আমার প্রিয় পোস্ট
- শাকিরার গান ... গোয়া আমার সত্যবাদী - ঠুকেমারি
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক ও কর্মোপযোগী করা হোক - লেখাজোকা শামীম
- একটি সংযমমূলক ব্লোজবের ইতিকথা (রমাযানুল বি-মোবারক) - অন্যমনস্ক শরৎ
- ক্যাচালের আল-কোরান বিষয়ে সাতটি প্রশ্ন - সুশীল সমাজ
- এইসব ব্যান, আনব্যান, এইসব ভাললাগা। - হ্যারি সেলডন
- টপ নাস্তিক হিসেবে কাকে চান? - সুশীল সমাজ
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- সামহোয়্যার পন্ডিতের পাঠশালায় অস্বস্তিতে আছি! (উৎসর্গ অচেনা বাঙালী, আরিফুর রহমান, তামিম ইরফান, শারফুদ্দিন সহ আরো অনেকরে) - জামাল ভাস্কর
- আরিফুর রহমান , অচেনা বাঙালী , তামিম ইরফান , শারফুদ্দিন , ডিজিটাল বয়াতী সহ সকল ব্যান হওয়া (ড়াজাকার বাদে) সহ ব্লগারদের উৎসর্গ - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
আল্লাহ'র আত্মপ্রেমী বোকা মন - ০২
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১০
আবুল কাশেম
অনুবাদ: অগ্নি অধিরূঢ়
পাঠকগণ নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে, আল্লাহ মোহাম্মদকে পড়ার জন্য বলেননি। আরবী শব্দ কুল (পড়) কোথাও নেই। তাই, আমরা বলতে পারি উপরের বাক্যগুলো আসলে মোহাম্মদ বা অন্য কেউ বলেছে।
আমরা যদি বিশ্বাস করি যে কোরানের লেখক একমাত্র আল্লাহ, তাহলে বলতে হবে আল্লাহর বোকামীর কোন সীমারেখা নাই।
* আল্লাহ নিজে বলেছেন "ইনশাল্লাহ" অর্থাৎ 'যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন'।
সুরা কাহফে আল্লাহ মোহাম্মদকে অচেতন জাতি সম্পর্কে বলেছেন। এর পূর্বে মোহাম্মদ কোন ধর্মীয় কাহিনী জানেন কিনা সে সম্পর্কে ইহুদিরা খোঁজখবর নিয়েছিল। ইহুদিদের বক্তব্য শুনে মোহাম্মদ হতভম্ভ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি উত্তর দেবার জন্য দুই (২) সপ্তাহ সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। আল্লাহ এ বিষয়ে সঠিক প্রতিক্রিয়া দেখাবেন সেটাই তার প্রত্যাশা ছিল। দুই সপ্তাহ চলে গেল। মোহাম্মদ তারপরও কিছু বললেন না। ইহুদি পুরোহিতরা আল্লাহর বুদ্ধির শক্তি বুঝে গেলেন। এই আচরণের ব্যাখ্যা দেয়ার কাহিনী সুরা কাহফ ১৮.২৩-২৪ তে লেখা আছে এভাবে-
মোহাম্মদ আল্লাহকে তার (আল্লাহর) দেরির বিষয়ে অভিযোগ জানালেন। আল্লাহ মোহাম্মদকে মৃদু ভৎর্সনা করে ইহুদী ধর্মযাজকদের সাথে কথা বলার সময় 'ইনশাল্লাহ' শব্দটি ব্যবহার করতে বললেন।
সুরাগুলো এরকম (অনু: হিলালি এবং খান)
১৮.২৩ - এবং কখনো বলবে না 'আমি আগামীকালকে এই এই করবো'।
১৮.২৪ - 'যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন'- এটা বলা বাদ দিয়ে.... ভুলে গেলে তোমার আল্লাহকে স্মরণ করবে এবং বলবে 'হয়তো আল্লাহ আমাকে অপেক্ষাকৃত আরো সত্যের কাছাকাছি নিয়ে যাবে'।
সুরা আল-কালামে (সুরা ৬৮) আল্লাহ এক বাগানের গল্প করেছেন। বাগানের মালিকপক্ষ উচ্চ ফলন হবার অহঙ্কারে ফল তোলার সময় 'ইনশাল্লাহ' বলতে ভুলে গিয়েছিল। পরের দিন তারা বাগানে গিয়ে দেখে সব ধ্বংস হয়ে গেছে।
লাইনগুলো এরকম-
৬৮.১৭ - আমরা কমবেশি চেষ্টা করেছিলাম, আমাদের আগ্রহের কমতি ছিল না। পরদিন যখন তারা ফল তুলতে বাগানে গেল তখন।
৬৮.১৮ - ইনশাল্লাহ (আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন) না বলাতে।
৬৮.১৯ - বাগানে ঢুকেই তারা দেখল তাদের আল্লাহ গতরাতে সবাই ঘুমিয়ে থাকার সুযোগে বাগানে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। ফলে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
৬৮.২০ - ফলে সকালে সমস্ত বাগানটাকে কালো দেখাচ্ছিল। পিচকালো রাত্রির মতো (সবকিছু পুড়ে নষ্ট হবার পর)
অবাক কাণ্ড হল নিচের সুরাতে (অনু: হিলালি এবং খান) আল্লাহ নিজে 'ইনশাল্লাহ' বলেছেন।
৪৮.২৭ - আল্লাহ অবশ্যই আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে স্বচ্ছ করবেন, আমাদেরকে সত্যের সন্ধান দিবেন। যেরকম বাস্তব দৃশ্য মোহাম্মদকে দেখিয়েছেন। (এর মানে হল- মোহাম্মদ একটা স্বপ্ন দেখেছেন, তিনি সঙ্গিসাথীদেরকে নিয়ে মক্কায় ঢুকেছেন। সাথীদের কারো চুল ছোট করে কাটা, কেউ কেউ ন্যাড়া মাথা।) অবশ্যই তুমি আল মসজিদদালহারাম এ নিরাপদে প্রবেশ করতে পারবেন। তোমার সাথীদের কেউ চুল ন্যাড়া করবে, কেউ কেউ চুল ছোট করে কাটবে। কোন ভয় পাবে না। তুমি (মোহাম্মদ) জাননা তা তিনি (আল্লাহ) জানেন। তিনি তোমাকে বিজয়ের খুব কাছাকাছি এনেছেন।
উপরোক্ত লাইনগুলোতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে 'ইনশাল্লাহ' শব্দটি উচ্চারণ করেছেন। আরবী কোরানে ৪৮.২৭ নম্বর সুরাটি দেখুন-
Laqad sadaqa Allahu rasoolahu alrru/ya bialhaqqi latadkhulunna almasjida alharama in shaa Allahu amineena muhalliqeena ruoosakum wamuqassireena la takhafoona faAAalima ma lam taAAlamoo fajaAAala min dooni thalika fathan qareeban. (Note: thebold emphasis is mine)
আল্লাহর এই শিশুতোষ বোকামীকে ঢাকার জন্য সুরার নিচে মওদুদী মন্তব্য করেছেন-এখানে ইনশাল্লাহ (যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন) শব্দটি সম্পর্কে, যা আল্লাহ তার নিজের প্রতিজ্ঞার সাথে উচ্চারণ করেছেন। যা বলতে চাই, তা হল নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে ঘটনাকে অসম্ভাব্য করে তোলার কারণ কি? উত্তর হল: এখানে 'ইনশাল্লাহ' শব্দটি 'আল্লাহ ইচ্ছা করবেন না' এরকম বোঝায় না। তিনি তার প্রতিজ্ঞানে অপূর্ণ রাখবেন না। কিন্তু যে পরিস্থিতিতে তিনি এই কথা বলেছেন তা হল........
(মন্তব্য নং; ৪৮/৪৮ http://www.tafheem.net/main.html)
মওদুদীর মন্তব্য নিয়ে আমি কোন টস করবো না। হয়তো আল্লাহ নিজেও হ্যাঁ অথবা না এ দুয়ের মধ্যে কোনটাকে বেছে নিবেন তা বোঝেননি।
মূল: অগ্নি অধিরূঢ়
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ঘনাদা বলেছেন:
আন্ধাদের জন্য পুনঃ সতর্কবাণী.....' ইহা একটি কপি পেস্ট'।
ঘনাদা বলেছেন:
বিবতর্নবাদী দেখা যায় ওঁত পাইতা থাকে মাইনাচ দেওনের লাইগা! সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন:
মইন
বিবর্তনবাদী
কার্ল মার্কস
মাজেদুল ইসলাম
রাঙা মীয়া
রাইডার
লেখক বলেছেন: বেকুবসত্যি
ছঙ্কছিল
এমাছাগু
বেয়াকুফ বলেছেন:
++
মনজুরুল হক বলেছেন:
++
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
পোস্ট দাতাকে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলতে চাই, এ ধরণের চিন্তার চর্চা ও প্রচারে কী ফায়দা হাসিল হয়, তার ব্যাপারে আমাদের সকলের সতর্ক থাকা দরকার।কমিউনিজম পুঁজিবাদী শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম হলেও পুঁজিবাদীদের রক্ষার স্বার্থেই কিছু ব্যক্তি দেশে দেশে কমিউনিজম মানেই নাস্তিকতা এ ধরণের বেহুদা প্রচার চালিয়ে সমাজে ধর্মাচারী মানুষের সাথে অনর্থক ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে মূল কাজকেই বিপদে ফেলে দিয়েছিল।
মনে রাখতে হবে পুঁজিবাদ শেষ পর্যন্ত ধার্মিক ও কমিউনিস্টদের মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্ধের কারণেই বহাল থাকলেও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের পতন ঘটেছে।
যাই হোক এ ব্যাপারে অনেক কথাই বলা যায়। তবে আপনার পোস্টের সুর থেকে আপনার যে খাসলত টের পাওয়া গেলে তাতে আপনার জন্য করুণাই হচ্ছে। কারণ আপনি যে চেতনার অনুসারী তাও কিন্তু একটি ধর্মতত্ত্ব। সুতরাং নিজেকে তর্কাতীত কোন ব্যাপারে জড়িয়ে হয়তো কিছুটা সুখ পাবেন। ভাবতে পারবেন হয়তো পন্ডিত হিসেবে নিজেকে খুব জাহির করেছেন। কিন্তু হেগেল, মার্কস, কান্ট, দেকার্তসহ বিভিন্ন দার্শনিকের সাথে তাদের কিতাব সূত্রে যে বোঝাপড়া তাতে আপনাকে আমার বোধাই বলে মনে হচ্ছে।
মানসিক বিকৃতিকে কোথাও চালাচালি না করে একটু ঘুমান বহুত ফায়দা হবে।
আমেন।
লেখক বলেছেন: আরেকজনের 'খাসলত' যদি ধর্মতত্ব মনে হয় তাহলে আপনি নিজের জন্যেও একটু করুনা জমা রাইখেন। ধর্ম নামের গাঞ্জায় যারা বুঁদ হয়া থাকে তাদেরকে জেনারেলি সবাই ঐটাই করে থাকে।
ধর্মের অ-প্রয়োজনীয়তার কথা আসলেই কিভাবে যেন কিছু বেকুব 'সমাজতন্ত্র' ইত্যকার গালভরা শব্দ আইনা ঐগুলার পিছনের লুকানের চ্যাষ্টা দেয়। তার উপ্রে মার্কসের কান্ট নিয়া টানাটানি শুরু করলে কে যে আসল 'বোধাই' সেইটা দেতো হাসি সহকারে পাব্লিক ঠাস কৈরা বুইজ্জা ফেলে।
এতো রাইতে ব্লগে বৈসা বিকৃতি পুলিস না সাইজা, যান, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন। তারপর আপ্নের চাইর বউয়ের লগে গিয়া শুইয়া থাকেন। এখন তো আবার শীতকাল!
শিট সুজি বলেছেন:
আমেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















