আমার প্রিয় পোস্ট
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- বিক্ষিপ্ত ভাবনা - আউলা
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- দুশ্ঠ মডারেঠরের অথ্যাছারে কাগুর যেসপ লিকা তার নিজের পুশ্ঠ আর্কাইবেই জমা পরে নাই - আলিফ দেওয়ান
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- জৈন কারা? - ইমন জুবায়ের
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ৩৫ বছর পরও তোমার মাংস খাওয়া কুকুরেরা রয়ে গেছে, মা জননী! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- মধ্যবিত্তের পরিচয়চিহ্ন ০৬ (শেষ পর্ব) - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার বস যদি কোন ব্লগের মডারেটর হইতেন! - এস্কিমো
- হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) - সিহাব চৌধুরী
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- জামাতের নেতা সাইদি কোরআন ব্যাখ্যার নামে সমাবেশে মুলত বিদ্বেষ ছড়ায়। - এস্কিমো
- সে প্রথম প্রেম আমার ... - মানুষ
- নেকাব সরান কর্তৃপক্ষ : আসলে আপনারা কি চান? (অমি রহমান পিয়াল) - রাশেদ
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- বাংলা যখন হিন্দি হলো ... হায় রবীন্দ্রনাথ!! - রাগিব
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আপনার বউ এবং গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে ঝগড়ায় হারাবেন- দশটি উপায় - সালিশদার
- বঙ্গবন্ধুর ক্ষমা, জামাতের রাজনীতির অধিকার এবং অন্যান্য প্রসংগ - - এস্কিমো
- সিমলা চুক্তির কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি বা বিচার না করার কোনো কথা নেই - শওকত হোসেন মাসুম
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ :শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- হায়দার মওদুদী - আব্দুল মওদুদীর পোলা বলেন - সালিশদার
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- অ্যাগ্রো-ফুয়েল ও বিশ্ব ক্ষুধা - দিনমজুর
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- পাঞ্জেরি (উচ্চ মাধ্যমিকের কবিতার প্যারোডি) - বহুরূপী মহাজন
- জামাতী চিন্তাধারার দেউলিয়াত্ব: - আড্ডাবাজ
- কবিতা - পরাজয় আমার জন্য নয় - আদনান ফায়সাল
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- ফিরে দেখা ১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তান যেখানে আকাশও কাঁদে : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১১ - মিরাজ
- শুধু খুলনাতেই শহীদ হইছিল এক লক্ষ বাঙালী - নীতিশ বৈরাগী
- গবেষনা পত্র রেফারেনস ম্যানেজার - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- তাজউদ্দিন আহমেদ - নিঃসঙ্গ সারথি ( যারা দেখতে চান: উতসর্গ - "জেনারেল") - এস্কিমো
- ভিনদেশী মানুষ, আমাদের বীরপ্রতিক : : তবু নাগরিক নয় !!! - হাসান মোরশেদ
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- রাজাকাররে জবানবন্দি (চলবে) - মিসকিন
- টয়লেটবধ অকাব্য - হিমু
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- বাংলা বই ফ্রি ডাউনলোড করুন - রেজা রহমান
- মওদুদী মাদারীর গল্প - সুমন চৌধুরী
- ছড়া দিলাম ছড়িয়ে - কামভাই
- কবিতা ।। বড়লোকদের সঙ্গে আমি মিশতে চাই (2002) - ব্রাত্য রাইসু
a little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God - Francis Bacon

মা, তোমাকে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১৪
উৎসর্গঃ প্রবাসী সবাইকে, যারা প্রতি মুহুর্ত্যে দেশে থাকা প্রিয়জনদেরকে, বিশেষ করে মা'কে, মিস করে। মন খারাপ হয়ে গেলে দুঃখিত।
মা, মনে আছে আমি বলতাম সারা বিশ্বে বিপ্লব ঘটাব? সমস্ত মেহনতী মানুষের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করব? মা, আমি এখন আর বিপ্লবের স্বপ্ন দেখিনা। তোমার সাথে বসে তোমার হাতে রান্না করা গরম ভাত খাওয়াই আমার স্বপ্ন এখন। পিজার গন্ধ আর পাউরুটির স্বাদ নিতে নিতে এগুলো দেখলেই বমি আসে। রাইস কুকারে রান্না ভাতে কোনমতেই তোমার রান্না ভাতের গন্ধ আসেনা। শীতল পাটিতে বসে ভাত খাব, মা। পাশে ভাইয়া থাকবে। আমি হাসির কথা বললে সে সবসময়ের মত অট্টহাসি দিয়ে চরম মমতায় আমার মাথায় একটা চাটি মারবে। ছোটবোন কিছুক্ষন পর জিজ্ঞেস করবে কৌতুকটা কি। সবাই আবার হাসব। গরম ভাতের গন্ধ থাকবে নাকে। ছোটভাই ক্রিকেট খেলায় ব্যাটিং করে ফিল্ডিং না করেই পালিয়ে আসলে তাকে ক্ষেপাব। ছোটবোন যে আমাদের ছোটবোন না, তাকে কুড়িয়ে পেয়েছি সেটা বললেই সে কাঁদবে। মা, ছোটবোনটা কি এখনও সেরকম বোকাসোকা আছে? আমি আসার সময় সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সে কি কান্না। মা, ছোটবোনের জন্য তো কোনদিন কিছু করিনি, বরং খালি ক্ষেপাতাম। কিন্তু কেন সে অমন করে কাঁদল? আমি সারাটা পথ ধরে ওর কান্নার কথা মনে করেছি। এখনও ১৪/১৫ বছরের কোন কিশোরী মেয়ে দেখলে আমি আবার তাকায়, খুঁজে ফিরি ছোটবোনের কোন চিহ্ন তার মধ্যে আছে কিনা। ছোটবোন চট্টগ্রাম গেলে প্রতিবারই আমাকে পরবর্তীবার আসার সময় চুড়ি, কানের দুল এসব আনতে বলত। আমি কোনদিন মনে করে নিয়ে যায়নি। মা, বিশ্বাস কর, এবার আমি গেলে সারা মার্কেটের সব চুড়ি, কানের দুল তার জন্য নিয়ে যাব।
তুমি দেখ মা, আমি ছোটভাইয়ের জন্য তার পছন্দের সব জুতা কিনে দিব। তার জন্য আইসক্রিম ফ্যাক্টরির সব আইসক্রিম নিয়ে যাব। ভাইয়ার সাথে দেখা হয়না তিন বছর। তাকে ছোটকালে সারাজীবনটাই খালি জ্বালিয়েছি। আমার হয়ে কত মার খেয়েছে সে। তার কপালে এখনও আমার মারা ইটের আঘাতের দাগ আছে। এবার গেলে ভাইয়াকে বলব যে আমার সব সফলতার ৯৯ ভাগ তার জন্য, তার মাধ্যমেই। আসার সময় যতক্ষণ তোমাদের সামনে ছিলাম ততক্ষণ একটুও কাঁদিনি। খুব স্বাভাবিক ছিলাম। যখন ঢাকা আসার গাড়িতে উঠলাম তখন আমি অনেক কেঁদেছি, মা। ফুঁফিয়ে ফুঁফিয়ে কেঁদেছি। বাসের সবাই আমার দিকে তাকাচ্ছিল। তাকাক, আমি আজ কাঁদব। আমি জানি মা, সে যে তোমাকে ছেড়ে এসেছি আর কোনদিন তোমার কাছে চিরদিনের মত ফিরে যেতে পারবনা। আধুনিক জীবন যে আমাদেরকে যাযাবর বানিয়েছে। সফলতার পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে আমরা যে সব হারাচ্ছি মা, আমি সব জানতাম, তাই আমি মন উজাড় করে কেঁদেছি।
মা, হারভারড/স্ট্যানফরড/হোয়ারটন/শিকাগো তে পিএইচডি করে আইভি লীগে শিক্ষকতা করার স্বপ্নের কথা বলেছিলাম মনে আছে? মা, আমার কাছে সে স্বপ্নের এখন কানাকড়িও মুল্য্ নেই। বিখ্যাত হওয়ার কোন প্রয়োজন আমার কাছে এখন নেই, মা। শুধু তোমার পাশে বসে গল্প করতে চাই। ঢাকায় থাকার সময় চট্টগ্রামে বাড়িতে গেলে সারাদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডা মেরে রাত বারটায় আসতাম। তুমি রাগ করতে খুব তোমাদের সাথে গল্প না করেই আবার ঢাকায় চলে আসতাম বলে। মা, এবার তুমি দেখ, দেশে গেলে শুধু সারাদিন তোমার পাশে বসে থাকব। একটুও নড়বনা। সময়মত নামাজ পড়তামনা বলে তুমি অনেক সময়ই রাগ করতে। এখন আমি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মত পড়ি, মা। সকালে উঠেই কোরান পড়ি। আল্লাহকে সন্তুষ্ঠ করার জন্য না, তুমি বলতে বলে। বাবা সবসময় রাগী ছিলেন। তুমি বলতে আসলে তিনি খুব ভাল মানুষ। আমাদের গোসলের পর লুংগী ধুয়ে দিতেন। শোয়ার সময় মশারী টাংগিয়ে দিতেন। রাতে উঠে কিছুক্ষণ পরপর দেখতেন মশায় কামড়াচ্ছে কিনা। কোনদিন এগুলো নিয়ে চিন্তা করিনি, মা। এবার দেখ, দেশে গেলে আমিই বাবার লুংগী ধুয়ে দিব। রাতে আমি বাবার মশারী টাংগিয়ে দিব। ঘড়িতে এলার্ম দিয়ে প্রতি ঘন্টা পরপর ঘুম থেকে উঠে বাবাকে মশাই কামড়াচ্ছে কিনা দেখব। সকাল বেলা বাবাকে জোর করে হাঁটতে নিয়ে যাব। কথা দিচ্ছি মা, তুমি যেরকম চাইতে সেরকম হয়ে যাব।
মা, তোমার কি মনে আছে ঢাবি'তে পড়ার সময় আমার একবার খুব অসুখ করেছিল? কিছুই খেতে পারতামনা। হাঁটার শক্তিও নেই। তবুও নানীর কথা না শুনেই জোর করে চট্টগ্রাম চলে গিয়েছিলাম। ভাইয়ার বুয়েটে তখন ওর পরীক্ষা চলতেছিল। পরীক্ষা না দিয়েই সে আমাকে চট্টগ্রাম নিয়ে গিয়েছিল। ঘরে পৌঁছেই তোমাকে দেখামাত্রই আমার একশ তিন ডিগ্রী জ্বর এক মুহুর্ত্যেই কমে গিয়েছিল। সবাই সে কি হাসাহাসি আমাকে নিয়ে। ওরা ত জানেনা মা, তোমাকে দেখলে আমার জ্বর না, ক্যান্সারও ভাল হয়ে যাবে। অসুখের সময় আমি গরুর মাংশ খেতে পারছিলামনা মুখে স্বাদ নেই বলে। তুমিও কোরবানীর ইদের মাংশ খাওনি যতদিন আমি খাইনি। মা, তুমি এরকম কেন? তুমি কি জানতেনা এসব স্মৃতি তোমার ছেলেকে পরে কোন একসময় চরম কষ্ট দিবে?
মা, আর কোনদিন কি ভাইয়া, বাবা, আমি, ছোটভাই, ছোটবোন, তুমি সবাই একসাথে বসে গরম ভাত খেতে পারব? সবাই যে নিজ কাজে ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। সবাইকে একসাথে করা যাবে কি আর? আর কোন ইদ কি সবাই একসাথে করতে পারব? অথবা কোন কোরবানীর গরু একসাথে কাটাতে পারব? খাওয়ার পর অনেকক্ষণ ধরে গল্প কি হবে আর কোনদিন? কিংবা সবাই একসাথে হাসতে পারব? অথবা সবাই একসাথে কান্না? মা, তোমার অসাধারণ ভাল একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে যাবে একসময়, তোমার বড়ছেলের সংসার হয়ে অন্য কোন দেশে চলে যাবে। আমিও হয়ত থাকব অন্য কোন দেশে। মা, সেই সব দিনগুলো কি আর কোনদিন ফিরে আসবেনা? মা, যে সফলতার নাম সবাইকে ছেড়ে থাকা সে সফলতা আমি চাইনা, মা। আমি কুপমন্ডুক হব, গরীব থাকব, অলস থাকব, তবুও আমি সারাজীবন তোমার পাশে থাকতে চাই মা, শুধু এটাই আমার চাওয়া, মা, শুধু এটাই।
মা, সবাই জানে আমি আবেগহীন। মনে করে বাড়ির জন্য, তোমার জন্য, সবার জন্য আমার কখনও মন খারাপ হয়না। তুমি ত জান মা আমি কত বেশি আবেগপ্রবণ। এখনও প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে চোখের পানিতে বালিশ ভিজিয়ে ফেলি। প্রায় প্রতি রাতেই স্বপ্ন দেখি তোমার কাছে গেছি, তোমার সাথে গল্প করতেছি। সমাহয়ারইনের মাকে নিয়ে কোন লেখায় পড়িনা আমাকে কাঁদায় বলে। মা, তুমি নিশ্চয় জান উপরে যতই শক্ত মনের মানুষ মনে হোকনা কেন আমি ভিতরে ভীষন দূর্বল মনের। মা, তাই প্রতিদিন তোমাদের কথা মনে করি। মা, সারাজীবন তোমাকে কাছে পেয়ে কোনদিন উপলব্ধি করিনি তুমি আমার জীবনের কতটুকু অংশ জুড়ে আছ। কোনদিন তোমাকে জড়িয়ে ধরে বলিনি মা, তোমাকে ছাড়া আমার এক মুহুর্ত্যও চলবেনা। শক্তমনের ছেলে কি কখনও এরকম বলে? মা, এবার দেশে গেলে তোমাকে জড়িয়ে ধরে বলব "মা, আমি তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে অনেক মিস করেছি। আমি আর কোনদিন তোমাকে ছেড়ে যাবনা। আমার পিএইচডি'র কোন দরকার নেই, মা। আইভি লীগের শিক্ষক হতে চাইনা আর। বিখ্যাত হওয়ার চেয়ে তুমি আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, মা। আমি সারাজীবন তোমার সাথেই থাকব, মা, এই এখানেই।"
সামিয়া বলেছেন:
মন খারাপ করা পোস্ট ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মন খারাপ যে, কি করব?
নির্বাসিত বলেছেন:
আপনার সমস্যাটা কি বলেন তো? এই জাতীয় লেখা দেওয়ার মানে কি? এমনিতেই বাঁচিনা নিজের জ্বালায়, তার উপর যদি আপনারা এইসব লেখা দেওয়া শুরু করেন, তাহলে তো আর উপায় নাই।লেখা খুবই ভাল, কিন্তু এটা পড়ে চোখের অবস্থা খবই খারাপ।
লেখক বলেছেন: নির্বাসিতদা, কি করব দাদা। মাকে এত মিস করতেছি। মনে হল একটু শেয়ার করি। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লোকালটক বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নাদু, ঠিক, যারা বিদেশে থাকে সবার জন্য এ লেখা উৎসর্গ করলাম।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: আরিফুর রহমানভাই, অনেক ধন্যবাদ।
মানুষ বলেছেন:
আমার পড়া দ্বিতীয় সত্যিকারের ব্লগিং। প্রথমটা ছিল আইজুদার "একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ" আর এটা দ্বিতীয়। কোন ভান নেই মনের কথাগুলো শুধু চোখের জলের সাথে লেখা হয়ে বের হয়ে আসে।
লেখক বলেছেন: মানু, লজ্জা দিলা। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। পৃথিবীর সকল মা সুখী হোক।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই ছেলেরে নিয়াতো ভারী মুশকিল !এতো মন খারাপ করা লেখা লিখে , এ-তো আমাদেরকে শান্তিতে থাকতে দিবেনা !
এমনিতেই প্রবাসী হয়ে, প্রিয়জনদেরকে , প্রিয়মুহূর্তগুলোকে ভুলে থাকার চরম ভানে, কতো সুন্দর ভুলে আছি সবাইকে !
শুধু মাঝে মাঝে কোন গভীর রাতে আকাশের প্রকান্ড চাঁদটার দিকে তাকালে, চোখ ভিজে যায় । কেন ভিজে যায়, কেউ জানেনা !
লেখক বলেছেন: শুধু মাঝে মাঝে কোন গভীর রাতে আকাশের প্রকান্ড চাঁদটার দিকে তাকালে, চোখ ভিজে যায় । কেন ভিজে যায়, কেউ জানেনা !
আরাশি বদ্দা, একমত। অনেক ধন্যবাদ।
অরুনাভ বলেছেন:
নাদানের কথার সাথে একমত........দূরু মিয়া এমনিতেই মন খারাপ......তার উপর এমন লেখা......
ভালো থেকেন সব সময়.........
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকবেন, অনেক ভাল। ধন্যবাদ।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
মাইনাস পড়া শোনা করেন গিয়া।
লেখক বলেছেন: আইজুদা, ঠিকাছে। কিন্তু ব্লগিং করতে গিয়ে পড়াশুনা গোল্লায় যাচ্ছে।
নরাধম বলেছেন:
লেখার উপরে উৎসর্গটা যোগ করলাম।
ফেরারী পথিক বলেছেন:
ভাইয়া, কিচ্ছু ভাল্লাগেনা,,,
অনেকদিন আম্মুকে দেখিনা।
বি এম এ তে ট্রেনিং এর মাঝে যখন ছুটিতে আসতাম, তখন আম্মু পায়ে হাত বুলিয়ে বুটের দাগগুলো দেখে সারারাত কাঁদতো....
প্রতিটি মুহূর্ত নিজের সাথে যুদ্ধ করি....
কিচ্ছু ভাল্লাগেনা, কিচ্ছুনা..........
লেখক বলেছেন: ফেরারী পথিক, অনেক ধন্যবাদ। সব মাই একই রকম।
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
কয়েকদিন ধরেই ভিতরটা খুব তড়পাচ্ছে... শুধু মা মা লাগছে। মাথায় অনেক কথা ঘুরছিল...লিখতে ইচ্ছে হচ্ছিল। আমার লেখাটা আপনিই লিখে দিলেন। ধন্যবাদ। + মা-কে এসব বলে কোন লাভ নেই। তিনি কেবলই সন্তানের উন্নতির স্বপ্নে বিভোর থাকেন। কিন্তু আত্মিক শান্তি এখানে ভীষণভাবে অবহেলিত। গায়ে পি.এইচ.ডির তক্মা অথবা ছয় অংকের বেতনকে উপেক্ষা করার মত "ধৃষ্টতা" আমাদের অনেকের থাকলেও আমাদের সাধারণ মধ্যবিত্ত বাংগালী মা-দের তা নেই। বাড়ি ফেরার আশা তাই এখন শুধু্ই দুরাশা।
লেখক বলেছেন: উঁহু, আমার মা চাই আমি এতসব ছাইপাশ লেখাপড়া না করে তার কাছে গিয়ে থাকি। কেরানীর চাকরিতেই মা সন্তুষ্ট। অনেক ধন্যবাদ।
রাহা বলেছেন:
ভাই কিছুক।ষণ পড় তো ব্লগে কাউরে পাবেন না... +
লেখক বলেছেন: রাহাভাই, কেন?
রাহা বলেছেন:
ভাই কিছুক্ষণ পড় তো ব্লগে কাউরে পাবেন না... +
লেখক বলেছেন: রাহাভাই, কেন?
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
আপনি ভাগ্যবান। আমার মা-ও সেটা মনে মনে চান, কিন্তু প্রকাশ করতে চান না - ভাবেন সেটা হবে তার স্বার্থপর চাওয়া, সন্তানের "উন্নতির" পথে অন্তরায়। আমার মা যদি চাইতেন, ভরসা দিতেন, আমি ছুটে চলে যেতাম। আপনি চলে যান ভাই। জীবন একটাই, এবং অনেক ছোট। শুধু শুধু সময় নষ্ট করেন না।
লেখক বলেছেন: মাস্টার্স করেই হয়ত চলে যাব। কিন্তু মা ছাড়াও আরও অনেকেই আছে যারা তথাকথিত উজ্ঝল ভবিষ্যৎ চান।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
নরু ,মচতকার লেকা তয় বিয়ার পর অবেগ কিচুটা কমবো মনে লয়। যদিও আমিও আবিয়াইত্যা। লেখা রেটিং করার উপরে দিয়া গেছে তাই রেটিং করলাম না। হামিদ ভাইর সাজেশন মনে রাইকো আপাতত।
লেখক বলেছেন: সমালোচনাকরী, অনেক ধন্যবাদ। ধুর মিয়া, বিয়ার গোস্টী কিলায়। আইজুদার কথা মনে থাকব।
ফজল বলেছেন:
মা'র কথা মনে করিয়ে দিলেন............
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কিছু লিখতে পারছি না ........... জানো !! আজকে মার সাথে কথা হয়েছে , আমাকে বললো কি খেয়েছি ?
বল্লাম যে এটা ওটা রেধেছিলাম তাই দিয়েই খেয়েছি ।
শুনে মা বললো - আমার ছোট ছেলেটা দেখি অনেক বড় হয়ে গেছে !!
তোমার লেখাটা পড়ে আমার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে নারূদা ।
এখানে এসে একদিন ভূপেন হাজারিকার "মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে" গানটা শুনে অনেক কেঁদেছিলাম ।। বাচ্চাদের মত ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম ।...........................
লেখক বলেছেন: বিমা, কি বলব। কিছুই মনে আসছেনা। কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। পৃথিবীর সকল মা সুখী হোক।
এক্ষনি একখান মন ভালা করন লেখা দেও....নাইলে কইলাম সারা রাইত কান্দুম।।।।।
লেখক বলেছেন: ভাইটামিন বদিভাই, মন খারাপ হয়ে গেলে দুঃখিত। কাঁদুন, সারা রাত কাঁদুন, কাঁদলে মন হালকা হয়।
মাকে খবরটা দিতে গিয়ে শুধুই কেঁদেছি ফোনের উপর।।।
লেখক বলেছেন: ভাইটামিন বদিভাই, আপনার মেয়ের জন্য শুভ কামনা। অনেক ভাল থাকবেন।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
কাল রাতে প্রচন্ড শীতে কাঁপতে কাঁপতে বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের নীচে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানতে টানতে কেন জানিনা হঠাৎ করেই মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। মনে হলো সব ছেড়েছুড়ে এক দৌড়ে মায়ের কাছে চলে যাই। তারউপর আজকে এই পোস্ট। আপনিতো ভাই শান্তিতে থাকতে দিবেননা। তবে হ্যা, মনটা যতোই খারাপ হোক, পোস্টটা হয়েছে অসাধারণ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
মিরাজ বলেছেন:
নরাধম কথা ছিল পরের লেখাটি মন ভালো করা লেখা লিখবেন । কিছু চাইনা ... এক্কেবারে কিছুইনা... কোন খাবার না কিচ্ছুনা... শুধু মায়ের একটু ছোয়া চাই....মায়ের বুকে মাথা রেখে পুরো দিন কাটিয়ে দিতে চাই...
লেখক বলেছেন: মিরাজভাই, দুঃখিত, কি করব বলেন। আমি এখানে এসে কেমন জানি পেসিমিস্ট টাইপ হয়ে গেছি। পরের লেখা ইনশাআল্লাহ মন খারাপ করা হবেনা।
পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিঃসঙ্গ , অনেক ধন্যবাদ। পড়ে মতামত জানাবেন কিন্তু।
নরাধম বলেছেন:
আগের শিরোনামটা সম্পূর্ণ লেখাটাকে প্রতিনিধিত্ব করতেছিলনা, তাছাড়া লম্ব হয়ে গেছিল। তাই শিরোনাম পাল্টালাম।
রাশেদ বলেছেন:
নো কমেন্ট।
লেখক বলেছেন: রাশুদা, ধইন্যাপাতা।
লেখক বলেছেন: শ্রাবণী, অনেক ধন্যবাদ।
পুতুল বলেছেন:
আবেগ নামক ভাইরাস ছড়ানোর জন্য আপনাকে শূলে চড়াতে হবে! আমার জীবনে মাকে ছাড়া ভালই চলছিল। আশা করি আপনি আপনার কৃত কর্মের জন্য অনুতপ্ত হবেন। যদি জাতেন আমি আমার মাকে এ জীবনে কখনোই দেখতে পাব না। অথচ তিনি জীবিত আছেন! আমার তাকে দেখার সব ক্ষমতা আছে, তবুও দেখতে পারবনা! তা হলে আবেগ তাড়িত এ পোস্ট কখনো দিতেন না।
জনপ্রিয় লেখক হবার এ লোভ সংবরণ করতে পারেলেন না?
লেখক বলেছেন: পুতুল, লজ্জা দিলেন, জনপ্রিয় লেখকের জন্য না।ইন ফ্যাক্ট এই পোস্টের আইডিয়াটা আমার মাথায় ঘুরতেছিল অনেকদিন, কিন্তু আবেগী হয়ে যাবে তাই দিইনি। আমি যখন একটু সমস্যায় থাকি তখন মাকে মনে পড়ে। আমি এখন সমস্যায় আছি। তাই পোস্ট দিয়ে দিলাম।
আপনি মাকে কেন দেখতে পারবেননা তা জানতে পারি? যদি বলতে কোন সমস্যা না থাকে। আমার পোস্ট আপনাকে মন খারাপ করে দিলে খুব দুঃখিত।
লোকেন বোস বলেছেন:
নরাধম, যে কখনও মাকে ছেড়ে দীর্ঘ সময় থাকেনি সে বুঝবে না মার জন্য অন্তরটা কেমন শ্বাসকষ্টে ভোগে মাঝে মাঝে!!! আপনার লেখা পড়ে সেই হাহাকারটা আরেকবার অনুভব করেছি।মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে একটা ছোট্ট বালক হয়ে যাই আবার,মা আমার পাশে বসে সারাদিন আমার অর্থহীণ ভাবনাগুলো শুনুক অপার প্রশ্রয়ে!!"ঐ দেখ মা আকাশ ছেয়ে মিলিয়ে এল আলো,
আজকে আমার ছুটোছুটি লাগলো না আর ভালো।
ঘন্টা বেজে গেল কখন অনেক হলো বেলা,
তোমায় মনে পড়ে গেল ফেলে এলেম খেলা।
আজকে আমার ছুটি, আমার শনিবারের ছুটি
কাজ যা আছে সব রেখে আয় মা তোর পায়ে লুটি।
দ্বারের কাছে এইখানে বোস এইহেথা চৌকাঠ
বল আমারে কোথায় আছে তেপান্তরের মাঠ।
লেখক বলেছেন: লোকেন বোস, মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পুতুল বলেছেন:
নরাধম কৃতজ্ঞ আপনার কাছে, আমার অভিমানটুকু বুঝেছেন। কেন মাকে দেখতে পারব না, সে কাপুরুষতা নিয়ে একটা পোষ্ট দেব, সময় হলে। এখনো সে সময় হয়নি। আমার দিক থেকে। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়ার অপেক্ষায়।
একজন বলেছেন:
মন খারাপ করা পোস্ট।যারা দূরে থাকে তাদের জন্য কষ্টকর হলেও যারা বাবা-মায়ের কাছে থাকে তাদের জন্য এ ধরনের পোস্ট খুব উপকারী.....নিজেকে শোধরানো যায়..........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, একজন।
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
এই ছেলেরে আমরা বিয়া দিব কিভাবে? আবেগটা একেবারে ছুঁয়ে গেছে ... প্রতিটা বাঙালী প;রবাসীই হাড়ে হাড়ে বুঝবে ... এগুলা তাদের মনের কথা +++++
লেখক বলেছেন: জ্বিনের বাদশাভাই, কেন বিয়ে দিতে কি সমস্যা? আমি তো একপায়ে খাড়া!!!!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হুমম... জ্বিনের বাদশা....হুমমম
লেখক বলেছেন: হুমমম.......।
লেখক বলেছেন: গন্ডু, তোমারেও ++++++++++
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আপনার লেখার হাত যে শক্তিশালী তার প্রমান আগেই পেয়েছি। নূতন করে আর কি বলব। আপনি আরো সফল হোন। আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
চে বলেছেন:
ভিজিটর হিসেবে সবার ব্লগে চোখ বুলাচ্ছিলাম। আপনার এই পোস্টে এসে লগইন করতে বাধ্য হলাম।১৯৯৭ তে জাপান আসি। ছয় বছর ছিলাম। ৯৭ শেষে একবার, ৯৮ এর মাঝামাঝি আরেকবার এবং ২০০০ এর শুরুতে আরেকবার দেশে যাই। প্রতিবারই আসার সময় মা সহ সবাই কান্নাকাটি করত, আমি চেষ্টা করতাম স্বাভাবিক থাকতে। ২০০০ এ পারিনি। এই প্রথম আমার পর্দানশীন মা কাঁদতে কাঁদতে বারান্দায় এসে দাড়িয়েছিলেন আর অঝোরে চোখের পানি ফেলছিলেন। তারপর চিতকার করে বলছিলেন আর বোধ হয় আমাদের দেখা হবে না। এই কথা শোনার পর আমি হু হু করে কেদেছিলাম। সে বছরই জুলাই মাসে মা মারা যান।
আপনার মাকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম দিবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার কাহিনী তো আরো কষ্টের। আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
মনটা আর্দ্র হয়ে গেল। আমার নিজের কতগুলো ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। এমন একটা ঘটনা নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম অনেক আগে। "মা তুমি দীর্ঘজিবী হও (দ্বিতীয় পর্ব)" এই শিরোনামে। লিংটি দিলাম। সময় পেলে পড়বেন। ভাল লাগতে পারে। Click This Linkসুন্দর লেখাটির জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: রোদ্দুর মিছিল, অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা অবশ্যই পড়ব।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সাইফু, অনেক ধন্যবাদ। ভাল থেক।
চেনামুখ বলেছেন:
ভাই ঔ ব্যথার কথা আর বলিয়েন না। আমি তো সেজন্য টাকা পয়সার লোভ ত্যাগ করে এখন দেশে ছোট একটা কাজ করি আর্থিক কষ্ঠেআছি কিন্তু আমার মা আছে আমার কাছে। মার এখন আর আসুখ নাই প্রতিদিন ফোন করে শুনতে হয়না কোন ডাক্তারের কাছে আজ যাবে। আমি দেশে আশায় আনেকে আমাকে পাগল বলেছে কিন্তু আমি যানি যদি মা না থাকে তবে আমার টাকাদিয়ে কি হবে। আমার মার টাকার লোভ বিন্দুপরিমানেনাই তাঁর লোভ আমি তাঁকে আম্মজান বলেডাকি ভাত খেতেচাই বিরক্তকরি আমার নামে নালিশ আশুক আমি দুস্টামে করেছি ইত্যাদি ইত্যাদি । তাঁর কাছে আমি সব সময় শুকনা কিন্তু সুন্দর সেই ৮০ উদ্ব মানুষটাকে রেখে কি প্রবাসে থাকা যায়।
তাই চলে এসেছি তাঁর পছন্দের এক মেয়েকে আমি পছন্দকরে বিয়েও করে ফেলেছি। ওরা দুজন বেশ ভাল বন্ধু তাঁদের সুধু একটাই পরিকল্পনা আমি যেন আবার বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা করতে না পারি। আমি কি আর বিদেশ যাই ভাই আমি মাঝেমাঝে এমনিতে ভায় দেখাই তইলে কিন্তু আমি আবার উড়াল দিব। ওরা দুজন চুপ আমার সাভিস আরোও ভাল হয়।
বিদেশি টাকার মুখে ঝাটামারি দেশে যা পাই প্রিয়জন নিয়া মহাসুখে আছি সাহস কইরা আইয়া পরেন তয় পরিকল্পনা যেন থাকে । বিদেশে থাকলে মনছোট হয়।আমি আমার নিজের বিষয় বললাম।
মায়ের চেয়ে আপনকি কেউ আছেরেভাই তাকে ছারাথাকালাগে কিন্তু তা হয় খুবেই কষ্টের ।
লেখক বলেছেন: চেনামুখ, আপনি খুব সুখী। আমিও ফিরে যাব ইনশাআল্লাহ, গোস্টী কিলাই আমেরিকার।
প্রচেত্য বলেছেন:
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নারী যিনি তিনিই হচ্ছেন আমার মা















