মৃত্যু পরম সত্য, সেটা নিয়ে কেউ দ্বিমত করে না। এর পরে কি আছে, বা আদৌ কিছু আছে কি না, সেটা জানার কোন উপায় নেই।
কোন উপায় নেই।
এই ধরনের বিভিন্ন 'অজানা'কে ভিত্তি করেই বিভিন্ন সময় সুযোগসন্ধানী ও কল্পনাপ্রবন ব্যাক্তিগন 'মহাপুরুষ' সেজে বসে গেছেন। এরাই 'গড' বা ইশ্বর ইত্যকার অস্ত্বিত্ব আমদানী করেছেন। দুর্বল মানসিকতার মানুষ এই পাবলিসিটি গলাধকরন করেছেন আনন্দের সাথে।
পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মহাপুরুষ বিভিন্ন ধর্ম 'উদ্ভাবন' করেছেন।
আর এই ধর্ম বিক্রি করে জীবন ধারন করে থাকে কয়েকটি সম্প্রদায়।
= ধর্মভিত্তিক রাজনীতিক
= ধর্মের আচার পালনের জন্য পুরোহিত/মোল্লা/প্রিস্ট
= ধর্মের উসিলায় চ্যারিটি তৈরি করে টাকা উ্ত্তোলন
= ধর্মের নাম ভাঙিয়ে ব্যাবসা।
= ধর্মভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষক/হুজুর
এভাবেই ধর্ম নামের সম্পূর্ন আনপ্রডাক্টিভ একটি বিষয় প্রতিদিন আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে্ আমাদের নানা পদের ভয়/লোভের বেড়াজালে আটকে রেখে।
অনেকেই ধর্মের প্রয়োজন আছে বলেন। বলেন নৈতিকতা ধর্ম হতে উৎসারিত, ধর্মের দার্শনিক প্রয়োজন আছে।
হয়তো একসময়ে দার্শনিক শুন্যতা পুরনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আধুনিক যুগে এর প্রয়োজন কি আদৌ আছে?
কোন সলিড কারন কেউ দেখাতে পারবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


