আমার প্রিয় পোস্ট
- সাম্প্রদায়িকতার বিষাক্ত অন্ধকার ছায়ার নিচেঃ ধীবর এবং জুলভার্ণ নামক ব্লগারেরা কি সামহোয়্যারকে সাম্প্রদায়িকতার ছায়ার নিচে নিয়ে যেতে চায়? - আসিফ মহিউদ্দীন
- আস্তিকতার মোক্ষম যুক্তি "যদি থাকে" বিষয়ক আলোচনা এবং একটু গভীরে প্রবেশ। - আসিফ মহিউদ্দীন
- বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু - সন্যাসী
- এলোমেলো চিরকুট... (৩) - ...অসমাপ্ত
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- জটিল হইতে জটিলোতর বিতর্কঃ গোখরো কি শান্তির প্রানী? - আসিফ মহিউদ্দীন
- বাবরি মসজিদ বিরোধ : ধর্মীয় মিথলজির রাজনীতি - অরণ্য রাখাল
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (২য় অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- নাস্তিক আস্তিক পর্যবেক্ষন: আধুনিক বিজ্ঞানকে বোগলদাবা করেই কিছুটা উদাসী বিশ্লেষন! - উদাসী স্বপ্ন
- নির্বাক স্রষ্টা ও একটি গাধা - আসাদ ১০০
- যৌনকর্মীঃ একজন পেশাজীবীর স্বীকৃতি ও তদসংলগ্ন ছেঁড়া চিন্তা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ধূমপায়ী এবং অধূমপায়ী সমাচার!!! বিড়িখোর'স পয়েন্ট অব ভিউ। (অধূমপায়ীদের কাছে পোষ্টটি অফেনসিভ ঠেকতে পারে। তাহাদের প্রবেশ না করার সুপারিশ রইল।।।
) - নাজমুস
- নাস্তিকতার প্রয়োজনীয়তা (জীবন থেকে নেয়া) - সন্যাসী
- কেন ইসলাম বিদ্বেষ - আসিফ মহিউদ্দীন
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কৃত্রিম জিনোম কিভাবে তৈরি হলো? - শুভ রহমান
- রেডক্রস Vs রেডক্রিসেন্ট ঃ ধর্মান্ধতার আড়ালে এক প্রতীকের বিবর্তণের ইতিকাথা। - ভিন্ন চিন্তা
- ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন,যাদের সাথে হয়তো সুসম্পর্ক ছিল প্রাচীন মানুষদের ! - পুশকিন
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- তখন আমার পকেটে সবসময় কবিতা থাকতো - পারভেজ আলম
- নখবাজি - হাসান মাহবুব
- আধুনিক গবেষনায় দেশের সায়েন্স ও টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গুলির দীর্ঘ ব্যর্থতা।মূল কারনটা কোথায়?যোগ্যতা-প্রতিভার অভাব না অন্যকিছু? কিস্তি-৩ - প্লাটো
- কে আদিবাসী? বাঙালি ও বাঙলার বিবর্তন প্রসঙ্গ - আলপাইন জাতি ৪র্থ পর্ব - মধুখোর
- [Khona] খনা, জনভাষ্যে মিশে থাকা আমাদের লোকভাষ্যকার…(শেষ পর্ব)|-(রিপোস্ট সংরক্ষণ) - রণদীপম বসু
- একাত্তরের চিঠি : ইন্দিরা গান্ধীকে মওলানা ভাসানী (ভারতের সঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশের কনফেডারেশন!) - অমি রহমান পিয়াল
- জরথুশত্র: প্রাক-খ্রিস্টীয় যুগের পারসিক ধর্মপ্রচারক - ইমন জুবায়ের
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ভাষা আন্দোলনের “বাঙাল” বয়ান - নয়া উপনিবেশ বিরোধিতার “পবিত্র দিবস” আর “আধ্যাত্মিক” উৎস সন্ধান (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দ্য ম্যাচ অব ডেথ : ফুটবল যখন যুদ্ধ - অমি রহমান পিয়াল
- কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ২ - পারভেজ আলম
- কোরআন ও নারী এবং জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে- ২ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না বোঝা যাবে না মর্ম, জন্মসূত্রে পেলাম এমন ঠুনকো কাঁচের ধর্ম! - অরণ্যদেব
- হিযবুত তাহরীর কিছ তথ্য - শূদ্র
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- আলুপুড়া পুস্ট (ফ্রম অ্যা মেইল শোভিনিস্ট) - দুরের পাখি
- মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন - দুরের পাখি
- কানুভট্ট'র মৃত্যু পরবর্তী সংবাদ বিজ্ঞপ্তি - সবাক
- দিলজাহান - প্রণব আচার্য্য
- ফিউচার অব ফিকশন অনুবাদ কল্প গল্প - পারভেজ
- নারী: গন্তব্য যখন কেবল ফরসা ত্বক আর পুরুষ ধরা ! - শ্লেট: আমাদের অনুকাগজ
- বেতো ঘোড়ার কালচার দৌড় - মাহবুব লীলেন
- ঈশ্বরচিন্তা - ৪ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- দুগ্গা দুগ্গা - প্রণব আচার্য্য
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- ঈশ্বরচিন্তা - ২ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- অতি সহজ ভাষায় বিবর্তনের ব্যাখ্যা (ডারউইনকে গালি দেবার আগে জানুন তার থিওরী) - হাল্ক
- এলোমেলো চিরকুট... (২) - ...অসমাপ্ত
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- ক্রীতদাস, সভ্যতার অন্ধকার - টনি
- নারীর ইসলাম বা ইসলামের নারী - দীক্ষক দ্রাবিড়
- ঈশ্বরের জবানবন্দী - সার্কিট
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে ক্ষুদিরাম। - ভিন্ন চিন্তা
- বাঙ্গালী মুসলমানদের মননের অধোগতি এবং এ বিষয়ে আমার উপলব্ধি------ প্রথম পর্ব - জাহিদুর রহমান মাসুদ
- । হিজড়া, প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের এক দুর্ভাগা শিকার ! - রণদীপম বসু
- তারা নারীকে মানুষ হতে দিবে না - সবাক
- বিধাতার সন্তান! - অপ্রিয় সত্য
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- ধর্মে নৈতিকতা আর মানবিকতা-১ - লাশ
- শ্রেণী বৈষম্য > শ্রেণী সংগ্রাম > শ্রেণী সংঘাত > কিছু দেখি কিছু দেখতে পাইনা..... - মনজুরুল হক
- একখান বিষমকামী রম্য - দুরের পাখি
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সংশপ্তক মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি আমাদের ক্ষমা করুন! বীরশ্রেষ্ঠ নিয়েও চলেছে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের খেলা - তর্পন
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- একটি নিষ্কাম চিৎকার - ক-খ-গ
- একটি হত্যাকান্ডের পটভূমি - ইমন জুবায়ের
- তিনটি ভিন্ন ঘটনা > তিনটি পরম্পরা > অতঃপর দে গরুর গা ধুইয়ে - মনজুরুল হক
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- পাঠক সমীপেষু (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- চাচা, আপনাকে অভিবাদন! আমরা সবাই শান্তি চাই! - ওমর হাসান আল জাহিদ
- নাস্তিক হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে সংকলন ..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইতিহাস কতা কয় - ঠুকেমারি
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সব শালা নাস্তিক; একটা অনুনাসিক অথবা উন্নাসিক আত্মকথা! - ক-খ-গ
- সেক্যুলারিজম (বাংলার ইতিহাসে সাম্প্রদায়িকতার অবস্থান - ৪) - নুভান
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- সকল মানুষের জন্য জাগ্রত হোক আমাদের ঘুমন্ত বিবেক - মনজুরুল হক
- A Secular Plan- আসলে কী বলা হয়েছে - হমপগ্র
- বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ (অখণ্ড) - ফাহমিদুল হক
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- খাৎনা করা কৌতুক - রাসেল ( ........)
- ডিরোজিও: প্রথাবিরোধী এক অনন্য দ্রোহী। - ইমন জুবায়ের
- আলাউদ্দিনের দৈত্য, আওয়ামী লীগের জয় , বেগম জিয়ার সর্বশেষ ভুল এবং অনান্য খূচরা প্রসংগ - আশীফ এন্তাজ রবি
- মনোগ্যামির ভুত - সুমন রহমান
- কিশোরটি যে কারণে খুন করেছিল কুখ্যাত গভর্নর মোনায়েম খানকে - শেরিফ আল সায়ার
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- একটি আত্মসমর্পণের দলিল ও ব্যাক্তিগত কিছু প্রসঙ্গ। - ইমন জুবায়ের
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- দেখে নিও, একসময় নব্বই হারিয়েই যাবে - জ্বিনের বাদশা
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- একটি সংযমমূলক ব্লোজবের ইতিকথা (রমাযানুল বি-মোবারক) - অন্যমনস্ক শরৎ
- রাজাকার গোলাম আযমের কুকর্মের কিছু দলিল - এ. এস. এম. রাহাত খান
- জ্যাজ, কালো মানুষের আনন্দ বেদনার সংগীত - লাল দরজা
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- অন্ধ বাংলাদেশে স্বাগতম - অপ বাক
- ফাল্গুনী রায়ের কয়েকটি কবিতা - মুয়ীয মাহফুজ
- সুপ্রভাত বাংলাদেশ : দিনবদলের বাঁকে শিশুদের শৈশব ফিরে পাবার গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগভীর ভাবনা ১৮ ঘ- মধ্যবিত্ত চিহ্নিতকরণ প্রকল্প ::০:: - রাসেল ( ........)
- din lipi - রাসেল ( ........)
- বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ - কুঙ্গ থাঙ
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- চরমপত্র : ইথারে এক অন্য মুক্তিযুদ্ধ - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- তখন বুঝিবে বৎস , ইহা অভিযোজিত হইবার কাল - রাগ ইমন
- তাহাদের একুশ, আমাদের আট / তাহাদের ক্রুশ, আমাদের ছায়াঢাকা পুকুরঘাট - কোলাহল
- ব্লুজ-কালো মানুষের বেদনার নীল রক্ত রাঙানো সংগীত(মিউজিক ভাবনা২) - মুয়ীয মাহফুজ
পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল”
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
... সিনেমার ল্যাদল্যাদা দৃশ্য, মেয়েটি আরেকটু পর রেপড হবে, চিৎকার করে ভিলেনকে বারণ করছে ইজ্জত কেড়ে না নিতে। সাথে এও দোহাই দিচ্ছে যে তার ইজ্জত চলে গ্যালে আর কি বাকি রইল । ভিলেন ছাড়ার পাত্র না। অতঃপর রুপালী পর্দায় বজ্রপাতের দৃশ্য, বানের জলে পাড় ভেঙ্গে পরার দৃশ্য ... সব শেষ ... সবই গেলো।
পরবর্তি দৃশ্যে মেয়েটা ছেড়া শাড়িতে ঘরে ফিরে, মায়ের বুকচেরা কান্না, এইটা কি হইলো রে এ এ ... তোর আর কি বাকি রইল রে এ এ এ ...
পরের পরিচিত দৃশ্য, মেয়েটির বন্ধ করা ঘর ভেঙ্গে ঢুকে সবাই আবিস্কার করবে, মেয়েটি ফ্যানের সাথে ঝুলছে ... সিনেমা হল কেপে উঠবে মায়ের তীব্র চিৎকারে ... আবার বজ্রপাতের দৃশ্য, বান ভাঙ্গার দৃশ্য ... এবার সত্যি সব শেষ ... সবই গেলো।
... খালি সিনেমার কথা বললাম, এভাবে উপন্যাসে, থিলারে, দৈনিক পত্রিকা এমনকি ধর্মগ্রন্থের নায়িকা (চোখ কপালে ঊঠলে পড়ুন ধর্মগ্রন্থের কোন নারী চরিত্র) পর্যন্ত সবারই একমাত্র সম্বল তার ইজ্জত। কোন আপদ সময়ে ধর্ষনের স্বীকার হলেই তার সব শেষ।
... এবার আসি বাস্তবে, অভিসার স্পট ধানমন্ডি লেক ... জুলিয়েট কোন কারণে তার রোমিওর উপর খুশি, ওয়াদা করে বসে যে, সে তার চরম এবং পরম ধন ইজ্জত'কে শুধু রোমিওর কাছেই সপে দিবে। রোমিওর কি প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তা এখানে মূখ্য নয়, তাই আলোচ্যও নয়।
সমাজে একটা মেয়ে বড় হয় এটা শুনতে শুনতে যে, তার ইজ্জতই তার জীবনের একমাত্র চরম এবং পরম ধন । এটা ছাড়া তার ইহজগতে আর কোন মুল্য নেই । কি মা কি বাবা ... কি ভাই কি স্বামী সবাই তাকে দেবীর আসনেই রাখবো, যদি তার ইজ্জত ঠিক থাকে ।
... এই যে মেয়েটার দুইটা হাত আছে, পা আছে, মাথা আছে ... লাখো ছেলেকে পেছনে ফেলে বোর্ডে স্ট্যান্ড করে ... লাখো মানুষকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে চাকরি পায় ... তার একমাত্র সম্বল তার ইজ্জত । আর কিছু নয় ... একবার যদি কোন ক্রমে কোন অনাকাঙ্খিত সময়ে অনাকাঙ্খিত পুরুষের অনাকাঙ্খিত অঙ্গটি মেয়েটির জগৎকাঙ্খিত অংশে প্রবেশ করে বসে তাহলেই সব শেষ ... সব গেলো ।
তার প্রতিভা, তার সাধনা, তার স্বপ্ন, তার লড়াই, তার আজীবন সকল অর্জন ... এই অনাকাঙ্খিত সময়ের অনাকাঙ্খিত পুরুষের অনাকাঙ্খিত অঙ্গটির মেয়েটির জগৎকাঙ্খিত অংশে প্রবেশে ... একেবারে ধুলায় মিশিয়ে গেলো সব।
... অপর দিকে একটি ছেলে যদি দুর্ঘটনাক্রমে এরকম পরিস্থিতির স্বীকার হয় (মানে সোজা কথায় হোগামারা খায়) তো তার ক্ষেত্র একটূ হাসাহাসি , বন্ধুদের টিকাটিপ্পনি, মা-বাবার " আহারে আমার সোনার পোলাটা" ... এই শেষ ... কয়েকদিন পরেই সবাই ভুলে যাই ... মাঝে মাঝে হাসির খোরাক হয়ে গল্পটির পুনঃচর্চা ... ব্যাস এই শেষ।
... সমাজ পত্তনের প্রথম পর্বে যখন সামাজিক তত্ত্ব দিয়ে এর কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছিল বোধ করি তখন থেকেই ... এর নির্বাহী পুরুষ কর্তারা
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই তত্ত্বটি ঢুকিয়ে দেয় যে ... নারীর সতীত্বই তার প্রধান অবলম্বন, সম্বল।
... খুব সম্ভব, নির্মল কুমারী যোনির প্রতি অমোঘ আকর্ষন আর তার স্বাদ নেয়ার লোভ থেকেই এই তত্ত্বের উদ্ভব। আর নিজের দুর্বল যৌনক্ষমতায় নারী যেন পরমুখি না হয়, সেই ভয় তো আছেই।
... উপরে যে সিনেমাটির দৃশ্য আপনারা দেখলেন তার নির্মাতা কারা, ভোক্তা কারা, ভুক্তভোগি কারা ?
এখানে দয়া করে কেবল সিনেমাটিকেই ভাববেন না ... এই যে উপন্যাস, থ্রিলার, গল্প, কবিতা নাটক, ধর্মগ্রন্থের কাহিনি, ইতিহাসের পাতা, প্রাত্যহিক নারীর সাবধানতা অবলম্বন ... সব কিছু সেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সমাজতত্ত্বেরই ধারাবাহিকতা।
মোরাল ঐ একটাই ,""তুমি নারী ... সতীত্বই তোমার প্রধান এবং পরম সম্পদ ... ইহাকে স্বেচ্ছায় অনিচ্ছায় নষ্ট করিলেই তুমি শেষ ... তোমার সব শেষ ...""
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
সম্পূর্ণ একমত। এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বারামদী । খেয়াল করেছেন প্রথম পাতায় আমার পোস্টের ঠিক পরের পোস্টটি ছিল ... "শিক্ষিকাকে `বেশ্যা' বলে গালি দিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা" ( Click This Link ) আমরা সমাজটাকে ঠিক এভাবেই তৈরি করেছি যেন একজন শ্রদ্ধেও শিক্ষিকা'র সতীত্ব নিয়ে গালি দিলে তার অপমানটা যেন চরম হয় ।
সংবাদকর্মী বলেছেন:
পোষ্টটি প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... আপনাকে । আমাদের চিন্তার দৈন্যতা কাটুক।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম। অসাধারণ। ধন্যবাদ এত চমৎকার একটি বিষয়ে লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই
ভাল থাকুন
অগ্নির বলেছেন:
এই তত্ত্বের মানেই হল নারীর প্রতি মুহূর্তে ভয়ে ভয়ে থাকা, সন্ধ্যার পর সে একা বের হতে পারেনা। যে কোন অবস্থাতে তার প্রয়োজন একজন 'রক্ষাকর্তা' পুরুষ। এই তত্ত্ব দিয়েই নারীকে দূর্বল করা হয়েছে। এমনকি পুরুষকেও । কারণ নারী যখন বোঝাস্বরুপ হয়ে ওঠে সেই বোঝাটা পুরুষকেই বইতে হয়। নারীকে দূর্বল করার মাধ্যমে আসলে পুরুষদের লাভের চাইতে ক্ষতিই হল বেশী।
লেখক বলেছেন: এত চমৎকার এবং বাস্তব একটা কমেন্টের জন্য আপনার কাছে কৃতজ্ঞ, এই পোস্টের না বলা অংশটুকু বলে দিলেন ।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে। +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... আমাবশ্যার চঁদ।
আমাদের চিন্তার দৈন্যতা কাটুক।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
দু'তিনদিন আগেই একজন দেখলাম পোস্ট দিয়েছে এখানে, মেয়ে হয়ে কিভাবে আরেকজন ব্লগার কিছু ছবি নিয়ে পোস্ট দিলেন (যেখানে কিছু ছবিতে নগ্নতা ছিল, অবশ্যই আরেকজন শিল্পীর আঁকা ছবি)! অর্থাৎ একজন পুরুষ সেই পোস্টটি দিলেই "দারুণ পোস্ট! মজা পাইলাম!" ইত্যাদি বাহ্বা দেয়া হতো, একজন নারী সেই খানে সমালোচিত হচ্ছেন। এই হলো আমাদের শিক্ষিত(!), ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সমাজের ব্যক্তিক (পড়ুন, পুরুষতান্ত্রিক) দৃষ্টিভঙ্গি!
পোস্টের প্রতিটা কথার সাথে একমত। একেবারে মূলজ পর্যায়ে, নিজের ভেতর থেকে এর পরিবর্তন না ঘটালে এই চিন্তাচেতনার কোন পরিবর্তন ঘটবেই না।
লেখক বলেছেন: ঐ ইডিয়টটার পোস্টে ঢুকে কমেন্ট করার আগ্রহ পাইনি, আমাদের চারপাশে ওরা সংখ্যায় (কিম্বা ওদের ম্যাতকার) গরিষ্ঠ, চিন্তা চেতনায় মননে একে একে আস্তে আস্তে পরিবর্তন ঘটবেই একদিন ... সে আশা মরে যায়নি ।
প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই আমি কতটা উদার হতে পেরেছি, নিজের কাছে নিজেই ধোয়াটে লাগে ... তবে চেষ্টা করে যাবো আমরণ, নিশ্চয়তা দিচ্ছি।
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন:
একমত তবে বেতিক্রম ও আছে ।
লেখক বলেছেন: ব্যাতিক্রম সব কিছুতেই আছে । যা বলার সাধারণ অর্থেই বলতে চেয়েছি ।
পুংটা বলেছেন:
এসব বলার পেছনে অন্য কারনও আছে। পেটটা আর চ্যাটটা নিয়েই তো জীবন। সমাজে চলতে হলে কিছু নিয়ম দরকার। যদি এমন হয় অনাকাঙ্খিত সময়ের অনাকাঙ্খিত পুরুষের অনাকাঙ্খিত অঙ্গটির মেয়েটির জগৎকাঙ্খিত অংশে হরহামেশা প্রবেশ করা শুরু করে তাহলে আপনি আমি সবারই বিপদ হবে। ভেবে দেখুন স্বামী যদি জানে তার স্ত্রী বহুপুরুষগামী তাহলে সেই স্বামীর মানষিক অবস্থা কি হবে। একই বিষয় স্ত্রীদের ক্ষেত্রেও একই রকম। তবে বর্তমানে সমাজ বদলে দেওয়ার শপথ চলছে। এখন অনেকভাবেই সেটিং হয়। তবে ভাই একটা কথা মনে রাখবেন। হিরো থাকলে রিক্স নাই... লেখক বলেছেন: আপনার প্রসঙ্গটি বোধ করি ... অন্য আঙ্গিকতার ।
সত্য হচ্ছে নারী পুরুষের বৈধ অবৈধ, ইচ্ছায় অনিচ্ছায়, প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে মিলন হবেই ... নিয়ম করে, সামাজিকতা দিয়ে এর প্রকপ নিয়ন্ত্রন করা যায় মাত্র ... কিন্তু এখানে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে আমাদের পুরুষীয় দৃষ্টি ভঙ্গিটা, "নারীর সতীত্বই তার পরম ধন" ...
"... এই যে মেয়েটার দুইটা হাত আছে, পা আছে, মাথা আছে ... লাখো ছেলেকে পেছনে ফেলে বোর্ডে স্ট্যান্ড করে ... লাখো মানুষকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে চাকরি পায় ... তার একমাত্র সম্বল তার ইজ্জত । আর কিছু নয় ... একবার যদি কোন ক্রমে কোন অনাকাঙ্খিত সময়ে অনাকাঙ্খিত পুরুষের অনাকাঙ্খিত অঙ্গটি মেয়েটির জগৎকাঙ্খিত অংশে প্রবেশ করে বসে তাহলেই সব শেষ ... সব গেলো ।"
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
ভাল লিখছেন, বস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস্
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: খালি এই + দিয়া আর কতকাল দায় সারবেন ... ![]()
হোরাস্ বলেছেন:
প্লাস দিতে ঢুকলাম। অনেকদিন পরে আপনাকে আবার লিখতে দেখে ভাল লাগতেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হোরাস ... ব্লগ একটা খারাপ নেশা ... মাত্র মাস খানেক পর আপনাদের সবাই দেখছি ... অথচ মনে হচ্ছে ... কতদিন দেখিনা ...
ভালো থাকুন
সাযিয়া বলেছেন:
অনেক সুন্দর লেখা। পড়ে ভাল লাগল। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাযিয়া
ভালো থাকুন
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে!প্রতিটি শব্দের সাথে একমত (হোগামারা ছাড়া
অ. টপিক.:কেমন আছেন? কেমন চলছে জীবন?
লেখক বলেছেন: আরেহ বস্ আপনে ... অনেক ধইন্যাপাতা ... (বহুত কষ্টে মুখসাম্লায়া একটা পোস্ট দিলাম, তাও একটা-দুইটা শব্দ বারায় গেছে ...
) ...
যাউক গা মোটামুটি ভালো আছি ... আশা করি আপনেও ভালো আছেন ...
গৌতম রায় বলেছেন:
পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গৌতম রায় ... সবসময় ভালো থাকুন
প্যানুয়েল প্রিন্স বলেছেন:
ভালো বলেছেন...আসলেই...+++
লেখক বলেছেন: আসলেই তাই ... ... ভালো থাকুন প্যানুয়েল প্রিন্স
হাসান মাহবুব বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ফাকিবাজি কমেন্ট আর কদ্দিন
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
্প্রিয়তে রাখলাম
লেখক বলেছেন: কি অবস্থা আপ্নের ... ? কোন খোজ খবর নাই ? ব্লগে এরেগুলার হয়ে গেলেন নাকি ।
লেখক বলেছেন: আপনি বোধহয় পোস্টটির দাবী'টা ধরতে পারেন'নি । আমার ব্যার্থতা ... মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
purely true, and also iconoclastic.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস্ ... আপনার কাছ থেকে তবে এত শর্টকাটে মন্তব্য আশা করিনাই ...
মানুষ বলেছেন:
প্লাসাইসি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মানুষ ... আমাদের চিন্তার দৈন্যতা কাটুক
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস্ বস্ ... চিন্তার দৈন্যতা কাটুক
লেখক বলেছেন: আমি কি কখনো খারাপ কই ...
কিউরিয়াস বলেছেন:
প্লাস।কাকতালীয়ভাবে, আপনার ঠিক পরের পোস্ট টাতেই আবার এই টপিকটা আসছে
লেখক বলেছেন: রাইট @ বুলস্ আই ... বস্ আপ্নের পর্যবেক্ষন ভালো ... লগ আউট হওয়ার সময় ব্যাপারটা খেয়াল করে অবাকই লাগছিল ... প্রথম কমেন্টের উত্তরটাও তখন ঠিক করে রাখি ...
ঐ পোস্টের ঘটনা আসলেই চরম দুঃখজনক ... আমরা আদ্যান্ত সমস্যায় জর্জরিত একটা জাতি বলে এসব কিছু ঠিকমত খেয়াল করে দেখিনা । নইলে ... ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাজিম উদ্দীন ... আমাদের চিন্তাচেতনার দূর্ভিক্ষ কাটুক ...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
সতিত্ব বিষয়টিকে বাজার খোলামেলা করে দিয়েছে। সতীত্বের আড়ালে থাকার, সম্ভ্রমে থাকার এবং ভালোবাসায় থাকবার যে বিষয়টি ছিলো-আমাদের আধুনিক শিক্ষায় তা হবার জো রইলো না। নারীত্ব কখনোই সতীত্ব বর্জিত নয়-এর বাজারি হওয়াটা অপরাধই। কিন্তু সমাজ সতীত্বের ধারনাকে জোরালো করেছে আবার শারীরিক ও মানসিকভাবে এমন অনেক নারী তৈরি করেছে যারা সতীত্ব বিকিয়ে চলে অথবা সতীত্বের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতে গিয়ে সমাজ বিচ্ছ্ন্নি হয়েছে।
আপনার লিখাটি গুরুত্বপুর্ণ কিন্তু আমাদের সমাজে এর শেকড় তালাশটাও জরুরি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদা শুভ্র ... আপনার কমন্টের প্রাসঙ্গিকতায় অনেক অনেক আলোচনা এসে যায় ... তবে আপাতত এটুকু বলে দায় সারবো যে আমি সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাই নি কোথাও ...
আবারো ধন্যবাদ, ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্যচারী ... আমাদের চিন্তাচেতনার দূর্ভিক্ষ কাটুক
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
পুরুষতান্ত্রিক সমাজই নারীকে দমিয়ে রাখার জন্য নিজেদের তৈরী একটা ধারণা চাপিয়ে দিয়েছে তাদের উপর। নিজের উপভোগের বস্তুটি যাতে অনাঘ্রাত হিসেবে পেতে পারে সে জন্যই মাঝে মাঝে নিজের দিকে তাকিয়ে ভাবি আমি নিজেও কতটা মুক্ত হতে পেরেছই এই গোঁড়া পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকে
লেখক বলেছেন: কাউয়া আপ্নের কমেন্ট খান বাধাই কইরা রাখার মতো হইছে ... আর কিছু কওয়ার নাই ... সুমনের গানটা প্রায়ই কাটা হয়া গলায় বাধে ... "আমিও ভন্ড অনেকের মতো ... গান গেয়ে ঢাকি জীবনের ক্ষত"
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন:
অসম্ভব ভালো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ... আপনার প্রোফাইল পিকটা সেরাম হইছে ।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
ভাই আগে আমি বদলাইয়া লই
লেখক বলেছেন: ঠিক অরণ্য ... আগে নিজে ঠিক হই ... আমাদের চিন্তাচেতনার দূর্ভিক্ষ কাটুক ...
ভালো থাকো
শয়তান বলেছেন:
জানতে ইচ্ছে হচ্ছে ইতিহাসে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থায় নারীর সতীত্বকে কিভাবে দেখা হতো । অথবা টোটাল যৌনতাকে তারা কি অর্থে মুল্যায়ন করতো ? বিপরীতধর্মী আচরন কি ? নয়ত এই তত্ত্ব কিন্তু অচল বলিয়া প্রমানিত হৈবো ।
রেটিং করলাম না এজন্যই ।
লেখক বলেছেন: দাদারে বিপরীত তন্ত্রটা (এবং পরস্পর দ্বিমুখি) কায়েম হলে কি হতো সে ব্যাপারে লেখকের কল্পনাশক্তি ক্ষীণ ।
যা হয়নি (এবং যা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ) সে ব্যাপারে প্রেডিক্ট করে গ্যাঞ্জাম আর না বাড়ানোটাই বুদ্ধিমানের কাজ ...
এর থেকে সাম্যতন্ত্র আসুক জীবনে, চেতনায়, মননে ... আসুন সে চেষ্টা করি ..
(বহুত খতরনাক ডিপ্লোম্যাটিক মন্তব্য করছি কইলাম ... খেয়াল কইরা)
মনজুরুল হক বলেছেন:
কংগ্রাটস। ব্রাভো। কিপ ইট আপ ম্যান! বাট.............
"... সমাজ পত্তনের প্রথম পর্বে যখন সামাজিক তত্ত্ব দিয়ে এর কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছিল বোধ করি তখন থেকেই ... এর নির্বাহী পুরুষ কর্তারা
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই তত্ত্বটি ঢুকিয়ে দেয় যে ... নারীর সতীত্বই তার প্রধান অবলম্বন, সম্বল।
... খুব সম্ভব, নির্মল কুমারী যোনির প্রতি অমোঘ আকর্ষন আর তার স্বাদ নেয়ার লোভ থেকেই এই তত্ত্বের উদ্ভব। আর নিজের দুর্বল যৌনক্ষমতায় নারী যেন পরমুখি না হয়, সেই ভয় তো আছেই। "
এই কথাগুলির সাথে একমত নই। ইতিহাস আর একটু ভিন্নতর। সময় হলে পরে ইলাবরেটলি বলা যাবে। এ প্রসঙ্গে ফেড্রারিক এঙ্গেলস এর ব্যাখ্যা প্রণিধানযোগ্য।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস্ বস্, আসলে আমি নিশ্চিত নই, উৎপত্তিটা নিয়ে ... ধারনা থেকে বলা ... আপনার মতামত টা পেলে ভালো হত ...
এঙ্গেলস এর ব্যাখ্যাটা জানিনা ... নেটে পেলে পড়ে নেব ...
তবে আরেকটু ভাবার পর এখন মনে হচচছেআরো দুটো ফ্যাক্টর কাজ করেছেঃ
১. শারীরিক কারণ
২. প্রাকৃতিক কারণ
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
ফাডায়া দিছেন ব্রাদার!তবে মনজুরুল হকের সাথে আমিও একমত।
**এঙ্গেলসের, " পরিবার ব্যক্তি মালিকানা ও রাষ্ট্র" বইটা পড়লেই হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ্ আপনারে ... বহুদিন পর আইলেন ...
আপনার জ্ঞান খুবই সীমিত ... এঙ্গেলস পড়তে হবে ..
ভালো থাকুন এবং ব্লগে রেগুলার হন ...
লেখক বলেছেন: ঐ মিঞা যা কইবার সরাসরি কয়া ফালান ... এত ভনিতার কি আছে ?
আমার ধারনা নারীতান্ত্রিক(মাতৃতান্ত্রিক নয়) সমাজ ব্যাবস্থা কোনদিন আসবেনা (বা আসতে অনেক অনেক দেরি ... এবং যদি না সামগ্রিকভাবে একটা বৈপ্লবিক মনন মানুষের মধ্যে আসে ) ...
সহজ হবে যদি সমতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লুকার .... ভাল থাকুন ...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@মনজুরুল হক ফ্রয়েড-কে নিয়ে আলোচনাটা করতে পারেন-আমি আগ্রহী। আমার মনে হয়েছে-আমাদের দেশের নারীকে উপলব্ধি এবং এই সংক্রান্ত ধারণাগুলো বোঝার ক্ষেত্রে আলোচনায় কার্পণ্য করলে চলে না।
লেখক বলেছেন: মনজু ভাইয়ের কাছে আমারো আবদার রইলো ...
শুভ্র, আপনি নাহয় কিছু শুরু করুন ... আপনার আগের কমেন্টের রেশ ধরে ..
শয়তান বলেছেন:
আমার ধারনা নারীতান্ত্রিক(মাতৃতান্ত্রিক নয়) সমাজ ব্যাবস্থা কোনদিন আসবেনা (বা আসতে অনেক অনেক দেরি ... এবং যদি না সামগ্রিকভাবে একটা বৈপ্লবিক মনন মানুষের মধ্যে আসে ) ...
----- ধরা খাইসেন । ইতিহাস কিন্তু বলে অন্যকথা । আমরা মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার কাল পার করে এসেছি । এখন পুংতন্ত্র রানিং । খিকজ ।
লেখক বলেছেন: ধরা খাওয়ার কি আছে রে ভাই ... জানার সীমাবদ্ধতা থাকতেই পারে ...
মাতৃতান্ত্রিকতা কি নারীতান্ত্রিকতা ... নিচে মনজু ভাইয়ের তার কমেন্টর উত্তরটা দেখেন ...
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
এ ভাবেই আমরা স্বাধীনতা হারাচ্ছি মননে;
একটা বহুগামী মেয়েকে বেশ্যা বলা যায় কিন্তু পোলাদের ক্ষেত্রে কি বলা হয়?
.
.
.
মাগীখোর?
লেখক বলেছেন: ভাইডু আস্তে ... রিয়াকশন স্লো হবে
মনজুরুল হক বলেছেন:
"সমাজ পত্তনের প্রথম পর্বে যখন সামাজিক তত্ত্ব দিয়ে এর কাঠামো দাঁড় করানো হচ্ছিল বোধ করি তখন থেকেই ... এর নির্বাহী পুরুষ কর্তারা
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই তত্ত্বটি ঢুকিয়ে দেয় যে ... নারীর সতীত্বই তার প্রধান অবলম্বন, সম্বল।
... খুব সম্ভব, নির্মল কুমারী যোনির প্রতি অমোঘ আকর্ষন আর তার স্বাদ নেয়ার লোভ থেকেই এই তত্ত্বের উদ্ভব। আর নিজের দুর্বল যৌনক্ষমতায় নারী যেন পরমুখি না হয়, সেই ভয় তো আছেই"
---------------------------------------------------------------------------------
আলোচনার সুবিধার জন্য আবারো কোট করতে হলো। না মনির আপনি ঠিক বলেননি। তবে "খুব সম্ভবত" বলে দায়টাকেও বাইপাস করে দিয়েছেন বুদ্ধি করে। এই বিষয়ের ব্যাপ্তি অনেক গভীরে। এত কথা এখানে লেখা সম্ভব না। খুব সংক্ষেপে বলা যায়------------------------
আদিম সমাজ নিশ্চিতভাবেই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ। সেখানে নারীই প্রধান। নারীই শাসনদন্ড হাতে শত সহস্র বছর শাসন করেছে। সেই সমাজের একটা সন্ধীক্ষণকেই বলা হয় আদিম সাম্যবাদী সমাজ। যে সমাজে বন্টনের নিয়ম ছিল চাহিদানুযায়ী। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কাজ(শিকার করে আনা বা ফলমূল সংগ্রহ করা) করতে পারত না, তারও সমানুপাতিক হারে আহার জুটত। সেটা ছিল সামগ্রীক পরিবার বা যৌথ পরিবার। এই যৌথ পরিবারের ধারণাটা ভাঙ্গতে শুরু করে পরিবার প্রথা চালুর পর পরই। খন্ড খন্ড পরিবারের ভেতর সম্পদ বিভাজিত হবার পর সেই পরিবারের বা পরিবারসমূহের ভেতর মালিকানা স্বপ্ন দানা বাঁধে। এই ক্ষুদে মালিকানাই ধীরে ধীরে বিভিন্ন সম্পদে বিভাজিত হতে থাকে। সে সময় খাদ্যবস্তু আর পশু পাখির পর পরই প্রধান সম্পদ হিসেবে আর্বিভূত হয় মানব সম্পদ। অর্থাৎ দাস। দাসদের হস্তান্তর প্রকৃয়াই ধীরে ধীরে রূপ লাভ করে বিনিময় বাণিজ্যে। এই সুদীর্ঘ কালটিকে আমরা বলি- দাসযুগ। এযুগেই প্রথমে পরিবার প্রধান, গোত্র প্রধান, দাসমালিক, দাস স্টক হোল্ডার...এভাবেই ক্ষমতার ভরকেন্দ্র চলে আসে পুরুষের হাতে, কারণ নিজেদের এরিনার বাইরে দীর্ঘদিন ধরে দাস ব্যবসায় নিয়োজিত থাকা নারীর পক্ষে সম্ভব ছিল না। এর পেছনে আরো অনেক কারণ আছে।
এই ক্রমবর্ধমান হস্তান্তর প্রকৃয়ায় মানুষকে মালিকার স্বপ্ন দেখায়। সেই স্বপ্ন ক্রমাগত বাড়তে বাড়তে এককেন্দ্রীক বা কেন্দ্রীভূত হতে থাকে। এবং এর ফলে আরো নারীরা কাজের ক্ষেত্রসমূহে বিকেন্দ্রীক হয়ে পড়ে। তাদের ঠাঁই হয় অন্ত:পুরে।
খুব সংক্ষেপে এই হলো নারী থেকে পুরুষে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র পরিবর্তীত হওয়া। এর সাথে আপনার বলা.....
" নির্বাহী পুরুষ কর্তারাসমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই তত্ত্বটি ঢুকিয়ে দেয় যে ... নারীর সতীত্বই তার প্রধান অবলম্বন, সম্বল।... খুব সম্ভব, নির্মল কুমারী যোনির প্রতি অমোঘ আকর্ষন আর তার স্বাদ নেয়ার লোভ থেকেই এই তত্ত্বের উদ্ভব।"
এই কথার কোন ভিত্তি নাই।
এই ব্যাপারটা আরো ভাল ভাবে জানতে পড়ুন-"পরিবার ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি"- এঙ্গেলস। এবং "দ্য এনশিয়েন্ট সোসাইটি"-হেনরি ল্যুইস মর্গান।
নেটে পাবেন না। টেক্সট পড়তে হবে।
@শুভ্র। এই টার্মিনেটিং কালের সাথে ফ্রয়েডের খুব একটা যোগসূত্র নেই। তাই ওই আলোচানায় গেলাম না। পুরো ব্যাপারটার নির্ণয়ক সম্পদসৃষ্টি, সম্পদের মালিকানা, সম্পদের বণ্টনব্যবস্থা।
লেখক বলেছেন: মনজু ভাই .. জ্ঞান দৈন্যতার জন্য "খুব সম্ভব" ছাড়া আর কিছু ব্যাবহার করার ছিল না ।
আমি এখনও নিশ্চিত নই, ""মাতৃতান্ত্রিকতাই কি নারীতান্ত্রিকতা ? মাতৃতান্ত্রিকতা কি শেষ পর্যন্ত নারীতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ... ?""
খুব সম্ভব (আবারো ! ! !) হয়নি ... হলে তার নমুনা অন্তত দেখতাম ... বিলুপ্ত হবার পরো এনেক কিছুর আলামত যেভাবে অবশিষ্ঠাংশ হিসেবে থেকে যায় সেরকম ...
আর পুরুষতান্ত্রিকতার প্রকট রুপটাই আমাকে বলে দেয় ... না ! ! তত্ত্ব কাঠামোয় বিনির্মিত সমাজ ব্যবস্থায় নারীর অবস্থান আগাগোড়াই সেরকমটা ছিল এবং আছে ঠিক যেরকমটা পোস্টের মূল বক্তব্যে প্রকট ...
এবং আমি নিশ্চিত করেই স্বীদ্ধান্তে আসতে পারি যে ... সুপ্রাচীন সেই নারী প্রধান গোত্র ব্যবস্থায় ... নারীর কামলা খাটা, সন্তান পোষা, পরিবারের কর্তৃত্ব ... ইত্যাকার শ্রম অবদান শেষ পর্যন্ত আর বুদ্ধি অবদান হয়ে ইতিহাসে দাঁড়া হতে পারেনি ...
অনুমান করি, আপনার ঊল্লেখিত ভরকেন্দ্র পরিবর্তনের ইতিহাসের মোড়ে এসে নারীর অবদান তুলনামূলক পেশিনির্ভর বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার কাছে হার মেনে যায় ... এবং নির্বাহী পুরুষ কর্তা ব্যাক্তিদের তত্ত্ব দিয়ে সমাজ কাঠামো নির্মিত হতে থাকে ... যার অভিসপ্ত ফলাফল আজকের - ""তুমি নারী ... সতীত্বই তোমার প্রধান এবং পরম সম্পদ ... ইহাকে স্বেচ্ছায় অনিচ্ছায় নষ্ট করিলেই তুমি শেষ ... তোমার সব শেষ ...""
তাই ঠিক এই টার্নিং পয়েন্টে ... ঠিক কোন কারণে পুরুষ কর্তারা এই বিকৃত তত্ত্বটি আরোপ করতে চেয়েছিল ... তার একটা সম্ভাবনা যাচাই ছিল "... খুব সম্ভব, নির্মল কুমারী যোনির প্রতি অমোঘ আকর্ষন আর তার স্বাদ নেয়ার লোভ থেকেই এই তত্ত্বের উদ্ভব। আর নিজের দুর্বল যৌনক্ষমতায় নারী যেন পরমুখি না হয়, সেই ভয় তো আছেই"
আর কোন ভালো কারণ আমি আসলে এখনো পাচ্ছিনা ।
যাই হোক ... আমার জ্ঞান এবং উপলদ্ধির সীমাবদ্ধতা নিয়ে আমি বরাবরই সংকীর্ন থাকি ... বিষয়টির মূল উৎপাটনে আমার সরল বিশ্লেষন এখনও পূনঃবিশ্লেষনের জন্য উম্মুক্ত ।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
কঁাকন বলেছেন:
একমত
লেখক বলেছেন: দায় সারা একমতে কি হয় ... ?
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
অন্য কেউ বলেছেন:
@মনজুরুল হক: আপনার সাথে 'নারী থেকে পুরুষে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হওয়া'- পর্যন্ত একমত। কিন্তু, মেয়েদেরকে এখনকার সময়ে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি, ক্ষমতার ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হওয়ার পরবর্তীতে, তার জন্য কি 'নির্বাহী পুরুষ কর্তাসমাজ' দায়ী না? পুরুষশাসন প্রচলিত হয়ে যাওয়ার পরের কথা বলছি।@মনির হাসান: একটা কমেন্টে দ্যাখলাম- "......নারীত্ব কখনোই সতীত্ব বর্জিত নয়-এর বাজারি হওয়াটা অপরাধই।......"
আর কমেন্টটার জবাবে আপ্নে- "....তবে আপাতত এটুকু বলে দায় সারবো যে আমি সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাই নি কোথাও ..."
ঠিক বুঝবার পার্লামনা।
সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাইবেন্না ক্যান? পুরুষগো লিগা যদি 'সতত্ব' চালুঅয়, তৈলে 'সতীত্ব' মানতে রাজি আসি। নয়তো দ্রব্যটা হিপোক্রাইসি। আমার পরাণপাখি জান্তে চাইতারেনা আমার 'সতত্ব' আসে কিনা। টার্মটাই তো নাই। আমার কি অধিকার তারে জিগানের যে হ্যার 'সতীত্ব' আসে কিনা? আজিব।
'সতীত্ব' টার্মটা পুংবাদীগো চালু করা সবচাইতে অশ্লীল টার্মগুলার একটা। "নারীত্ব কখনোই সতীত্ব বর্জিত নয়" !!!
পুরুষরে!!!
আপ্নের মতামত জান্তে চাই।
লেখক বলেছেন: "......নারীত্ব কখনোই সতীত্ব বর্জিত নয়-এর বাজারি হওয়াটা অপরাধই।......" - টিপিকাল পুরুষীয় চিন্তা ... আমাদের অলক্ষ্যেই আমরা এ ধরনের সংস্কার মাথায় নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার খোলস নিয়ে ঘুরি .. শুভ্র - মনিরে খুব দুরুত্ব নেই ....
"....তবে আপাতত এটুকু বলে দায় সারবো যে আমি সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাই নি কোথাও ..." - উমমম ... ... দূরভিসন্ধি বুঝেন, স্ট্রাটেজি ... কৌশল অবলম্বন করা। কি যুদ্ধে .. কি সামাজিক পরিবর্তনে এটার ব্যবহার হয় ।
আমার সততা নিয়ে আপনি এখন প্রশ্ন করতেই পারেন .. আমি শুধু বলবো আমার যুদ্ধে জেতাটা আগে। বাকিটুকু আশা করি নিজ গুনে বুঝে নেবেন ।
"সতীত্ব বর্জনের ডাক" নিয়ে আমি চিন্তিত নই .. আমার আপাত চেষ্টা, "ইজ্জতই নারীর একমাত্র সম্বল" এই বিকৃত সংস্কার থেকে বের করে নিয়ে আসা। আর লক্ষ্য যেহেতু সামগ্রিকতা তাই সবার গ্রহন'ক্ষমতাটাও আমলে নিতে হচ্ছে ...
খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন, এই সময় এই পরিবেশে এই চেষ্টায় আমাকে/আপনাকে কতটা স্ট্রাটেজিক হতে হবে ... ধুপধাপ করে "ডাক" দিলে তা হজম করতে পারবেনা ৯৯ ভাগ ... ফলে গোটা উদ্যোগ পন্ডশ্রম হতে বাধ্য ...
মিষ্টির ভেতরে ট্যাব্লেট ঢুকিয়ে খাওয়ানো ... অভ্যস্ত হয়ে গ্যালে .. এরপর সরাসরি ...
আরো একটা ব্যাপার, কোন কিছু পেতে গ্যালে কোন কিছুর ত্যাগ স্বীকার করতেই হয় ... প্রাকৃতিক নিয়মেই।
... "সতীত্ব বর্জনের ডাকে" কাদের সব থেকে বেশি বলি দিতে হবে ?
অবশ্যই নারীদের ... মনির/অন্যকেউ/শুভ্র এরা যতই সতত্ব বিসর্জন দেক না ক্যান ... তারা প্লেবয় খ্যাতি পাবে ... এই আন্দোলনের শহিদ বলে তাদের কেউ দেখবেনা ।
অপর দিকে একজন নারী যদি সতীত্ব বিসর্জন দেয় তো তার ট্যাগ হবে "বেশ্যা" ... ... নারীরা জগতের অনেক কারণেই বলি হতে হতে শেষ ... আর আমি তাদের বলি দেখতে চাই না ... তাই আপাতত "সতীত্ব বর্জনের ডাক" দিচ্ছিনা ।
ভালো থাকুন ... আপনার কমেন্ট খানা ... আমাকে সবুজ সৎ তারুন্যে নিয়ে গেছলো ... কৃতজ্ঞতা এন্ড স্যালুট ...
লেখক বলেছেন: মনজু ভাইয়ের প্রতিত্তরটা দেখেন ... তারপর যদি মনে হয় আই অ্যাম আউট মাইন্ডেড ... তাইলে ড্রপ করুম ।
আর যদি মনে করেন সেটেলাইট হয়া গেছি তাইলে আর কিছু করার নাই ।
রাতমজুর বলেছেন:
টপিকটা হট, সন্দেহ নাই। সমস্যা হৈল, চিল্লায়া লাভ নাই যতক্ষন না উনারা নিজেরা উদ্যোগ লন।
লেখক বলেছেন: কি কইলেন এইটা ... হট টপিক কোন দিক থেকে ... ?
"ঊনারা" মানে কারা বুঝিনাই ... ...
অন্য কেউ বলেছেন:
কিলিয়ার। সহমত।
লেখক বলেছেন: হাফ ছাইড়া বাচলাম ...
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:এ ভাবেই আমরা স্বাধীনতা হারাচ্ছি মননে;
একটা বহুগামী মেয়েকে বেশ্যা বলা যায় কিন্তু পোলাদের ক্ষেত্রে কি বলা হয়?
.
.
.
মাগীখোর?
২৭ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
লেখক বলেছেন: ভাইডু আস্তে ... রিয়াকশন স্লো হবে
----------------------------------------------
ভাই আপনি যদি ভালোভাবে খেয়াল করেন তাইলে দেখবেন-
বহুগামি পোলাদের জন্য কোন শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলন নেই; অর্থাৎ ভাষাও তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।
আমি পোলাদের ক্ষেত্রে যে শব্দটি ব্যবহার করেছি সেটাও আসলে ছেলেকে নয় একটি মেয়েকেই নির্দেশ করে।
জানি না ঠিকমতো বুঝাইতে পারলাম কিনা।
----------------
অন্য বিষয়:
আমরা চারপাশ থেকে অনেক কিছু শিখছি;
এই ধরুন হাল ফ্যাশনের ড্রেস, বোলচাল, নতুন শব্দ, নতুন কোন তত্ত্ব আরও অনেক কিছু।
জানা-শেখাতে কোনো সমস্যা নেই কিন্তু সেটা নিজের যুক্তি-বুদ্ধির নিরিখে ছাকনির দরকার আছে; তারপরই সেটা ব্যবহার করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। যেমন ধরুন আপনি পারমানবিক বোমা বানানোর প্রক্রিয়া কোনোভাবে জেনে ফেললেন এবং এটা নিয়ে খুব একসাইটেট হইলেন- পোলাপান যোগার কইরা একটা বানাইয়া ফেলাইলেন কিন্তু তারপর?
আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেটা করছি সেটা অনুকরন মাত্র কিন্তু সেটা ব্যবহার করার যৌক্তিকতা, পরিবেশ তৈরি হয়েছে কিনা কিংবা এটার প্রভাব কোথায় গিয়ে পড়বে এটা কমই চিন্তা করি।
এইগুলো নিয়া একটা লেখা আপনার কাছ থেকে আশা করছি।
_________________________________
লেখক বলেছেন: বিদ্যুত ভাই ৪২ এর প্রশ্ন এন্ড উত্তর টা খেয়াল করছেন ?
আশাকরি আপনার যা বলতে চাইছেন তার কিছুটা উত্তর অইখানে আছে ? অবশ্য আপনার মন্তব্যের জিস্টটা আমার কাছে পরিস্কার না ।
যাউক গা , আবার দায়িত্বের মধ্যে ফেললেন ক্যান ? মিঞা ! ! এম্নিতেই দৌরের উপর থাকি ।
যাউকগা - কামের কতায় আহি।
মাইয়ারা স্বাবলম্বী হয় অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পেলে। এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয়। বাট এইটা পুরুষদের অম্বল হয়ে যায় কারণ তারা আসলেই পুরুষ মানুষ নয়।
উপার্জনক্ষম মেয়েরা পুরুষসঙ্গীটির খামখেয়ালের তোয়াক্কা করে না। বেশি ইরিটেটিং মনে হওয়ার আগেই বদলে ফেলে। আর ঠিক এই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকেই পুরুষদের কর্তৃত্ব-অধিকার-ক্ষমতা হারানোর ফোবিয়া পেয়ে বসে।
এট দ্য এন্ড অব দ্য ডে মেয়েরা নিজেদের নখ থেকে কেশরাজি নিয়ে কি করবে এটা তাদের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া হোক। ডক্টর আর পর্নস্টারে কোনো তফাত নেই। দুটোই পেশা। সমস্যাটা বিহোল্ডারদের চোখে...বিউটি এক্সিস্ট ইন দ্য আই অব দি বিহোল্ডার।
কত কি করার আছে বাকি। যেখানে সেখানে রাস্ট্রের নাক গলানোটা বন্ধ করতে হবে - সাহস আছে?
সেপারেশন অব ইসলাম এন্ড স্টেট করতে হবে।
যৌনকর্মীদের...তাদের এই পেশাটাকে প্রথম পর্যায়ে ডিক্রিমিনালাইজ করে দ্বিতীয় পর্যায়ে লিগালাইজ করতে হবে। পুলিশ ও দালালচক্রের অশুভ নেক্সাস ভাঙবে না অন্যথা।
লেখক বলেছেন: গুর অঙ্গুলি চর্চাটা শুরু কইরা ভালা করছেন ... অনেক ছিরিয়াস ছিরিয়াস আলুচনা কইরা দম বন্দ হয়া আইতেছিল ...
আমি পেসার আছিলাম বস্, বোল্ডপ্রীতির রহস্য হইল ... ব্যাটস্ম্যানগো উইকেট ফালাইতে বড় মজা লাগে ... হা হা হা হা হা
যাউক গা ... আপ্নের কামের কথাগিলি খুবই ভালা লাগলো, তয় নারীর ইজ্জত তার নাম্বার ওয়ান সম্পদ কিনা এই ব্যাপারে কুন মন্তব্য পাইলাম না ... এবং বহুৎ চেস্টা, তদবীর কইরাও আলুচ্য বিষয়ের লগে আপনের কামের মন্তব্যের প্রাসঙ্গিক সম্পর্ক বিছ্রায়া পাইলাম না ...
দুক্ক ... ... ![]()
সাইলেন্সার বলেছেন:
@ মনির হাসান।
এইসব সস্তা লেখা লিখে কিছু আতেঁলের বাহবা কুড়ানো যায়।
নিজের জীবনে উল্টো স্রোতে চলার উদাহরণ দিয়ে দেখানোর সৎসাহস মনির হাসান-দের নেই।
অফটপিক :
মউবি বা শেখ সবদার আলী মনির হাসানকে কিছুই কি দেয় নি?
লেখক বলেছেন: উদাহরণ তৈরির টাইম যে শ্যষ এইটা কি আপ্নে নিশ্চিত ?
সাইলেন্সার বলেছেন:
@ মনির হাসান।
এইসব সস্তা লেখা লিখে কিছু আতেঁলের বাহবা কুড়ানো যায়।
নিজের জীবনে উল্টো স্রোতে চলার উদাহরণ দিয়ে দেখানোর সৎসাহস মনির হাসান-দের নেই।
অফটপিক :
মউবি বা শেখ সবদার আলী মনির হাসানকে কিছুই কি দেয় নি?
লেখক বলেছেন: অ.টপিকে থেরেট মারলেন নাকি ? আরিফুর কেস রিয়াকশন ? এহানে আইছেন ঝাল মিটাইতে ....
শেখ সবদার আলী কি শিখাইছে না শিখাইছে জানিনা তয় এইডা শিখছি যে যেইডা কমু ... নিজের বাপ-মায়ের রাখা নামে ... আর আসল খমা দেহায়াই কমু ...
যাউক গা, স্যার কি এহনও জামাতে আছে ? ... .. ![]()
শয়তান বলেছেন:
এইবার চরনদাসরে চিনলাম
ব্লগের এতদিনের পরিক্রমায় এই এক্টা লোকের সাথেই কেবল মিলে আমার । মাগার লোকটা থিতু না
লেখক বলেছেন: ওস্তাদ, যদি পাইকারের চিন্তা করেন ... মনে হয় ভুল হইবো ।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
@লেখক বলেছেন: "আপনার জ্ঞান খুবই সীমিত ..."ব্রাদার! কারও জ্ঞান সীমিত বললে সেটা সবিস্তারে কারন সহ ব্যাখ্যা করাটা বক্তার দায়ীত্ব।
আপনার বক্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: এতক্ষনে খেয়াল করলাম .. ঐটা টাইপো ছিল ... "আপনার" নয় "আমার" হবে ... "আমার জ্ঞান খুবই সীমিত ... এঙ্গেলস পড়তে হবে .. "
মন্তব্যে অনেকবার আমার এই সীমাবদ্ধতার স্বীকার আছে ।
অ.ট. মাইন্ড খাইছেন ... ?
শয়তান বলেছেন:
উহু । আমি রাইট ।
লেখক বলেছেন: সাধু সাধু ...
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
আমি বামে কিছুটা প্রফেশনাল বলতে পারেন (চারিত্রিক, কর্মে নয়!)। কাজেই মাইন্ড খাওয়ার কোন কারনই নাই! যেকোন ক্ষেত্রেই আলোচনা করার ইচ্ছা আমার থাকে এবং সঠিকতর মত গ্রহণ করার একটা ইচ্ছা কাজ করে বলেই জিজ্ঞেস করেছিলাম। বিতর্কই উদ্দেশ্য ছিল, তর্ক নয়! লেখক বলেছেন: "আমি বামে কিছুটা প্রফেশনাল বলতে পারেন" .... বুঝি নাই ...
লেখক বলেছেন: মন্তব্য দিয়াইছি ...
খোলা_আকাশ বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে। বোঝা গেল আপনি সমাজ নিয়ে ভাবেন।কিন্তু কাউকে আঘাত না করে কথা বলাটা যে এক ধরনের ভদ্রতা সেটাও মনে রাখা উচিত।
Click This Link
লেখক বলেছেন: কোন মেয়ে ব্লগারের পেইন্টিং বিষয়ক ব্লগে নগ্নতা দেখে তার রিয়াকশন পোস্ট দিলে তাকে তো একটু আঘাত করতেই হয় । নাকি ?
তার ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য হলেও অভদ্রতার একটু দরকার বই কি ।
ধন্যবাদ এবং ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন চিন্তায়, মননে এবং প্রকাশে ।
লেখক বলেছেন: আপ্নেরেও বহুৎ দিন পর দেখলাম ... ক্যামন আছেন ?
ভালো থাইকেন
ফারহানা আহমেদ বলেছেন:
যাক, আপনে তাইলে ফিরলেন!পোস্ট সকালে পইড়া গেছি। মন্তব্য করি নাই, কারণ আমার অনেক কিছু বলার আছে। এখন সাজাইয়া লিখনের টাইম নাই।
মডারেটরদের কারণে বিরাট লজ্জায় পড়ছি। তাই লগইন কর্তাছিনা আপাতত। শুধু আপনারে দেইখা এইখানে আইলাম।
আবার ডুব দিয়েন্না কইলাম........
লেখক বলেছেন: ওক্কে বস্ ... আদেশ শিরোধার্য
টাইম নিয়া মন্তব্য কইরেন ...
খোলা_আকাশ বলেছেন:
আমার মন্তব্যের জবাবে যা বললেন সেটা মানতে পারলাম না। মেয়ে বলে যে রিএ্যকশন পোষ্ট দিতে পারব না, এমনতো কোনো কথা নেই।আর ঐ পোষ্টে আমি যে মত দিয়েছিলাম, সেই মতেই আছি। এর বিরুদ্ধে আপনার কোনো যুক্তি থাকলে আমার সেই পোষ্টটিতে মতামত দিতে পারেন।
লেখক বলেছেন: বাদ্দ্যান ... ঝামেলা করতে ইচ্ছা করতেছেনা ...
হঠা কি করে যেন আজ বহুদিন পর এ জগতে...ঢুঁ মারতে ইচ্ছে হলো।
লেখক বলেছেন:
আপনি এরকম হঠাৎ হঠাৎ কোত্থেকে উদয় হন ?
ক্যামন আছেন ?
... আপনার মত ব্লগ ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে ...
ভালো থাকুন মহাকালর্ষি ...
লেখক বলেছেন: আপ্নেরে জামিন দিছে ?
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
ঠিকাসে, শোকেইসড।
লেখক বলেছেন: ঠিকাসে ...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
পোস্টা সবসময়েই নজরে ছিল সময় এবং আরো কিছু বক্তব্য আশা করেছিলাম। তবে এটা বেশ আশাবদী কথা যে অনেকেই বিষয়টা নিয়ে ভাবেন-পড়েন-মনোযোগ দেন এবং একটা পরিবর্তন আশা করেন। এখন আমার কথাগুলো সংক্ষেপে বলে যাই-১. নারীরর সতীত্ব বলতে শুধু তার জননাঙ্গকেই বুঝলে ভুল হবে-এটা তার নিজস্বতাও বটে। প্রত্যেক নারী তার শরীর নিয়ে কি করবে এটা তার বিষয়।
২.ব্যাক্তি স্বাধীনতা জরুরি-কিন্তু এটাকে রুচি এবং সংস্কৃতির আধারেই তৈরি করতে হয়। ব্যক্তি স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠাটা মোটেই ঠিক নয়।
৩.বাজার নারীকে অনেক বেশি করে বাইরে আসতে বলে। এটা খেয়াল রাখতে হবে। বাজারের ছলনা থেকে নারীকে মুক্ত না করলে নারী কখনোই মুক্ত হবে না।
৪. সতীত্ব পরীক্ষা করাটা অন্যায় কিন্তু সতীত্ব রক্ষা করাটা দায়িত্ব।
৫. রাষ্ট্র এবং তার রানীতিকে বুঝতে হবে-বুঝতে হবে পুঁজিবাদী রাজনীতির কৌশলকেও-এভাবেই আলোচনা করতে হবে নারীকে।
৬.নির্দিষ্ট করতে হবে আমাদের নারীকে। এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ইতিহাসের নারীদের খুঁজে-খুঁড়ে বের করতে হবে। তারপর এখনকার সময়ের নারীদের সতীত্ব নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
সময়ের অভাবে কিছু বিষয় উল্লেখ করলাম মাত্র। তবে নজর আছে। আবারো হাজির হব।
লেখক বলেছেন:
১. ঠিকাছে
২. ঠিকাছে
৩. বাজার করুক আর নাই করুক, নারীর বাইরে যেতে সমস্যা কি ? তারা কি শুধু ঘরে সেক্স ডল হয়ে পরে থাকার জন্য ? আমার উপলব্ধি হচ্ছে "বাজার যদি নারীকে বাইরে বের করে আনে না , শুধু বিছানায় পাঠায়।"
৪. "সতীত্ব নিয়ে সুচিবায়ুতা ! ! " হা হা হা ... পোস্টটা আপনার কোন উপকার করতে পারেনি ।
৫. ব্যাপক আলোচনার দাবী রাখে
৬. এইটা কি কইলেন ? নির্দষ্টকরণ মানে কোন দিক দিয়া ? নারীরাতো নির্দিষ্টই ( গন্ডিবদ্ধ ) হয়াই আছে । আর কত করতে চান ?
রুবেল শাহ বলেছেন:
রাতমজুর বলেছেন: টপিকটা হট, সন্দেহ নাই। সমস্যা হৈল, চিল্লায়া লাভ নাই যতক্ষন না উনারা নিজেরা উদ্যোগ লন।
অন্য কেউ বলেছেন:
@ সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র: শোকেস বানাইতে দিলাম। জিএফ রে ভইরা রাখবো। সতীপনা করুক। সহমত?
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@অন্য কেউ- সতীপনা বিষয়টি আসলেই আপত্তিকর। আমাদের সমাজে অসংখ্য নারী আছেন যারা নিজের সতীত্ব বজায় রাখতে চান। এটা সমাজ সংস্কার তাকে শিখিয়েছে। আবার অসংখ্য নারী পোশাকি সতিপনা বজায় রাখে। আমি পষ্ট করেই বলেছি সতীপনা কেবলমাত্র জননাঙ্গ কেন্দ্রিক কোন বিষয় নয়। সমস্ত অর্থেই নারী। কোন নারী-যে নারী ঘরের, পাড়াগাঁয়ে থাকে। তাদের অধিকাংশই সতীত্ব মানে এবং মেনেও তা ভাঙ্গে। সবাই না কেউ কেউ। নারীকে বুঝতে হবে। কেবল প্রগতিকে বুঝলে চলবে না। কারণ বেশিরভাগ নারী-ই এই সমস্ত প্রগতির ধারণায় উপেক্ষিত। তাদের কোন মতামতই সেখানে প্রতিভাত হয় না। তাই আমি বলছি সতীত্বকে সম্মান করার কথা।
লেখক বলেছেন: আপনার দৃষ্টি ভঙ্গিটা মোটেও সুবিধার মনে হইতেছেনা । সতীত্বকে সম্মান করতে করতেই তো আমরা এই সতীত্ব পুজায় অভ্যস্ত হয়া গেছি।
পোস্টের আবেদনের সাথে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটার দুরত্ব অনেক । অনেক ... ...
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@লেখক-
৩. আপনি যা বলেছেন আমি সেরকম কিছু এই কস্মিন কালেও বলিনি।
৪.আপনার পোস্ট থেকে উপকার নিতে পারলাম না-আফোসস। আর সুচিবায়ুতার বিষয়টা সম্পর্কে অভিজ্ঞরাই অনেক বেশি জ্ঞাত হয়।
৪. আমার চোখে নির্দিষ্ট মানে ভুমি আর সংস্কৃতিতে নির্দিষ্ট আপনার কাছে তা বোধহয় বৃত্তাবদ্ধতা। আমি গন্ডীবদ্ধতার কথা বলিনি। আবার উল্লেখ করছি ওই অংশটুকু।
---নির্দিষ্ট করতে হবে আমাদের নারীকে। এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ইতিহাসের নারীদের খুঁজে-খুঁড়ে বের করতে হবে। তারপর এখনকার সময়ের নারীদের সতীত্ব নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
.........................
আপনার সাথে মতানৈক্যে পৌঁছানোর জন্যে একটা পোস্ট-কেই আমি যথেষ্ট মনে করি না। আরো আলোচনা না করে কিভাবে একমত হওয়া যাবে। আর আমি সুবিধাজনক কিছুই লিখতে চাইনি। সতীত্ব যদি নারীর জননাঙ্গকে ছাড়িয়ে ব্যপক অর্থে নারী হয়ে ওঠে(যার সাথে আপনি একমত) তাকে সম্মান করতে হবে। আরো গভীর থেকে বলি তাকে পুজা করতে হবে। কে সতীত্বের পুজা করে।
লেখক বলেছেন: আমার জ্ঞানের ক্ষুদ্রতা স্বীকার করে বলছি , গড়পরতার ইতিহাস থেকে আমি এমন কিছু পাচ্ছিনা, যেখানে ভুমি ও সংস্কৃতির উপর ভর করে কোন নতুন অনুসরণযোগ্য তত্ত্ব জন্ম হবে । ( ব্যাতিক্রম থাকতে পারে আমি জানিনা । )
নতুন দিনের জন্য, আধুনিকতার অহংকার নিয়ে হলেও আমাদের নতুন একটা "চর্চা" শুরু হোক । আনকোরা নতুন তত্ত্বে আপত্তি কিসের , এবং অবশ্যই "তত্ত্ব মাত্রই তার মাটির দিক" থেকে অনুকুল হতে হবে। পাছে
"ঊলোবনে মুক্ত ছড়ানো না হয়ে যায় যেন" ।
.........................
সতীত্বের পুজা আর নয় । যে কোন কিছু পুজ্য হওয়ার সমস্যা হচ্ছে তাকে আমরা বিসর্জন দেবো বলেই পুজা দেই ।
আলোচনা হতে হতেই চর্চা শুরু হবে ... হলে এভাবেই হয় ... আমি আশাবাদী ....
লেখক বলেছেন: হেলাল ভাই, এম্নে চোখ টিপি দিলেন ক্যান ?
লেখক বলেছেন: হুমমম ... লিকার বেশি হয়া গেছেগা ...
ভালো-মানুষ বলেছেন:
প্রিয়তে +
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
লাল দরজা বলেছেন:
আপ্নের সিনেমা দৃশ্য পইড়া ফিল্মি একটা ডায়লগ মনে পইড়া গেছিল, কি করুম হাসতে হাসতে চোখে টিপ পইরা গেছিল আরকি। লেখক বলেছেন: "ছেড়ে দে শয়তান, দেহ পাবি মন পাবিনা"-টাইপের কিছু ?
লেখক বলেছেন: হুমম, বাংলা সিনেমা এই কমন ডায়ালগ থ্যে এহনও বাইরাইতে পারেনাই ।
নুশেরা বলেছেন:
অদ্ভুত লাগে, একটা মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়না, ধর্ষিতা হয়। অত্যাচারের শিকার হয়না, তার ইজ্জত লুণ্ঠিত হয়। সম্ভ্রম-ইজ্জত একটা লুণ্ঠনযোগ্য পণ্য!আপনার লেখা ভালো লাগে মনিরভাই। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অদ্ভুত লাগে, একটা মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়না, ধর্ষিতা হয়। অত্যাচারের শিকার হয়না, তার ইজ্জত লুণ্ঠিত হয়। সম্ভ্রম-ইজ্জত একটা লুণ্ঠনযোগ্য পণ্য!
অদ্ভুত ! অসাধারণ বলেছেন নুশেরা'পু ...
(অ.ট. আমি আপ্নের'থে অনেক পিচ্চি।)
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
বুদ্ধিদীপ্ত সাবলীল ভাষার ১ পোষ্ট। ব্যতিক্রমী চিন্তার খোরাক যোগায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সালাহউদ্দীন আহমদ ... আমাদের চিন্তাচেতনার দূর্ভিক্ষ কাটুক
দীপান্বিতা বলেছেন:
ভাল লাগল.....................অগ্নির বলেছেন: এই তত্ত্বের মানেই হল নারীর প্রতি মুহূর্তে ভয়ে ভয়ে থাকা, সন্ধ্যার পর সে একা বের হতে পারেনা। যে কোন অবস্থাতে তার প্রয়োজন একজন 'রক্ষাকর্তা' পুরুষ। এই তত্ত্ব দিয়েই নারীকে দূর্বল করা হয়েছে। এমনকি পুরুষকেও । কারণ নারী যখন বোঝাস্বরুপ হয়ে ওঠে সেই বোঝাটা পুরুষকেই বইতে হয়। নারীকে দূর্বল করার মাধ্যমে আসলে পুরুষদের লাভের চাইতে ক্ষতিই হল বেশী।
......এটাও মনে রাখার মত উক্তি......
ভাল থাকবেন.........:-)
লেখক বলেছেন: অবশ্যই মনে রাখার মত উক্তি এবং এই পোস্টের অপূর্ণতাটা পূরণ করেছে ।
আপনিও ভালো থাকবেন দীপাম্বিতা ।
অপ্রিয় সত্য বলেছেন:
ওস্তাদ, মাফ ও চাই, দোয়া ও চাই,
আপনার মতো জিনিয়াস
এখনো অন্ততঃ আমি দেখি নাই!!!!
"ফুড পয়জনিং" হইলো আমার ,
বমি হইলো আপনার!!!
হাই'রে কি আর করা ,
আমার ও যে ইজ্জত গেল
কিছুই নাই আর
শুধু নাম'টা ছাড়া!!!!!!!!!!!!(অধমের ব্লগে "বিধাতার সন্তান" কবিতা! টা যদি !)
লেখক বলেছেন: বুজলামনা ব্রাদার ... একটু ডিটেইলে যদি সহজাইতেন , ভালা লাগত ।
অপ্রিয় সত্য বলেছেন:
বস্ -
আমার আর আপনার চিন্তাধারা,
পার্থক্য নেই কিছু শুধু নাম'টা ছাড়া ,
আপনার'টা প্রকাশ হইলো ,
আমার'টা মনেই রইলো ।
লেখক বলেছেন: আপনেরে যে কি কমু ভাষা খুইজা পাইতেছিনা ... অসাধারন ম্যান সোজা ফেবারিট লিস্টে ঢুকায়ালচি ...
চালায় যান ... নতুন দিনের গন্দ পাইতেছি
তবে যতটা জানি,ধর্মগ্রন্থগুলো ই এ ধারণার প্রবর্তক।অধিকাংশ মানুষ ধর্মে বিশ্বাসী।সহজেই ধারণা টা সহজাত হয়ে উঠেছে।
তবে,কতিপয় মেয়ে আধুনিক হবার চেষ্টায় ইজ্জত পুঁজি করে।এটাও নিন্দনীয়।
ভাল লাগলো।প্রিয় তে নিলাম।
লেখক বলেছেন: ধর্মগ্রন্থগুলোকে একক ভাবে দায়ী করবো না, কারণ ধর্মে সমাজের চিন্তা-ভাবনা প্রতিফলিত হয়, নইলে এর নবীরাসূল'দের গ্রহনযোগ্যতা বা জনপ্রিয়তা আসতোনা । এবং এটা ঠিক ব্যাপারটাকে কাঠামোগত আকৃতি দিতে ধর্ম, ধর্মগ্রন্থ'গুলো ব্যাপক ভুমিকা রেখেছে ।
"তবে,কতিপয় মেয়ে আধুনিক হবার চেষ্টায় ইজ্জত পুঁজি করে।এটাও নিন্দনীয়।" ... অবশ্যই ... এব্যাপারে সবাকের একটা দারুন পোস্ট আছে পড়তে পারেন .... Click This Link
দেশী পোলা বলেছেন:
কোন সমাজের কথা কও মনির? বহুগামী বহু নারীই তো সুখে সাচ্ছ্যন্দে সংসার করছে এই বাংলাদেশে। শমী কায়সার বা ডলি সায়ন্তনী কি খালি মধ্যবিত্ত সমাজ থেকেই আসে? উচ্চবিত্ত আর নিম্মবিত্তর কথা নাই বললাম, কে কোথায় কারে কি করতেছে, কোন খবর নাই। ইজ্জত জিনিসটাই রেস্পেক্টিভ, একজনের হয়ত গোড়ালি দেখা গেলেই ইজ্জত যায়, আরেকজন হয়ত খালেদার মত ফালুরে বিয়া করিয়াও টনটনে ইজ্জত নিয়া জনগনের পূজনীয় হইয়া বসবাস করেন।
life is full of spectrums my friend, you just can't define everything with a broad brush.
লেখক বলেছেন: আরে বস্ আপ্নে কোথ্যেকে ... ক্যামন আছেন ...
শমী বা ডলির বিত্ত'বিছানার চিন্তার থেকে আমার কাছে বেশি জরুরি আমার বউ, বোন, মা, মেয়ের যদি ইজ্জত চইলা যায় তাইলে কি করণ ?
"ইজ্জত জিনিষ্টা রেস্পেক্টিভ" তাইলে'তো আমি বউ'রে সারাজীবন সতি বানায় রাইখা পুজা দিমু । কি কন ?
দেশী পোলা বলেছেন:
বউ'রে পূজা করতে চাইলে করবা, মানা করছে কে? বউও তোমার পূজা নিয়ে খুশিই থাকবে, নারীর মন বলে কথা।আমাদের দেশের সতীনারী কালচারটা এসেছে সনাতন হিন্দু ব্রাক্ষণবাদী ধর্ম থেকে, আর পূর্বপুরুষের অনেক ভুল আচারের মত এটাও আমরা মধ্যবিত্তরা ঐতিহ্য আচারের নামে আকড়ে ধরে থাকি।
এটো পাতে খাই না, এটো নারীকে ঘরে তুলি না। চিন্তা করে দেখ, সবকিছুর উৎসটা কই?
পত্রিকাতে পড়েছি দৌলতদিয়ার পতিতারাও নাকি বিয়া শাদী করে, পোলাপানরে নানী, দাদীর কাছে রেখে নিজের দেহ বেচে স্কুল কলেজে পড়ায়। এখন পতিতার পুত্রের কাছে সে মায়ের ইজ্জত কি শুধু জন্মদাত্রী মা বলে? নাকি মা দেহ বেচে ছেলেকে স্কুলে পাঠিয়েছে বলে?
শেষমেষ কথা একটাই, ইজ্জত হল যার-যার-তার-তার ডেফিনিশন, কোন রেপড মেয়েকে ইজ্জত হারিয়েছে বলাটা আমার ডেফিনিশনে পরে না, কিন্তু সাঈদী বা মুফতি আমিনী তাকে দোররা মারতে পারে। কিন্তু একটা মেয়ে যদি তসলিমার মত খোলা বাজারে নিজের বহুগামীতার বই লিখে বিক্রি করে, তাহলে তার ইজ্জত গেছে বলে আমি মত দিলেও তুমি হয়ত তাকে সমর্থন করবে। life is full of spectrums, আগেই কইলাম তো
মনির হাসান বলেছেন:
"কোন রেপড মেয়েকে ইজ্জত হারিয়েছে বলাটা আমার ডেফিনিশনে পরে না" ... ইয়েস বস্ ... এইটা আমার কথা, আপনে বইলা দিছেন । "কিন্তু একটা মেয়ে যদি তসলিমার মত খোলা বাজারে নিজের বহুগামীতার বই লিখে বিক্রি করে, তাহলে তার ইজ্জত গেছে বলে আমি মত দিলেও তুমি হয়ত তাকে সমর্থন করবে।" ... না বস্ ... আমার সমর্থনই শেষ কথা ... ব্যাপারটা এরকম ভাবে নিয়েন না ... আর নারীমুক্তি শব্দটার একমাত্র সমার্থক শব্দ তসলিমা নাসরীন এইটাও ঠিকনা ।
Life is certainly full of spectrum ... আর তাই সবিনয়ে বলতেছি, দুই দুইবার ফেয়ার প্লে ট্রফি পাওয়া গ্যারি লিনেকারের থেকে মারকুইট্টা ম্যারাডোনা আমার কাছে অনেক বেশি ফেবারিট ।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
কতদিন কত জায়গায় কতজনের প্রিয় পোস্টে এই লেখাটা দেখেছি, কখনো পড়ার সৌভাগ্য হয়নি, আজ হলো... এগুলো তো একেবারে জ্ঞান হওয়া বয়স থেকে আমারও মনের কথা... আহা, আমি এত সুন্দর করে বলতে পারি না কেন? লেখক বলেছেন: "এগুলো তো একেবারে জ্ঞান হওয়া বয়স থেকে আমারও মনের কথা..." ... এসব মনের কথা গুলোই একদিন ঐকতান হয়ে গর্জে উঠবে ।
ভালো থাকুন ।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
পোস্টের স্টাইলটা কঠিন হইছে! কতা ঠিক আছে!! কিন্তু সময়ের বিবর্তনে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা পুরুষরা না যতটুকু ধরে রেখেছে, তার থেকেও বেশি নারীরা!!
লেখক বলেছেন: জানি'না কে বেশি ধরে রেখেছে, সেক্ষেত্রে আলোচনা উপসংহারহীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি । তবে চিন্তা করছি কে এটাকে ফেলে দেবে ... আসুন চেষ্টা করি । অন্তত মননেও যদি দারিদ্রতা কাটে'তো সেটাও আমাদের ভাবি প্রজন্মের মেয়েদের জন্য কম না ।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ভালো লাগল, মনির হাসান।
লেখক বলেছেন: বস্ ... আপনেরে অনেকদিন পর পায়া আরো বেশি ভাল্লাগলো ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
সমাজের মুখে চপেটাঘাত করে বসলেন দেখি। একসময় বাংলা হিন্দি-সিনেমার বাধ্যতামূলক রসালো চিত্রায়ন ছিল এরকম কিছু দৃশ্য। এবং প্রতি বাংলা সিনেমাতেই ঘুরিয়ে-ফিরেয়ে স্বরণ করিয়ে দেয়া হতো স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রী'র বেহেস্ত!!!
লেখক বলেছেন: "এবং প্রতি বাংলা সিনেমাতেই ঘুরিয়ে-ফিরেয়ে স্বরণ করিয়ে দেয়া হতো স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রী'র বেহেস্ত!!! " এই পয়েন্ট'টা মিস করে গেছি ... ধন্যবাদ আপু ...
খালি সিনেমা না ... আগে হাবিবুল্লাহ বেলালীর আলোর দিশারী মিস করতাম না ... প্রায় প্রতি পর্বে স্মরণ করিয়ে দেয়া হত "স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রী'র বেহেস্ত" ... এখন'কার ইসলামীক অনুষ্ঠান গুলো'তেও অভিন্ন সুর থাকার কথা ...
এইটুকু এখনকার জণ্য ঠিক। কিন্তু ভেবে দেখূন আজ যে হারে এগুচ্ছে তাতে নারী তান্ত্রিক সমাজ যদি প্রতিষ্ঠিত হয়ই, তখন কি হবে? আর এর পর আবার যদি পুরুষ ক্ষমতায়নে প্রধান্য বিস্তার করে তখন প্রতিক্রিয়া কিরম হবে?
আসলে এভাবেই চলে আসছে। নারী বা পুরুষ বলে নয়। আমাদের সত্ত্বার পরিবর্তন আনতে হবে।
একজন মানুষ পুরুষ বা নারী, তার পূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং সত্ত্বাকে মূল্য দিতে হবে।
জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে।....
তবে ইদানিংকার..জেন্ডার ব্যলেন্সের নামে এখন যেই একমূখী যাত্রা শুরু হয়েছে তার ফলও খুব একটা শুভ হবে বলে মনে হয়না।
লেখক বলেছেন: আমি বড়ই হইছি নারীতন্ত্রে (ফ্যামিলিতে), তাই নারীতন্ত্র নিয়া কোন ফোবিয়া কাজ করেনা ... বরং নারীতন্ত্র আসলে ওয়েলকাম করুম । তবে সে সম্ভাবনা আপাতত দেখতেছিনা । আপনারো টেনশনের কিছু নাই ।
উপরে কমেন্টে দেখেন ... আমার একটা ভুল ধারনা ছিল, শয়তান ভাই সেইটা ভাঙ্গছে । আমরা মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা'র সময়টা পার করে আসছি । তবে সেটা নারীতান্ত্রিক সমাজ ব্যাব্বস্থা ছিল কিনা এই নিয়া আমি এখনো সন্দিহান ।
এইটা ভালো বলছেন একমুখি যাত্রা । কোন ধরনের একমুখি যাত্রাই ভালো কিছু আনতে পারেনা ... আর কর্পোরেশনের জ়েন্ডার ব্যালান্সের নমুনা দেখলে হাসতে হাসবে গড়াগড়ি খাই ।
নারী মুক্তি বা সাম্য বা অধিকার .... ইত্যাদি পুরা ব্যাপারটাই সহনীয় মাত্রায় আসবে যদি "আমাদের মননের দূর্ভিক্ষ'টা কাটে" ।
আপাতত দাবী এই একটাই ।
২বছর ব্যাংকিং পড়ে পাশ দিছি, আমারে জিগায় চাঁদের ব্যস কত!
ছিঃ বলে বের হয়ে আসছি।
৩মাস বেকার ছিলাম। উত্তরা ব্যাংকের কাছ দিয়াও হাঁটি নাই।
যখন ত্রিশ হচ্ছি তখন লিখেছিলাম - "ত্রিশ ছুঁই ছুঁই শরীরের বয়স সই, আমি না কি তবু শুধু আমার নই"
প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ ঐসব চ্যাটের বাল "সতীত্ব" বিশ্বাস করে না কি!
লিখায় +
লেখক বলেছেন: ওয়াও ... চ্যাস্টিটি ! ! ! ... বুইড়া শালায় দেখি চরম পার্ভার্ট ... ইন্টারভিউ বোর্ডে এই প্রশ্ন করে কোন সাহসে ... অন্যরা তখন কি করছিল ?
এই ধরনের আমলাগুলার জন্যই আজকে দেশের এই অবস্থা ।
আপনার লেখাটা' কি ব্লগে আছে ? দারুন টাইটেল।
দাড়ান ... খুজে দেখি ।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
@মেঘাপুঃ
বুড়ারে আমার পক্ষ থিকা একটা জুতানি দিয়া আসতে পারবেন? সাথে আমি থাকুম, আপনের ভয় নাই। মামলা মকদ্দমা সব আমার......
প্লীজ, না কইরেন না, খুব খায়েশ হইছে..........
লেখক বলেছেন: লগে আমিও আছি ... এই কুলাংগার গুলারে লাইত্থায়া বঙ্গোপসাগরে ফালাইতে পারলে মন'টা শান্ত হইতো ।
অ.ট. কি জানি কইছিলেন ? মনে আছে ?
লেখক বলেছেন: ওক্কে ... আপনে আগে ঢাকায় আসেন ... ১৫ তারিখ এখনও দুই দিন বাকি ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
বিলম্বে ঢুকলাম, পোস্টের মূল বিষয়বস্তুটা দারুন- লেখুনীটা আরো চমৎকার- মন্তব্যে দারুন কিছু আলোচনা এসেছে- তদুপরি, আপনার বেশ কিছু আলোচনা এবং বিশেষ করে সালাউদ্দিন শুভ্রের আলোচনার সাথে বড় রকম দ্বিমত পোষণ করি। এবং শুভ্রের আলোচনার জবাবও মনোপুত নয়। তাই দেরীতে হলেও কিছু কথা বলার আগ্রহ থাকলো.....
আর পোস্টে অবশ্যই প্লাস, বরাবরের মতোই আগুন পোস্ট।
লেখক বলেছেন: কিছু সিদ্ধান্ত নতুন মোড় নিয়েছে ... কিছু সিদ্ধান্ত জোরালো হয়েছে ... আপনার পোস্টে আলোচনা করবো ...
শুভ্রের মত আমিও অনুরোধ করবো আলাদা পোস্ট দিতে ... আলোচনা জমবে আশা করি ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@নাস্তিকের ধর্মকথা--------নতুন পোস্ট আকারে দিলে আমারে লিংক দিয়া আইসেন-নইলে হয়তো চোখে পড়বে না।
লেখক বলেছেন: সহমত ... নাস্তিকের ধর্মকথা'কে অনুরোধ রইলো নতুন একটা পোস্ট দেবার ...
সুবিদ্ বলেছেন:
এই সমাজের যে চেহারা তাতে একজন নারী অনুপস্থিত.....আদৌ মেয়েদেরকে মানুষ হিসেবে দেখতে পারবে এই সমাজ??? আমার সন্দেহ আছে......দারুণ পোষ্ট.....
লেখক বলেছেন: হ্যা ... আমিও সংকিত, নারী'রা যতদিন না ঐ হিন্দী সিরিয়াল আর ফেয়ার & লাভলী সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসবে ...
তবে স্বপ্ন'টা ছাড়িনি ... হয়তো দেখে যেতে পারবোনা ...
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
প্রথমে সতীত্ব-নারীত্ব-সতিপনা এসব নিয়ে কিছু কথাবার্তা কই.....শুভ্রঃ
সতিত্ব বিষয়টিকে বাজার খোলামেলা করে দিয়েছে। সতীত্বের আড়ালে থাকার, সম্ভ্রমে থাকার এবং ভালোবাসায় থাকবার যে বিষয়টি ছিলো-আমাদের আধুনিক শিক্ষায় তা হবার জো রইলো না। নারীত্ব কখনোই সতীত্ব বর্জিত নয়-এর বাজারি হওয়াটা অপরাধই। কিন্তু সমাজ সতীত্বের ধারনাকে জোরালো করেছে আবার শারীরিক ও মানসিকভাবে এমন অনেক নারী তৈরি করেছে যারা সতীত্ব বিকিয়ে চলে অথবা সতীত্বের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতে গিয়ে সমাজ বিচ্ছ্ন্নি হয়েছে।
লেখকঃ
আমি সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাই নি কোথাও
====>>> সেই পুরাতন রোগ! কোন বিষয়কে ভিতর থেকে দেখতে না পাওয়া- আরো দশটা বিষয়ের সাথে এক করে একরকম লেজেগুবরে অবস্থা করে ফেলা!!!
বাজার এই সমস্যাটিকে প্রকট করেছে ঠিকই- কিন্তু একে বাজার দিয়ে ব্যাখ্যা দিতে যাওয়া নেহাত বোকামি। বাজারের আগে থেকেই এই সমস্যার শুরু- যেদিন থেকে নারীর উপর পুরুষের কর্তৃত্ব স্থাপিত হলো- সেদিন থেকেই পুরুষ নারীর উপর নানারকম টাবুর সাথে এরকম কিছু নারীত্ব/সতীত্বের ধারণাও তৈরি করে নিয়েছে। এটার মূল জায়গাই হলো- এর মাধ্যমে নারীকে পুরুষের আয়ত্তে রাখা, নারীকে পুরুষের সম্পদ হিসাবে তৈরি করা।
নারীর সতীত্ব কার জন্য? পুরুষের জন্য। নারীর একগামিতা কার জন্য ? পুরুষের জন্য। নারীর নারীত্ব কার জন্য? পুরুষের জন্য। এটাই হলো মূল কথা। যদিও এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এসমস্ত প্রশ্নের জবাব পাবেন অন্যভাবে- নারীর সতীত্ব কার জন্য? এই সমাজের জন্য। নারীর একগামিতা কার জন্য ? এই সমাজের জন্য। নারীর নারীত্ব কার জন্য? এই সমাজের জন্য। কারণ, পুরুষ মানেই তো আজকের এই সমাজ, আজকের এই সমাজ মানেই পুরুষ।
ফলে, পুরুষেরা সমস্বরে আওয়াজ তুলবে: নারীত্ব কখনো সতীত্ব বর্জিত নয়!!! সমাজও সমস্বরে চিৎকার করবে: নারীত্ব কখনো সতীত্ব বর্জিত নয়!!! আর এই সমাজের প্রোডাক্ট শুভ্ররা তো করবেই। এমনকি এমন পোস্টের লেখক পর্যন্ত বলবে: আমি সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাই নি কোথাও!!!!
লাইনটি কিন্তু ভীষণ!!!
নারীত্ব কখনো সতীত্ব বর্জিত নয়!!
এখানে সতীত্বকে তো বটেই- নারীত্বকেও মহিমান্বিত করে তোলা হলো! এবং খুব চমৎকারভাবে- এক ঢিলে দুই পাখি- যেন নারীত্ব জিনিসটা খুবই মহার্ঘ্য একটা জিনিস এবং সেই মহার্ঘ্য "নারীত্ব" পরিপূর্ণ হতে পারে "সতীত্ব" আরেক মহার্ঘ্যের সংযোগে!!
এই না হলে, এই না বললে- আমাদের পুরুষতান্ত্রিকতা! এই না হলে আমাদের এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ!!!
অন্য কেউঃ
সতীত্ব বর্জনের আহবান জানাইবেন্না ক্যান? পুরুষগো লিগা যদি 'সতত্ব' চালুঅয়, তৈলে 'সতীত্ব' মানতে রাজি আসি। নয়তো দ্রব্যটা হিপোক্রাইসি। আমার পরাণপাখি জান্তে চাইতারেনা আমার 'সতত্ব' আসে কিনা। টার্মটাই তো নাই। আমার কি অধিকার তারে জিগানের যে হ্যার 'সতীত্ব' আসে কিনা? আজিব। 'সতীত্ব' টার্মটা পুংবাদীগো চালু করা সবচাইতে অশ্লীল টার্মগুলার একটা।
==========>>>>> জটিল কমেন্ট। পুরোটাই একমত।
লেখকঃ
"সতীত্ব বর্জনের ডাকে" কাদের সব থেকে বেশি বলি দিতে হবে ? অবশ্যই নারীদের ... মনির/অন্যকেউ/শুভ্র এরা যতই সতত্ব বিসর্জন দেক না ক্যান ... তারা প্লেবয় খ্যাতি পাবে ... এই আন্দোলনের শহিদ বলে তাদের কেউ দেখবেনা । অপর দিকে একজন নারী যদি সতীত্ব বিসর্জন দেয় তো তার ট্যাগ হবে "বেশ্যা" ... ... নারীরা জগতের অনেক কারণেই বলি হতে হতে শেষ ... আর আমি তাদের বলি দেখতে চাই না ... তাই আপাতত "সতীত্ব বর্জনের ডাক" দিচ্ছিনা ।
===>> কি অদ্ভুদ কিসিমের বৈপরীত্য! এমন আগুন পোস্টের লেখকের মুখে এরকম পুরুষের গন্ধ ছোটা কমেন্ট!!!
সতীত্ব বা নারীত্ব বর্জন করা মানে সামাজিকভাবে বিবাহ বহির্ভূত সেক্সে লিপ্ত থাকা? এটাই বুঝলেন? যে কথা নিজের পোস্টে বললেন- সেই গলদ নিজে করে বসলেন! সতীত্ব বর্জন মানে হলো "সতীত্ব" নামক অশ্লীল ও আধিপত্যমূলক পোষাকটি ত্যাগ করা- সেটা মানে নারীদের জনে জনে সেক্স করা না। সেই নোংরা পোষাক- যার মাধ্যমে নারীর সেক্সের একাধিপত্য পুরুষের হাতে থাকে- সেই নোংরা পোষাককে ছুড়ে ফেলা দেয়া। যে পোষাকের কারণে বেশ্যা ও অন্যান্য "চ" বর্গীয় সেক্স কেন্দ্রিক ও জন্মকেন্দ্রিক গালিগালাজের কেন্দ্রমুখ নারী- সেই পোষাক বর্জনের ডাকে যদি "বেশ্যা" গালি খাওয়ার ভয় দেখেন- তবে করার কিছু নেই। এই পোষাক তো কেবল নারীর ত্যাগ করার বা বর্জন করার নয়- এটাকে তো পুরা সমাজ থেকেই ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। ফলে- সতীত্ব/নারীত্ব বর্জনের ডাক তো সমাজ থেকে পুরুষতান্ত্রিকতাকেই নির্মূল করার ডাক- তা কেমন করে নারীর বিবাহ বহির্ভূত সেক্স করার নাম হতে পারে??
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
শুভ্রঃ১. নারীর সতীত্ব বলতে শুধু তার জননাঙ্গকেই বুঝলে ভুল হবে-এটা তার নিজস্বতাও বটে। প্রত্যেক নারী তার শরীর নিয়ে কি করবে এটা তার বিষয়।
লেখকঃ
১. ঠিকাছে
====>>>> নারীর নিজস্বতা আবার কি? এবং সতীত্ব ধারণাটির মধ্যে জনন অঙ্গ তো আছেই- পুরুষেরা সেই ধারণা তৈরি করেছে- আপনি আমি অস্বীকার করতে চাইলেও কি অস্বীকার করতে পারবো? এখন, সতীত্ব'র সাথে তথাকথিত অবৈধ সেক্সকে বাদ দিলে আর কি কি বিষয় থাকতে পারে- যেটাকে নারীর নিজস্ব বলে সতীত্বের ধারণাকে সম্মান করা যায়? "প্রত্যেক নারী তার শরীর নিয়ে কি করবে এটা তার বিষয়"- এটার স্বীকৃতি কি আপনার সমাজ দেয়? একজন নারীও কি সতীত্বের প্রতি মোহ থাকা অবস্থায় এমনটা ভাবতে পারে- পুরুষরা এমন ভাবতে পারে?
এবং শেষ পর্যন্ত সতীত্বের রুট সেক্সই। তাই সীতাকে সতীত্বের পরীক্ষা দিতে হয়- আয়েশাকেও আয়াত দিয়ে সতীত্ব হানির হাত থেকে রক্ষা পেতে হয়। কিন্তু কোন পুরুষকে কোনদিন সতত্বের পরীক্ষের দিতে হয়না- কৃষ্ণের বহুগামীতা লীলাখেলা হিসাব শ্রদ্ধার পাত্র হয়- মুহম্মদ সা এর বহুগামিতা (বিয়ে করে বা না করেই) হয় নানাকারণেই গুরুত্বপূর্ণ ও মহৎ!! @শুভ্র
কি ঠিকাছে? @লেখক।
শুভ্রঃ
২.ব্যাক্তি স্বাধীনতা জরুরি-কিন্তু এটাকে রুচি এবং সংস্কৃতির আধারেই তৈরি করতে হয়। ব্যক্তি স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠাটা মোটেই ঠিক নয়।
লেখকঃ
২. ঠিকাছে
যেখানে নারীরা পুরুষতান্ত্রিকতার চাপে পিষ্ঠ এবং ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবোধটাই রহিত- সেখানে নারীর ব্যক্তিস্বাধনীতার কথাটাই মুখ্য। সেটা শুনে যখন কেউ স্বেচ্ছাচারী হওয়ার ভয় দেখে ও দেখায়- তাদের উদ্দেশ্য বলতে পারি- এমন ক্ষেত্রে কখনো কখনো স্বেচ্ছাচারী হলেও ভালো।
বৃষ্টির জন্য যেখানে হাহাকার- সবাই বৃষ্টির কামনাই করে। কিন্তু এমন সময় কেউ কেউ ঝড়ের আশংকা করলেও নিশ্চয়ই আমরা বৃষ্টির জন্য কামনা ও প্রার্থনা বন্ধ করবো না। @শুভ্র
কি ঠিকাছে? @লেখক।
.............. চলবে
দেবদারু বলেছেন:
চেতনাস্পর্শী এই পোস্টটির জন্য আপনাকে দেবদারু-র পক্ষ থেকে অভিনন্দন.......... দেরীতে পড়লাম--- ক্ষমা করবেন........
লেখক বলেছেন: উলটো কবর খুড়ে পোস্টাকে বের করার জন্য ধন্যবাদ দেবদারু।
সুমন অহেমদ বলেছেন:
হাসতে হাসতে কেনো যেনো মাথা ব্যাথা হয়ে গেলো!!যাইহোক, আপনি যেভাবে ভাবলেন এভাবে সবাই ভাবতে পারে না। এমনকি যাদের নিয়ে লিখেছেন, তারাও না! তবে কারা ভাবতে পারে সেটা একটু ভেবে বলতে হবে ...
লেখার উপস্থাপনাটা অসাধারন এবং লেখাটাও ভালো লাগলো.. তবে একটা মাইনাস দিয়ে গেলাম। কারনটা বড়ো পরিসরে কোনো একদিন জানাবো
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন:
দারুন একটা লেখা। আপনার লেখা গুলো আগে পড়িনাই। পড়া শুরু করলাম।"সতিচ্ছেদ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের জাতীয় পতাকা। সতিচ্ছেদ আর প্রথম রাতে সাদা বিছানায় রক্ত দেখা না গেলে সেই নারীকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলাই পৌরুষের লক্ষণ"
তানিয়া মুন বলেছেন:
চমত্কার এবং প্রিয়তে।
আদনান ফারাদী বলেছেন:
আমাদের মন বড় নষ্ট রে ভাই বড়ই নষ্ট। নারীকে মানুষ না ভেবে আমরা পুরুষরা পণ্য ভাবছিরে ভাই। পন্যের যেমন সামান্যতম খুঁত্টাও ক্রেতাকে নিরুত্সাহিত করে তেমনি নারীর কিছু হলেই পুরুষের নারীকে কেনা হয় না। এখানে পণ্য কেনাবেচা হয় রে ভাই।আমরা যদি এই মানসিকতার পরিবর্তন করতে পারি তো সব ঠিক। মানুষ মানুষের জন্য। এইখানে মানুষ = নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই। এখন যদি নারী পুরুষ আলাদা করেন তাইলে হয় কি "নারী পুরুষের জন্য" পুরুষতান্ত্রিক সমাজে। আর "পুরুষ নারীর জন্য" নারীতান্ত্রিক সমাজে। আমি কোনটাই চাই না।
অতএব সবাই ই মানুষ। মনটাকে এইভাবে ট্রেইন করতে হবে।
হাসান ইকবাল বলেছেন:
ভালো লাগলো+
নূরননবী বলেছেন:
এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
আরজুপনি বলেছেন:
তন্ময়ের দেয়া লিংক পড়তে যেয়ে হাসান মাহবুব ভাইয়ের দেয়া লিংক পেয়ে আপনার এই পোস্ট পেলাম....ভাই আপনাকে লাল সালাম জানাই.....মানুষ গুলো যেনো আপনার মতো বিবেকবান মানুষই হয়...ভালো লাগা, শেয়ার, প্রিয়তে...
আরজুপনি বলেছেন:
ধুর শেয়ার নিতে চেষ্টা করে ও পারছি না....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















