সাঈদীর বিরুদ্ধে প্রথম স্বাক্ষীকে জেরা করে প্রথম দুইদিনই অনেক নতুন তথ্য জানা গিয়েছিল আর তার স্বাক্ষ্য যে মিথ্যা ছিল তার পক্ষেও যথেষ্ট প্রমাণ ছিল যেমন তদন্ত কর্মকর্তার ব্রিফকেসে ফটোকপি মেশিন থাকা , সাঈদী বাদে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আর কোন শান্তি কমিটির বা রাজাকার কমিটির চেয়ারম্যান বা সেক্রেটারীর নাম বলতে না পারা যদিও তার দাবী ছিল সে ছিল সম্পূর্ণ পিরোজপুরের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন গোয়েন্দা ! তবে কি তাকে শুধু সাঈদীর বিপক্ষেই গোয়েন্দাগিরীর জন্যই নিযুক্ত করা হয়েছিল ? যদি তাই হয়ে থাকে তবে কেন ২০০৯ এর আগে সাঈদীর বিরুদ্ধে কোন মামলা করেন নি ? আর আজকে তো আরো জটিল তথ্য পাওয়া গেছে এস এস সির নিবন্ধন অনুযায়ি তার জন্মতারিখ ১৯৫৯ অর্থাত্ ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বয়স মাত্র ১২ বছর ছিল ? আমরা জানি এস এস সি এর নিবন্ধনে দুই এক বছরের হেরফের হয় অর্থাত্ সর্বোচ্চ হলেও ৭১ এ তার বয়স ১৪ বছর ! কি মিথ্যাচার ১২_১৪ বছরেই গোয়েন্দাদের সমন্বয়কারী ! তারচেয়েও বড় কথা তার নিজের চরিত্রও কলংকের কালিমায় পূর্ণ ! প্রথম স্ত্রীর যৌতুকবিরোধী মামলায় এখন জামীনে আছেন আর চুরির মামলায়ও হাজতে ছিলেন ! যে ব্যক্তি বৌ এর কাছ থেকে যৌতুক নেয়ার জন্য নির্যাতন করতে পারেন তার পক্ষে অন্য কারো টাকা নিয়ে যে কোন কিছু করাই সম্ভব আর যে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের বয়স নিয়ে মিথ্যাচার করতে পারে তাকে আর যাই বিশ্বাস করুক আমি অন্তত করিনা !
লিংক : পরিচিত একজনের উপস্থিতি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



