আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

ফিরে দেখা ইতিহাস : যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম : পর্ব-১

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

শেয়ারঃ
0 0 0

মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের ইতিহাসের একটি অন্যতম ভয়াবহ যুদ্ধ যাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার শিকার হয়ে শহীদ হয়েছেন ৩০ লক্ষ নারী পুরুষ যাদের সিংহভাগই ছিলেন নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ । এর বাইরে হাজার হাজার নারী ধর্ষিত হয়েছেন, যৌনদাসী হিসাবে নির্যাতিত হয়েছেন । এই নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি এমনকি শিশুরাও । ১৯৪৯ সালে গৃহীত জেনেভা কনভেনশন কর্তৃক এই ধরণের ঘৃণ্য কর্মকান্ডের প্রতিটিই যুদ্ধাপরাধের অন্তর্ভূক্ত (১) । ২০০২ সালের জুলাইতে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালত যুদ্ধাপরাধের যে আওতা নির্ধারণ করে তার মাধ্যমেও এই অপরাধগুলি যুদ্ধাপরাধের অন্তর্ভূক্ত । তবে পাকিস্তানী বাহিনীর যুদ্ধাপরাধের সময় কাল ১৯৭১ হবার কারণে তা ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনের আওতায় আলোচনা করাই বেশী যুক্তিসংগত হবে ।

বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র দেশ নয় যেখানে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়নি তবে সম্ভবত: একমাত্র দেশ যে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্বেও রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রত্যাহার করেছে । আমি এখানে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের কথা বলছি । এইসব পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের এ দেশীয় দোসর যেসব যুদ্ধাপরাধী আছে তারা সময়ের পালাবদলে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেছে, এখন সময় সুযোগমত তাদের করা যুদ্ধাপরাধকেও অস্বীকার করছে । পরবর্তীতে এইসব কুলাংগারদের কথাও আসবে, এদের যুদ্ধাপরাধের বিচারে আমাদের ব্যর্থতার কথাও আসবে । তবে এই সিরিজে আমি মুলত: পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী যারা আটক ছিল, যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ ছিল, বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেবার পরও কোন পরিস্থিতিতে, কি কারনে একটি নব্য-স্বাধীন দেশ তার জন্মযুদ্ধের সময় যারা মানবতার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটন করলো তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল চার্জ "as an act of clemency" বা "দয়াশীলতা ও ক্ষমার মহত্ব" দেখিয়ে প্রত্যাহার করলো সেটি তুলে আনার চেষ্টা করবো । (২)

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পনের পরে প্রায় ৯০,৫০০ জনকে যুদ্ধবন্দী হিসাবে আটক হয় । এই যুদ্ধবন্দীদের মধ্যে ছিল প্রায় ৮০,০০০ উর্দিধারী সদস্য যার মধ্যে ছিল আর্মি (৫৫,৬৯২), নেভী ও এয়ার ফোর্স (১,৮০০), প‌্যারামিলিটারি (১৬,৩৫৪) বা পুলিশ সদস্য (৫,২৯৬)এবং বাদবাকী ১০,৫০০ ছিল সিভিলিয়ান (মুলত: বিহারী) যারা পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করেছে । (৩)

এই যুদ্ধবন্দীদের সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও অধিকার সংরক্ষণ করে আটক রাখার মত অবকাঠামো না থাকায় সিদ্ধান্ত হয় ভারত এই ৯০,৫০০ যুদ্ধবন্দীকে আটক রাখবে এবং এদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসহ ভরণপোষনের দায়িত্ব পালন করবে । এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুদ্ধবন্দীদের ভারতের নিকট হস্তান্তর করা হয় । এই যুদ্ধবন্দীদের জন্য তখনকার হিসাবে প্রতিমাসে ভারতের খরচ ছিল ১,০০০,০০০ মার্কিন ডলার । (৪)

এই যুদ্ধবন্দীদের মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫০০ জনকে চিন্হিত করা হলেও চূড়ান্তভাবে সর্বমোট ১৯৫ জনকে সুনির্দিষ্টভাবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করা হয় । এবং এদের যুদ্ধাপরাধের জন্য বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার । (৫) বাদবাকী যুদ্ধবন্দীদের পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা শুরু হয় । বাংলাদেশ তখন স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রয়োজন ছিলো ।

পাকিস্তান তখনো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে নাই এবং পাকিস্তানের মিত্র রাষ্ট্র চীনের প্রদত্ত ভেটোর কারনে বাংলাদেশ তখনো জাতিসংঘের সদস্যপদও লাভ করে নাই । ১৯৭২ সালের আগষ্ট মাসে চীন বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্যপদ দেয়ার ব্যাপারে আনা প্রস্তাবের বিপক্ষে ভেটো দেয় । এটি ছিল চীনের জাতিসংঘে প্রদত্ত প্রথম ভেটো । (৬)

এই অবস্থায় ১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ যখন আনুষ্ঠানিক ভাবে ১৫০০ জন যুদ্ধাপরাধী থেকে ১৯৫ জনকে সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের উদ্যোগ নিল এবং জুলাই মাসে সংসদে "International Crimes Act 1973 " পাশ করলো তখন পাকিস্তান এই বিচারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললো । (৭) পাকিস্তানের মতে এটি জেনেভা কনভেনশনের লংঘন কেননা বাংলাদেশ তখনো জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র নয় ।

জেনেভা কনভেনশনের আর্টিকেল ৫, ৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের এই বিচার প্রক্রিয়ার উদ্যোগের কোন সমস্যা ছিলোনা । বাংলাদেশ পাকিস্তানের দাবী প্রত্যাখ্যান করে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের এই বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা পর্যবেক্ষণ করার আমন্ত্রণ জানায় । পাকিস্তান এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে আটকে পড়া ৪০০,০০০ বাঙালীকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করে । (৭)

(চলবে)

তথ্যসূত্র :
১। http://www.unhchr.ch/html/menu3/b/91.htm
২। Time, Monday April 22, 1974
৩। en.wikipedia.org/wiki/Indo-Pakistani_War_of_1971
৪। Time, Monday September 17, 1973
৫ । Bangladesh in 1972: Nation Building in a New State
Rounaq Jahan
Asian Survey, Vol. 13, No. 2 (Feb., 1973), pp. 199-210
৬ China, the Soviet Union, and the Subcontinental Balance
Sheldon W. Simon
Asian Survey, Vol. 13, No. 7 (Jul., 1973), pp. 647-658
৭। The weakness in the International Protection of Minority Rights, Javaid Rahman, Kluwer Law International, Page 96-97


 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ভালো পোষ্ট।অনেক কিছু জানলাম।সিরিজ চলুক।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
পালর্ামেন্ট বলেছেন: বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে? তাহলে আমাদের দেশি ভাইদেরকে কেন যুদ্ধাপরাধী বলে আমরা বিরক্ত করি? দেশে যুদ্ধাপরধী নেই, তাদের কথাই সত্য।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে বা প্রত্যাহারে বাধ্য হয়েছে সেটিই উঠে আসবে । অভিযোগ প্রত্যাহার করা মানে এই নয় যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়নি । পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক আন্তর্জাতিক কূটকৌশলের মোকাবেলা করতে হয়েছে এবং নব্যস্বাধীন বাংলাদেশ সেই আন্তর্জাতিক কূটনীতির খেলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে । পাকিস্তান নিজেও এই যুদ্ধাপরাধের কথা স্বীকার করেছে এবং দু:খ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয়ভাবে । তাই যুদ্ধাপরাধ হয়নি ব্যাপারটা এমন নয় । পড়তে থাকুন ।

আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী আর দেশীয় যুদ্ধাপরাধী এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান আছে । বিচার করার প্রক্রিয়ার মাঝেও ব্যবধান আছে ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আর পকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছি দেখে এদের এদেশীয় দোসরদের বিচারেও ব্যর্থ হবো এমন কোন কথা নেই ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আপনার ব্যস্ততা তাড়াতাড়ি কমুক ।

আপনার নতুন বিশ্লেষনের অপেক্ষায় আছি কিন্তু ।

৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: চলুক....সিরিজ শেষে আগের মতই সবগুলো তথ্য একসাথে পাবো বলে আশা রাখি ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: আশা করি সব পর্বগুলো একত্র করে একটি পোষ্ট দেবো । এটি বড় সিরিজ হবেনা । আশা করি তিন পর্বে শেষ করতে পারবো ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ । আশা করি আগামী পর্বগুলিও পড়বেন ।

১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১১
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: চলুক। আরেকটি প্রয়োজনীয় তথ্যমূলক পোস্ট। ধন্যবাদ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদউল্লাহ । আপনি লিখছেননা কেন ভাই? অনেক দিন কোন নতুন লেখা নেই ।

১১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৪
নেমেসিস বলেছেন: চলুক ।

**পাকিস্তানে আটকে পড়া বাঙালীদের সংখ্যাটা কি সঠিক ?**
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: এই সিরিজে আমার নিজস্ব কোন তথ্য নেই । আমি প্রতিটি তথ্য সূত্র উল্লেখ করে দিচ্ছি ।

মূল সূত্র থেকে ইংরেজীতে

Pakistan contrary to the letter and spirit of the 1949 conventions placed even more pressure on Bangladesh by refusing to release some 400,000 Bengalis (Civilian and member of former Pakistan Armed Forces) who are being held in Pakistan and being utilized as pawns in a complicated power game.

The weakness in the International Protection of Minority Rights, Javaid Rahman, Kluwer Law International, Page 96-97

১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৪
মাহিরাহি বলেছেন: চিন্তার খোরাক যোগানোর মত চমৎকার পোষ্ট। এধরনের আরো পোষ্ট চাই যাতে করে মুক্তিযোদ্ধের ব্যপারে আমরা একটা স্বচ্ছ ধারনা নিতি পারি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করবো অবিকৃতভাবে ইতিহাসকে তুলে ধরতে ।

পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৬
বর্তমানবাংলা বলেছেন: এই বিষয়ে জানতে খুবই আগ্রহী ।
আসা করি ধারাবাহিক তথ্য পেতে থাকবো।
পড়ছি , চলুক.......................বিচার পর্যন্ত।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: বিচারতো করতে পারিনি আমরা। যুদ্ধাপরাধীদের পাকিস্তান প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত চলবে ।

১৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪২
নেমেসিস বলেছেন: মতান্তর একারনে যে আটকে পরা অনেকেই কিন্তু পরবর্তিতে আর ফিরে আসেন নি । অনেকটা স্বইচ্ছাই । আমাদের পারিবারিক পরিচিত কিছু লোকই তো এখনো ওখানেই রয়ে গেছেন শুনেছি । কথা হলো এই টাইপ লোকদের সংখ্যাটা কতো ছিলো????
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: এই মুহুর্তে এইরকম লোকের সঠিক সংখ্যা জানিনা । তবে অবশ্যই জানা যাবে । জানতে পারলে আপনাকে অবশ্যই জানাবো ।

১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৮
আবুল বাহার বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার লেখাটা , ধন্যবাদ আপনাকে ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবুল বাহার পড়বার জন্য ।

১৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: পকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছি দেখে এদের এদেশীয় দোসরদের বিচারেও ব্যর্থ হবো এমন কোন কথা নেই

হক কথা।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আমি এই লেখাটি লেখার জন্য প্রয়োজনীয় পড়াশোনা করতে যেয়ে আমাদের তখনকার শাসকগোষ্ঠির বেশ কিছু মনোভাব নিয়ে অনেকটা কনফিউজড । আগামী পর্বগুলিতে সেই ব্যাপারগুলি আসবে । আশা করি আলোচনায় অংশ নেবেন ।

১৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৫
রোবোট বলেছেন: লাখ ব্লগের এক ব্লগ।+
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

১৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: গভীর মনোযোগে পড়লাম। চলতে থাকুক।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান নিয়মিত পড়বার জন্য ।

পরের পর্বগুলিতে কিছু অজানা তথ্য আসবে, আশা করি সাথে থাকবেন ।

১৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৪
ইরতেজা বলেছেন: চলুক।

ধন্যবাদ মিরাজ ভাই।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ইরতেজা ।

২০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৫
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মিরাজ ভাই,
অনেক অজানা ছড়ানো ছিটানো তথ্য একসাথে করছেন । এরকম রিকেপচুলেশানে আপনি ব্লগে বিবিক্ত । আপনার ধৈর্য্য ও একাগ্রতা দেখে আমি অভিভূত ।

চলুক ।

++
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সিহাব । কিন্তু ভাইজান, বিবিক্ত মানে বুঝতে হলেতো এখন অভিধান খুলে বসতে হবে ।

এর সহজ বাংলাটা কি?

২১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪৫
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
সরি ভাইয়া, আমার অনুভূতির প্রকাশ বুঝানোর জন্য রিটোরিকটি দরকার ছিল ।
বিবিক্ত মানে আলাদা, স্বতন্ত্র ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: আরে ভাই সরি হওয়ার কিছু নাই । এটা আমার সীমাবদ্ধতা । সরি বললে আমার বলা উচিত ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: পড়তে থাকুন । ধন্যবাদ ।

২৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার লেখাটা
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি । আশা করি পরবর্তী পর্বগুলিও পড়বেন ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ বিমা ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: যাক আকাজের লোকের ভিড়ে একজনকে পাওয়া গেল কাজের মানুষ ।

নিক পছন্দ হয়েছে । :)

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১২
সালিশদার বলেছেন: নির্বাচিত পোষ্টে রাখা হউক এ পোষ্টটি
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১২
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: মিরাজ ভাই অসাধারণ।
চলুক সাথে আছি, থাকব।
আশা করি পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালো আছেন।
আপনার সাথে কি চলতি সপ্তাহে দেখা করা যাবে?
জানালে খুশী হব।
ধন্যবাদ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৩

লেখক বলেছেন: এ সপ্তাহেই দেখা হবে আশা করি ।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ রাশেদ ।

২৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: চালান ... আছি ... আবারও হ্যাটস অফ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনারা সাথে আছেন দেখেই লেখার অনুপ্ররণা পাই ।

৩০. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫২
ওয়ামি বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। পরবর্তী পর্বগুলো পড়ার আগ্রহ রইলো। ধন্যবাদ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

৩২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ আপ্নাকে...

চলুক
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: চলবে । পরবর্তী পর্বগুলি পড়ার আমন্ত্রণ রইল ।

৩৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২২
মাহবুব সুমন বলেছেন: চলবেই............
পড়ছি
ধন্যবাদ অনেক।
এই প্রথম একটা ব্লগ পড়লাম যেখানে সুন্দর ভাবে রেফারেন্সিং করা হয়েছে, ধন্যবাদ এটার জন্যও।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

ভাইজান, ভাষা আন্দোলন নিয়ে পুরো সিরিজটাও রেফারেন্সিং করা ছিল ।

৩৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: পড়ছি আগ্রহ নিয়ে। চলুক
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । পরবর্তী পর্বগুলি পড়ার আমন্ত্রণ রইল ।

৩৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
হয়তো পরবর্তীতে জানাবেন তবে আগেই অনুরোধ করছি ১৯৫ জনের লিষ্টটা দেয়ার।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যাদ ।

এই ১৯৫ জন পাকিস্তানী নাগরিক । চেষ্টা করবো লিষ্টটা দেবার ।

৩৬. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
ৈকলাশ বলেছেন: খুব ভাল প্রয়াস- অনেক ধন্যবাদ।চলুক।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৈলাশ পড়বার এবং সাথে থাকার জন্য ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাভদ ।

৩৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
সেলিম তাহের বলেছেন: যথারীতি পরিশ্রমলব্ধ সময়োপযোগী একটি পোস্ট। পর্ব ২ এর অপেক্ষায় রইলাম। +
৪০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম তাহের এবং সোনার বাংলা । পরবর্তী পর্ব প্রকাশিত হয়েছে ।
৪১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৯
মৃদুল মাহবুব বলেছেন: খুবই ভালো একটা পোষ্ট। চলুক।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ । চেষ্টা করছি নিজের জানা কিছু ব্যাপার সবার সাথে শেয়ার করতে ।

৪২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১২
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


নিঃসন্দেহে ভালো পোস্ট। +
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সারওয়ারচৌধুরী ।

পরবর্তী পর্বগুলিও পড়ার আমন্ত্রণ রইল ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২০৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই