somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কৈয়ের তেলে কৈ ভাজবে ভারত

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সড়ক, বন্দর ও রেল খাতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ভারত বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার যে চুক্তি করেছে তা একটি অসামঞ্জস্য, অসম এবং আগ্রাসী চুক্তি। বাংলাদেশের বিকাশমান রপ্তানি শিল্পকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং তুলনামূলক দুর্বল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশে করিডোর স্থাপন করে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শোষণের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যই কড়া শর্ত দিয়ে এ ঋণ দিচ্ছে ভারত। দেশের অনেক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ভারতের এই ঋণ চুক্তিকে কৈয়ের তেলে কৈ ভাজার মতো ঘটনা বলে অভিহিত করছেন। তাদের বক্তব্য, ভারত কৌশলে ঋণ বিক্রি করেছে। ভারত এই ঋণ চুক্তিতে একতরফা লাভবান হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময়ের বাংলাদেশের প্রচলিত দাদন ব্যবসার মতোই হয়েছে এ চুক্তি।
জানা গেছে, ভারত বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার বা ৭ হাজার কোটি টাকার যে ঋণ দেবে, তার পুরোটাই ভারতে চলে যাবে। বাংলাদেশের থাকবে শুধু অবকাঠামো ও শ্রমিকের জন্য কিছু বেতন। তবে ওই অবকাঠামোও ব্যবহার করবে ভারত। কিন্ত এই খাত থেকে বাংলাদেশের কী পরিমাণ টোল আদায় হবে, তার কোনো উল্লেখ চুক্তিতে নেই।
সরকারের একাধিক সূত্র জানায়, এই ঋণে বাংলাদেশের কোনো লাভ হবে না। উল্টো চুক্তির টাকার ফলে ভারত বাংলাদেশে ক্যাপটিভ মার্কেট সুবিধা পাবে। এতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে আমদানিকৃত পণ্যের প্রতিযোগিতা না থাকায় নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া এই টাকায় যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে তার পরামর্শক থাকবে ভারতের প্রতিনিধিরা। আর এই খাতে ব্যয় হবে এক কোটি ডলার। সাধারণত পরামর্শক ব্যয় মোট প্রকল্প ব্যয়ের ১ শতাংশ হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারতের ঋণ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশে সড়ক, রেল এবং বন্দরসহ ১৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যেসব সামগ্রী ব্যবহার করা হবে, তার পুরোটাই ভারত থেকে আমদানি করতে হবে। আমদানিকৃত কাঁচামালের জন্য ব্যয় হবে মোট ঋণের ৯০ শতাংশ। ফলে ঋণের ১০০ কোটি ডলারের ৯১ শতাংশই এ দুই খাতে ভারতে চলে যাবে। শুধু তাই নয়, এই ডলারের ওপর বাংলাদেশকে প্রতি বছর চক্রবৃদ্ধি হারে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। এ হিসাবে বাংলাদেশকে প্রথম বছরেই ভারতকে সুদ বাবদ দিতে হবে ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এছাড়া চুক্তি অনুযায়ী ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে এই ঋণ শোধ করতে হবে। আর ঋণ পরিশোধ করতে দেরি হলে বাংলাদেশকে জরিমানাও গুনতে হবে। এ ধরনের শর্ত দাতা সংস্থা থেকে নেয়া ঋণে না থাকলেও ভারতের সরকারি এক্সিম ব্যাংক থেকেও তা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ঋণের কমিটমেন্ট ফি (সুদের পাশাপাশি ঋণের জন্য দেয়া বাড়তি অর্থ) ধরা হয়েছে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ (অর্থাৎ ২৫ লাখ ডলার)। ঋণের আওতায় প্রকল্পের চুক্তি অনুমোদনের এক বছর পর থেকে অব্যবহৃত ঋণের জন্য এ হার ধরা হবে।
১০০ কোটি ডলারের ওপর বাংলাদেশকে যে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে, তা সার্ভিস চার্জসহ প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে। ফলে ১০০ কোটি ডলারের পুরোটাই আবার ভারতে ফিরে যাবে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি অনুযায়ী ঋণের অধীনে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পের জন্য উপকরণ, মালামাল এবং পরামর্শকসেবা ভারত থেকে সংগ্রহ করা হলে ঋণদাতা, সামগ্রী ও সেবা বিক্রেতা একই হাতে, অর্থাৎ ভারতের হাতে থাকবে। সে হিসেবে খোলা দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজার থেকে এসব পণ্য ও সেবাসামগ্রী সংগ্রহের সুযোগ পা”েছ না বাংলাদেশ। ফলে ভারতীয় সরবরাহকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খেয়ালখুশি দাম নেবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের কয়েকজন সচিব যায়যায়দিনকে জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে পুরো কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি করতে গিয়ে ৯০ শতাংশ এবং পরামর্শক ব্যয় ১ শতাংশসহ ৯১ শতাংশ টাকাই ভারতে চলে যাবে। বাকি ৯ শতাংশ থেকে বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করতে হবে। কিন্তু সুদ দিতে হবে পুরো ১০০ শতাংশেরই। ঋণের মাধ্যমে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, সেসব প্রকল্পের আয় থেকে ঋণের সুদ, আসল ও কমিটমেন্ট ফি পরিশোধ করা আদৌ সম্ভব হবে কি না, সেটি এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরো জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারত থেকে যেসব কাঁচামাল আমদানি করা হবে, তা বাংলাদেশেও উৎপাদন হয়। এসব পণ্য দেশীয়ভাবে সংগ্রহ করা হলে ওইসব শিল্প প্রতিষ্ঠান লাভবান হতো। দেশীয় শিল্পের চাহিদাও বাড়ত। এখন ভারত থেকে এসব পণ্য আমদানি করা হলে ওইসব শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে। আর ভারতীয় শিল্পগুলো বাংলাদেশে ক্যাপটিভ মার্কেট সুবিধা পাবে। এতে ভারতীয় পণ্য দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করবে। তাতে দেশীয় শিল্প ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এ ঋণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য হাসিলই এ ব্যাংকের টার্গেট। ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ১০০ কোটি ডলারের যে ঋণচুক্তিটি করেছে, তাতে এক্সিম ব্যাংক তথা ভারতের এ দুটি লক্ষ্যই ষোলআনা অর্জিত হয়েছে। ভারত তার জাতীয় স্বার্থে যথাসাধ্য করবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রকে ভারত কিংবা অন্য যে কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে লেনদেন বা চুক্তি করতে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকেই প্রাধান্য দিতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো ব্যত্যয় বা শৈথিল্য জাতীয় স্বার্থ বিসর্জনেরই সমতুল্য।
এদিকে ভারত ট্রানজিট সুবিধার মাধ্যমে বাংলাদেশের সড়ক, রেল এবং বন্দর ব্যবহার করবে, তা যৌথ ইশতেহারে উল্লেখ করা হলেও বাংলাদেশ এ খাতগুলো থেকে কী পরিমাণ সার্ভিস চার্জ পাবে, তার কোনো উল্লেখ নেই। এমনকি এসব খাতে ভারতীয় পরিবহন থেকে কী হারে টোল আদায় করা হবে, তা-ও বলা হয়নি। মোট কথা, যৌথ ইশতেহারে বাংলাদেশের লাভ কতটা হবে, তা নিশ্চিত না হলেও ভারত তার পুরোপুরি লাভ বুঝে নিয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপন। ওই রাজ্যগুলোকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত করাও ভারতের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা। সে জন্য সড়ক বা রেলপথে যেসব অবকাঠামো দরকার, বাংলাদেশের তা নেই। তাই ঋণের টাকায় ভারত এসব অবকাঠামো কমিয়ে নেবে। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রীরা বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের মালামাল পরিবহন বা ট্রানজিট ফি থেকে যে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয়ের হিসাব কষছেন, তা দিবাস্বপ্নও হতে পারে।
অর্থনীতিবিদ ও সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান এ ব্যাপারে বলেছেন, এ চুক্তিতে ভারতের লাভের পাল্লাই ভারি। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশেরও লাভ হবে। তবে কী কী বিষয়ে বাংলাদেশের লাভ হবে, তা না বললেও তিনি বলেছেন, যেসব বিষয়ে বাংলাদেশের লাভ হবে না, সেসব বিষয় যাতে বাংলাদেশের পক্ষে আসে, সে জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। আলোচনার মাধ্যমেই বাংলাদেশের পক্ষে সুবিধা আদায় করে নিতে হবে।
এসব বিষয়ে অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তির ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই। এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যও তার কাছে নেই। একই কথা বলেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারাও। তারা বলেছেন, এ সংক্রান্ত কোনো চিঠিপত্র তাদের দেয়া হয়নি। চুক্তির কপিও তাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে তারা এখনো অন্ধকারেই আছেন।
প্রসঙ্গত, ঋণের অর্থ দিয়ে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে তা হচ্ছে পানিসম্পদ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য ছয়টি ড্রেজার ক্রয়, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নৌবন্দর স্থাপন, বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ১২৫টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ, জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য ৬০টি ট্যাংক ওয়াগন ও দুটি ব্রেকভ্যান সংগ্রহ এবং কনটেইনার পরিবহনের জন্য ৫০টি মিটারগেজ ফ্ল্যাট ওয়াগন ও পাঁচটি ব্রেকভ্যান সংগ্রহ, রেলওয়ে অ্যাপ্রোচসহ দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস সেতুর নির্মাণ, বিআরটিসির জন্য ৩০০টি ডাবল-ডেকার এসি/নন-এসি বাস ও ৫০টি আর্টিকুলেটেড বাস সংগ্রহ, সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া-সেনারবাড়ী স্থলবন্দর সড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্প, জুরাইন রেলক্রসিংয়ের ওভারপাস ও মালিবাগ রেলক্রসিংয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প, রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের বহরমপুরের মধ্যে ৪০০ কেভি গ্রিড আন্তঃসংযোগ প্রতিষ্ঠা এবং বিএসটিআইর চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে বিআরটিসির জন্য বাস এবং রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং বিএসটিআইর মানোন্নয়ন ছাড়া বাকি প্রকল্পগুলোর প্রায় সবই বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের করিডোর সুবিধা ব্যবহারের জন্যই করা হেচ্ছ।

Click This Link
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×