আহাদিল বলেছেন: ছোটবেলা থেকে গণিত ভালবাসলেও নানা কারণে এখন গণিত থেকে অনেক দূরেই, আপনার লেখায় আবারো গণিত, পীথাগোরাস, সমকোণ, অমূলদ সংখ্যাকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগল।

ভালো থাকা হোক সব সময়।
০২ রা অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: দূরে থাকলেও গণিতের অনুভব থাকুক চির মমতার, এ-ই কামনা।

ভালো কাটুক জীবন।

৭৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৩৭
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: আমার মাথার ১২ বেজে গেছে। কেন যে এই লেখাটা পড়লাম ? আজ দিন কাটবে এই পোষ্টের কথা ভেবে ভেবে।

আবার পড়তে হবে , বার বার :)
০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনুভবে মন্তব্যে ভালো লাগল, এবংআমার ব্লগে আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক, ১২টা না বাজুক। :)

৭৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:২২
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: আইচ্চা । খুব খুশি আমি। এই পরথম আমরে কেউ স্বাগতম কইল। দন্যিবাদ অনেক অনেক।

আপনার ব্লগে আইসা মনে হইল। স্যারেরা হুদাই আমরে অংকে বেশি নাম্বার দিত;)

আমার লিংকুতে আপনার নাম- খোদাই করা হইল :)
০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের সরল রসবোধ চিরকাল অটুট থাকুক আপনার। :)

৭৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:২৭
শাকির সহজকথা বলেছেন: আমি অভিভূত। বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের বিষয়ের সংযোজন ভীষণ প্রয়োজন। ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতি এবং পরিপক্ব পাঠক তৈরী করতে অবদান রাখার জন্য এই ধরনের লেখাকে সাধুবাদ জানাতে হয়।

প্রিয় লেখক, আমার মতো নতুন ব্লগারের ব্লগে আপনি ঘুরতে এসেছিলেন বলে আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আর সেই সূত্রে আপনার ব্লগ ঘুরতে আসা এবং আমার এই উত্তম প‌্রাপ্তি - আপনার লেখার সুখপাঠ। আপনাকে ধন্যবাদ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। গভীর সম্মানে সিক্ত করল আপনার মন্তব্য।

আমার ব্লগে আনন্দময় হোক আপনার ভ্রমণ। জীবন কাটুক চমৎকার।

৭৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫০
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: তিন পর্বই ভাল লাগলো।।
২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, ইচ্ছামানুষ। ভালো লাগল দেখে। মূল্যায়নে অনেক ধন্যবাদ।

ভালো কাটুক সময়।

৭৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:১১
ফারহান আহমেদ বলেছেন: পোলাপান কত কিছু জানে রে :-B View this link
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: হুমম। দেখলুম। ভালো কাজ।

৭৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
বিভ্রান্ত পথিক ২০১০ বলেছেন: আপনার ব্লগএ মোট ১১১টার মত পোস্ট দেখলাম, মনে হস্ছে আগামী কয়েকটা দিন ভালই কাটবে..........................
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: অনুভবে অনেক ধন্যবাদ। আমার ব্লগে আনন্দময় হোক আপনার পদচারণা।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: মূল্যায়নে, আনন্দময় অনুভবে ধন্যবাদ আপনাকে।

ভালো কাটুক সময়।

৮১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:১৭
আইডিয়াল বলেছেন: স্কুলে থাকতে পিথাগোরারকে পিটাইতে মন চাইত। জীবনে ঐ উপপাদ্য পড়িনাই। তবে সমকোণী ত্রিভুজের সুত্রটা শিখেছিলাম। এখনও কাজে লাগে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ।

হ্যাঁ, এখানে ওখানে প্রায় সবখানেই উঁকি দেয় সূত্রটি।

৮২. ০৬ ই জুন, ২০১১ রাত ৮:৪৩
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: আপনার কিছু পোস্ট পড়ে আপনাকে অনুসরন করছিলাম ওয়াচ এ থাকা অবস্থাতেই। একে একে অনেকটাই পড়ে শেষ করেছি। আপনাকে ধন্যবাদ
০৮ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনার মন্তব্যে সম্মানিত বোধ করছি, একজন লেখককে নিজের লেখার ব্যাপারে আশাবাদী করে।

ভালো কাটুক জীবন আপনার।

৮৩. ০৬ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:০৮
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
৬১ নং ভালো লাগলো দিয়ে গেলাম।

৭৫ নং মন্তব্যের জন্য খুব লজ্জিত আমি স্যার। আমি আসলে তখন অনেক ব্লগারকেই চিনতাম না , জানতাম না। কিন্তু এখন তো জানি :)

স্যরি স্যার।

০৮ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: আরে কী বলেন! আপনার মন্তব্যটি আসলেই ভালো লেগেছিল, হেসেছিলাম অনেকক্ষণ। সবসময় সিরিয়াসভাবে কথা বলতে বা শুনতে হবে কেন? :-)

সব সময় হাসিখুশি থাকুন, এ-ই কামনা।

৮৪. ০৮ ই জুন, ২০১১ রাত ২:৩৩
রাসেল মাহদুদ বলেছেন: ভাল লাগলো, ভালো লেখা মানুষ অনেকদিন ধরে পড়তে পারে। এ্‌ই লেখাটা তার প্রমাণ। আপনার আরো লেখার সময় হোক এই কামনা করছি। কারণ ব্লগগুলো ইদানিং কিছু কিছু মানুষের তিন লাইনের গদ্য লেখার অথবা কোন পিটিসি সাইটের বিজ্ঞাপন প্রকাশের জায়গা হয়ে উঠেছে, যেটি বিরক্তিকর। তাই আপনাদের মত লেখকদের কাছ থেকে আরো লেখার প্রত্যাশা করছি।
০৮ ই জুন, ২০১১ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার প্রেরণাদায়ক মন্তব্যে সম্মানিত বোধ করছি, আশাবাদী হই লেখালেখি নিয়ে। আমার লেখায় আপনার অনুভব যেন নিরন্তর অটুট থাকে, নিজের কাছে এ-ই প্রত্যাশা।

ভালো কাটুক সময়।

৮৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৫১
কলম.বিডি বলেছেন: কিভাবে লিখেন এমন? আপনি কোথায় পড়েছেন? অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।পিওর ম্যাথ খুব ভয় পাই,আবার শ্রদ্ধাও লাগে...আব্বুর মত...
৩১ শে অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। মন্তব্যে গভীর সম্মানিত বোধ করছি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমার পড়াশোনা বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আপনার বাবাকে আমার সালাম দিবেন। প্রিয় মানুষদের নিয়ে সুখে শান্তিতে কাটুক জীবন আপনার।

৮৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৫
?জকির! বলেছেন: একবার পড়ছি। কম পক্ষে আরো দুই বার পড়বো। শেষ মুহুর্তে এসে গা শিরশির করে উঠল। কঠিন বাস্তবতা হয়তো।
ধন্যবাদ আমাদের কাহীনিটি জানানোর জন্য।
২১ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। পড়া ও মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ। আমার ব্লগে আনন্দময় হোক ভ্রমণ আপনার।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭২২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রাচীন সভ্যতা, পুরাণ, সংখ্যাতত্ত্ব, শব্দের ইতিহাস ভালো লাগা একজন মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই