ব্রিটিশ ইকনমির অবস্থা খারাপ সবাই জানেন। প্রতিদিন আরো বেশি বেশি সাদা ব্রিটিশ বেকার হয়ে যাচ্ছে। এদর কর্ম সংস্থানে ইদানীং হন্যে হয়ে উঠেছে ব্রিটিশ সরকার।
এতোদিন উন্নতি হচ্ছিলো ব্রিটিশ ইকনমি, ফলে সাদারা করতো 'পশ' কাজ, আর গতর খাটা কাজগুলি করতে চালু করেছিলো 'স্টুডেন্ট ভিসা'। সে ভিসায় বাংলাদেশ/পাকিস্তান/ভারত থেকে দলে দলে এসেছিলো আমাদের ছাত্র ভাইয়েরা। গত পনেরটি বছর তারা রক্তজল করা পরিশ্রম করে দেশে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। পড়াশোনাটা হয়ে উঠলেও, তাদের মুল (স্ব-আরোপিত) পরিচয় ছিলো এদেশে 'কামলা'।
ইকনমির অবস্থা খারাপ হচ্ছে, ফলে ঠান্ডা মাথার ব্রিটিশরা এবার আইন বদলে ফেলছে, তাদের এখন ওই গতর খাটার কাজ গুলিও চাই। সেসব কাজ করতো যেসব বাঙালী বা দক্ষিন এশীয় তাদের দেশ থেকে সিস্টেমেটিকেলি বের করে দেবার জন্য মার্চ মাস থেকে তারা আইনে পরিবর্তন আনছে।
এখন থেকে একজন 'স্টুডেন্ট ভিসা'য় অবস্থানকারী যদি ভিসা নবায়ন করতে চায়, তবে তাকে দুটি জিনিস করতে হবে।
১. সে যে সত্যিকারের ছাত্র, তা প্রমান করতে একটা চিঠি আনতে হবে কলেজ থেকে।
২. সে এখানে আগামী এক বছরের থাকা এবং খাওয়ার জমানো পাউন্ড দেখাতে হবে। অথ্যাৎ প্রায় দশ হাজার পাউন্ড জমানেো দেখাতে হবে।
আগে শুধু কলেজ থেকে চিঠি আর স্পন্সরের চিঠি হলেই চলতো।
তবে আমার ভরসা আছে বাঙালীর প্রতি, আমরা জানি কিভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হয়।
বিস্তারিত জানতে: ইউকে বর্ডার এজেন্সী'র সাইটে দেখুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


