আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন গণিত-৩ (অসীমের অস্তিত্ব)।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

গণিতকে বেশিরভাগ লোকই ভয় পাই (পাই=৩.১৪........একটা ইর‌্যাশনাল ধ্রুবক, যারা আগ্রহী তারা কেন ইর‌্যাশনাল সেটা প্রমাণ লিখতে নেমে যান!!)। আমিও যে খুব পেয়ার করে কাছে টানি তা না, তবে একটা ইনফ্যাচুয়েশান আছেই। তাছাড়া কোর কোর্স হিসেবে আজেবাজে থিয়রেটিকাল ম্যাথ পড়তেই হয়। রিয়েল এনালিসিস আর কমপ্লেক্স এনালিসিস এসবও এরকম আজেবাজে কোর্স। পিডিই-র মত তেমন রিয়েল লাইফ সিগনিফিক্যান্স নাই এসবের, কিন্তু মাইন্ড-ব্লোয়িং আর থট-প্রভোকিং কোর্স। যাই হোক, জিম্যাট কোর্সে ম্যাথ পড়ানো শুরুর সময় আমি পোলাপাইনদেরকে ওয়ার্ম-আপ হিসেবে একটা ধাঁধা দিই। ধাঁধাটা কোথায় পেয়েছিলাম মনে নেই।

0.5>0.25
=>(1/2)>(1/4)
=>(1/2)>(1/2)^2 (^-পাওয়ার)
=>log(1/2)>log(1/2)^2 [take log on both sides)
=>log(1/2)>2*log(1/2)
divide both sides by log(1/2)-->
=>1>2......!!!!!!!!!!!!!!!!


১ যে ২ থেকে বড় সেটা প্রমাণ হয়ে গেল! এখানে ছোট্ট একটা ভুল আছে, সেটা আমি পোলাপাইনদেরকে বের করতে বলতাম। অনেক ব্যাচে ১/২ জন পারত, অনেক ব্যাচে পারতনা। এটা পারা মানেই অংকে ভাল, না পারা মানে খারাপ এরকম কিছু না, এটা যাস্ট জিম্যাট অংকের প্রতি পোলাপাইনের ভীতিটা দূর করার জন্য একটা চেষ্টা ছিল আমার। এরকম অনেক ম্যাথেমেটিকাল ধাঁধা আছে যেগুলো মনে হয় আপাতদৃষ্টিতে গণিতের এস্টাবলিশড ফ্যাক্টসের বিরুদ্ধে যায়। যেমন একই লজিক ব্যবহার করে ২ যে ৪-এর চেয়ে বড় প্রমাণ করা যায়, সেখানে একই ভুল থাকবে। আবার অন্য একটা ছোট ট্রিকস ব্যবহার করে ১ যে ২ এর সমান প্রমাণ করা যায় যেটাতে আপাতদৃষ্টিতে কোন ভুল চোখে পড়েনা।

ম্যাথে যে কোন ঘাপলা নেই তা কিন্তু না। যেমন পিডিই-তে অনেকসময় বাউন্ডারী কন্ডিশান ব্যবহার করা হয় যেটা ম্যাথেমেটিকাল লজিকের চেয়েও ইউজফুলনেসের জন্য বেশি হয়। ফ্রি বাউন্ডারী প্রবলেম বা লিনিয়ার কমপ্লিমেন্টারী প্রবলেমও ম্যাথের লজিকের চেয়ে ইউজফুলনেস বেশী গুরুত্ব পাই। ইউজফুলনেস বলতে আমি বলছি এমপিরিকাল ওয়ার্লডে খাটে কিনা সেটা। স্টক্যাসটিক ক্যালকুলাসের জন্য সেপারেট রুলস আছে যেগুলো রেগুলার ক্যালকুলাসে খাটেনা। কোয়ান্টাম ফিজিক্স আর রেগুলার ফিজিক্সের মতই অনেকটা।

যুক্তিবিদ্যায়ও অনেক এরকম ধাঁধা আছে যেগুলোর কোন সমাধান নেই। যেমন ধরেন একটা সাপ তার লেজ খাওয়া শুরু করলে কি হবে শেষ পর্যন্ত? নাস্তিকরা আস্তিকদের এরকম প্রশ্ন করে থাকেন যেমন সৃষ্টিকর্তা আরেকজন সৃষ্টিকর্তা বানাতে পারবেন কিনা বা একম একটা পাথর বানাতে পারবেন কিনা যেটা তিনি নিজেই লিফট করতে পারবেননা। সৃষ্টিকর্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কমন লুপ মনে হয় সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন সেই প্রশ্ন। এটা হাজার বছর ধরে নাস্তিকদের কাছে আস্তিকদের ঘায়েল করার অস্ত্র। এই প্রশ্নটা নিয়ে ইসলামের ২য়, তয় ও ৪র্থ শতকে বড় বড় ইসলামিক স্কলাররা অনেক চিন্তাভাবনা করেছেন। ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ীর কথা মনে পড়তেছে। ইমাম গাজালির আগে ইসলামিক-হেলেনিস্টিক ফিলসফাররাও এ বিষয়ে যথেষ্ঠ গবেষণা করেছেন। আমার আশ্চর্য্য লাগে এই ভেবে যে তখন ইসলামিক সভ্যতা কতটা ওপেন ছিল। এখন এসব প্রশ্ন নিয়ে কেউ গবেষণা করতে চাইলে মোল্লারা মুরতাদ ঘোষণা করবে। আল্লামা ইকবালের ইনফাইনিট ইগোর ধারণাটা ইসলামিক অর্থডক্সীর সাথে যায়না বলে তাঁকে তখন ব্যাপক ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল। মওদূদী তো ইকবালকে দুচক্ষে দেখতে পারতনা। ২০ শতকের সবচেয়ে রিমার্কেবল ইসলামিক একাডেমিসিয়ান ফজলুর রহমানকেও মোল্লাদের খপ্পরে পড়তে হয়েছিল। অথচ একজন ফজলুর রহমান ইসলামিক স্কলারশিপকে কতটা এগিয়ে নিয়েছে সেটা ভাবলে আশ্চর্য্য লাগে।

সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব এবং তাঁর কোন সৃষ্টিকর্তা আছে কিনা এসব নিয়ে একটা ডিটেলস নন-রিলিজিয়াস অরিয়েন্টেড একটা পোস্ট লেখার ইচ্ছে অনেকদিনের আমার। রিচার্ড ডকিনসের গড ডেলুশান পড়ে ইচ্ছেটা আরো গাড় হয়েছে। ডকিনসের বইয়ে সৃষ্টিকর্তা কেন নেই সেটার তেমন কনভিনসিং যুক্তি না দিয়ে সৃষ্টিকর্তা কেন থাকা উচিৎ না সেটার যুক্তি দেওয়া হয়েছে। অবশ্য অনেক টাকাই কামিয়েছেন তিনি এই বই লিখে, ধর্মব্যবসার মত নাস্তিকব্যবসা হয়ত! হিচেনসের কয়েকটা লেখা আছে সেগুলা আগে পড়ে তারপর লিখব হয়ত। কিন্তু আলসেমীর জন্য হয়না। সেটা পরের জন্য থাক। আজকের পোস্টটা ইনফিনিট বা অসীম বিষয়ক আমার কিছু ধ্যান ধারণা নিয়ে।

ম্যাথেমেটিক্সে অসীমের ধারণাটা অনেক পুরোনো। এবং থিয়রেটিকাল ম্যাথে অসীম খুবই র‌্যামপ্যান্ট। প্রকৃতপক্ষে প্রুফ-বেইসড যেকোন ম্যাথ কোর্সে, সেটা রিয়েল এনালিসিস হোক বা কমপ্লেক্স এনালিসিস হোক অথবা এবস্ট্র‌্যাকট লিনিয়ার এলজেব্রা হোক সেখানে মনে হয় অর্ধেকটা সাহিত্য জুড়েই অসীমের ধারণাটা কোন না কোনভাবে জড়িত। ম্যাথের উপর ভিত্তি করে আরো কত ডিসিপ্লিন আছে, ফিজিক্স থেকে শুরু করে ফাইনান্স বা ইকনমিক্স থেকে কোয়ান্টেটিভ মার্কেটিং, ইন্জিনিয়ারিং থেকে এসট্রনমি সবই তো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হ্যাভিলি ম্যাথের উপর দাঁড়িয়ে আছে।

আর ম্যাথে অসীমের ধারণটা সেন্ট্রাল। তাই অসীমের গুরুত্ব অসীম! আমার ধারণা অসীমের ধারণাটা আসলে মানুষের জ্ঞানের একটা বড় সীমাবদ্ধতা। সৃষ্টিজগতে/বাস্তবজগতে অসীমের কোন অস্তিত্ব নাই। মহাবিশ্ব অসীম না। প্রকৃতপক্ষে যার শুরু আছে সেটা কখনও অসীম হতে পারেনা। মহাবিশ্বের যেহেতু শুরু আছে তাই সেটা অসীম না। অনেক বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বকে সসীম অসীম বলে দেখাতে চাই। সেটা আমার কাছে থিয়রেটিকাল বুলশিট মনে হয়েছে। মহাবিশ্বের শুরু যদি ১৫বিলিয়ন লাইটইয়ারস হয়, তাহলে সেটা অসীম হয় কিভাবে? সসীম অসীমের ধারণাটা স্টক্যাসটিক ক্যালকুলাসে চাইনিজ ম্যাডাম বলেছিলেন। সবাই হাসি দিয়েছিল তখন। অবশ্য উনি উনার স্টেইটমেন্ট জাস্টিফাই করেছিলেন স্টক্যাসটিক ক্যালকুলাসের দৃষ্টিভন্গিতে। কিন্তু সেটাও যাস্ট থিয়রেটিকাল। বাস্তবে স্টকপ্রাইস কখনও অসীম হয়না। সেজন্যই প্যারাবলিক পিডিই-তে বাউন্ডারী কন্ডিশান ইম্পোজ করার প্রশ্ন আসে। ফ্রি বাউন্ডারীর ব্যাপারটা আলাদা। যাই হোক, বাস্তবে অসীমের উদাহরণটা সাধারণত এরকমই দেয় লোকজন যে ২০কে অর্ধেক করে ভাগ করতে থাকলে সেটা কোনদিনই শুণ্যে পৌঁছাবেনা। এটা ঠিক। কিন্তু বাস্তবজগতে এটার কি কোন সিগনিফিক্যান্স আছে? যেমন দুজন মানুষকে দুইটা ২০ মিটার দুরে লাইনে দাঁড় করানো হল। এখন একজনকে প্রতিবার অর্ধেক দূরত্ব কাভার করার জন্য বলা হল। তাহলে থিয়রেটিকালি সে কখনও ২য় ব্যক্তির কাছে যেতে পারার কথা না, কিন্তু বাস্তবে তো একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর সে ২য় ব্যক্তির লাইনের খুব কাছে এবং একসময় সে লাইনটাকেই টাচ করবে। অথচ ম্যাথেমেটিকসের লজিক বলে সে কোনদিন কাভার করবেনা। শেষের দিকে লাইন টাচ করার আগে সে যদি তার আর ২য় ব্যক্তির মধ্যে দুরত্বটা মাপতে চাই সেটা কমতে কমতে একটা ডট হয়ে যাবে এবং ডট থেকে কমতে কমতে সেটা কালাইড করবে ২য় ব্যক্তির সাথে। যাইহোক, এমনকি থিয়রেটিকালি ২য় ব্যক্তির কাছে ১ম ব্যক্তি কোনদিন পৌঁছাতে না পারলেও বাস্তবে এরকম প্রবলেমর কোন সিগনিফিক্যান্সই নাই।

রিয়েল এনালিসি কোর্স খুবই ইন্টারেকটিভ কোর্স। ইন্সট্রাকটর খুব কামেল লোক বলে তাকে যেকোন প্রশ্ন করা যায়। অসীমের ধারণাটা তিনি ম্যথেমেটিক্সের সীমাবদ্ধতা বলে স্বীকার করেননা। কারন এটা ম্যাথের অনেক প্রবলেমকে এক্সপ্লেইন করতে সহায়তা করে। তবে সেটা ম্যাথের সীমাবদ্ধতা না হলেও মানুষের চিন্তার সীমাবদ্ধতা তো বটেই। মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা খুবই লিমিটেড। মানুষ ৪ ডাইমেনশান কল্পনা করতেই পাগল হয়ে যায়, ব্রেন কাজ করেনা। সেখানে ২ কে শুন্য দিয়ে ভাগ করলে ফলাফল কি সেটা বের করার প্রশ্নই উঠেনা। তাই নিয়ে এসেছে অসীমের ধারণা। যত দোষ নন্দ ঘোষ অসীম বেটার! বাস্তবে তো এমন কোন পরিমাণ নেই যা গননা করা যায়না। আকাশের তারাও থিয়রেটিকালি অসীম হলেও বাস্তবে তো অসীম না। তেমনি সাগরের পানিও কত ফোটা সেটা গণনা করা যাবে, হয়ত হাজার হাজার বছর লাগবে, কিন্তু গননা করা যাবে। অনেক বলবেন সেটা আবার বাস্তবে হয়ত সম্ভব না, কিন্তু থিয়রেটিকালি সম্ভব। কিন্তু আসলে বাস্তবেই সম্ভব, যন্ত্র লাগবে ঠিকঠাক শুধু। বিরাট কন্ট্রাডিকশান!

১ কে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম, ১০০ কে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম, ১ লাখকে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম।এখানে লিমিটের কথাই বলছি আমি। সব অসীম আবার সমান না। অসীমকে অসীম দিয়ে ভাগ করলে কি হবে? শুণ্যকে অসীম দিয়ে গুণ করলে? শুণ্য টু দ্যা পাওয়ার অসীমের ফলাফল কি? অসীম থেকে অসীম বিয়োগ করলে কি শুণ্য? অসীম থেকে অর্ধেক অসীম বিয়োগ করলে কি অসীম নাকি অর্ধেক অসীম? তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে কোন কাট-অফ পয়েন্টে গিয়ে সসীম থেকে অসীম হয়?যেমন অসীম থেকে ১ বিয়োগ করলাম, আবার ১ বিয়োগ করলাম, আবার ১ বিয়োগ করলাম............এরকমই চলতেই থাকল। কোন কাটঅফ পয়েন্টে গিয়ে সেটা সসীম হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর কোনদিন পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না। কারণ এসব থিয়রেটিকাল, অনেকে বলবেন অসল মস্তিষ্কের কল্পনার বিষয়। বিজ্ঞান যতই আগাক, এসবের উত্তর নেই। কারণ বিজ্ঞান অবজারভেবল, টেস্টেবল ফেনোমেনা নিয়ে কাজ করে, অসীম অবজারভেবল না। অবজারভ/টেস্ট করা গেলেই সেটা তার অসীমতার প্রপার্টি হারাল। অসীম বিষয়ে এই চিন্তাগুলো ইউনিক বা পিকিউলিয়ারও না। বছরের পর বছর ধরে মানুষ চিন্তা করতেছে। কিন্তু এখন মোটামোটি নিশ্চিত যে এগুলার উত্তর নাই। উল্লেখ্য শুণ্য নিয়েও এরকম চিন্তা আছে। শুণ্য আর অসীম অনেক প্রপার্টি শেয়ার করে। তারা একই কন্টিনামের দুটা এক্সট্রিম। তাই স্বভাবতই তারা প্রচুর কমন ট্রেইট শেয়ার করবে। এটা শুধু ম্যাথে না, বাস্তবেও। যেকোন দুটা একই কন্টিনামের এক্সট্রিম জিনিস অনেকাংশে মিল। তাই মৌলবাদী নাস্তিক শেষ জীবনে মৌলবাদী আস্তিক হয় বা ছোটকালে এক্সট্রিম ধর্মকর্ম যারা করে তাদের অনেকেই যৌবনে নাস্তিক হয়। তাই শিবিরের কার্যক্রম আর ছাত্রইউনিয়নের কার্যক্রম একই ধারা ফলো করে।



যাই হোক, অসীম নিয়ে অসীম কথা বলা যাবে, তবুও ফুরাবেনা। আপাতত অসীমের আলোচনা সসীমই থাক। অসীম সংখ্যক মাইনাস বা পিলাস দিয়ে যান!



আমার দুঃখ আমার সবচেয়ে প্রিয় এবং কষ্ট করে লেখা "জীবন গণিত-১(সুখ)" কেউ পড়েনা। হায়, এজন্য অসীম দুঃখ কোথায় রাখি!!






প্রথম দিকে দেওয়া অংকের ধাঁধাটা কি সমাধান করতে পেরেছেন?

 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
নরাধম বলেছেন: আচ্ছা কোথায় "ই" হবে আর কোথায় "ঈ" হবে সেটা কি কেউ জানেন? আমি বরাবরই সমস্যাই পড়ি এটা নিয়ে।
২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ধাধার জবাব মনে হয় জানি
লগ নেয়াতে চিহ্ন উল্টাবে
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: খেক খেক!

৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: তাই শিবিরের কার্যক্রম আর ছাত্রইউনিয়নের কার্যক্রম একই ধারা ফলো করে।
এই লাইনের সাথে একমত না!
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: শান্ত, আমি মনে হয় বুঝাতে পারিনি। বলতে চেয়েছি যে দুটারই অরগেনাইজেশনাল রিজিডিটি একই ধরণের। শিবির যেমন মনে করে ইসলাম ছাড়া মানুষের মুক্তি নেই, তেমনি ইউনিয়নও নিশ্চয় সমাজতন্ত্র ছাড়া মুক্তি নেই মনে করে। যদিও বাংলাদেশে শিবির বেশি সফল। কার্যক্রমের দিক দিয়ে আরো অনেক মিল আছে। তবে আমি কিন্তু বলছিনা আদর্শগত মিল। আদর্শগত দিক দিয়ে তারা একই কন্টিনামের এক্সট্রিম দুটা পার্ট।

৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
আউলা বলেছেন: বয়স বাড়লে মানুষ বকবক বেশি করে!
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আউলা ঝাউলা আবার খেপল কেন??!! ;);)

৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০২
ডেরেক জিটার বলেছেন: divide both sides by log(1/2)-->
এই লাইনেই ঘাপলা। log(1/2) এর মান মাইনাস হওয়ায় চিহ্ন উল্টাবে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: এক্স্যাকটলি। ব্র্যাভো!

৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পোষ্টে + ....

খুব ভালো লাগলো

Omnipotence paradox এর উপরে আরো কিছু লেখেন

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আসলে ঐ যে বললাম পাথরের কথাটা সেটা এই প্যারাডক্স থেকেই তৈরী। এখানে গড ডাসন'ট হ্যাভ আ উইকনেসকে ই একটা লিমিটেশান হিসেবে দেখানো হয়। তবে হ্যাঁ, আমি আস্তিক-নাস্তিক নিয়ে পোস্ট দিলে এ বিষয়টা আনার চেষ্টা করব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: লেখা খুবই ভালো লাগছে। আমি একটা লেখা দিছিলাম ,সৃস্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়া , একান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা, আশা করি পড়ে দেখবেন।
click

সেখানে একটা প্রবলেম দিয়েছিলাম, একক দৈর্ঘ্য বিশিস্ট বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
দেখা যাচ্ছে কিন্তু সঠিকভাবে মাপা যাচ্ছেনা।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা ভাল লেগেছে। আপনার একক দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট্য বর্গের কর্ণ মাপার ধারণা থেকেই ইরেশনাল নাম্বার ধারণাটা প্রথম এসেছিল। সেটা হবে রুট(২), যেটা নাম্বার লাইনে দেখানো সম্ভব না, কিন্তু সেটার অস্তিত্ব আছে।

৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০
হোরাস্‌ বলেছেন: -- জিনোর প্যারাডক্সটা বেশ ইনটারেস্টিং লাগে আমার কাছে।

-- বহু গনিতজ্ঞের এবং বিজ্ঞানীর অসীম নিয়ে ভাবতে গিয়ে মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই বেশি না ভাবাই ভালো। (জোক করলাম)

-- উদ্ধৃতিঃ "যেকোন দুটা একই কন্টিনামের এক্সট্রিম জিনিস অনেকাংশে মিল। তাই মৌলবাদী নাস্তিক শেষ জীবনে মৌলবাদী আস্তিক হয় বা ছোটকালে এক্সট্রিম ধর্মকর্ম যারা করে তাদের অনেকেই যৌবনে নাস্তিক হয়। "

অসীমের সাথে এক্সট্রিমিজমর তুলনাটা বোধহয় ঠিক না। অসীমের শুরু নির্ধারন করা যাবে না। কিন্তু নরমালসি এবং এক্সট্রিজমের মধ্যে সীমারেখা টানা যায়। আর তাছাড়া কথাটা শুনতেও একটু খাপছারা লাগছে। ম্যাথ এবং ফিলোসফিকে একইপাল্লায় উঠানো উচিৎ না।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: হাহাহা.........আপনার কথা বুঝতে পেরেছি। নারমালসি আর এক্সট্রিমিজমের সীমারেখা টানা যায়? কাটঅফ পয়েন্ট কোথায়?? এটা কি খুবই রিলেটিভ না? তবে অসীমের সাথে একই পাল্লায় মনে হয় মাপা যায়না।

৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
নির্বিকার বলেছেন: মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা খুবই লিমিটেড। মানুষ ৪ ডাইমেনশান কল্পনা করতেই পাগল হয়ে যায়, ব্রেন কাজ করেনা। সেখানে ২ কে শুন্য দিয়ে ভাগ করলে ফলাফল কি সেটা বের করার প্রশ্নই উঠেনা।

বাস্তব সত্য।

কোন কালে যে ম্যাথকে পছন্দ করতাম, সেই ম্যাথ এখন আর খুজে পাচ্ছি না:(
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
রোবোট বলেছেন: অফটপিক:
আমি আউলা খালারে নিয়ে পোস্ট দিলাম। আপনার গাণিতিক মতামত পাইলাম না।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: হায় হায়! ওকে ব্রাদার। আসতেছি।

১১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
অক্ষর বলেছেন: আউলা বলেছেন: বয়স বাড়লে মানুষ বকবক বেশি করে!

হেয় সবসময় এই রকম মার্মুখী ভূমিকায় থাকে ক্যা?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: হ! আমারও প্রশ্ন। আউলার ২ মাসের ফাঁসি চাই।

১২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: স্রষ্টা আছে কি নাই এই নিয়া একটা ম্যাথমেটিকাল এ্যানালাইসিস বানাইছিলাম ... খাতাটা হারায়া ফালাইছি :(

অসীম আর শূণ্য এক বিন্দুতে মিলে

যেমন ধরেন এক মিটার একটা লাঠিরে ২ দিয়া ভাগ করলে ০.৫ মিটার লম্বা ২টা লাঠি হবে ... কিন্তু শূণ্য দিয়া ভাগ করলে "ইনফিনিটি" দৈর্ঘ্যের শূণ্যটা লাঠি হবে, মানে জিনিসটার কোয়ালিটি বিশাল, কোয়ান্টিটি শূণ্য ... প্রথম ভাগটা (১ ভাগ ২)এমপিরিকালি ব্যাখ্যা করা যায়, দ্বিতীয়টা (০ ভাগ ২) এমপিরিকালি ব্যাখ্যা করা যায়না

স্রষ্টার অস্তিত্বের এ্যানালজী তাই উপরের উদাহরণ দিয়া দিলে দ্বিতীয় উদাহরণের ঘরে পড়বে, কারণ এমপিরিকালি কিছু বলার উপায় নাই ... সেই হিসেবে আস্তিক নাস্তিকের অবস্থান একই লাইনের খুব কাছাকাছি ... +০ আর -০ এর মতো ব্যবধান ... একপক্ষ কোয়ান্টিটি বিচার করে বলে কিছু নাই ... আরেকপক্ষ কোয়ালিটি বিচার করে বলে বিশাল কিছু একটা অবশ্যই আছে

এখন আপনি কোয়ালিটি নিবেন না কোয়ান্টিটি নিবেন তার উপরেই আপনার অবস্থান নির্ভর করবে

সেই হিসাবে এই স্রষ্টার অস্তিত্ব বিষয়ক বিতর্কে আমি শুধু এই উপসংহার টানতে পারি যে অপটিমিস্টরা(ইজিগোয়িং) আস্তিক হয়, পেসিমিস্টরা(খুঁতখুঁতে) নাস্তিক হয় ... বাস্তবেও দেখবেন তাই

সেখান থেকা যেই প্রশ্নটা নিয়া ইদানিং চিন্তিত তা হইলো, এই আস্তিক-নাস্তিক হওয়াটা আসলে কি জেনেটিক কোন ব্যাপার নাকি? ;)
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: জিন্টুভাই, মারাত্বক কমেন্ট! ;););) জেনেটিক ব্যাপার না মনে হয়।

১৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: সেই হিসাবে এই স্রষ্টার অস্তিত্ব বিষয়ক বিতর্কে আমি শুধু এই উপসংহার টানতে পারি যে অপটিমিস্টরা(ইজিগোয়িং) আস্তিক হয়, পেসিমিস্টরা(খুঁতখুঁতে) নাস্তিক হয় ... বাস্তবেও দেখবেন তা

----------------


হহাাহাহাহাহহাহ .......... এই মন্তব্যে +

কঠিন মজা পাইলাম ;) @ জ্বিনের বাদশা
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আমিও।

১৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: বহুৎদিন পর একটা পোস্ট পড়ে মজা পেলাম। জীবনটাই একটা ম্যাথ।

জ্বিনের বাদশা'র মন্তব্যে +।

জীবন গণিত (অসীমের অস্তিত্ব)-১ আর ২ কোথায়?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: সৌরভ, আছ কেমন? জীবন গণিতের প্রথম পর্বটা অসীমের অস্তিত্ব নিয়ে না, সেটা আসলে সুখ নিয়ে।

Click This Link

১৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩২
হোরাস্‌ বলেছেন: উদ্ধেতি: "ডকিনসের বইয়ে সৃষ্টিকর্তা কেন নেই সেটার তেমন কনভিনসিং যুক্তি না দিয়ে সৃষ্টিকর্তা কেন থাকা উচিৎ না সেটার যুক্তি দেওয়া হয়েছে। "

আস্তিকদের লজিকও তো তাই। সৃষ্টিকর্তা এই এই কারনে থাক উচিৎ তাই সৃষ্টিকর্তা আছে। কোনো প্রমাণ তো সেখানেও নাই।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমম...........ঠিকাছে। তাহলে আস্তিক নাস্তিক সবাই শুধু বিশ্বাস, সেখানে যুক্তির স্থান নেই। অথচ নাস্তিকরা নিজেদেরকে যুক্তিবাদী ভাবতে পছন্দ করে। এখানেই প্যারাডক্স! তাছাড়া ডকিনস সাহেব বইয়ের শুরুতে চ্যালেন্জ ছুড়ে দিয়েছেন যে যে বইটা খোলা মনে পড়বে সে নাস্তিক হয়ে যাবে। অথচ বইয়ে ধর্ম কেন প্রয়োজন নাই সেটাই মেইন কথা, ঈশ্বর কেন নাই সেটার তেমন কথা নাই। মনে হল তিনি বইটাতে খ্রিস্টিয়ানিটিকে ডিবাংক করাটাই দায়িত্ব মনে করেছেন, ঈশ্বর কেন নেই সেটা জাস্টিফাই করাটা না। আর বিবর্তনবাদের যুক্তি দিয়ে ঈশ্বরের অস্তিত্ব রিফিউট করার চেষ্টা করেছেন। যাই হোক, এখানে সব কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছেনা। বইটার একটা বুক রিভিউ লেখার ইচ্ছে আছে। যদি লিখি তখন সব লেখা যাবে। ভাল থাকুন।

১৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
রাশেদ বলেছেন: এতো বড় পোস্ট পড়ার সময় নাই। মেলা বিজি। :(
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও মেলা বিজি। কিন্তু অসীম বিষয়ক ভাবনাগুলো হঠাৎ লিখে ফেলতে ইচ্ছে হল!!

১৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
হোরাস্‌ বলেছেন: ডকিংস কিন্তু ঈশৃরের ধারনাকে এবসুলিউটলি জিরো বলেন না। কিন্তু প্রচলিত ধর্মগুলি যে ১০০% ভুল এই ব্যাপারে তিনি কোনো সন্দেহ পোষন করেন না।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: সেটা ঠিক। উনার মতে রিলিজিয়ানের দরকার নেই, বিশেষ করে ক্রিস্টিয়ানিটি। উনার সম্পূর্ণ বইটার মেজরিটি ক্রিস্টিয়ানিটিকে নিয়ে কনসার্নড। অথচ বিগ কোয়াশ্চনস যেমন আমরা কোথ্থেকে আসলাম, কেন আসলাম, মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য এসব নিয়ে তেমন কিছুই নেই। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের ব্যাপারটা একটা লেভেলের পর লজিকাল এবং ফিলজফিকাল ডিবেট, সায়েন্টিফিক না। একটা লেভেল পর্যন্ত সায়েন্স এপ্লাই করা যায়, কিন্তু এর পরে দর্শন আর যুক্তিবিদ্যাকে আনতে হয়। অথচ বইটাতে সেরকম কিছুই নাই। মোটকথা নতুন কোন কিছু বইয়ে নাই, সবই অনেকবছর ধরে চলে আসা নাস্তিকতার আর্গুমেন্টগুলোই আছে।


কিন্তু বইয়ের নাম তো রিলিজিয়ান: আ ডেলুশান বা এইজাতীয় কিছু না। নাম হচ্ছে গড ডেলুশান। সেখানে গডকে নিয়ে বেশি আলোচনা করা দরকার না রিলিজিয়ান কি নিয়ে না করে? আর কিছু কিছু ওভারসিম্প্লিফাই করে ফেলা হয়েছে। যেমন ইসলাম-খ্রিস্টিয়ানিটি-জুডাইজমকে একজায়গায় এনে ফেলেছেন।


যাই হোক, এসব ব্যাপারে যখন এটা নিয়ে বুক রিভিউ লিখব তখন ডিটেলস আলোচনা করব আর হয়ত আপনি থাকলে আপনার সাথে আলোচনা করা যাবে। ভাল থাকুন।

১৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
হোরাস্‌ বলেছেন: উপরে ডকিংস = ডকিনস হবে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। এই পোস্টের বিষয়বস্তু আসলে নাস্তিকতা-আস্তিকতা বা ডকিনস না, অসীমের রহস্যটাই। তাই এ ব্যাপারে আমি আর কথা বলছিনা।

১৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩২
নির্বিকার বলেছেন: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: স্রষ্টা আছে কি নাই এই নিয়া একটা ম্যাথমেটিকাল এ্যানালাইসিস বানাইছিলাম ... খাতাটা হারায়া ফালাইছি...............

আগেরবার রেটিং না দিয়া গেছিলাম, এই কমেন্টের জন্য +
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনারেও।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: শামীম মিয়া এত খুশি কেন??

২১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: একটু ভিন্ন ধরনের এই লেখাটা ভালো লেগেছে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন ভাইজান?? আপনার লেখাগুলো মিস করতেছি সময়ের অভাবে পড়তেই পারতেছিনা। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

২২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: ১ কে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম, ১০০ কে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম, ১ লাখকে শুণ্য দিয়ে ভাগ কর ফলাফল অসীম।


পড়ে খুব মজা পেলাম।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আসলে এখানেও একটা সামান্য ভুল আছে, এখানে লিমিট আনতে হবে। সরলীকরণের জন্য সেটা আনিনি। তবে রেজাল্ট একই।

২৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনে তো বিরাট পরতিভা!!! মাঝ রাইতে এটা পড়তে গেলে সকালে আর উঠা লাগবেনা। তাই পরে এক সময়। আপাতত ++

ব্রেকিং নিউজ; লেখা কমপ্লিট। পরশু দেবো।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: খেক খেক। আমি এক বিরাট পরতিভা! খেক খেক।



আপনার লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করতেছি।

২৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: বাঁচিয়া আছি পাই এর মত। মানে বহমান জীবন চলিতেছে, প্রতিটি মূহুর্তে মান বাড়িতেছে।

১ পড়িলাম। পড়িয়া সুখী হইলাম। এই দুর্মূল্যের বাজারে এই সুখটুকু অমূল্য।

২ কি আছে?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫০

লেখক বলেছেন: ২ অন্য জিনিস! তেমন আলোচনা নাই।

২৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বিষয়বস্তুটা চমৎকার বাইছা নিছেন। আসলেই সৃষ্টিকর্তা আছেন, কি নাই এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞানগর্ভ একটা লেখা পড়ার ইচ্ছা রাখি। এখানে যা হয়, তা একপেশে। নাস্তিকরা লেখলে সেটা নাস্তিক্যবাদ নিয়ে। আস্তিকরা লিখলে আস্তিক্যবাদ নিয়ে।

তবে সত্যি বলতে কি, এটা আর একটু সহজ করে দিলে, আমার মতো মূখ্যু-সুখ্যুদের বোঝার সুবিধা হতো। :P

মাথার উপর দিয়া গেছে, ইমুন কমুনা। তয় সবডি বুঝবার পারিনাই, ইহা সত্য।

শোকেসে রাখলাম। মাঝে মাঝে ঝাঁকি দিয়া দেখমু; পুরাটাই ভেতরে ঢুকাইতে পারি কিনা:P

তয় সত্যি কইতাছি; আপনের ঘটে বহুত মাল!!!
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: হাহাহহা....

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: পড়ছি!

২৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০
প্রলয় হাসান বলেছেন: পাবলিকের হইছে কি!!! খালি গণিত নিয়া পোস্টাইতেছে!!! পরশুদিন তুমি পাই নিয়া দিলা, আজ সকালে আবার রাগিব ভাই দিলো।:|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: হ

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: কি জিনিস?

২৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩
রাশেদ বলেছেন: কি লিখছো ঘোড়ার ডিম! :P

আমি ম্যাথ জিনিসটা খুব অপছন্দ করি। তাও মেট্রিক আর ইন্টারে ম্যাথে কিভাবে জানি ভালো মার্কস পাইছিলাম। :(
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫০

লেখক বলেছেন: খেক খেক!

৩০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:১০
রাশেদ বলেছেন: হাসো ক্যা?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: কাঁনমু নাকি??!!

৩১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
অক্ষর বলেছেন: ভাইজানরে অনেকদিন পর দেখলাম, আছেন কেমন?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: আছি দৌড়ের উপর ব্রাদার। আপনার কি অবস্থা?

৩২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১১
অক্ষর বলেছেন: এইতো ভাই কোনরকম জীবিত আছি, মরি নাই
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: সেটাই ঢের!

৩৩. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৩
দুরের পাখি বলেছেন: a > b থেকে

log(a) > log (b)

হৈতে হৈলে a,b > 1 হৈতে হবে ।
১৩ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনি অনেক দেরী করে ফেলেছেন ভাই, উপরে পোলাপাইন অনেক আগেই বইলা দিছে!! এনিওয়ে, ধন্যবাদ এবং ভাল থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ২.২৫১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই