জাউ ভাত পেটের জন্য খুবই 'নিরাপদ' একটি পথ্য। যাহাদের অল্পেই ছুটিতে শুরু করে উহারা কফি হাতে সকালে লৈপটপের সম্মুখে আসিয়া প্রথমে কিছু সু-পাচিত খাদ্য জাউ ভাতে রূপান্তর করেন। রাতভর কিছু পাপিষ্ঠ প্রায়শই বিবিধ মশলা মিশাইয়া যাহাকিছু গুরুতর পাকাইয়া থাকেন.. উহার গন্ধমাত্র মড্রামের সর্বগাত্র পাক দিয়া উঠিলে তিনি পাচিত ডেগচি ডিস্টিলড্ উটারের মধ্যদিয়া পাস করাইয়া উহাকে জাউভাতে পরিনত করেন। বাধাই হো.. মড্রাম..জি! বাধাই হো!
তবে চিন্তাশীল পাচকগনের একটাই সমস্যা! জাতিশুদ্ধু আচানক জাউভাতে আসক্ত করিবার হীন প্রয়াসের পেছনে কে বা কাহারা সদা সক্রিয়!
আমোরা চক্ষের সম্মুখে প্যাঁচালীর পতন দেখিলাম... ডুবন্ত প্যাঁচার আবাস কি করিয়া জানি এক্টি বিশিষ্ট পত্রিকার ঘাড়ে সওয়ার হইলো...। যা হোক সেই জাউ পল্লীতে কাহারা দিনভর কা কা করেন তাহা সকলেই অবগত আছেন।
পরন্তু, এই ছামোয়ার পল্লী ঠিক কি কারনে আরেকটি জাউ পল্লীতে রূপ নিতেছে উহার সঠিক কার্যকারন আমাদের বাহির করা প্রয়োজন।
আম্রা ভাবিয়াছিলাম কুপমন্ডুকদের পতনের পর উহাদের উপদ্রব কমিবে, আমরা পুনরায় সৃষ্টিশীলতার চর্চায় ফেরৎ যাইবো।
উহার লক্ষন তো দেখিতেছিই না, বরং সকলের প্রতি মড্রামের বিমাতাসূলভ আচরন দেখিয়া মনে সত্যই প্রশ্ন জাগে... 'এই মচ্ছবের পেছনের জটিল ও গুরুতর আসল কারনটি কি?...'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


