জানি না, এ চিঠি শেষ পযর্ন্ত তোমার কাছে পৌছাবে কি না। তবে পৌছাক বা না পৌছাক সেটা কোন ব্যাপার না। আমি আমার মনের কথা বলতে চাই। যদি চিঠিটা পৌছায় তবে আমার মনের একটা আশা অন্তত পূরন হবে । আমার কিছু কথা তো অন্তত্ব একজন জানতে পারবে।
তোমাকে প্রথম দেখে ছিলাম ভার্সিটির ফার্স্ট গেটে। আমার এ স্বল্প জীবনে আমি তোমার মত এমন কাওকে দেখিনি যে, আমার মনের কথা ও দুঃখ একান্ত ভাবে জানাতে পারবো। তোমাকে দেখেই আমার মনে হল, তোমাকেই আমি এত দিন ধরে খুজছিলাম । তুমি যেন আমার অন্তরে আাঁকা সেই ছবি। কেমন যেন আমার স্বপ্নের সাথে হুবহু মেলে। সেই চোখ, সেই নাক, সেই দাড়ানোর স্টাইল, স-সবই যেন আমার স্বপ্নের মত । আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না। তুমি বিশ্বাস করবে না তবুও বলি আমি খুবই ছোট থাকতেই তোমাকে স্বপ্নে দেখেছিলাম। তোমাকে যে আমি অনন্ত কাল থেকেই চিনি। তুমি কি খাও, কি পছন্দ কর, তোমার এমবিশন, সবই আমি জানি। তুমি বিশ্বাস করবে না জেনেও তোমাকে বলতে ইচ্ছা করছে যে, তোমার সব কথাই আমি জানি এমনকি তুমি কোথায় যাও কি করে সবই আমি চোখ বুজেই বলতে পারি। তুমি আমার পাশের ডিপার্টমেন্ট ফিজিক্সে পড়ো। তুমি প্রতিদিন ১১.৪৫শে বকুলতলায় বসে আড্ডা দাও। তুমি বিশ্বাস করো আমি শুধু একবার তোমাকে দেখেই জানতে পেরেছি। যদিও এ কথা বিশ্বাস হওয়ার মত কথা নয় , তবুও তোমায় বলি আমার কথা বিশ্বাস করো। এখন বিশ্বাস না করলেও তখন বিশ্বাস করবে , যখন আর সময় থাকবে না।
আমি অনেক বারই তোমার সাথে কথা বলতে গিয়েছি। কিন্তু তুমি প্রতিবারই আড্ডায় ব্যাস্ত ছিলে। তোমার তো অনেক বয় ফ্রেন্ড আবার কম গার্ল ফ্রেন্ডও নেই । আমার দিকে তোমার তাকানোর সময় নেই। অথচ আমার কোন ফ্রেন্ড নেই। আমি যে স¤পূর্ণ একা। আমার পাশে তাকানোর মত কেউ নেই। আর আমি এও জানি যে তুমি আমার পাশে দাড়াবে । আমি তবুও আশা করি । কারন আমার আশা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আর দাড়াতে চাইলেও দাড়াতে পারবে না। কারন আমি যা জানি তুমি তা জানে না।
আমি মা-বাবার এক মাত্র সন্তান । আমার জন্মের সময়ই মা মারা যান। আমি মা‘র আদর যে কি জিনিস, তা জানি না। তবে তোমার মা কে দেখে আমি তা বুঝতে পেরেছি। মা যে কি জিনিস তা আমি আমার হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছি। আমার বাবা আর একটা বিয়ে করেন। তখন আমি খুবই ছোট। ................ পরে লিখব বাকিটুকু এখন ব্যস্ত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

