তাহরীরের জঙ্গি মাকড়সার জাল
ভদ্রবেশী উগ্র মৌলবাদী সংগঠন হিসেবে পরিচিত হিযবুত তাহরীর গোপনে সারা দেশে মাকড়সার জালের মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তার করে চলেছে। ইসলাম ও আল্লার আইন প্রচারের নামে এই সংগঠনটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ‘দাওয়াতি কর্মসূচির’ আদলে দেশব্যাপী তাদের উগ্র জেহাদি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই সংগঠনটি আরো বেপরোয়া আকারে বিস্তৃতি লাভ করেছে। সম্প্রতি জঙ্গি সন্দেহে রাজশাহী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ ১১ জন হিজবুত তাহরীর সদস্যের গ্রেপ্তার তা-ই প্রমাণ করে। সূত্র মতে, তাদের এই কার্যক্রম জঙ্গিবাদ উস্কে দিচ্ছে এবং জঙ্গি সম্পৃক্ততাও তাদের রয়েছে। জুমার নামাজের পর বিভিন্ন স্থানে হিজবুত তাহরীর মসজিদভিত্তিক গোপন বৈঠকও অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকাসহ সারা দেশের শিক্ষিত তর”ণ-যুবকরা এই সংগঠনটির টার্গেট। ইতিমধ্যে ঢাকা শহরের ১৭টি থানায় তারা প্রায় ৬/৭ হাজার তর”ণ যুবককে মগজ ধোলাই করে হিযবুত তাহরীর সদস্য করেছে। এছাড়া সারা দেশে তাদের সদস্যদের সশস্ত্র ট্রেনিং দিয়ে একটি কর্মী বাহিনী গড়ে তুলছে। যে কোনো সময় তারা ভয়ঙ্কর কোনো ঘটনা ঘটাতে পারে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গেও তাদের যোগসাজশ রয়েছে। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ ব্রিটেন, ইউরোপের দেশসমূহে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী তাদের অর্থের জোগানদাতা। ভোরের কাগজের অনুসন্ধান ও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ওপরে ইসলাম প্রচার করার কথা বললেও হিযবুত তাহরীর-এর মূল উদ্দেশ্য যে কোনো মূল্যে ইসলামি ও খেলাফতভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।
আর এটি কায়েম করতে গিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুর” করে যে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করতে তারা প্র¯’ত রয়েছে। তাদের বির”দ্ধে বিভিন্ন জঙ্গি তৎপরতায় মদদদানেরও অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভদ্রবেশী আচরণের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ সব কর্মকাণ্ড। দেশব্যাপী তাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে এই নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজ চলছে। আর এজন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিজবুত তাহরীর-এর ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রমুক্তিকে। গত বছরের মার্চ মাসে রাতে মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে গোপন বৈঠকের সময় পুলিশের হাতে ছাত্রমুক্তির ২২ সদস্য ধরা পড়ার পর হিজবুত তাহরীর-এর গোপন তৎপরতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়। কিš’ তাদের ক্ষমতার দাপট এতোই যে, তাদের বির”দ্ধে জর”রি বিধিমালা ভঙ্গের কারণে মামলা হলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় তারা সবাই জামিনে মুক্তি পায়। এখানেই তারা থেমে নেই। জর”রি অবস্থার মধ্যেও গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রথম আলোর রম্য ম্যাগাজিন আলপিনে মহানবীর (সাঃ) কার্টুনের প্রতিবাদে প্রকাশ্যে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে। এ বছরের ১৪ ফেব্র”য়ারি হিযবুত তাহরীর-এর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে তারা বিক্ষোভ-সমাবেশ করে ডেনমার্কের একটি পত্রিকায় মহানবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ)-এর কার্টুন ছাপানোর প্রতিবাদে ডেনমার্কের সঙ্গে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন ও বাংলাদেশে ডেনমার্ক দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানায়।
এর দুদিন আগে গত ১২ ফেব্র”য়ারি প্রেসক্লাবে হিযবুত তাহরীর আয়োজিত সেমিনার করে বক্তারা বাংলাদেশ সরকারকে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরাকিদের মতো মার্কিনিদের আজ্ঞাবহ পুুতুল বলে অভিহিত করে সরকারের কড়া সমালোচনা করে। সর্বশেষ গত ১৮ সেপ্টেম্বর জঙ্গী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রাজশাহী নগরীরর মনি চত্ত্বরে সিটি প্রেসক্লাবের নীচ থেকে হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশের শীর্ষ তিন নেতাসহ ১১ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক ড. সৈয়দ গোলাম মওলা ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মামুনুর রশীদ আনসারী রয়েছেন। বাকীরা সবাই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে উগ্রবাদী জঙ্গী সংগঠন হিজবুত তাহরীর যে তাদের জঙ্গীবাদের ভয়াল থাবা বিস্তার করতে চলেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
সূত্র মতে, হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে গোপনে কাজ করার পর ইসলামের নাম নিয়ে ভদ্রবেশী ধর্মভিত্তিক সংগঠনের রূপ ধারণ করে প্রথমে ২০০১ সালে প্রকাশ্যে তাদের কার্যক্রম শুর” করে। এরপর ইসলামকে ব্যবহার করে তারা মানুষকে দুর্বল করে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করে। ইসলামের কথা বলে ধীরে ধীরে জেহাদী ভাবধারা নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রমের দিকে তাদের সদস্য বাহিনীকে অগ্রসর করা হয়। আফগান যুদ্ধসহ বিভিন্ন যুদ্ধের ভিডিও, ইসলাম সম্পর্কিত যুদ্ধের বয়ানসহ বিভিন্ন কৌশলে তাদের মগজ ধোলাই করা হয়। শিক্ষিত তর”ণরাই তাদের প্রথম টার্গেট। এজন্য গড়ে তোলা হয়েছে ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রমুক্তি আন্দোলন। এই সংগঠনের সদস্যরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তর”ণদের টার্গেট করে ইসলাম ও আল্লাহর কথা বলে তাদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে র”মে র”মে গিয়ে তারা ছাত্রদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ভদ্রবেশী চেহারা নিয়ে প্রথমে তারা বিনীতভাবে শিক্ষার্থীদের কাছে ইসলাম ও আল্লাহর কথা বলে জায়গা করে নেয়। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল ছাড়া প্রায়ই হিজবুত তাহরীর সদস্যরা গোপনে বিভিন্ন জায়গায় একত্রিত হয়ে তাদের কাজের মূল্যায়ন করে। এছাড়া তারা বিভিন্ন যুদ্ধের সিডি দেখে রণকৌশল আয়ত্ত করে। ২০০১ সালে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ তাদের প্রকাশ্য কার্যক্রম শুর” করলেও মাত্র ৭ বছরের ব্যবধানে তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সময় তাদের বির”দ্ধে জঙ্গি তৎপরতায় মদদ দেওয়ার ও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।
অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায়, জেএমবি, জেএমজেবি, শাহাদাত-ই-আল হিকমা, হরকাতুল জিহাদসহ বিভিন্ন জঙ্গি মৌলবাদী সংগঠন প্রথম দিকে হিযুবুত তাহরীর স্টাইলে আবির্ভূত হলেও পরে তাদের আসল চেহারা ধরা পড়ে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, হিযবুত তাহরীরও যে একসময় জঙ্গিবাদের সঙ্গে পুরোপুরি নিজেদের সম্পৃক্ত করবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়, বরং তারা সে লক্ষ্যেই এখন এগুচ্ছে। পুরোপুরি শক্তি অর্জন করার পরে ভদ্রবেশী চেহারাগুলোই হয়ে উঠবে ভয়ঙ্কর।
এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিযবুত তাহরীর-এর সঙ্গে জঙ্গি তৎপরতার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশে এই সংগঠনটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময় এই সংগঠনটির বির”দ্ধে জঙ্গি তৎপরতায় মদদদানের অভিযোগ উঠলেও তাদের বির”দ্ধে বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো তাদের কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছে। ১/১১-এর পরে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তাদের ব্যাপারে নীরব রয়েছে। যদিও কয়েকটি অভিযানে এদের বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় জেহাদি জঙ্গি কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে।
গোয়েন্দা সূত্র মতে, ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে ইসরায়েলের জের”সালেমে হিযবুত তাহরীর-এর জন্ম হয়। বাংলাদেশে এই সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-এর অধ্যাপক মহিউদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম সমন্বয়কারী কাজী মোর্শেদুল হক। মাগুরার শালিখা থানার বামনখালী গ্রামের অধিবাসী কাজী মোর্শেদুল হক থাকেন মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়ায়। এ দুজনই বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীর সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন পদে যারা আছেন তারা হলেনÑ রাজনৈতিক উপদেষ্টা শেখ তৌফিক, সিনিয়র উপদেষ্টা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মওলা (সম্প্রতি রাজশাহীতে গ্রেপ্তার হওয়া), সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ রাকিব, প্রচার সম্পাদক মোস্তফা মিনহাজ, সদস্য সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আহম্মেদ জামাল ইকবাল (রাজশাহীতে সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া) এবং মামুন আনছারী ও শাখাওয়াত। এছাড়া জেলা ও থানাভিত্তিক কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে যাদের নাম-পরিচয় জানা গেছে তারা হলেনÑ চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি শেখ রাসেল, মিরপুরে শাকিব, মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ এলাকায় গালিব, সূত্রাপুর, ডেমরা ও লালবাগে রানা দায়িত্বে আছেন।
হিজবুত তাহরীর-এর পক্ষ থেকে অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশে জঙ্গি তৎরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, বরং তারা সব সময় জঙ্গিবাদের বিরোধিতা করে আসছে। এ ব্যাপারে ইতিপূর্বে যোগযোগ করা হলে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী ও মুখপাত্র মহিউদ্দীন আহমেদ ভোরের কাগজকে বলেছিলেন, হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ খিলাফত প্রতিষ্ঠার পথে সশস্ত্র সংগ্রাম, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে কখনো সমর্থন করে না। তাই জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। রাসুল (সাঃ) মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকল্পে কখনোই জঙ্গি পদ্ধতির আশ্রয় নেননি। জামাতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বলেন, এই দলটির সঙ্গে আমাদের পদ্ধতিগত সুস্পষ্ট তফাত রয়েছে। ফান্ড প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কর্মী ও সমর্থকরাই প্রধান অর্থ সরবরাহকারী। বিদেশী কোনো সরকার, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমরা অর্থ সংগ্রহ করি না। জেলা পর্যায়ে কোনো কমিটি নেই বলে মহিউদ্দীন আহমেদ জানান। বিভিন্ন সময়ে জর”রি বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মীয় বিষয়াদিতে কর্মসূচি পালন জর”রি অবস্থায় নিষিদ্ধ কর্মসূচির আওতাবহির্ভূত। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমানুষকে ইসলামি আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
তবে রাজশাহীতে হিজবুত তাহরীর ১১ সদস্য গ্রেপ্তারের পর গত শুক্রবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে মহিউদ্দিন আহমেদ সরকার উৎখাতের কথা স্বীকার করে বলেন, সরকার আমাদের গলা টিপে ধরেছে। আমাদের বির”দ্ধে সরকার উৎখাত আন্দোলনের যে অভিযোগ এনেছে তা সত্য। আমরা সব দালাল সরকারের উৎখাত চাই। খিলাফত রাষ্ট্র চাই। তিনি সমাবেশে আরো বলেন, হিজবুত তাহরীর অবস্থান সবসময় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার বির”দ্ধে থাকবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, হিজবুত তাহরীর-এর নেতাকর্মীদের গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রুুক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তারা জানান, দেশে জর”রি অবস্থার মধ্যেও বিভিন্ন ইস্যুতে একের পর এক কর্মসূচি পালন করাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পেছনে হিযবুত তাহরীর-এর আয়ের উৎস, সদস্য কারা, এর উদ্দেশ্য কী, কাদের সঙ্গে এদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে ইত্যাদি রি”ষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। গত বছর মার্চ মাসে গোপন বৈঠকের সময় ছাত্রমুক্তির যে ২২ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং গত ১৮ সেপ্টেম্বর সরকার বিরোধী লিফলেট বিতরনের সময় রাজশাহী প্রেসক্লাবের নীচ থেকে হিজবুত তাহরীর তিন শীর্ষ নেতাসহ যে ১১ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেু তাদের ব্যাপারেও আবার নতুন করে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানায়। বর্তমানে যেহেতু সরকার কর্তৃক হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি সেহেতু তাদের কার্যক্রমের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থা জোরালো রাখা হয়েছে।
ইহা একটি কপি পেস্ট পোস্ট
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


