আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খুব সাধারণ বাবার জন্য।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১২

শেয়ারঃ
0 8 0

আমার বাবা মারা গেলে কাছের লোকজন বলবে "খুবই ভাল ছিল লোকটা ।" কেউ কেউ হয়ত বাবার সাথে তাদের শেষ কবে দেখা হয়েছে, কি কথা হয়েছে সেটা স্মরন করবে। ব্যস! এই তো। কেউ তার মৃত্যুর জন্য স্মরণসভা করবেনা। বা টিভিতে তার মৃত্যুর খবর প্রচারিত হবেনা। সংবাদপত্রে তার বিভিন্ন অবদান নিয়ে কেউ কলাম লিখবেনা। তার আত্মীয়স্মজনের ছেলেমেয়েদের মধ্যে যারা অমনোযোগী ছাত্র/ছাত্রী তাদেরকে ভাল বানানোর জন্য আমার বাবার আপ্রাণ চেষ্টাকেও হয়ত তারা ভুলে যাবে দুদিনের মধ্যেই। বাড়ির মসজিদের যে আমগাছ আর লেবুগাছের পরিচর্যা করেন সে গাছগুলি একসময় ফল দিবে, অনেকেই সেই সুস্বাদু ফল উপভোগ করবে, তবে কেউই হয়ত সেই গাছের পরিচর্যা কে করেছিল সেটার কথা কষ্ট করে মনে আনার চেষ্টা করবেনা। ছোট চাচাকে বাড়ি বানিয়ে দেয়ার জন্য যে রাতদিন চেষ্টা সেটা হয়ত চাচাত ভাইয়েরা কোনদিন জানবেনা, হয়ত চাচা নিজেই ভুলে যাবেন।

আমার বাবা খুবই সাধারন। অসাধারণ কোন অর্জন নেই তার সারাজীবনে। কোনদিন কোন এমপি-মন্ত্রী ছিলেননা। উচ্চশিক্ষিতও না। লোকে লক্ষ্য করার মত বা মনে রাখার মত কোন কাজই তিনি করতে পারেননি। কোন অনুষ্ঠানে আমার বাবার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি কাউকে কনসার্ন করেনা। সামাজিক অনুষ্ঠানে আমার বাবার মতামতকে তেমন কেউ প্রাধাণ্য দেয়না। শুধু আমার মা ছাড়া আর কেউ তাঁকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যক্তি মনে করেনা। আত্মীয়স্বজনের সবার প্রয়োজনে সবসময় সবার আগে গেলেও কোনদিন তাঁকে স্বীকৃতি পেতে দেখিনি। স্বীকৃতি পাবার জন্য অবশ্য তিনি কাংগালই না। আমার বাবা সারাজীবন নিম্নমধ্যবিত্ত (একটা নির্দিষ্ট সময় নিম্নবিত্ত) জীবনযাপন করেছেন।পরিবারকে সুখে রাখার জন্য তাঁর আপ্রাণ চেষ্ঠা থাকলেও তিনি বেশিরভাগ সময় পরিবারকে সুখে রাখতে পারেননি। আমাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেই তার হিমশিম খেতে হত। আমরা কোনদিন তাঁর কাছ থেকে দামী খেলনা চাইনি। খুব কম বয়স থেকেই বুঝে গিয়েছিলাম বাবার সামর্থ্য। খরচ কম হওয়ার জন্য তিনি আমাদের সাদা কাগজ না দিয়ে নিউজপেপার কিনে দিতেন। অনেক সময়ই মাসের শেষের দিকে নিউজপেপারে পেনসিল দিয়ে লিখতে বলতেন, যাতে মুছে আবার তার উপর লেখা যায়। আমার বাবা আমাদেরকে কখনও প্রাইভেট টিউটর দিতে পারেননি। বরং নিজেদের খরচ চালানোর জন্য সেই কতবছর থেকে যে ভাইয়া আর আমি নিজেই টিউশানি করে আসছি। স্কুলে রেজাল্ট ভাল ছিল বলে বেতন ফ্রি ছিল, কিন্তু পরীক্ষার ফি দিতে গিয়েই বাবাকে হিমশিম খেতে হত।

আমার বাবার ব্যক্তিত্ব নেই সেটা মনে করলে ভুল করবেন। ব্যক্তিত্বটা সরাসরি টাকার সাথে সম্পর্কযুক্ত। আপনার ব্যক্তিত্ব ব্যাংক ব্যালান্সের সমান দীর্ঘ। আমি যদ্দুর দেখেছি তাতে মনে হয়েছে বাবার মত এত স্ট্রং পারসোনালিটিসম্পন্ন লোক খুব কমই আছে। বিশেষ করে আমাদের প্রাইমারী স্কুল জীবনে যখন তাঁর অর্থনৈতিক অবস্থা মোটামোটি ভাল ছিল তখন তাঁর ব্যক্তিত্ব ছিল যেকোন বিচারে ঈর্ষনীয়। কিন্তু ক্রমাগত অর্থনৈতিক ধাক্কায় কখন যে একটা শক্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ধীরে ধীরে "সমাজের চোখে" তার প্রখর ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছেন সেটা আমার কাছে বিস্ময়ের বিষয়। একটা মানুষকে যারা ১বছর আগেও দেবতা মানত তারাই আবার শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ডাউনফলের জন্য তাঁকে দুপয়সারও পাত্তা দেয়না। বাবাকে আমরা কোনদিন খুব কাছে পাইনি। সেসময়ে অসম্ভব রাগী হওয়াতে তাঁর কাছে ভিড়ার সাহস পাইনি। বাবা আমাদেরকে কোন অন্যায় করলে শাস্তি দিতেন কানে ধরে উঠবস করা ১০বার। যতবড় বা যতছোট অপরাধই হোক, শাস্তি একই। মাঝে মাঝে ১টা চড় মারতেন মাথায় বা গালে। এখন রেট্রোসপেকশানে দেখি সেসব মাঝেমাঝে একটা চড় বা কদাচিৎ কানেধরাণো ছাড়া তো বাবা কঠিন কোনদিন শাস্তি দেননি। তবুও কেন তাঁকে জমের মত ভয় পেতাম? কেন যৌবনে এসেও আমি বা ভাইয়া বাবার সাথে ২ মিনিটের বেশি কথা বলতে পারিনা? কেন তার চোখে চোখ রাখতে পারিনা? আসলে এখন বুঝি তিনি আমাদের ছোট বয়সে তার আশেপাশে যে ব্যক্তিত্বের একটা দেয়াল গড়েছিলেন সেটা ভেদ করা সম্ভব না আর। তাঁর কন্ঠে এখন ফোনে কথা বললেই কেমন যেন একটা কোমলতা বা হাহাকার শুনতে পাই। এটা আমাদের কাছে না পাওয়ার হাহাকার। কিন্তু এই ২৫ বছরে যে আমরা অনেক দূরে চলে গিয়েছি? সেই দূরত্বটা অতিক্রম করি কিভাবে? ফোনে কথা বলার জন্য যে কোন কথাই খুঁজে পাইনা? মা'র সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বললেও কথা ফুরোয়না, কিন্তু বাবার সাথে "কেমন আছ" এই একঘেঁয়ে প্রশ্নটা ছাড়া আর কোন কিছুই খুঁজে পাইনা।

বাবা আমাদেরকে শুধু লেখাপড়াবিষয়ক ছাড়া অন্য কোন কথা বলতেন খুব কম। শুধু দেখতাম রাতে মশারী ছাড়া ঘুমালেও সকালে মশারী টাংগানো। বালিশ ছাড়া ঘুমালেও রাতে মাথার নিচে বালিশের নরম স্পর্শ। আর রাতে কপালে বাবার হাতের স্পর্শ। প্রতি শুক্রবারে সকালে আমাদের নখ কেটে দিতেন। দেখতাম যখন এইচএসসি পড়তেছি তখন কোনদিন দেরী করে ফিরলে বাবা বাসস্টেশানে গিয়ে বসে থাকতেন। আমি কখন ফিরি। আমি গাড়ী থেকে নামলেই বাবাকে দেখতাম। আমাকে বাবা এভাবে পাহাড়া দিক সেটা আমি প্রচন্ড অপছন্দ করতাম। তখন রাজনীতিতে নেমে গিয়েছি, বাবা সারাক্ষণ পাহাড়া দেওয়া মানেই বন্ধুদের কাছে "ভীতু" উপাধি পাওয়া। কিন্তু বাবাকে ভয় পেতাম তখনও, তাই তাঁকে সেটা বলা হয়নি কখনও। মাকে বলেছি কয়েকবার। বাবা যখন বুঝতে পারলেন যে আমি ব্যাপারটা পছন্দ করতেছিনা তখন কিন্তু তিনি আমার জন্য অপেক্ষা করা বাদ দিলেননা। তিনি শুধু আমি যাতে তাঁকে না দেখি আমার জন্য বাসস্টেশানে অপেক্ষা করছেন সেদিকেই নজর দিলেন। তাই আমি দেখতাম আমি দেরীতে বাড়িতে ফিরলে বাবা আমি বাসা ফেরার ঠিক পাঁচ মিনিট পর বাসায় ফিরতেন বাসস্টেশান থেকে।

আমার বাবার সাথে সবচেয়ে মধুর স্মৃতি হচ্ছে যখন আমাদের অসুখ করত। আমাদের ছোটখাট জ্বরেও বাবা সারাক্ষন ছটফট করতেন। রাতে ঘুমুতে পারতেননা। প্রতি ১৫ মিনিট পরপর গায়ে হাত দিয়ে জ্বর দেখতেন। এই যে গায়ে হাত দিয়ে জ্বর দেখতেন তখন আমার যে কি ভাল লাগত। যেন বাবার হাতে জাদু আছে। প্রতি আধাঘন্টা পরপর উঠে কাঁথা ঠিক করে দিতেন। অফিস থেকে খুব তাড়াতাড়ি চলে আসতেন। বাবার একটা ব্যাপার এখনও কাউকে বলতে আমার খুবই লজ্জা লাগে। সেটা হচ্ছে আমাদের কাপড় ধুয়ে দেয়া। ছোটকালে শুক্রবারে মসজিদের বিরাট পুকুরে বাবার সাথে গোসল করতে হত। বাবা গায়ে এমন ডলা দিত যে গায়ের একসপ্তাহের ময়লা ভয়ে পালাত। আমাদের গা লাল হয়ে যেত! এরপরে বাবা আমাদের কাপড় ধুয়ে দিত। ছোটকালে কাপড় ধোয়াটা মানা যায়, কিন্তু যখন বড় হয়ে গিয়েছি তখনও বাবা আমাদের লুংগি আর প্যান্ট ধুয়ে দিত। এটা ছিল আমার জন্য চরম লজ্জার। কিন্তু সাহস করে কোনদিন বলতে পারিনি যে বাবা, আমার লুংগি/প্যান্ট আমিই ধুব। যখন ঢাকা থেকে যেতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেছি, তবুও তিনি আমার প্যান্ট ধুয়ে দিতেন। এ পর্যায়ে এসে মনে হত আমারও উচিৎ আমার বাবার লুংগি ধুয়ে দেয়া, মশারি টাংগিয়ে দেয়া। প্রতিবারই মনে হত আজকে নিশ্চয়ই আমি বাবার মশারি টাংগিয়ে দিব আর আমারটা আমিই টাংগাব। কিন্তু ঠিকই বাবা আমার মশারি টাংগিয়ে দিলেন, যখন টাংগাতেন তখন কতবার বলতে চেয়েছি বাবা, আমিই টাংগাই? বাবা যখন নিজের মশারি টাংগাত, তখন মনে হত বাবাকে বলি, বাবা, আমি টাংগিয়ে দিই? কিন্তু কথাটা মুখ দিয়ে বের হওয়ার সাহস হয়নি কোনদিন। আর বাবার মশারি টাংগিয়ে দেওয়াও হয়নি।

ঈদের সময় কোনদিন বাবার সাথে কোলাকোলি করা হয়নি। কত শত মানুষের সাথে কোলাকোলি করলাম, কিন্তু বাবার সামনে কখনও পড়িনি ঈদের দিন কোলাকোলি কিভাবে করব সেই ভয়ে। কোনদিন বাবার সাথে হ্যন্ডশেইক করা হয়নি। ঢাকা থেকে গেলে মা আমাকে পাক্কা পাঁচ মিনিট জড়ি্যে ধরতেন। বাবা কোনদিন জড়িয়ে ধরেননি, এমনকি বাবার সাথে এতদিন পরে আসার হেতু কোলাকোলি বা নিতান্ত পক্ষে হ্যান্ডশেইক করা হয়নি। সেই যে ছোটকালে ভয়ের দেয়াল? সেটা আর ভাংগা হয়নি, অনেকবারই বাবা চেয়েছেন সেটা ভাংতে কিন্তু এমন অকোয়ার্ড অবস্থা তৈরী হয় যে সেই দেয়াল আর ভাংগতে পারিনি আমি বা ভাইয়া কেউ। মা'র সাথে ভাইয়া আর আমি হয়ত জোরে আড্ডা দিচ্ছি, যেই মুহুর্ত্যে বাবা আসল সবাই চুপ। বাবা এসে একটু ঘুরে গিয়ে যখন দেখল যে আমরা চুপ করে আছি, তিনি আবার চলে যেতেন। আমি জানি বাবারও কতসময় ইচ্ছে হয়েছে তাঁর সন্তানদের সাথে সুখ-দুঃখ শেয়ার করা। কিন্তু হয়নি সেটা।

আমার বাবা কোনদিন মন উজার করে তার সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারেননি। আমার দাদী মারা যান বাবা'র সাত বছর বয়সে, মার স্নেহ হারান অল্পবয়সে। আমার দাদা পরে আরো বিয়ে করেন, বাবার দিকে কোনদিন নজর দেওয়ার সময় পাননি তিনি। বাবা তার বড়বোনদের হাতে মানুষ। ১মাস এখানে দুমাস ঐখানে এভাবেই বড় হয়েছেন তিনি। কোনজায়গায় স্থায়ী হতে পারেননি। একটু বড় হয়ে দেখলেন যে তাঁর বড়ভাইয়েরা তাঁকে বন্ঞিত করে নিজেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করে নিয়েছেন। বাড়ির ভিটেটাও তাঁকে দেয়নি। মা নেই, বাবা নেই, ভিটে নেই। বোনের বাড়িতে থাকাও সম্ভব না আর। সেই যে ভালবাসা-স্নেহবন্ঞিত ছেলেটি জীবনযুদ্ধে তথাকথিত আদর্শ ধরে রাখতে গিয়ে ক্রমান্বয়ে পরাজিত হয়েছেন, প্রতারিত হয়েছেন। কখন যে বুড়ো হয়ে গিয়েছেন নিজেরও খেয়াল নেই। এখন বাবার মধ্যে সেই রাগী মানুষটার কিছুই অবশিষ্ট নেই। কেমন জানি খুবই মানিয়ে-নেওয়া টাইপ হয়ে গেছেন। এখন তাঁকে দেখলে আমার মনের গভীরে একটা দীর্ঘশ্বাস আসে। আহা! কি মানুষ ছিল।

ভাইয়ার বন্ধু মহিউদ্দিনভাই। উনি থাকেন মিডলইস্টে একটা টেক-ফার্মে চাকরি করেন। বাবা আমাদের বন্ধুদের সাথে তেমন কথাবার্তা বলেননা। এবার মহিউদ্দিনভাই দেশে গেলে ঈদের সময় বাবা ঈদের নামাজ শেষে খুঁজে খুঁজে বের করলেন মহিউদ্দিনভাইয়ের বাড়ি। সেখানে গিয়ে মহিউদ্দিনভাইকে জড়িয়ে ধরে কি কান্না। গত ঈদই আমার বাবার জীবনে একমাত্র ঈদ যখন আমি আর ভাইয়া দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর বাসায় গিয়ে সারাদিন শুয়ে থাকলেন। তার যক্ষের ধনের মত দুইছেলে, যাদেরকে সবসময় আগলে রেখেছেন পৃথিবীর কূৎসিত রুপ থেকে তারা দুজনেই নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য তাঁকে ছেড়ে অনেক দূরে অন্যজগতে আজ। তাই তিনি তাঁর ছেলের বন্ধুদের মাঝে এখন ছেলেদের ছায়া দেখে বেড়ান।

আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যে আমি আর বাবা পাশাপাশি হাটতেছি আর মজার মজার গল্প করতেছি। আমার স্বপ্ন হচ্ছে বাবা আমাকে তার সারাজীবনের গল্প শুনাবে। বাবাকে বলতে ইচ্ছে হয়, বাবা, তুমি কোনদিন নিজের কথা বলনি। সেই ছোটকাল থেকে একলা চলেছ। চলনা, আমরা কোথাও একটু বসি। দুজনে দুটা চা বা কফির কাপ নিয়ে সারাটা বিকেল আড্ডা মারি। সুর্য্যটা আস্তে আস্তে পশ্চিমে হেলে পড়বে, আমাদের গল্প ফুরোবেনা। পড়ন্ত বিকেলে বাপ-ছেলের অন্তরংগ সুখদুঃখের আলাপের স্বর্গীয় দৃশ্য। তুমি কিভাবে মা-হারা জীবন কাটালে সেটার গল্প বল যাতে আমি মাকে পেয়ে কত সৌভাগ্যবান সেটা বুঝতে পারি। তুমি জীবনকে কিভাবে দেখ তোমার কাছ থেকেই শুনতে চাই আমি যাতে আমার জীবনে তোমার জীবনের শিক্ষা কাজে লাগাতে পারি। মা-হারা, অভিভাবক হারা হয়েও তুমি কিভাবে কোনদিন ভুলপথে যাওনি? কোনটা নৈতিক আর কোনটা অনৈতিক সেই জ্ঞানটা তুমি কিভাবে এতভালভাবে রপ্ত করলে?

আমি স্বপ্ন দেখি আমি দেশে গেলে বাবাকে মশারি টাংগিয়ে দিব, সাহস করেই। আমি বাবার কাপড় ধুয়ে দিব, কোন সংকোচ না করেই। বাবার গায়ে একটা অসম্ভব মিষ্টি গন্ধ আছে, সততার গন্ধ। আমি বাবার গন্ধ নেব নাকভরে। এবার তোমাকে যা কেউ হয়ত কোনদিন বলেনি আমি সেটাই বলব, তোমার হাত ধরেই বলব বাবা, তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা। বাবাকে বলব বাবা, তুমি হয়ত অন্যদের চোখে এক সাধারণ মানুষ, কিন্তু আমি তোমার গা ছুয়ে বলছি তুমি আমাদের জন্য অসাধারণ। আমি বাবাকে নিশ্চিত বলব বাবা, তুমি এক অনন্য মানুষ। তুমি তোমার বর্তমান ত্যাগ করেছিল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, তাই আমাদের সব অর্জন তোমার জন্য, তোমার তরেই। বাবা, এই লেখা তোমার কাছে কোনদিন পৌঁছাবেনা। দেশে গেলেও তোমাকে হয়ত সাহস করে কোনদিন বলতে পারবনা, যদিও এখন স্বপ্ন দেখছি বলার, যে তোমাকে প্রচন্ড মিস করি। বাবা, তোমাকে বলতে না পারলেও তুমি নিশ্চয়ই বুঝে নেবে। তুমি ঠিক বুঝে নিও বাবা, যে তোমাকে ভালবাসি অনেক। তুমি তো বাবা, তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে।

হয়েছে কি বাবা জান? প্রায় তিনমাস পর অনেক লম্বা বিশৃংখল চুল কেটে শেভ করে যখন আজ আয়নার সামনে দাড়ালাম, নিজেকে দেখে ভুত দেখার মত চমকে উঠেছি। আমি নিজের চেহারা আর তোমার যৌবনের চেহারার কোন পার্থক্য করতে পারিনি। সৃষ্টিকর্তা অনেক ফেভার করেছেন আমাকে, কিন্তু তোমার চেহারাটা আমাকে দিয়ে দেওয়াটা সবচেয়ে বড় ফেভার। তোমাকে ভালবাসি বাবা। We love you Baba, whether we can ever tell you or not.

 

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
নরাধম বলেছেন: অনেক আগের লেখা। ড্রাফটে ছিল। আজ একটু এডিট করে পোস্ট করলাম।
৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২২
অলস ছেলে বলেছেন: খুব হৃদয়স্পর্শী লেখা।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: অলস ছেলে, ধন্যবাদ।

৫. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: বেশ!
বাবার জন্য ভালোবাসা।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

৭. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
জেরী বলেছেন: ভাইয়া,লেখাটা টাচি হয়েছে....।

বাবাকে অনেক শ্রদ্ধা.....।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী।

৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
অক্ষর বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা।

বাবা বাবা-ই
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
হোলসেল বলেছেন: হ কথা ঠিক। নরাধম ভাই, বাংলার ভিত্রে শক্ত শক্ত ইংলিশ ইউজ করেন ক্যান? পড়তে গিয়ে দাঁতে বেথা পাই যে।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: স্নোবলভাই, কেমন আছেন? ব্যাথা কি বেশি? ডাক্তার দেখান।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: লগ-আউট করে চলে যাচ্ছিলাম। আবার মনে হল কথাটা বলি। আপনার নিকগুলো বড়ই সৌন্দর্য্য মিঠাইভাইয়া। ভাল থাকবেন।

১০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
সহেলী বলেছেন: অসাধারন ! এমন করে লিখতে পারলেন ?
আপনার বাবার জন্য শ্রদ্ধা ।

আমার কেন মনে হচ্ছে আপনি নিজের সন্তানের একচন ভাল বাবা হবেন , যার রয়েছে এমন বাবার জন্য অনুভুতি ।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১১. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
হোলসেল বলেছেন: ছি ছি, স্নোবল কে নরাধম ভাইয়া? তো মার্চে নাকি আপনে খেইল দেখাইবেন বলসিলেন? এখন কি বোসটনে আছেন? হার্ভার্ড এ এডমিশন নিছেন?
১২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
হোলসেল বলেছেন: স্নোবল কে, মিঠাই কে? উনারা কারা? ছি ছি, ভাইয়া।
১৩. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
ব্লগেশ্বর বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ধুরো, চোখে ধুলোর মতো কি জানি পড়লো...
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
হোলসেল বলেছেন: পোস্টে প্লাস দিসি কিন্তু। লোকজন খালি ভুল বুঝে :(
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

১৭. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
ঘাসফুল বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন: ধুরো, চোখে ধুলোর মতো কি জানি পড়লো...
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
আউলা বলেছেন: বাবারা এমন ই হয়। আমার বাবার সাথে আমাদের ছোটবেলায় বেশ দুরত্বই ছিল। সময়ের সাথে সাথে এখন আর সে দুরত্ব নেই। আসার সময় বাবা পারলে ব্যাগটাই গুছিয়ে দেয় আমার। নিজের জন্য আমার খুব একটা খারাপ লাগে না যে কিছু করতে পারছি না। কিন্তু খারাপ লাগে আমার কথা ভেবে বাবা টেনশন করছেন।

মন খারাপ হয়ে গেল।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: মন খারাপ হওয়ার জন্য দুঃখিত আউলা।

১৯. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৪
কিউরিয়াস বলেছেন: আপনার মশারী টানিয়ে দেয়ার শখ যেন পূরণ হয়।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

২০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
কিছু লেখার দরকার কিন্তু কি লিখব, কেমনে লিখব বুজতাছি না।
আপনার বাবার সাথে আমার বাবার কেমন জানি অনেকখানি মিল,
এখনো পুরোপুরি সহজ হইতে পারলাম কেউ;

২১. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
কিছু লেখার দরকার কিন্তু কি লিখব, কেমনে লিখব বুজতাছি না।
আপনার বাবার সাথে আমার বাবার কেমন জানি অনেকখানি মিল,
এখনো পুরোপুরি সহজ হইতে পারলাম না কেউ;

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।

২২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পৃথিবীর সব বাবারাই বুঝি এমন?
এতো মিল হয় কেন?
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন: আমারও সেটাই প্রশ্ন। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
ধীবর বলেছেন: নরাধম ভাই, অভিনন্দন অনেক। এত আবেগ দিয়ে এমন লেখা আমার চোখে পড়েনি। আসলে প্রবাসে আমরা অনেক কিছু পাই সত্যি, কিন্ত তার জন্য অনেক মুল্য পরিশোধ করতে হয় আমাদের। অর্থের মুল্যে সেই আবেগকে তোলা যাবে না পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়েও।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ধীবরভাই।

২৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
যীশূ বলেছেন: রেখে দিলাম কাছে।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক আপনাকে।

২৫. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমিও শোকেসে রাখলাম।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।

২৬. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯
চাতকপাখি বলেছেন: নরাধম ভাই - আপনার হৃদয়টাকে computer এর keyboard এর মাধ্যমে মেলে ধরলেন ক্যামনে! আবেগে চোখে পানি এসে যাবার যোগাড়!
আপনার এবং আপনার বাবার জন্য শুভকামনা রইল।

আপনার লেখার হাত ভাল। ভিতরে আগুন না থাকলে ভাল লেখা যায় না; যা আপনার মধ্যে আছে। ছাড়বেন না কিন্তু।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাতকপাখি। ভাল থাকুন।

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা....পরীক্ষায় ফাটাইলান তাইলে।

২৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: মর্মস্পর্শী। আপনার বাবার জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।

২৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
জেমী বলেছেন: লেখাটা পড়ে ২য় বার স্পীচলেচ হলাম........।

আমার চুপচাপ স্বভাবের কারণে ছোটবেলা থেকেই বাবার সাথে আমার নীরব দূরত্ব রয়েছে..........তারপরও নিজের প্রতি বাবার ভালোবাসার উত্তাপ অনুভব করি সবসময়!!!!
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জেমী।

৩০. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হৃদয় স্পর্শী লেখা রে ভাই

প্রিয়তে নিলাম
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


আপনারে সালাম দুইটা কারনে
৩১. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হৃদয় স্পর্শী লেখা রে ভাই

প্রিয়তে নিলাম
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


আপনারে সালাম দুইটা কারনে
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শূন্য। সালাম কেন?

৩২. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: লেখাটা বেশ ভালো লাগল। আমার বাবার কথা মনে করিয়ে দিলে।:(
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ভাল থেক ইমন।

৩৩. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনের কিছু লেখা পড়লে মনে হয় না পড়লেই ভাল হইতো,এই বয়সে আর আবেগে আক্রান্ত হওয়া মানায় না। নিজের বাবার ছায়া দেখলাম অনেকটা,যতই চাই ঠিক কাছে যাওয়া যায় না,বাবারা মনে হয় প্রকাশ করতে চান না নিজেদের।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: একমত ফারহান।

৩৪. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০২
রবিন০৪ বলেছেন:
ভাইরে কি লিখছেন !! চোখে পানি আইসা গেল। আমার নিজের বাবার কথাও মনে পড়ে গেল। প্রিয়তে রাখলাম।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: হু!

৩৬. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
নরাধম বলেছেন:
যারা কমেন্ট করেছেন সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। সময় পেলেই কমেন্টের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করব।
৩৭. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৪
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: কি খবর মাহফুজ??
খুব ব্যস্ত নাকি ভাইটু?
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ব্যস্ত ছিলাম তখন। এখন কয়েকদিন একটু কম ব্যস্ত আছি।

৩৮. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো

হৃদয় ছোয়া লিখা
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন।

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছ সৌরভ?

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: হাহাহহাহহা.......অনেকদিন পরে তোমারেও শুভ নববর্ষ!

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: :):)

৪২. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে মনটা খুব খারাপ হলো। কারণ, আপনি বাবাকে যে কথাগুলো বলতে চান, আমিও ঠিক সে কথাগুলো বলার জন্য ভিতরে আনচান করছে। কিন্তু আপনিতো দেশে ফিরে বলতে পারবেন, আমিতো আমার বাবার দেশে এখন যেয়ে বলতে পারছিনা, হয়তো যাবো একদিন, তখন আর ফিরবনা আরকি।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: আমি খুব দুঃখিত। আপনার বাবার জন্য আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আপনি ভাল থাকুন।

৪৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
চাতকপাখি বলেছেন: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: কি খবর মাহফুজ??
খুব ব্যস্ত নাকি ভাইটু?

ভাই মাহফুজটা কে?

মাহফুজ/নরাধম ভাই অনেক দিন লেখা নাই! ফাটাফাটি আর একটা ছাড়ছেন।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন:
মাহফুজ কে সেটা তো আমিও জানিনা ভাই! ধন্যবাদ আপনাকে অনেক।

৪৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৮
শিট সুজি বলেছেন: আপনার মত তো আর লিখতে পারব না, প্রিয়তে রেখে দিলাম।

বাবারা অদ্ভুতভাবে কমন।
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।

৪৬. ০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৪
নুশেরা বলেছেন: বাবাকে কতোকিছুই বলা হয়না... ...

লেখাটা মন ছুঁয়ে গেলো, নারুবদ্দা
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: নুশেরাপু, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। কেমন আছেন?

০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।

৪৮. ০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
তনুজা বলেছেন: অনেককাল আগে কারো বিটকেল অনুরোধে মা'কে নিয়ে একটা কবিতা লিখতে হয়েছিল যা আজ সংগ্রহে নেই ----মূল কথাটা ছিল এরকম; আয়নার সামনেই দাড়ালে আমি বাইশ বছরের সেই তরুণীকে দেখি , এক না দেখা চরিত্রের সব এখন উপলব্ধি করতে পারছি---'মা' পরিচয়ের আগে কেমন ছিল সে


আপনার আয়না দেখার সাথে কথাগুলো কিভাবে মিলে গেল। আসলে কি জানেন মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া সবারই বুঝি এরকম । আর যারা বাইরে আছি বলার কিছু নেই , শুধু মনে হয় মানুষ সন্তানের বৃদ্ধি কেন চায়, কেন চায় তার সফলতা, কেন ডিগ্রী, উপার্জন, প্রতিপত্তি ...

যত বড় হয়েছি প্রবলপ্রতাপ বাবা মারা ধীর হয়েছেন , ন্যুব্জ হয়েছেন , হয়েছেন স্নেহকাতর... সন্তানের বাইরে কোন পৃথিবী নেই..তাদের বুঝি রাজনীতি নেই, আড্ডা নেই, গেটটুগেদার নেই , লং ড্রাইভ নেই, ব্লগ নেই, মিউজিক নেই ------আছে শুধু মেয়ের ছবি নিয়ে বসে থাকা, ফোনে কেমন আছি শোনা, আর আত্মীয় প্রতিবেশিদের সাথে তারই কথা বলা
শুধু কাছে থাকলেই যেন বাড়িময় তাদের কি একটা ভরে থাকে -----আমাদের পৃথিবী বড় হতে হতে তাদের হয়েছে সীমিত



সাইকেলটা এরকমই ------যারা একই প্রজন্মের, হয়তো পরের দশকের গল্পটা অন্যরকম হবে


ভাল থাকুন , শ্রদ্ধা সেই বাবাকে
০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের সাথে ভীষনভাবে একমত।




"আর যারা বাইরে আছি বলার কিছু নেই , শুধু মনে হয় মানুষ সন্তানের বৃদ্ধি কেন চায়, কেন চায় তার সফলতা, কেন ডিগ্রী, উপার্জন, প্রতিপত্তি ... " এই কথাটা আমাকে প্রায়ই ভাবাই, প্রায়ই। কোনটা আসল সাফল্য সেটা আসলে আমরা হয়ত বুঝতেই পারিনা, জাগতিক সাফল্যের জন্য হয়ত আসল সাফল্যকে পা দিয়ে ঠেলেতেছি, হয়ত জীবনের শেষে এসে মনে হবে মা-বাবার সাথে সময় কাটানোটাই আসল সাফল্য ছিল, সারাজীবনটাই ভুল ছিল। কি জানি।

ভাল থাকুন।

৪৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৯
কলম.বিডি বলেছেন: বাবার গায়ে একটা অসম্ভব মিষ্টি গন্ধ আছে, সততার গন্ধ। আমি বাবার গন্ধ নেব নাকভরে। এবার তোমাকে যা কেউ হয়ত কোনদিন বলেনি আমি সেটাই বলব, তোমার হাত ধরেই বলব বাবা, তোমাকে ভালবাসি। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা। বাবাকে বলব বাবা, তুমি হয়ত অন্যদের চোখে এক সাধারণ মানুষ, কিন্তু আমি তোমার গা ছুয়ে বলছি তুমি আমাদের জন্য অসাধারণ। আমি বাবাকে নিশ্চিত বলব বাবা, তুমি এক অনন্য মানুষ। তুমি তোমার বর্তমান ত্যাগ করেছিল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য, তাই আমাদের সব অর্জন তোমার জন্য, তোমার তরেই।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই