আমার প্রিয় পোস্ট

a little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God - Francis Bacon

সালাউদ্দিনকে - ২ (শেষ)

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪০

শেয়ার করুন:                   Facebook

৫.
একাউন্টিংয়েই তার জায়গা হল। লেখাপড়া করেনা কিছু। ঢাবি'তে অবশ্য লেখাপড়া করতেও হয়না। পরীক্ষার আগের দিন লেকচার কালেক্ট করে পড়ে নিলে পরের দিন পরীক্ষায় ভাল করা যায়। সব হুবহু লেকচার থেকে আসে। শিক্ষকরা সৃজনশীল প্রশ্ন করতে জানেননা। আমি ততদিনে মেক্সিমাম রেজাল্ট উইথ মিনিমাম এফর্টের সিস্টেম জেনে গেছি। সে আমার এসব টেকনিক অক্ষরে অক্ষরে পালন করা শুরু করল। কিন্তু তার ব্যাকগ্রাউন্ড সায়েন্সের। তাই তার জন্য ব্যাপারটা খুব টাফ এবং রেজাল্ট খারাপ হওয়া শুরু করল। যে সাবজেক্টে কনসেপ্চুয়াল, ব্রেনস্টর্মিং ধরণের প্রশ্ন আসত সেগুলোতে কোন কিছু না পড়েই সে ভাল করত। প্রত্যেক পরীক্ষার আগের দিন আমার কাছে নানার বাসায় আসত। দুজনেই বের হতাম আশে পাশে ঘুরাফিরা করার জন্য। ঘুরতে ঘুরতে আমি তাকে সাবজেক্টটা সম্পর্কে ধারণা দিতাম। শিক্ষক কিরকম প্রশ্ন করেন সেটা বলতাম। কিরকম উত্তর চান সেটাও বলতাম। সালাউদ্দিনকে আমি আমার জ্ঞানভান্ডার খুলে দিতাম। যদিও ভান্ডারে কিছু তেমন থাকতনা। সেটা নিয়েই সে পরীক্ষা দিত। রেজাল্ট মধ্যম মানের হত। অথচ ঢাবি'র ইতিহাসে সে সবচাইতে ভাল ছাত্র এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
আমি লেকচার সংগ্রহ করতাম আমার বন্ধু মারুফের কাছ থেকে। সে প্রত্যেকটা ক্লাস করত আর নোট নিত। ফটোকপি করলেই হল। ফটোকপিগুলো আমি সংরক্ষণ করে রাখতাম। কোন টেক্সটবইটই যদি কিনতাম সেটাও রাখতাম। পরে সালাউদ্দিন সেগুলা নিয়ে যেত। সে টিউশানি করত। আমিও করতাম। কিন্তু তার টিউশানি কয়দিন পরপরই চলে যেত। একদিন যাই তো সাতদিন যায়না। যেদিন যায় সেদিন ৫/৬ ঘন্টা পড়াত। তাতে টিউশানি থাকবে? টিউশানি'তে ছাত্রের মা-বাবাকে বেশি পড়াতে হয় ছাত্রের চেয়েও। সে এগুলা করতনা। তাই কয়দিন পরপর তার টাকার দরকার হত। আমার কাছে আসলেই বুঝতাম টাকা লাগবে। টাকা পরের সপ্তাহে ফেরত দেওয়ার কথা। কিন্তু তার আরও একমাস দেখা নেই। হঠাৎ আবার একদিন হাজির। ধার করেছে অনেকের কাছ থেকে, আমাকে উদ্ধার করতে হবে। অনেক গালিগালাজ করে উদ্ধার করতে হত। নানার চোখে সে এখন বিষ। তাকে দেখলেই নানা অপছন্দ করে। তাই বাসায় এসে তাড়াতাড়ি পালাতে হত তাকে।


৬.
নানা-নানী যুক্তরাষ্ট্রে আসল ছোট মামা-মামীর কাছে। আমি ঘরের দায়িত্বে। বাসায় আমি, আমার মতই গ্রাম থেকে আসা কয়েকজন আশ্রিত ছাত্র, কাজের বুয়া ছাড়া কেউ নেই। সালাউদ্দিনকে বললাম এখানে এসে থাকার জন্য। সে আসল। দিনগুলো এত ভাল কাটতেছিল! সারা রাতই আমরা গল্পগুজব করতাম। সে ছিল নাস্তিক। জেনেশুনেই নাস্তিক। ব্লগের মিসকল মফিজের মত মফিজিয় স্টাইলে "আল্লাহকে দেখা যায়না, তাই আল্লাহ নাই" এসব প্রশ্ন করতনা। আমি ঘোর আস্তিক। অবশ্য এইসএসসিতে আমি কমিউনিজম সাপোর্ট করতাম এবং কিছুটা নাস্তিকটাইপ ছিলাম। পরে তাবলীগে গিয়ে পুরা ৩৬০ ডিগ্রী টার্ন নিছি। তার সাথে এসব বিষয়ে সুন্দর আলোচনা হত। আমাদের পছন্দ-অপছন্দগুলা সব একই ছিল। রাত বারটার দিকে আমরা রাস্তায় ঘুরতে বের হতাম। একটা বিখ্যাত চায়ের দোকান ছিল সেখানে যেতাম। চা খাওয়ার সময় সে যেখানে চা গরম হচ্ছে সেই চুলার পাশেই বসত। প্রচন্ড গরম সেখানে। চায়ের সাথে সিগারেট খেত। আমি একদুই টান দিতাম। সে এই প্রচন্ড গরমের মধ্যে চা, সিগারেট তারপর চুলার পাশে বসে বলত সে নাকি নিজেকে মেন্টাল ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে। মনে মনে সে ভাবতেছে সে ফ্রিজের ভিতর আছে। এরকম আরো কত পাগলামি। কয়েকদিন পর আবিস্কার করলাম সে গান্জা ধরেছে। ছাদে বসে গান্জা খাচ্ছে। আমাকেও বাধ্য করল খেতে। আমিও গান্জা খাওয়া শিখে গেলাম। ঢাবি'তে এবং আমাদের বাসায় প্রায়ই গান্জার আসর বসাতাম। একদিন বাসায় ঘুমানোর সময় আমাদের খাটটার ত্ক্তা ভেংগে গেল। সে দুনিয়ার সব কাজ জানে। হাতুড়ি এনে দুই মিনিটে ঠিক করে দিল।
৭.
আমি সেভেন্থ সেমিস্টারে তখন। সে আমাকে ফোন করেছে কয়েকদিন আগে যে আজকে সন্ধ্যায় বাসায় আসবে সে। বই, ফটোকপি সব রেডি রাখতে বলেছে, সে পরের সেমিস্টার শুরু করতে যাচ্ছে, এগুলো লাগবে। আমি খুব খুশি। সারারাত আড্ডা দেওয়ার সব ব্যবস্থা করে রেখেছি। আমি কাজকর্ম সেরে কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে রাতে ফিরলাম। মনে করেছি সে এসে বসে আছে। আমার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড তার জানা। আমি না থাকলে সে নেটে ঘাটাঘাটি করে। প্রায়ই পর্ণ সাইট থেকে কোন অশ্লীল ছবি ডাউনলোড করে আমার ডেস্কটপে ওয়ালপেপার বানিয়ে রাখে। কিন্তু সে এখনও আসেনি। ফোন করলাম। রিং পড়তেছেনা। আরো পরে নানা খবর দিল সে নাকি সেন্ট মার্টিনে চলে গেছে সকালেই। সমুদ্র তীরে ফুটবল খেলতেছিল হ্যান্ডবল স্টাইলে। সে নাকি পানিতে ডুবে গেছে, কোন খবর নেই। আমি বিশ্বাস করলাম না। সে খুব ভাল সাতার জানে। নদী সাতড়িয়ে পার হতে পারে। সারারাত ঘুমোতে পারিনি। কিছক্ষণ পরপর উঠে নামাজ পড়ি। আল্লাহ্‌র কাছে কাঁদি। মোনাজাত করি। আমার নিজের জীবন দিয়ে হলেও সে যেন বেঁচে থাকে আল্লাহ্‌কে সেটাই মোনাজাতে বলি। পরের দিন সকালেও পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় পাওয়া গেছে তার ডেডবডি। তার আরেক বন্ধু সাঁতার জানতনা। সে ফুটবলটা একটু দূরে যাওয়াতে বলটা আনতে যায়। সে মনে করেছিল সেখানে অল্প পানি। কিন্তু গিয়ে দেখে সেখানে অনেক পানি। ডুবে যাচ্ছিল। সালাউদ্দিন গিয়েছিল তাকে বাঁচাতে। কিন্তু সালাউদ্দিন তাকে বাঁচাতে পারেনি, নিজেকেও না। ডুবন্ত ছেলেটা সালাউদ্দিনকে খুব আঁকরে ধরেছিল। তীরে কিছু টায়ার ছিল। সালাউদ্দিন উপরে যারা ছিল তাদেরকে ইশারাই বলেছিল যে টায়ারগুলা পানিতে নিক্ষেপ করতে। একে একে তিন-চারটা টায়ার তারা নিক্ষেপ করল, সবগুলোই তার থেকে অনেক দূরে পড়েছিল।
৮.
তার মায়ের সামনে যাওয়ার সাহস আমার ছিলনা। তাছাড়া তার মৃতদেহ দেখাও আমার পক্ষে সম্ভব না। তাই তার জানাজা পড়তে যাইনি। যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে তার মাকে দেখতে গেছিলাম। আন্টিকে দেখতে মনে হল আগের মতই শক্ত আছে. তার বাকি দুটা ছেলেকে নিয়ে আছেন। বিদায় নেওয়ার সময় আমাকে জড়িয়ে ধরে কেন্দে দিলেন। সেকি কান্না, ফুঁফিয়ে কান্না। আমিও নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি। আইরন লেডী'র ভিতরের মমতাময়ী মাকে দেখলাম। বুঝলাম তিনি প্রচন্ডভাবে ভেংগে পড়েছেন। কিন্তু কাউকে বুঝতে দিচ্ছেননা। স্বামীহারা, সন্তানহারা এই মহিলাকে সান্তনা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।

সালাউদ্দিনের মৃত্যুর পর আমি আর কোনদিন গাঁজা খাইনি। তার কথা মনে পড়ে যায়। কিছু কিছু অসাধারণ মানুষ এই স্বার্থপর, বিশ্রী পৃথিবীতে বেঁচে থাকার যোগ্য না।

 

 

  • ৫২ টি মন্তব্য
  • ৫১১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪১
comment by: নরাধম বলেছেন: এত বড় লেখা কেউ পড়বেনা, তাই এডিট করে দুই পর্বে দিলাম।
২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
comment by: আউলা বলেছেন: আমি বড়টাই পড়ছি
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আউলা।

৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
comment by: সাইফুর বলেছেন: তুমি নরোত্তম.....নরাধম না...

কতটা ভালো লেগেছে বলার মত না

+
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: সাইফু, প্রশংসা শুনলে আমার খুব ভাল লাগে!

৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫২
comment by: লিপ্‌না বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে!
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
comment by: নরাধম বলেছেন: আমি বুঝতে পারতেছিনা এরকম একটা কষ্টের কাহিনী সবার ভাল লাগতেছে কেন? মন খারাপ হয়ে খুব কষ্ট লাগার কথা নয় কি?
৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
comment by: সাইফুর বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা কিন্তু ভালো লাগে..বুঝলা নি
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: হুমম.......বুঝতে চেষ্টা করতেছি........।

৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৫
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: কি আর করা নারু । তুমি এইখানে থাকলে এখন বলতাম চলো রাস্তায় বেরিয়ে যাই । খুঁজে দেখি এই অর্থহীন জীবনের কিছু প্রপোঞ্চ অনুবাদ । ভিখারীর মত হাত পেতে বসে থাকি , যদি পাওয়া যায় কোন অলৌকিক শান্তি মরীচীকা ।

এতটা একলা লাগেনি তোমাকে ভাবার আগে ।
এতটা লাগেনি অসহায় ।
বিধাতাকে কাঠগড়ায় বসিয়ে প্রশ্ন করতে চাই ,
কতটা আনন্দ ধ্বংসে যখন তার কর্তৃত্ব সৃষ্টিতে!
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: রাগাপু, অসম্ভব সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২২
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: কিছু স্বপ্ন ভংগের কথা। তারপরো ভালো লাগলো। ভগ্ন স্বপ্নই সবচেয়ে বাস্তব.............................
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৫
comment by: নির্বাসিত বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য লগইন করলাম।
কি সুন্দর লিখেছেন আপনি! মন খারাপ হলেও এক অদ্ভুত মমতায় প্রাণ ভরে যায়। আমাদের একজীবনে কত টানাপোড়েন, কত হাসিকান্না, কত যন্ত্রনা। সেগুলোকে এমন মায়া দিয়ে ক'জন লিখতে পারে বলুন?
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: নির্বাসিতদা, আপনি আমাকে লজ্জায় ফেলে দিলেন। আসলে সালাউদ্দিনের কথা মনে উঠলেই মন খারাপ হয়ে যায়। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৬
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: মন খরাপ হয়ে গেলো।
কি বলব:
আজব দুনিয়া,কেউ সুখি না।
তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।


একটা মজার কথা বলি
আমার এক বান্ধবি DU তে পরে।
সে খুব বেশি কখনই পরে নি।
কিন্তু রেজাল্ট এর পর দেখে সে ফাস্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: DU তে ভাল রেজাল্ট করার জন্য পড়ালেখা করতে হয়না। কিছু টেকনিক জানলেই হল।


রাজকন্যারে অনেক ধন্যবাদ পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য।

১১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: নরু! দিলাতো মনটা খারাপ কইরা (তুমি কইরা বললাম!) !
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬

লেখক বলেছেন: আরাশি, কি করব বল, নরাধম তো!

১২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
comment by: মিরাজ বলেছেন: ধুরো!! নরাধম খালি মন খারাপ করা লেখা লেখে । টুকুনের জন্য পড়ে মন খারাপ হলো এবার সালাউদ্দিন সিরিজ পড়েও ।

নরাধম, এরপরের লেখাটা যেন মন ভালো করা হয়!!
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৬

লেখক বলেছেন: মিরাজভাই, অনেক ধন্যবাদ। মন খারাপ করে দিলাম, কি করব বলুন, সকাল থেকেই সালাউদ্দিনের কথা মনে করে মন খারাপ।

নেক্সট লেখা মন ভাল করা হবে!

১৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩০
comment by: রাশেদ বলেছেন: সমবেদনা রইলো।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: রাশুদা, অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: মন-মেজাজ খারাপ আসিলো,আরো বেশি খারাপ করলেন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: ফারহান দাউদ, দুঃখিত। আমার মন খারাপ একটু শেয়ার করতে হল।

১৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০০
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এটা কি লিখলা নারূদা !
স্তব্ধ হয়ে রইলাম ।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: আগের পর্বেই তোমার কমেন্টের উত্তরে লিখেছি। "নিজ দায়িত্বে পড়।"

আজকে সকাল থেকেই মন খারাপ। সারাদিন ব্লগে বসে আছি। সালাউদ্দিনের ছবি দেখি আর বিভিন্ন স্মৃতি মনে করি।

১৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১১
comment by: রাশেদ বলেছেন: আজকে কি তার মৃত্যু বার্ষিকী?
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: না রাশুদা, আমি জিমেলে সার্চ করতেছিলাম। তার ছবিটা পেয়ে হঠাৎ মন খুব খারাপ হয়ে গেল। তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম দুঃখ।

১৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
comment by: আর.এ. বলেছেন:

........সেন্ট মার্টিন থেকে একটা কল আসল - সাল্লু (সালাউদ্দিন) আর রানা একটু আগে পানিতে নেমেছিল.... এখন আর নাই....প্রথমে বিশ্বাস হয়নি, ভেবেছি একটু পরই উঠে আসবে....ফোনের পর ফোন দিচ্ছিলাম যে ওরা আসলো কিনা, ওদের পাওয়া গেল কিনা....... সেদিন আপনার মত আমিও নামাযে বসেছিলাম কিন্তু আল্লাহ আমাদের কারো কথাই শুনেন নাই........

"সাল্লু...রানা তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো ...আল্লাহ তোমাদের ভালো রাখুক"

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: "সাল্লু...রানা তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো ...আল্লাহ তোমাদের ভালো রাখুক"

১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২৭
comment by: নিবেদীতা বলেছেন: "সাল্লু...রানা তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো ...আল্লাহ তোমাদের ভালো রাখুক"
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নিবেদিতা।

১৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২২
comment by: বিহংগ বলেছেন: ে মনে করেছিল সেখানে অল্প পানি। কিন্তু গিয়ে দেখে সেখানে অনেক পানি। ডুবে যাচ্ছিল। সালাউদ্দিন গিয়েছিল তাকে বাঁচাতে। কিন্তু সালাউদ্দিন তাকে বাঁচাতে পারেনি, নিজেকেও না,
সোনার হরফে লিখা নাম-এর আমাদের বড় মিয়ার কথা মনে পড়ে গেলো।
আমরা কেন এ মহান মানুষগুলোর মতো নিঃস্বার্থ হতে পারিনা।
খুব কষ্ট লাগলো।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: বিহংগভাই, পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: খুব ভালো লেগেছ।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: পড়েননি মনে হয়। পড়লেতো মন খারাপ লাগার কথা, ভাল না। কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: খবর কি নরু ?

জাফর স্যারের ফটুক কি মনে কইরা ?
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: জাফর স্যারকে খুব পছন্দ করি। এই মানুষটার চেহারা দেখলেই মন ভাল হয়ে যায়।

খবর ভাল। তবে ব্লগে তেমন ভাল লাগেনা ইদানিং।

তোমার কি খবর?

২২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০০
comment by: েজবীন বলেছেন: ছবিটা দেখলাম ....
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: জেবীন, সালাউদ্দিন কিউট না? :):):)
ছেলেটা প্রেম না করেই মারা গেল!!

২৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪০
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: আহারে পোলাডা
২৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: এস্কিমো বলেছেন: কষ্ট পেলাম।

লেখার একটা লাইন নিয়ে কমেন্টঃ

"অবশ্য এইসএসসিতে আমি কমিউনিজম সাপোর্ট করতাম এবং কিছুটা নাস্তিকটাইপ ছিলাম। পরে তাবলীগে গিয়ে পুরা ৩৬০ ডিগ্রী টার্ন নিছি।"

এই বিষয়টি আপনার সাথে মিলে গেছে। তবে টার্নটা বোধ হয় ১৮০ ডিগ্রী হবে। ৩৬০ হলে আগের যায়গায় চলে যেতে হয়।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, অনেক ধন্যবাদ। হ্যাঁ আমি জানি ১৮০ ডিগ্রি, এটা বন্ধুদের সাথে ফাইজলামি করে বলতে বলতে এখানেও লেখা হয়ে গেল। অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন:
তুমিতো অসাধারণ লেখো।
চমৎকার সাবলীল ঝরঝরে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: অচু, অনেক ধন্যবাদ।

২৬. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:০২
comment by: রাশেদ বলেছেন: এইরকম পোস্ট দাও নারু। ধর্ম নিয়া ক্যাচাল বাদ দাও। কত কিছু ঘটবে, সব কিছুতে জড়াইয়া লাভ কিরে ভাই!
২৭. ২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: রাশুদা, ঠিকাছে।
২৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:১৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: কি হইলো তোমার!
২৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২১
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমম........।প্রতিটি মৃত্যর সাথেই জড়িয়ে থাকে এক একটি সকরুণ ইতিহাস।
৩০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২১
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: খুব খারাপ লাগল, আসলে 'এসেট' গুলোই হারিয়ে যায়...সালাউদ্দিনের সম্মানে কিছুটা নাস্তিকতার সূরেই বলি, প্রকৃতি তার সৃষ্টিসমুহকে পুরোপুরি ভারসাম্য দিয়ে দেয়নি, কোথাও না কোথাও যেন একটা না একটা মিসিং লিঙ্ক থাকেই! এরকম মেধাবীরাই হয় সাধারণত ছন্নছাড়া, আগোছালো, উদাসীন...আবার গোবর গণেশরা হয় নিজের প্রতি সচেতন...

 



 


The woods are lovely, dark and deep,
But I have promises to keep,
And miles to go before I sleep,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩৭৪৪৫