আমার প্রিয় পোস্ট

এইখানে শায়িত আছেন বাংলা ব্লগ ইতিহাসের কলঙ্ক...

ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব)

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১

শেয়ারঃ
0 6 0

অন্যান্য পর্বসমূহ:

১ম পর্ব: ব্রাউসার যুদ্ধ
২য় পর্ব: সার্চ ইন্ঞ্জিন
৩য় পর্ব: ইন্টারনেট ব্যবসা - ডট কম বাবল



ওয়েব বিপ্লব:

বলুনতো আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আমি, আপনি, আমরা সবাই প্রতিটি মূহুর্ত কিসের আসায় থাকি? কি সেই জিনিস যা আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে ফিরি, যাকে আমরা আর সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেই? একজন আদর্শবাদী হয়তো বলবেন এর জবাব হলো - "প্রেম" অথবা হয়তো "সুখ"। একজন রাজনীতিবীদ হয়তো উত্তরে বলবেন - "ক্ষমতা" বা "টাকা"। কিন্তু আমি উত্তরে বলবো মানব জাতির সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হলো - "যোগাযোগ"।

আজ একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে এসে যোগাযোগ ব্যবস্থা আর যোগাযোগের ধরন এ সব কিছুরই পরিবর্তন ঘটছে প্রতি মূহুর্তে। আজ থেকে ২০ বছর আগেও আমাদের সভ্যতা, আচার, ব্যবহার, আমাদের ওঠা-বসা, আমরা কি দেখবো, পড়বো বা শুনবো এসবই পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত হতো টেলিভিশন, সংবাদপত্র, চলচ্চিত্র আর মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির বিগ বসদের দ্বারা। শুধু তাই নয়, এই বিগ বসদের হাতেই নির্ধারিত হতো আপনি কতটুকু তথ্য পাবেন, কখন ও কোথায় পাবেন এবং তার জন্য আপনাকে কতো খরচ করতে হবে। কিন্তু আজ ২০০৮ এ এসে এ সব কিছুরই হিসেব পাল্টে গিয়েছে। আর এই হিসেব পাল্টানো নির্নায়কটির নাম হলো - "ইন্টারনেট"। বর্তমান ইন্টারনেট হলো সেই মিডিয়া - "যা কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, কিন্তু গড়ে উঠছে সবার সহায়তায় (Controlled by no one and shaped by everyone)", আরেক কথায় - "আমাদের মিডিয়া"। আজ ইন্টারনেট আমাদের যোগাযোগের পন্থায় আর ধরনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, নিয়ন্ত্রন করছে আমাদের সভ্যতাকে, আমাদের হাঁটা-চলা, ওঠা-বসা সবকিছু। তথ্য-যোগাযোগ আজ আর শুধু কতিপয় ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে মুষ্ঠিবদ্ধ কোন ক্ষমতা নয়, বরং সবার জন্য বিনামূল্যে বিতরণকৃত এক উপযোগিতা।

এখন পর্যন্ত আমরা জেনেছি কিভাবে ইন্টারনেট আমাদের জীবনে পরিবর্তন এনেছে, কিন্তু আজ আমরা জানবো কিভাবে আমরা মানুষরা, ইন্টারনেটে পরিবর্তন এনেছি। আসুন প্রথমে কয়েক জন মানুষের সাথে পরিচিত হই - চ্যাড হার্লি (Chad Hurley) , জাওয়েদ করিম (Jawed Karim) , স্টিভ চেন (Steve Shih Chen) , কেভিন রোজ (Kevin Rose) , জে. এডেলসন (Jay Adelson) । নিশ্চিতভাবে বলতে পারি আপনাদের অনেকেই আজ প্রথমবারের এদের নাম শুনছেন। এদের মধ্যে কেভিন রোজ আর জে. এডেলসন হলেন বিখ্যাত সোস্যাল নিউজ ওয়েবসাইট digg এর সহপ্রতিষ্ঠাতা।


কেভিন রোজ


জে. এডেলসন

digg এর শীর্ষ খবরগুলো নির্ধারিত হয় digg এর নিবেদিত প্রাণ ভক্তকূল ও পাঠকদের দ্বারা অনেকটা ভোটিং সিস্টেমের মধ্য দিয়ে। আরকে কথায় digg এর পাঠকরাই এর সম্পাদক। অন্যদিকে চ্যাড হার্লি, জাওয়েদ করিম ও স্টিভ চেন হলেন পৃথিবীর তুমুল জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলোর একটি ইউটিউব (Youtube) এর সহপ্রতিষ্ঠাতা, যা ২০০৬ সালে গুগোল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়।


ছবির বাম থেকে ডানে ক্রমানুসারে- চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন ও জাওয়েদ করিম

Youtube এ পৃথিবীর কোটি মানুষ তাদের নিজস্ব ভিডিও আপলোড করেন ও শেয়ার করেন সাইটটির কোটি কোটি ব্যবহারকারী আর দর্শকদের সাথে। গুগোলের মতো বিচক্ষণ কোম্পানীর ইউটিউবের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আঁচ করতে খুব বেশি সময় লাগেনি।

উপরে চ্যাড হার্লি, কেভিন রোজ বা অন্যান্যদের ছবিগুলো দেখে প্রথমেই আপনাকে যে ভাবনাটা ভাবাবে তা হলো এদের বয়স। অত্যন্ত তরুণ বয়সেই অপরিসীম সাফল্যের মুখ দেখেছেন এরা। এদেরকে দেখে আপনার আর দশজন টাকার লোভে শুরু হওয়া স্টার্টআপার তরুণ বলে মনে হতেই পারে, মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে ভাবনাটা শুধু টাকা আয়ের চেয়ে একটু বেশি ভেবেছিলেন বলেই আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছেন তারা। আর সেই অতিরিক্ত ভাবনাটা ছিলো তাদের আবিষ্কার দিয়ে আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট তথা পুরো পৃথিবীকে পরিবর্তনের ভাবনা। আর এইসব তরুণরাই হচ্ছেন Web 2.0 (ওয়েব টু পয়েন্ট ও) বিপ্লবের কর্ণধার।

Web 2.0 এর মূল কথাটাই হচ্ছে শেয়ারিং - হোক তা কোন ঘটনা বা আপনার জীবনের কোন মূহুর্ত। Web 2.0 একমুখী ওয়েবকে দ্বিমুখী করেছ - শুধু যে আপনি কোন কিছু নিজেই উপভোগ করে সন্তুষ্ট থাকবেন তাই নয়, অন্য কারো সাথে শেয়ার করে আপনি তাকেও সমান বিনোদিত করার ক্ষমতা পাচ্ছেন। এইতো মাত্র কয়েক বছর আগের কথা। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠানগুলো পূর্ণ ছিলো বহু বছরের পুরাতন ঐতিহ্য আর প্রথায়। কিন্তু এখন আর নয়। Youtube এর মতো সার্ভিস আমাদেরকে সুযোগ করে দিয়েছে অনলাইনে প্রত্যেকের নিজের ভিডিও চ্যানেল খোলার। আজ আমরা নিজেরাই একেকটি টিভি চ্যানেলের মালিক। বহু বছর ধরে সম্প্রচারের যে ক্ষমতা সীমাবদ্ধ ছিলো শুধুমাত্র কতিপয় ব্যাক্তির হাতে আজ সেই ক্ষমতা সবার হাতে। একটু আগে যে digg এর কথা বললাম, digg ও অনেকটা Youtube এর মতোই সেবা আমাদেরকে দিয়ে যাচ্ছে। শুধু digg এর এক্ষেত্রে পার্থক্যটা হলো কন্টেন্ট। Youtube যেখানে ভিডিও সম্প্রচার আর শেয়ার করবার ক্ষমতা দিচ্ছে সেখানে digg দিচ্ছে খবর বা সংবাদ শেয়ার করার ক্ষমতা। তবে কোন সংবাদপত্রের ন্যায় digg এ কোন খবর স্থান করে নেবে কি নেবে না এ সিদ্ধান্তটা নেয় পাঠকরা নিজেরাই। যতো বেশি বার ইন্টারনেটে একটি পেইজকে digg করা হয়, অর্থাৎ কিনা ভোট দেয়া হয়, সে সংবাদটি ততো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। ব্যাপারটা এভাবে কল্পনা করা যেতে পারে - digg এর মাধ্যমে একই বিষয়ে New York Times এ প্রকাশিত একটি খবর এবং ইন্টারনেটে কোন ব্লগে প্রকাশিত কোন একটি পোস্ট একই কাতারে চলে আসছে। আর সিদ্ধান্ত পাঠকের হাতেই কোনটাকে তারা বেশি গুরুত্ব দেবেন, বিশ্বাস করবেন।

Youtube আর digg এর মতো সার্ভিসগুলো একটি সুনির্দিষ্ট নীতির ওপর ভর করে গড়ে উঠেছে, আর তা হলো - "জনসমর্থন নীতি"। মানুষ হিসেবে প্রকৃতিগতভাবেই আমরা নিজেদের প্রচার ভালোবাসি, আর এই সুযোগটাই Youtube আর digg কাজে লাগিয়েছে। তবে এই প্রচারের ব্যাপারটা বোধ করি আমাদের পরবর্তী আলোচ্য ব্যাক্তিটির চাইতে ভালো করে কেউ জানেন না - মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)।


মার্ক জাকারবার্গ

মার্ক জাকারবার্গ হচ্ছেন বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক ফেইসবুকের (Facebook) প্রতিষ্ঠাতা। Web 2.0 এর যুগেও ফেইসবুকের জনপ্রিয়তা প্রায় অবিশ্বাস্য। বর্তমানে Facebook এর ব্যবহারকারী প্রতি সপ্তাহে ৩% করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ নতুন ব্যবহারকারী Facebook এ যোগ দিচ্ছেন। Facebook এর বাজার মূল্য এখন আন্দাজ লাগানোও কষ্টকর। ২০০৭ সালের অক্টোবরে মাইক্রোসফট (Microsoft) Facebook এর মাত্র ১.৬% শেয়ার কেনে ২৪৬ মিলিয়ন ডলার খরচ করে। আর এটাই বলে দেয় Facebook এর মূল্য এখন কত! Facebook কে অভিহিত করা হয়ে থাকে পরবর্তী গুগোল হিসেবে আর মার্ক জাকারবার্গকে দেখা হয় ভবিষ্যৎ বিল গেটস রূপে। Facebook এর মতোই আরো একটি জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক হচ্ছে মাইস্পেস (Myspace) যার জন্ম ২০০৩ এ। কয়েক বছরের মধ্যেই Myspace তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একটা সময় ছিলো যখন Myspace ভিসিটের দিক দিয়ে গুগোলকেও ছাড়িয়ে যায়। এটাই সম্ভবত Web 2.0 এর সবচেয়ে মজাদার দিক, আজ আপনাকে এমন একটি কোম্পানী বা ব্যাক্তির নাম বলা হলো যার নাম আপনি আগে কোনোদিন শোনেননি, আর পরের দিনই দেখবেন সেই কোম্পানী বা ব্যাক্তিরই চারিদিকে জয়জয়কার।

কিন্তু সত্য কথা বলতে গেলে কি - Youtube, digg, Facebook বা Myspace এর উত্থানটা কিন্তু পুরোপুরি শূণ্য থেকে নয়। বরং এই কোম্পানীগুলোর উত্থানের পেছনে রয়েছে আরো একটি যুগান্তকারী প্রযুক্তির অবদান যার বয়সও খুব বেশি নয় - এইতো হবে বছর দশেক। আর তারাই অনলাইন শেয়ারিং ধারণার প্রবর্তক। যার কথা এখন বলবো তিনি শুধু প্রোগামারই ছিলেন না, একইসাথে ছিলেন সঙ্গীতপ্রেমী। আমরা বলছি বিখ্যাত অনলাইন মিউজিক ফাইল শেয়ারিং নেটওয়ার্ক ন্যাপস্টার (Napster) আর এর প্রতিষ্ঠাতা শন ফ্যানিং (Shawn Fanning) এর কথা।


শন ফ্যানিং

আজ থেকে ১০ বছর আগেও ইন্টারনেট ছিলো অনেকটাই নিরস একটা মিডিয়া। সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের মতো আর ১০টা মিডিয়ার থেকে ভিন্ন ছিলো না কোনো দিক দিয়েই। ইন্টারনেটে তখনও মানুষ তখন শুধু তথ্য পেতো যেমনটা সংবাদপত্র বা টেলিভিশন থেকে পেয়ে থাকি আমরা - পার্থক্য শুধু এই যে তথ্যগুলো দেখা যেতো কম্পিউটারের পর্দায়। এমন একটি সময়েই Napster এর আবির্ভাব। তখনকার একজন এ্যামেরিকান সঙ্গীতপ্রেমীর জীবনটা ছিলো অনেকটা এমন। ধরুন আপনার একটা গান রেডিওতে শুনে খুব ভালো লাগলো। আপনি কষ্ট করে দোকানে গিয়ে সেই এ্যালবামের সিডি কিনে আনলেন, যে গানটি ভালো রেগেছিলো তাও শুনলেন। কিন্তু মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো যখন দেখলেন যে ঐ এ্যালবামের আর একটা গানও ভালো না - অর্থাৎ পুরো টাকাটাই জলে। প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই অবস্থাটা এমনই ছিলো এবং কারোরই কিছুই করার ছিলো না। Napster প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরকে সুযোগ করে দিয়েছিলো অনলাইনে কোন এ্যালবামের সব গান ডাউনলোড করে শোনবার অথবা পছন্দ মতো গান বেছে নিয়ে শোনবার, আর এর সবই বিনামূল্যে! প্রায় ঐ সময়ই বিখ্যাত কোম্পানী আইবিএম (IBM) একটি বেশ ব্যয়সাপেক্ষ জরিপ চালিয়েছিলো এটা যাচাই করতে যে মানুষ ইন্টারনেট থেকে গান ডাউনলোড করে শুনতে বা সিডিতে বার্ন করার ব্যাপারে কতোটা আগ্রহী। আর এই জরিপের ফলাফল যা এসেছিলো তা ছিলো প্রায় অবিশ্বাস্য! IBM এর জরিপের ফল ছিলো যে মানুষ এমন কোন কিছু করতে মোটেও আগ্রহী নয়। আর এর ফলাফল যা হবার তাই হয়েছিলো - প্রথম থেকেই Napster প্রতি মিউজিক কোম্পানীর কপিরাইট আইন ভঙ্গ করার অভিযোগের আগুনে এই জরিপের ফল যেন তুষ ছড়িয়ে দিলো, ফলস্বরূপ Napster বন্ধ হয়ে গেলো। Napster বন্ধ হয়ে গেলেও পাইরেসি কি বন্ধ হয়েছে? বিট টরেন্ট (BitTorrent) , কাজা (Kazaa) , লাইমওয়্যার (LimeWire) এর মতো ফাইল শেয়ারিং সার্ভিসগুলো Napster এর অসম্পূর্ণ প্রজেক্টকেই যেন পূর্ণতা দিয়েছে এবং তাও ব্যাপক আকারে। Youtube এর মতো ওয়েবসাইটে কপিরাইটেড ভিডিওর ছড়াছড়ি। IBM সেই জরিপের ফল কতোটা হাস্যকর ছিলো তা আমরা বুঝি যখন দেখি বাজার ছেয়ে গিয়েছে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোডকৃত গানের MP3 এ। আর Apple এর মতো প্রতিষ্ঠান iTunes Store এর মতো সার্ভিস থেকে কোটি কোটি ডলার আয় করছে যেখানে প্রতিটি গান শক্ত কপিরাইট নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ ০.৯৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

মাইস্পেসের প্রথম দিককার জনপ্রিয়তার পেছনেও কিন্তু ছিলো এই অনলাইন মিউজিক শেয়ারিং সিস্টেম। ২০০৫ এ প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে নিউজ কর্প (News Corp) গ্রুপ কিনে নেয়। কিন্তু শীঘ্রই Facebook এর জনপ্রিয়তার কাছে Myspace ম্লান হয়ে যায়। Web 2.0 এর যুগে আসলে যুদ্ধটা নতুন আর পুরাতনের মধ্যে নয়, বরং নতুন বনাম নতুন।

আসলে Youtube, digg, Facebook বা Myspace এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের আন্দাজের চাইতেও অনেক বেশি শক্তিশালী। আর এই শক্তিটাই স্বাভাবিকভাবে অনেকের কাছে ভয়ের কারন। ২০০৭ এ Youtube এর বিরুদ্ধে কপিরাইটেড ভিডিও সাইটে দেয়ার অভিযোগ এনে ১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবী করে মামলা করে বিখ্যাত মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ভায়াকম (Viacom)। কিন্তু Napster কে ভূপাতিত করা যতোটা সোজা ছিলো, Youtube এর ক্ষেত্রে তা অতোটা সোজা নয়। কারন Youtube এর মালিক আর কেউ নয়, গুগোলের মতো একটি প্রতিষ্ঠান। একই রকম একটি শঙ্কা আছে উইকিপিডিয়ার (Wikipedia) মতো ওপেন এনসাইক্লোপিডিয়াকে প্রজেক্টকে নিয়েও। এই এনসাইক্লোপিডিয়ার অধিকাংশ তথ্যই এর ব্যবহারকারী আর পাঠকদের দেয়া তথ্য নির্ভর। আর তাই তথ্য বিকৃতির অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। তবে শক্ত মোডারেশনের জন্য কখনোই বেশিদূর যায়নি এই ব্যাপারগুলো। Myspace এর মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ বছর বয়সী তরুনী মেগান মাইয়ারকে (Megan Meier) আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে আত্মহত্যায় বাধ্য করানোর মতো ঘটনাও ঘটেছে।


ইংরেজীতে যে একটা কথা আছে - "With great power comes great responsibility (ক্ষমতা যতো বড় হয়, দায়িত্বও ততো বেড়ে যায়)"। Web 2.0 বিপ্লবের এই যুগে এই বিপ্লবের কর্ণধার যারা তারা এই কথাটার যাতে প্রতিফলন ঘটাবে তাদের কর্মকান্ডে এটাই সবার প্রত্যাশা।


* ডিসকভারি চ্যানেলে প্রচারিত Download - The True History of Internet অনুষ্ঠান অবলম্বনে রচিত।

কৃতজ্ঞতা:

এই পোস্টের কিছু ছবি ও সকল বহির্গামী লিংক উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

এই ধারাবাহিক প্রবন্ধের সকল নিয়মিত আর অনিয়িমিত পাঠককে অসীম ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে এই লেখাগুলো পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের প্রেরণা ছাড়া এই দীর্ঘ লেখাগুলো রচনার ধৈর্য্য আমার হয়তো জন্মাতো না। শীঘ্রই লেখাটার ৪ পর্ব পিডিএফ করে পোস্ট দিবো ভাবছি।

অন্যান্য পর্বসমূহ:

১ম পর্ব: ব্রাউসার যুদ্ধ
২য় পর্ব: সার্চ ইন্ঞ্জিন
৩য় পর্ব: ইন্টারনেট ব্যবসা - ডট কম বাবল

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
মইন বলেছেন: pore porbam, ghume dhorse.
kintu tara click koira raksi.
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ওখে...........;)

২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
গণিত পাগল বলেছেন: সামহোয়ারে খুব বেশি আসা না হলেও এই পোস্টগুলো পড়েছি।
কারণ, যাদের লেখা ভাল লাগে তাদের ব্লগ মাঝে মাঝে ঘুরে যাই।

সিরিজটা খুবই ভাল লেগেছে। (আপনি পিডিএফ না বানালে আমিই করে ফেলতাম ;) )
ভাল থাকবেন।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! আপনিও ভালো থাকবেন :)

৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
সবুজ বলেছেন:
সুন্দর, গোছানো লেখার জন্য অনেক ধণ্যবাদ।
আপনার লেখায় ভাল জোর আছে।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য.........ভালো থাকুন :)

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! না পড়ে থাকলে আগের লেখাগুলোও পড়ে আসতে পারেন........:)

৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২২
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: Download - The True History of Internet এটার টরেন্ট লিংকটা দিতে পারেন? সিড কেমন? কয়দিন লেগেছিল ডাওনলোড করতে?
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ৪ পর্ব আলাদা আলাদা ডাউনলোডে ১০দিন লেগেছিলো। তবে মাঝখানে অনেকবার দীর্ঘসময়ের জন্য ডাউনলোড বন্ধ রেখেছি। আমি যখন ডাউনলোড করেছি তখন ২৫টার মতো সিড পেয়েছি। কিন্তু এখন একটু বেশি পাবেন হয়তো।

টরেন্ট গুলোর লিংক:

১ম পর্ব: http://www.mininova.org/tor/1364956
২য় পর্ব: http://www.mininova.org/tor/1365879
৩য় পর্ব: http://www.mininova.org/tor/1367722
৪র্থ পর্ব: http://www.mininova.org/tor/1369441

৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: আজকেও পাঠক সব পালাইসে! :(
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: :(

৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: থেংকু , টরেন্ট ফাইলগুলা ডাওনলোড করে রাখলাম। :)
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: খিক খিক.........:)

৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯
শিবলী বলেছেন: মানব জাতির সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হলো - "যোগাযোগ"।

আসলেই...


আমি একখান ছিঃনেমার স্কি্রিপ্ট বানাইছি, পারলে পইরেন
Click This Link
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আচ্ছা পড়ে আসতেসি.........:)

৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩
শিবলী বলেছেন: পাঠক আজকাল কম আসছে...
রহস্য কি\???
:(
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৫

লেখক বলেছেন: পাঠক কম আসছে না। যে পোস্টে পাঠক আসার সে পোস্টে পাঠক ঠিকই বেশি আসছে। কিন্তু টেকি পোস্ট সবাই পড়েন না। যেমন ইভা আর মাহফুজুর রহমানকে নিয়ে ফানপোস্টটার হিট সংখ্যা ১১২৮ :)

Click This Link

১০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অসাধারণ...আপনার পোস্ট পইড়া তো টেকি হইয়া যাইতাছি
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: হয়ে যান.........;)

১১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অনন্য একটা কাজ করে যাচ্ছেন আপনি। সাধুবাদ।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

১২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭
অক্ষর বলেছেন: অসাধারণ...আপনার পোস্ট পৈড়া তো টাউকা হৈয়া যাইতাছি
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: গুড গুড........দোয়া করি শীঘ্রই যেন "হারবাল হেয়্যার ট্রিটমেন্টের" শরণাপন্ন হতে হয়........;)

১৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৩
সাদা কাগজ বলেছেন: অসাধারণ... ++++++++++++++++++++++
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন:

১৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩
রূপক  বলেছেন: "ইংরেজীতে যে একটা কথা আছে - "With great power comes great responsibility (ক্ষমতা যতো বড় হয়, দায়িত্বও ততো বেড়ে যায়)"। Web 2.0 বিপ্লবের এই যুগে এই বিপ্লবের কর্ণধার যারা তারা এই কথাটার যাতে প্রতিফলন ঘটাবে তাদের কর্মকান্ডে এটাই সবার প্রত্যাশা।"

ডিসকভারির সাথে পুরোপুরি একমত........
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: কারেকশনের জন্য ধন্যবাদ! ঠিক করে দিয়েছি ২টাই। :)

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: তুমি ডিসকভারির সাথে না বৎস, আমার সাথে একমত! এই কথাটা অনুষ্ঠানে ছিলোনা ;)

১৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
শিবলী বলেছেন: ইভা আর মাহফুজুর
এর পোস্টটা আগে দেখেছি-- ইচ্ছা করে কিছু লেখিনি!!!
কারন প্রেম তো মহান...
হেরা না হয় আরো স্বঘোষিত মহান হল ;)

আর আমি প্রেম কে প্রেম হিসেবে দেখি, বুড়া-ধুরা বা সাফল্য -ব্যার্থতা অনেক কিছু-র উপর নির্ভর করলেও প্রেমকে আমি নিঃস্পাপ হিসেবে ভাবতে চাই।

কিছু মনে করেন না, সমালোচনা করে এসব কথা বলা না । আপনার ঐ পোস্টে প্লাস দিছিলাম, কিনতু মনতব্য করতে মন চায়নি।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: আরে নাহ্........যার যার নিজের চিন্তা ভাবনা থাকবে এটাইতো স্বাভাবিক.........:)

১৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৬
মনির হাসান বলেছেন: ... হুমমম ... অনেক কিছু জানলাম
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: হুমমম.........:)

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ! :)

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

২০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১
নিরক্ষর বলেছেন: টেকি না.ই কে বেশি বালা পাই :)
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আমাকে টেকি বললে বিল গেটস আত্মহত্যা করবেন........:)

২১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২২
টেকনো বলেছেন: কিছু বলার নাই।
চোখ বন্ধ করে +++++++++++++++++++
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! কষ্ট করে সবগুলো পড়ছেন দেখে ভালো লাগছে.........:)

২২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২২
টেকনো বলেছেন: লিখে যান সাথে আছি
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ভাই, এটাই ৪র্থ ও শেষ পর্ব ছিলো। এ বিষয়ে আর লেখা আসবে না :)

২৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
ফরিদ বলেছেন: প্রিয় নাফিস,

তোমার এই পুরো সিরিজিটিই পড়ে বেশ মুগ্ধ হয়েছি। ইন্টারনেটের বিবর্তনের ওপরে আমি একবার দুচার লাইন লিখব মনে করেছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয় তোমার লেখায় প্রয়োজনীয় প্রায় সবগুলো দিকই চলে এসেছে। একই বিষয়ে সেকেন্ড টাইম এনার্জি লস করার দরকার নাই।

তবে আমার যা মনে হয়েছে, এই চমৎকার লেখাটি নতুন লেখার ভীড়ে কিছুদিনের ভেতরেই চাপা পড়ে যাবে। এটিকে একটু গুছিয়ে একফাইলে পিডিএফ আকারে কি ছাড়া যায়না?

আমি বইমেলার (http://www.Boi-Mela.com) সংগ্রহে রাখতে আগ্রহী|

ধন্যবাদ

(বাই দা ওয়ে সেখানে বোনাস হিসেবে টেক স্টার্টাপদের নামকরণসহ আরো দুচারটা টেকি পোস্ট ঢুকিয়ে দিতে পার।) মেইল করতে চাইলে এখানে
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার আগ্রহের কথা শুনে রোমাঞ্চিত বোধ করছি। সমস্যাটা অন্য যায়গায়। আমি pdf করে ফেলতে পারি। কিন্তু এটাতো ইউনিকোডে লেখা। যদিও ইউনিকোডে লেখা pdf করা যায় তারপরও বিজয়টাই সবাই প্রেফার করেন। ইউনিকোডে হলে কোন সমস্যা নেইতো?

২৪. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮
ফরিদ বলেছেন: আরে ধুর! ইউনিকোড কোন সমস্যা হল নাকি? সোলায়মানলিপিতে করে ফন্ট এমবেড করে দাও তাহলে তো কোন সমস্যাই থাকল না। আমার হোস্ট করা অনেকগুলো বইই ইউনিকোডে লেখা। আর বেশী ভেজাল লাগলে সব ঠিকঠাক করে আমাকে ওয়ার্ড ফাইলটাই পাঠিয়ে দাও। আমি দেখি কি অবস্থা :)
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: আমি ওয়ার্ড ফাইলই পাঠাচ্ছি আপনাকে, আমি এসব ব্যাপারে বেশ কাঁচা। আর একটা বিশেষ অনুরোধ, পারলে pdf ফাইলে হাইপারলিঙ্ক করা লিংকগুলো রাইখেন.......

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: মেইল করে দিলাম, একটু কষ্ট করে দেখে নিয়েন........:)

২৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
ফরিদ বলেছেন: তোমার তো ফটোশপে ভালই হাত চলে। 'টেকির টুকটাক' বা এই ধরণের নাম দিয়া একপিস কভার পেজও বানাও।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, চেষ্টা করছি! :)

২৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
ফরিদ বলেছেন: মেইল করেছিলাম দুই তিনটা বিষয় নিয়ে। জাতি জবাব জানতে চায় ;)
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: আমার আজ একটা পরীক্ষা আছে, ফ্রি হয়েই মেইলের জবাব দিচ্ছি..........:)

২৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৭
মোঃ সাকিব আল মাহমুদ বলেছেন: আমি দারুন মজা পেলাম। আপনি কি সরাসরি কথা গুলো ইংরেজী শুনে বাংলায় করেছেন?

এইখানে দেখলাম, দুই জন ব্যক্তির নাম নাই। কিন্তু কেন নাই বুঝলাম না। Tom Anderson & Tim_Berners Lee.
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: এটাতো ৪র্থ পর্ব, আপনি কি ১ম পর্ব থেকে টানা পড়েছেন? ১ম পর্বে Tim Berners Lee এর নাম আছে।

আমি ডিসকভারি চ্যানেলে প্রচারিত Download - The True History of Internet অনুষ্ঠানটির ৪টি পর্বের প্রতিটি ২ বার দেখেছি। একবার টিভিতে আরেকবার পিসিতে ডাউনলোড করে। তারপর পোস্ট লেখার সময় প্রতিটি লাইন শুনে শুনে, একই সাথে উইকিপিডিয়া ঘেঁটে, নিজের থেকে কিছু তথ্য যোগ করে ও একই সাথে অনুবাদ করে পোস্টটি লিখেছিলাম। অনুবাদ মানে অবশ্য যা শুনছি তার হুবহু রূপ নয়, বাংলায় রূপান্তরের সময় ভাবগত পরিবর্তন আনা হয়েছে।

২৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১২
ভুডুল বলেছেন: খুব ভালো লাগল আপনার প্রতিটা লেখা। ধন্যবাদ।অনেক অজানা থেকে বেরিয়ে এলাম আপনার বদৌলতে।+
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: আপনি অনেক কষ্ট করে সবগুলো পর্ব পড়েছেন দেখে খুব খুব ভালো লাগলো। এ ধরনের ঘটনা নতুন করে এরকম লেখা লেখার প্রেরণা যোগায়..........আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! :)

২৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
আলোর অপেক্ষা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: :)

৩০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
আলোর মিছিল বলেছেন: এই সিরিজের প্রতিটি লিখাই বেশ তথ্যবহুল।অনেক যত্ন সহকারে সময় নিয়ে লিখেছেন বোঝাই যাচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

ভবিষ্যতে ব্লগে আপনার এরকম আরো কিছু অসাধারন লিখা পড়ব- এই প্রত্যাশা রইল।
৩১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
জসীম দ্য গ্রেট বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়লাম। খুব ভালো লাগলো। অনেক তথ্যবহুল। আশা করি, এই রকম আরো লিখবেন।
৩২. ২৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
দুঃখ বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক কিছু জানলাম
৩৪. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৭
বাদ দেন বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়লাম++++++++++++++++++
৩৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:২৬
স্বপ্ন ও সমুদ্র বলেছেন: এক বসাতেই সব গুলো পর্ব শেষ করলাম। এখন ঘুমাইতে যাই।
আপনারে ধন্যবাদ দিয়া ছোট করতে চাইতেসিনা। :D
৩৬. ২৪ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:২০
মেেহদী১০ বলেছেন: আপনার মত সামুতে আর কারো লেখা ভাল লাগে না । সামুতে ঢুকে প্রায়ই আপনার ব্লগে ঢুকে আপনার সব লেখাগুলো পরি । আপনাকে খুব আপন মনে হয় আপনার লেখার মাধ্যমে । ভাই আর আপনি লেখেন না কেন ?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৩৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্ধ-কালো ফুল... ফুরনো পুতুল...
হাওয়া দিক ভুল বারো মাস...
এলানো কাজল... ভাঙা রাজমহল...
বিষের ছোবল ঝরা শ্বাস...

facebook.com/nafis.iftekhar
twitter.com/nafis_iftekhar
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই