আমার প্রিয় পোস্ট

প্রিয় হুমায়ুন আজাদ: আজ যাকে খুব বেশি মনে পড়ে

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

শেয়ারঃ
0 13 0

ক.
'আব্বুকে মনে পড়ে' সে কবে কৈশরে পড়ে ছিলাম। শিশু-কিশোরদের জন্য হুমায়ুন আজাদের লেখা মুক্তযুদ্ধভিত্তিক বইটি। আজ সকালে দৈনিক ভোরের কাগজ এ হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদের লেখা 'শুধু দুর্নীতিবাজ নয় হত্যাকারীদেরও ধরুন' লেখাটির শিরোনাম দেখে খুব দ্রুত মনে পড়ে গেল সে কৈশরে পড়া 'আব্বুকে মনে পড়ে' বইটির কথা। অনন্য আজাদ, মৌলি আজাদ এদের নিশ্চই খুব বেশি মনে পড়ে তাদের 'আব্বু' হুমায়ুন আজাদ কে। স্বাভাবিকভাবে। প্রতিদিন-প্রতিমুহূর্তে। সকাল-দুপুর-সন্ধা-রাতে। ঘুমে, জাগরণে এবং স্পপ্নেও। আমাদেরও মনে পড়ে। খুব বেশি করে মনে পড়ে। ফেব্রুয়ারি এলে, বইমেলা এলে আরও বেশি করে, মনের গভীরে নাড়া দিয়ে যায় হুমায়ুন আজাদের স্মৃতি। হুমায়ুন আজাদের কথা।
খ.
আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি। ২০০৪ সালের এ ভয়াল দিনে হুমায়ুন আজাদ তার প্রিয় বইমেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির নগ্ন পৈশাচিক হামলার শিকার হয়েছিলেন। হুমায়ুন আজাদের এ হত্যা চেষ্টায় তিনি মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে এলেও শেষ পর্যন্ত আমরা তাঁকে বাঁচাতে পারিনি। অল্প কিছুদিন পরে জার্মানীতে তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে বিশ্বাস করি, ৭১ এর পরাজিত শক্তি, মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি সেদিন হুমায়ুন আজাদকে বইমেলায় হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ না করলে তিনি আরও অনেক দিন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকতেন। তিনি আরও দীর্ঘ সময় ধরে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে যেতে পারতেন তার অনবদ্য লেখনি ও সৃষ্টিশীলতা দিয়ে। আমাদের দুর্ভাগ্য। আমরা হুমায়ুন আজাদ কে বাঁচাতে পারিনি। দিতে পারিনি একটি স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারন্টি। যে সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী-প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে পরাজিত করে স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ সে বাংলাদেশেই পরাজিত শক্তি বাঁচতে দেয়নি হুমায়ুন আজাদকে। আমাদের হুমায়ুন আজাদকে। মুক্তিচিন্তার হুমায়ুন আজাদকে।
গ.
আজ খুব মনে পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেলে আসা সে দিনগুলোর কথা। এস এম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে কলাভবনে আমার যাতায়াত ছিল প্রায়শ ফুলার রোড় হয়ে। বেশির ভাগ সময় পায়ে হেটে আসতাম। আমার আসা-যাবার পথে বলা যায় প্রতি সপ্তাহেই দেখা পেতাম হুমায়ুন আজাদের। জিন্স, কেডস আর গেঞ্জি পরে, অত্যন্ত ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতে তিনি হয় কলাভবন যাচ্ছেন অথবা ফিরে আসছেন তার ফুলার রোডস্থ বাসায়। কখনো বিকেল অথবা সকালে দেখেছি হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক, বাইসাইকেলে করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সে একই ফুলার রোড হয়ে টিএসসি-কলাভবন, তারপর আবার ফুলার রোডের দিকে। তাঁকে কখনো দেখেছি আজিজ সুপার মার্কেটে। তাঁকে যখনই দেখেছি থমকে দাঁড়িয়েছি। দৃষ্টি স্থির হয়ে এসেছে তাঁর দিকে। অপলক চোখে চেয়ে শুধু দেখেছি বাংলা সাহিত্যের অমিত সম্ভাবনার মহিরূহকে। শ্রদ্ধায় প্রতিবারই মাথা নুয়ে এসেছে তার প্রতি। তার সৃজনশীলতার প্রতি। তাঁর সাহসের প্রতি। সত্য ও সুন্দরের প্রতি তার নিরবিচ্ছিন্ন ভালবাসা, আদর্শের প্রতি তাঁর দৃঢ মনোবল কেবলই অভিভূত হতে বাধ্য করতো আমাকে, আমাদেরকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে এলে আমার চোখের সামনে এখনও ভেসে ওঠে সেসব স্মৃতি ও দৃশ্যমান জীবন্ত ছবি। আমার মনে হয় এ বুঝি হুমায়ুন আজাদ আসছেন। ঠিক আগের মতো। জিন্স, ক্যাডস আর গেঞ্জি পরে। ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতে। অথবা সাইকেলে চড়ে। হুমায়ুন আজাদ নেই-এ কথা ভাবতে আমার বুক ভারি হয়ে আসে। বুক ফেটে কান্না আসে। না আমি হুমায়ুন আজাদের সরাসরি ছাত্র ছিলাম না। তবু আমি বিশ্বাস করি, তিনি আমার শিক্ষক ছিলেন, একবোরে আক্ষরিক অর্থে। পিতৃতন্ত্র, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, নারীর সামাজিক অবস্থা, তার পরিপ্রেক্ষিত এ সব বিষয়ে বিদ্যাজাগতিক ধারণার প্রাথমিক সূত্রগুলো আমি হুমায়ুন আজাদের বই পড়েই জেনেছি। তাঁর 'নারী' বইটির প্রায় প্রতিটি পৃষ্ঠা আমি নানা রঙ্গ আর দাগে পরিপূর্ণ করে তুলেছিলাম এ জন্য যে, পড়তে গিয়ে তার প্রতিটি লাইন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে।
ঘ.
হুমায়ুন আজাদকে কেন খুন করা হলো! হ্যা খুনইতো। কারণ এটাতে সত্য যে, বাংলা একাডেমির বই মেলায় তিনি ৭১ এর পরাজিত শক্তি ঘাতক-খুনি দ্বারা আক্রান্ত না হলে তাঁর এ অস্বাভাবিক মৃত্যু হতো না। হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর কারণ তার অসীম সাহস। সত্য উচ্চারণের সাহস। তাঁর মতো আর কয়জন এভাবে সত্যকে উচ্চারণ করতে পেরেছেন অসীম সাহসের সাথে? হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর কারণ-মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বাংলাদেশ চাওয়া। হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর কারণ, তাঁর সদাসর্বদা সত্য বলার দুরন্ত সাহস। হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর কারণ তার সৃজনশীলতা, তার লেখনি শক্তি, তাঁর প্রতিভা। যে সৃজনশীলতা, যে প্রতিভাকে শিল্প-সাহিত্যের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করার মতো মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক-প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর হাতে ছিল না। হুমায়ুন আজাদ সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক শিক্ষক রাজনীতিতেও তার সরাসরি সম্পৃক্তার কথা শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের চোখে পড়ে নি। তবুও মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তি তাকে টার্গেট করেছিল। কারণ তারা বুঝতে পেরেছিল, হুমায়ুন আজাদের লেখনি, সৃজনীশক্তি প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক আন্দোলনের চেয়েও ধারালো ছিল। তাঁর লেখনি হাজারো মানুষকে মৌলবাদের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সচেতন ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস-লড়াই এ উদ্বুদ্ধ করবে, যক্তিবাদী করে তুলবে। এটা জেনেই তারা হুমায়ুন আজাদকে বাঁচতে দেয় নি। সুতরাং ৭১ এ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড আর হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলা এবং তার মৃত্যু সেই একই সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী মনোজাগতিক ও পৈশাচিক সূত্রে বাঁধা এবং সে সূত্র সংশ্লিষ্ট পিশাচদেরই পরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়ন।

ঙ.
মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, প্রতিক্রিয়াশীলতা আজও আমাদের ভাবিত করছে প্রতিনিয়ত। আজও আমরা সাম্প্রদায়িকা, মৌলবাদমুক্ত একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এইতো মাত্র কয়দিন আগেও নিজামী-মুজাহিদ আমাদের পূর্বপ্রজন্মের রক্তে অর্জিত পতাকা নিয়ে মন্ত্রী হয়ে গাড়িতে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তাদেরই আরেকজন আবার আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন। দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই বলে ৭১ এর সে ভয়ানক হাসি হাসছে। সাম্প্রদায়িক শক্তির হিংস্র থাবায় আবারও নতুনভাবে রক্তাক্ত হচ্ছে লাল-সবুজের পতাকা। তবে ৭১ এর পরাজিত শক্তির বিচারের দাবিতে আজ সারা বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ হতে যাচ্ছে। দিকে দিকে রাজাকার-আলবদরের বিচারের দাবিতে জনমত গড়ে উঠেছে এবং উঠছে। ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা আজ জনদাবিতে পরিণত হয়েছে এবং হচ্ছে। আজকের এ দিনে একটি মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা ও রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে বিদ্যাজাগতিক ও মনোজাগতিক সাহস, শক্তি ও দিকনির্দেশনা দানের জন্য হুমায়ুন আজাদকে খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। প্রিয় হুমায়ুন আজাদ, আজ আপনাকে আমাদের বড় বেশি প্রয়োজন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুবের শাহ আপনাকে

২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: তিনি থাকবেন অবশ্যই আমাদের মননে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: তিনি থাকবেন অবশ্যই আমাদের মননে।
ধন্যবাদ আপনাকে। হুমায়ুন আজাদ আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গৌরব।

৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০০
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
তিনি যা বলতেন তার সবকিছু সত্য বলে আমি নিঃসন্দেহ নই, তবে যা বিশ্বাস করতেন তা বলার অসীম নিহিলিজমীয় সাহস কে অশেষ শ্রদ্ধা । তার অকাল মৃত্যু ও তার কিছু নগন্য সংখ্যক স্খলিত কীর্তির সাথে সাধারনীকরণ করে তার সকল কীর্তির অবমূল্যায়ন বাংগালী জাতির জন্য চরম হতাশার , এই গুরুত্বপূর্ণ সত্য অনেক পন্ডিত বাংগালী বুঝতে পারছেন না । এই ব্লগেও অনেক ব্লগ-পন্ডিত তাকে এক কথায় বাতিলের খাতায় ফেলে দেয়ায় তাদের কূপমুন্ডকতায় বিষ্মিত হয়েছি ।

+ এবং প্রিয়পোষ্টে ।

খুব দরদ ও যত্ন নিয়ে লিখেছেন ভাই । শেষের দিকে এসে আমি কেঁপেছি অবাধ্য ও বিশুদ্ধ আবেগে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: সিহাব চৌধুরী, আপনার মন্তব্য ভাল লাগলো এবং অনুপ্রাণিত হলাম। আপনাকে অ-নে-ক অ-নে-ক ধন্যবাদ.......................

৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০৫
মিরাজ বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ স্পষ্ট কন্ঠস্বর ছিলেন ।

পোষ্টে নারী বইটি সংক্রান্ত আপনার অনুভবের ভিত্তিতে বলছি, হুমায়ুন আজাদ নিশ্চয়ই নারী বইটির চিন্তাভাবনাকে ধারণ করতেন কিন্তু বইটি তার মৌলিক রচনা নয় । এটি Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর অনুবাদ ।

পোষ্ট ভালো লেগেছে ।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ ভাই আপনাকে
নারী বইটি হুমায়ুন আজাদের মৌলিক বই নয় সেটি আমার জ্ঞাত। কারণ Simone de Beauvoir এর The Second Sex বইটি বার কয়েকবার আমার পড়ার সুযোগ হয়েছে আমার একাডেমিক সিলেবাসের কারণে, এবং পরবর্তীতে পেশাগত কারণে। আমি শুধু বলতে চেয়েছি, নারী ইস্যুতে আমাদের সনাতন চিন্তার বাইরের প্রাথমিক বিদ্যাজাগতিক প্রাথমিক ধারণার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে এ বইটি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসারও অনেক আগে। তবু আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বিষয়টি আবার নজরে আনার জন্য। আমি যেহেতু এ সম্পর্কে আমার লেখায় উল্লেখ করিনি তাই কোন কোন পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য অবশ্যই সহায়তা করবে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: পুনশ্চ: তাছাড়া হুমায়ুন আজাদ নিজেও ভূমিকায় বলেছেন, নারী-তে যে বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে তা নতুন নয়, তবে বাংলা ভাষায় তা নেই। একই সাথে এটাও ঠিক যে 'নারী' বইয়ের পুরোটা Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর অনুবাদ নয়। কিছু হুমায়ুন আজাদের মৌলিক লেখাও আছে।

৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২২
পুতুল বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপনার কথাগুলো। ১৪ই ডিসেম্বর আর ২৭শে ফেব্রুয়ারীর খূনীরা একই ঘাতক।
কেড়ে নিল আমাদের আলো!
কিন্তু হৃদয়ের আলো যা হুমায়ূন আযাদ আমাদের দিয়ে গেছেন, তা জ্বলবে চিরদিন।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: পুতুল আপনাকে ধন্যবাদ এবং সহমত আপনার মন্তব্যের সাথে।
১৪ই ডিসেম্বর আর ২৭শে ফেব্রুয়ারীর খূনীরা একই ঘাতক।
কেড়ে নিল আমাদের আলো!
কিন্তু হৃদয়ের আলো যা হুমায়ূন আযাদ আমাদের দিয়ে গেছেন, তা জ্বলবে চিরদিন।

৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৭
পেইজ থ্রি বলেছেন: মিরাজ @ আপনি কি নিশ্চিত হয়েই বলছেন যে, হুমায়ুন আজাদের 'নারী' পুরোটাই Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর অনুবাদ?
৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: চমৎকার লেখা। হুমায়ুন আজাদের সমস্ত রচনাবলী (ভাষা নিয়ে এবং উপন্যাস, অন্যান্য লেখাসমুহ) সংগ্রহ করতে চাই।

পরামর্শ পেলে বাধিত হব।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ.................

৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি মহাত্মা হুমায়ুন আজাদকে।

৭১ এর পরাজিত শক্তিদের বিচার করতে হবে।

'নারী' হুমায়ুন আজাদের মৌলিক রচনা নয়। এটা কিছুটা গতবাঁধা মন্তব্য। মিরাজ ভাই, আপনি আসলে কি বলতে চান? নারীতে বিদেশী নারীবাদীদের রচনা আছে, কিন্তু ধর্ম, সমাজ এবং বাংলাসাহিত্যের রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে হালের সৈয়দ হক পর্যন্ত বিশ্লেষণ করে তিনি দেখিয়েছেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারীর অবস্হান।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: নাজিম উদদীন বলেছেন: শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি মহাত্মা হুমায়ুন আজাদকে।

৭১ এর পরাজিত শক্তিদের বিচার করতে হবে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
যুিক্ত বলেছেন: আহারে বেচারা হুমায়ুন আজাদ বিদেশী নতুন মদ বেশী খেয়ে হুশ হারিয়ে চলে গেলেন পৃথীবি থেকে
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর সকল অশুভ শক্তির নিজেদের রক্ষার কয়েকটি মৌলিক অপকৌশলের একটি হচ্ছে প্রবল মূল্যবোধের দোহায় দিয়ে প্রতিপক্ষের চরিত্র হননের চেষ্টা। যুক্তি আপনি আপনার মন্তব্যের মাধ্যমে সে পরিচয়টি তুলে ধরেছেন। হুমায়ুন আজাদের সৃজনশীল সম্ভাবনার সামনে দাঁড়াতে না পারার অযোগ্যতাকে যে অশুভ শক্তি ঢাকতে চেয়েছে তাকে হত্যা পরিকল্পনার মাধ্যমে তাকে যারা সমর্থন দিয়ে যায়, তারা কতখানি শুভ চিন্তা ও যুক্তি লালন করেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। হুমায়ুন আজাদ-তার তুলনা তিনি নিজেই।

১০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

আপনি সাকী ছিলেন না কী ? না কি পান সাথী ছিলেন ? @ যুক্তি ।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

আপনি সাকী ছিলেন না কী ? না কি পান সাথী ছিলেন ? @ যুক্তি ।

ধন্যবাদ সিহাব চৌধুরী আপনাকে..

১১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭
মিরাজ বলেছেন: @ নাজিমউদ্দিন
মন্ত্যব্যটি গৎবাধা স্বীকার করছি । আমার কাছে মনে হয়েছে নারী বইটিতে
Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর প্রভাব এত বেশী এবং একটা বড় অংশ তার রচনার ভাবানুবাদ বা অনুবাদ যেটাই বলেন যে পুরো নারী বইটিকে মৌলিক রচনা বলা যায় কিনা আমি নিশ্চিত নই । হুমায়ুন আজাদের নিজস্ব কিছু বিশ্লেষণ অবশ্যই আছে ।

তবে আমার আগের মন্তব্যটি অনেক বেশী সিদ্ধান্তমুলক হয়ে গেছে এবং আমি সেটি প্রত্যাহার করছি ।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৭
যুিক্ত বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা কথাগুলো শুনে অনেক মজা লাগলো
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: হা হা.............যদিও কোন কথাগুলো তা আপনি বলেন নি...........

১৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৪
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: মিরাজ বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদ নিশ্চয়ই নারী বইটির চিন্তাভাবনাকে ধারণ করতেন কিন্তু বইটি তার মৌলিক রচনা নয় । এটি Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর অনুবাদ ।


আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না। 'দ্বিতীয় লিঙ্গ' ছিল Simone de Beauvoir এর The Second Sex এর অনুবাদ, 'নারী' নয়। হুমায়ুন আজাদের 'নারী'কে বাংলা ভাষায় নারী ও নারীবাদ সম্পর্কে প্রথম পুর্নাঙ্গ গ্রন্থ বলা যায়। বইটিতে তিনি বঙ্গীয় নারীবাদ বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর ও বেগম রোকেয়ার নারীচিন্তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন যা Simone de Beauvoir এর The Second Sex কোথাও নেই। এছাড়া বইটিতে স্থান পেয়েছে নারীবাদী সাহিত্যতত্ত্ব ও সমালোচনা, বঙ্গীয় ভদ্রমহিলা, নারীর ভবিষ্যৎ ইত্যাদি সঙক্রান্ত বিষয় যা উল্লেখিত বইতে নেই।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ

১৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৬
পুতুল বলেছেন: যুক্তি: দয়া করে এখন যান!
১৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩০
ফাহমিদুল হক বলেছেন: হুমায়ুন আজাদের নারী সেকেন্ড সেক্স দ্বারা অনুপ্রাণিত, সেকেন্ড সেক্সের অনেক কিছুরই ভাবানুবাদ এমনকি সরাসরি অনুবাদ সেখানে রয়েছে। তবে তার নিজস্ব কয়েকটি চ্যাপ্টারও ছিল। আর হুমায়ুন আজাদ নিজেই এটা একরকম এন্ডোর্স করে গেছেন, যখন নারী নিষিদ্ধ হবার পর বইটির আরেক ভার্সনের নাম 'দ্বিতীয় লিঙ্গ' হয়। নামটা কিন্তু আক্ষরিক অনুবাদ, বেভোয়ারের বইয়ের।

তবে বাংলাভাষীদের কাছে বইটির অবদান অসামান্য। আমারও নারীসংবেদনশীলতা যতটুকু আছে তা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে এই বইটি।

হুমায়ুন আজাদ সবাইকে গালি দিতেন, দশটার মধ্যে সাতটা যথাযথ গালি ছিল, বাকি তিনটা অন্যায় গালি ছিল হয়তো।

আফসোস সেই সাতজনকে গালি দেবার আর কেউ নেই।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিদুল ভাই
আপনার মতো আমিও বলছি-হুমায়ুন আজাদ সবাইকে গালি দিতেন, দশটার মধ্যে সাতটা যথাযথ গালি ছিল, বাকি তিনটা অন্যায় গালি ছিল হয়তো।

আফসোস সেই সাতজনকে গালি দেবার আর কেউ নেই।

১৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
পুতুল বলেছেন: মিরাজ ভাই, আমি নারী বইটি যথেষ্ট মনোযোগদিয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু পশ্চমা দুনিয়ার কারো লেখা এ বিষয়ে কখনো পড়িনি। হুমায়ূন আযাদ নিজেই বলেছেন যে, তিনি এই বইটি লিখতে অনেক পড়ালেখা করেছেন। তাই বলে ঠিক অনুবাদ মনে হয় বলা যায় না।
যাই হোক আমার কাছে বইটি আমাদের ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নারীবাদি রচনা।
আমরা মনে হয় সবাই এব্যাপারে একমত হতে পারি!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: পুতুল বলেছেন:
যাই হোক আমার কাছে বইটি আমাদের ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নারীবাদি রচনা।
আমরা মনে হয় সবাই এব্যাপারে একমত হতে পারি!
সহমত.........................

১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩
বিগব্যাং বলেছেন: নারী কে পুরো বা প্রায় অনুবাদ বলতে পারেন, এমন ধরনের ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স এ ভুগতে থাকা গ্যানিদের সুচিকিতসার দাবি জানাই...
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: নারী কোন ভাবেই সম্পূর্ণ অনুবাদ বই নয়। নারীতে কিছু ভাবানুবাদ লেখা আছে। সেগুলো সম্পর্কে হুমায়ুন আজাদ নিজেই বলে গেছেন। তিনিও এও বলে গেছেন যে, এ বইয়ের অধিকাংশ আলোচনা বিদ্যাজাগতিক বিষয় হিসেবে নতুন নয়, তবে বাংলা ভাষায় প্রথম। হুমায়ুন আজাদের এ ধরনের মন্তব্যের পরও আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করে নারীতে হুমায়ুন আজাদের অনেকগুলো মৌলিক রচনা আছে। বিশেষ করে ভারতীয় বা আরও বিশেষভাবে বললে বাঙালী সমাজের পিতৃতন্ত্র সম্পর্কে বেশ কিছু মৌলিক লেখা আছে। সুতরাং পিতৃতন্ত্রের যে একটি স্থানিক চরিত্র আছে, একটি কালিক চরিত্র আছে সেটি হুমায়ুন আজাদের লেখা থেকে বুঝা যায়।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: অ-নে-ক ধন্যবাদ আপনাকে

১৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
তিনি থাকবেন ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:


তিনি থাকবেন ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে।

সহমত....তিনি থাকবেন পৃথিবি জুড়ে, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকা ও প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে জড়ো হওয়া তাবৎ সভ্য মানুষদের মধ্যে, তাদের কর্মের মধ্যে................
অ-নে-ক ধন্যবাদ আপনাকে।।।।

২০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: তিনি থাকবেন বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মনে..........।
শুভেচ্ছা/
২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: তিনি থাকবেন বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মনে..........।

সহমত...১০০%
আপনাকেও শুভেচ্ছা এবং অ-নে-ক ধন্যবাদ।

২১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে পাঠালাম!

তাঁকে অনেক শ্রদ্ধা

তিনি বেঁচে থাকবেন
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: গুড পোষ্ট......কিছুই বলার নাই.....উনি আমার খুব প্রিয় লেখক
২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ

২৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০১
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই। আমারও প্রিয় লেখক উনি। শুভেচ্ছা।
*****
০২ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই.......

২৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
উন্মনা রহমান বলেছেন:
তাঁর ভাষার ওপর গবেষণা গ্রন্থগুলো অসাধারণ। কত ব্যাপক ছিল তার পড়াশোনা! এতবড় একজন স্কলারকে কয়েকজন বেকুব ধর্মীয় উন্মাদ হত্যা করল স্বাধীন বাংলাদেশে বসে! সেই অশুভ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে ফেললেও এই ক্ষতি পুরণ হওয়ার নয়।
০২ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: উন্মনা রহমান বলেছেন:
তাঁর ভাষার ওপর গবেষণা গ্রন্থগুলো অসাধারণ। কত ব্যাপক ছিল তার পড়াশোনা! এতবড় একজন স্কলারকে কয়েকজন বেকুব ধর্মীয় উন্মাদ হত্যা করল স্বাধীন বাংলাদেশে বসে! সেই অশুভ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে ফেললেও এই ক্ষতি পুরণ হওয়ার নয়।

হুমায়ুন আজাদকে হারাবার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার নয়। কোনও দিন না। বাংলা সাহিত্য এ ক্ষতি কোন দিন পুষিয়ে নিতে পারবে না।

আপনাকে অ-নে-ক ধন্যবাদ।

২৫. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন: উন্মনা রহমান বলেছেন:
'তাঁর ভাষার ওপর গবেষণা গ্রন্থগুলো অসাধারণ। কত ব্যাপক ছিল তার পড়াশোনা! এতবড় একজন স্কলারকে কয়েকজন বেকুব ধর্মীয় উন্মাদ হত্যা করল স্বাধীন বাংলাদেশে বসে! সেই অশুভ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে ফেললেও এই ক্ষতি পুরণ হওয়ার নয়'।

কিন্তু আমরা স্বাধীনতার এত বছর পরও তাদের বিচার করতে পারিনি। পারিনি সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। পারিনি আমাদের রাজনৈতিক জীবনকে, রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রতিক্রিয়াশীলতা মুক্ত। আর সে কারণেই ধারাবাহিকভাবে তারা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রগতিশীল অন্যন্য স্কলারদেরও। এভাবে আর কতদিন বসে থাকা আর চেয়ে থাকা। আজ সময় এসেছে এ সব অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার। যেমনটি আমরা দাঁড়িয়েছিলাম ১৯৭১ এ।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন: উন্মনা রহমান বলেছেন:
'তাঁর ভাষার ওপর গবেষণা গ্রন্থগুলো অসাধারণ। কত ব্যাপক ছিল তার পড়াশোনা! এতবড় একজন স্কলারকে কয়েকজন বেকুব ধর্মীয় উন্মাদ হত্যা করল স্বাধীন বাংলাদেশে বসে! সেই অশুভ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ১০০ হাত মাটির নীচে পুতে ফেললেও এই ক্ষতি পুরণ হওয়ার নয়'।

কিন্তু আমরা স্বাধীনতার এত বছর পরও তাদের বিচার করতে পারিনি। পারিনি সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। পারিনি আমাদের রাজনৈতিক জীবনকে, রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রতিক্রিয়াশীলতা মুক্ত। আর সে কারণেই ধারাবাহিকভাবে তারা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রগতিশীল অন্যন্য স্কলারদেরও। এভাবে আর কতদিন বসে থাকা আর চেয়ে থাকা। আজ সময় এসেছে এ সব অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার। যেমনটি আমরা দাঁড়িয়েছিলাম ১৯৭১ এ।

২৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
অনিশ্চিত বলেছেন: হুমায়ূন আজাদ যখন বলেছিলেন, এই বাংলা ভাষার জন্য আমি কী করেছি তা বুঝতে বাঙ্গালির আরো ৫০ বছর লাগবে। তখন কথাটা শুনে খুব রাগ হয়েছিলো। লোকটা নিজের ঢেড়া অ্যামনে পিটাচ্ছেন কেন?

কিন্তু আজ বুঝি 'সবকিছু ভেঙে পড়ে' কত সহজেই। কত অনায়াসেই 'মানুষের সঙ্গ ছাড়া আর সবকিছু ভালো লাগে'।
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: অনিশ্চিত বলেছেন: হুমায়ূন আজাদ যখন বলেছিলেন, এই বাংলা ভাষার জন্য আমি কী করেছি তা বুঝতে বাঙ্গালির আরো ৫০ বছর লাগবে। তখন কথাটা শুনে খুব রাগ হয়েছিলো। লোকটা নিজের ঢেড়া অ্যামনে পিটাচ্ছেন কেন?

কিন্তু আজ বুঝি 'সবকিছু ভেঙে পড়ে' কত সহজেই। কত অনায়াসেই 'মানুষের সঙ্গ ছাড়া আর সবকিছু ভালো লাগে'।
সহমত
এবং
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
গত পড়শু হুমায়ুন আজাদ সারের শ্রাবনের বৃষ্টিতে রক্তজবা পড়লাম!

অসাধারন!
অনন্য!
অনির্বচনীয়!

আমার ভালোলাগা গুলো বদলে গ্যাছে!

এত সুন্দর বই কী করে লেখে মানুষ!
২৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩২
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
আমি কত ডাক পারি; তুমি গুমুইর দাও না ক্যান???
আমরি যে মন পোড়ে কালা কাউয়ার লিগ্যা!
বাইগন গাছের লিগ্যা!
আমার যে মন পোড়ে......


মুনির ভাই;
আমি বড় ভালোবাসি সার কে।

আপানার মেইল আইডি টা দিবনে!


আমি পদ্মা পাড়ের ছেলে।
আমি আর আপনি যদি একদিন রাঢ়িখাল যাই;
ক্যামুন হয়!


আমি বড় ভালোবাসি ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না কে;
আব্বুকে মনে পড়ে না কে;
আমাদের শহরে একদল দেবদুত কে;
শ্রাবনের বৃষ্টিতে রক্তজবা কে;
১০০০০ এবং আরও একটি ধর্ষনকে....
০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। হুমায়ুন আজাদের প্রতি আপনার ভালবাসা আমাকে আবারও অনুপ্রাণিত করলো। আমার মেইল আইডি নিচে দেয়া হলো। আপনার মেইলের অপেক্ষায়.....

২৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭
নাসিমূল আহসান বলেছেন: একটা বানান ভুল অইয়া গ্যাল!
মাফ চাইতাছি সবার কাছে।

গুমুইর=হুমুইর....
কে জানে হয়ত এইঢাও ভুল অইয়া গ্যালো।
৩০. ০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
হাবীব ইমন বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ প্রসঙ্গে আবেগতায়িত হই ভীষণ।
একজন নিসঙ্গ সড়ক নির্মাতা তিনি।
একটি চিন্তার ক্ষেত্র তিনি নির্মাণ করে গ্যাছেন আমাদের জন্যে . . .
শ্রদ্ধাঞ্জলি তাঁর প্রতি . . . খুউব ছোটো তখন, দ্যাখেছিলাম তাঁকে . . . তাঁর লেখা একটা চিঠি আমার কাছে আছে . . .
১৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: স্যারের জন্য আপনার আবেগ আমাদেরও স্পর্শ করে......
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ..

৩১. ১০ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
নাসিমূল আহসান বলেছেন: বন্ধুদ;
মেইল করছি। দেইখা নিও!
২৮ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .......

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ................জানেনতো মাইনাচে মাইনাচে প্লাস.........আপনাদেরতো অনেক নকল নিক থাকে.......একাধিক নিক থাকে.......সুতরাং অন্য নিকে এসে আরেকটি মাইনাচ দিয়ে যান।

৩৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২০
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: মুনির ভাই,

জবাবটা দিয়া ভালই করছেন, আগেরবার শুধু কমেন্টেই মাইনাস দিছিলাম, এইবার মাইনাসে ক্লিক করলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

_
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ................

৩৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: আমি জানি, ভালো ক'রেই জানি, কিছু অপেক্ষ ক'রে নেই আমার জন্যে; ড.হুমায়ুন আজাদ

গতকাল শ্রীনগর গিয়েছিলাম শামুক-ঝিনুক নিধনের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহনের জন্য। পাশেই রাড়িখাল জগদীশ চন্দ্রবসুর বাড়ী ভাবলাম একবার দেখে যাই। পথে দেখা পেলাম অনেক কিছুর।
ভাবছিলাম পোস্ট দিব শামুক-ঝিনুক নিয়ে কিন্তু ঘুম থেকে ওঠে পত্রিকার পাতায় দেখি আজ ড.হুমায়ুন আজাদ এর মৃত্যু বার্ষিক। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। আমার ক্যামেরায় তোলা কিছু ছবি।

এপিটাফ
আমি জানি, ভালো ক'রেই জানি, কিছু অপেক্ষ ক'রে নেই আমার জন্যে;
কোনো বিস্মৃতির বিষন্ন জলধারা, কোনো প্রেতলোক, কোন পুনরুত্থান,
কোন বিচারক, কোন স্বর্গ, কোন নরক; আমি আছি, একদিন থাকবো না,
মিশে যাবো, অপরিচিত হয়ে যাবো, জানবো না আমি ছিলাম। নিরর্থক সব
পুণ্যশ্লোক, তাৎপর্যহীন সমস্ত প্রার্থনা, হাস্যকর উদ্ধত সমাধি; মৃত্যুর পর যে-
কোনো জায়গায়ই আমি প'ড়ে থাকতে পারি,-জলাভূমিতে, পথের পাশে,
পাহাড়ের চূড়োয়, নদীতে মরুভূমিতে, তুষারস্তূপে! কিছুই অপবিত্র নয়...







১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ..............
মন্তব্য আকারে কথা ও ছবিগুলো পোস্টটিকে সমৃদ্ধ করলো

৩৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
দাউদ রনি বলেছেন: জোশ কালেকশন!
২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...........

২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...........

৩৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:৪১
আরিয়ানা বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। আমাদের দেশ কোন ভাল কিছুকে ধরে রাখতে চায় না। ভাল থাকবেন।
২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিয়ানা.............আপনাকে অনেক দিন পর ব্লগে পেলাম। কেমন আছেন?
পড়ে মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লড়াই টা যখন মুক্তির.....,
চিন্তার মুক্তির,
বুদ্ধির মুক্তির,
শৃঙ্খল মুক্তির
এবং অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ গণমানুষের........
তখন এ লড়াই
পৃথিবীর প্রাচীনতম লড়াই,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ