আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

ঢাকা শহরের যানজট নিয়ন্ত্রন। ১২টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব, কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন কি?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

ঢাকা যেভাবে অ-পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে তাতে যানজট কমানোটা কঠিন। কিন্তু কিছু কিছু পদক্ষেপ নিলে কিছুটা কমানো যাবে। এখানে আমি ১২ টি পদক্ষেপ এর কথা বলছি, আমি যদিও নগর পরিকল্পনাবিদ নই তবুও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নিরিখে বলছি।

এখনে সময় আছে নাহলে ভবিষ্যতে ঢাকাকে পরিত্যক্ত নগরী হিসাবে ঘোষনা করতে হতে পারে।

১। ছোট - ছোট মিনিবাস তুলে দিয়ে ৫২ সিটের বাস ও দোতলা বাস চালু করা।

২। মুল ঢাকার কিছু অংশে ছুটির দিন ব্যতীত অফিস সময়ে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করলে "কনজেশন চার্জ" আরোপ করা। এটি দৈনিক ভিত্তিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে সবাই পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারে আগ্রহী হবে এবং জটের পরিমান অনেক কমে যাবে।

৩। মুল সড়ক থেকে রিকশা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করা। ট্রাক ও ঠেলাগাড়ি কেবলমাত্র রাত্র ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলাচলের অনুমতি দেয়া।

৪। বর্ধিত ঢাকার সাথে মুল ঢাকাতে চলাচলের জন্য অধিক সংখ্যক বাইপাস সড়ক নির্মান। এর জন্য প্রয়োজনে কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়ে হলেও রাস্তা নির্মানের জন্য জমি অধিগ্রহন করা।

৫। প্রধান প্রধান স্কুল গুলির পার্শ্বের রাস্তাগুলি একমুখী করা এবং স্কুল এর সামনে সকল ধরণের পার্কিং নিষিদ্ধ করা।

৬। রাস্তা গুলিকে দখলমুক্ত করা (বিশেষ করে পুরাতন ঢাকায়)। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্র মুল রাস্তার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হয়।

৭। মিরপুর - যাত্রাবাড়ী, উত্তরা - যাত্রাবাড়ী এবং বসুন্ধরা - যাত্রাবাড়ী, গাবতলী-মোহাম্মদপুর-নিলক্ষেত-যাত্রাবাড়ী এই চারটি রুটে লাইট রেলওয়ে স্থাপন যার স্টপেজ থাকবে প্রতি ১ কি. মি পরপর। সরকার এ ব্যাপারে সঠিক উদ্যোগ নিলে অর্থ সংস্থান বড় সমস্যা নয় এবং অনেক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বানিজ্যিকভাবে এটি পরিচালনা করতে আগ্রহী হবে।

৮। নিজস্ব পার্কিং ছাড়া সকল মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া ও প্রয়োজনে লোন দিয়ে হলেও নিজস্ব পার্কিং স্পেস তৈরী করতে মার্কেট গুলিকে সাহায্য করা।

৯। জনসাধারনকে স্বল্প দূরত্বে যাতায়তের জন্য পায়ে হাটাকে উত্সাহিত করা। এজন্য স্বল্প দূরত্বের বাস/টেক্সী ভাড়া লম্বা দূরত্বের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশী রাখা যেতে পারে।

১০। মুল ঢাকাতে নতুন নতুন অফিস স্পেসের অনুমোদন কমিয়ে দিয়ে ঢাকার বহিরাংশে যেমন উত্তরা, সাভার কিংবা বসুন্ধরা প্রভৃতি অংশে অফিস স্পেস অনুমোদনে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা ও উত্সাহ দেয়া।

১১। রাস্তা নির্মাণ ও সংরক্ষণ বেসরকারী খাতে ছেড়ে দেওয়া। নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান নির্মান পরবর্তী একটি নির্দিষ্ট সময় রাস্তা মেরামতের জন্য দায়ী থাকবে। এক্ষত্রে রাস্তায় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ হবে এবং রাস্তা চলাচল উপযোগী থাকবে ফলে যানজট কম হবে।

১২। ডেসা, ওয়াসা, টি এন্ড টি র মত পাবলিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের ভিতর সমন্বয়সাধন করা যাতে রাস্তা অ-প্রয়োজনীয়ভাবে একের অধিকবার খোড়াখুড়ি করতে না হয়।


আপনারা মতামত জানাবেন আর যদি কেউ থাকেন যার কানেকশান ভালো এবং জায়গামত ব্যাপারগুলি পৌছে দিত পারবেন তাহলে কৃতজ্ঞ থাকবো (অবশ্যই যদি প্রস্তাবগুলি গ্রহণযোগ্য মনে হয়)।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭
ওয়ালী বলেছেন: সচেতনতা সৃষ্টি করতে না পারলে আইন কিংবা প্রস্তাবে কোন উদ্দেশ্য সাধন হওয়া দূরহ।
২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫
মিরাজ বলেছেন: @ ওয়ালী
সচেতনতা অবশ্যই প্রয়োজন কিন্তু এর সাথে সাথে দরকারী কিছু পদক্ষেপ নেয়া দরকার। বর্তমান অবস্থা বজায় রেখে সচেতনাতে পরিস্থিতি উন্নত হবে না।

@ আশিক হাসান
সহমত।
৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৭
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন: রোপওয়ে হলে আরও ভাল হবে ।
৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২
মিরাজ বলেছেন: ঢাকা শহর রোপওয়ের জন্য উপযোগী নয়। আর রোপওয়ে একটি মেগাসিটির জন্য কোন সমাধান নয়।
@ নিপু
৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
আশিক হাসান বলেছেন: এখানে আরও কিছু বিষয় যোগ করা যেতে পারে যেমন
আন্তঃ জেলা সংযোগকারী প্রধান সড়ক বা হাইওয়ে গুলোকে ঢাকার ঙটঞঝকঅজঞ দিয়ে সাব হাইওয়ের মাধ্যমে DIVERT করা গেলে , ঢাকার যানজট অনেকাংশে কমে আসে । আমার জানামতে এশিয়ান হাইওয়ে এমনই একটা প্রজেক্ট ছিল কিন্ত এখনতা অসমাপ্ত রয়ে গেছে সম্ভবত।

আরেকটি বিষয় আমাদের ফ্লাই ওভার গুলো অপরিকল্পিত ভাবে তৈরী হয়েছে।উদাহারনস্বরুপ মহাখালীর ফ্লাইওভার তৈরী হওয়াতে বনানী সন্মুখ থেকে যান চলাচলের চাপ কিছুটা কমলেও ফ্লাইওভারের শেষমাথা মানে সুগন্ধা কার্যালয়ের সামনে তা অসহনীয় যানজটের সমস্যা তৈরি করে
কারন সুগন্ধার রাস্তার আকার এই পরিমান যান ধারনে
সক্ষম নয়। তাই ফ্লাইওভার তৈরী করার সময় এইবিষয় গুলো মাথায় রেখে করতে হবে।এক্ষেত্রে আমার মনে হয় ফ্লাইওভার গুলো একটা মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে তৈরী করে যেতে পারে।নাহলে আমাদের মত গরীব দেশে হবে একদিকে অর্থর অপচয় অন্যদিকে জনগনের চরম দূর্ভোগ ।

সবশেষে আপনাকে ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়কে তুলে ধরার জন্য । ৫

আমার আগের পোস্ট টি মুছে ফেলা হউক,ধন্যবাদ ।
৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৯
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ আশিক হাসান ফ্লাইওভার এর ব্যাপারটিকে গুছিয়ে তুলে ধরার জন্য।

সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া যে কোন কিছুই জনগণের উপকারের বদলে শেষ পর্যন্ত বোঝা হয়ে যায়।

৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৮
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন: ঢাকা শহর রোপওয়ের জন্য খুবই উপযোগী,

গাঁ ঘেষাঘেষি করা দালান গুলো রোপ হুক করার জন্য খুবই সুবিধাজনক

তবে মেগাসিটির যোগাযোগ ব্যাবস্থার জন্য ফ্লাইওভারের বিকল্প নেই ।
৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩০
মিরাজ বলেছেন: ভাই রোপওয়ে কি করে ২ কোটি মানুষের শহরের যানজট নিয়ন্ত্রনের জন্য উপযোগী হয় তা আমার বোধগম্য নয়।

আর রোপওয়ের হুকের কথা বলছেন? ঢাকা শহরের গা ঘেষাঘেষি করা দালানগুলি হবে রোপওয়ের হুক?

লা জওয়াব।
৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
মিরাজ বলেছেন: একটি প্রশ্ন যারা ঢাকা থেকে ব্লগিং করছেন -

যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার এর কাজ কতদূর?

১০. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭
মিরাজ বলেছেন: মিরাজ বলেছেন :
২০০৭-০৯-২৩ ১৯:৩৬:৫৪

একটি প্রশ্ন যারা ঢাকা থেকে ব্লগিং করছেন -
যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার এর কাজ কতদূর?

Repeat

Anyone?
১১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪
আশিক হাসান বলেছেন: আমার বাসা ঐ এলাকাতে, আমি গত মে ছুটিতে বাংলাদেশে গিয়েছিলাম তখন কাজ বন্ধ ছিলো ।পরে শুনেছি ঐ ফ্লাইওভারের টেন্ডারে স্বচ্ছতা ছিলনা ।আর তাছাড়া পরিকল্পনাতেও কিছু অসামন্জস্যতা ছিল ,শেষ খবর যা শুনেছি সেই ফ্লাইওভার এর প্রকল্প বাদ দেয়া হয়েছে আপাতত । ধন্যবাদ ।
১২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৮
সকালে উঠিয়া তিনি মনে মনে বলেছেন: সাইকেল রিকশার সুন্দর বিকল্প হতে পারে। মেয়েরা আমাদের দেশে সাইকেল চালিয়ে রাস্তায় চলতে দেখলে লোকে হা করে তাকিয়ে থাকে। মেয়েদের জন্য লেডিস সাইকেল চালু করতে হবে। ছোট-বড়, আবালবৃদ্ধবণিতা সাইকেল চালানোর অভ্যাস গড়ে তুললে রিকশার অভাব বোধ হবে না।
সাইকেল চালানোর সময় সবাইকে হেলমেট পড়ে থাকতে হবে। সাইকেল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য মোবাইল সাইকেল পুলিশ রাস্তায় নামাতে হবে। স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীরা সাইকেলে করে বাসা থেকে আসা যাওয়া করবে। ধনীর দুলালীদের তখন গাড়ি রাস্তায় নামিয়ে অযথা জ্যাম সৃষ্টি করার দরকার হবে না।
কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন কি?
১৩. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন: ভালো প্রস্তাব।
১৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০২
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ আশিক হাসান আপনার তথ্যের জন্য। খুব আশাহত হলাম। ফ্লাইওভারটা হলে ঢাকা শহরের যানজট কমতো ও বিস্তৃতি শুধু উত্তরার দিকে না হয়ে এদিকেও হতো।

@ সকালে উঠিয়া
আপনি ঠাট্টা করলেন কিনা বুঝতে পারলামনা। এখন কিন্তু শুধু রিকশার জন্য জ্যাম হচ্ছেনা। রাস্তার যান ধারণক্ষমতা একটা বড় কারণ।

সাইকেল চালানোর মত কোন আলাদা লেন ঢাকায় নেই এবং করা সম্ভবও নয়। আলাদা লেন ছাড়া বর্তমান ঢাকায় সাইকেল সমস্যা আরো বাড়াবে, কমাবেনা। এছাড়া নিরাপত্তার ব্যাপারটিতো আছেই। আমাদের বর্তমান অবস্থার ভিতরেই সমাধান খুজতে হবে।

@ঠোটকাটা ব্লগার

ধন্যবাদ

তবে সাইকেল ঢাকার বহিরাংশে রিকশার বিকল্প হতে পারে এবং অন্যান্য মফস্বল শহরে যেখানে যান্ত্রিক গাড়ির পরিমান কম সেখানেও চমত্কার বিকল্প হতে পারে।
১৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৭
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: ৫ এবং একমত। বিশেষ করে ৯ নংটি। বাইরের দেশগুলোতে ছোট দূরত্বের জন্য হাঁটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। আরেকটি ব্যাপার যোগ করতে চাই, তা হল পাবলিক ট্রান্সপোর্টের মান উন্নত করা। অনেক গাড়ী রয়েছে, যা প্রায় ২০ বছরের পুরানো। গাড়ীর কন্ডিশন বিবেচনা করে লাইসেন্সগুলো রিনিউ করা উচিত।কারন এগুলোতে সময়ের অপচয় হয়, তাছাড়া যখন তখন বন্ধ হয়ে যায়।
আপনি অনেক দিন পর লিখলেন,ব্যাপার কি?
১৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৮
এক পশলা বৃষ্টি বলেছেন: ধন্যবাদ গঠনমূলক পোষ্টের জন্য । ৫
১৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৭
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ মোসতফা মনির সৌরভ এবং এক পশলা বৃষ্টি আপনাদের মন্তব্যের জন্য।
@ মোসতফা মনির
আপনার প্রস্তাবের সাথে একমত। এছাড়া আমি যে ৫২ সিটের বা দোতলা গাড়ির কথা বলেছি সেখানে এই সব মিনিবাসের কোন জায়গা নেই। এদের রাস্তা থেকে তুলে দিতে হবে।

আর ভাই আমি বোধ হয় একটু অনিয়মিতই লিখবো।
১৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২১
মিরাজ বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ আলোচনায় অংশ নেবার জন্য।

আশা করি প্রস্তাবগুলি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই