somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এটা-সেটা: (পর্ব ২ - একাকীত্ব) (ধারাবাহিক তথ্যসমৃদ্ধ বকর-বকর) B-) :D ;) :)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আপনি অনেক একা। মানেন না মানেন, আপনি আসলেই অনেক একা? :-&
কিভাবে....? :|
বলুনতো, আপনার প্রিয় মানুষটি কোনদিন আপনাকে ছুঁয়েছে? কোনদিন আপনার গাল ছুঁয়ে আদর দিয়েছে? :#>
দেয়নি! আমি বলছি কখনোই দেয়নি! ইনফ্যাক্ট কোন মানুষ আজ অব্দি আপনাকে ছোঁয়নি। আপনি বড্ড একা... :((

পোস্ট লেখককে মাইর দেয়ার আগে বা দাম্পত্য কলহ শুরুর আগে ব্যাখ্যা করছি - বিজ্ঞানের ভাষায়। 'ছোঁয়া' বা 'স্পর্শ' বলতে যদি বোঝানো হয় বস্তুর সাথে বস্তুর সরাসরি স্পর্শ অর্থাৎ, দুই বস্তুর পরমাণুর একে অপরকে স্পর্শ করা - তবে তা কখনোই সম্ভব নয়।

ব্যাখ্যা: খুব সহজ ভাষায় বলছি। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন আমাদেরকে শিখিয়েছে, পরমাণু কেমন। পরমাণুর ভেতরে থাকে প্রোটন ও নিউট্রনসহ একটি অঞ্চল - যার নাম নিউক্লিয়াস। আর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে থাকে ইলেকট্রন। নিউক্লিয়াস হচ্ছে পজেটিভ চার্জযুক্ত আর ইলেকট্রন নেগেটিভ চার্জযুক্ত।



যেহেতু একই ধরণের চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে, তাই যখন দু'টি পরমাণু খুব কাছাকাছি চলে আসে, তখন একটির ইলেকট্রন আরেকটির ইলেকট্রনগুলোকে বিকর্ষণ করতে থাকে। পরমাণু দু'টি যত কাছাকাছি আসে ততই এই বিকর্ষণ বাড়তে থাকে এবং একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের পর বিকর্ষণ এত বেড়ে যায় যে আর কাছে যেতে পারে না।

বাস্তবিক একটি উদাহরণে আসি। মনে করুন আপনি বাসার ফ্লোরে দাড়িয়ে আছেন।



আপনার পা এর পরমাণুগুলো ফ্লোরের পরমাণুগুলোর খুব খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে - কিন্তু এক অপরকে স্পর্শ করছে না। আরেকভাবে বললে, আপনি ফ্লোর থেকে অতি অতি সামান্য কিছুটা উচ্চতায় ভাসছেন (Hovering)।

আর তাই পারমাণবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আক্ষরিক অর্থে দু’টি বস্তু কখনোই এক অপরকে ছোঁয় না, বরং খুব কাছাকাছি দূরত্বে অবস্থান করতে পারে মাত্র। কিন্তু এই দূরত্বটা আসলে কত। প্রায় ১ সেন্টিমিটারের ১০ কোটি ভাগের এক ভাগ বা ০.০০০০০০০১ সেন্টিমিটার। বুঝতেই পারছেন এই দূরত্বটা এতোটাই কম যে খালি চোখে তা কোনদিনও দেখা সম্ভব না।

এমন একটি বিষয় হজম করার আগে মনে বেশ কিছু প্রশ্ন আসবে। যেমন, যদি আমরা কোন কিছু প্রকৃত অর্থে স্পর্শ নাই করতে পারি তাহলে হাত দিয়ে কিছু ধরলে টের পাই কি করে? এখানেও অবদান সেই ইলেকট্রনের চার্জের। যখন আমাদের হাতের স্নায়ুর পরমাণুর ইলেকট্রনগুলো অপর কোন বস্তুর ইলেকট্রন দ্বারা বিকর্ষিত হয় তখন সেই বিকর্ষণের অনুভূতি আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং আমাদের কাছে মনে হয় আমরা বস্তু ধরে আছি।

একইভাবে যখন আপনি আপনার টাচস্ক্রিন ফোনের স্ক্রিনে আঙ্গুল বোলান তখন আপনার হাত আদতে কাঁচ ছোঁয় না। বরং আন্তঃইলেকট্রন বিকর্ষণের কারণে ফোনের সেন্সর টের পায় আপনি স্ক্রিনে হাত দিয়েছেন।

তার মানে কি, আপনি যখন কাঁচি দিয়ে কাগজ কাটছেন তখন আপনার কাঁচি কাগজ ছুঁচ্ছে না? ঠিক তাই!



এখানেও কাজ করছে সেই ইলেকট্রনের বিকর্ষণ। কাঁচির পরমাণু কাগজের পরমাণুকে বিকর্ষণের মাধ্যমে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছে।

নির্মলেন্দু গুণ তাঁর 'যাত্রাভঙ্গ' কবিতায় লিখেছেন-

"হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে
মন বাড়িয়ে ছুঁই,
দুইকে আমি এক করি না
এক কে করি দুই...."


সত্যি বলতে কি বিজ্ঞান যা বলছে, তাতে মন বাড়িয়ে ধরার চেষ্টা করা‌ই ভালো। হাত বাড়িয়ে আর কি লাভ বলুন? ;)

যাই হোক, পোস্ট শুরু করেছিলাম এটা বলে যে আপনি বড্ড একা। এবার আরেকটা জায়গার কথা বলি যেখানে মানুষকে বেশ একাকীত্বে ভোগে। জায়গাটার নাম মহাশূন্য বা মহাকাশ।

বিভিন্ন মহাকাশ কেন্দ্রে নভোচারীদের যে ছবিগুলো আমরা দেখি তার বেশিরভাগই দেখতে এমন -


নভোচারী ও তাদের চারপাশের সবকিছু ভেসে বেড়াচ্ছে। কিন্তু কেন?

তার আগে বলুনতো পৃথিবীর চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে বেড়ানো এসব মহাকাশযানে পৃথিবীর মধ্যকর্ষণ শক্তি বা অভিকর্ষ শক্তির মান কত? গত ক’দিনে এ প্রশ্নটা আমি বেশ ক’জনকে করেছি। মজার ব্যাপার হল, সবাই একই উত্তর দিয়েছেন। সবাই বলেছেন ওখানে অভিকর্ষ বলের মান শূন্য বা জিরো (০)। তাই তো নভোচারীরা এমন ভেসে বেড়াচ্ছেন।

কথা হল, ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার দূরের চাঁদটা যদি মধ্যাকর্ষণের শিকার হয়ে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াতে বাধ্য হয়, তাহলে মাত্র ৪০০ কিলোমিটার ওপরে নভোচারীদের ওখানে অভিকর্ষের মান শূন্য হয় কি করে? :D

আসলে এটা সম্ভব নয়। কারণ উত্তরটাই ভুল। এটা সত্য যে, অভিকর্ষ বলের মান দূরত্বের সাথে কমে। তবে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ওপরে অভিকর্ষ পৃথিবীর মাটির প্রায় ৮৮ শতাংশ। অর্থাৎ একেবারে কম নয়। তাহলে নভোচারীরা ভাসেন কেন? নিচে পড়ে যান না কেন? :)

উত্তর হল, পড়ছেন তো! নভোচারী ও তাদের মহাকাশযানসহ সবকিছু অবিরাম অভিকর্ষের প্রভাবে নিচের দিকে পড়ছে! তবে মাটিতে আছড়ে পড়া ঠেকাতে নিচে পড়ার পথটাকে প্রায় গোলাকার করে ফেলা হয়েছে। এ জন্য মহাকাশযানকে কক্ষপথ বরাবর ঘণ্টায় প্রায় ২৮ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটতে হচ্ছে। যদিও মহাকাশযান অবিরাম নিচের দিকে পড়ছে ২৮ হাজার কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার পার্শ্বগতি নিশ্চিত করে পৃথিবীর সাথে মহাকাশযানের দূরত্ব সবসময় একই থাকবে। নিচের অ্যানিমেশনটা দেখলে ধারণাটা হয়তো একটু পরিষ্কার হবে -



ওপরের অ্যানিমেশনে 'a' হচ্ছে পৃথিবীর অভিকর্ষ বল এবং 'v' রকেটের গতি। দু’টোর সমন্বয়ের কারণে নভোচারী ও মহাকাশযানের ভেসে থাকা সম্ভব হয়। আর যেহেতু অবিরাম মুক্তভাবে নিচের দিকে পড়ছেন তাই নভোচারীরা কোন ওজন অনুভব করেন না। ভেসে বেড়াতে পারেন মুক্তভাবে। এই তত্ত্বটি সত্য বলেই নাসা পৃথিবীর ভেতরেই বিশেষভাবে নির্মিত বিমানকে কাত করে চালিয়ে ওজনশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে। নাসার এই প্রজেক্টটির নাম হচ্ছে NASA Reduced Gravity Research Program: লিংক।

বলছিলাম একাকীত্বের কথা, একাকীত্বের সাথে সম্পর্ক আছে এমন আরেকটি শব্দ হচ্ছে দূরত্ব। সর্বোচ্চ কতটা দূরে ‍থাকা যায়? আর কতকালই বা দূরে থাকা যায়? মানুষের জন্য উত্তরটা যাই হোক, ‘ভয়েজার’ এর জন্য উত্তরটা হয়তো – অসীম ও অনন্তকাল।
কিন্তু কে এই ভয়েজার?
উঁহুঁ! বরং প্রশ্নটা হবে কি এই ভয়েজার।



৩৫ বছর আগে ১৯৭৭ সালের ২০ আগস্ট ও ৫ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপন করা হয় 'ভয়েজার-১' ও 'ভয়েজার-২'‍ নামের দু’টি মহাকাশযান। প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল, বৃহস্পতি ও শনি গ্রহকে পরিক্রম করা। ভয়েজার-২ আবার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পাড়ি জমায় ইউরেনাস ও নেপচুনেও। সংগ্রহ করে তথ্য, ধারণ করে অভূতপূর্ব কিছু ছবি।



১৯৯৮ সালে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করা মানবনির্মিত বস্তুতে পরিণত হয় ভয়েজার -১। ফেব্রুয়ারি ২০১২-তে ভয়েজার-১ পৃথিবী থেকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলো।



ভয়েজারে লাগানো যন্ত্রপাতিতে রেকর্ড হওয়া তথ্য জানতে বা পৃথিবী থেকে ভয়েজারে কোন কমান্ড রেডিও সিগনালরূপে আলোর গতিতে যেতেও সময় লাগে প্রায় ১৬ ঘণ্টা! যখন পৃথিবীর সাথে সরাসরি সংযোগ সম্ভব হয় না, তখন ভয়েজার-১ তার ডিজিটাল টেপ রেকর্ডারে ৬১ মেগাবাইট পর্যন্ত তথ্য রাখতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এরপর কি হবে?
ভয়েজার-১ এর সর্বশেষ লক্ষ্য এই সৌরজগতের সীমা ছাড়িয়ে অসীমের পথে যাত্রা। বর্তমানে সৌরজগতের একদম শেষ সীমায় অবস্থান করছে ভয়েজার-১ যা ছাড়িয়ে যাবে আগামী কয়েক মাস থেকে বছরের মধ্যেই। এখনও ভয়েজার প্রতি মুহূর্তে ছুটে চলেছে প্রায় ৬০ হাজার কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিবেগে। এই বেগে পৃথিবীর সবেচেয়ে কাছের তারা প্রক্সিমা সেন্টরিতে পৌঁছাতেও ভয়েজারের লাগবে প্রায় ৭৪, ৪৩৮ বছর! তবে তার জন্য প্রস্তুত ভয়েজার। ভয়েজার যখন পৃথিবীতে থেকে মহাকাশে পাঠানো হয় তখন এই সর্বশেষ মিশনের কথা সবার মাথায় রাখা ছিলো। আর তাই ভয়েজারে আছে একটি সোনার ডিস্ক।



এতে রাখা আছে পৃথিবীর ১১৬টি ছবি, বিভিন্ন প্রাকৃতিক শব্দ, পৃথিবী ও জীবন নিয়ে একটি গান, মানুষ ও প্রাণিজগতের সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং পৃথিবীতে আসার নির্দেশনা। উদ্দেশ্য - যদি কোনদিন ভয়েজার অন্য কোন গ্যালাক্সির, অন্য কোন সৌরজগতের এমন কোন গ্রহে পৌঁছায় যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে, তাদেরকে পৃথিবীর ব্যাপারে জানানো। তাদেরকে জানানো, মহাবিশ্বে তারা একা নয়। কিন্তু একাকীত্ব ঘোচানোর এই মিশনে ভয়েজার-১ বড়ই একা। ২০২৫ সালে ভয়েজার-১ এর ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়ার পর এর গতিপথে পৃথিবীর আর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ছুটে চলবে সে আপন মনে।

জেমসের একটা গান আছে -

"আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেব
তুমি আমার...
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেব
আমি তোমার..."


তারায় তারায় নাম রটানোর কাজটা যদি সত্যিই এতটা সহজ হত, ভয়েজার-১ বেচারাকে আর একা কাটাতে হত না!

এ তো গেল ভয়েজার-১ এর একাকীত্বের গল্প। কিন্তু ভয়েজারতো জড় পদার্থ। কথা বলা যাক মানুষের একাকীত্ব নিয়ে। আজ অব্দি সবচেয়ে একাকী অবস্থায় সময় কাটানো মানুষটি কে? এই উত্তরটাও মহাকাশে। ক'দিন আগে মারা গেলেন চাঁদের মাটিতে পা রাখা প্রথম মানুষ নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদে পা রাখা দ্বিতীয় মানুষটি ছিলেন বাজ অলড্রিন। কিন্তু এত কিছুর মধ্যে অ্যাপোলো-১১ মিশনের তৃতীয় মানুষটির কথা অনেকেই ভুলে গেছেন। তাঁর নাম, মাইকেল কলিন্স।



১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই যখন নিল আর্মস্ট্রং আর বাজ অলড্রিন চাঁদের মাটিতে হাঁটাহাঁটি করছেন, তখন মাইকেল কলিন্স অ্যাপোলো-১১ এর মূল মহাকাশযান কলম্বিয়া নিয়ে চাঁদের চারপাশে ঘুরছিলেন খাচ্ছিলেন। প্রতিবার প্রদিক্ষণের সময়, চাঁদের উল্টো দিকে (যে দিকটা পৃথিবীর বিপরীত দিকে মুখ করে থাকে) প্রায় ৪৮ মিনিটের জন্য তাঁর সাথে পৃথিবী ও চাঁদের মাটিতে থাকা দুই নভোচারীর সব ধরণের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।



ব্যাপারটা একবার চিন্তা করুনতো, প্রায় ৪ লাখ কিলোমিটার দূরে পৃথিবী, সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোও চাঁদের অন্যপাশে, ন্যূনতম যোগাযোগ নেই মহাবিশ্বের কারো সাথে। এর চাইতে বেশি একা আর কারও পক্ষে থাকা সম্ভব কি?

- সমাপ্ত

* পোস্টটা যতটা সম্ভব সহজ ভাষায় ও অবিজ্ঞানমনষ্কদের কথা মাথায় রেখে লেখা। তারপরেও কারও মাথার ওপর দিয়ে গেলে লেখক দায়ি নন। বেশিরভাগইতো মহাকাশ নিয়ে কথাবার্তা, মাথার ওপর দিয়েই তো যাওয়ার কথা! :)

সূত্র: ইউটিউব, উইকিপিডিয়া, গুগল সার্চ‌ ও ব্যক্তিগত জ্ঞান।

আগের পর্ব: পর্ব ১: প্রথম

সিরিজের অন্যান্য পোস্ট:
পর্ব ১: প্রথম
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২৭
৩৯টি মন্তব্য ৩৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সুপ্রিয় কবি নীলপরির "মহিয়সী" কবিতার অনুভবে

লিখেছেন ভ্রমরের ডানা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪৭




ভ্রমরের ডানা

আর তাকেও বলা যায় নক্ষত্র বলাকা পাখা~
হিম হিম বাতাস যার ভালবাসা মধু মাখা..
যে ছুঁয়ে গেছে রহস্যাবৃত উষ্ণসাগর ঘেঁষে
মিহিদানা মিহি প্রেম বালুকা বেলার দেশে...
উত্তর থেকে দক্ষিণ বলয় কোলে..
প্রকাণ্ড সুনামি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একরাত থাকা যাক সুইডেনের আরলান্ডা বিমানবন্দরে, হোটেল যখন বিশালাকার বোয়িং ৭৪৭-২০০ জাম্বো জেট

লিখেছেন মাহবুবুল আজাদ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:২৬




সুইডেনের আরলান্ডা বিমানবন্দর, অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা হতে পারে যে কারো জন্য। এখানে একরাত কাটাতে পারেন ইচ্ছে করলে বিশালাকার বোয়িং ৭৪৭-২০০ বিমানের মধ্যে, আকাশে উড়তে হবেনা্‌ মাটিতেই থাকবে। এটা বিমানবন্দরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অস্তিত্ব

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৯

সন্ধ্যার বেশ কিছু সময় পরের কথা, সারা দিনের খাটাখাটনির পরে বাসে করে বাসায় ফিরছি। সকাল ৭ টায় বের হয়ে বাসায় ফিরছি প্রায় রাত ১০ টার কিছু পরে।

মাঝখানে তিনবার হালকা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি ক্ষুদ্র সাফল্যঃ

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:১৪

আমাদের মধ্যে হয়তো এমন অনেকেই আছেন, যারা মাঝে মধ্যে একটু আধটু কিংবা নিয়মিতভাবেই ইংরেজীতেও লেখালেখি করে থাকেন। ইংরেজীতে মাঝে মধ্যে দু’চারটে কবিতাও লিখেছেন, স্রেফ মনের ইচ্ছের কারণেই, এমনও হয়তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রকৃতার্থ...

লিখেছেন কথাকথিকেথিকথন, ২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৭


আমি কী হারিয়ে যাচ্ছি ? দিনের পর দিন বাড়ছে দেহ ভস্মের ঘ্রাণ। বৃষ্টির জলে আঁকাবাঁকা পথে ভেসে যায় সদ্য ঝরে পড়া ফুল। আমি তার পথ ধরে মিশে যাই জলস্রোতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×