আমার প্রিয় পোস্ট

সত্যান্বেষীর "ফ্রান্সের হিজাব ব্যান এবং মুসলমানদের একপেশে প্রত্যাশা" পোস্টের জবাবে কিছু প্রাসংগিক কথা।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

Click This Link



সত্যান্বেষী লিখেছেন: "একজন ধার্মিক মুসলমান কি বিধর্মীদেরকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা, সম্মানের চোখে দেখতে পারেন? খোদ কোরানেই বিধর্মীদের (কোরানের ভাষায় কাফের) সুতীব্র ঘৃণার বিষ ছড়ানো আছে। তারা মরলে মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে, বিকট বিকট সাজা পাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এই কথাগুলো মুসলমানদের মনে প্রভাব ফেলবে এটাই স্বাভাবিক, এবং তাই একজন ধার্মিক মুসলমান বিধর্মীদেরকে ঘৃণার চোখেই দেখবে।"

প্রথমে হচ্ছে কোরানে সকল অমুসলিমকে কাফির বলা হয়নি। হয়ত আপনি জানেননা (না জেনে কথা বলাটা অন্যায়) আর জেনেও ইচ্ছে করেই ভুল করছেন (সেটা আরো বড় অন্যায়)।কোরনে কাফির বলতে "deniers of truth" কে বুঝানো হয়েছে, যাদেরকে যথেষ্ঠ পরিমাণ প্রমাণসহকারে বুঝানো বা তাদের সামনে সত্য হাজির করা স্বত্ত্বেও এবং তাদের বুঝার ইন্টেলিজেন্স থাকা স্বত্বেও বিভিন্ন কারনে (সম্পদ, মর্যাদা, প্রতিপত্তি হারাবে ভয়ে বা অহংকারের জন্য বা অন্যকোন কারনে) ইসলাম গ্রহণ করেনা এবং অন্যদেরকেও ডিসকারেজ করে তাদেরকেই কাফির বলা হয়েছে। তাদেরকে জ্ঞানপাপী বলা যায়।

কাফির ছাড়াও মুশরিক (যারা আল্লাহ্‌র উপর পার্টনারশিপ আরোপ করে), আহলে কিতাব ( people of the book - Jews, Christians), মুনাফিক ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে আছে ননমুসলিমরা। তাই আপনি যে বললেন কাফির মানে ননমুসলিম সেটা মিথ্যা।

আমার জানামতে শুধুমাত্র কোরাণেই ননমুসলিম হওয়া স্বত্ত্বেও পরকালে মুক্তির কথা বলা হয়েছে, সেখানে মুসলমান হওয়ার শর্তটা রাখা হয়নি।(অনেক স্কলারদের মতে বিশেষ করে যাদের কাছে কোনদিন ইসলামের দাওয়াত পোঁছেনি বা নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স খাটিয়ে হয়ত সত্যের দিকে আসতে পারেনি তাদের জন্য হয়ত প্রভিশনটা। আল্লাহই ভাল জানেন।)


আপনি বলেছেন একজন ধার্মিক বিধর্মীদেরকে ঘৃণা করবেই। আমি জানি আপনার অবশ্যই অনেক ধার্মিক মুসলমানদের সাথে দেখা হয়েছে যারা বিধর্মীকে কোনমতেই ঘৃণা করেনা। জেনেশুনেও এরকম বলতেছেন কেন সেটা আপনার সিনসিয়ারিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলে। আপনার বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে কি একজনও ধার্মিক মুসলিম নাই যে আপনাকে ঘৃণা করেনা? ভারতীয় উপমহাদেশে যত আউলিয়া ছিলেন তাদের কাছে হিন্দু-মুসলিম সবাই যেত। বিশ্বের ইতিহাসে মুসলমানদের শাসনামলে যে সহনশীলতার নজির পাওয়া যায় সেটা অন্য কোন আমলেই পাওয়া যায়না। পড়ুন ক্যারেন আর্মস্টংয়ের ইসলাম, মুহাম্মদ বইগুলা যদি আমার কথা বিশ্বাস না হয়। আমি নিজে ধার্মিক এবং আমাকে পাঁচজন পছন্দের ব্যক্তির কথা জিজ্ঞেস করলে ৩ জন অন্তত থাকবে নন-মুসলিম। উগ্র মুসলমানদের সংখ্যা অন্য যেকোন মতাদর্শ বা ধর্মের একই পার্সেন্টেজই হবে। আপনার যুক্তি অনুসারে যদি কোরানে তথাকথিত ঘৃণার বিষ ছড়ানো হয়েছে সেজন্যই যদি মুসলমানরা বিধর্মীদেরকে ঘৃণা করবে মনে করেন তাহলে বাইবেল-এ কোরআন থেকে অনেকগুন বেশি বিষ ছড়ানো হয়েছে, তারা সবাইও অন্যধর্মের লোকজনকে আরো অনেক বেশী ঘৃণা করার কথা (রিচার্ড ডকিনস যেরকম ধার্মিকদেরকে ঘৃণা করেন!)। সেটা সত্যি না, তাই আপনার যুক্তি খুবই খেলো। আর কোরাণে ঘৃণার বিষ ছড়ানো হয়েছে যেসব বললেন তা সেই আয়াতে কনটেক্স্টে না দেখে বিচ্ছিন্নভাবে দেখছেন বলেই মনে হচ্ছে। যেসব আয়াতের কথা মনে করতেছেন তার উপরে নীচে কয়েকটা আয়াত পড়ুন, আয়াত নাজিলের শানে নুজুল জানুন, দেখবেন পারফেক্টলি লজিকাল এন্ড নরমাল।


সত্যান্বেষী বলেছেন: "আবার দেখুন ইয়োরোপ আমেরিকায় মুসলমানগন ধর্ম-প্রচারের যে সুযোগ পান সৌদি আরব ইরান পাকিস্তান সহ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে কি বিধর্মীদেরকে সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে? আপনার পাশের বাড়ির এক মুসলমান ভদ্রলোক যদি আগামীকাল নিজেকে খৃষ্টান ঘোষনা করে চার্চে যাওয়া শুরু করে তাহলে তার সামাজিক দশাটা কি হবে? অথচ সেইসব দেশে খৃষ্টান থেকে মুসলমান হয়ে অনেকেই অবাধে চলাফেরা করছে।"

সৌদীআরবে ধর্মপ্রচারের সুযোগের কথার উত্তরে কয়েকজনই ভ্যাটিকান সিটির কথা বলেছে, তাই সে পয়েন্টে আর যাচ্ছিনা।

কেউ খ্রীস্টান হয়ে গেলে তার সামাজিক দশা অবশ্যই করুন হবে, তাকে অনেক ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে, ক্ষেত্রবিশেষে তাকে হয়ত জীবনও দিতে হতে পারে যদি খুবই তালিবানী-টাইপ কোন সমাজে বসবাস করে। কিন্তু এই সমস্যা শুধু মুসলমানদের না, সব ধর্মেই। হয়ত ইউরোপে না, কিন্তু ইথিওপিয়া বা এরকম পশ্চাদপদ খ্রীস্টান দেশেও খ্রীস্টান থেকে মুসলমান হলে একই সমস্যা অতিক্রম করতে হয়। এটা যতটা না ধর্মের জন্য, তার চেয়ে বেশি শিক্ষা বা কালচারের জন্য। এমনকি যুক্তরাষ্ঠ্রেও যারা খ্রীস্টান থেকে মুসলমান হয় তাদের অনেককেই তার পারিবারি-সামাজিক পরিমন্ডলের ধার্মিকতার উপর নির্ভর করে অনেক সামাজিক সমস্যার ভিতর দিয়ে যেতে হয়। কয়েকজন খ্রীস্টান থেকে মুসলমান হওয়া লোকের বই পড়লেই সেটা পরিষ্কার হবে। তাই এখানে ইসলামকে আলাদাভাবে সর্ট আউট করে বাঁশ দেওয়াটা ঠিক হবে বলে মনে হয়না!!




সত্যান্বেষী বলেছেন: "এবার ভাবুন - ইয়োরোপ আমেরিকায়ও তাদের ধর্মের খোমেনী তালেবান বাংলাভাই সৃষ্টি হলো। মুসলমানরা মরলে নিকৃষ্টতম নরকে অনন্তকাল জ্বলতে থাকবে - গীর্জায় গীর্জায় মন্দিরে মন্দিরে এসব প্রচার শুরু হলো এবং মুসলমানদেরকে এমনি তীব্র ঘৃণার চোখে দেখা শুরু হলো! তাহলে এই মুসলমানদের দশাটা কি হবে?




সব গীর্জায় এরকম সারমন চালু আছে হাজার বছর ধরে, আপনার হয়ত জানা না থাকতে পারে। খ্রীস্টান ধর্মে সালভেশান শুধু জিসাসকে যারা সেভিয়ার মনে করবে তাদের জন্য, অন্য কারো জন্য নয়। মুসলমানদের প্রতি ইউরোপীয়ানদের ইনহেরেন্ট ঘৃণা এবং ভয় হাজার বছর পুরোনো, সেটা ক্রুসেডের আগে থেকে শুরু। অপরপক্ষে ইহুদী-খ্রীস্টানদেরকে মুসলমানরা সাধারণভাবে ঘৃণা করা শুরু করেছে অনেক সাম্প্রতিক সময় থেকে, বিশেষ করে কলোনাইজেশানের পর এবং সেটা চরম আকার ধারণ করেছে ইসরাইল নামক সন্ত্রাসী রাষ্ঠ্রের প্রতিষ্ঠার পর। এই ঘৃণাটা যতটা না ধর্মীয় তার চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক, তেমনিভাবে খ্রীস্টানদের ঘৃণাটাও রাজনৈতিক কারনে শুরু হয়েছিল, মুসলমানদের কাছে সিরিয়া, বাইজেনটিন সাম্রাজ্যের আরো অনেক অংশ হারানোর পর। (অরিয়েন্টালিজম - এডওয়ার্ড সাইদ, আর ক্যারেন আর্মস্টংয়ের "মুহাম্মদ" বইয়ের প্রথম চাপ্টার - মুহাম্মদ - দ্যা এনিমি।)





সত্যান্বেষী বলেছেন: "কেবল বিধর্মীদের কাছ থেকেই উদার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি আশা করব আর আমরা কায়েম করব মুসলিম রাষ্ট্র - এটা কি দ্বিমুখি নীতি হয়ে গেল না?"


মুসলিম রাষ্ঠ্র কোথায় কায়েম হয়েছে জানা নেই, তালিবানরা ভুলভালভাবে চালু করতে চেয়েছিল, টেকেনি। এটা ঠিক যে মুসলমান দেশেগুলোতে উদার গণতন্ত্রের চর্চা নেই। কিন্তু এটা ধর্মের জন্য না, ১৫০০ শতকের পর মুসলমানদের ক্রমান্বয়ে শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে পড়া এবং পরবর্তীতে মুসলিম দেশগুলোর ইউরোপীয়ানদের হাতে কলোনাইজড হওয়া এবং পোস্ট-কলোনিয়াজম পিরিয়ডে বিশ্বরাজনীতির ঠেলায় পড়ে গণতন্ত্রের চর্চা সম্ভব হয়নি। (ইরানের কথা ভেবে দেখুন - পশ্চিমাদের ঠেলায় তাদের গণতন্ত্রের কি হয়েছিল বিপ্লব-পূর্ববর্তী কালে)। মুসলমান দেশগুলো স্বাধীনতা পাওয়া শুরু করেছে মাত্র ৫০ বছর হচ্ছে, এর মধ্যেই অশিক্ষিত বিশাল জনগোষ্ঠী নিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করবে সেটা ভাবা ঠিক না। দুষ্টচক্র থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেক সময় লাগে, ইউরোপীয়ানদের তো ১০০০ বছর লেগেছিল। তবে মুসলমানদের অত লাগবে বলে মনে হয়না, নেক্সট ১০০ বছরের মধ্যেই মোটামোটি রেস্সপেক্টেবল জায়গায় চলে যাবে। নেক্সট ৫০ বছরে ইউরোপীয়ানদের তথাকথিত সহনশীলতা সব পালাবে, যখন ইউরোপে মুসলমানরা ক্রমান্বয়ে ইউরোপে সংখ্যায় বাড়বে। সেই ঘৃণার শুরু হয়ে গেছে, ইউরোপে সাধারণ মানুষ মুসলমানদেকে অনেক বেশি ঘৃণা করে এখন। সুইজারল্যান্ডের মত দেশে মিনারেট বানানো আইন করে বন্ধ করা হয়েছে। সহনশীলতা ততক্ষণ থাকে যতক্ষন নিজের পাতে ভাতের টান পড়বেনা, টান পড়লেই সহনশীলতা পালাবে, এটা মানুষ মাত্রই সত্যি, ইউরোপীয়ান-এশিয়ান-আফ্রিকান-মুসলিম-ননমুসলিম সবার জন্য।


তাছাড়া সবাই তো তাদের মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, মুসলমানরা চাইলে সমস্যা কেন হবে? কমিউনিস্টরা তাদের মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, খ্রিস্টান ইভানজেলিস্টরা সারা বিশ্বে খ্রিস্টিয়ানিটি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, বিজেপি হিন্দুরাষ্ঠ্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেভাবে মুসলমানদের মধ্যেও একটা অংশ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাইবেই! তাছাড়া বর্তমানবিশ্বে যে ফর্মের গণতন্ত্র চালু আছে সেটাও তো গ্রীক ফিলসফির থেকে রোমানদের হয়ে রেনেশাঁস এর সময় খ্রীস্টিয়ানিটির অনেক আইডিয়া নিয়ে এডাপটেড হয়ে এসেছে, সেজন্য খ্রিস্টিয়ান ক্লের্জীরা এই ফরমের গণতন্ত্র এবং পুঁজিবাদের বিরাট ভক্ত। ওরা যদি পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাই (এবং সারাবিশ্বে এপার‌্যান্টলি ছড়িয়ে দিতে চায় এবং দিয়েছে), তাহলে মুসলমানরা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেই সমস্যা হয়ে গেল?


সবকিছুকে ধর্মের দৃষ্টিভংগি থেকে না দেখে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখলে অনেক সহজ হয়ে যায়। নাস্তিকদের সমস্যা হচ্ছে তারা ধরে নিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা ধর্ম, এজন্যই ধর্ম ছাড়া আর কোনকিছুই তারা দেখেনা। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা ইনজাস্টিস আর পভার্টি, ধর্ম না। আস্তিকরা নাস্তিকদের মত ধর্ম ধর্ম নিয়ে মনে হয় চিৎকার চেঁচামেচী করলে বিশ্বে মানুষ থাকতে অনেক কষ্ট হত!

সর্বশেষ, যেকোন গণতান্ত্রিক আর ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করে এরকম দেশেই যার যেরকম ভাল লাগে সেরকম পোশাক পড়তে দেয়া আবশ্যক। তালিবানদের মত বোরকা চাপিয়ে দেওয়া যেমন মানবাধিকার পরিপন্থী তেমনি তুরষ্ক-ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ করা জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকারের পরিপন্থী। বিশেষ করে ফ্রান্সের মত দেশ যারা নিজেদেরকে মানবাধিকারের চ্যাম্পিয়ন মনে করে এবং সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ, সেসব দেশে তো এটা চরমভাবে ডাবলস্ট্যান্ডার্ড।তাছাড়া মুসলমান দেশগুলো কাউকে গণতন্ত্রের সবক দিতে যায়না, কিন্তু ফ্রান্স তো যায়। তাই তারা নিজেরা যা বলে সেটা তাদের কাছ থেকে আশা করতেই পারে মুসলমানরা।

এই বিষয়টাকে এভাবে না দেখে আপনি মুসলমানদের প্রতিবাদটাকেই বড় করে দেখলেন, সেটা যে মুসলমানদের প্রতি আপনার তীব্র ঘৃণা সেটা থেকেই উৎপত্তি কিনা চিন্তা করে দেখেছেন? মুসলমানদেরকে ঘৃণার দায়ে অভিযুক্ত করে নিজেই ঘৃণা বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন না তো?



বিঃ দ্রঃ - পোস্টটা সত্যান্বেষীর পোস্টের জবাবে আমার করা কমেন্টের সমন্বয়। লম্বা কমেন্ট করার পর মনে হল সেটাকে পোস্ট আকারে রাখি, অনেকদিন পোস্ট দিইনা, তাই আরেকটা পোস্ট জমা হল!! যেহেতু তাৎক্ষণিকভাবে লেখা তাই পোস্টের কোহিয়ারেন্সের অভাব রয়েছে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫২
ত্রিভুজ বলেছেন: অনেকদিন পর লিখলেন।
৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৭
অক্টোপাস বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন। ধন্যবাদ। +++++
সত্যান্বেষী পথভ্রষ্ট এক ছাগু যিনি চান্স পাইলে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে ও টিকটিকিয় জ্ঞান দ্বারা ইসলামের খুঁত বের করে নির্মল আনন্দ লাভ করেন!
৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯
শুভ সকাল বলেছেন: the da vinci code পড়েছেন কি? যীশু খ্রিষ্টের সাথে এক পতিতার বিয়ে হয়েছিল সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

ডেনমার্কে নবী করিম (দ:) কে নিয়ে ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। আলপিনে নবীর নামের সাথে বিড়াল জুড়ে দেয়া হয়েছে।

ঘটনাগুলোর প্রতিক্রিয়া পাশাপাশি চিন্তা করুন।

এবার মুসলমানদের সহনশীলতা প্রসঙ্গে নিজেকে প্রশ্ন করুন।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন:
দ্যা ভিন্ঞি কোড পড়েছি এবং সেখানে জিসাসের সাথে পতিতার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়নি। ম্যারি ম্যাগডালিনকে পতিতা প্রমাণ করার চেষ্টা নাই সেখানে।


আপনি মুসলমান আর খ্রিস্টানদের সহনশীলতা একটা নির্দিষ্ট টাইমেফ্রেমের মধ্যে বেঁধে ফেলেছেন। সেজন্যই এভাবে ভাবতেছেন। সহনশীলতা ব্যাপারটা শিক্ষা, কালচার, সামাজিক অবস্থা সবকিছুর উপর ডিপেন্ড করে। যখন ইউরোপীয়ানরা এখন মুসলমানরা যেরকম অবস্থায় আছে সেরকম অবস্থায় ছিল তখন তারা জাদুকর বলে মেয়েদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারত। ইনক্যুইজিশানের নামে সবাইকে জোর করে খ্রীস্টান বানাত, তাদের ভারসান অফ খ্রীস্টিয়ানিটির সাথে না মিললে হেরেটিক বলে এক কোপে কল্লা ফেলে দিত। বিংশ শতকের প্রথমদিক থেকে যখন ইউরোপে বস্তুবাদের প্রসার লাভ করল আর ব্যক্তিস্বাধীনতার জয়গান শুরু হল তখন থেকে ইউরোপীয়ানদের ধর্মীয় অনুভূতি ভোঁতা হওয়া শুরু করেছে এবং ৬০-এর দশক থেকে যখন ফেমিনিজম এবং অন্যান্য ব্যক্তিঅধিকার নিয়ে আন্দোলন হওয়া শুরু করেছে তখন থেকে তারা ধর্মের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে পড়েছে। এজন্যই তারা কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়না এখন। কিন্তু এখনকার বিশেষ সময়কে দিয়ে আপনি ১০০ বছর পুর্বের অবস্থা বিবেচনা করলে তো চলবেনা। মুসলমানরা এখন পশ্চাদপদ, তাই তাদের অবস্থা এরকম। তারা শিক্ষিত হলে তখন অবস্থা ভিন্ন হবে। যখন তাদের অবস্থা ভাল ছিল তখন তারা ইউরোপীয়ানদের এখনকার তুলনায় সে সময়ের স্ট্যান্ডার্ডে অনেক বেশী সহনশীল ছিল। এই সহনশীলতাটা ধর্মের উপর ডিপেন্ড করেনা, এটা আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থার উপর ডিপেন্ড করে।

৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৩
সাইফুল আকন্দ বলেছেন: "যেহেতু তাৎক্ষণিকভাবে লেখা তাই পোস্টের কোহিয়ারেন্সের অভাব রয়েছে।"

প্রচন্ডভাবেই আছে । সত্যাম্বেষির পোস্টটা পড়ে ভাল লেগেছে । আপনার বিরুদ্ধপোস্টে অপ্রাসঙ্গিকতাটাই মূখ্য । ঈমানি জোশ ছাড়া লজিকাল কিছু পেলামনা । দুঃখিত ।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহ.......শুনে মজা পাইলাম। আপনার "প্রাসংগিতার" জ্ঞান অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। এত জ্ঞান নিয়ে কেমন ঘুমান?

৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
শুভ সকাল বলেছেন: ইমোকটিনটি সম্পুর্ন অনিচ্ছাকৃতভাবে যুক্ত হয়েছে। i was trying to write বিসর্গ and close the first bracket.
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন:
আমি জানি। সামু'তে এরকম হয়। সমস্যা নাই।

৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
টেলি সামাদ বলেছেন: শুভ সকাল এর মন্তব্যে ঝাঁজাঁ
৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৪
শুভ সকাল বলেছেন: শিক্ষিত মুসলমানদের প্রসঙ্গে কিছু না বলে পারছিনা।

আমার রুমমেটরা শুক্রবারে জুমার নামায আদায় করে। সপ্তাহে বাকি সময়গুলোতে তারা পশ্চিম দিকে আছাড় খেয়েও পড়েনা।

জুমার নামাযের পর তারা high volume এ i wanna * you বাজায়।

সরস্বতী পুজার সময় মাইকে মন্ত্র পাঠ করা হচ্ছিল এই নিয়ে তাদের বিরক্তির শেষ নেই। হিন্দুদের সম্পর্কে তারা যে সব কথা বলছিল সেটা কোন আত্মসম্মানজ্ঞানসম্পন্ন মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়। এটা শুধু আমার রুমের চিত্র নয়। বাংলাদেশের বেশির ভাগ শিক্ষত মুসলমানের মনোভাব একই রকম।

আধুনিক শিক্ষা মুসলমানদের খুব বেশি সহনশীল করেছে বলে মনে হয় না।

একজন অমুসলিম, মুসলমানদের বিচার করবে তাদের বর্তমান আচরণের প্রেক্ষিতে। সে দিক থেকে দেখলে ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু নয়।

মেরি মাগদালিন কে সাধারণ খ্রিষ্টান সমাজ সম্মানের চোখে দেখেনা। সে পতিতা হিসাবে নিন্দিত। তাকে মহিমান্বিত করার প্রচেষ্টা অনেকটা মারিয়া কিবতিয়াকে সম্মানিত করার মত।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন:

আপনার রুমমেটদের দিয়ে জেনারেলাইজ করা ঠিক হবেনা। ৩য় বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অনেক বেশী সহনশীল। আপনার বন্ধুরা হয়ত মাইকের আওয়াজের জন্য করতে পারে, হয়ত কোন হুজুর জোরে জোরে ওয়াজ করলে মাইকে তাদের একই প্রতিক্রিয়া হত। মোটকথা বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষিত মুসলমানদের অবস্থা একইরকম সেটা কোনমতেই ফ্যাক্টস দিয়ে সাপোর্টেড না। আপনার অবজার্ভেশান ভিন্ন হতে পারে হয়ত, কিন্তু এটাই সত্যি যে বাংলাদেশের মানুষ অনেক বেশী সহনশীল। আমি বলছিনা বিছ্ছিন্ন এবং মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেনা, কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ চিত্রটাকে তেমন ম্লান করেনা।






"একজন অমুসলিম, মুসলমানদের বিচার করবে তাদের বর্তমান আচরণের প্রেক্ষিতে। সে দিক থেকে দেখলে ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু নয়।"

আপনার এই যুক্তিটি আমি বুঝতে পারলামনা একদমই। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে মুসলমানরা তথাকথিত অসহনশীল (আপনার ভাষায়) বলে ফ্রান্স সরকার তাদের দেশের মুসলমান মেয়েদের মানবাধিকার লংঘন করতে পারবে? তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা লংঘন করতে পারবে? আপনার স্টেইটমেন্ট থেকে যে কেউ এটাই বুঝবে। যদি সেটাই বুঝাতে চান তাহলে আপনার সাথে আর কমেন্ট চালাচালি করছিনা। কারন এরকম চিন্তাধারা আমার কাছে খুবই ঘৃণ্য মনে হচ্ছে।

৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
রফরফ বলেছেন: চমত্‍কার পোস্ট । সবগুলো প্রশ্নের দাঁত ভাংগা জবাব দিয়েছেন ।
১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @ শুভ সকাল,

ভিঞ্চি কোডে স্পষ্ট করে লিখা আছে, জেসাস ওয়াজ নট দি সন অব গড, হি ওয়াজ এ প্রফেট টু হিজ কনটেম্পোরারিজ। (অলৌকিকভাবে মুসলিমরা এটাই বিশ্বাস করে।)
কিন্তু মুসলিমদের বিশ্বাস যীশুর পরিবর্তে তার এক সহচরকে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়, যার চেহারা যীশুর সাথে ভীষণ মিলে যায়। সেই সময়ে কেউ ইতিহাস লিখতে বসলে তিনি খোলা চোখে হয়ত দেখতেন যীশুকেই ক্রুশ বিদ্ধ করা হচ্ছে (অন্তত উপস্থিত জনগণ তাকে যীশু মনে করেই শূলীতে ঝুলিয়ে ছিল।) কিন্তু আসলে যীশুর যে সহচরকে যীশু ভেবে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়, তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক স্ত্রী ও কন্যা ছিল (যেটি ভিঞ্চি কোডের বক্তব্য)। কিন্তু ঐতিহাসিক ভ্রম বশত ক্রুশবিদ্ধ লোকটিকে যীশুর সাথে মিলিয়ে ফেলার কারণে ড্যান ব্রাউনের তদন্ত যীশুকে বিবাহিত মনে করে। কিন্তু খ্রিস্ট ও মুসলিম দু পক্ষই যীশুকে কুমার হিসেবে মানে, জানে ও বিশ্বাস করে।


হিজাব নিষিদ্ধের বিষয়টি যদি "নিরাপত্তা" জনিত কারণে হয়, কারো কোন আপত্তি থাকা উচিত না। কিন্তু নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে "ধর্মীয় উগ্রবাদের প্রকাশ"। এ ক্ষেত্রে বিকিনি পরে রাস্তায় চলাফেরা করাটাকে কেউ পশ্বাচার বলছেনা, পতিতাদের রাস্তায় দাড়িয়ে খদ্দের জোগাড় করার অধিকার ষোল আনা। ফরাসিদের সমগোত্রীয় সুইসদের নজর পড়েছে মসজিদের মিনারের দিকে, কাজেই ওটাও ভাঙ্গা শুরু হল। বর্বর তালেবানদের হাতে বহুদিন বন্দী থাকার পরে ব্রিটিশ সাংবাদিক ইভোন রিডলির দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় ধর্মান্তরিত হবার কাহিনী বিস্মিত করে। আমি তো খুব আশা করছিলাম, কাফের মেয়ে হাতে পেয়ে তালেবানরা গণিমতের মাল মনে করে গণ ধর্ষণ করবে।

প্রিয় নরাধম, লেখা চালু থাকুক। ধন্যবাদ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন:
আমি ঠিক বুঝতে পারিনা মানুষ কিভাবে মানবাধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা লংঘন করাকে বিভিন্ন ধরনের সার্কুলার আর অপযুক্তি দিয়ে জায়েজ করতে চায়।

তালেবানরা যেভাবে এবং যে ইসলাম চালু করতে চেয়েছিল সেটা আমি সাপোর্ট করিনা। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওয়েস্টার্ন মিডিয়ায় যা বলা হয় তাও বিশ্বাস করিনা। সিএনএন নাকি ফক্সে দেখানো হয়েছিল যে ৯/১১ এর পর ফিলিস্তীনিরা আনন্দ উদযাপন করতেছে, অথচ পরে জানা গেল ভিডিওটা অনেক আগের ঈদ বা অন্যকোন অনুষ্ঠান উদযাপনের!

১১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
নীড় ~ বলেছেন: ঈমানি জোশ ছাড়া লজিকাল কিছু পেলামনা ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন:
দাদা, লজিক বুঝার জন্য নিনীষ স্কেলে বুদ্ধিমত্বার মান ৭ এর উপরে হতে হবে, দুঃখজনকভাবে আপনি এখনও সম্পূর্ণ বিবর্তন হননি, তাই আপনার বুদ্ধিমত্তার মান ৩। ৩ স্কেলের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কেমনে বুঝবেন?

১২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯
শুভ সকাল বলেছেন: @সাইফ শেরিফ:



osama নামে একটা ডকুমেন্টারি মুভি তৈরি হয়েছে সেটা দেখুন। তালেবানদের মহিমান্বিত করার চেষ্টা না করলেই বোধহয় ভাল হয়।

বিকিনি পড়া মেয়েরা অথবা পতিতারা লন্ডন অথবা স্পেনে আত্মঘাতি বোমা হামলার সাথে জড়িত ছিল না।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন:

আত্মঘাতি বোমা হামলা অবিচার আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে অত্যাচারিতদের শেষ অবলম্বন। আর কোন কিছু করতে না পেরে তারা এরকম করতেছে। (আমি আত্মঘাতি হামলাকে সমর্থন করিনা।) আত্মঘাতি বোমা হামলাকে পাইওনিয়ার করেছে জায়নিস্টরা। ইসরাইল প্রতিষ্ঠার আগের ৫০ বছর তারা নিরীহ মানুষকে এভাবে মারত। অথচ সেটা তাদের বিরুদ্ধে কোন অন্যায় করা হয়েছে সেজন্যও না! স্রেফ অন্যের জমি দখল করার জন্য।

১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এককথায় ভাল লেগেছে.......
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১
শুভ সকাল বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net/blog/riadrocks/29077327h ক্রুশবিদ্ধ হবার ঘটনা সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কাছে আমরা প্রমাণ করতে পারবনা। আর তাছাড়া হযরত ঈসা (আ) এর অনুসারী নয়, সে রাতে উনাকে যে লোক পাহারা দিচ্ছিল তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল আলেমদের কাছে আমি এমনটাই শুনেছি। হযরত ঈসা (আ) এর পূণরাভির্বাবের পর উনি সব অবিশ্বাসীদের হত্যা করবেন এমন কথা এই ব্লগেই আলোচনা করা হয়েছে।
Click This Link

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন:
ওটা নিয়ে অনেক ধরণের হাইপথিসিস চালু আছে। কোনটা সম্পর্কেই ১০০% নিশ্চিত হওয়া সম্ভব না।যদিও মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীদের কোন সহচরকে যিশুর মত বানিয়ে ক্রুশবিদ্ধ করা হয় আর ইসা (আঃ) আল্লাহ আসমানে তুলে নেন। এই কাহিনীটা আমি যদ্দুর জানি মুসলমানদের মধ্যে এসেছে বাইজেন্টিন সাম্রাজ্যের খ্রিস্টানদের সংস্পর্শে আসার পর। যাই হোক, সেটা গুরুত্বপূর্ণ কোন ইস্যু না।


যিশুকে যে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি সেটা ক্রিস্চিয়ান ধর্মের এপক্রিফাল স্কলাররা অনেক আগেই বাইবেল থেকেই প্রমাণ করেছেন।যেকোন ডিভিনিটি স্কুলে এটা পড়ায়। সেজন্য ভালস্কুল থেকে ডিভিনিটি তে যারা ডিগ্রী নেয় তাদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ক্লের্জী হয়না।

১৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬
যুদ্ধবাজ বলেছেন: সত্যান্বেষী তো একটা প্যাথেটিক ছাগল। ওর আর যুক্তি! হাহাহা।
পোস্টে প্লাস।
১৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭
বকুল০৮ বলেছেন: অসাধারন লেখা ব্রাদার। তাৎক্ষনিক মন্তব্যে আপনার রেফারেন্স ও যুক্তিনির্ভর প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব মুগ্ধ করে।
পাললিক মনের তবলীগ নিয়ে সাম্প্রতিক একটি পোস্টে আপনার মন্তব্যগুলোও দারূন। ঐ মন্তব্যগুলো নিয়েও একটি আলাদা পোস্ট দিলে চমৎকার হয়।
প্রিয়তে রাখলাম।
ভালো থাকুন।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকুন অনেক।

১৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @শুভ সকাল, আপনি আসল পয়েন্টে এসেছেন, "নিরাপত্তা" বা "বোমা আতঙ্ক" এবং এ অজুহাতে নিষিদ্ধ করলে একটা শক্ত যুক্তি থাকে। কিন্তু ফরাসিরা পুরোপুরি ধর্ম প্রসঙ্গ টেনে এনেছে, এটা সংখ্যা লঘু মুসলিমদের জন্য হানীকর।

কাকে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়েছিল সে ব্যাপারে দুটি মত পাওয়া যায় মারেফুল কোরআনে। যীশুর সহচর যিনি যীশুর হয়ে নিজেকে উৎসর্গ করেন, শত্রুদের মাঝেই একজনের চেহারা অবিকল যীশুর মত করে দেয়া হয়, এবং তাকে ক্রুশ বিদ্ধ করা হয়।

তালেবানদের সাফাই গাইলাম কোথায় ভাই? একটু উদ্ধৃত করলে ভাল করতেন, পরিস্কার হত।

কাইট রানার ছবিতে দেখানো হয়েছে তালেবানরা সমকামী এবং এতিম শিশুদের এতিমখানা থেকে ধরে এনে এনে বলাৎকার করতো। আর গল্পের নায়ক একজন মদ্যপ ও পাড় নাস্তিক যিনি গৃহকর্মীর সাথে অবৈধ (!!) সঙ্গ দিয়ে নিম্ন বর্ণের এক সন্তান জন্ম দেন। এখানে নায়কের চরিত্রকে উচ্চকিত করা হয়েছে "প্রবল সত্যনিষ্ঠ" হিসেবে, যিনি বলেন "মিথ্যাচারীতাই" পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাপ, আর কোন পাপ নাই। চলচিত্র সবসময় বাস্তবতাকে তুলে ধরবে এমন আবদার শক্ত কষ্টি পাথরে কেউ যাচাই করতে যায়না। কাহিনী ও বিনোদন হিসেবে নিলেই উত্তম। টাকা দিলে আর খ্যাতির মোহ থাকলে নবীদের চরিত্রকে কলঙ্কিত করেও উপন্যাস, সিনেমা বানানো যায়।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন:

"চলচিত্র সবসময় বাস্তবতাকে তুলে ধরবে এমন আবদার শক্ত কষ্টি পাথরে কেউ যাচাই করতে যায়না। কাহিনী ও বিনোদন হিসেবে নিলেই উত্তম। টাকা দিলে আর খ্যাতির মোহ থাকলে নবীদের চরিত্রকে কলঙ্কিত করেও উপন্যাস, সিনেমা বানানো যায়।"

১৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
ত্রিশোনকু বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। ধন্যবাদ।


আপনার বক্তব্যের সমর্থনে কুরআনের একটি আয়াত তুলে দিলাম। এই আয়াতটি আরেকবার কুর'আনে এসেছে। আশা করি এই আয়াত সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটাবেঃ

Those who believe (in the Qur'an), and those who follow the Jewish (scriptures), and the Christians and the Sabians,- any who believe in Allah and the Last Day, and work righteousness, shall have their reward with their Lord; on them shall be no fear, nor shall they grieve.

2:62 (Sura Bakara, Verse: 62), Translation: Abdullah Yousuf Ali.

(কুরআনে) বিশ্বাসীগণ এবং যারা ইহুদীদের (আসমানী কিতাব) অনুসরন করে, এবং খৃষ্টানরা ও সাবীয়ানরা (৬০ হাজার অনুসারী ইরাক থেকে বিতারিত, সাদ্দামের পতনের পর), -যেই আল্লাহকে (সৃষ্টিকর্তাকে) এবং শেষ দিনে বিশ্বাস করে, আর ন্যায়ের পথে থাকে, তাদেরকে তাদের প্রভু পুরষ্কৃত করবেন, তাদের ওপর কোন ভয়ের কারন ঘটবেনা, তাদের শোকও প্রকাশ করতে হবেনা।
সুরা বাকারা, আয়াত: ৬২।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন:
এক্সেকটলি। এই আয়াতের কথাই বলছিলাম। আয়াতটা কয়েকবার এসেছে কোরানে।

১৯. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আসলেনই কোন ফাঁকে, লিখলেন কোন ফাঁকে???

কেমন আছেন মাহফুজ ভাই?
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন:
আরে, বাদশাভাই, আপনার তো খবর আছে।ফেসবুকেও দেখিনা আপনাকে। সেদিন আপনার ব্লগারস মেন্টাল হসপিটাল পড়েছিলাম। ২ পর্বের পর আর নাই কেন??

আর অভিনন্দন জানাইলাম। কেন জানেন নিশ্চয়ই??

২০. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪১
মুরুববী বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। ধন্যবাদ।

ভালো লাগলো পড়ে। +
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২২
সাইফুর বলেছেন: এই পোষ্টে সত্যান্বেষী র মন্তব্য আশা করছি

নরু বদ্দা পারোও । গ্রেট পোষ্ট
২৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৮
শুভ সকাল বলেছেন: @ত্রিশোনকু:

এই ইহুদী খ্রিষ্টান কারা
যারা ঈসা(আ) ও ওযায়ের কে আল্লাহর পুত্র বানিয়েছে তারা? নাকি হযরত ঈসা (আ) ও হযরত মুসা (আ) এর সময়কালীন খাঁটি উম্মতগণ। আপনার উল্লেখিত আয়াতের আগের আয়াতগুলোতে মান্না সালওয়া নিয়ে ইহুদীদের অসন্তুষ্টির কথা বলা হয়েছে। এর আগের এবং পরের আয়াতগুলোর ঘটনা পরম্পরা থেকে বুঝা যায় যে এই ইহুদী খ্রিষ্টান হল সেই সময়কার উম্মত। রাসুলের সময়কালীন ইহুদী খ্রিষ্টানদের ঈমানের পথে আনা হয়ত এই আয়াগুলোর অন্যতম উদ্দেশ্য।

@লেখক:
এই সময়েও যদি কেউ যীশুকে ঈশ্বর পুত্র নয় বরং নবী হিসেবে স্বীকার করে তাহলে কি সে বেহেশতে যেতে পারবে। আমি তো জানতাম শেষ নবীর আবির্ভাবের পর সকল বিশ্বাসীদের তাঁর উপর ঈমান আনতে হবে। তাঁর নামে কলেমা পাঠ করতে হবে। তাঁর উপর নাযিল হওয়া কিতাব অনুসরণ করতে হবে। ডিভিনিটি স্কুলে যারা পড়াশুনা করে তাঁরা কি এই সব বিশ্বাস করে।
২৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৫
শুভ সকাল বলেছেন: @লেখক:

আত্মঘাতি হামলা মানুষের শেষ অস্ত্র নয়। আত্মঘাতি হামলার চেয়ে অনেক কার্যকর অস্ত্র আছে। অহিংসার অস্ত্র। এই অস্ত্র ব্যবহারে এই সময়ের মুসলমানগণ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেনা। কারণ এতে শহীদের মর্যাদা পাওয়া যায়না। আর তাছাড়া লন্ডন স্পেনে আত্মঘাতি হামলার লক্ষ্য ছিল সাখারণ মানুষ। আপনি দাবি আদায়ের জন্য হত্যাকান্ডের সমর্থন করছেন।


@সাঈফ শেরিফ:

আপনার প্রায় প্রতিটি বাক্যই তালেবানদের প্রতি গভীর সহানুভূতিতে পরিপূর্ণ। আপনার আগের মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছিল আপনি ড্যান ব্রাউনের তদন্তের উপর আস্থাবান। পরে আবার টাকা খাবার কথা লিখলেন। আপনার বক্তব্য পরিষ্কার না। আর তাছাড়া ওসামা kite runner টাইপের কোন মুভি না। মুভির সারসংক্ষেপ দেখুন এখানে
২৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১২
শুভ সকাল বলেছেন: @লেখক:

এই পোস্টে আপনার মতামত আশা করছি

প্রতি নরাধম
২৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
সিংহ বলেছেন: ইনক্যুইজিশানের নামে সবাইকে জোর করে খ্রীস্টান বানাত, তাদের ভারসান অফ খ্রীস্টিয়ানিটির সাথে না মিললে হেরেটিক বলে এক কোপে কল্লা ফেলে দিত। বিংশ শতকের প্রথমদিক থেকে যখন ইউরোপে বস্তুবাদের প্রসার লাভ করল আর ব্যক্তিস্বাধীনতার জয়গান শুরু হল তখন থেকে ইউরোপীয়ানদের ধর্মীয় অনুভূতি ভোঁতা হওয়া শুরু করেছে এবং ৬০-এর দশক থেকে যখন ফেমিনিজম এবং অন্যান্য ব্যক্তিঅধিকার নিয়ে আন্দোলন হওয়া শুরু করেছে তখন থেকে তারা ধর্মের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে পড়েছে। এজন্যই তারা কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়না এখন। কিন্তু এখনকার বিশেষ সময়কে দিয়ে আপনি ১০০ বছর পুর্বের অবস্থা বিবেচনা করলে তো চলবেনা। মুসলমানরা এখন পশ্চাদপদ, তাই তাদের অবস্থা এরকম। তারা শিক্ষিত হলে তখন অবস্থা ভিন্ন হবে।


100% agreed. In fact that is exactly what my view is. Only difference is I am not sure whether Muslims can educate themselves in future. So far the direction that they are moving is not indicating any good prospect.

২৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩
পুরাতন বলেছেন: ভাই আপনেরে খুব দরকার.... আমারে ইয়াহু আই ডি তে অ্যাড করবেন ??
২৯. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
শিপু ভাই বলেছেন: ব্যপক হৈছে।
পস্টে ঝাজা!!

ধন্যবাদ।
+
৩০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১০
চুরি যাওয়া আগুন... বলেছেন: vai aapnar sange kichu katha chilo. Aapnar sahajjo ekanto joruri. Please response me...


OR
৩১. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১
নরাধম বলেছেন: যারা কমেন্ট করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ!

 

মোট সময় লেগেছে ৩.০২৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই