সময়টা ছিল ইংরেজী সরে ১৯৯৮, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন, একটা শান্তশিষ্ঠ চেহার ছেলের সাথে প্রথম বন্দুত্ত হয় । আমি সভাব সুলভ একটু চন্চল প্রকৃতির ছিলাম, প্রথম মেসের জীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে আমার সেই স্বান্ত চেহারার বন্ধুর সাথে শাহপরাণ হলের ২৩০ নম্বর রুমে উঠলাম, আমি সারা দিন ক্লাস শেষে যে সময় পেতাম বাউন্ডেলে ভাবে খেলা, নাটক, রাজনীতি নিয়ে কাটিয়ে রাত করে রুমে ফিরে জমিয়ে কার্ড খেলা । সেসময়টাতে ২৩০ নম্বর রুমটি ছিল শাহজালাল বিশ্ব বিদ্যালয়ের কেনসনো । প্রচুর পড়াশুনার মাঝেও ছিল এই রুমে দিন রাত ২৪ ঘন্টা আলো জালানো তামসর আড্ডা । যারা এই রুমে যাতায়েত করতো তাদের মধ্যেই ক্লাসের প্রথম, দ্বিতীয়, .... দশম । কিন্তু আমি তাদের কেউ নই ।
এই জমকালো আড্ডার মাঝে নিবৃতে লালিত ও বেড়ে উঠে এক কবি । হই হুল্লুরের মাঝেও দিব্বি ঘুমুচ্ছে, আবার কিছু নিয়ে কথা বল্লে ঘম থেকে জেগে সঠিক জবাব দেয়, যেন কোন স্বাধক । আমাদের এই মহৎ ব্যাক্তিটি লিখা লিখি করতে গিয়ে কোন এক রমনির প্রেমে আসক্তি হয়ে অল্প সময়ের মাঝে ছেকাও খেয়ে যায় । এই ছেকাই যেন তার সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘঠায় । শুরু করে লিখা- কবিতা, ছোট গল্প, ঠিক সমান তালে চালায় মধূ খাওয়া । প্রতি দিন নিয়মিত সকাল, দুপুর, রাত নিয়মিত মধূ খাওয়ার মাধ্যমে সাহিত্যে এগিয়ে যায় অনেক দূর ।
আর আমাদে মাঝে প্রতিষ্ঠিত হয় এক নতুন মানুষ " কবি মধূ "
অনেক লিখা ছাপা হয় পত্রিকা, সাময়িকিতে ।
দেখতে দেখতে হাজারো স্বরণীয় মূহুথের মাঝে কেটে যায় অনেক গুলি বছর । সবাই বি.এস.এস, এম. এস. এস শেষ করে চলে যাই । কিন্তু আমাদের বাধনটি ছেরেনি, ঢাকাতে একি সাথে রয়ে গেলাম । দুজন চাকুরি করি, সময় পেলে ছবি দেখা, ঘুরে বেড়ানোর মাঝেই পার করি আরো কয়েকটি বছর ।
এরি মাঝে আমার সেই বন্ধুটি আবারও সাহিত্যের হাত ধরে আবারো একটি মেয়ের প্রেমে আসক্তি হয় । লিখালিখি তেমন আর করেনা, মধূ খাওয়াও ছেড়েদিয়েছে ।
বেশ কিছুদিন চলে যায়, জিয়া উদ্দান থেকে শুরু করে ফেন্টাসি কিংডম, ধানমন্ডি লেক সব জায়গায় চারটি পায়ের ছাপ রয়েছে । কিন্তু বিধির লিখন নাহি যায় খন্ডন । মেয়েটি বিয়ে করে ফেলে এক বিত্তশালী টাকার কুমিরকে । আমার সেই মধু কবি আবারও জেগে উঠে সাহিত্য চর্চায় । এখন মধু ছেড়ে ধরেছে থেজুর ।
এরি মধ্যে জিতে নিয়েছে কয়েকটি পুরস্কার, সাম হোয়ার ইন ব্লক পুরস্কার সর্ব শেষ পাওয়া । চলছে বেদম সাহিত্য পর্যালোচনা, বাবার কাছথেকে নিয়ে এসেছে পুরনো সব মূল্যবান বই, আগের সেই মধুভাই নেই, নেই সাথে এই আমি বিরক্ত করার, কেবল নতুন করে যুক্ত হয়েছে খেজুর আলী সাহিত্যিক ।
বন্ধু সাথেত নেই তাই বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারলামনা বলে আজ এই পথের সাহায্য নিতে হল ।
জাগ হে খেজুর আলী আরেকবার সাহিত্যের পথে০০০০০০০০
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


