যখনই আল জাজিরাতে ইসরাইলের হেলিকপটর হতে ফিলিষ্টইন এর নিরীহ বাসিন্দাদের উপর হামলা চালানো হয় সেই ছবি যখন টিভিতে দেখি তখন রক্তে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠে ভাবি মানুষ কেমন করে এতো হিংস্র হতে পারে লেবানন কিংবা চিনের উগর প্রদেশ এর নগরে যখন বেসামরিক মুসলমান নারী পুরুষের শত শত লাশ পরে থাকতে দেখি তখন মনে হয় আর কতো সহ্য করব এবার রুখে দাঁড়ানো উচিত প্রতিশোধ গ্রহণ করতে হবে কারণ মুসলমানরা দুনিয়ার সব জায়গায় নির্যাতিত হয়ে আসছে কিন্তু আজকে মেইলে পাঠানো এক পাহাড়ী দোস্তের কিছু ছবি যখন পেলাম তখন মাথার মধ্যে একটা চিন্তা কাজ করছিল নিজেরা দুনিয়ার সব জায়গায় নির্যাতনের স্বীকার হওয়া আমারা এই মুসলমানদের তো সংখ্যালঘুদের দুঃখ কষ্ট সবচেয়ে ভালো করে বুঝা উচিত নিজের দেশে যদি আমরা জনসংখ্যার বড়াই থেকে বাকি জাতিগত ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালগুদের পিষে মারার চিন্তাভাবনা করি তাহলে সারা জাহানে আমরা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নেতৃত্ব দেওয়ার মরালটি অর্জন করব কি করে নিজের গৃহকোনের আদিবাসীরা যদি আমাদের ইহুদী সেটেলারদের মতো মনে করে অভিশাপ দেয় যেরকম করে অসহায় ফিলিষ্টিন ও লেবাননের নর নারীরা দিয়ে থাকে লজ্জায় কি আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়া উচিত না ? আরেকটা অভিযোগ অনেক মুসলমান করে থাকেন যে আদিবাসীরা মিশনারীদের প্রভাবে ব্যাপকহারে খ্রীষ্ট ধর্ম গ্রহণ করছে ছবিগুলা দেখার পর মনে হল আমার বাপ দাদার সাথে বাংলায় পারস্য আরব হতে আগত সুফি দরবেশরা যদি এরকম ব্যবহার করত তাহলে কি তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেন ?








সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


