somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিকষ কালো এই আঁধারে

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা ঘটনা পড়ে অনেক খারাপ লাগল। আপনারা ও পড়ুন, যদিও কাহিনীটা অনেক পুরোনো। লেখাটা মূলত একটা গানকে নিয়ে। প্রথমেই লিরিকটি দেখুন.....

নিকষ কালো এই আঁধারে

অন্ধকার ঘরে, কাগজের টুকরো ছিঁড়ে
কেটে যায় আমার সময়
তুমি গেছো চলে
যাওনি বিস্মৃতির অতলে
যেমন শুকনো ফুল বইয়ের মাঝে রয়ে যায়

রেখেছিলাম তোমায় আমার হৃদয় গভীরে
তবু চলে গেলে এই সাজানো বাগান ছেড়ে
আমি রয়েছি তোমার অপেক্ষায়……

নিকষ কালো এই আঁধারে
স্মৃতিরা সব খেলা করে
রয় শুধু নির্জনতা
নির্জনতায় আমি একা
একবার শুধু চোখ মেলো
দেখো আজ পথে জ্বালি আলো
তুমি আবার আসবে ফিরে
বিশ্বাসটুকু দু’হাতে আঁকড়ে ধরে।

কিছু পুরোনো গান
কিছু পুরোনো ছবির অ্যালবাম
এসবই আমার সাথী হয়ে রয়

কাকডাকা ভোরে
যখন সূর্য ঢুকে ঘরে
কালো পর্দায় বাধা পেয়ে সরে যায়
আমার এ জগত বড় আগলে রাখে আমায়
তবু মাঝে মাঝে মনে হয়
মৃত্যুই কি শ্রেয় নয়
আমি রয়েছি তোমার অপেক্ষায়

নিকষ কালো এই আঁধারে
স্মৃতিরা সব খেলা করে
রয় শুধু নির্জনতা
নির্জনতায় আমি একা
একবার শুধু চোখ মেলো
দেখো আজ পথে জ্বালি আলো
তুমি আবার আসবে ফিরে
বিশ্বাসটুকু দু’হাতে আঁকড়ে ধরে

আমার সব গান ধূলোয় মিশে যেতে চায়
অস্তিত্বের প্রয়োজনে
চাই তোমাকে এখানে
আমি রয়েছি তোমার অপেক্ষায়

নিকষ কালো এই আঁধারে
স্মৃতিরা সব খেলা করে
রয় শুধু নির্জনতা
নির্জনতায় আমি একা
একবার শুধু চোখ মেলো
দেখো আজ পথে জ্বালি আলো
তুমি আবার আসবে ফিরে
বিশ্বাসটুকু দু’হাতে আঁকড়ে ধরে।

নেপথ্য কাহিনী:
গানটির রচয়িতা,গীতিকার ও সুরকার চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র।
৫ বছর ধরে একটি মেয়ের সাথে ছেলেটির সম্পর্ক থাকে। কী এক অজানা কারণে মেয়েটি ছেলেটিকে ছেড়ে আর একজনের সাথে সম্পর্ক করে। এতে সেই ছেলেটি অনেক দুঃখ পেয়ে গানটি রচনা করে মেয়েটিকে উৎসর্গ করে। তারপর অনেক কষ্ট পেয়ে আত্মহত্যা করে। গানটি শোনার পর মেয়েটি যখন ছেলেটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে সে তার জন্যই আত্মহত্যা করেছে,এরপর সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে এর জন্য দোষী ভেবে সেও আত্মহত্যা করে। আবার ওই মেয়েটির সাথে তখন যে ছেলেটির সম্পর্ক চলছিলো সেও মেয়েটির আত্মহত্যার কথা শুনে থাকতে না পেরে সেও আত্মহত্যা করে। গানটি পেপার রাইম নামে একটা ব্যান্ড ১৯৯৯ সালের দিকে তাদের একটি অ্যালবামে বের করে।

গানটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২৬
৯টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×