অসম্ভব চাওয়াটাকে বারবার সত্যি হতে দেখি - নতুন করে, নতুন রূপে। কিন্তু ধরে রাখতে পারি না! স্বপ্নের মধুময়তা নাকি ঘুম ভাঙার ভয়াবহতা? বুঝি না কোনটা বেশি যন্ত্রণাময়। স্বপ্ন না দেখার মন্ত্রটা আমি জানতে চাই...
এই ব্লগেই একটা লেখায় বলেছিলাম - আমি ইচ্ছেমতো স্বপ্ন দেখতে পারি। এখন ভেবে হাসি পাচ্ছে সেই ক্ষমতাটা আমি কিভাবে হারিয়েছে। হারিয়েছে বললেও অবশ্য ভুল হবে। আত্মসমপর্ণ করেছি - পরিস্থিতি আর বাস্তবতার কাছে।
সব ভুলে যাই...
কিন্তু আবার ফিরে আসে...
কি হতে পারতো...
কি হলো...
বারবার প্রশ্নগুলো মনে উঁকিঝুঁকি মারে।
আমি সপাটে চিন্তার দরজাটা টেনে দেই। কিন্তু স্মৃতির দমকা হাওয়া এসে এ ঝাপটায় খুলে দেয়... তখন নিজেকে খুব অসহায় লাগে।
সুখস্মৃতি যতো না বেশি সুখ দেয়, তার চেয়ে বহুগুণে কষ্ট দেয়, যখন সেই সুখস্মৃতির কোন উপলক্ষ্য থাকে না।
বারান্দায় গিয়েছিলাম একটু আগে। বাইরে তাজা ভোরের গন্ধ। আহ্! ঐশ্বরিক অনুভূতি। আকাশটা দেখতে পেলে আরো ভালো হতো। কিন্তু দেখা গেলো না। চার দেয়ালের চারদিকে এখন শুধু চার দেয়ালের ছড়াছড়ি। চারকোনো বাক্সে বন্দি ব্যাঙের ছানার মতো মিছে লম্ফঝম্ফ করা। বেশ ভালোই কাটছিলো....
কিন্তু...
আবার মনে পড়ে গেলো... মনে পড়লো অনেক কিছুই। মনে পড়লো দিনের ঠিক এই ক্ষণটাই জীবনের অপেক্ষাকৃত সুন্দর দিনগুলোয় আমি কিভাবে কাটিয়েছি। আই উইশ... কেউ এসে এখন আমার হাতটা ধরতো। কিছু বলার দরকার নেই.... জাস্ট হাতটা ধরতো। বুকের নিচ থেকে একটা নিঃশ্বাস টেনে ছেড়ে দিতাম। আমার সমস্ত শরীরটা কেঁপে উঠতো। এ অনুভূতি বোঝানোর জন্য শিহরণ শব্দটাও ঠিক ধারযুক্ত নয়।
চোখ দু'টো ঝাপসা হয়... মাইনাস ২ আর ২.৫ এর এ চোখ দু'টো এমনিতেও অনেক ঝাপসা.... তবুও একটা পার্থক্য আলাদা করে চোখে পড়ে...
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


