আপডে-২
আজকের গনমাধ্যমে যে খবরটি ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে তা হলো খালেদা জিয়ার সাথে সেনাবাহীনির নিবিড় সম্পর্ক আর সম্ভব্য নাশকতা। আমরা খবরটি দেখে বা শুনে খুব ব্যতিত হয়েছি আসলে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কতো ভয়ঙাকর হতে পারে। আমি ব্যসিক্যালি রাজনৈতিক মতামত দেয় না। খালেদা কি হাসিনা আমার কাছে দেশপ্রেম টা বড়। সবাই যখন পরিবর্তনের উষ্ম ছোয়া পেতে চলছে ঠিক সেই সময় জাতির একটি কলঙ্ক এসে বারবার নসাৎ করার চেষ্টা করে। আসলে আমরা কোন জাতি? ভাবতে খারাপ লাগে তাদের কি লোভের সীমা থাকবে না? দেশের গণততেন্ত্রর একচ্ছদ ধারক এবং রক্ষাকারি সেনাবাহিনীকে নিয়ে কেন তারা এতো খেলায় উন্মক্ত। আর আমার দেশ নামক কথিত পত্রিকায় বা কেমন? তারা কি সংবাদ মাধ্যমে কলুষিত করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা নেমেছে? জাতির বিবেকমান জাগ্রত সমাজ আমরা কি বুঝবো না সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় নেত্রীর সুবচন? একিই কি দেশ প্রেম বলে?
জঙ্গিদের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা
জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সম্পৃক্ততা ছিলো বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেইসবুকে জিয়ার বভিন্ন বক্তব্যের পরপরই হিযবুত তাহরীরের লিফলেট প্রকাশ সেনাবাহিনীর দাবিকেই প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।
বিএমএ’র ৪১তম লং কোর্স সম্পন্নকারী জিয়ার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়। মেজর পদমর্যাদা নিয়ে এই কর্মকর্তা মিরপুর সেনানিবাসে ছিলেন।
শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতে অভ্যুত্থানচেষ্টার জন্য জিয়ার সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেও গত কিছুদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগের সাইটসহ আলোচনায় ছিলেন তিনি।
সেনাবাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, ছুটিতে থাকা মেজর জিয়া গত ২২ ডিসেম্বর অন্য এক অফিসারের সঙ্গে দেখা করে তাকেও রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড তথা সেনাবাহিনীকে অপব্যবহার করার কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে প্ররোচনা দেন।
“তবে ওই অফিসার বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানালে মেজর জিয়ার ছুটি ও বদলির আদেশ বাতিল করা হয়।”
ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াকে জানানো হলেও তিনি ‘পলাতক’ অবস্থায় ২৬ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন সংক্রান্ত ‘কল্পনাপ্রসূত ও অবিশ্বাস্য গল্প’ বর্ণনা করে একটি ইমেইল তার পরিচিতদের কাছে পাঠান বলে সেনাবাহিনী জানায়, যা সোলজারস ফোরাম নামে একটি ব্লগসাইটেও প্রকাশ হয়।
এরপর ফেইসবুকে নিজের একাউন্টে জিয়া বলেন, “লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান ইউসুফসহ তিন সেনা কর্মকর্তাকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি রাখা হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে অভ্যুত্থানচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান ইউসুফসহ দুজনকে আটকের কথা জানানো হয়।
ফেইসবুকের প্রোফাইল পিকচারে শুশ্রƒধারী জিয়ার বিভিন্ন বক্তব্যের পরপরই ঢাকার বিভিন্ন দেয়ালে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের নামে পোস্টার দেখা যেতে থাকে, বিলি হয় প্রচারপত্র বা লিফলেটও। উগ্র ধর্মীয় এই সংগঠনটি তিন বছর আগে নিষিদ্ধ হয়।
হিযবুতের প্রচারপত্রে বলা হয়- ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর অফিসারগণ। বর্তমান সরকার আপনাদের অফিসারদের হত্যা করেছে।”
শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করার আহ্বানও জানানো হয় এই লিফলেট ও পোস্টারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এমআইএসটি, লজিস্টিক এরিয়াতে দায়িত্ব পালনকালে ছুটি ছাড়াই ইউনিট ত্যাগ করেন মেজর জিয়া।
“অবসরপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও বর্তমান কর্মকর্তাদের নিয়ে সেনাবাহিনীর মধ্যে কট্টরপন্থী ইসলামী ধারা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেন জিয়া। সেনা কর্মকর্তাদের কট্টরপন্থী ইসলামী দলে যোগ দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি,” বলেন এক কর্মকর্তা।
কর্মকর্তারা জানান, ছুটি ছাড়া অফিস ছাড়ার অভিযোগে ২০০০ সালেও জিয়াকে একবার শাস্তি দেওয়া হয়েছিলো।
ফেইসবুকের আগে ব্লগেও জিয়ার বিভিন্ন লেখা প্রকাশ হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়।
জিয়া ইমেইল বার্তায় বলেছিলেন, “তাকে সাভার থেকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অপহরণ করেছিল। তাকে চোখ বেঁধে অজানা স্থানে নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সেখানে ছিল। দুই দিন আটকে থাকার পর কৌশলে তিনি পালিয়ে আসেন।”
জিয়ার দাবি, তাকে অপহরণের বিষয়টি সেনাবাহিনীর অনেক কর্মকর্তা জেনেও চুপ রয়েছেন।
আবার অপহরণের চেষ্টা হচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি ইমেইল বার্তায় বলেন, এজন্য তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
মেজর জিয়া তার অভ্যুত্থান পরিকল্পনা নিয়ে ইশরাক আহমেদ নামে প্রবাসী এক ব্যক্তির সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন চালাতেন বলে সেনাবাহিনী জানায়।
আমাদের দেশে ব্রিডিয়ার বিদ্রেহীর মতো সেনাবাহিনীর বি্দ্রেহী হবার পথে ছিল। বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্তা ব্যক্তিরা তা নসাৎ করে দেয়। মুক্তিযেুদ্ধের অপশক্তি এখনো মৃহম্যান যে তারা বাংলাদেশকে সেনা অভ্যুস্থান করতে চেয়েছিল। আমরা তাদের নোরাং এই কাজের জন্য ধীক্কার জানায়। সেনা সদরের যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে তা আপনাদের উদ্দেশ্যে এখানে তুলে ধরলাম
সেনাবাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালানো সম্পর্কিত সেনা সদর
দফতরের সংবাদ সম্মেলন- ১৯ জানুয়ারি ২০১২
১. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আমন্ত্রণে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আগত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



