আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

ফিরে দেখা ইতিহাস : যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম : পর্ব-২

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২০

শেয়ারঃ
0 0 0

ইতিহাসের র্ববরতম যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে । কিন্তু আমরা ব্যর্থ হয়েছি সেই যুদ্ধাপরাধ এর অন্যতম সংঘটনকারী পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে । আর এখনো পারিনি তাদের এ দেশীয় দোসর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করতে । আমি এই সিরিজটিতে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী যারা আটক ছিল, যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ ছিল, বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেবার পরও কোন পরিস্থিতিতে, কি কারনে একটি নব্য-স্বাধীন দেশ তার জন্মযুদ্ধের সময় যারা মানবতার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটন করলো তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল চার্জ "as an act of clemency" বা "দয়াশীলতা ও ক্ষমার মহত্ব" দেখিয়ে প্রত্যাহার করলো সেটি তুলে আনার চেষ্টা করছি ।

(পূর্ববর্তী পর্বের পর)
পাকিস্তানের অবস্থান বুঝতে হলে আমাদের একটু পেছন ফিরে তাকাতে হবে । ১৯৭২ এর ২ জুলাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের মধ্যে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয় যেটি "সিমলা চুক্তি" নামে পরিচিত । এই চুক্তি অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে সকল প্রকার যুদ্ধ-বিবাদ এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে দুইপক্ষের কাছেই আটককৃত যুদ্ধবন্দী ও আটকে পড়া নাগরিকদের বিনিময় কর্মসূচী চালুর ব্যাপারে সম্মত হয় (১) । উল্লেখ্য আটককৃত পাকিস্তানী যুদ্ধবন্দীদের সিংহভাগ মুক্তিযুদ্ধের সময় আটক হলেও সিমলা চুক্তিতে বাংলাদেশ কোনো পক্ষ ছিলোনা । এর প্রধান কারণ ছিলো পাকিস্তান তখনো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং বাংলাদেশ সরকারের সাথে কোন প্রকার আলোচনায় রাজী ছিলোনা । বাংলাদেশ সিমলা চুক্তিকে স্বাগত: জানায় এবং যুদ্ধবন্দীদের রিপ্যাট্রিয়েশন চালু করার ব্যাপারে ভারতের কাছে সম্মতি প্রদান করে । (২)

এরপর ১৯৭৩ সালের ১৭ই এপ্রিল ভারত এবং বাংলাদেশ এক যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে বিদ্যমান হিউম্যানিট্যারিয়ান ক্রাইসিস মোকাবেলায় একটি দিক নির্দেশনা প্রদান করলো । যৌথ ঘোষনায় বলা হলো "they are resolved to continue their efforts to reduce tension, promote friendly and harmonious relationship in the sub-continent and work together towards the establishment of a durable peace ". এই ঘোষণার মাধ্যমেই ১৯৫ জন চিন্হিত যুদ্ধাপরাধী ছাড়া বাদ বাকী সকল যুদ্ধবন্দীর পাকিস্তানে রিপ্যাট্রিয়েশনের পথ উন্মুক্ত হলো (২, ৩)। একই দিন রেডিও বাংলাদেশের এক ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৫ জনের বিচারের ব্যাপারে তাদের অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করলো । (৪)

বাংলাদেশ এই বিচার প্রক্রিয়া শুরুর জন্য ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ করে এবং ভারত সেই প্রস্তাবে সম্মতি জ্ঞাপন করে । এই অবস্থায় পাকিস্তান ভারত কর্তৃক পাকিস্তানী নাগরিক এই ১৯৫ জনকে বাংলাদেশ (যার সার্বভৌম অস্তিত্বকে তখনো পাকিস্তান স্বীকার করেনা) হস্তান্তরের পরিকল্পনার প্রতিবাদ করে এবং আটকে পড়া বাংলাদেশী নাগরিকদের পণবন্দী হিসাবে ব্যবহারের হুমকি দেয় । (৫)

এরপরও বাংলাদেশ বিচার প্রক্রিয়া চালাবার ব্যাপারে অনড় অবস্থানে থাকলে ১৯৭৩ সালের ১১ই মে পাকিস্তান এই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে (পাকিস্তানের ভাষায় যুদ্ধবন্দী) ভারত কর্তৃক বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিপক্ষে এবং এই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রস্তাবিত বিচার প্রক্রিয়া জেনেভা কনভেনশনের লংঘন উল্লেখ করে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাষ্টিসে একটি মামলা দায়ের করে । মামলার নথি নম্বর ৪২৬ । এই মামলার আর্জিতে পাকিস্তান সরকার হেগে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাষ্টিসের কাছে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া বন্ধ করার নির্দেশ দান এবং বাংলাদেশে প্রস্তাবিত বিচার প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষনার দাবী জানায় । (৬)

এই আর্জিতে পাকিস্তান এই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর কর্তৃত্ব দাবী করে তাদের আন্তর্জাতিক আদালতে নিরপেক্ষ ও যোগ্য বিচারক এর মাধ্যমে একটি ট্রাইবুন্যাল গঠনের প্রস্তাব দেয় এবং বাংলাদেশে গঠিত ট্রাইব্যুনালের আইনগত ভিত্তি বাতিলের দাবী জানায় । মামলার মুল নথি থেকে " Pakistan does not accept that India has a right to transfer its prisoner of wars for trial to Bangladesh and claims that by virtue of Article VI of genocide convention, persons charged with genocide shall be tried by a Competent Tribunal of the state in the territory of which the act was committed. This means that Pakistan has exclusive jurisdiction to the custody of persons accused of the crimes of genocide, since at the time acts are alleged to have been committed, the territory of East Pakistan was universally recognised as part of Pakistan.

....That a competent tribunal means a Tribunal of impartial judges, applying international law, and permitting the accused to be defended by counsel of their choice. ..... in the atmosphere of hatred that prevails in Bangladesh, such a competent tribunal cannot be created in practice....." (৪)

পাকিস্তান এই আর্জিতে সুকৌশলে যেটি এড়িয়ে যায় সেটি হলো ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশের সরকারের আনুস্ঠানিক শপথ গ্রহণ । এর ফলে যুদ্ধাপরাধ সংঘটন হবার স্থল পূর্ব - পাকিস্তান পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত এবং সেই সুবাদে সকল যুদ্ধবন্দীর কর্তৃত্ব পাকিস্তানের এই দাবীর আইনগত ভিত্তি ছিল দুর্বল । অন্যতম প্রধান যুক্তি ছিল জাতিসংঘের ততদিনে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান না করা ।

ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাষ্টিস মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এবং ভারত-পাকিস্তান উভয় পক্ষকে তাদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রদান করার নির্দেশ দান করে । এই মামলাটি ছিলো বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করবার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। (৬)

পাকিস্তান এই মামলা করলেও ভারতের সাথে যুদ্ধবন্দী প্রত্যর্পনের জন্য্ আলোচনা চালিয়ে যেতে থাকে । এবং বিপরীতে বাংলাদেশ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য ট্রাইবুন্যাল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে । এর প্রাথমিক ধাপ হিসাবে সংসদে গৃহীত International Crimes Act 1973 বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশের নাগরিক ছাড়াও যে কোন দেশের নাগরিককে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের ক্ষমতা প্রদান করে ।

International Crimes Act এর মুলকপি থেকে
" It gives Bangladesh the power to try and punish any person irrespective of his nationality, who, being a member of any armed, defence or auxiliary forces commits or has committed, in the territory of Bangladesh, whether before or after the commencement of this Act, any of the following crimes… namely crimes against humanity, crimes against peace, genocide, war crimes, violations of
humanitarian rules applicable in armed conflicts laid down in the Geneva Convention of 1949 and any other crimes under international law." (৭)


এর মাঝে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাষ্টিস ১৯৭৩ সালের ১৩ই জুলাই একটি সংক্ষিপ্ত সেশনে পাকিস্তানের দায়ের করা মামলাটি আদৌ ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাষ্টিসের আওতার মধ্যে পড়ে কিনা তা নির্ধারণের জন্য পাকিস্তানকে ১ অক্টোবর ১৯৭৩ এবং ভারতকে তার জবাব দেবার জন্য ১৫ই ডিসেম্বর ১৯৭৩ পর্যন্ত সময় বেধে দেয় । (৮)

পাকিস্তান মামলাটি মুলত: ভারতকে চাপে ফেলার জন্য করলেও মামলাটি চালাতে উৎসাহী ছিলোনা । এর চাইতে তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার দিকে বেশী গুরুত্ব প্রদান করে । যদিও প্রকৃত পক্ষে আলোচনা হচ্ছিল ত্রিমুখী । ভারত আর পাকিস্তানের সাথে আলোচনার পাশাপাশি সেই আলোচনার সূত্র ধরে আলোচনা হচ্ছিল ভারত আর বাংলাদেশের মধ্যে ।

অবশেষে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯ দিন ব্যাপী আলোচনার পর বাংলাদেশের সম্মতিতে ২৮শে আগষ্ট ১৯৭৩ দিল্লীতে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয় । এই চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই তিন দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দী প্রত্যার্পন ও আটকে পড়া নাগরিকদের বিনিময় অবিলম্বে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয় । এই ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী ব্যতীত বাদ বাকী পাকিস্তানী যুদ্ধবন্দীদের প্রত্যর্পনে সম্মত হয় এবং ১৯৫ জনকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের সম্মুখীন করতে অনড় থাকে । (৯)

এই চুক্তি মোতাবেক সকল যুদ্ধবন্দীর প্রত্যর্পন সম্পন্ন হবার পর বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান প্রথমবারের মত সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর ভাগ্য নির্ধারন করতে সম্মত হয়। এর আগ পর্যন্ত এই যুদ্ধাপরাধীরা ভারতের তত্বাবধানে থাকবে । ১৩ই সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ থেকে দিল্লী চুক্তি অনযায়ী যুদ্ধবন্দী প্রত্যর্পন এবং আটকে পড়া নাগরিক বিনিময় শুরু হয় । (২)

(চলবে)

তথ্যসূত্র
১। সিমলা চুক্তি, Click This Link এবং Click This Link
২। Tripartite Agreement between India, Bangladesh and Pakistan for normalisation of relations in the subcontinent. New Delhi, April 9, 1974.
৩। AHMED, Ziauddin. The case of Bangladesh : bringing to. trial the perpetrators of the 1971. genocide. Page 103
৪। International court of Justice, Proceedings of Trial of Pakistani Prisoners of War (India vs Pakistan)
৫।The weakness in the International Protection of Minority Rights, Javaid Rahman, Kluwer Law International, Page 96-97
৬। International court of Justice, Trial of Pakistani Prisoners of War, Oral Arguments - Minutes of the Public Sittings held at the Peace Palace, The Hague, from 4 to 26 June 1973
৭। Act No.XIX of 1973 (published in the Bangladesh Gazette, Extra, on July 20, 1973): An Act to provide for the detention, prosecution
and punishment of persons for genocide, crimes against humanity, war crimes and other crimes under international law.
৮। International court of Justice, Trial of Pakistani Prisoners of War, Official Order of 15 December 1973, নথি নং ৩৯৩
৯। Time, Monday September 17, 1973

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬
মরিযাদ হারুন বলেছেন: আরো তথ্য জানা থাকলে জানাবেন।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ । অবশ্যই জানাতে চেষ্টা করবো ।

২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: তারপর ঐ ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর কি হইল ........?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: পরবর্তী পর্বে জানতে পারবেন । সাথে থাকুন ।

৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: এটাকে কি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের ব্যর্থতা বলবো,যেরকম ব্যর্থতা এখনো বাংলাদেশ দেখিয়ে চলেছে?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: কূটনীতিতে ব্যর্থতা তো বটেই তবে এ ছাড়াও কিছু সিদ্ধান্ত বিস্ময় জাগায় । শেষ পর্বে এগুলি আলোচনায় আসবে ।

৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪২
মরিযাদ হারুন বলেছেন: এটাকে কি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের ব্যর্থতা বলবো,যেরকম ব্যর্থতা এখনো বাংলাদেশ দেখিয়ে চলেছে?
ফারহান দাউদের সঙ্গে আমারও প্রশ্ন।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: প্রশ্নের জবাব আগামী পর্বে পাবেন । আশা করি সাথে থাকবেন ।

৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
আকাশচুরি বলেছেন: অধির আগ্রহে অপেক্ষা পরবর্তি পর্বের জন্য
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আশা করি দুই এক দিনের মধ্যেই পরবর্তী পর্ব পাবেন ।

৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। আর হ্যাঁ, পুরো লেখাটা সম্ভবত দু'বার হয়ে গেছে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: এডিট করতে যেয়ে দুবার হয়ে গিয়েছিল । ঠিক করে দিয়েছি।

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ধন্যবাদ। চলুক. . . . . . সাথে আছি। তবে, ঐ ১৯৫ দের নামের তালিকা দিতে পারলে ভালহত।

একটা বিষয় যোগ করতে চাই। জানি না ব্যাপারটা এই পোস্টের বিশয় বস্তুর সাথে কতটা জড়িত। পাকিস্তান যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে চেয়েছিল, সেই সাথে কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে এসেছে এ যাবৎ যারা আমাদের এ অংশের হয়েও পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়েছিলেন ৭১-এ।

একটা নাম আমার জানা। সে চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (দেবাশীর রায়ের পিতা, যে এখন বাংলাদেশে প্রতিমন্ত্রির মর্যাদায় অধিষ্ঠিত) । রাজা চাকমা ত্রিদিব রায় একাত্তরে পাকিস্তানকে সমর্থন দেন। চাকমা জাতিকে একাত্তরে রাজাহীন অবস্থায় ফেলে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে যান। এই আনুগত্যের পুরস্কার স্বরূপ পাকিস্তানের সব সরকার তাকে এ যাবৎ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। এমনকি তিনি পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন।

এদের ব্যাপারেও কিছু তথ্য থাকলে আমাদের জানান।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: ত্রিদিব রায় পাকিস্তান পন্থী ছিলেন এবং শীর্ষস্থানীয় একজন কোলাবরেটর । পরবর্তীতে বিস্তারিত লেখার আশা রাখি ।

৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫০
বিবর্তনবাদী বলেছেন: দেবাশীর রায় -> দেবাশীষ রায়
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
সোনার বাংলা বলেছেন:
বিবর্তনবাদীর সাথে একমত।
যদি পার ঐ ১৯৫ জন পশুর নামের তালিকাটা ও দেন।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: নামের তালিকা দেয়াটা কঠিন হবে । তারপরও চেষ্টা করবো দেবার জন্য । না দিতে পারলে অবশ্যই তার কারন ব্যাখ্যা করবো ।

১১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০২
ইরতেজা বলেছেন: চলুক....
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ওই ১৯৫ য়ের ভিতর ভিআইপি দালাল কেডা কেডা ছিল ?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: নামের তালিকা দেয়াটা কঠিন হবে । তারপরও চেষ্টা করবো দেবার জন্য । না দিতে পারলে অবশ্যই তার কারন ব্যাখ্যা করবো ।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ইরতেজা ।

১২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: হুম ইরতেজা ভালই কইছেন। টাইপিং জাতীয় জটিলতা থাকলে ভিআইপিদের নাম দিলেই চলবে।
১৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: ভালো লাগলো।ধন্যবাদ।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আশা করি সাথে থাকবেন ।

১৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২১
মিরাজ বলেছেন: আমি এই মুহুর্তে ল্যাবে কিছু জরুরী কাজ করছি । পোষ্টটা দেবার পরই শুরু করেছি ।

ঘন্টাখানেকের মধ্যে ফ্রি হয়ে যাব। তারপর সবার প্রশ্নেরই জবাব দিতে পারবো বলে আশা করি ।
১৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২২
মৃদুল মাহবুব বলেছেন: চলুক। খুব ভালো তথ্য বহুল একটা লেখা লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মৃদুল মাহবুব ।

আশা করি নিয়মিত পড়বেন ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ ।

১৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: দৌড়াক......।
বরাবরের মতই অনেক গোছানো লেখা। ভালো লাগল।
মিরাজ ভাই আপনি লিখে যান, সাথে আছি।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

১৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: সেই ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর তালিকাটা তুলে দিতে পারেন কিনা দেখেন মিরাজ ভাই । বহুত নেকী পাইবেন :)

ধন্যবাদ আপনাকে । চলুক....
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: তুলেতো দিতে চাই কিন্তু সমস্যা হলো তালিকাটি সম্ভবত: পাবলিক ডোমেইনে নাই । যে সব বই বা সূত্র থেকে লিখছি সেখানে দুএকটি নাম ছাড়া পুরো তালিকা নেই ।

তারপরও চেষ্টা করছি তালিকাটি জোগাড় করার ।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মিরাজ ভাই
চলুক ......
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ বিমা ।

২০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৫
কোলাহল বলেছেন: পড়ছি। চলুক।

নিজে ঘাটাঘাটি করার ধৈর্য নাই। কস্ট করে আমাদের জন্য তুলে আনছেন বলে ধন্যবাদ +

ত্রিদিব রায় পাকিস্তান পন্থী ছিলেন এবং শীর্ষস্থানীয় একজন কোলাবরেটর আমিও শুনেছিলাম আগে। আপনার কাছ থেকে আবার শুনলাম।

চীনপন্থী বুদ্ধিস্ট সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও একই কথা শোনা যায়।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । লিখতে লিখতে আমিও কিছু কিছু জিনিস ডিটেইলে জানছি ।

২১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মিরাজ ভাই,
তাড়াতাড়ি পরের পর্ব নামান ... অনেক ডিটেইলসে সব জানা যাচ্ছে

একটা কথা নিশ্চিত হবার জন্য জিজ্ঞেস করছি...
যে ৯০৫০০ যুদ্ধবন্দী ভারতের হেফাজতে ছিল সেখানে ১০ হাজারের মতো সিভিলিয়ান থাকলেও বাঙালী রাজাকার/আলবদর?আলশামস/শান্তিকমিটির লোকেরা সেখানে ছিলনা, তাইনা?

১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীও কিন্তু শুধু পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী ছিল, তাইনা? বাঙালী যুদ্ধাপরাধীদের লিস্ট (গোআ, আব্বাস, নিজামী এগুলা ) ছিল আলাদা, তাইনা?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাইজান পরের পর্বতো তাড়াতাড়িআ নামাইতে চাই কিন্তু পরের পর্বে এমন কিছু তথ্য আছে যে সেগুলি কয়েকটি সোর্স থেকে যাচাই করছি । আজকে আবার ব্রিটিশ লাইব্রেরীতে যাবো । কালকের আগে পরবর্তী পর্বের কোন সম্ভাবনা নাই ।

১৯৫ জনই ছিল পাকিস্তানী নাগরিক, আমাদের কুলাংগাররা ওই লিষ্টে ছিলনা । ওদের ভিন্ন একটি লিষ্ট ছিল ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
অচেনা বাঙালি বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায়।
অন্য সবাইর মতো ১৯৫ যুদ্ধপরাধী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আগ্রহ নিয়ে আছি।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আমি ১৯৫ জন সম্পর্কে যতটা পারি জানাতে চেষ্টা করবো ।

২৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: মিরাজ ভাই...
আপনার এই লেখাগুলো কি কোথাও / কোন সাইট এ ব্যবহার করা যাবে?

আপনার সাথে বিস্তারিত মেইলা মেইলির ইচ্ছা পোষন করছি...
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: সম্ভবত: যাবে ।

মেইল এ্যাড্রেস পেলাম । এবার বিস্তারিত মেইলা মেইলির মাধ্যমে জেনে তারপর ঠিক করা যাবে । :)

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: মেইলা মেইলি শুরু করেছি । মেইল চেক করেন ।

২৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মা - টির জন্য বড্ড মায়া হচ্ছে । জন্মের সাথে সাথেই শিশুটির উপর ঝাপিয়ে পরেছিল বৈশ্বিক পালোয়ানগুলো কূটনীতির গদা হাতে নিয়ে ।
সব ই কি , রাজনীতি আর কূটনীতি ?
মানবতা বলে কিছু নেই ?
ঐদিন এক বন্ধুর বিদগ্ধ মত ছিল -- আমেরিকা ৭১ এ আমাদেরকে সাপোর্ট দিলে , অনেক ৭১ এ বাংলাদেশের অনেক মিত্র ই নাকি শত্রু হয়ে যেত !
নিরীহ মানুষের কথা কেউ কি কোনদিন ভেবেছে ?
মনটা আসলেই খারাপ হলো, মিরাজ ভাই ।

ohh GOD ! Show us the door of a purgatory !
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আসলেই সবই রাজনীতি আর কূটনীতির খেলা আর এর সাথে আছে জবাবদিহিতার অভাব এবং ভবিষ্যত দেখতে না পারার অক্ষমতা ।

রাজনীতি আর কূটনীতির খেলায় মানবতার অবস্থান সব সময়ই অনকে পিছনে ।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

২৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
পুতুল বলেছেন: অনেক কিছুই জানতামনা। তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ পুতুল । আশা করি পরবর্তী পর্বগুলিও পড়বেন ।

২৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
পুতুল বলেছেন: আপনার লেখা লিখতে খুব খাটুনী যায়! অনেক তথ্য সন্ধান করতে হয়। আর আমরা এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলি। অনেক গুলোতে প্লাস দিয়ে গেছি। মন্তব্য করা হয়নি। ভেবেছি মন্তব্যের জবাব লিখার খুটুনী থেকে অন্তত বাঁচাই।
কিন্তু আমার নিজের লেখায় কেউ মন্তব্য না করলে খারাপ লাগে!
তাই এখন থেকে ভাবছি জানিয়ে যাব, লেখাটি কত ভালল লেগেছে!
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো আপনার কথাগুলি ।

দশটি রেটিং পাবার চাইতে একটি মন্তব্য পাওয়াকে আমি অনেক বেশী মুল্য দেই ।

ভবিষ্যতেও আপনার মন্তব্যের প্রত্যাশায় থাকলাম ।

২৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৪
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


অজানা কিছু বিষয় জানা হলো।
পরিশ্রমী পোস্ট +

আজ সকালে পড়ে দ্রুত লগ আউট করতে হয়েছিলো।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমিও লিখতে যেয়ে পড়তে পড়তে অজানা অনেক কিছুকে জানছি আর সেটিকেই আপনাদের সামনে তুলে আনার চেষ্টা করছি ।

৩০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০
ফেলুদা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ফেলুদা এইটা কাকে বললেন? আমি যে সবাইকে পড়ার জন্য ধন্যবাদ দেই সেটাকে ব্যঙ্গ করলেন?

যদি তাই করে থাকেন তাহলে খুব একটা শোভনীয় দেখালোনা ব্যাপারটা ।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ফেলুদা কি জবাবটি দিবেন? আপনার এই মন্তব্যের অর্থ কি?

৩১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
লোকেন বোস বলেছেন: পড়ছি... অজানা অনেক কিছু জানছি... ধন্যবাদ ।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: আপনাদের সাথে সাথে আমিও জানছি । সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ । পরবর্তী পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ রইল ।

৩২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
মিরাজ বলেছেন: মেহরাব, আপনার মন্তব্য বাগে খেয়ে ফেলেছে । আবার করলে খুশী হবো ।
৩৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মনযোগ দিয়ে পড়ছি । ১৯৫ জনের কথা সবার জানা থাকলেও , কেন তারা রেহাই পেয়ে গেলো , সেটা সম্ভবত অধিকাংশের অজানা ।

অনন্য প্রয়াসের জন্য ধন্যবাদ
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: মেহরাব আগামী পর্বটি পড়ার আমন্ত্রন জানিয়ে রাখছি । আগামী পর্বে অনেক অজানা ব্যাপার সামনে আসবে ।

৩৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মিরাজ ভাই , আরেকটা তথ্য জানতে চাইছি । যুদ্ধাপরাধের বিচার কি বাংলাদেশের আইনে করা সম্ভব ছিল , নাকি আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে করার বাধ্যবাধকতা ছিল ?
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: International Crimes Act 1973 বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশের নাগরিক ছাড়াও যে কোন দেশের নাগরিককে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের ক্ষমতা প্রদান করে । তাই আন্তর্জাতিক আদালতে করার বাধ্যবাধকতা ছিলোনা । জেনেভা কনভেন

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই