অবিশ্বাসীদের মশলা বনে স্নায়ুবিক ঊনুনে
মাংশ রান্নার উৎসবে কারো কোন ভণিতা নাই শঠতা নাই
দূরে কাছিমের পিঠে নদী হাওয়ার স্পর্শে
সাধারণ মানুষেরা জীবনের চর খুবলে তুলে আনছে
বিশ্বাসের গুচ্ছগুচ্ছ চারা, তাদের পাতায় পানি পড়লে বুকের মধ্যকার শব্দ
পাখি হয়, সন্ধ্যা বেলা নারীদের হাতের চূড়িতে
খুট করে শব্দ হয়
আমরা মশলা বনে সচকিত হয়ে উঠি, মুঠিবদ্ধ হাতের ভেতর
বাইস্কোপে দেখি ফেরারীরা ক্ষুধার্ত বাঘিনীদের মুখে জল এগিয়ে দিচ্ছে
পানের বরজ থেকে লালন ফকিরের গানের সাথে ভেসে আসছে মাঝিদের বৈঠাশব্দ
আমাদের তৃষ্ণার ঘড়া ভেঙে সবুজালো গড়িয়ে পড়ছে মাটিতে
সবুজালো মাটিতে অতিথিরা একে একে হৃৎপিন্ড খুলে
ময়না দ্বীপে গড়ে তুলছে ছোট ছোট শোভনের গোলা, আমরাও কাছাকাছি
খুলে রাখি হিংসার সড়ক বিভাগ
লোভের বিষন্ন যাদুঘর
শুধু ইচ্ছের পায়রাগুলো যত্ন করে তুলে রাখি কাঁধের উপর
রান্না শেষে ভোজসভায় আগত সব মুখের চাহনীতে জ্বলে ওঠে ঘুঘুডোরার হার, হর্ষস্নানে ভিজে ওঠে মাঠ
ভেজা গন্ধের কলসের গায়ে জোনাকিদের ভিড় ঠেলে
আকাশের দিকে উড়ে যায় মশলার ঘ্রাণ, যৌথ চেতনার
অবাধ্য কালোঘোড়া, ঊনুনে জ্বলতে থাকে মুখোশের সাপ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

