কিছুদিন আগে একটি পোস্ট আমার দৃষ্টি আকর্ষন করে- পোস্ট টি ছিল প্রধান উপদেষ্টা ও জেনারেল মইন ইউ অহমদ এর বিরুদ্ধে হেগে মামলা হয়েছে।
তাই কিছু তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করছি।যারা এই কাজটি করছিল তারা মূলত খুব উচ্চ শিত কেউ।শিক্ষক শিক্ষিকা আর অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা কোঠাধিকারী এবং অবশ্যই মানসিক রোগী।যারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভ্রান্ত ধারনা পোষন করে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের শরীক ভেবে নিজেদের মুক্তি যোদ্ধা হিসেবে শোনায় আর আইন বিকৃত করে নিজেদের ক্ষমতা সর্ম্পকে ভুল ধারনা পোষন করে ও নানাবিধ অপরাধ করে।আর মুক্তিযুদ্ধকে দেখিয়ে তারা খুন,ডাকাতি,বেআইনী কাজ ও স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধ করে।এরা বেআইনী বা আইনী অস্ত্রধারী।একই সাথে এরা কমিনিস্ট কমরেড বা সর্বহারা।এরা অন্যের নাচ নাচে।আর Disassociative identity disorder Er রোগীদের মত অপরাধ ঘটায়।এরা সেই দল যারা দূর্নীতিবাজ নেতা কর্মীদের ভালবাসে তাদের মত শকুনদের আবার লাশ খেতে দিতে চায়।রাজশাহীর বিষয়টি আলোচনা করলে পরিষ্কার ভাবে বোঝা যাবে।
রাজশাহীতে কমিনিস্টদেওরদাপট লক্ষ করা গেছে।কতিপয় দুষ্কৃতকারী কমিনিস্ট শিক্ষক ডীনদা নামে পরিচিত এমন ব্যক্তি দিয়ে নানা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে।দেখলে হিন্দি ছবির চেয়ে কিছুটা জটিল মনে হয়।এরা নিজেরা কিছু নয় বা সেরকম যোগ্যতা নেই,তথাপি অন্যের যোগ্যতার সুযোগ নিয়ে চুরি ডাকাতি করে খায়।শুধু তায় নয় কমিনিস্ট আদালত বসিয়ে চাঁদাবাজি,পার্সেল কুরিয়ার ডাকাতি সহ নানাবিধ অপরাধ করে থাকে।এছাড়া ভিকটিম দের নেংটা করে ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইলিং করে ,ও মাসে মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।আর কোন টিভি চেনেলের চিঠি হলে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সেগুলো ডাকাতি করে।আমরা শিক্ষক সুতরাং আমার আগে কিভাবে পাবা।জান তোমার ছাত্রত্ব বাতিল করতে পারি।এসকল হুমকি প্রদান ও ক্ষতি করে তারা ডাকাতি করে।তারা একই ভাবে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।এরাই ডাকাতি করা জিনিস নিয়ে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় সমৃদ্ধ করেছে।বিভিন্ন সংগঠন তৈরী করে তারাই ডাকাতি করেছে।এছাড়া মানসিক রোগী বলে অপমান করে ,তারাপর খুন করার চক্রান্ত করে খুন করে।হয়ত ঘুঁষ দেয় বা আত্নহত্যা বলে জানায়।বা পরিবারের নেংটা ছবি তুলে ব্ল্যকমেইলিং করে খুনের ঘটনা চাপা দিয়ে রাখে।এছাড়া হুমকি প্রদান পূর্বক মোটিভ চেঞ্জ বা ব্রেইন ওয়াশ করে। বা বীতরাগ সাপেক্ষীকরনের নামে ডাকাতি করে।যে পাঠিয়েছে তাকে কমিনিস্ট স্টাইলে আদালত বসিয়ে ডাকাতি করা চিঠি ও আইন প্রদর্শন করে হুমকি প্রদর্শন করে।নেংটা ছবি তুলে বা ধর্ষন করিয়ে ছবি তুলে হুমকি দেয়।এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেআইনী আইন দেখায় ও কিছু কর্মচারী ও ছাতৃ ছাত্রী অবশ্যই জড়িত থাকে।এক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বুড়াবুড়ি কমিনিস্ট কমরেড গুলা।এছাড়া চিঠি চুরি করে অপহরণ,মোবাইলে পেয়েছি বলে বা চিঠির ঠিকানা মারফত চিঠি পাঠিয়ে অপহরনের কাজ তারাই করে থাকে।একইভাবে জাল সার্টিফিকেট ,জাল পরিচয়পত্র,জাল টিটিএম,মানি অর্ডারের কাগজ ,প্যাড তৈরী করে থাকে।একইভাবে ভুঁয়া সীমরীম তৈরীর কোম্পানীও তাদের আছে বলেই আমার বিশ্বাস।এদেরই কোন গ্রুপ সন্ত্রাসী কাজে অর্থের যোগান দেয়।ও একটি কথা কিছু পুলিশ বিডি আর সদস্যও জড়িত আছে।তাই সদা সাবধান।উন্নত নীতি গ্রহন খুবই জরুরী।
উল্লেখ্য যে আমি স্কুলে অদ্যয়ন রত অবস্থায় বি.এন.সি.সি করতাম।আমি ছিলাম ১৯৯৯-২০০০ এর ব্যাচ।সেখানে আমি রাজশাহী জেলার সি. ইউ. ও. হয়েছিলাম।এছাড়া স্কুলে আমাকে পিটি করাতে হত।সে সময় স্কুলের অনেক গ্রুপের সাথে আমার গন্ডগোল হয়।কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কর্মচারী মনিরার মেয়ে একবার পিটি তে আসতে দেরী করেপানিসমেন্টের স্বীকার হয়।এ অবস্থায় সে উলঙ্গ হয়ে অপমান করার চেষ্টা করে। এছাড়া বিকেলে সশস্ত্র পেরেড করার সময় এস ঝগড়া করে ,অপমানিত করে,এমনকি একজন রিভলভার তুলে হুমকি দেয়।এমতাবস্থায় কয়েকজন কেডেট তাদের পিটুনি দেয়ও ধরে ফেলে।এভাবে তারা শত্রুতা শুরু করে।এছাড়া বহু প্রতিযোগীতায় আমি ওই টিচারের গুষ্টিকে হারায়।এছাড়া আমি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান,অশ্লীলতা বিরোধীতা,ট্রাফিক সপ্তাহ পালনসহ বহুবিধ অপরাধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি।এতে আমার শত্রু সংখ্যা ভেতরে ও বাহিরে বৃদ্ধি পায়।এর ফলশ্রুতিতে কেডেট থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসী ভাড়া করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।এর ফলে স্কুলে বিচার বসে ঐ টিচারের গুষ্টির অনেকে টিসি পায়।এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ভাবে নম্বর কম দিয়ে অপমানিত ও আমার ভবিষ্যতের ক্ষতি করে।এছাড়াও মোটিভ পরিবর্তন বা ব্রেইন ওয়াস এর নামে হত্যা চেষ্টা করা হয়।কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনার চেষ্টা করলেও আমাকে পাগল ,মানসিক রোগী বলে হিন্দি সিনেমার স্টাইলে উড়িয়ে দেয়া হয়।এমনকি পুলিশ এসব টিচারদেও এরেস্ট করতে শিখেনি।মানে তারা এমন সন্ত্রাসী যে তাদের বিরুদ্ধে করার কিছু নেই।আবার করলে আমার ভবিষ্যতের ক্ষতি।একইভাবে কুরিয়ার কমিনিস্ট আদালত বসিয়ে ডাকাতি করে থাকে।সাধারন আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন পূর্বক ডাকাতি হয়।এখন আমি না হয় বি.এন.সি.সি তে নেই।কিন্তু সেই সময় যে কাজগুলো করেছিলাম সে গুলো কে সমাপ্ত করবে?সে গুলো কোর্স করার জন্য আমাকে কে নিরাপত্তা দেবে তার জবাব দেবেন কী?আমার কেডেট নম্বর ছিল ৯৮৪৫০১১০,পদবী ছিল C.U.O
তাই আমি ও আমরা তাদের নিধন কামনা করি।তাদের যুদ্ধের পরিসমাপ্তি দেখতে চায়।তাদের যত্রতত্র গুলি করে নিহত দেখতে চায়।তারা আরও আধুনিক কায়দায় যুদ্ধ শুরুর আগে প্রধান উপদেষ্টা তাদের নির্মূল করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন বলে আশা রাখি।সাথে সাথে সেনা প্রধানের সহযোগীতা কামনা করি।এদেশ যেন আসাম,শ্রীলঙ্কা,বা নেপাল না হয়।
দলে দলে শ্লোগান তুলি-
কমিনিস্টবাদ নিপাত যাক
ডীন দা নিপাত যাক।
চুরি ডাকাতি নিপাত যাক।
সুইজারল্যান্ডের হেগ এর আর্ন্তজাতিক আদালতে প্রধান উপদেষ্টা ও জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৯টি মন্তব্য ২টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?
কর্মসংস্থান? না।
বিনিয়োগ? না।
ডলার সংকট? না।
গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।
ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।