আমার প্রিয় পোস্ট

উন্মাদ খুলির পৃষ্ঠাগুলি

আয়না সুন্দর ও নীলছুরি

১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২০

শেয়ারঃ
0 1 0

এক
আয়নায় যেই মুখ নীলছুরি তার নাভি লাল
দুই
প্রতিদিন তার তীরে দাঁড়ের শব্দে নিবিড় দৃষ্টি
লুফে নেয় বাহুডোর, সন্ধ্যা নামে ঠোটের কিনারে
তিন
মাঝিদের বাহুলগ্ন রোদমাখা দিন শেষে একা
একটা বেড়াল দেখি ঘরের মেঝেতে, বিছানায়
আঁচড় কাটে নিশিতে, নির্জনে তাকে আদর করি
চার
তার নখের আঁচড়ে আমার দেহের সবকটা
জানালায় সূর্য ওঠে, আলোর পেরেকে ঝুলে থাকে
অসংখ্য পালক, সুর। শিহরণে কাঁটা গেঁথে রাখি
ভোরের স্নানে, পাখিরা উড়ে যায় আপেলের বনে
পাঁচ
উতলা বাতাসে যেই হাত রাখি বৃক্ষদের ডালে
সবুজের দাগ লেগে সেই হাত পাতা হয়ে যায়,
কথা বলে ওঠে মেঘ, সুদূরের এক আওয়াজ
আমাকে জাগিয়ে রাখে তোমার খোপার অভ্যন্তরে,
আমি জাগি, নৈশলিপি লিখে একা আকাশে উড়াই
ছয়
একলা হলেই তুমি, যে আকাশে ওড়ে নৈশলিপি,
তার জ্বরতপ্ত দেহে একা খোঁজ শাদা মেঘমালা,
আমি খুঁজি ফুলগন্ধ, দিগন্তের নীলাভ সুন্দরী।
ঘাড়ের ওপোর চাঁদ নেমে আসে, জানালার কাচে
বসে থাকে ঘুমহীন মুখেদের বিষাদের ছবি,
ক্যামেরা তাদের মুখ দেখে তুলে রাখে দেওয়ালে
সাত
বর্ষা আসে যায় তবু তার ঘ্রাণ লেগে থাকে মনে,
দেওয়ালে তার ছবি ফুটে ওঠে, তোমার কোমর
সেই ছবির শরীরে লেপটে থাকে, আমার স্নিগ্ধ
মাটির গন্ধ মনেতে উড়তে থাকে যার ঠিকানা
নাই কিনারাও নাই, নদী এসে ঘর ভরে তোলে,
ঢেউয়ে মাতাল হয়ে আমার পুরনো প্রেমিকেরা
সবুজের জামাপরে উঠে আসে নির্জন ডাঙায়
আট
ক্ষেতের আড়ালে মায়া পরীদের ভিড়, নীল নখে
আমার জমানো রোদ, তাদের পিঠের যবক্ষেতে
হলদে বনে শিশির, আমার পা ভিজে ওঠে, হাতে
উড়ে এসে বসে টিয়ে, চোখের শহরে ভিড় করে
জোনাকিদের উল্লাস, এইসব আমি আয়নায়
দেখি, ছুরির গতরে জেগে ওঠে গ্রাম, বালুভূমি
রাখালদের গামছা, তবু ঘুম থেকে জেগে উঠে
দেখি সব ফাঁকা, মায়া। আমার শহর নাই মনে
নয়
নতুন রাস্তার পাশে আমি খুলে রাখি দেহতুলি
অজানা মেঘলা এসে আমাকে ভিজিয়ে দিতে চায়
ছুরির ধার খুবলে ঢুকতে চায় জামার চোখে
আমি কিছুই বলিনা মৌমাছিদের ঘরের কোণে
চুপ করে বসে থাকি ভাবি এ শহর আমার না
তোমার। তোমার নাক ফুলে আমি দীর্ণ আগন্তক
আয়নার মধ্যে আমি খাই দাই ঘুমাই দৌড়াই
গভীর রাতে তোমার ঘরে ঢুকি সেই আয়নায়
ফালি ফালি দেহখন্ড হয় রাত্রে তোমার আহার
দশ
তুমি আমাকেই চাও আমাকে পেলে আরো রক্তিম
হয়ে ওঠে ওষ্ঠ, গাল। আমি তোমার আজ্ঞার পাত্র
দেওয়ালে সেঁটে রাখো, আলনায়ও রাখো ঝুলিয়ে
পেটিকোটে, ব্লাউজের হুকে, রান্নাঘরে, বিছানায়
আমি থাকি নির্জনতা ছুঁয়ে তোমারই অঙ্গে-অঙ্গে
বাহানার খিড়কিতে। পথের আড়ালে তুমি আমি
এক। জগতের আর সব মায়া, ভ্রম। আমাদের
উরুর জগতে চাঁদ ওঠে প্রতিরাতে প্রতিক্ষণে
আমরা শরীরে আলো ফেলে দেখি কামতীর্থনদী
এই নদীর পাড়েই গড়ে তুলি আমাদের ঘর
এগার
আমাদের ঘরে নাই জানালা দরোজা সবদিকে
খোলা আকাশের ছায়া। আপেলের বন থেকে দেখা
যায় আমাদের গৃহ, বাক্যহীন ঠোটে রোদভেজা
ঘ্রাণ লেগে থাকে, পাখি ওড়ে, ঝিঁঝিঁ ডাকে সারাক্ষণ
মননের তলে, লতা পাতা ঝোপঝাড় যেইখানে
আছে সেইখানে তুমি দেখি সবুজ পাতার ফাঁকে
একটুকরো রৌদ্দুর। আমি এই রোদে মুখ ধুয়ে
তোমাকেই দেখি আর ভাবি ডাবসানো পেয়ারার
দিকে তাকিয়ে যা দেখি তাকি এই জীবনের যত
যন্ত্রণা যত মধুর স্মৃতি জমা হয়ে আছে চোখে
সেটা কি আমার? নাকি ভীত গ্রহের অচেনা কারো
বার
এই দ্বিধা এই ঘোর কলপাড়ের স্নান দৃশ্যের
অবয়বে ফুটে ওঠে দেখার তৃষ্ণায় দৃষ্টি ডুবে
রয় বিভাজিত রোদে, ডানা নাই কেন, চণ্ডালিনী
বাঁকা চোখে এইসব দেখে আর রিমঝিম হাসে
ওই হাসি বুনো হাঁস, পুকুর পাড়ের অন্ধকারে
ও হাসির পানবাটা আমি খুলে দেখেছি ওখানে
পান বরজের রাত, সুপারি বাগানের হাওয়া
জড়াজড়ি করে থাকে, বুকের চিনচিন ব্যথার
সুর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আমার সমস্ত অস্তিত্বকে
ঢেকে নেয়, গ্রাস করে, তুমি ছুরির বাটে আমার
মৃত্যুদৃশ্য দেখো, হাসো, বুনো হাঁসের পালকে মুখ
মুছে ঢুকে পড়ো ফের আয়নায়, ছুরিওষ্ঠ্যধ্যানে
তেরো
নীলছুরি ও আয়না এইকালে তোমার আমার
সব তৃষ্ণা, ভাটফুট, নদীর দু'কূল, পরিবার
পরিজন, রাস্তাঘাট, সবকিছুকেই বশে রেখে
মাথায় হাত বুলিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে শরম জামা
লোভের চাবুকে ঠোট রেখে যারা পান করে মধু
তাদের মগজ গলে গেছে তুমি আমি এইসবে
নেই, আমরা গলুই এর কানে কানে কথা বলি
বসন্ত-হেমন্ত শীত নিয়ে মুখ টিপে হাসি আর
আমাদের চোখদুটি খুলে রাখি মাটির ঘড়াই
ধান উঠার মৌসুমে একে অপরের চোখে চোখ
রেখে আমরা নৌকায় আঙুলের সাথে সখ্যতার
এক নিবিড় জঙ্গলে ঢুকে পড়ি, ওখানে ভাষার
বাইরে গিয়ে আমরা মাটিতে হৃৎপিন্ড খুলে বসি
চৌদ্দ
মুখের দুপাশে নদী পাশে আমাদের নীল গ্রাম
খেয়া ঘাট পার হলে দেখা যায় রুপ কুমারীর
হাট বৃদ্ধবট গাছ মন্দিরের ইটে শ্যাওলার
জট তাকালে চোখের অসুখ সারে মনের দু:খ
মিলিয়ে যায় বাতাসে এই হাটের পাশেই আমি
আর তুমি মিলেই হলুদ বন চশমার ক্ষেত দেখি
নারীকুল নদীস্নানে এলে আমরা চশমা ক্ষেতে
মাটির ঘ্রাণ আঙুলে তুলে নিয়ে ভাবি সব পাখি
পাঁজরের শব্দে তারা উড়ে যায় আকাশের মেঘে
দিন নয় রাত নয় ঘুমের অক্ষরে জেগে থেকে
যেসব কোকিল উড়ে গেছে ভাষাহীন কাঁটাকুঞ্জে
তাদের বুকের মধ্যে একলাই উড়ে যাবো আমি
তুমি আয়নার চোখে সেঁটে দিও স্নিগ্ধ মধুবন
আমি নীলছুরি হয়ে টুকরো করবো শুদ্ধদেহ


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খেরো-কবিতা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৬
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন:
'শিহরণে কাঁটা গেঁথে রাখি ভোরের স্নানে, পাখিরা উড়ে যায় আপেলের বনে'
বাহ্ !!! ভাল লাগলো ।
ভাল থাকুন।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: জনাব আফছার আপনাকে ধন্যবাদ।

২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৭
নম্রতা বলেছেন: এক সুঁতোয় চারটি ফুলে গাঁথা কবিতা। ++++
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: আপনার কথায়-ই সই...

৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৩
সোহেল হাসান গালিব বলেছেন: কবিতাগুলো বেশ মিউজিকাল। পুরোটাই একটা কবিতা হলেও সমস্যা হতো না মনে হয়। বিশেষত শেষের দুটো দেখছি পরস্পরকে দারুণভাবে কাছে টানছে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: গালিব শুকরিয়া। একটা কবিতা হিসেবেও দেখা যেতে পারে। কোন সমস্যা নাই। মতামতের জন্য প্রীতি রইলো। ভাল থাকা হোক।

৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৪
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার কথার ব্যঞ্জনা। খুব ভাল লাগলো।
৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
আমি ও আমরা বলেছেন: @@গালীব, কবিতা গুলো না বলে দৃশ্যগুলো বললেই মনে হয় ভালো হতো। এটাতো পুরা একটা কবিতা। মাঝে মাঝে কিছু দৃশ্য চলে আসে যার কারনে প্লট ভাগ করে দিতে হয়। নাটকের কথাই ধরুন না। একই ব্যাপার। আর মুক্তির কথা বলতে গেলে ও টোটাল একটা কবিতা।

----মুক্তি, কবিতা নিয়ে পরে বলছি। আরেকটু ঘুরে ফিরে দেখি। আজ বাসায় অনেক কাজ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: সময় পাইলে চা-তলায় চলে আসো। ওকে কবিতা নিয়ে পরে কথা হোক।

৭. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
মূর্তালা রামাত বলেছেন: আপনার কবিতার এইসব নিত্যনতুন দৃশ্যক্ল্প বরাবরই আমাকে মোহিত করে। এই কবিতাগুলো বা কবিতাটাও আমাকে আপ্লুত করে রাখলো।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: রামাত ধন্যবাদ। এইটা বলা যায় একটানে একটু একটু করে লেখা। ফ্রেমটা ঠিক করে। এর ভেতর কী কী যাবে তা আগে ভাবি নাই। যা যা আছে তা লেখার সময় এসেছে। এই জন্য এইটারে কচ্ছি, খেরো-কবিতা। আমিও এখন পড়ছি।
আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগছে।

আমি চাই ভুলত্রুটি গুলো কেউ ধরিয়ে দিক, একটু কু-আলোচনা হোক। ভাল থাকবেন।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: শুনে ভাল লাগলো।

৯. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: উতলা বাতাসে যেই হাত রাখি বৃক্ষদের ডালে
সবুজের দাগ লেগে সেই হাত পাতা হয়ে যায়
____________________________

ক্ষেতের আড়ালে মায়া পরীদের ভিড়, নীল নখে
আমার জমানো রোদ, তাদের পিঠের যবক্ষেতে
হলদে বনে শিশির, আমার পা ভিজে ওঠে, হাতে
উড়ে এসে বসে টিয়ে, চোখের শহরে ভিড় করে
জোনাকিদের উল্লাস,........

____________________________

সবি সুন্দর। ঈর্ষা করি। তথাপি শুভকামনা।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার ঈর্ষাকে আমারও ঈর্ষা করতে ইচ্ছে করছে।

১০. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
মাছরাঙ্গা বলেছেন: আমি আছি অপ্রেমে, সুন্দর বলে জানি, তবে ঘ্রাতা নই, ঊর্ধ্বে উঠে যাওয়া মন নিয়ে এ সবের উপরে থাকি।

তারপরও বলি, ভাল লাগা, ভালবাসা বেঁচে থাক।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: মাছরাঙ্গা ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
তারিক টুকু বলেছেন: অনেক বদলে যাচ্ছে আপনার কবিতা। আপনাকে অভিনন্দন।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষণকে সাধুবাদ। আপনাকেও অভিনন্দন।

১২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পড়তেই আছি। কী বলবো বুঝেই পাচ্ছি না। পড়া শেষ হলে, কবিতাটা পুরো পড়ে উঠতে পারলে জানাবো! ততদিন থাকুক এটা!
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: থাকুক..পড়া হোক, ছাল চামড়ায় সজারু গজাক..

১৩. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন:
ধান উঠার মৌসুমে একে অপরের চোখে চোখ
রেখে আমরা নৌকায় আঙুলের সাথে সখ্যতার
এক নিবিড় জঙ্গলে ঢুকে পড়ি, ওখানে ভাষার
বাইরে গিয়ে আমরা মাটিতে হৃৎপিন্ড খুলে বসি '

এই রকম ফসলকাটা দিনে হৃদপিণ্ড খুলে বসতেই হয় তাই না কবি?
ভাল কথা
মোনা দির বাসায় খিচুরি কবে খাবি? বেচারি তো সেই কবে থেকে চাল ডাল বেছে বসে আছে।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: হু।

খারাপ লাগছে যেচে দাওদাত নিয়ে যেতে পারছি না। যাবোনে।

১৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
মিতুলদত্ত বলেছেন: খুবই ভালো হয়েছে। চমৎকার!!

অক্ষরবৃত্তের কিছু সামান্য সমস্যা আছে, আমার বিশ্বাস আপনি তা খুব তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠবেন।

ভালো থাকুন।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিতুল আপনাকে।

সমস্যাগুলা একটু বিন্তারিত করলে আমার জন্য ভাল হয়। সময় পাইলে জানাইয়েন। ভাল থাকবেন।

১৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
সবাক বলেছেন:
পিসির পাশে সেলফে পা তুলে আরাম করে পড়বো বলে প্রিয় পোস্টে নিয়ে রাখলাম। ক'লাইন পড়েই নেশায় বুঁদ হয়ে আছি।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
অ রণ্য বলেছেন: Mukti bhai

Sob guloi valo laglo
er ageo ekbar ese..........pore gechi
eto gulo valo jinish eksathe na dilei ki cholchilona

matha je guliye felche sob
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: এগুলো একটাই কবিতা। এই জন্যই এক সাথে দেয়া। এইগুলাকে এক সাথে করে পড়লেই ভাল হবে। এ কবিতাটা যে ভাগ ভাগ করে পড়া যাবে না তা না, যাবে। তবে, আমি এইটা লিখেছি এক সাথে করে। এক সাথে পড়ার অনুরোধ করবো।

অরণ্য ভাল থাকা হোক।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফুলের গন্ধ থোকা ভেঙে গেলে, জানালায় খোপার আকাশ, ভরে ওঠে পাখিদের টহলে।।
ইমেইল: Mukte.mandal@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ