আমার প্রিয় পোস্ট
- ভারতবর্ষের অহংকারঃ সম্রাট আওরঙ্গযেব - অগ্রপথিক...
- ইসলামে ঈদ কয়টি ? - truelife4mankind
- যে ৫ টি বিদেশি গোয়েন্দাসংস্থা বাংলাদেশের মাটিতে সর্বাধিক সক্রিয়..আজকের পর্ব আই .এস. আই - অনিক আহসান
- দ্রোহী এবং হত্যাকারীদেরকে শাস্তি দেয়া কি বর্বরতা ছিল? - মুনিম সিদ্দিকী
- হিল্লা বিয়ে নিয়ে চিল্লাচিল্লি - মুনিম সিদ্দিকী
- যে ৫ টি বিদেশি গোয়েন্দাসংস্থা বাংলাদেশের মাটিতে সর্বাধিক সক্রিয়..আজকের পর্ব রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং এর আদ্যপান্ত - অনিক আহসান
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি- ২ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি- ১ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভালবাসা যেখানে মার্কেট প্রোডাক্ট সেখানে প্রতিদিন দেখি সহপাঠীর লাশ - ফারহান দাউদ
- ফেমিনিন সাইকোলজিঃ রহস্যময় জগতে একটি সাইকোঅ্যানালাইসিসের প্রচেষ্টা - অনিমেষ হৃদয়
- হিল্লা বিয়ে কেন অবৈধ? - আইনের সহজ আলোচনা
- রিডার ওয়ান
- চৌধুরি সাহেব!! আই লাভ ইউ।
- জিকসেস
- বড়চর্চা - দীপান্বিতা
- হাত-পায়ে মোজা আর আপাদমস্তক ঢাকাকেই কি 'পর্দা' বলে? - মাহফুজশান্ত
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- ব্লগ আইডল: ব্লগবাজিতে পারঙ্গম বন্ধুরা!!
- এরশাদ বাদশা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গণহত্যার গল্প,রাশিয়ার ক্ষমাপ্রার্থনা এবং আমাদের পাকি প্রেম। - Neelpoddo
- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে একটি লেখা - সৌভিক ঘোষাল
- আমরা মিশেছি ভালোবেসে...গিয়েছি ফেঁসে শেষে : এক ঝলক ব্লগার ইতিহাস (চারবছর পূর্তির প্রথাসিদ্ধ না, বরং রীতিবিরুদ্ধ পোস্ট )! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ১৯৫ জনের হিসাব জানি, কিন্তু ৭৫২ জনের হিসেব কে দেবে? - নিঝুম মজুমদার
- ফেলানী মরলো; আর আমি ভাদা হতে চাই! - সজল শর্মা
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের সাধারন ক্ষমা নিয়ে একজন আইনজীবির মিথ্যাচার এবং প্রকৃত ঘটনা - এস্কিমো
- হঠাৎ করে এত নাস্তিক এর আবির্ভাব বাংলাদেশে কিভাবে হল? জানতে হলে পড়ুন: - একলা বগ
- ব্লগে ১ বছর পূর্তি, ভালোলাগায় ভালোবাসায় :: নিজের কোনো এক সময়ের খন্ডিত আত্মকাহিনী। - স্বাধীকার
- গ্রন্থ আলোচনা: পরার্থপরতার অর্থনীতি - সামিও শীশ
- নাস্তিকদের গরুর রচনাঃ এরা পরিক্ষায় কম মার্ক্স পায় কেন? - মজলুম
- ইসলাম বিদ্বেষী লেখালেখির জন্যে যারা টাকা পয়সা দেয়, The Fear Incorporated - মজলুম
- পোস্ট গ্রাজুয়েটের জীবন থেকে নেয়া - বাঙ্গাল
- ফাহমিদুলের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান: পুনর্পাঠ - ভূপর্যটক
- 'কি বা হায় আসে যায়... তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার?' - সাঈফ শেরিফ
- যে দুটি গান পুরোটা জীবন জুড়ে - খলিল মাহ্মুদ
- নজরুল-নজরুল-অ্যারন নজরুল - হেমায়েতপুরী
- এক দরবেশ বাবার গল্প.. - কাজী রিদয়
- রাসূল (সাঃ) এর সাথে বিয়ের সময় আয়শা (রাঃ) র বয়স ৬ বছর ছিল এটা এক বিরাট ঐতিহাসিক ভ্রান্তি। - গুপী গায়েন
- আ-না বিষয়ক হুমায়ূন আহমেদ এর একটি লেখা (পুরনো) - সাধারণ মুসলমান
- নাস্তিক সম্মেলনে কিছু উপলব্ধি - অবিরাম বাংলার মুখ
- পশ্চিমাদের প্রচারণা ও ইরানের প্রকৃত স্বরূপ - আবদুস সামাদ আজাদ
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখাই পড়ুন-২ (উতসর্গ অমি রহমান পিয়াল) - আমি সাগর
- মুক্তিযুদ্ধে পতৌদির অবদানের অজানা কথা {আসুন ভারতীয়দের ভালো কাজ কে সাধুবাদ জানাই, মন্দ কাজে(সীমান্ত হত্যা) করি তীব্র প্রতিবাদ} - তাশফী
- নরাধমের মিথ্যার অভিযোগটি মিথ্যা অভিযোগ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আমার যত প্রিয় বল্গারস,পর্ব ১ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
-
প্যারোডি কবিতা : বনলতা সেন [উৎসর্গ - ডিজ্যুস জেনারেশন]
- কবি রাজ
- Interview with Muhammad Ali - মেলবোর্ন
- হুমায়ুন আজাদ যেখানে জিতে গেছেন - মুহম্মদ জুবায়ের
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- গণিকা-সংস্কৃতি ও বাঙালি সমাজ / আবুল আহসান চৌধুরী - ফকির ইলিয়াস
- বঙ্গের সংস্কৃতি ও ইতিহাস - অসামাজীক
- বিশ্বায়ন, মুক্তবাজার ও সাম্প্রতিক সাহিত্য - প্রবালাহমেদ
- বাংলাদেশের গণমাধ্যম: ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা, ৫০ বছরের পূর্বাভাস - ফাহমিদুল হক
- সিরাজ সিকদার: অন্য আলোয় দেখা- প্রথম পর্ব - বিপ্লব রহমান
- গান-বাজনা প্রসঙ্গে আল্লামা শায়েখ ইউসুফ কারাযাভীর ইসলামী ফতোয়া - সৈয়দ মবনু
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র রচনাবলী অনলাইনে - বংশী নদীর পাড়ে
- কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে কিছু অপপ্রচার - অমি রহমান পিয়াল
- সত্যের সন্ধান : আরজ আলী মাতুব্বর (পর্ব: ০৫) - এমএ হোসেন
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কিছু প্রামাণ্য দলিল - রাগ ইমন
- কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ৩ - পারভেজ আলম
- ঠিক কতটা (অপ)বিশ্বাস মুক্ত হলে মৌলবাদী হবার অপবাদ থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে? - সাঈফ শেরিফ
- এক, দুই, তিন তালাক এবং চতুর্থ বিয়ে হিল্লা (২) - নাজনীন১
- রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষেরা : একটি নাটকীয় ইতিহাস - ৩ - অনিমেষ হৃদয়
- আমার নাস্তিক ভাবনা(৫) : আল্লাহ কে? - কাঙ্গাল মুরশিদ
- শুভ জন্মদিন নরাধম ওরফে নাড়িয়া চাচ্চু
(আজকে অথবা ২৮ তারিখ চাচ্চু শিওর না
) - আউলা
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- হঠাৎ-দেখা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রিয় এ কবিতা ) - সহেলী
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- এইসব ভালো লাগে । জীবনানন্দ দাশ - রোজনামচা
- রাশাদ খলিফা ১ : সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াত - মাসুদুল হক
- উইকিতে ত্রিভূজের ভন্ডামী - মুনতাসির হাসান
- ত্রিভুজ ভাই আমার কথা একটি বারের জন্য ও বললেন না!!!!!!!!!! - jewelosman
- চৌধুরী জাফরউল্লাহ শরাফত সমগ্র - শুভ্র নামের ছেলে
- বিশ্বায়নপ্রভাবিত বাংলাদেশের মিডিয়া: কারণ অর্থনৈতিক, ফল সাংস্কৃতিক - ফাহমিদুল হক
- জেনে রাখুনঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কথা যা হাদীস নামে পরিচিত কিন্তু বাস্তবে এগুলো কোন হাদীস নয়। - আব্দুর রহমান
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- যে প্রশ্ন উত্তর না পেলে আর ভাল লাগছেনা ! - ব্যঞ্জনবর্ন
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- ডিএসই শেয়ার মূল্যের আর্কাইভ ও এনালাইসিস। - ব্রাইট
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- সোমালিয়ার হতভাগা জলদস্যুরা: ‘তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে!’ - ফারুক ওয়াসিফ
- ``মণিপুরী ভাষা`` বেঁচে থাকবে আমাদের এই বাংলাদেশেও স্ব- মহিমায় - হামোম প্রমোদ
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ইসলামে উত্তরাধিকার আইন (১): কতটা গাণিতিক ব্যবহারিক আইন - মাসুদুল হক
- উত্তারাধিকার-আইন নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার হাস্যকর চেষ্টাঃ আসলেই কি কোরআনের সুরা নিসার ১১ ও ১২ নং আয়াতের হিসাবে ভুল আছে? - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নরুর লাইগা ফিস কারি রেসিপি..
- সমালোচনাকারী
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমরা যারা ভালবাসা খুঁজি... - ...অসমাপ্ত
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি - বিষাক্ত মানুষ
- উড়ালপঙ্খী - এরশাদ বাদশা
- সেই পুরানো প্যাচাল - আউলা
- দেখে নিও, একসময় নব্বই হারিয়েই যাবে - জ্বিনের বাদশা
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- বিক্ষিপ্ত ভাবনা - আউলা
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ৩৭ বছর পরও তোমার মাংস খাওয়া কুকুরেরা রয়ে গেছে, মা জননী! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- মধ্যবিত্তের পরিচয়চিহ্ন ০৬ (শেষ পর্ব) - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- বাংলা যখন হিন্দি হলো ... হায় রবীন্দ্রনাথ!! - রাগিব
- আপনার বউ এবং গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে ঝগড়ায় হারাবেন- দশটি উপায় - সালিশদার
- বঙ্গবন্ধুর ক্ষমা, জামাতের রাজনীতির অধিকার এবং অন্যান্য প্রসংগ - - এস্কিমো
- সিমলা চুক্তির কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি বা বিচার না করার কোনো কথা নেই - শওকত হোসেন মাসুম
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- হায়দার মওদুদী - আব্দুল মওদুদীর পোলা বলেন - সালিশদার
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- পাঞ্জেরি (উচ্চ মাধ্যমিকের কবিতার প্যারোডি) - বহুরূপী মহাজন
- জামাতী চিন্তাধারার দেউলিয়াত্ব: - আড্ডাবাজ
- কবিতা - পরাজয় আমার জন্য নয় - আদনান ফায়সাল
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- ফিরে দেখা ১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তান যেখানে আকাশও কাঁদে : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১১ - মিরাজ
- শুধু খুলনাতেই শহীদ হইছিল এক লক্ষ বাঙালী - নীতিশ বৈরাগী
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- তাজউদ্দিন আহমেদ - নিঃসঙ্গ সারথি ( যারা দেখতে চান: উতসর্গ - "জেনারেল") - এস্কিমো
- ভিনদেশী মানুষ, আমাদের বীরপ্রতিক : : তবু নাগরিক নয় !!! - হাসান মোরশেদ
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- রাজাকাররে জবানবন্দি (চলবে) - মিসকিন
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- হোসেইনের আত্মপোলব্দি জনিত ছড়া - হোসেইন
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- মওদুদী মাদারীর গল্প - সুমন চৌধুরী
- ছড়া দিলাম ছড়িয়ে - কামভাই
- কবিতা ।। বড়লোকদের সঙ্গে আমি মিশতে চাই (2002) - ব্রাত্য রাইসু
একজন খুব সাধারণ বাবার জন্য।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১২
আমার বাবা মারা গেলে কাছের লোকজন বলবে "খুবই ভাল ছিল লোকটা ।" কেউ কেউ হয়ত বাবার সাথে তাদের শেষ কবে দেখা হয়েছে, কি কথা হয়েছে সেটা স্মরন করবে। ব্যস! এই তো। কেউ তার মৃত্যুর জন্য স্মরণসভা করবেনা। বা টিভিতে তার মৃত্যুর খবর প্রচারিত হবেনা। সংবাদপত্রে তার বিভিন্ন অবদান নিয়ে কেউ কলাম লিখবেনা। তার আত্মীয়স্মজনের ছেলেমেয়েদের মধ্যে যারা অমনোযোগী ছাত্র/ছাত্রী তাদেরকে ভাল বানানোর জন্য আমার বাবার আপ্রাণ চেষ্টাকেও হয়ত তারা ভুলে যাবে দুদিনের মধ্যেই। বাড়ির মসজিদের যে আমগাছ আর লেবুগাছের পরিচর্যা করেন সে গাছগুলি একসময় ফল দিবে, অনেকেই সেই সুস্বাদু ফল উপভোগ করবে, তবে কেউই হয়ত সেই গাছের পরিচর্যা কে করেছিল সেটার কথা কষ্ট করে মনে আনার চেষ্টা করবেনা। ছোট চাচাকে বাড়ি বানিয়ে দেয়ার জন্য যে রাতদিন চেষ্টা সেটা হয়ত চাচাত ভাইয়েরা কোনদিন জানবেনা, হয়ত চাচা নিজেই ভুলে যাবেন।
আমার বাবা খুবই সাধারন। অসাধারণ কোন অর্জন নেই তার সারাজীবনে। কোনদিন কোন এমপি-মন্ত্রী ছিলেননা। উচ্চশিক্ষিতও না। লোকে লক্ষ্য করার মত বা মনে রাখার মত কোন কাজই তিনি করতে পারেননি। কোন অনুষ্ঠানে আমার বাবার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি কাউকে কনসার্ন করেনা। সামাজিক অনুষ্ঠানে আমার বাবার মতামতকে তেমন কেউ প্রাধাণ্য দেয়না। শুধু আমার মা ছাড়া আর কেউ তাঁকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যক্তি মনে করেনা। আত্মীয়স্বজনের সবার প্রয়োজনে সবসময় সবার আগে গেলেও কোনদিন তাঁকে স্বীকৃতি পেতে দেখিনি। স্বীকৃতি পাবার জন্য অবশ্য তিনি কাংগালই না। আমার বাবা সারাজীবন নিম্নমধ্যবিত্ত (একটা নির্দিষ্ট সময় নিম্নবিত্ত) জীবনযাপন করেছেন।পরিবারকে সুখে রাখার জন্য তাঁর আপ্রাণ চেষ্ঠা থাকলেও তিনি বেশিরভাগ সময় পরিবারকে সুখে রাখতে পারেননি। আমাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেই তার হিমশিম খেতে হত। আমরা কোনদিন তাঁর কাছ থেকে দামী খেলনা চাইনি। খুব কম বয়স থেকেই বুঝে গিয়েছিলাম বাবার সামর্থ্য। খরচ কম হওয়ার জন্য তিনি আমাদের সাদা কাগজ না দিয়ে নিউজপেপার কিনে দিতেন। অনেক সময়ই মাসের শেষের দিকে নিউজপেপারে পেনসিল দিয়ে লিখতে বলতেন, যাতে মুছে আবার তার উপর লেখা যায়। আমার বাবা আমাদেরকে কখনও প্রাইভেট টিউটর দিতে পারেননি। বরং নিজেদের খরচ চালানোর জন্য সেই কতবছর থেকে যে ভাইয়া আর আমি নিজেই টিউশানি করে আসছি। স্কুলে রেজাল্ট ভাল ছিল বলে বেতন ফ্রি ছিল, কিন্তু পরীক্ষার ফি দিতে গিয়েই বাবাকে হিমশিম খেতে হত।
আমার বাবার ব্যক্তিত্ব নেই সেটা মনে করলে ভুল করবেন। ব্যক্তিত্বটা সরাসরি টাকার সাথে সম্পর্কযুক্ত। আপনার ব্যক্তিত্ব ব্যাংক ব্যালান্সের সমান দীর্ঘ। আমি যদ্দুর দেখেছি তাতে মনে হয়েছে বাবার মত এত স্ট্রং পারসোনালিটিসম্পন্ন লোক খুব কমই আছে। বিশেষ করে আমাদের প্রাইমারী স্কুল জীবনে যখন তাঁর অর্থনৈতিক অবস্থা মোটামোটি ভাল ছিল তখন তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল যেকোন বিচারে ঈর্ষনীয়। কিন্তু ক্রমাগত অর্থনৈতিক ধাক্কায় কখন যে একটা শক্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ধীরে ধীরে "সমাজের চোখে" তার প্রখর ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছেন সেটা আমার কাছে বিস্ময়ের বিষয়। একটা মানুষকে যারা ১বছর আগেও দেবতা মানত তারাই আবার শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ডাউনফলের জন্য তাঁকে দুপয়সারও পাত্তা দেয়না। বাবাকে আমরা কোনদিন খুব কাছে পাইনি। সেসময়ে অসম্ভব রাগী হওয়াতে তাঁর কাছে ভিড়ার সাহস পাইনি। বাবা আমাদেরকে কোন অন্যায় করলে শাস্তি দিতেন কানে ধরে উঠবস করা ১০বার। যতবড় বা যতছোট অপরাধই হোক, শাস্তি একই। মাঝে মাঝে ১টা চড় মারতেন মাথায় বা গালে। এখন রেট্রোসপেকশানে দেখি সেসব মাঝেমাঝে একটা চড় বা কদাচিৎ কানেধরাণো ছাড়া তো বাবা কঠিন কোনদিন শাস্তি দেননি। তবুও কেন তাঁকে জমের মত ভয় পেতাম? কেন যৌবনে এসেও আমি বা ভাইয়া বাবার সাথে ২ মিনিটের বেশি কথা বলতে পারিনা? কেন তার চোখে চোখ রাখতে পারিনা? আসলে এখন বুঝি তিনি আমাদের ছোট বয়সে তার আশেপাশে যে ব্যক্তিত্বের একটা দেয়াল গড়েছিলেন সেটা ভেদ করা সম্ভব না আর। তাঁর কন্ঠে এখন ফোনে কথা বললেই কেমন যেন একটা কোমলতা বা হাহাকার শুনতে পাই। এটা আমাদের কাছে না পাওয়ার হাহাকার। কিন্তু এই ২৫ বছরে যে আমরা অনেক দূরে চলে গিয়েছি? সেই দূরত্বটা অতিক্রম করি কিভাবে? ফোনে কথা বলার জন্য যে কোন কথাই খুঁজে পাইনা? মা'র সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বললেও কথা ফুরোয়না, কিন্তু বাবার সাথে "কেমন আছ" এই একঘেঁয়ে প্রশ্নটা ছাড়া আর কোন কিছুই খুঁজে পাইনা।
বাবা আমাদেরকে শুধু লেখাপড়াবিষয়ক ছাড়া অন্য কোন কথা বলতেন খুব কম। শুধু দেখতাম রাতে মশারী ছাড়া ঘুমালেও সকালে মশারী টাংগানো। বালিশ ছাড়া ঘুমালেও রাতে মাথার নিচে বালিশের নরম স্পর্শ। আর রাতে কপালে বাবার হাতের স্পর্শ। প্রতি শুক্রবারে সকালে আমাদের নখ কেটে দিতেন। দেখতাম যখন এইচএসসি পড়তেছি তখন কোনদিন দেরী করে ফিরলে বাবা বাসস্টেশানে গিয়ে বসে থাকতেন। আমি কখন ফিরি। আমি গাড়ী থেকে নামলেই বাবাকে দেখতাম। আমাকে বাবা এভাবে পাহাড়া দিক সেটা আমি প্রচন্ড অপছন্দ করতাম। তখন রাজনীতিতে নেমে গিয়েছি, বাবা সারাক্ষণ পাহাড়া দেওয়া মানেই বন্ধুদের কাছে "ভীতু" উপাধি পাওয়া। কিন্তু বাবাকে ভয় পেতাম তখনও, তাই তাঁকে সেটা বলা হয়নি কখনও। মাকে বলেছি কয়েকবার। বাবা যখন বুঝতে পারলেন যে আমি ব্যাপারটা পছন্দ করতেছিনা তখন কিন্তু তিনি আমার জন্য অপেক্ষা করা বাদ দিলেননা। তিনি শুধু আমি যাতে তাঁকে না দেখি আমার জন্য বাসস্টেশানে অপেক্ষা করছেন সেদিকেই নজর দিলেন। তাই আমি দেখতাম আমি দেরীতে বাড়িতে ফিরলে বাবা আমি বাসা ফেরার ঠিক পাঁচ মিনিট পর বাসায় ফিরতেন বাসস্টেশান থেকে।
আমার বাবার সাথে সবচেয়ে মধুর স্মৃতি হচ্ছে যখন আমাদের অসুখ করত। আমাদের ছোটখাট জ্বরেও বাবা সারাক্ষন ছটফট করতেন। রাতে ঘুমুতে পারতেননা। প্রতি ১৫ মিনিট পরপর গায়ে হাত দিয়ে জ্বর দেখতেন। এই যে গায়ে হাত দিয়ে জ্বর দেখতেন তখন আমার যে কি ভাল লাগত। যেন বাবার হাতে জাদু আছে। প্রতি আধাঘন্টা পরপর উঠে কাঁথা ঠিক করে দিতেন। অফিস থেকে খুব তাড়াতাড়ি চলে আসতেন। বাবার একটা ব্যাপার এখনও কাউকে বলতে আমার খুবই লজ্জা লাগে। সেটা হচ্ছে আমাদের কাপড় ধুয়ে দেয়া। ছোটকালে শুক্রবারে মসজিদের বিরাট পুকুরে বাবার সাথে গোসল করতে হত। বাবা গায়ে এমন ডলা দিত যে গায়ের একসপ্তাহের ময়লা ভয়ে পালাত। আমাদের গা লাল হয়ে যেত! এরপরে বাবা আমাদের কাপড় ধুয়ে দিত। ছোটকালে কাপড় ধোয়াটা মানা যায়, কিন্তু যখন বড় হয়ে গিয়েছি তখনও বাবা আমাদের লুংগি আর প্যান্ট ধুয়ে দিত। এটা ছিল আমার জন্য চরম লজ্জার। কিন্তু সাহস করে কোনদিন বলতে পারিনি যে বাবা, আমার লুংগি/প্যান্ট আমিই ধুব। যখন ঢাকা থেকে যেতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেছি, তবুও তিনি আমার প্যান্ট ধুয়ে দিতেন। এ পর্যায়ে এসে মনে হত আমারও উচিৎ আমার বাবার লুংগি ধুয়ে দেয়া, মশারি টাংগিয়ে দেয়া। প্রতিবারই মনে হত আজকে নিশ্চয়ই আমি বাবার মশারি টাংগিয়ে দিব আর আমারটা আমিই টাংগাব। কিন্তু ঠিকই বাবা আমার মশারি টাংগিয়ে দিলেন, যখন টাংগাতেন তখন কতবার বলতে চেয়েছি বাবা, আমিই টাংগাই? বাবা যখন নিজের মশারি টাংগাত, তখন মনে হত বাবাকে বলি, বাবা, আমি টাংগিয়ে দিই? কিন্তু কথাটা মুখ দিয়ে বের হওয়ার সাহস হয়নি কোনদিন। আর বাবার মশারি টাংগিয়ে দেওয়াও হয়নি।
ঈদের সময় কোনদিন বাবার সাথে কোলাকোলি করা হয়নি। কত শত মানুষের সাথে কোলাকোলি করলাম, কিন্তু বাবার সামনে কখনও পড়িনি ঈদের দিন কোলাকোলি কিভাবে করব সেই ভয়ে। কোনদিন বাবার সাথে হ্যন্ডশেইক করা হয়নি। ঢাকা থেকে গেলে মা আমাকে পাক্কা পাঁচ মিনিট জড়ি্যে ধরতেন। বাবা কোনদিন জড়িয়ে ধরেননি, এমনকি বাবার সাথে এতদিন পরে আসার হেতু কোলাকোলি বা নিতান্ত পক্ষে হ্যান্ডশেইক করা হয়নি। সেই যে ছোটকালে ভয়ের দেয়াল? সেটা আর ভাংগা হয়নি, অনেকবারই বাবা চেয়েছেন সেটা ভাংতে কিন্তু এমন অকোয়ার্ড অবস্থা তৈরী হয় যে সেই দেয়াল আর ভাংগতে পারিনি আমি বা ভাইয়া কেউ। মা'র সাথে ভাইয়া আর আমি হয়ত জোরে আড্ডা দিচ্ছি, যেই মুহুর্ত্যে বাবা আসল সবাই চুপ। বাবা এসে একটু ঘুরে গিয়ে যখন দেখল যে আমরা চুপ করে আছি, তিনি আবার চলে যেতেন। আমি জানি বাবারও কতসময় ইচ্ছে হয়েছে তাঁর সন্তানদের সাথে সুখ-দুঃখ শেয়ার করা। কিন্তু হয়নি সেটা।
আমার বাবা কোনদিন মন উজার করে তার সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারেননি। আমার দাদী মারা যান বাবা'র সাত বছর বয়সে, মার স্নেহ হারান অল্পবয়সে। আমার দাদা পরে আরো বিয়ে করেন, বাবার দিকে কোনদিন নজর দেওয়ার সময় পাননি তিনি। বাবা তার বড়বোনদের হাতে মানুষ। ১মাস এখানে দুমাস ঐখানে এভাবেই বড় হয়েছেন তিনি। কোনজায়গায় স্থায়ী হতে পারেননি। একটু বড় হয়ে দেখলেন যে তাঁর বড়ভাইয়েরা তাঁকে বন্ঞিত করে নিজেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করে নিয়েছেন। বাড়ির ভিটেটাও তাঁকে দেয়নি। মা নেই, বাবা নেই, ভিটে নেই। বোনের বাড়িতে থাকাও সম্ভব না আর। সেই যে ভালবাসা-স্নেহবন্ঞিত ছেলেটি জীবনযুদ্ধে তথাকথিত আদর্শ ধরে রাখতে গিয়ে ক্রমান্বয়ে পরাজিত হয়েছেন, প্রতারিত হয়েছেন। কখন যে বুড়ো হয়ে গিয়েছেন নিজেরও খেয়াল নেই। এখন বাবার মধ্যে সেই রাগী মানুষটার কিছুই অবশিষ্ট নেই। কেমন জানি খুবই মানিয়ে-নেওয়া টাইপ হয়ে গেছেন। এখন তাঁকে দেখলে আমার মনের গভীরে একটা দীর্ঘশ্বাস আসে। আহা! কি মানুষ ছিল।
ভাইয়ার বন্ধু মহিউদ্দিনভাই। উনি থাকেন মিডলইস্টে একটা টেক-ফার্মে চাকরি করেন। বাবা আমাদের বন্ধুদের সাথে তেমন কথাবার্তা বলেননা। এবার মহিউদ্দিনভাই দেশে গেলে ঈদের সময় বাবা ঈদের নামাজ শেষে খুঁজে খুঁজে বের করলেন মহিউদ্দিনভাইয়ের বাড়ি। সেখানে গিয়ে মহিউদ্দিনভাইকে জড়িয়ে ধরে কি কান্না। গত ঈদই আমার বাবার জীবনে একমাত্র ঈদ যখন আমি আর ভাইয়া দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর বাসায় গিয়ে সারাদিন শুয়ে থাকলেন। তার যক্ষের ধনের মত দুইছেলে, যাদেরকে সবসময় আগলে রেখেছেন পৃথিবীর কূৎসিত রুপ থেকে তারা দুজনেই নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য তাঁকে ছেড়ে অনেক দূরে অন্যজগতে আজ। তাই তিনি তাঁর ছেলের বন্ধুদের মাঝে এখন ছেলেদের ছায়া দেখে বেড়ান।
আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যে আমি আর বাবা পাশাপাশি হাটতেছি আর মজার মজার গল্প করতেছি। আমার স্বপ্ন হচ্ছে বাবা আমাকে তার সারাজীবনের গল্প শুনাবে। বাবাকে বলতে ইচ্ছে হয়, বাবা, তুমি কোনদিন নিজের কথা বলনি। সেই ছোটকাল থেকে একলা চলেছ। চলনা, আমরা কোথাও একটু বসি। দুজনে দুটা চা বা কফির কাপ নিয়ে সারাটা বিকেল আড্ডা মারি। সুর্য্যটা আস্তে আস্তে পশ্চিমে হেলে পড়বে, আমাদের গল্প ফুরোবেনা। পড়ন্ত বিকেলে বাপ-ছেলের অন্তরংগ সুখদুঃখের আলাপের স্বর্গীয় দৃশ্য। তুমি কিভাবে মা-হারা জীবন কাটালে সেটার গল্প বল যাতে আমি মাকে পেয়ে কত সৌভাগ্যবান সেটা বুঝতে পারি। তুমি জীবনকে কিভাবে দেখ তোমার কাছ থেকেই শুনতে চাই আমি যাতে আমার জীবনে তোমার জীবনের শিক্ষা কাজে লাগাতে পারি। মা-হারা, অভিভাবক হারা হয়েও তুমি কিভাবে কোনদিন ভুলপথে যাওনি? কোনটা নৈতিক আর কোনটা অনৈতিক সেই জ্ঞানটা তুমি কিভাবে এতভালভাবে রপ্ত করলে?
আমি স্বপ্ন দেখি আমি দেশে গেলে বাবাকে মশারি টাংগিয়ে দিব, সাহস করেই। আমি বাবার কাপড় ধুয়ে দিব, কোন সংকোচ না করেই। বাবার গায়ে একটা অসম্ভব মিষ্টি গন্ধ আছে, সততার গন্ধ। আমি বাবার গন্ধ নেব নাকভরে। এবার তোমাকে যা কেউ হয়ত কোনদিন বলেনি আমি সেটাই বলব, তোমার হাত ধরেই বলব বাবা, তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা। বাবাকে বলব বাবা, তুমি হয়ত অন্যদের চোখে এক সাধারণ মানুষ, কিন্তু আমি তোমার গা ছুয়ে বলছি তুমি আমাদের জন্য অসাধারণ। আমি বাবাকে নিশ্চিত বলব বাবা, তুমি এক অনন্য মানুষ। তুমি তোমার বর্তমান ত্যাগ করেছিল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, তাই আমাদের সব অর্জন তোমার জন্য, তোমার তরেই। বাবা, এই লেখা তোমার কাছে কোনদিন পৌঁছাবেনা। দেশে গেলেও তোমাকে হয়ত সাহস করে কোনদিন বলতে পারবনা, যদিও এখন স্বপ্ন দেখছি বলার, যে তোমাকে প্রচন্ড মিস করি। বাবা, তোমাকে বলতে না পারলেও তুমি নিশ্চয়ই বুঝে নেবে। তুমি ঠিক বুঝে নিও বাবা, যে তোমাকে ভালবাসি অনেক। তুমি তো বাবা, তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে।
হয়েছে কি বাবা জান? প্রায় তিনমাস পর অনেক লম্বা বিশৃংখল চুল কেটে শেভ করে যখন আজ আয়নার সামনে দাড়ালাম, নিজেকে দেখে ভুত দেখার মত চমকে উঠেছি। আমি নিজের চেহারা আর তোমার যৌবনের চেহারার কোন পার্থক্য করতে পারিনি। সৃষ্টিকর্তা অনেক ফেভার করেছেন আমাকে, কিন্তু তোমার চেহারাটা আমাকে দিয়ে দেওয়াটা সবচেয়ে বড় ফেভার। তোমাকে ভালবাসি বাবা। We love you Baba, whether we can ever tell you or not.
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নরাধম বলেছেন:
অনেক আগের লেখা। ড্রাফটে ছিল। আজ একটু এডিট করে পোস্ট করলাম।
অলস ছেলে বলেছেন:
খুব হৃদয়স্পর্শী লেখা।
লেখক বলেছেন: অলস ছেলে, ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আতিকুল হক বলেছেন:
চমৎকার লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হোলসেল বলেছেন:
হ কথা ঠিক। নরাধম ভাই, বাংলার ভিত্রে শক্ত শক্ত ইংলিশ ইউজ করেন ক্যান? পড়তে গিয়ে দাঁতে বেথা পাই যে।
লেখক বলেছেন: স্নোবলভাই, কেমন আছেন? ব্যাথা কি বেশি? ডাক্তার দেখান।
লেখক বলেছেন: লগ-আউট করে চলে যাচ্ছিলাম। আবার মনে হল কথাটা বলি। আপনার নিকগুলো বড়ই সৌন্দর্য্য মিঠাইভাইয়া। ভাল থাকবেন।
সহেলী বলেছেন:
অসাধারন ! এমন করে লিখতে পারলেন ? আপনার বাবার জন্য শ্রদ্ধা ।
আমার কেন মনে হচ্ছে আপনি নিজের সন্তানের একচন ভাল বাবা হবেন , যার রয়েছে এমন বাবার জন্য অনুভুতি ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
হোলসেল বলেছেন:
ছি ছি, স্নোবল কে নরাধম ভাইয়া? তো মার্চে নাকি আপনে খেইল দেখাইবেন বলসিলেন? এখন কি বোসটনে আছেন? হার্ভার্ড এ এডমিশন নিছেন?
হোলসেল বলেছেন:
স্নোবল কে, মিঠাই কে? উনারা কারা? ছি ছি, ভাইয়া।
ব্লগেশ্বর বলেছেন:
ভালো লাগল লেখাটা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ধুরো, চোখে ধুলোর মতো কি জানি পড়লো...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
চমৎকার লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
ঘাসফুল বলেছেন:
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ধুরো, চোখে ধুলোর মতো কি জানি পড়লো...
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মন খারাপ হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ হওয়ার জন্য দুঃখিত আউলা।
কিউরিয়াস বলেছেন:
আপনার মশারী টানিয়ে দেয়ার শখ যেন পূরণ হয়।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
কিছু লেখার দরকার কিন্তু কি লিখব, কেমনে লিখব বুজতাছি না।
আপনার বাবার সাথে আমার বাবার কেমন জানি অনেকখানি মিল,
এখনো পুরোপুরি সহজ হইতে পারলাম কেউ;
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
কিছু লেখার দরকার কিন্তু কি লিখব, কেমনে লিখব বুজতাছি না।
আপনার বাবার সাথে আমার বাবার কেমন জানি অনেকখানি মিল,
এখনো পুরোপুরি সহজ হইতে পারলাম না কেউ;
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: আমারও সেটাই প্রশ্ন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধীবর বলেছেন:
নরাধম ভাই, অভিনন্দন অনেক। এত আবেগ দিয়ে এমন লেখা আমার চোখে পড়েনি। আসলে প্রবাসে আমরা অনেক কিছু পাই সত্যি, কিন্ত তার জন্য অনেক মুল্য পরিশোধ করতে হয় আমাদের। অর্থের মুল্যে সেই আবেগকে তোলা যাবে না পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়েও।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ধীবরভাই।
যীশূ বলেছেন:
রেখে দিলাম কাছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক আপনাকে।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আমিও শোকেসে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।
চাতকপাখি বলেছেন:
নরাধম ভাই - আপনার হৃদয়টাকে computer এর keyboard এর মাধ্যমে মেলে ধরলেন ক্যামনে! আবেগে চোখে পানি এসে যাবার যোগাড়!আপনার এবং আপনার বাবার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনার লেখার হাত ভাল। ভিতরে আগুন না থাকলে ভাল লেখা যায় না; যা আপনার মধ্যে আছে। ছাড়বেন না কিন্তু।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাতকপাখি। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা....পরীক্ষায় ফাটাইলান তাইলে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
মর্মস্পর্শী। আপনার বাবার জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।
জেমী বলেছেন:
লেখাটা পড়ে ২য় বার স্পীচলেচ হলাম........।আমার চুপচাপ স্বভাবের কারণে ছোটবেলা থেকেই বাবার সাথে আমার নীরব দূরত্ব রয়েছে..........তারপরও নিজের প্রতি বাবার ভালোবাসার উত্তাপ অনুভব করি সবসময়!!!!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জেমী।
প্রিয়তে নিলাম
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনারে সালাম দুইটা কারনে
প্রিয়তে নিলাম
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনারে সালাম দুইটা কারনে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শূন্য। সালাম কেন?
লেখক বলেছেন: ভাল থেক ইমন।
লেখক বলেছেন: একমত ফারহান।
রবিন০৪ বলেছেন:
ভাইরে কি লিখছেন !! চোখে পানি আইসা গেল। আমার নিজের বাবার কথাও মনে পড়ে গেল। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
রাশেদ বলেছেন:
হু!
লেখক বলেছেন: হু!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ব্যস্ত ছিলাম তখন। এখন কয়েকদিন একটু কম ব্যস্ত আছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: কেমন আছ সৌরভ?
রাশেদ বলেছেন:
শুভ নববর্ষ!
লেখক বলেছেন: হাহাহহাহহা.......অনেকদিন পরে তোমারেও শুভ নববর্ষ!
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ে মনটা খুব খারাপ হলো। কারণ, আপনি বাবাকে যে কথাগুলো বলতে চান, আমিও ঠিক সে কথাগুলো বলার জন্য ভিতরে আনচান করছে। কিন্তু আপনিতো দেশে ফিরে বলতে পারবেন, আমিতো আমার বাবার দেশে এখন যেয়ে বলতে পারছিনা, হয়তো যাবো একদিন, তখন আর ফিরবনা আরকি।
লেখক বলেছেন: আমি খুব দুঃখিত। আপনার বাবার জন্য আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আপনি ভাল থাকুন।
চাতকপাখি বলেছেন:
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: কি খবর মাহফুজ??খুব ব্যস্ত নাকি ভাইটু?
ভাই মাহফুজটা কে?
মাহফুজ/নরাধম ভাই অনেক দিন লেখা নাই! ফাটাফাটি আর একটা ছাড়ছেন।
লেখক বলেছেন:
মাহফুজ কে সেটা তো আমিও জানিনা ভাই! ধন্যবাদ আপনাকে অনেক।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: নুশেরাপু, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।
তনুজা বলেছেন:
অনেককাল আগে কারো বিটকেল অনুরোধে মা'কে নিয়ে একটা কবিতা লিখতে হয়েছিল যা আজ সংগ্রহে নেই ----মূল কথাটা ছিল এরকম; আয়নার সামনেই দাড়ালে আমি বাইশ বছরের সেই তরুণীকে দেখি , এক না দেখা চরিত্রের সব এখন উপলব্ধি করতে পারছি---'মা' পরিচয়ের আগে কেমন ছিল সে আপনার আয়না দেখার সাথে কথাগুলো কিভাবে মিলে গেল। আসলে কি জানেন মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া সবারই বুঝি এরকম । আর যারা বাইরে আছি বলার কিছু নেই , শুধু মনে হয় মানুষ সন্তানের বৃদ্ধি কেন চায়, কেন চায় তার সফলতা, কেন ডিগ্রী, উপার্জন, প্রতিপত্তি ...
যত বড় হয়েছি প্রবলপ্রতাপ বাবা মারা ধীর হয়েছেন , ন্যুব্জ হয়েছেন , হয়েছেন স্নেহকাতর... সন্তানের বাইরে কোন পৃথিবী নেই..তাদের বুঝি রাজনীতি নেই, আড্ডা নেই, গেটটুগেদার নেই , লং ড্রাইভ নেই, ব্লগ নেই, মিউজিক নেই ------আছে শুধু মেয়ের ছবি নিয়ে বসে থাকা, ফোনে কেমন আছি শোনা, আর আত্মীয় প্রতিবেশিদের সাথে তারই কথা বলা
শুধু কাছে থাকলেই যেন বাড়িময় তাদের কি একটা ভরে থাকে -----আমাদের পৃথিবী বড় হতে হতে তাদের হয়েছে সীমিত
সাইকেলটা এরকমই ------যারা একই প্রজন্মের, হয়তো পরের দশকের গল্পটা অন্যরকম হবে
ভাল থাকুন , শ্রদ্ধা সেই বাবাকে
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের সাথে ভীষনভাবে একমত।
"আর যারা বাইরে আছি বলার কিছু নেই , শুধু মনে হয় মানুষ সন্তানের বৃদ্ধি কেন চায়, কেন চায় তার সফলতা, কেন ডিগ্রী, উপার্জন, প্রতিপত্তি ... " এই কথাটা আমাকে প্রায়ই ভাবাই, প্রায়ই। কোনটা আসল সাফল্য সেটা আসলে আমরা হয়ত বুঝতেই পারিনা, জাগতিক সাফল্যের জন্য হয়ত আসল সাফল্যকে পা দিয়ে ঠেলেতেছি, হয়ত জীবনের শেষে এসে মনে হবে মা-বাবার সাথে সময় কাটানোটাই আসল সাফল্য ছিল, সারাজীবনটাই ভুল ছিল। কি জানি।
ভাল থাকুন।
কলম.বিডি বলেছেন:
বাবার গায়ে একটা অসম্ভব মিষ্টি গন্ধ আছে, সততার গন্ধ। আমি বাবার গন্ধ নেব নাকভরে। এবার তোমাকে যা কেউ হয়ত কোনদিন বলেনি আমি সেটাই বলব, তোমার হাত ধরেই বলব বাবা, তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা। বাবাকে বলব বাবা, তুমি হয়ত অন্যদের চোখে এক সাধারণ মানুষ, কিন্তু আমি তোমার গা ছুয়ে বলছি তুমি আমাদের জন্য অসাধারণ। আমি বাবাকে নিশ্চিত বলব বাবা, তুমি এক অনন্য মানুষ। তুমি তোমার বর্তমান ত্যাগ করেছিল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, তাই আমাদের সব অর্জন তোমার জন্য, তোমার তরেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























অফ জিনিস
Click This Link