আমার প্রিয় পোস্ট

এইখানে শায়িত আছেন বাংলা ব্লগ ইতিহাসের কলঙ্ক...

বাংলাদেশের টেলিভিশন মিডিয়ার অবাধ তথ্য প্রবাহের নামে স্বেচ্ছাচারিতা - শেখার বাকি এখনো অনেক

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

শেয়ারঃ
0 3 0



সংবাদ আমাদের শুধু ভাবায় না, ভাবতে শেখায়। সংবাদ আমাদের ভাবায় তার তথ্যবহুলতায়। কিন্তু এমন সংবাদও আছে যার উপস্থাপন প্রকৃতিই আমাদেরকে ভাবায়। "অবাধ তথ্যপ্রচার"....."মুক্ত সাংবাদিকতা".......শক্ত শক্ত এই শব্দগুলো বাস্তবে শুনতে ভালোই লাগে ততোক্ষণ পর্যন্তই যতোক্ষণ পর্যন্ত 'অবাধ' আর 'মুক্ত' এর প্রতিশব্দ 'স্বেচ্ছাচারিতা' না হচ্ছে। সাংবাদিকতা একটি স্পর্শকাতর পেশা, এটির সাথে শুধু নিজের জীবন নয় আরো অনেকের জীবন জড়িত......হয়তো মরণও। টিভি পর্দায় দেখানো একটা দৃশ্য বা পত্রিকায় লেখা একটা শব্দ একটি মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। সাংবাদিকতার প্রসঙ্গ উঠলেই নিরপেক্ষতা, দায়িত্বশীলতা শব্দগুলো আপনা-আপনিই চলে আসে। ঘটনা আর পরিস্থিতির প্রভাবে এগুলো হয়তো সব সময় রক্ষা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু যেখানে সামান্য কমন সেন্স প্রয়োগই ভুল ঠেকানো যায়, তারপরও ভুল হলে সেই ভুল অমার্জনীয়।

২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ ঢাকার বিডিআরের পিলখানা সদর দপ্তরে এক বিডিআর সেনাদের এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। নারকীয় হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় ঐদিন পিলখানায় যাতে প্রাণ দিতে হয় কমপক্ষে ৬০ জন সেনা অফিসার ও আরো কিছু সাধারণ নাগরিককে। ঐ দিনটির কথা আমার এখনো মনে আছে.......মনে আছে যারা ঐদিন প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের কথা.......আরো মনে আছে ঐদিন আমাদের টেলিভিশন সাংবাদিকদের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা।



শুরুটা করলেন এটিএন বাংলার চিফ রিপোর্টার মুন্নী সাহা। না জানি ভদ্রমহিলার মাথায় এমন কি ভূত চেপেছিলো যে উনি সরাসরি পিলখানার গেইটে চলে গিয়েছিলেন রুমাল দিয়ে মুখ ঢাকা বিডিআর জওয়ানদের দাবী দাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। জাতির জন্য এমন সংকটময় ও স্পর্শকাতর একটি পরিস্থিতি যেখানে যে কারো একটি মন্তব্য বা কাজের জন্য সম্পূর্ণ দৃশ্যপট পাল্টে যেতে পারে সেখানে কে তাকে অধিকার দেয় এমন একটি কাজ করার? ঐ দৃশ্য ধারণ করে প্রচারের পর প্রথমেই যেটা হয়েছিলো সেটা হলো সাধারণ মানুষর মনে বিডিআরের জওয়ানদের জন্য একটা চরম আকুতি জেগে উঠলো - "আহা! বেচারারা......"। এমনকি যখন ভেতর থেকে সেনা অফিসারদের মৃত্যু সংবাদের খবর ভেসে আসছিলো তখনও কাউকে কাউকে - "ঠিকই আছে" বা "উচিৎ কাজ হয়েছে" এমন একটা ভাব ধরতে দেখা গিয়েছে। না আমি বলছি না কারো কোন দাবী দাওয়া থাকবে না বা সেটা টেলিভিশনে প্রচার করা যাবে না। ঐ বিডিআর জওয়ান ঐদিন যা যা বলেছে তার অনেক কিছু হয়তো ঠিক। কিন্তু ঐ মূহুর্তে এমন একটি সংবাদ প্রচারের কারনে এবং তারপরে রিপোর্টারদের সংবাদ উপস্থাপন ঢং দেখে প্রতীয়মান হলো তারা যেন ঠিক করেছেন তাদেরকেও এই ঘটনা পরিবেশনে একটা পক্ষ নিতে হবে। যখন টিভি চ্যানেলগুলো এরকম সংবাদ প্রচার করা শুরু করলো তার প্রভাব পড়লো আমাদের 'তথাকথিত বুদ্ধিজীবি' মহলে। কফি মগ সামনে রেখে টেলিভিশনে টক শোতে একেকজন একেক থিওরি বের করতে লাগলেন ঘটনার পেছনে যার প্রধান পুঁজি ছিলো বিডিআর বাহিনীতে জওয়ান-অফিসার বৈষম্য। তারা যেন ভুলেই গেলেন ঘটনার পেছনে কোন ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। তাদের আলোচনা দেখে আর বিভিন্ন যুক্তির পেছনে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস দেখে কখনো কখনোতো আমার এও মনে হয়েছে - "এরাই ঘটায়নি তো ঘটনা?"

সরাসরি সম্প্রচার বা Live Broadcast টেলিভিশন চ্যানেলেগুলোর বড় একটি হাতিয়ার। অনেক চলমান ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা এভাবে দর্শকদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হয়। কিন্তু শক্তিশালী এই হাতিয়ারটি একইসাথে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আমার মনে আছে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার দিন দুপুরের দিকে সেনাবাহিনী যখন পিলখানার নিউমার্কেট গেইটের দিকে পজিশন নিচ্ছিলো তখন টেলিভিশনে তা সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছিলো। টিভি চ্যানেলের রিপোর্টাররা ক্রমাগত ধারাবর্ণনা দিয়ে যাচ্ছিলেন এই কমান্ডো অপারেশনের - "আমি দেখতে পাচ্ছি আমার পাশে একজন আর্মি সেনা পজিশন নিচ্ছেন........."। প্রথমেই যে চিন্তাটি আমার মাথায় ভর করেছিলো তা হলো এটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না। কেননা আমি নিজে একজন দর্শক হিসেবে যা দেখতে পাচ্ছি ঠিক ঐ একই দৃশ্য একজন বিডিআর জওয়ান ভেতর থেকে দেখতে পাচ্ছে। কমান্ডো অপারেশনের মূলে থাকে 'Element of Surprise'। অর্থাৎ প্রতিপক্ষকে হঠাৎ আক্রমণে চমকে দিয়ে পরাস্ত করার ক্ষমতা। যেভাবে ঐদিন টেলিভিশনে ঐসব দৃশ্য দেখানো হয়েছে খুব সহজেই তা কাজে লাগিয়ে সুযোগ নিতে পারতো (বা হয়তো পেরেছে) ভেতরে থাকা বিডিআর জওয়ানেরা। টেলিভিশন মিডিয়ার ঠিক একইরকম ভূমিকা আমরা দেখেছিলাম আমরা জঙ্গি নেতা শায়খ আব্দুর রহমানের গ্রেপ্তারের সময় যখন তাকে ছাদ কেটে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছিলো।

দুঃখজনক আরেকটি ঘটনা দেখেছিলাম ঐদিন। বিকেলের দিকে পিলখানার হাজারিবাগ গেইট দিয়ে অনেক বন্দি নারী, শিশু আর সাধারণ মানুষকে মুক্ত করে জওয়ানরা (কেউ কেউ পালিয়েও এসেছিলেন)। সেখানে এক ভদ্রলাক যখন তার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে প্রাণ ভয়ে পালাচ্ছিলেন তখন জনৈক রিপোর্টার (খুব সম্ভবতঃ চ্যানেল আইয়ের) তার কাছে "কিভাবে মুক্ত হলেন", "অনুভূতি (!) কি" - এসব জানতে চান, সামনে মাইক্রোফোন পাতেন। আমার রাগে-ক্ষোভে চুল ছেঁড়ার অবস্থা। একটা লোক যে ওরকম Hostage অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে আসলো, না জানি তার মানসিক অবস্থা কেমন। এরকম বন্দিদশা থেকে মুক্ত হওয়ার পরেও মানুষ মনে তার Trauma দীর্ঘক্ষণ থেকে যায়। তাকে এভাবে পথ আটকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসার মানে কি? কে দেয় তাকে এই অধিকার? ঠিক একই রকম আরেকটি ঘটনা অবলোকন করেছিলাম বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লাগার সময়। ভবন থেকে প্রাণভয়ে পালানোর সময় জনৈক রিপোর্টার পথ আটকে মানুষের 'অনুভূতি' গ্রহণে ব্যস্ত ছিলেন।



উপরের ভিডিওটি লক্ষ্য করুন - ঘটনা শেষ হওয়ার দিন বিকেলে একুশে টেলিভিশনের জনৈক সাংবাদিক (নাম জানি না, জানার কোন ইচ্ছেও নেই) ঢুকে পড়লেন বিডিআর সদর দপ্তরে। জনৈক ঐ রিপোর্টার গিয়ে ঢুকলেন পিলখানার ভেতরে বিভিন্ন অফিসারদের বাসগৃহে, বিডিআর মহাপরিচালক শাকিলের বাসগৃহেও ঢুকেছিলেন ঐ রিপোর্টার। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম উনি নির্ভয়ে হাত দিয়ে ঐসব বাসার ভেতরের আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র ধরছেন, নাড়াচ্ছেন এবং পর্দায় দেখাচ্ছেন। সেসব জিনিসপত্রের মধ্যে অফিসারদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র, স্যুটকেস, গয়নার বাক্স, স্বামী-স্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফটো এ্যালবাম, অফিসারদের ড্রেস, আলমারি এ সবকিছু্ই ছিলো। এরকম একটা ঘটনা যেখানে ঘটেছে, অর্ধশতাধিকের উপরে অফিসারকে যেখানে মেরে ফেলা হয়েছে সেখানে অফিসার বাসগৃহে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রত্যেকটি জিনিস একেকটি আলামত, ঐসব বাসগৃহ ছিলো একেকটি Crime Scene। এসব জিনিসপত্রে লুকিয়ে থাকতে পারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা এমন কোন ক্লু যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সাব্যস্ত হতে পারে। সামান্য নাড়াচাড়ায় এসব আলামত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কোন অধিকার বলে ঐ রিপোর্টার ঐসব জিনিস হাত দিয়ে ধরছিলেন? এরকম একটি স্পর্শকাতর স্থানে ঢুকবার অনুমতিই বা ঐ রিপোর্টারকে কে দিয়েছিলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা খুব প্রয়োজন। প্রশ্নের উত্তর জেনে লাভ? যে ভুল হয়ে গিয়েছে তাকে সংশোধনের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের কোন সময়সীমা নেই।

শেষটা করবো ২০০৮ এর মুম্বাই হামলা দিয়ে। মুম্বাই বোমা হামলার সময় ভারতীয় সব টেলিভিশন চ্যানেলগুলো হামলে পড়েছিলো চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা সরাসরি টিভিতে দেখানোর জন্য। এক অদ্ভূত প্রচার যুদ্ধ যেন শুরু হয়েছিলো কখন। কে কার আগে কোন খবরটা দেকাতে পারে বা প্রচার করতে পারে তার প্রতিযোগিতা। আর টেলিভিশন মিডিয়ার এমন ভূমিকাই কাল হয়ে দেখা দিয়েছিলা মুম্বাই হামলার ক্ষেত্রে। মুম্বাইতে ঐ হামলার সময় হামলাকারীরা হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিলো মোবাইল আর স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে। সম্প্রতি প্রচারিত Dispatches - Terror In Mumbai শীর্ষক একটি ডকুমেন্টারিতে উঠে এসেছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নিচে তাজ হোটেলে অস্থানরত সন্ত্রাসীদের সাথে পরিকল্পনাকারীর কথোপকথনের কিছু অংশ তুলে ধরছি:

পরিকল্পনাকারী: যে রুমে আছো সেখানকার কার্পেট আর ম্যাট্রেসগুলো গুটিয়ে এ্যালকোহলে দিয়ে ভিজিয়ে আগুন লাগিয়ে দাও।

সন্ত্রাসী: ঠিক আছে।

কিছুক্ষণ পরে.....

পরিকল্পনাকারী: (অধৈর্য্য ভঙ্গিতে) এখনই লাগাও আগুন, যতোক্ষণ আগুন না লাগাবে ততোক্ষণ পর্যন্ত কিছুই হবে না। যখন লোকজন আগুন দেখবে তখন ভয় পাবে।

সন্ত্রাসী: এই তো প্রায় হয়ে গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন দেখতে পাবেন।

পরিকল্পনাকারী: কই আগুনতো দেখতে পাচ্ছি না! কোথায় আগুন?

[কিছুক্ষণ পরে তাজের কিছু সমুদ্রমুখী রুমে আগুন জ্বলছে। টিভিতে সরাসরি দেখছে পরিকল্পনাকারী]

পরিকল্পনাকারী: (উচ্ছ্বসিত ভঙ্গিতে) এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট। মিডিয়া তাজ হোটেলকে অন্যান্য যায়গার থেকে বেশি কাভারেজ দিচ্ছে।



[মুম্বাই হামলারই আরেকটি হামলাস্থল নাড়িমান হাউজে অবস্থানরত সন্ত্রাসীদেরকে পরিকল্পনাকারী কমান্ডো অপারেশনের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টার আসার দৃশ্য সরাসরি টিভির পর্দায় দেখে সতর্ক করছে]

পরিকল্পনাকারী: হেলি আ গ্যায়া কেয়া? (হেলিকপ্টার কি এসে গিয়েছে?)

সন্ত্রাসী: হ্যাঁ!

পরিকল্পনাকারী: Shoot! Shoot!

নাড়িমান হাউজের কমান্ডো অপারেশন টিভিতে দেখানো প্রসঙ্গে একজন NSG কর্মকর্তা: "টেলিভিশনে দেখানো হচ্ছিলো আমাদের কমান্ডোরা হেলিকপ্টার থেকে নাড়িমান হাউজের ছাদে নামছে। যতোক্ষণে আমাদের কমান্ডোরা নেমে পজিশন নিচ্ছিলো, তার অনেক আগে থেকেই সন্ত্রাসীরা ওদের আসার কথা জানতো এবং ওপেন ফায়ার করে।"

ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি, জে এস ভার্মা সংকটময় মূহুর্তে মিডিয়ার ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ তা নিয়ে একটি খসড়া নীতিমালা একটি পেশ করেছিলেন যার প্রধান প্রধান অংশগুলো হলো:

১. ঘটনার শিকার এমন কেউ, সন্ত্রাসী বা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত কারো সাথ সরাসরি কথা বলা যাবে না।

২. অপ্রয়োজনীয়ভাকে একই দৃশ্য পর্দায় বারবার দেখানো যাবে না যার ফলে দর্শকের মাঝে প্রতিশোধপরায়ণতা বা হিংস্র ভাব সৃষ্টি হয়। আর্কাইভে থাকা ফুটেজ দেখানো হলে অবশ্যই "ফাইল" কথাটি পর্দায় দেখাতে হবে যাতে দর্শক বুঝতে পারে পর্দায় দেখানো দৃশ্য বর্তমানে ঘটছে না।

৩. মৃতদেহকে অবশ্যই শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং ক্লোজআপ দেখানো যাবে না।

৪. ঘটনার শিকার কারো বা তাদের আত্মীয় স্বজনদের আবেগপ্রবণ বা হৃদয়বিদারক দৃশ্য সতর্কতার সাথে উপস্থাপন করতে হবে যাতে তাদের পরিবার ও সন্তানরা এর দ্বারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়।

এই নীতিগুলোর অন্ততঃ কিছুও যদি বাধ্যতামূলক করা হয় তাহলে অবাধ তথ্য প্রচারের নামে স্বেচ্ছাচারিতা একটু হলেও কমতো।

তবে যতো যাই বলি এসব কিছুর পেছনে আংশিকভাবে হলেও দায়ী আমরাও। আমরা দর্শকরাও সংবাদকে Sensationalized রূপে দেখতেই বেশি পছন্দ করি। সংবাদ এখন একটা পণ্য, বিক্রি বাড়াতে হলে মোড়ক চটকদার হবে এ আর অস্বাভাবিক কি?

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
পুশকিন বলেছেন: তথ্য বহুল।
আমি আপনাকে ইহাহু তে অনুরোধ পাঠিয়েছিলাম।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: এ্যাকসেপ্ট করেছি.......

২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
স্নিগ বলেছেন: মুন্নী সাহারে মাইনাচ।এই মহিলার যন্ত্রণায় অস্হির হয়ে গেছি।
আপনারে +
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.......

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.......

৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
বন্দী বলেছেন: রাষ্ট্রযন্ত্রের আগাপাশতলা ঝালাই প্রয়োজন।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সহমত.......

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ঘটনার সময় যে হারে পোস্ট এসেছিলো বিডিআরের ঘটনা নিয়ে তাতে আমি এই পোস্ট দিলে মানুষ হয়তো বিরক্ত হতো......

৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
রাতমজুর বলেছেন:
দেশের এমন স্পর্শকাতর ঘটনাগুলোতে ওরা ঠিক যেন শত্রুপক্ষের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, অবাক লাগে। স্বাধীনতার একটা সীমা আছে, মানবতার সাক্ষাত অবতারেরা এসব ভুলে যান। সেদিন মুন্নি সাহার কল্যানে ভেতরে বসে থাকা জানোয়ার গুলো বাইরে আমাদের সেনা ফর্মেশনের প্রতিটা খবর পেয়ে যাচ্ছিলো, অথচ সেই সময় খুব দরকার ছিলো এই লাইভ স্পট রিপোর্টিং নামক ফালতু কাজটা বন্ধ রাখা।

"নাফিস ইফতেখারকে হত্যার পরিকল্পনা আবিষ্কার, সন্দেহ করা যাচ্ছে রাতমজুর এই ষড়সন্ত্রের পেছনে আছে, তাকে ধরবার জন্যে (ব্লা ব্লা ব্লা)...."
--------------- মুন্নি সাহা এখানে আপনার উপকার করছেন না, আমার এ্যাকম্প্লিস হিসাবে কাজ করছেন, এই সোজা ঘটনাটা ওর মাথায় ঢুকে না।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: নিউজ সেনসেশনালাইজ করার সমস্যাটা বোধোহয় এশিয়ান দেশগুলোতে বেশি। ভারত সবচেয়ে বেশি করে। এখন আমাদেরকেও এই রোগে পেয়েছে।

৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
মন মানে না বলেছেন: চুন্নি রে মাইনাস ।

আপনারে পিলাস ।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: শুধু মুন্নি সাহা নন, আরো অনেক দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিক আছে এই বাংলার মাটিতেই.......

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আজব আমরাও, দিনের পর দিন মুখ বুঁজে সহ্য করে চলেছি.......

৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ওরে ভাই বরাবরের মত চরম হইছে.....!! +++++ তয় এই পোষ্ট দেইখা বেবাক রিপোর্টার খেইপা গিয়া নাকি আপনার নামেই একটা ব্রেকিং নিউজ দিয়া বসে.......টিভির পর্দায় চোখ রাখেন!!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: অসম্ভব কিছু না, আজকাল কেউ জেল থেকে মুক্তি পেলে সেটাও ব্রেকিং নিউজ হয়!

১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০
অগ্নি পুরুষ বলেছেন: ভোদাই সাম্বা(হাম্বা)দিকদের মাথায় এইগুলা জীবনেও ঢুকবোনা;কারণ এই হাম্বাগুলা নিজেদের কে সকল বিষয়ে জ্ঞানী মনে করে; ব্যতিক্রম অবশ্য আছেন;কিন্তু খুবই কম।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ব্যাতিক্রম আছেন, সহমত.......

১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: অনেকদিন পর আসলেন অসাধারন একটা পোষ্ট নিয়ে ... একেবারে সমস্যাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন...এখন যাদের এটা বেশী দরকার তারা এটা ভালোভাবে বুঝতে পারলেই হল (আমার মনে হয় তারা পারলেও টিভি চ্যানেল হয়তো পারবে না , তাদের কাছে তো ব্যবসা আগে আর জনগন এইগুলা নাকি খায়! )
অফ-টপিকঃ ভালো আছেন তো...?
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: আছি ভালোই, আপনি কেমন আছেন?

১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা লিখেছেন। প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।

এদেশে ভাই টিভি রিপোর্টার হতে হলে সাংবাদিকতা জানতে হয়না। যেতে হয় কোন ট্রেনিং সেন্টারে, যেখানে তিন-চার মাসে একটা গরু-গাধা-ছাগল যাই হোক রাতারাতি বনে যায় নিউজ প্রেজেন্টার কিংবা টিভি রিপোর্টার যে কিনা শুদ্ধ করে বাংলাটাও বলতে পারেনা। কাজেই এদের কাছ থেকে আর কিই বা আশা করতে পারেন?

+
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! আরেকটা ব্যাপার হলো ট্রেনিং সেন্টারগুলো পরিচালিত হয় এমন সব মানুষজন দ্বারা যারা নিজেরাও নিউজ এথিকসের ব্যাপারে সামান্য জ্ঞানও রাখেন না।

১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫
আশরাফুল ইসলাম সাগর বলেছেন: অসম্ভব ভালো লিখেছেন। আমি কয়েকজন মেজরকে তখন এই ব্যাপারগুলো বলে সতর্ক করেছিলাম... কিন্তু ওদের হয়তো তখন আমার কথাগুলো বোঝার মতো কিংবা ধারণ করার মতো মানসিক অবস্থা ছিলনা।
সত্যি, গুরুত্বপূর্ণ কিছু সময়ে লাইভ টেলিকাস্ট সংযত করা দরকার।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: এ ব্যাপারগুলোকে অবজ্ঞা করে গিয়েছিলো তখন খোদ সরকারও। অথচ সতর্ক হলো কখন দেখলেনতো? আর্মির সাথে প্রধানমন্ত্রীর কথোপকথন প্রকাশের পর। নিজের গায়ে বাতাস না লাগা পর্যন্ত আসলে এদের শীত লাগে না.........

১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন।

মিডিয়া বদৌলতে লাল রুমালে মুখ ঢাকা খুনীরা আজ পরাগপার আর তাদের পিছনে বিশ বাইশ বছরের গোবেচারা, হাসি মুখে দাড়িয়ে থাকা পরিস্হিতির শিকার তরুন হয়তো আর্মির ইন্টারগেশন সেলে হার্টফেইল করে আজ পরাগপার অথবা ফাঁসির প্রহর গুনছে.........হায় ! মিডিয়া !!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: খুব ভাল লাগল লেখাটা, প্রিয়তে। উকিল, বিচারক, সাংবাদিক এরা মনে হয় ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা খুবই দুঃখজনক......

১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮
হোদল রাজা বলেছেন: অসাধারন! এই ব্যবসাটা বন্ধ করা উচিৎ!

ধন্যবাদ বস!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ......

১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৯
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: এমন করে ভাবি নি কখনো
একমত
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
_তানজীর_ বলেছেন: একমত। ঐ সময় যেন আমাদের জীবদ্দশায় আর কখনও ফিরে না আসে।
আর মুন্নী সাহা কে যে জওয়ানদের কাছে গেছে জানতে তাদের দাবী দাওয়া কি? নিজেকে কি যে মনে করে মিডিয়া!
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: মিডিয়ার উচিৎ নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা। কিন্তু কিছু কিছু মিডিয়া আজকাল এমন আচরণ করছে যেন তারা কোন গডফাদার। যেমন - প্রথম আলো।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
ভ্যানগার্ড বলেছেন: মুন্নী সাহারে মাইনাচ।এই মহিলার যন্ত্রণায় অস্হির হয়ে গেছি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: হুমম.......

২১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বিশ্লেষন ভাল হয়েছে।
যে কোন পেশাতেই এথিক্স ব্যাপারটা খুব জরুরী।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: এথিকসটা আসলেই খুব জরুরী........

২২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ। এই দেশে শুধু মিডিয়া না, কোন ক্ষেত্রেই নীতিবোধের তোয়াক্কা নেই।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: সহমত!

২৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
প্রিয়তমেষু বলেছেন: প্লাস না দিয়ে পারলাম না,প্রিয় তে নিয়ে নিলাম!!অসম্ভব সুন্দর বিশ্লেষন ধর্মী লেখা,আসলে এভাবে কখন চিন্তা করে দেখিনি-চিন্তার নয়া খোরাক জোগানোর জন্য ধন্যবাদ!!!
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!

২৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
বিডি আইডল বলেছেন: এই বাজে ট্রেন্ডটা অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে..সন্ত্রাসীদের হাতে এক ছেলে খুন হয়েছে...মা-বৌ বিলাপ করছে আর এই আহাম্মকরা তাদের মুখের সামনে মাইক্রোফোন ধরে রাখছে...এই দৃশ্য দেখলে আমার রাগে মাথা চিড়বিড় করতো...জার্ণালিজম এথিকস বলে একটা জিনিষ আছে তা এইসব (যাদের অধিকাংশই শুদ্ধ বাংলায় আবার কথা বলতে পারে না) বস্তুদের কতটুকু জানা আছে সন্দেহ আছে
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: এদের জানা থাকার কথাও না, এরা আসে ট্রেনিং সেন্টার থেকে.......

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: সহমত.............
আপনার সাংবাদিক হওয়া দরকার।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: আমি সাংবাদিক হলেতো ভাই আমার চাকরী ১ দিনও টিকবে না। আমি তো সব সত্য লিখতে চাই।

২৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১০
নির্বাসন বলেছেন: কিছু মনে করবেন না...ঘটনার এতদিন পরে পোস্ট কেন?
ঐ সময় কিছু ব্লগারের মন্তব্যে থ হয়ে গিয়েছিলাম...যাহোক পোস্টের বক্তব্যে কোন দ্বিমত নেই...আমরা পারি কেবল অনুকরণ করতে , তাও ভালোগুলি না...মন্দগুলি। আপনি তো শুধু ঘটনার বড় দিল টা দেখলেন...ছোটখাটো ক্যামেরা ওয়ার্ক দেখলে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়...সেদিন এক দরিদ্র মহিলাকে দেখানো হচ্ছে...মহিলার গলায় ঘা বা এ জাতিয় কিছু আছে...সেটা জুম করে দেখানো হলো...মাঝে মাঝে বক্তার মুখের দিকে ক্যামেরা না ধরে ক্যামেরা ঘুরতে থাকে তার আশে পাশে(বিনা কারণেই)...হয়তো সে হাত কচলাচ্ছে...তাও দেখাতে হবে...।সেদিন বিস্ময় নিয়ে দেখলাম কুষ্টিয়াতে এক শিশু মেয়ে চিতকার করে কাঁদছে কারণ ক'দিন আগে তার বাবা চরম্পন্থীদের হাতে খুন হয়েছে...সাংবাদিক ঐ ক্রন্দনরত শিশুকে জিজ্ঞেস করছে "ভয় লাগে?" "বাবাকে মনে পড়ে?" কি হাস্যকর!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন:

ঘটনার এতোদিন পরে পোস্ট দেয়ার একটা কারন হলো ঐ সময়ে বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে ব্লগে এতো এতো লেখা এসেছিলো যে মানুষ একটা সময় বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলো। আর লেখার বিষয়বস্তুর সাথে বিডিআর বিদ্রোহের কোন যোগসাগশ নেই। এখানে মূল প্রসঙ্গটা হলো দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতা।

"মহিলার গলায় ঘা বা এ জাতিয় কিছু আছে...সেটা জুম করে দেখানো হলো"

সাক্ষাৎকার এর ফাঁকে ফাঁকে হাত কচলানো, ঘা বা অপ্রস্তুত কোন মূহুর্ত এসব দেখানোকে টেলিভিশনে আমরা 'Insert' বলি। এগুলো আজকাল নিউজ রিপোর্টিংয়ে খুব বেশি ব্যবহার হচ্ছে। সাধারণত এগুলো ডকুমেন্টারিতে বেশি ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের শট সতর্কতার সাথে নির্বাচন না করলে চরম জঘণ্য লাগতে পারে যেমনটা আপনি বললেনই।

২৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
মাহাফুজ বলেছেন: সুন্দর এবং তথ্যবহুল। ++

মিডিয়ার আসলে কি করা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন?


২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: এরকম সিচ্যুয়েশনে (বিশেষতঃ জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা, গোলাগুলি, রায়ট ইত্যাদি) মিডিয়ার ভূমিকা কিছুটা বিটিভির মতো হওয়া উচিৎ। অনেক কিছু দেখাবে, তবে সবকিছু নয়। এমন কিছু তো অবশ্যই নয় যা হামলাকারীর পক্ষে যায়। চাঞ্চল্যকর কিছু ধারণ করতে পারলে তা সরাসরি প্রচার না করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দেয়া উচিৎ। আর সরকারের উচিৎ মিডিয়াকে ১ কিলোমিটারের মতো একটি Radius (যে এলাকার বাইরে থেকে মিডিয়াকে তথ্য ধারণ করতে হবে) বেঁধে দেয়া মিডিয়াকে। এতে করে মিডিয়া কোনভাবেই চলমান ঘটনাকে প্রভাবিত করবে না এবং উদ্ধারকার্য বা কমান্ডো অপারেশন কোনকিছুই বাধাপ্রাপ্ত হবে না। তাহলেই এসব ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা যায়।

২৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১
সামিউর বলেছেন: ভ্যানগার্ড বলেছেন: মুন্নী সাহারে মাইনাচ।এই মহিলার যন্ত্রণায় অস্হির হয়ে গেছি।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: হুমমম......

৩০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
জানজাবিদ বলেছেন: সত্যিকারের ভাল একটা লেখা দিয়েছেন। বয়সের তুলনায় আপনার ম্যাচুরিটি আসলেই অনেক বেশী।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

৩১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: নাফিস ইফতেখার , মুগ্ধ হলাম ।

আপনার ইদানিংকালের লেখাগুলোতে দারুণ পরিবর্তন দেখছি । এমন অসাধারণ বিশ্লেষণ হয়ত ছন্নছাড়া ভাবে অনেকের মনেই এসেছিল , কিন্তু গুছিয়ে লেখার কাজটি কেউ করতে পারেনি
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! আমার মাঝেও লেখার চিন্তাটা অনেকদিন ধরেই ছিলো। কিন্তু লিখবো লিখবো করেও লিখিনি......

৩২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
কুতুব্ বলেছেন: অনেকদিন পর একটি চমতকার পোস্ট। পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ততা ছিল?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: না। একটি টিভি অনুষ্ঠান নিয়ে যার ফাইনাল আজ সম্পন্ন হলো। :)

৩৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১১
কুতুব্ বলেছেন: ওহ, আপনি আবার এটার সাথেও আছেন নাকি? আমার অবশ্য এই অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কিছু আপত্তি আছে, এখানে আউট অফ টপিক হয়ে যাবে। আপনি যদি ফেসবুক ইউজ করেন আমাকে অ্যড করতে পারেন princeripon@হটমেইল.কম। ওখানে কথা বলা যাবে। ভালো থাকবেন।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: ভাই রিয়ালিটি শো এর কনসেপ্টটাতেই আমার নিজেরই আপত্তি আছে! :)

৩৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪১
নার্ডী বয় বলেছেন: খুবই চমৎকার তথ্যবহুল একটা পোস্ট,পড়ে সত্যিই ভাল লেগেছে।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩২
মোতাব্বির কাগু বলেছেন: ঘটনা শেষ হওয়ার দিন বিকেলে একুশে টেলিভিশনের জনৈক সাংবাদিক (নাম জানি না, জানার কোন ইচ্ছেও নেই) ঢুকে পড়লেন বিডিআর সদর দপ্তরে। জনৈক ঐ রিপোর্টার গিয়ে ঢুকলেন পিলখানার ভেতরে বিভিন্ন অফিসারদের বাসগৃহে, বিডিআর মহাপরিচালক শাকিলের বাসগৃহেও ঢুকেছিলেন ঐ রিপোর্টার। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম উনি নির্ভয়ে হাত দিয়ে ঐসব বাসার ভেতরের আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র ধরছেন, নাড়াচ্ছেন এবং পর্দায় দেখাচ্ছেন। সেসব জিনিসপত্রের মধ্যে অফিসারদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র, স্যুটকেস, গয়নার বাক্স, স্বামী-স্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফটো এ্যালবাম, অফিসারদের ড্রেস, আলমারি এ সবকিছু্ই ছিলো। এরকম একটা ঘটনা যেখানে ঘটেছে, অর্ধশতাধিকের উপরে অফিসারকে যেখানে মেরে ফেলা হয়েছে সেখানে অফিসার বাসগৃহে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রত্যেকটি জিনিস একেকটি আলামত, ঐসব বাসগৃহ ছিলো একেকটি Crime Scene। এসব জিনিসপত্রে লুকিয়ে থাকতে পারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা এমন কোন ক্লু যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সাব্যস্ত হতে পারে। সামান্য নাড়াচাড়ায় এসব আলামত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কোন অধিকার বলে ঐ রিপোর্টার ঐসব জিনিস হাত দিয়ে ধরছিলেন? এরকম একটি স্পর্শকাতর স্থানে ঢুকবার অনুমতিই বা ঐ রিপোর্টারকে কে দিয়েছিলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা খুব প্রয়োজন। প্রশ্নের উত্তর জেনে লাভ? যে ভুল হয়ে গিয়েছে তাকে সংশোধনের কোন সুযোগ নেই। কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের কোন সময়সীমা নেই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্ধ-কালো ফুল... ফুরনো পুতুল...
হাওয়া দিক ভুল বারো মাস...
এলানো কাজল... ভাঙা রাজমহল...
বিষের ছোবল ঝরা শ্বাস...

facebook.com/nafis.iftekhar
twitter.com/nafis_iftekhar
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই