প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির প্রতি অনুরোধ- দ্রব্য মূল্য কমান জীবন বাঁচান
আমরা মানব প্রজাতি।তাই মানুষের বিবেক গঠন ও নিয়ন্ত্রন করার জন্য অনেক চল কাজ করছে।সকলের সবকিছু বুঝার ও সফলভাবে মেনে চলার জন্য সকলের বুদ্ধি আছে।এর পিছে কাজ করে সাপেক্ষীকরন।হতে পারে তা কথার বা অভিজ্ঞতার।তাই এ সকল কিছু নিয়ন্ত্রন করা যায়।তবে বোকার মত দ্রব্যমূল্য কমানোর ও কোন মানে হয়না।এ জন্য উৎপাদন খরচ থেকে সকল পর্যায়ের দাম কমানো যায়।এই রাষ্ট্র স্বয়ং সম্পূর্ণভাবে যেসব জিনিস উৎপাদন করে সেগুলোর দাম অবশ্যই কমানো উচিত।মৌলিক জিনিসের যেমন সার,বীজ,পশুখাদ্য,তৈল,গ্যাস ,কয়লা প্রভৃতি।এগুলোতে উৎপাদন খরচ কমবে।আর এগুলো তৈরী করতে ধৈর্য,স্বয়ংসম্পূর্ণতা ,নিয়ন্ত্রন প্রয়োজন বৈকী।এরপর আসে বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রন।প্রতিটি কৃষক বছরে কতটাকা লাভ করলে স্বচ্ছন্দে মৌলিক অধিকার নিয়ে চলতে পারবে তার হিসেব করতে হবে।বাজার রেট নির্দিষ্ট করে সেই পরিমান লাভ দিতে হবে।কেউ ঠকালে আইনানুগ ব্যবস্থা আবার দ্রব্যমূল্য ভঙ্গ করলে কৃষকের প্রতি দন্ডনীয় ব্যবস্থা থাকবে।আর পাশাপাশি সকল সরকারি কর্মচারি আর একটি ডিউটি পালন করবে তা হল সকল পর্যায়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কিনা তা দেখবে।তবে তারা সকলেই ব্যবস্থা নিতে পারবেনা। কতৃপক্ষকে অবহিত করার পর তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবে।শ্রেণী হিসেবে তুচ্ছ করার কিছু নেই।তারাও ফলন বাড়িয়ে অধিক লাভজনক হবে।এছাড়া কোন উৎপাদন খরচ বাড়লে তাখন সেই দ্রব্যের দামও বড়ানো হবে,তবে সেই পরিমান।আর ভর্তুকির টাকা দিয়ে স্বয়ং সম্পূর্ণভাবে উৎপাদন করতে হবে।সকলকে সৌরশক্তিতে বিদ্যুত উৎপাদন করতে দিতে হবে।এছাড়া প্রত্যেক বাড়িকে আধুনি ফার্ম হাউস তৈরী করতে প্রশিক্ষন দিতে হবে।নিচের কবিতায় উল্লেখিত শিশুগুলোর কথা ভাবুন।
ভিক্ষা মিছাই
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
রাস্তা পারের ছোট্ট শিশু
কাঁদছে যেন ছোট্ট দুখু!
দেখি তো আজ কাছে গিয়ে
পড়েছে কী পেটে কিছু?
বলল কেঁদে- সেই দুখু
ধুরতরি ছাই কিছুই যে নাই,
পিঠ দেখিয়ে কাঁদছি নিতাই!
মোর পেটে দুই কিছুই যে নাই।
তুলে দিলাম পাঁচটি টাকা,
বলল, ভিক্ষা দিচ্ছ মিছাই
আমি কী তবে ভিক্ষুক তাই!
চাইনে তোমার কোন কিছুই।
তুলে নিলাম কোলের পরে
চল তবে বন্ধু তুমি,
নিলাম তোমার ইন্টারভিউ;
দিলাম তোমায় খাইয়ে তবে,
দেখে নিও ইন্টারভিউ।
বিনিময় ইন্টারভিউ
ক্ষুধার্তের ভাগ্য
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
রাস্তাপারের শিশুগুলো
রাতদিন পর খেটে মরে,
ছেঁড়া তালি সব কাপড় পরে
ক্ষুধার্ত দুই চাওনি মেলে।
দূর্নীতি বাজ চক্ষু বুজে
দিচ্ছে কিছু তুচ্ছ বলে ,
অনেক অনেক দামী কারে
যাচ্ছে তারা বেজায় ভারে।
তুলছে দুদক অনেক কিছু
সরকারের বাজেয়াপ্ত করে,
যাচ্ছে কী তবে রাস্তাপারে
ক্ষুধার্ত সব অনেক কিছু।
আশা করি আসবে সুদিন
পাবে তারা অনেক কিছু,
নিরাপদ এক বাসস্থানে
খেলনা পড়ায় অনেক কিছু।
মূল্যের ঊর্ধ্বগতি
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়াঃ
থামছেনা যে আর,
কিনবে মানুষ কী করে আজ!
সবারই মুখ বেজার।
বাজানরে আর কী খামু মোরা?
ভিক্ষা করা সই,
আগে লোকমা যাওবা পেতাম
এখন সবই খই।
ভিক্ষা করার শক্তিও নেই,
বলব কথা কী আর!
এই দেখ এই ভিক্ষা দিনের
আছে কী হায় খাবার!
মধ্যবিত্ত দাঁড়িয়ে দেখি
ঐ যে মূল্যের বাজার,
দেখার টেক্স দিতে দিতে-
পকেট ফুরোল আবার।
হায়রে হায়! কী যে হবে?
আমাদের পরিণতি,
যাওবা খেতাম,
ব্যবসায়ী সব,“দিল পেটে লাথি”
বিডিআর বাজার যাও বা দিত,
তাও বা তুলে নিল।
ব্যর্থ তারাও কমাতে সেই
নিরর্থক দ্রব্যমূল্য।
সীমান্তে ওই পাহারা দিয়ে,
কী বা হবে আর?
অস্ত্রশুধু দেশের ভিতর
দ্রব্যমূল্যের বাহার।
শুশীল সমাজ ধনিকগনঃ
ঘাঁকিয়ে গাড়ির বাহার,
টাক চুলকে বলে দিল
কী বা হল তার।
বদমাইশ সব শিক্ষক তায়ঃ
নিচ্ছে কিনে বাজার,
বলছে আবার, এমন কী আর!
দ্রব্যমূল্যেও বাজার।
খেতে তবে কিছু রকম
বেচবে ইজ্জত এবার,
গরিবগুলো দুর্ভিক্ষে তাই
আক্রান্ত হল এবার।
মোবাইলে নেংটা ছবি
দাম বাড়িয়ে দেয়,
অপরাধও বেড়ে চলে
ন কম নির্যাতিতও নয়।
আমি ভুখা কবি,
বলব তবে কী আর?
মিশে গেলাম ভুখার দলে
মিশন দাম কমাবার।
দ্রব্যমূল্য সব স্তরে
কম হলেই বা কী?
সর্বস্তরে দাম কমলে
মানুষ বাঁচবে নী।
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।