আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫১

শেয়ারঃ
0 3 1

একটি জাতির জন্য তার সৃষ্টি সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস জানাটা দরকারী । মুক্তিযুদ্ধের পর বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলির স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সঠিক ইতিহাস নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে স্পষ্টতই বিভ্রান্তি আছে । পাঠ্যপুস্ত থেকে মিডিয়া সর্বত্রই ইতিহাসের কাটাছেড়া হয়েছে তাই এর মাঝ থেকে সঠিক ইতিহাস তুলে আনা কষ্টকর । মুক্তিযুদ্ধের সমসাময়িক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দলিলপত্র এই সব বিভ্রান্তি থেকে নতুন প্রজন্মসহ সকল বাংলাদেশীকে সঠিক ইতিহাস জানানোর ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারে ।

ইদানীং ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন সে ব্যাপারে অনেক আলোচনা হচ্ছে । কে ছিলেন সর্বাধিনায়ক ? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাকি জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী? আসলে এই ব্যাপারটি নিয়ে অনেকেরই স্বচ্ছ ধারণার অভাব আছে । পাঠ্যপুস্তক থেকেও সঠিক ব্যাপার জানা সম্ভব নয়, এমনকি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব প্রকাশনায়ও এ ব্যাপারে দুই ধরনের কথা আছে । কোথাও বলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন সর্বাধিনায়ক আবার কোথাও বলা হয়েছে জেনারেল ওসমানী ছিলেন সর্বাধিনায়ক । আসুন ইতিহাস খুড়ে দেখি, আসল সত্য কোনটি?

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণার সময় বাংলাদেশে কার্যত কোন সরকার ছিলোনা । বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হলেও এবং তাকে সরকার প্রধান হিসাবে ঘোষণা দেয়া হলেও বাংলাদেশ সরকারের রূপরেখা ১৯৭১ এর ১০ই এপ্রিল পর্যন্ত স্পষ্ট ছিলোনা । ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল ১৯৭০ এর নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় পরিষদের সদস্যরা আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন এবং এই সরকার ১৭ই এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার (যেটিকে পরে মুজিবনগর নামে নামকরণ করা হয়) একটি আমবাগানে শপথ গ্রহণ করেন । ১৭ই এপ্রিল শপথ নিলেও ১০ই এপ্রিল সরকার গঠনের পর সেইদিনই তারা স্বাধানতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করেন । মুল ঘোষণাপত্রটি ছিলো ইংরেজীতে এবং সেটি এই পোষ্টের সাথে সংযুক্ত করেছি ।

এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যা প্রদান করে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ হতে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন বাংলাদেশের এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে ঘোষণা করা হয় । সেই সাথে ঘোষণাপত্রে এটি উল্লেখ করা হয় যে প্রেসিডেন্ট নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের সকল আর্মড ফোর্সেস এর সুপ্রীম কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন । সুপ্রীম কমান্ডার এর সরল বঙ্গানুবাদ হতে পারে "সর্বাধিনায়ক" । মুল ইংরেজী থেকে উদ্ধৃতি ..
"...........We the elected representatives of the people of Bangladesh as honor bound by the mandate given to us by the people of Bangladesh whose will is supreme, duly constituted ourselves into a Constituent Assembly, and
Having held mutual consultations, and
In order to ensure for the people of Bangladesh equality, human dignity and social justice,
Declare and constitute Bangladesh to be sovereign peoples' Republic and thereby confirm the declaration of independence already made by Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and
Do hereby affirm and resolve that till such time as a Constitution is framed, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be the President of the Republic and that Syed Nazrul Islam shall be the Vice-President of the Republic, and
That the President shall be the Supreme Commander of all the Armed Forces of the Republic......

এই ঘোষণাপত্রটিই ছিলো চূড়ান্ত বিজয়লাভের পর বাংলাদেশ সরকার গঠন এবং সংবিধান রচনার আইনী দলিল ।

এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ্য যে তখনো নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের কোন নিয়মিত সেনাবাহিনী ছিলোনা এবং তখনও মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়নি । তখন যেটি ছিলো সেটি হলো পাকিস্তানী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের মুক্তিকামী মানুষের স্বত:স্ফূর্ত প্রতিরোধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা মুক্তিফৌজ। এরপর ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণ করার পর গঠন করা হয় মুক্তিবাহিনী যার কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় কর্ণেল (পরবর্তীতে জেনারেল) আতাউল গণি ওসমানীকে । এখানে উল্লেখ্য যে জেনারেল ওসমানীর ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় বার্মা রণাঙ্গনে ব্রিটিশ বাহিনীর কমান্ডার হিসাবে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা ছিলো ।

১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মুক্তিবাহিনী গঠিত হলেও এর কোন সমন্বিত রূপ ছিলোনা এবং তখনও নিয়মিত বাহিনী হিসাবে মুক্তিবাহিনী সংগঠিত ছিলোনা । সংগঠিত বাহিনী হিসাবে মুক্তিবাহিনী যাত্রা শুরু করে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই । এই দিন অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার মিটিং এ সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে অর্গানাইজড ফর্মে মুক্তিবাহিনী পুনর্গঠন করা হয় । কর্ণেল আতাউল গণি ওসমানীকে কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) হিসাবে বহাল রেখে, লে. কর্ণেল আব্দুর রবকে চীফ অফ আর্মি ষ্টাফ এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে ডেপুটি চীফ অফ আর্মি ষ্টাফ এবং এয়ার ফোর্সের প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় । এ ছাড়া ১১টি সেক্টরের প্রতিটিতে আলাদা করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয় যাদের সবাই কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) কর্ণেল ওসমানীর অধীনে ছিলেন ।

এই হলো প্রকৃত ইতিহাস । এখন মুজিবনগর সরকার যখন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে (যেটি চূড়ান্ত বিজয়লাভের পর বাংলাদেশ সরকার গঠন এবং সংবিধান রচনার আইনী দলিল) বঙ্গবন্ধুকে (রাষ্ট্রপতি হিসাবে) বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্ত সকল আর্মড ফোর্সেস এর সুপ্রীম কমান্ডার (Supreme Commander ) বা সর্বাধিনায়ক হিসাবে ঘোষণা করার পর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সেটি স্পষ্ট । কারণ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিই হলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান আইনী দলিল যা ছিলো সংবিধান এবং সরকার গঠনের মুল ভিত্তি । এখানে উল্লেখ্য যে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে জেলে আটক থাকার কারণে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ভারপ্রাপ্ত সর্বাধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন কেননা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে রাষ্ট্রপতির সর্বাধিনায়ক হবার ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা ছিলো ।

পরবর্তীতে মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) কর্ণেল ওসমানীকে নিয়োগ দেয়ায় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে মুল নেতৃত্বে তিনি থাকায় তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান সেনাপতি (যেটি কমান্ডার-ইন-চীফ এর বঙ্গানুবাদ হতে পারে) বা মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক । এখানে এটা বুঝতে হবে তিনি কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) হলেও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের সকল আর্মড ফোর্সেস এর সুপ্রীম কমান্ডার (Supreme Commander ), এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি, এর আওতাধীন ছিলেন । এ থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বা সুপ্রীম কমান্ডার (Supreme Commander ) ছিলেন নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।

এখন একটা সহজ সত্যকে বুঝতে হবে এর মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর বিন্দুমাত্র অবমুল্যায়ন হয়না । তার যোগ্যতা, নেতৃত্ব গুণাবলীর কারণেই তাকে মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ (Commander-in-chief) হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল এবং সেই যৌবনকালের বার্মা রণাঙ্গনের মত তিনি তার যুদ্ধকৌশল এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে সুচারুভাবে পরিচালনা করেছেন এবং বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে এসেছেন । একটি জাতির জন্মযুদ্ধের একজন রূপকার এবং জাতীয় বীর হিসাবে আজীবন সকল বাংলাদেশী তার অবদানের কথা শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে । যারা তার অবমুল্যায়নের চেষ্টা করে তারা আসলে নিজেদেরই অবমুল্যায়ন করে তাতে জেনারেল ওসমানীর অবদানে একটুকুও আচড় পড়েনা ।

আশা করি এর মাধ্যমে সকল বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে ।

পুনশ্চ : মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বা মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলিতেও এখনো বিভ্রান্তি আছে । সম্প্রতি বিবিসিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া সংক্রান্ত একটি সংবাদে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল (মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রুপ ক্যাপ্টেন) এ কে খন্দকারকে মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক হিসাবে লেখা হয়েছে । লিংক এখানে । যদিও আইডিয়ালী বলা উচিত ছিলো মুক্তিবাহিনীর উপ-সর্বাধিনায়ক । আসলে সরকারকেই উদ্যোগী হয়ে এই জাতীয় বিভ্রান্তি দুর করা উচিত ।

সংযুক্তি : ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গৃহীত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মুল ইংরেজী দলিল ।

দলিলটির ইংরেজী টেক্সট

Whereas free elections were held in Bangladesh from 7th December, 1970 to 17th January, 1971, to elect representatives for the purpose of framing a constitution,
And
Whereas at these elections the people of Bangladesh elected 167 out of 169 representatives belonging to the Awami League,
And
Whereas General Yahya Khan summoned the elected representatives of the people to meet on the 3rd March 1971, for the purpose of framing a constitution,
And
Whereas instead of fulfilling their promise and while still conferring with the representatives of the people of Bangladesh, Pakistan authorities declared an unjust and treacherous war,
And
Whereas in the facts and circumstances of such treacherous conduct Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the undisputed leader of the 95 million people of Bangladesh, in due fulfillment of the legitimate right of self determination of the people of Bangladesh, duly made a declaration of independence at Dacca on March 26, 1971, and urged the people of Bangladesh to defend the honour and integrity of Bangladesh,
And
Whereas in the conduct of a ruthless and savage war the Pakistani authorities committed and are still continuously committing numerous acts of genocide and unprecedented tortures, amongst others on the civilian and unarmed people of Bangladesh,
And
Whereas the Government by levying an unjust war and committing genocide and by other repressive measures made it impossible for the elected representatives of the people of Bangladesh to meet and frame a Constitution, and give to themselves a Government,
And
Whereas the people of Bangladesh by their heroism, bravery and revolutionary fervour have established effective control over the territories of Bangladesh,
And
We the elected representatives of the people of Bangladesh as honor bound by the mandate given to us by the people of Bangladesh whose will is supreme, duly constituted ourselves into a Constituent Assembly, and
Having held mutual consultations, and
In order to ensure for the people of Bangladesh equality, human dignity and social justice,
Declare and constitute Bangladesh to be sovereign peoples' Republic and thereby confirm the declaration of independence already made by Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and
Do hereby affirm and resolve that till such time as a Constitution is framed, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be the President of the Republic and that Syed Nazrul Islam shall be the Vice-President of the Republic, and
That the President shall be the Supreme Commander of all the Armed Forces of the Republie,
Shall exercise all the Executive and Legislative powers of the Republic including the power to grant pardon,
Shall exercise all the power to appoint a Prime Minister and such other Ministers, as he considers necessary,
Shall have the power to levy taxes and expend monies,
Shall have the power to summon and adjourn the Constituent Assembly, and
Do all other things that may be necessary to give to the people of Bangladesh an orderly and just Government,
We the elected representatives of the people of Bangladesh do further resolve that in the event of there being no President or President being unable to enter upon his office or being unable to exercise his powers and duties due to any reason whatsoever, the Vice-President shall have and exercise all the powers, duties and responsibilities herein conferred on the President,
We further resolve that we undertake to observe and give effect to all duties and obligations that devolve upon us as a member of the family of nations and under the Charter of United Nations.
We further resolve that this proclamation of independence shall be deemed to have come into effect from 26th day of March 1971.
We further resolve that in order to give effect to this instrument we appoint prof. Yusuf Ali our duly Constituted Potentiary and to give to the President and the Vice-President oaths of office.

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:৩২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মিরাজ ভাই ।

দেখা যাক ব্লগে বিভ্রান্তির অবসান ঘটে কিনা ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্লগে বিভ্রান্তির অবসান না ঘটলেও প্রকৃতি ইতিহাস বদলে যাবেনা ।

আমি মুখের কথায় কিছু বলছিনা যা বলছি তা হলো আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম একটি প্রধান দলিলের ভিত্তিতে ।

এরপরও কেউ বিভ্রান্ত থাকতে চাইলে বুঝতে হবে এই বিভ্রান্তি ইচ্ছাকৃত ।

২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হুমম ভালো পোস্ট। অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আশা করি ভালো আছেন আপনি...।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্যই চেষ্টা করছি মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন মুল দলিল সংগ্রহের ।

আপনার সাথে কালকে যোগাযোগ করবো ।

৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭
মিরাজ বলেছেন:
পুনশ্চ : মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বা মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলিতেও এখনো বিভ্রান্তি আছে । সম্প্রতি বিবিসিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া সংক্রান্ত একটি সংবাদে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল (মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রুপ ক্যাপ্টেন) এ কে খন্দকারকে মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক হিসাবে লেখা হয়েছে । লিংক এখানে । যদিও আইডিয়ালী বলা উচিত ছিলো মুক্তিবাহিনীর উপ-সর্বাধিনায়ক । আসলে সরকারকেই উদ্যোগী হয়ে এই জাতীয় বিভ্রান্তি দুর করা উচিত ।
----------------------------------------

এই অংশটি প্রাসংগিক হওয়াতে পোষ্টে যোগ করলাম ।
৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট । ধন্যবাদ
৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫২
লোকালটক বলেছেন: তথ্যভিত্তিক পোস্ট। এই পোস্টে এক্টা মাইনাস দেখতেছি। অবাক হই নাই। শুধু জান্তে চাইতেছি, এই ছাগু কোন্টা এবং এইটা কোন্ রাজাকারের বাচ্চা?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

আর আমি রেটিং নিয়ে মোটেও চিন্তিত নই । সত্যকে তুলে ধরতে পারলেই আমি খুশী ।

৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব পড়বার জন্য ।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মুল কপিটি ইমেজ ফাইল হিসাবে সংযুক্ত করা আছে । এখান থেকে পড়তে কষ্ট হতে পারে । যারা পড়তে চান তারা ইমেজটি সেভ কের আপনাদের কম্পিউটারে নিয়ে তারপর ওপেন করে জুম ইন করুন, পড়তে পারবেন ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: কের = করে

৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০১
এম.এ.হামিদ বলেছেন: মিরাজ খবর কি?ছাগল পিটাইয়া ঘোড়া বানানো যায়না
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আমার কাজ ইতিহাসকে সঠিক ভাবে তুলে ধরা । এবং সেটি মুখের কথায় নয়, গ্রহণযোগ্য দলিলের মাধ্যমে যাতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ এবং এর সঠিক ইতিহাস জানে ।

কোন নির্দিষ্ট কারো জন্য আমার এ চেষ্টা নয় ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০১
এস্কিমো বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
রামন বলেছেন: আমি একমত।যার যা প্রাপ্য আমরা তাকে তা দিতে পারি নাই ।এটাই জাতীর জন্য সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ।তার মাসুল আমরা সাধারন জনগণ স্বাধীনতার সাইত্রিশ বছর ধরে জমা করে আসছি।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: আমাদের মুল সমস্যা হলো এটাই । আমরা ইতিহাসকে নিজেদের মত করে লিখতে চেয়েছি, আর সেজন্য ইচ্ছেমত ইতিহাসকে কাটাছেড়া করেছি ।

আর সেজন্যই মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা এখনো আমাদের মাঝে সার্বজনীন কোন ব্যাপার হয়ে ওঠেনি, অনেক ক্ষেত্রেই দলীয় ব্যাপারে পরিণত হয়েছে । জাতি হিসাবে এটি আমাদের জন্য লজ্জার ।

আমরা একজনকে বড় করতে যেয়ে আরেকজনকে তার প্রাপ‌্য সম্মানটুকুও দিতে চাইনা । এই প্রবণতা থেকে নতুন প্রজন্মকে বেরিয়ে আসতে হবে, আর সেজন্যই দরকার সঠিক ইতিহাসকে জানা ।

১১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: বাংলাদেশের জন্মের সাথে, সর্বোচ্চ গৌরবের ইতিহাসের সাথে ওদের সবচেয়ে অপছন্দের/ঘৃনার নামগুলি জড়িত; যেমন, ভারত, শেখ মুজিব, আওয়ামীলীগ, কমুনিষ্ট সোভিয়েত ইত্যাদি।

তাই সত্য ইতিহাসে এই বেজাতগুলির এত এলার্জি, এত অস্বস্থি।
কিন্তু সত্য সত্যই, তা পরাজিতদের কাছে যতই যন্ত্রনার হোক।

যাহোক, পোস্টের জন্য কৃতজ্ঞতা আর +
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

১৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
চে বলেছেন: ধন্যবাদ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

১৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

অবশেষে মদ্দা কথা হল, মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঠিক, যেমন প্রেসিডেন্ট আর্মড ফোর্সের সর্বাধিনায়ক। জেনারেল ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার ইন চীফ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিবর্তনবাদী ।

সেটাই । ওসমানী ছিলেন একটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামে রত মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার ইন চীফ । এটি যে কত বড় গৌরবের ব্যাপার সেটি আমাদের বুঝতে হবে ।

অনেকে দেখি তাকে মহাসাগরের এক বিন্দু জল হিসাবে তুলনা করেন, এটিও এক প্রকার ইতিহাস বিকৃতি এবং এই প্রবণতাও বন্ধ করা দরকার । সবাইকে তার যথাযথ প্রাপ‌্য সম্মান দেয়া উচিত ।

১৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
এহহামিদা বলেছেন: শেখ মুজীবুর রহমান ছিলেন জেলে!!!

তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়েছিল!!!

তিনি জেলে ছিলেন বলেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়েছিল নজরুল ইসলাম কে!!

ততকালীন সরকারের কোন ভাবেই উচিত হয়নি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নজরুল ইসলামকে ঘোষনা দেয়ার!! শেখ মুজীবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নজরুল বা তাজউদ্দিনকে রাখলেই হত!!!

সেই সময়ে যারা যুদ্ধ করছিলেন, তারা খুবই ক্ষিপ্ত ছিল, আওয়ামী লীগের অনেক প্রথম সারির নেতার উপর!! কারন। তারা বেশীর ভাগই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন!!

যার কারনেই আওয়ামী লীগের কোন বড় মাপের নেতাকেই পাওয়া যায় নাই মুক্ত যুদ্ধের ঘোষনা দেয়ার জন্য!!!

যেই কারনেই জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষনা দিতে হয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমানে পক্ষ হয়ে!!!!!

যেই কাজটা নজরুল ইসলাম বা তাজউদ্দিনের মত নেতারা করতে পারতেন, যদি তারা সেই সময়ে দেশে থাকতেন!!! জিয়াউর রহমানকে ঘোষনাটা দিতে হত না!!

আপনারা যেই যুক্তি দিচ্ছেন সেই হিসাবে সর্বাধিনায়ক হওয়ার কথা নজরুল ইসলামের!!

তার মানে কি আপনারা বলতে চাচ্ছেন যে, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসাবে ঘোষনা দিয়ে জেনারেল ওসমানীকে আওয়ামী সমর্থনে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে দাড় করানো হয়েছিল, সেটা ভুল ছিল!! তার মানে কি আপনারা বলতে চান যে, আওয়ামী লীগ তার নিজ স্বার্থেই নিজেদের সুযোগ সুবিধা মত ইতিহাসকে বিকৃত করে!!!!!!!!!!!!!
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: এহহামিদা, আমি এখানে একা কথা বলছি তাই আপনারা ব্যবহার না করে আপনি ব্যবহার করলে স্বচ্ছন্দ বোধ করবো ।

ইতিহাস বিকৃতি স্বাধীনতা পরবর্তী সকল ক্ষমতাসীন দলই করেছে এবং তার মধ্যে আওয়ামী লীগও আছে । বলার অপেক্ষা রাখেনা যে এইসব বিকৃতি দেশের স্বার্থে নয়, দলীয় স্বার্থে হয়েছে ।

আর আমি চেষ্টা করি ইতিহাসের মুল দলিলের ভিত্তিতে সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরতে । এখন সেই সময়ে কোন কাজটি উচিৎ হয়েছে আর কোনটি উচিৎ হয়নি সেটি নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু তাতে ইতিহাসতো বদলে যাবেনা!!

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অবশ্যই অস্থায়ী (বা ভারপ্রাপ্ত) রাষ্ট্রপতি হিসাবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের ভারপ্রাপ্ত সর্বাধিনায়ক ছিলেন (স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী) কিন্তু প্রকৃত সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু কেননা তাকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেই সরকার গঠন করা হয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়েও তাকেই রাষ্ট্রপতি হিসাবে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা হয়েছে ।

১৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অনেক সময়োপযোগী একটা লেখা। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এরকম একটা বিভ্রান্তিনাশী পোস্ট করেছেন। ভবিষ্যতে এরকম তথ্যসম্বলিত আরো লেখা পাব আশা করি।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়বার জন্য ।

আমার আগের বেশ কিছু পোষ্ট আছে মুক্তিযুদ্ধের সমসাময়িক ঘটনাবলীর ঐতিহাসিক দলিল নিয়ে । সময় পেলে পড়ে দেখবেন ।

১৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: দারুন ও সময়োপযোগী পোস্ট।
তবে যারা জানতে চায় না এবং জেনেও না জানার ভান করে সেই সব বরাহ শাবকদের কাছে এসব তথ্য মুল্যহীন। তবে নতুন প্রজন্মের যারা জানতে চায় তাদের জন্য অবশ্যই দরকারী পোস্ট। ধন্যবাদ অসংখ্য।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: তারা জেনেও না জানার ভান করুক তাতে আমার কোন অসুবিধা নেই, কিন্তু তাদেরকে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে দেয়া যাবেনা ।

আর সেজন্যই প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে ।

১৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
'প্রবাল গ্রুপ' বলেছেন: পড়লাম। ধন্যবাদ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
নাভদ বলেছেন: ধন্যবাদ, +
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
বাঙাল যুবক বলেছেন: সুপ্রীম কমান্ডার-এর অর্থ কি মহানায়ক করা যায় না? কারণ জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবেই সকলে গ্রহণ করে নিয়েছেন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: আমার জানামতে মহানায়ক কোন সামরিক পদবী নয় । এখানে সকল সামরিক বাহিনীর সুপ্রীম কমান্ডার বলা হয়েছে । সেই অর্থে সর্বাধিনায়কই বেশী যুক্তিযুক্ত ।

জেনারেল ওসমানী মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি । আমি মনে করি এতে এই জাতীয় বীরের কোন অবমুল্যায়ন করা হয়না । কারন প্রথমত: এটি ঐতিহাসিক সত্য এবং দ্বিতীয়ত: মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতির অবস্থান অনেক উচুতে, তিনি মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের একজন প্রধান রূপকর ।

২১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
মুকুল বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট । ধন্যবাদ। প্রিয় পোস্টে রাখলাম।

*****
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ মুকুল ।

২২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
বাঙাল যুবক বলেছেন: আপনার লেখায় মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতির পার্থক্য বারবার তুলে ধরছেন। কিন্তু আমার কাছে এটার কোন পার্থক্য মনে হয়না । কারন যিনি কোন যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক তিনিই সেই সেই সেনাবাহিনীর অধিনায়ক। ইরাক যুদ্ধের জন্য যে যৌথবাহিনী গঠন করা হয়েছিল তার সর্বাধিনায়ক ছিলেন একজন জেনারেল- বুশ বা ব্লেয়ার বা হওয়ার্ড নন। তিনি সমস্ত যুদ্ধের এমনকি তার অধীনস্ত সমস্ত বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন। একটি নিয়মিত সেনাবাহিনী-বিমানবাহিনী বা অন্যান্য বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং যুদ্ধকালীন সময়ের সর্ভাধিনায়ক সবসময়ে ভিন্ন হন। কারণ সর্বাধিনায়ককে অবশ্যই মাঠে অবস্থান করতে হয়।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: ভাই আমি কোথায় মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আর প্রধান সেনাপতির পার্থক্য তুলে ধরলাম??

আমিতো ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আর প্রধান সেনাপতি বলছি । আপনার বোধ হয় কোথাও ভুল হচ্ছে ।

তারপরও আপনি ইরাক যুদ্ধ নিয়ে যে উদাহরণ দিয়েছেন সেটা মুক্তিযুদ্ধের সাথে মিলেনা । এখানে ইরাক যুদ্ধের জন্য ইঙ্গ-মার্কিন যৌথ বাহিনী ভিন্ন একটি দেশে যুদ্ধ করছে, নিজের দেশের স্বাধীনতার জন্য নয় বা নিজের দেশে নয় । ইরাকের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কিন্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে সাদ্দাম হোসেনই ছিলেন, ইরাকী সশ্রস্ত্রবাহিনী বা রিপাবলিকান গার্ডদের প্রধান নন ।

এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিতরে কোন যুদ্ধ শুরু হলে সর্বাধিনায়ক বুশই হবেন আর তার প্রধান সেনাপতি হবে চীফ অব আর্মি ষ্টাফ ।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

২৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
বিহংগ বলেছেন: সাবাশ।
*****
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ বিহংগ ।

২৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬
মিরাজ বলেছেন: বাঙাল যুবক, সাম্প্রতিক মন্তব্যের ঘরে আপনার নাম দেখে বুঝতে পারছি সম্ভবত: আপনি কিছু বলেছেন, কিন্তু সামহোয়্যারের বাগে সেটি খেয়ে ফেলেছে । আপনার মন্তব্যটি আবার করুন ।
২৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অসাধারণ ... আপনার এই প্রচেষ্টাটাকে আমি সবসময় অসম্ভব পছন্দ করি ... এই যে ডকুমেন্ট যোগাড় করে প্যাঁচিয়েদের মুখে তালা লাগিয়ে দেয়া ... কিপ ইট আপ +++++
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা । আমরা সবাই মিলে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসতে পারবো সে বিশ্বাস আমার আছে ।

২৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১৯
বাঙাল যুবক বলেছেন: আমি হয়তো বুঝতে ভুল করেছি। তবে দেখুন বিবর্তনবাদীর লেখায় ধন্যবাদ দিয়ে আপনি তাকে সমর্থন দিয়েছেন। বিবর্তনবাদী লিখেছেঃ

'অবশেষে মদ্দা কথা হল, মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঠিক, যেমন প্রেসিডেন্ট আর্মড ফোর্সের সর্বাধিনায়ক। জেনারেল ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার ইন চীফ।'

আবার আপনি জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবেও মনে করেন। ত্রিভুজ-এর পোষ্টে লিখেছেনঃ

'০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১২
comment by: মিরাজ বলেছেন: @ ত্রিভুজ
ঢালাও মন্তব্য করার আগে স্পষ্ট করে দেখান কোথায় আমি জেনারেল ওসমানীকে ছোট করেছি । তাকে আমি মুক্তিযুদ্ধের সামরিক নেতৃত্বের অধিকারী মনে করি । এবং সে হিসাবে থাকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কও মনে করি । এই কথাগুলি এই পোষ্টেই আমি আগে বলেছি ।'

এখানে একই সাথে দু'জনের সর্বাধিনায়ক হওয়ার বিষয়টি কেমন যেন মনে হয়। তবে আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোন যুদ্ধে বুশের সর্বাধিনায়ক হওয়ার বিষয়টি বলেছেন এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। মূল বিষয়টি হলো এখানেই। যুদ্ধের ময়দানে যিনি উপস্থিত থাকবেন তিনিই হবেন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। বঙ্গবন্ধু যখন গ্রেফতার ছিলেন, সৈয়দ নজরুল যখন প্রবাসে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তখন মাঠে যুদ্ধের সর্বাধিনায়কের নেতৃত্ব স্বাভাবিকভাবেই ওসমানীর কাধেই অর্পিত ছিল।
সূতরাং তিনি সর্বাধিনায়ক হিসেবেই ছিলেন এবং সেভাবেই তিনি পরিচিতি পাবেন।

ধন্যবাদ আপনাকে।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ত্রিভুজের পোষ্টে কিন্তু আমি সামরিক অর্থে সর্বাধিনায়ক হিসাবে ওসমানীকে বলেছি । আমি সবসময়ই বলেছি মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বে ছিলেন বংগবন্ধু এবং ওসমানী যুদ্ধের ময়দানে ছিলেন, ওসমানী মুক্তিবাহিনী পরিচালনা করেছেন এতে তো কোন সন্দেহ নাই ।

তবে স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে ত্রিভুজের সাথে আলাপচারিতার সময়ও "মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক" কথাটি যেভাবে ব্যবহার করা হয় সে ব্যাপারে আমার মধ্যেও কিছুটা বিভ্রান্তি ছিলো । কারন আমরাও ছাত্রাবস্থায় পাঠ্যপুস্তকে দেখেছি জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসাবে লেখা হয়েছে, আবার বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ডকুমেন্টে জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হিসাবে দেখানো হয়েছে ।

তাই সত্যের খোজে আমি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মুল কপিটি খুজতে থাকি যেখানে এ ব্যাপারে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাবে । গত দুয়েকদিন ব্রিটিশ লাইব্রেরী, ইউসিএল লাইব্রেরী এবং অনলাইনে খোজ করার পর এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ডকুমেন্ট খুজে পাই যার মধ্যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মুল ইংরেজী কপিটিও ছিলো । আর সেজন্যই সকল বিভ্রান্তি দুর করতে এই পোষ্ট দেওয়া ।

আমি সবসময়ই যুক্তির মানুষ, দলিলের মানুষ । আমাদের শাসকগোষ্ঠী বারবার আমাদের বিভ্রান্ত করেছে, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়নি । এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল আছে যেগুলি সামনে নিয়ে আসলে আরো অনেক অজানা কথা জানা যাবে । বিভ্রান্তি দুর হবে । সেইসব দলিলের মাধ্যমে হয়ত আমার জানা অনেক কিছুই পরিবর্তন হতে পারে, আমি সেই পরিবর্তন মেনে নিতে রাজী আছি ।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট পেয়েছি, সামনে সে ব্যাপারে পোষ্ট দেয়ার আশা রাখি ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।

২৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
বাঙাল যুবক বলেছেন: বাগের যন্ত্রনায় কিছুই করা যাচ্ছে না।
পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষোয় থাকলাম। আমার 'ভিন্ন এক মুক্তিযোদ্ধা' পোষ্টটি পড়ে মন্তব্য করার অনুরোধ রইল।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: পড়েছি । পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।

২৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২১
মিরাজ বলেছেন: মুক্তিবাহিনী এবং তার কমান্ড গঠন নিয়ে একটি লিংক, আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন ।

Click This Link
২৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮
দেবদারু বলেছেন: মিরাজ ভাই, আপনি সত্যিই আমাদের গর্ব, অহংকার............... এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু শিক্ষক দেখেছি, তাদের নৈতিক অবস্থান আর অবদান দেখে দূর থেকে ঘৃণা করেছি শুধু। এই অকালেও তাই আপনার মতো শিক্ষক আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। আমার ফার্মেসীর বন্ধুরা আপনাকে ড্যাম স্মার্ট বলে অভিহিত করেছে। আর সত্য অন্বেষণে আপনার গবেষণাধর্মী পোস্টগুলো তো আপনার শেকড়-অনুসন্ধানী মনোভাবটিই তুলে ধরে। আপনাকে দেখতে খুবই ইচ্ছুক আমি.......... ইনশাআল্লাহ আপনি দেশে ফিরলে দেখা হবে................. আপাতত ++....
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেবদারু । আমি শুধু সত্যিকারের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করছি । আমি মনে করি শিক্ষক হিসাবে এটি আমার দায়িত্ব ।

আমার ছাত্রদের সাথে আবার দেখা হলে ওদেরকে আমার শুভেচ্ছা দেবেন ।

দেশে ফিরবো আগামী বছর, ইনশাআল্লাহ দেখা হবে ।

ভালো থাকবেন ।

৩০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২১
তারিক টুকু বলেছেন: অপিনাকে ধন্যবাদ দেয়া আমার কর্তব্য, কারণ:

১. সত্য কথা বলার, লেখার ও চর্চার সাহস সবার থাকেনা, এখন পর্যন্ত যেটা বোধহয় আপনার মাঝে দেখা গেছে।

২. লেখার সময় আপনি আপনার পরিচয় গোপন রাখেন নি; কোথায় থাকেন, কী করেন, কেন লিখলেন- এর সবই জানিয়েছেন। আমার এটা ব্যক্তিগত মত যে, পরিচয় গোপন করে কোনো মত প্রকাশ করা, তার পাশে দাঁড়ানো কিংবা তাকে সমর্থন করা অত্যন্ত নিচুমানের সাহসের পরিচায়ক। সেটা আপনি করেননি বলে, আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. এবার আসি লেখার বিষয়ে। আমার কাছে কেন যেন মনে হয়, তর্কে তর্ক বাড়ে। যারা স্বাধীনতাকেই মানতে চান না (পরিবার থেকে সে শিক্ষা পান নি) তাদের আপনি স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন, সেটার প্রমাণ দিচ্ছেন।

এরা কোনও দিন বুঝবেনারে ভাই, আপনি তো শিক্ষক মানুষ,জানেন, এদেশে এখন প্রজন্মের পর প্রজন্ম দেখছি বেয়াদব তৈরী হচ্ছে। এমনকী বেয়াদবির সংস্কৃতিই তৈরী হয়ে গেছে। সবসময়, সবখানেই দেখেছি, যারা বুঝের, তারা এত শোরগোল করে না; নিরবে বুঝতে চেষ্টা করে।

তারপরও আমার কামনা, আপনার লেখায় তাদের কিছুটা উপকার হোক। না হলেও ক্ষতি নেই, অমেধাবী লোক কখনও, কোথাও টিকতে পারেনা।

ভালো থাকবেন।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তারিক টুকু আপনার মন্তব্যের জন্য । আসলে আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকই বিভ্রান্ত আছেন আমাদের শাসকগোষ্ঠীর ইতিহাস বিকৃতির জন্য । আমি চেষ্টা করি ইতিহাসকে তুলে ধরতে, বড় বড় কথার মাধ্যমে নয়, ইতিহাসকেই দলিলের মাধ্যমে সামনে নিয়ে এসে ।

এখন এতে অনেকেই হয়ত সত্যকে বুঝবেনা, সেটা যে কারনেই হোক কিন্তু অনেকেই যে আবার সত্যকে গ্রহণ করবে সেই বিশ্বাস আমার আছে ।

আমি জানি দলীয় পরিচয় বিহীণ ভাবে ইতিহাসকে তুলে ধরতে গেলে তা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে খুব একটা ভালোভাবে গৃহীত হয়না । তারপরও একটা চেষ্টা চালাতে চাই, অন্তত: নিজেকেতো প্রবোধ দিতে পারবো যে সত্য প্রকাশের চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ সততা দিয়ে ।

নিজের কাছে সৎ থাকতে পারাটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ । আর তার মধ্যে দিয়ে নতুন প্রজন্মকে যদি অবিকৃত ইতিহাস জানানো যায়, তাহলে একজন শিক্ষক হিসাবে এর চেয়ে বেশী আকাংখিত আর কিছু হতে পারেনা ।

অনেক ধন্যবাদ আপনার উৎসাহের জন্য ।

৩১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: দলিলই বড় প্রমাণ,এরপরেও প্যাঁচানোর কোন মানে নেই। যা বলার আপনার পোস্ট আর দলিলেই বলা হয়ে গেছে। দরকারি,এবং সবসময় মাথায় রাখার মত ১টা পোস্ট।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান দাউদ । সত্যকে জানাটা গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি জাতির জন্য তার স্বাধীনতা সংগ্রামের সত্যি ইতিহাস না জানাটা লজ্জার ।

পড়বার জন্য এবং সবসময় সাথে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা ।

৩২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪৮
নরাধম বলেছেন: আপনার ব্লগের সব পোস্টই আমার প্রিয় পোস্টে যোগ করার মত। সেটা তো সম্ভব না। তাই আপনাকেই "আমার লিংকস" এ নিয়ে গেলাম......:):)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: নরাধম, আমাকে লিংকস এ যোগ করার জন্য কৃতজ্ঞতা ।

পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

৩৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩৮
তারার হাসি বলেছেন:
আমার খুব কস্ট হয় এতকাল পরেও এমন বিতর্ক দেখলে ।
ধন্যবাদ !
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য ।

এটা আসলেই লজ্জার যে এতকাল পরেও এগুলি নয়ে বিতর্ক করতে হয় তবে এর জন্য এই প্রজন্মকে খুব বেশী দোষ দেয়া যায়না ।

এর জন্য দায়ী স্বাধীনতা উত্তর প্রতিটি সরকার ।

৩৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
সোনার বাংলা বলেছেন:
সত্য কেউ অস্বীকার করলে কিছুই করার নাই। সে নিজেই ঐ সমাজের
সীমানা থেকে নিজে কে নিজে উচ্ছেদ করবে .......

আমার এই সব দেখে কষ্ট হয় না! কারন এই ইতিহাস বিকৃতির পিছে
যারা জড়িত তারা ও মুক্তিযোদ্ধা বা ঐ মতের অনুসারী।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে কিছু ব্যাক্তি ও দল বিশেষ নিজেদের সম্পত্তি করে নিয়েছে.........
যে যার মতো করে ব্যবহার করেছে। এখন কেউ সে সত্যের ডাক দিলে
সবাই ভাবে এই কানা আমাকে কানা বানাইতে আইছে।

আজকাল যে চেতনার ঐক্যমতের সুর ধ্বনিতেছে আকাশে বাতাসে
তাও ক্ষমতা কেন্দ্রীয়, লাভ শেষ কাম ও শেষ।

এই সব নীতিহীন মানুষ নামের পশুদের জন্য আরেকটা ৭১ চাই আমি।
প্রয়োজনের থেকে ও বেশী করে........, কিছু গোষ্টির জিহ্ববা কর্তন
করিলে সমাধান হবে না। সমূলে শেষ করা চাই।


হয়তো অনেক কথা পোষ্টের বিষয় বস্তুর সাথে যায় না,
তবু ক্ষোভের ..................

ধন্যবাদ।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: সোনার বাংলা, আমি আপনার এই মন্তব্যের সাথে খুব একটা দ্বিমত করতে পারিনা ।

আমাদের দুর্ভাগ্য হলো মুক্তিযুদ্ধের মত বিষয় নিয়েও আমাদের মধ্যে বিভেদ প্রবল । মুক্তিযুদ্ধকে আসলেই আমরা জাতীয় সম্পদ না বানিয়ে দলীয় সম্পদ বানাতে চেয়েছি । মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান "জয় বাংলা" জাতীয় শ্লোগান না হয়ে দলীয় শ্লোগান হয়েছে ।

আমাদের ক্ষমতা কেন্দ্রিক রাজনীতির নীতিহীনতাই এর জন্য দায়ী । তবে আমি পরিবর্তনের ব্যাপারে আশাবাদী । আর সেই পরিবর্তনের জন্যই আদি অকৃত্রিম সত্য ইতিহাস জানাটা জরুরী ।

৩৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৩
মিরাজ বলেছেন: @ ত্রিভুজ
কেন জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ও প্রধান সেনাপতি এবঙ বঙ্গবন্ধুকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বলছি সেটা এই পোষ্টে ব্যাখ্যা করা আছে ।

নতুন করে প্রশ্ন করার আগে কিছু বলার থাকলে এখানে বলে যান ।
৩৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৭
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, আপনার জন্য দ্বিতীয় পর্বের প্রশ্নমালা হাজির করেছে মহামান্য হুজুরে আলা ত্রিভুজ।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: হোসেইন যে জবাব দিয়েছেন তারপর এ বিষয়ে আর কিছু বলার থাকেনা ।

দেখা যাক ত্রিভুজ এর উত্তরে কি বলেন ।

৩৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫২
জমির মাতব্বর বলেছেন: মুগ্ধ হলাম, দারুণ পোস্ট। এ ব্যাপারে ত্রিভুজ কি বলেন?
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

ত্রিভুজকেতো এই পোষ্টের আশে পাশেও দেখলামনা । মনে হয় তার এ ব্যাপারে আর কিছু বলার নাই ।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

আপনার পোষ্ট পড়েই এই মুল দলিলটির খোজ শুরু করেছিলাম ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই