somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জঙ্গিদের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা ?

২০ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপডে-২
আজকের গনমাধ্যমে যে খবরটি ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে তা হলো খালেদা জিয়ার সাথে সেনাবাহীনির নিবিড় সম্পর্ক আর সম্ভব্য নাশকতা। আমরা খবরটি দেখে বা শুনে খুব ব্যতিত হয়েছি আসলে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কতো ভয়ঙাকর হতে পারে। আমি ব্যসিক্যালি রাজনৈতিক মতামত দেয় না। খালেদা কি হাসিনা আমার কাছে দেশপ্রেম টা বড়। সবাই যখন পরিবর্তনের উষ্ম ছোয়া পেতে চলছে ঠিক সেই সময় জাতির একটি কলঙ্ক এসে বারবার নসাৎ করার চেষ্টা করে। আসলে আমরা কোন জাতি? ভাবতে খারাপ লাগে তাদের কি লোভের সীমা থাকবে না? দেশের গণততেন্ত্রর একচ্ছদ ধারক এবং রক্ষাকারি সেনাবাহিনীকে নিয়ে কেন তারা এতো খেলায় উন্মক্ত। আর আমার দেশ নামক কথিত পত্রিকায় বা কেমন? তারা কি সংবাদ মাধ্যমে কলুষিত করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা নেমেছে? জাতির বিবেকমান জাগ্রত সমাজ আমরা কি বুঝবো না সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় নেত্রীর সুবচন? একিই কি দেশ প্রেম বলে?

জঙ্গিদের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা

জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সম্পৃক্ততা ছিলো বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুকে জিয়ার বভিন্ন বক্তব্যের পরপরই হিযবুত তাহরীরের লিফলেট প্রকাশ সেনাবাহিনীর দাবিকেই প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

বিএমএ’র ৪১তম লং কোর্স সম্পন্নকারী জিয়ার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়। মেজর পদমর্যাদা নিয়ে এই কর্মকর্তা মিরপুর সেনানিবাসে ছিলেন।

শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে অভ্যুত্থানচেষ্টার জন্য জিয়ার সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেও গত কিছুদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগের সাইটসহ আলোচনায় ছিলেন তিনি।

সেনাবাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, ছুটিতে থাকা মেজর জিয়া গত ২২ ডিসেম্বর অন্য এক অফিসারের সঙ্গে দেখা করে তাকেও রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড তথা সেনাবাহিনীকে অপব্যবহার করার কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে প্ররোচনা দেন।

“তবে ওই অফিসার বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানালে মেজর জিয়ার ছুটি ও বদলির আদেশ বাতিল করা হয়।”

ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াকে জানানো হলেও তিনি ‘পলাতক’ অবস্থায় ২৬ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন সংক্রান্ত ‘কল্পনাপ্রসূত ও অবিশ্বাস্য গল্প’ বর্ণনা করে একটি ইমেইল তার পরিচিতদের কাছে পাঠান বলে সেনাবাহিনী জানায়, যা সোলজারস ফোরাম নামে একটি ব্লগসাইটেও প্রকাশ হয়।

এরপর ফেইসবুকে নিজের একাউন্টে জিয়া বলেন, “লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান ইউসুফসহ তিন সেনা কর্মকর্তাকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি রাখা হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে অভ্যুত্থানচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান ইউসুফসহ দুজনকে আটকের কথা জানানো হয়।

ফেইসবুকের প্রোফাইল পিকচারে শুশ্রƒধারী জিয়ার বিভিন্ন বক্তব্যের পরপরই ঢাকার বিভিন্ন দেয়ালে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের নামে পোস্টার দেখা যেতে থাকে, বিলি হয় প্রচারপত্র বা লিফলেটও। উগ্র ধর্মীয় এই সংগঠনটি তিন বছর আগে নিষিদ্ধ হয়।

হিযবুতের প্রচারপত্রে বলা হয়- ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর অফিসারগণ। বর্তমান সরকার আপনাদের অফিসারদের হত্যা করেছে।”

শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করার আহ্বানও জানানো হয় এই লিফলেট ও পোস্টারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এমআইএসটি, লজিস্টিক এরিয়াতে দায়িত্ব পালনকালে ছুটি ছাড়াই ইউনিট ত্যাগ করেন মেজর জিয়া।

“অবসরপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও বর্তমান কর্মকর্তাদের নিয়ে সেনাবাহিনীর মধ্যে কট্টরপন্থী ইসলামী ধারা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেন জিয়া। সেনা কর্মকর্তাদের কট্টরপন্থী ইসলামী দলে যোগ দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি,” বলেন এক কর্মকর্তা।

কর্মকর্তারা জানান, ছুটি ছাড়া অফিস ছাড়ার অভিযোগে ২০০০ সালেও জিয়াকে একবার শাস্তি দেওয়া হয়েছিলো।

ফেইসবুকের আগে ব্লগেও জিয়ার বিভিন্ন লেখা প্রকাশ হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়।

জিয়া ইমেইল বার্তায় বলেছিলেন, “তাকে সাভার থেকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অপহরণ করেছিল। তাকে চোখ বেঁধে অজানা স্থানে নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সেখানে ছিল। দুই দিন আটকে থাকার পর কৌশলে তিনি পালিয়ে আসেন।”

জিয়ার দাবি, তাকে অপহরণের বিষয়টি সেনাবাহিনীর অনেক কর্মকর্তা জেনেও চুপ রয়েছেন।

আবার অপহরণের চেষ্টা হচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি ইমেইল বার্তায় বলেন, এজন্য তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

মেজর জিয়া তার অভ্যুত্থান পরিকল্পনা নিয়ে ইশরাক আহমেদ নামে প্রবাসী এক ব্যক্তির সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন চালাতেন বলে সেনাবাহিনী জানায়।

আমাদের দেশে ব্রিডিয়ার বিদ্রেহীর মতো সেনাবাহিনীর বি্দ্রেহী হবার পথে ছিল। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্তা ব্যক্তিরা তা নসাৎ করে দেয়। মুক্তিযেুদ্ধের অপশক্তি এখনো মৃহম্যান যে তারা বাংলাদেশকে সেনা অভ্যুস্থান করতে চেয়েছিল। আমরা তাদের নোরাং এই কাজের জন্য ধীক্কার জানায়। সেনা সদরের যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে তা আপনাদের উদ্দেশ্যে এখানে তুলে ধরলাম


সেনাবাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালানো সম্পর্কিত সেনা সদর

দফতরের সংবাদ সম্মেলন- ১৯ জানুয়ারি ২০১২

১. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আমন্ত্রণে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আগত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০১
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×