আমরা মুসলিম। আমাদের উচিত হল পরিষ্কারভাবে ইসলামের ব্যাপার গুলো জানা।
শব-ই বরাতে আমরা অনেকেই একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে খাকি,যেমন-
১। এই রাত কে ভাগ্য রজনী বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা
২। এই রাত উপলক্ষে হালুয়া-রুটি বানানো টা একটা ট্রেডিশন বানিয়ে ফেলা
৩। আতশবাজি বা বোম ফোটানো
৪। সারারাত নফল ইবাদত করে সকালে ক্লান্ত হয়ে ফজর এর নামাজ না পড়া
-মূলত এই কয়েকটি ব্যাপার-ই মূখ্য।
শব-ই বরাত সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য বা সহিহ হাদিস পাওয়া যায়নি, যা দ্বারা প্রমাণ করা যায় যে এই রাত হলো ভাগ্য রজনী বা এই রাত এ সারারাত নফল ইবাদত করতে হবে। জানামতে কোরআন এও এ ব্যাপারে কোনো বিশেষ কিছু নির্দেশ দেয়া হয়নি। 'শব' কখাটিও আরবি নয়, ফার্সি। 'শবই বরাত' নামটি মানুষ নিজে নামকরণ করেছে, ভাগ্যরজনীর নামকরণ করার জন্য। পরে এটাকে 'লাইলাতুল বরাত' বলেও আখ্যায়িত করা হয়।
শবই বরাত এ বাধ্যতামূলক মনে করে হালুয়া-রুটি বানানো,আতশবাজি বা বোম ফোটানো বা সারারাত নফল ইবাদত করে সকালে ক্লান্ত হয়ে ফজর এর নামাজ না পড়া - এই কাজ গুলোর ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।
নফল ইবাদত প্রতিদিন-ই করা যায়, সবসময়্ই করা যায়। ফরজ এবং নফল এর গুরুত্ব ও পার্থক্য বোঝার ব্যাপারেও আমাদের সচেষ্ট হওয়া উচিত। আমরা নফল ইবাদত করবো,কোরআন তিলাওয়াত করবো, আমল করবো - কিন্তু ফরজ বাদ দিয়ে বা কাযা করে নয়। বরং ফরজ আগে পালন করে তারপর নফল ইবাদত এর দিকে মনোযোগি হবো। নফল ইবাদত এ সওয়াব পাওয়া যায়, তাই আজ রাত এও আমরা ইবাদত করতেই পারি। আশা করি সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন।
আমাদের এটা খেয়াল রাথতে হবে যে আমরা যেনো নফল কে ফরজ এর উপরে স্থান না দিয়ে ফেলি।
সবাই ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন আমার জন্য অবশ্যই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

