somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুজিব রহমান
সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

অন্ধকারের উত্থান

১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জামালপুর সদর থানার চরশী খলিফা গ্রামের শায়খ আব্দুর রহমানের পিতা আব্দুল্লাহ ইবনে ফজল স্বাধীনতা যুদ্ধে বদর বাহিনীর অন্যতম সংগঠক ছিলেন। স্বাধীনতার পরে এজন্য ২৯ মাস ময়মনসিংহ কারাগারে আটক ছিলেন। শায়খের জন্ম ১৯৬৪ সালে উত্তারাঞ্চলের কোন এক স্থানে। নির্দিস্ট করে তার জন্মস্থান ও তারিখ কোথাও নেই। তিনি নিজেও জানেন না। তার পিতা বিভিন্ন জায়গায় ওয়াজ করতে যাওয়ার সময় স্ত্রীকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। উত্তরাঞ্চলে কোন এক জায়গায় ওয়াজ করতে যাওয়ার সময় সেখানেই শায়খের জন্ম হয়। বাবা তার নাম রাখেন এহসান। পরে এহসান মাওলানা নামেই পরিচিতি লাভ করেন। গ্রামের বাড়ির নিকট কামাল খান হাট সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও ফাজিল পাস করেন। পরে আল মদিনা ইউনিভার্সিটি থেকে আরবি সাহিত্যে লিসেন্স ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে সরিষাবাড়ি আরাম নগর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৬ সালে কামিল পাস করেন। এ সময়ে আহলে হাদিস নেতা হিসাবেই পরিচিত ছিলে।
মাদার গঞ্জের মির্জা আবুল কাশেম পবিত্র হজ্বব্রত পালন করতে গিয়ে সাক্ষাৎ পান আব্দুর রহামনের। তার ব্যবহারে মির্জা মুগ্ধ হন। দেশে এসে তার না-বালিকা কন্যা আয়েশা রহমান রূপাকে বিয়ে দেন আব্দুর রহমানের সাথে। রূপা আওয়ামীলীগের সাংসদ মির্জা আজমের বোন। পিতা পরিবারের অন্যান্যদের অমতেই মেয়ের বিয়ে দেন। পরবর্তীতৈ মির্জা আজমের বড় ভাইর জানাযা নামাজের সময় মাদারগঞ্জে শ্বশ্বুর বাড়িতে আসে শায়খ। শ্বশুর জামাইকে যানাযায় শরিক হতে বললে শায়খ বলেন, কোন নাস্তিকের যানাযায় শরিক হইনা। এতে মির্জা আবুল কাশেম জামাই শায়খকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এরপর দুই পরিবারের মধ্যে কোন সম্পর্ক ছিল না। শায়খ চারপুত্র ও এক কন্যাকে সন্তানের জনক। এক কন্যা আফিফা রহমানের স্বামী জঙ্গি আব্দুল আউয়াল। পুত্রগণ হলেন নাবিল ওরফে তানভীর, মাহমুদ ওরফে আরশাদ, ফুয়াদ ও আহমেদ।
শায়খ রহমানের বাবা আব্দুল্লাহ ইবনে ফজল ওরফে ফজলমুন্সী এলাকায় অনলবর্ষী বক্তা হিসাবেই পরিচিত। সে ছিল কুখ্যাত রাজাকার। তার হাতে অর্ধশতাধিক মানুষ নৃশংসভাবে খুন হয়েছে বলে জনশ্র“তি রয়েছে। উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার অনেক অনুসারী রয়েছে। তিনি জমিয়াত আহলে হাদিসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ১৯৮৪ সালে রাজশাহী রানীনগঞ্জে আহলে হাদিস জামে মসজিদে অবস্থান করলে মারা যান। ফজল মুন্সীর বাড়ি জামালপুরে, দাদার বাড়ি মাদারগঞ্জে হলে মায়ের ওয়ারিশ অংশে স্থায়ী বাড়ি করেন জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লী ইউনিয়নের চরশী খলিফা পাড়ায়। জেলা শহর থেকে মাত্র ১৫ কি.মি দক্ষিণে। একই সঙ্গে জেলা শহরে নয়া পাড়াতেও বাড়ি করেন। শায়খ রহমানের চার ভাই ও পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। ছোট ভাই আতাউর রহমান সানী। তিনি জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান। আরেক ভাই ওবায়দুর রহমানও জেএমবির নেতা। সকলেই কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত। বোনেরাও মহিলা ইউনিটের কর্মী।
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরে দেশে ফিরে শায়খ উপাধী ধারণ করেন। আহলে হাদিস নেতাকর্মীদের নিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে সশস্ত্র জিহাদ ঘোষণা করে। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা তার প্রতিবাদ করে। পরে সংগঠনের এক সভায় তাকে বহিস্কার করা হয়। আরেক নেতা আসাদুল্লাহ আল গালিব আহলে হাদিস আন্দোলনের সভাপতি হন। আব্দুর রহমান আহলে হাদিসের আরেকটি গ্র“প গঠন করেন। ১৯৮৮ সালে শায়খ ভারতের ইসলামি জঙ্গি নেতা আবুল মতিন মালাফির সাথে সাক্ষাতের জন্য বিহার যান। ১৯৯২ সালে শায়খ সৌদি আরবে কুয়েত দুতাবাসে চাকরী করতে চলে যান। সেখানে রিভাইভাল অব ইসলামিক হেরিটেজ আল হারামাইনসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের কাছ থেকে ইসলামি শাসন বাস্তবায়নের জন্য কোটি কোটি টাকা নেন। ১৯৯৩ সালে দেশে ফিরে আহলে হাদিস আন্দোলনের নামে অর্থ ব্যয় করতে থাকেন। ১৯৯৭ সালে জেএমবি আত্মপ্রকাশ করলে শায়খ নিজেকে আমির হিসাবে ঘোষণা দেন। সাবান ফ্যাক্টরী করেন আড়ালে বোমা তৈরির জন্য জঙ্গি কর্যক্রম আড়াল করার জন্য শুকনা মরিচের ব্যবসা ধরেন। রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও জামালপুরে সারের ডিলারশিপ নেন। ২০০২ সালে জেএমবি প্রকাশ্য কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় দিনাজপুরে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। প্রচারণার জন্য মাসিক ৪টি পত্রিকা বের করেন।
বাংলা ভাইর পুরা নাম মো. সিদ্দিকুল ইসলাম। বিভিন্ন স্থানে তিনি আজিজুল ইসলাম অথবা ওমর আলী লিটু বলেও নিজের পরিচয় দিয়েছেন। বাংলা ভাইর পিতা মো. নজির হোসেন মাষ্টার ওরফে শমসের মাস্টার একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। তারা বগড়া জেলার গাবতলী থানার মহিষাবান ইউনিয়নের কনা পাড়ার বাসিন্দা। বাংলা ভাই ছোট বেলায় সিদ্দিক নামেই পরিচিত ছিল নিজ এলাকায়, গাবতলী থানার লাঠিগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং তরফ সরাজ মাদ্রাস থেকে পাস করে বগুড়া আযিযুল হক কলেজে ভর্তি হন। এ কলেজে পড়াকালিন যোগ দেন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবিরে। পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন। ১৯৯৫ সালে বাংলায় মাষ্টার্স পাস করেন। তিন বছর পর বাঙলার শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন লাঠিগঞ্জ কলেঝে। ২০০০ সাল পর্যন্ত ওই কলেজেই শিক্ষকতা করেন। বাংলা পড়ানোর জন্য কোচিং সেন্টার থেকে ডাক আসলে সে সাড় দেয়। কোচিং এ কিছুদিন ক্লাশ নেয়ার পর তিনি চাকরী পান রাজশাহী বাগমারা করেলঝে। এ সময় তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি সর্বহারা নিধনে পরিকল্পনা শুরু করেন। মূলত বাগমারা এলাকা থেকেই শিক্ষা থেকে চরমপন্থী জীবনের দিকে এগিয়ে যান । তিনি ভাইর মধ্যে বাংলা ভাই সবার ছোট। বড় ভাই রফিকুল ইসলাম মেঝো ভাই জহিরুল ইসলাম একটি মদ্রাসর ভাইস প্রিন্সিপাল। বছর তিনেক আগে গাইবান্ধ জেলার সাঘাটা এলাকার ইব্রাহিক খলিলের সুন্দরী কন্যা ফাহিমা আক্তারকে বিবাহ করেন। তাদের একমাত্র পুত্রের বয়স দেড় বছর । পুত্রের নাম সাদ ইবনে সিদ্দিক। ১৯৮০ সালে বাংলা ভাই শায়খ আ. রহমানের সাথে আফগান যুদ্ধে অংশ নেন।
দেশের উত্তর এব দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারা নিধন করতে গিয়েই সবার নজরে পড়েন বাঙলা ভাই। সর্বহারা নিধন করতে গিয়ে ওইসব এলাকার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। কিন্তু সর্বহারা নিধনের নামে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ তাকে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত করে তোলে। একই সঙ্গে তিনি দেশের আইন শৃঙ্খলার জন্যও হুমকী হয়ে দাড়ান। নিজের হাতে তুলে নেন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। তিনি গঠন করেন জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ এজএমজেবি) তার সংগঠন নিষিদ্ধ কার পরে তিনি যোগদেন জেএমবিতে। শায়খ রহমানের সাথে যোগ দিয়ে বাংরা ভাই দেশকে অস্থিতিশীল কওে তোলে। জেএমবিেিত তার অবস্থান ছিল শায়খ রহমানের পরেই। শাখয় আব্দুর রহমান হলেন বাঙলা ভাইর আধ্যাত্মিক গুরু। শায়খ জেএমজেবির আমির ছিলেন এবং বাংলা ভাই ছিলেন সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড বা অপারেশন কমাণ্ড।
২০০৩ সালের অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ। দূর্গাপূজার কয়েক দিন আগে। সকালের দুপুরের তীব্র রোদকে অসহায় করে নেমেছে তুমুল বৃষ্টি। বাংলাভাই দুঃশ্চিন্তায় পড়লেন। সংগঠনের সভাপতি শায়খ আব্দুর রহমান আসবেন, সরিষাবাড়ি থেকে। কয়েকজন আসবেন ঢাকা থেকে। অসময়ে বৃষ্টিতে তিনি বিরক্ত হন। হঠাৎ করেই শরতের বৃষ্টি থেমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রবেশ করেন নেতৃবৃন্দ। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সায়খ আব্দুর রহমানের। তিনি মোবাইল বন্ধ রেখেছেন। যাত্রাপথে তিনি জিকির করেন, মোবাইল ফোনের শব্দ জিকিরে বিঘœ ঘটায়। তার পরিচিত পথ। বাস থেকে নেমেও দেখতে পান কয়েকজন অনুসারী অপেক্ষা করছে। দুটি মটর সাইকেলের পেছনে বসে তিনি ও তার ছোট ভাই আতাউর রহমান সানী রওনা দেন বাগমারার উদ্দেশ্যে। যেখানে বাংলা ভাইসহ অন্যরা অপেক্ষায় রয়েছেন। আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সভা।
আজকের আলোচ্য বিষয় তিনটি। অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ; ফাণ্ড কালেকশনে মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা এবং সাংগঠনিক।
মুন্সীগঞ্জ জেলার এহসার সানাউল্লাহ বলেন, আমি কয়েকদিন আগে আমার জেলার ভাগ্যকুল গ্রামে নাস্তিক হুমায়ুন আজাদেও সাক্ষাৎ পাই। সে বক্তৃতায় ইসলামের মূল ধরে টান দেয়। সবাইকে সীমা লংঘণ করতে বলে। আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম। আমার ছোট ভাই আসাদের জন্য কিছু বলতে পারি নি। না হলে ওখানেই ধরে ফেলতাম। সে একটা বই লিখেছে, ’পাকসার জমিন সাদবাদ’ নামে। যেখানে নাকী আমাদের খুবই খারাপভাবে বলেছে। এই পড় পড়ে গোনাহগার হতে চাইনি বলে পড়িনি। আমরা নাকি জেনা করি হিন্দু মাইয়াগো লগে। না-আউজুবিল্লাহ। এইসব নাফরমানদের কিছু না করলে আমাদের কার্যক্রম ঠিকমতো এগোবে না এবং আখেরাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে জবাব দেওয়ার কিছু থাকবে না। হুমায়ুন আজাদেও ব্যবস্থা করতে হবে সাথে আমার গ্রামের আরেক চেলা হাবীব রয়েছে তার ব্যবস্থাও করতে হবে।
শায়খ আব্দুর রহমান বলেন, আমি এই নাস্তিকের ’আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম’ বই এর কথা শুনেছি সেখানেও নাকী জামাতের বিরুদ্ধে বলেছে। আমাদের মূল ঠিকানা জামাত এটা বুঝতে হবে। হুমায়ুন আজাদকে সরানোর দায়িত্ব কে নিবা? আমার কাছে উপরে থিকা নির্দেশ এসেছে তাকে সরিয়ে দেয়ার। তাকে সরাতে না পারলে আমরা গুনাহের মধ্যে পতিত হবো। এর মধ্যে আমরা যাত্রা বন্ধ করতে পেরেছি। এটা অবশ্যই আল্লাহকে খুশি করেছে। সিনেমা হলে বোমা ফেলেছি। আরো ফেলতে পারলে সব বন্ধ হয়ে যাবে। আপনারা ভয় পাবেন না; আমাদের সাথে অনেক শক্তিশালী লোক ও দেশ জড়িত রয়েছে।
সানাউল্লাহ ভাবে উপরের নির্দেশ মানে আল্লাহর নির্দেশ কিনা। সে শায়খ হুজুরকে জিজ্ঞাসা করতে চায় কিন্তু বোকামো হবে কিনা ভেবে বলে না। ধরে নেয় আল্লাহর নির্দেশেই হয়তো। সানাউল্লা আশা করে একদিন তার নিকটও আল্লাহর নির্দেশ আসবে। তার ভাবনার মধ্যে সানি দাঁড়িয়ে যায়। হুমায়ুন আজাদের ভার আমার উপর দেন। আমি কয়েক মাসের মধ্যেই তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে ফেলবো, ইনশাআল্লাহ।
সবাই সমস্বরে বলেন আলহামদু লিল্লাহ। এর মধ্যেই চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার এহসার আক্তারুজ্জামান নবাবী বলেন, হুজুর আমাদেও চাঁপাইতেও এক নাস্তিক বাড়াবাড়ি করছে। তার নাম মনির হোসেন। তাকেও সাইজ করা দরকার।
শায়খ বলেন, এটা ছোট ব্যাপার এটা নিয়ে তোমরাই সিদ্ধান্ত নাও, ব্যবস্থা করো। আক্তারুজ্জামান বলেন, হুজুর আপনার নির্দেশে ওর ব্যবস্থাও আমরাই করবো।
সানাউল্লাহ হাবীবের কথা ভাবতে থাকে। কিন্তু হাবীবকে সরানোর দায়িত্ব নেয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। খুন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তার কলিজা কেপে উঠে। তিনি হাবীবের বিষয়টা আর উঠান না। ভাবেন হুমায়ুন আজাদকে খুন করা গেলে হাবিবও থেমে যাবে। কিন্তু শাহজাদীর কাছ থেকে ওকে কিভাবে সরাবেন ভাবনায় পড়ে যান।

[উপন্যাসের তৃতীয় পর্ব আজ প্রকাশ করা হল]
প্রথম পর্ব: নাস্তিক হয়ে উঠা
দ্বিতীয় পর্ব: সিফিলিসের জীবানু কার কাছ থেকে আসলো
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×