somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুহিবের ১ম বয়ানের পর আমার দ্বিতীয় বয়ান: কনডম পেয়ে সেনা কর্মকর্তা হাসতে হাসতে বেরিয়ে গেলেন!!!

২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি তখন মাস্টার্সে। ঢাবির এসএম হলে থাকি। জন্ম দিন উপলক্ষ্যে বন্ধুরা ঘটা করে শুভেচ্ছা জানালো সেদিন। কেউ কেউ উপহারও দিল। পলাশ নামে আমাদের দুজন সহপাঠি ছিল। দুষ্টুমি করে সবাই একজন কে ডাকতো জন্ডিস পলাশ বলে। আরেকজনকে এইডস পলাশ (বর্তমানে সমাজসেবা কর্মকর্তা)। শেষোক্তজন সব সময় হাসি-তামাসাই ওস্তাদ ছিল। আবার সেসব হাসি-তামাসার বেশির ভাগই ছিল আদি রসাত্বক। তো এইডস পলাশ উপহার হিসেবে একটি রঙিন বক্স দিয়েছিল। পলাশ এর সমাজসেবা ও রসবোধকে সবাই ভয় পায়। আমিও। সে ভয় থেকে আমি আর প্যাকেটটি ক্যাম্পাসে খুলিনি। হলে নিয়ে যাই এবং ঐ অবস্থায় ট্রাংকে রেখে দেই। কী যেন ব্যস্ততার জন্য সেদিন আর প্যাকেটটি দেখা হয়নি। সেদিন রাত দু'টার দিকে দরজার করাঘাত শুনে রুমমেটদের ঘুম ভাঙ্গে। আমিও জেগে উঠি। দেখি সেসময়ের যৌথবাহিনীর সদস্যরা। হল রেইড করতে এসেছে। সম্ভবত তত্ত্ববধায়ক সরকারের (বিচারপতিহাবিবুর রহমান) নেতৃত্বে নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এ অভিযান। আমার সাথে সাথে পলাশ এর দেয়া 'গিফট' বক্সের কথা মনে পড়ল। আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম। রুমে সিনিয়র ভাইরা আছেন। আছে জুনিয়ররাও। একে একে চেক করা হচ্ছে। বিছানা, ট্রাংক, সবই। যথারীতি সবিনিময়ে আমার ট্রাংকটিও খুলতে বললেন। আমি খুলে দিলাম। একজন এগিয়ে এসে গিফট বক্সটিও খুলল। সবার চক্ষু ছানাবড়া!! গোটা শ'খানেক কনডম!! তাও বাংলাদেশী নয়, বিদেশী। উপস্থিত সেনা সদস্য ট্রাংকবন্ধী কনডম দেখে শুধু বললেন-এতগুলো কেন??? আর হাসতে হাসতে রুম থেকে বেরিয়ে পড়লেন। রুমে সিনিয়র-জুনিয়র সবার মুখে হাসি হাসি ভাব। আমি শুধু 'জাত জাত গেল' ভাবনায় নিমগ্ন!!!
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৬
১৩টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×