আমার প্রিয় পোস্ট

ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১২

শেয়ারঃ
0 261 0

১.
আমার আশেপাশের মানুষগুলো দেখে আমার খুবই মায়া হয়, করুণাও বলতে পারেন। সবার সুখী হওয়ার জন্য কি আপ্রাণ চেষ্টা! উইল স্মিথের অভিনয় করা সত্য কাহিনী নিয়ে নির্মিত "pursuit of happyness(বানানটা এরকমই)" এর কথা মনে পড়ে। সেখানে উইল স্মিথ প্রশ্ন করে কেন মানুষের চিরায়ত অধিকারের মধ্যে লাইফ, লিবার্টি এবং পারসুট অফ হ্যাপিনেসের কথা বলা হয়েছে? শুধুই হ্যাপিনেসের কথা বলা হয়নি, পারসুট অফ হ্যাপিনেস! কারন মানুষ কোনদিন সুখ পায়না, সে সুখকে ধাওয়া করে। All his life, he pursues happiness, never quite being able to get hold of it. Happiness is an illusion to be pursued, never to be enjoyed!

২.
আর মানুষের সেই সুখ পাওয়ার জন্য কি আপ্রাণ চেষ্টা। সেই "পারসুট" শুরু হয় ছোটকাল থেকে। আধুনিক বস্তুবাদী সমাজ তাকে সেই বাল্যকাল থেকে সুখের পিছনে ছোটায়। সে সুখ কি সেটা বুঝে উঠার আগেই স্কুলে তাকে প্রথম হতে হবে, ভাল স্কুলে ভর্তি হতে হবে, ভাল রেজাল্ট করতে হবে, সবাইকে ডিংগিয়ে উপরে উঠতে হবে এই মন্ত্রণা দেয়া হয়। বাড়ির কাজ আর পরীক্ষা, গৃহশিক্ষক আর গানের রেওয়াজ সব মিলেমিশে তার জীবনকে সেই যে একটা রেইস বানানোর চেষ্টা সেটা থেকে আর সারা জীবন তার মুক্তি নেই। পন্ঞম শ্রেনীতে উঠেছ? তোমাকে বৃত্তি পেতে হবে। বৃত্তি পেয়েছ? ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভাল স্কুলে ভর্তি হতে হবে, সেখানে প্রথম হতে হবে, অষ্টম শ্রেণীতে বৃত্তি পেতে হবে। এসএসসি-তে স্ট্যান্ড করতে হবে, এসএসসিতে ১০ম স্ট্যান্ড করলে এইসএসসি-তে তার থেকে আগে স্ট্যান্ড করতে হবে। নাহলে মান-সম্মান থাকবেনা! এইসএসসি-তে স্ট্যান্ড করেছ? বুয়েট-মেডিক্যাল-ঢাবি বা অন্যকোন ভালজায়গায় ভর্তি হতে হবে। তার ভাল করার সাথে শুধু তার মান-সম্মানই না, তার মা-বাবা-ভাই-বোন সবারই মান-সম্মান জড়িত। প্রতিবেশীর ছেলে বুয়েটে চান্স পেয়ে গেছে, তুমি না পেলে আমাদের মান-সম্মান থাকবে? সমাজে বুক-ফুলিয়ে হাটব কিভাবে? সে বুয়েটে চান্স পেল, তাকে ভাল ডিপার্টেমেন্টেও পেতে হবে, মেটালার্জি বা ওয়াটার রিসোর্সে পেলে কেউ জিজ্ঞেস করলে বলতে হবে ইলেক্ট্রিক্যাল, নাহয় মান-সম্মান থাকবেনা! সেখানে তাকে ভাল করতে হবে, এরপরে অমুক-তমুক যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে এসেছে, তাকেও আসতে হবে। জিআরই-র যন্ত্রণাময় ৫০০০ ওয়ার্ডের মুখস্তবিদ্যার তেলেসমাতি শুরু কর। জিআরই-টোফেল হইছে, এবার ভার্সিটি চুজ কর, প্রফেসরদের কাছে লিখ। ১০-১২ জায়গায় এপ্লাই কর, চান্স পেলে টিএশিপের টাকায় পড়ালেখা কর। সারা সপ্তাহে বার্গার আর পিৎজা খেয়ে ৫ বছর গাধার খাটুনি করে পিএইচডি কর, আবার এডভাইজার যদি বদ হয়, তাহলে লাইফ তো হেল! ডিজারটেশান টপিক অন্য কেউ করে ফেলছেনা তো সেটা নিয়ে টেনশানে ঘুম নাই।

৩.
পিএইচডি করে দেখা যাচ্ছে চাকরি নাই! পোস্ট-ডক শুরু কর, তোমার বয়স ততদিন ৩০+। তাড়াতাড়ি বিয়ে দাও, বিয়ের বয়স চলে যাচ্ছে! দেশের সেরা ছেলের জন্য সেরা মেয়ে খুঁজ, সেটা যে আবার কত ঝামেলার বিষয় সেটা যারা জানে তারাই জানে। মেয়েকে হতে হবে সুন্দরী, শিক্ষিতা, ভাল বংশের। তার পরিবারের সবাইকে শিক্ষিতা হতে হবে। মেয়ে খুঁজতে খুঁঝতে সবার জীবনই যখন ত্যক্ত-বিরক্ত তখন অনেক ছাড়-ছুড় দিয়ে মেয়ে পাওয়া গেল, জমজমাট করে বিয়ে হল। মেয়েকে এমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা শুরু। সেখানে নিয়ে যাওয়া হল,তারপর কয়েকবছর পর ভাল চাকরি হলে, বাচ্চা নাও। এইবার দুনিয়াতে বাচ্চা নিয়ে আসার পর তার লাইফ সাইকেল শুরু। সেই শুরু থেকে আবার স্কুল.......। আপনার এদিকে আস্তে আস্তে বয়স হচ্ছে, টেনিউর পাওয়া নিয়ে ঝামেলা, টেনিউর পাওয়ার পর ফান্ডিং আনা নিয়ে ঝামেলা, কয়দিন পর এমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে ঝামেলা। মর্টগেজ দিয়ে বাড়ি কিনলেন, সেটা শোধ করতে করতে বয়স হয়ে গেল ৬০। অবসরের সময় হয়ে গেছে। আপনার সন্তানের সফলতা আপনার সফলতা হয়ে গেল। সে যদি সেভাবে সফল না হয়, আপনার সারাজীবনের সফলতা মিথ্যে মনে হবে তখন।

৪.
এটা হচ্ছে বালের জীবন। কুত্তাদের জীবন এর থেকে অনেক সুন্দর। অথচ এই বালের জীবনকেই আমরা মডেল হিসেবে নিয়েছি। মোটামোটি উপরে উল্লেখিত জীবনই আমাদের কাছে স্বপ্নের জীবন। দেখেন তার জীবনে কোন ব্যর্থতা নাই, সে যেরকম চাইছে সেরকম হইছে। আমাদের বেশিরভাগেরই জীবন এরকম হয়না, তাই কত হাহুতাশ। অনেকেই দুয়েক নাম্বারের জন্য স্ট্যান্ড করেনা, সেটা তারা সারা জীবন লালন করে। অনেকে বুয়েটে চান্স পাইনা, সেটা তার বুকে ঘা হয়ে থাকে। অনেকে বুয়েটে চান্স পেয়ে বাইরে ভাল স্কলারশিপ পাইনা। সেটা তাকে তার ক্লাশমেটদের চেয়ে নীচু করে দেয়। অনেকে ভিসা পাইনা, অনেকে পিএইচডি শেষে ভাল চাকরি পাইনা, অনেকে ট্যানিউর পাইনা, অনেকে ফান্ডিং-এর জন্য প্রজেক্ট আনতে পারেনা এনএসএফ থেকে। আপনার বউ শয়তান হতে পারে, আপনার ছেলে বখাটে, লম্পট, সন্ত্রাসী, ড্রাগ-এডিক্ট হতে পারে। আপনার মেয়ে বখাটের প্রেমে পড়তে পারে, ইয়াবাসেবী হতে পারে। এগুলি সবই সম্ভব।

৫.
তবুও কুত্তা যেমন সারাদিন খাবারের পিছনে দৌড়ায়, কিন্তু সেটা এক জায়গায় বসে খেতে পারেনা, আমরাও সেই কুত্তা-জীবন লিড করার জন্য সারাজীবনে দৌড়ের উপর আছি। আমাদের আধুনিক মানুষের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। আমরা সবাই যাযাবর। আমাদের কোন সমাজ নেই, কোন প্রতিবেশী নেই, কোন আত্মীয় নেই। আমরা বর্ষার নদী দেখিনা, ছই-অলা নৌকায় বর্ষাযাপন আমাদের স্বপ্নে হানা দেয়না। আমাদের স্বপ্নে আসে কিভাবে কর্পোরেট-লেডারে আরো উপরে উঠব, আমাদের চিন্তায় থাকে কোন উপায়ে আরো বাড়ি করব। আমাদের জ্যোৎস্না দেখার ইচ্ছে হয়না, জ্যোৎস্না কত সুন্দর সেসব আমাদের মাথায়ও থাকেনা। আমাদের নদীতে সাতার কাটতে ইচ্ছে হয়না, পূর্ণিমার রাতে বন্ধু-বান্ধবরা মিলে জাড়িগানের আসর কি সেটাও আমরা জানিনা। আমাদের চিঠি লিখতে ইচ্ছে হয়না, চিঠি কিভাবে লিখতে হয় সেটাও আমরা ভুলে গেছি। আমাদের গ্রামের তাজা শাক খাওয়া হয়না, বিলের ঢেউ-খেলা ধানক্ষেত আমাদের মনে আকুলি-বিকুলি ছুটায়না। বালের জীবনে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি, এই বালের জীবনকেই সব মনে করে সেটার পিছনে ছুটতেছি।তাহলে সুখ কোথায়? সুখের জন্য তাকাতে হবে একটু অন্যজায়গায়।

৬.
রাস্তায় জ্যামে পড়লে যে হাড় জিরজিরে ছেঁড়া শার্ট গায়ে দিয়ে যে ১০-১২ বছরের ছেলেটা ফুল কিনার জন্য বা চকলেট কিনার জন্য আপনাকে বিরক্ত করে একটু তার দিকে তাকান। তার জায়গায় আপনি হওয়াটা একদমই অসম্ভব ছিলনা। তার সাথে আপনার পার্থক্য শুধু একটা জায়গায়। সে দুর্ভাগ্যবশত ভুল মা-বাবার কাছে জন্মেছিল। সে আপনার মা-বাবার ঘরে আর আপনি তার মা-বাবার ঘরে জন্মানো খুবই সম্ভব ছিল। শুধু চান্সের খেলায় সে হেরে গিয়েছে। সে যথার্থ সুযোগ পেলে আপনার থেকে মেধাবী হত হয়ত। হয়ত সে কোন বড় বিজ্ঞানী হত অথবা বড় কোন সাহিত্যিক। হয়ত সে রবীন্দনাথকে ছাড়িয়ে যেত। হয়ত সে নিয়ে আসতে ফিজিক্সে নোবেল প্রাইজ। অথবা সে হয়ত সৎ নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদ হত। দেশকে সে হয়ত অন্য জায়গায় নিয়ে যেত। এসবই হতে পারত সে যদি শিক্ষার সুযোগটা পেত। আপনার বাসায় ৮-১০ বছরের যে কাজের মেয়েটা আছে তার দিকে একটু খেয়াল করে তাকান। সকালে আপনি ঘুম থেকে উঠার অনেক আগেই তাকে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে যেতে হয়, সারাদিন তার রান্নাঘরেই সময় কাটে, অনেক বকাঝকা বা মারও খেতে হয়। অথচ সেও হতে পারত কোন বড় কবি বা টিউরিন-এওয়ার্ড পাওয়া কোন কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট। সে হতে পারতে ফিশার-এওয়ার্ড পাওয়া ম্যাথেমেটিশিয়ান অথবা সে হয়ত হত কোন বড় ইকনমিস্ট। এসবই শুধু ভাগ্যের জন্য ভুল জায়গায় ভুল সময়ে ভুল মা-বাবার ঘরে জন্ম নেওয়ার জন্য হচ্ছেনা।

৭.
আজ ভালবাসা দিবসে আপনার মুল্যবান সময় হয়ত আপনার প্রেমিকার পিছনে ব্যয় করবেন। হয়ত তাকে গিফট কিনে দিবেন। হয়ত তার সাথে মান-অভিমানের পসার বসাবেন। ভালবাসা আপনার জন্য হীরন্ময় হোক, তা আমিও চাই। কিন্তু একটা অনুরোধ কি রাখবেন? এই ভালবাসা দিবসে কি মাত্র দু-ঘন্টা সময় আপনি আলাদা করবেন? কত সময় তো আমাদের কোন কারণ ছাড়াই কেটে যায়, দু-ঘন্টা সময় কি আপনি আলাদা করতে পারবেননা? এই দু-ঘন্টা সময়ে সামান্য টাকা নিয়ে একটু বের হবেন বাসা থেকে? একটু খোঁজে একজন পথশিশুকে ডেকে নিন। তাকে খুব আদর করে তার নাম জানুন, সে কোথায় থাকে, কি করে এসব জিজ্ঞেস করার দরকার নেই প্রথমেই। শুধু তাকে একটা ভাল রেস্টুরেন্টে নিয়ে যান। সে যা খেতে চায় আপনার সামর্থ্য মত খাওয়ান। তাকে নিয়ে যান কোন পার্কে, কোন নদীতে নৌকায় চড়তে নিয়ে যান। তার সাথে ভাব করে তার জীবনের কাহিনী শুনেন। তার কাঁধে হাত রাখেন, তার পরিবারের কথা জিজ্ঞেস করেন। দু-ঘন্টা সময় কাটানোর পর আপনি চলে আসতে পারেন তাকে রেখে।

৮.
বাসায় এসে ঘুমানোর আগে রাতে একটু চিন্তা করুন, আপনি যে দুঘন্টা সময় তার সাথে কাটিয়েছেন তাতে কি আপনার ভাল লেগেছে? ভাল না লাগলে বা মনে যদি হয় এসব আপনার জন্য না তাহলে কোন কথা নেই, আপনি আপনার আগের মতই জীবন যাপন করুন। আর যদি ভাল লাগে, তাহলে একটা কাজ করুন। আপনি যে সিগারেট খান বা মাসে মাসে জিনস কিনেন বা টিউশানির টাকায় বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যান বা প্রেমিকাকে গিফট দেওয়ার জন্য খরচ করেন সেখান থেকে কিছু টাকা মাসে মাসে বাচিয়ে পথশিশুটাকে কোন পথশিশুদের নৈশ-স্কুলে ভর্তি করে দেন। তার মাসিক পড়ার খরচটা আপনিই দিবেন, তার খোঁজ খবর রাখবেন। কল্পনা করুন আপনার সামান্য ত্যাগের জন্য তার জীবনটাই পরিবর্তন হয়ে গেল। সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশ করে উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি হল। চিন্তা করুন প্রতিবছর সে উপরের ক্লাসে উঠলে আপনার কতটুকু আনন্দ হবে। একটু চোখ বন্ধ করে দেখুন সে যদি এসএসসি পাশ করতে পারে আপনার চেয়ে বেশি সুখী কে হবে? সে যদি এইসএসসি পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় তখন আপনার সুখের পরিমান হিসেব করে দেখুন। এসবই সম্ভব যদি আপনি একটু স্যাক্রিফাইস করেন। আপনি নিশ্চিত থাকেন আপনাকে সৃষ্টিকর্তা ঠকাবেননা। আসুন আমরা এবার আমাদের জীবনটাকে একটু পরিবর্তন করি। আসুন ভালবাসা দিবসে আমাদের শপথ হোক যে আমরা আমাদের জীবনে অন্তত একজন পথশিশুকে মানুষ করব। যদি সারাজীবনে অন্তত ১জন মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে না পারি, তাহলে আমাদের এই জীবনের কি মূল্য আছে? আমরা তো হাসিনা-খালেদাকে সারাজীবনে গালিগালাজ করলাম। কিছুই তো হলনা। চলেননা আমরা নিজেরাই পরিবর্তন শুরু করে দিই। না, প্রথম আলোর স্লোগান সর্বস্ব "বদলে যাও, বদলে দাও" না, সত্যিকার অর্থেই শুধুমাত্র ১জন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনি। সারাজীবন সুখের পিছনে তো অনেক দৌড়ালাম, এবার নাহয় একটু ভিন্নদিকে চোখ দিই। আমরা যদি নিজেরা শুধু ১জন পথশিশুর জীবন পরিবর্তন না করতে পারি তাহলে কোন মুখে হাসিনা-খালেদাকে সারাদেশের মানুসের জীবন পরিবর্তন না করতে পারার জন্য দোষ দিব? আসুন না, সারাজীবন তো ভালবাসা পাওয়ার জন্য হাহাকার করেছি, এবার একটু ভালবাসা দিয়ে দেখি?


৯.
আমার নানা বলতেন মানুষের জীবনের মূল্য নির্ভর করে সে কতটুকু স্মাইল-আওয়ার সংগ্রহ করেছে তার উপর। স্মাইল-আওয়ার হচ্ছে আপনি আপনার সারাজীবনে কতটুকু মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পেরেছেন সেটাকে ঘন্টার এককে রুপান্তরিত করা। যত বেশি স্মাইল-আওয়ার তত বেশি সফল আপনার জীবন। যতবেশী স্মাইল-আওয়ার ততবেশি সুখ আপনার। সুখের পিছনে তো অনেক ঘুরলাম, সুখ কি পেয়েছি? ক্ষনস্থায়ী সুখের পিছনে না ঘুরে এবার একটু চেষ্টা করে দেখি না লম্বা সময়ের সুখ পাই কিনা। আপনি নাস্তিক হোন, আস্তিক হোন, মুসলমান হোন, খ্রীস্টান হোন, হিন্দু হোন যে কোন পর্যায়েরই হোন না কেন, সৃষ্টিকর্তা আপনাকে ঠকাবেননা, এটা আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, যদি আপনি অন্তত ১ জন মানুষের জীবনকে পরিবর্তন করার জন্য মনস্থির করেন। আসুন এবারের ভালবাসা দিবস হোক আমাদের জীবনদর্শন পরিবর্তন করার অংগীকার। আসুন ভালবাসা ছড়িয়ে দিই সবখানে, কোন বিশেষ ব্যক্তিকেই ভালবাসার মুলে না রাখি। যাদের ভালবাসার দরকার, চলুননা তাদেরকেই ভালবাসাটা দিই। আসুন সময় থাকতে স্মাইল-আওয়ার সংগ্রহ করি। আসুন সারাজীবন প্রতিযোগীতা করেছি সবার সাথে বিভিন্নভাবে, এবার স্মাইল-আওয়ার সংগ্রহের প্রতিযোগীতায় নামি। সারাজীবনের প্রতিযোগীতায় অনেকে জিতেছি, অনেকে হেরেছি। স্মাইল-আওয়ারের প্রতিযোগীতায় কারো হার নেই, সবাই জিতে যাব। এর চেয়ে বড় সুখ আর কি হতে পারে? আসুন, আমরা এই শপথটা নিই, এই ভালবাসা দিবসেই আমরা প্রত্যেকে অন্তত সারাজীবনে একজন পথশিশুকে মানুষ করব। এটাই হোক আমাদের এবার ভালবাসা দিবসের স্লোগান এবং এই স্লোগানই আমরা বুকে ধারণ করব।

১০.
যারা প্রবাসে আছেন তাদের জন্য বলছি। আমাদের অনেকেরই দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছে থাকে। আমাদেরকে দেশ এত বেশি দিয়েছে, আমরা দেশের জন্য কিছু করতে চাইব এটাই স্বাভাবিক। অনেক সংঘটন আছে যারা মাসে মাসে মাত্র ৫০(বা তারও কম) ডলারের বিনিময়ে দেশে একজন পথশিশুর বা গ্রামের গরীব শিশুর পড়ার ভার নিবে। এসব সংঘটন আপনাকে প্রতিমাসেই ছেলের জন্য রিপোর্ট কার্ড ডিটেলসে পাঠায়। আপনাকে কিছুই করতে হবেনা, যাস্ট প্রতিমাসে ক্রেডিটকার্ড থেকে ৫০ ডলার ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট করে দিলেই চলবে। মাসে ফোনবিল বা সিগারেটবিল তো আমরা আরো অনেক বেশি দিই, একজন মানুষের জীবন পরিবর্তন করার জন্য কি এটুকু করতে পারবনা? অবশ্যই পারব। ইনশাআল্লাহ আমরা প্রত্যেকে যদি নিজেরাই সাধ্যমত চেষ্টা করি, আমাদের দেশ খুব শীঘ্রই মাথা তুলে দাড়াবে।

আমার এক সিনিয়র আপু এই ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিয়েছেন। হৃদয়ে বাংলাদেশ

 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী। আপনার কমেন্টগুলো এত ক্ষুদ্র কেন?? :)

২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১
জেরী বলেছেন: কথা বলতে একটু ও ভালো লাগে না ভাই। আসল আমি আরো আজব বেশীরভাগ সময় তো মাথা নেড়ে হু,হা করে জবাব দেই নয়তো ফোন কয়েকদিন অফ ও করে রাখি। কারো উপর রাগ-অভিমান না নিজের উপরই প্রচন্ড অভিমান থেকে এমন করি। মজার ব্যাপার হলো ইদানিং রিয়েলের মত ভার্চুয়াল লাইফেও স্বল্পভাষী হয়ে যাচ্ছি...........কত্তো বড় কমেন্টস দিলাম দেখেন |-)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন:
নো প্রবলেম সিস্‌। আমিও মাঝে মাঝে অফ হয়ে যাই কিছুদিনের জন্য কোন কারন ছাড়াই!!

৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: প্রিয়তে নিয়া রাখলাম। ভালো লাগলো পোষ্ট পইড়া। :) দারুন লেখছেন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আজকে ভালোবাসা দিবসের সেরা উপহার হয়ে থাকলো আমার জন্য এই পোস্ট । আমি বলবোনা আমাদের বিবেক জাগ্রত হোক, আমি বলি,- "আমাদের হৃদয় নাড়া খাক !"
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: বদ্দা, অনেক ধন্যবাদ। ভাল থেক।

৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০
পরশমনি বলেছেন: ভাল লেগেছে। চেষ্টা করব কিছু করার। আপনাকে অনে....ক ধন্যবাদ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আজকের দিনের পড়া সেরা পোস্ট।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: কেবলমাত্র প্রিয়তে নেবার জন্যই লগইন করলাম।
দিনের সেরা পোস্ট। আরাফাত ভাই'র সাথে একমত।
সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে কিছু স্মাইল-আওয়ার সংগ্রহের।

+++
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা, মুক্ত বয়ান।

৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: পুরনো প্রিয় ব্লগারদের লেখা মিস করি, অনেকেই সামু ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আপনি ব্যতিক্রম, মাঝে মাঝে ফিরে আসেন।তবে নিয়মিত দেখতে চাই।

আপনি চাইনিজদের কথা ভেবেছেন কিনা জানিনা। জীবন বেচে হলেও ওরা টাকা ও কাজের পেছনে ছোটে, ব্যক্তিগত জীবন, নিজের জন্য একান্ত সময় গুলো তারা খুব কমই দেয়।হয়ত কাজেই তাদের সুখ, কাজই তাদের ধর্ম। আমাদের যারা আড্ডা দিয়ে, ডেট করে সময় উড়ানোর বিলাসিতা করেন, তাদেরও চোখে মুখে একসময় অ-সুখ দেখা যায়। ৫ বছর পিজা-কফি খেয়ে ডক্টরেট করা ছেলেরা যখন যৌবন হারিয়ে সংসার ধর্ম করতে বসে, তাতে কতটুকু ভালবাসা থাকে, কতটুকু দায়িত্ববোধ নিতে পারে, নিজের করে পাবার মত এক খন্ড অবসর সময় কী আদৌ জুটে- আমার সংশয় হয়।

আর বছর দশ পরেই আমি পঞ্চাশের বৃদ্ধ, অথচ জীবন-যৌবন গেল গবেষণাগারে মুখ বুজে পড়ে থেকে। ক্যারিয়ার গোছানোর মোহ বা বিদ্যান্বেষার সময় গুলো শুষে নিল এক কালে দেশ, দশের জন্য কিছু করার পবিত্র ইচ্ছেগুলো, এখন তাই ভীষণ ক্লান্তিভর করে।

উপলব্ধিগুলো অনুভূতি আকারে জেগে থাকুক।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সাঈফ শেরিফ। উপলব্ধিগুলো অনুভূতি আকারে জেগে থাকুক।

৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮
আসিফ মোহাম্মদ আদনান বলেছেন: লেখাটি খুবই ভাল লেগেছে। যুক্তিগুলো খুবই জোরলো। পথশিশুদের জন্য যে প্রস্তাবনা দিয়েছেন আমি একত্মতা প্রকাশ করছি।

কিন্তু আমরা যারা বুঝতে পারছি, তারা কেন মোহের পেছনে ছুটছি। বুঝতেই যদি পেরে থাকি বন্ধ করে দেই না কেন এই অহেতুক দৌড়-ঝাপ। যারা বাবা-মার তাড়া খেয়ে দৌড়াদৌড়ী করছি আসুন তারা পরবর্তী প্রজন্মকে একটা সুন্দর জীবন উপহার দেই। জীবন কুকুরের মত হতে পারে না! আমরা যেরকম ভাবতে চাই জীবন সেরকমই। আপনি যদি মজাই না পান, উপভোগ করার কোন উপায়ই যদি না থাকে তাহলে কোন মানে নাই।

সাঈফ শেরিফ ভাইয়ের কাছে প্রশ্ন : "জীবন-যৌবন গেল গবেষণাগারে মুখ বুজে পড়ে থেকে" কেউ কি জোর জবরদস্তি করে গবেষণা করতে পারে? নিশ্চয় আপনার ভাল লেগেছে। একদিন না একদিন আপনার স্বীকৃতি পাবেনই পাবেন।

আমি খুবই ছোট, আমার অভিজ্ঞতা খুবই সামান্য। তবুও বলতে চাই, হৃদয় যেখানে যেতে চায়না, সেখানে না যাওয়াই ভাল। নিজের সাথে সত্য থাকার প্রার্থনা সবার কাছে। সবাই ভাল থাকবেন। মনে ধৈর্য রাখবেন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ অনেক।

১০. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই লেখাটা প্রিয়তে নিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি। আর বেশি কিছু বলে লেখাটা নষ্ট করতে চাই না।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান। আমার সবার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত থাকুক।

১১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভালো লিখেছেন। সবাই স্ব স্ব জায়গা থেকে একটু একটু করে করলেও একসময় তা বৃহৎ আকারে আত্মপ্রকাশ করবে। সেটাই আসলে দরকার। স্মাইল আওয়ার আর্নের থিমটা খুব মনে ধরেছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে দেবদূত।

১২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭
অন্যরকম বলেছেন: মাঝে মাঝে এরকম কিছু পোস্টে কমেন্ট করার জন্য লগইন করি নারুদা! :)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: সম্মানিত বোধ করছি ভ্রাত! অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৩
মাসুদুল হক বলেছেন: বলার আর কিছু নাই...সরাসরি প্রিয়তে...
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, মাসুদুল হক।

১৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
এইতো আমি বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে লেখাটা। শুধু ভালোলাগাটা জানান দেয়ার জন্যই লগ ইন করা। ধন্যবাদ আপনাকে আর শমসীরকেও ছোট্ট থ্যাংক্স। ওর স্ট্যাটাস থেকেই এলেখার খোঁজ পেলাম।

আমাদের বুদ্ধি জড়তামুক্ত হোক ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

১৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৭
নতুন রাজা বলেছেন: আমার দৃষ্টিতে সামহয়ারে পড়া এটা শ্রেষ্ঠ পোষ্ট। অনেক ধন্যবাদ...। একটা কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি... We shall overcome one day...
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আমরা করব জয়...আপনাকে ধন্যবাদ।

১৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: কাঙ্খিত ভবিষ্যত আয়নায় দেখলাম। উচ্ছাস নয় দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হচ্ছে। আমরা সবাই জানি এবং বুঝি কিন্তু কিছু করে উঠতে পারি না- এই ছলে কিছুই করি না।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন:
কিন্তু কোথাও তো শুরু করতে হবে? সবাই সবার সামর্থ্যের মধ্যে করলে না হওয়ার কোনই কারন তো নেই। যাস্ট একজন পথশিশুর জীবন পাল্টে দেওয়ার স্বপ্ন তো দেখতেই পারি। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮
শ।মসীর বলেছেন: শুরু করতে হবে................শুধু এটুকুই বলতে পারি...............।অন্যের পানে চেয়ে নয়, তা আমাকেই করতে হবে...........

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামসীর।

১৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
ফেরারী... বলেছেন: @লেখকঃ আপনার লেখা টা পড়ে আপনার প্রতি শ্রদ্ধা আরো বেড়ে গেছে। এটা আমার পড়া সেরা পোষ্ট এটা আর বলার অপেক্ষা থাকেনা। তবে ভাই আপনি যেই সপ্নের জীবনের কথা বলেছেন সেই তথাকথিত সপ্নের জীবন আমার নাই...আর সেই সপ্নের জীবন না পাওয়ায় আমার কোন আক্ষেপ নাই। কারন ওই জীবন টা পেলে হয়তো তোমাদের মত বন্ধুকে কাছে পাওয়া হতনা। আমি আমার এই ছন্নছাড়া জীবন নিয়ে অনেক সুখী...
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ফেরারী, অনেক ধন্যবাদ ভ্রাত। স্বপ্নের জীবনের চেয়ে ভাল আছেন, এটাই বাস্তবতা। সারা জীবন ভাল থাকুন, নিরন্তর কল্যানময় হোক আপনার জীবন।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভ্রাত।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৫
সাগর ঢাকা বলেছেন: আপনার এই লেখা তা মিস করেছিলাম , ফেসবুক থেকে লিঙ্ক পেয়ে , মন্তব্য করতে আসলাম , অসাধারণ লেখা , আমার পথশিশুদের দেখাশোনা , পড়াশোনা করে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান এর নাম , ঠিকানা দরকার . ভালো থাকবেন , ফেসবুক এ শেয়ার করলাম এই লেখাটা , ধন্যবাদ .
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৭
আকাশচুরি বলেছেন: কতো দিন পর আপনার লেখা পড়লাম!!
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ আকাশচুরি। আসলে নিয়মিত লিখতে পারিনা তো। আপনি কেমন আছেন?? আমি কিন্তু আপনার গল্পের ভক্ত।

২৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৮
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: অসাধারণ! অসাধারণ!!! আমিও এভাবে ভাবি। কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। :( আমার আম্মুকে লেখাটা পড়াতে পারলে খুব ভাল হত। তা তো আর হবে না। তবে ইনশাআল্লাহ ২ জন শিশুকে আমার করার ইচ্ছা আছে। তাদের নামও ঠিক করে রেখেছি।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: কি যে ভাল লাগতেছে ভাই যে আপনি ২ জন শিশুকে মানুষ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। অসম্ভব ভাল লাগছে। আল্লাহ আপনার মনের ইচ্ছে পূরণ করুক। অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ফাটাফাটি পোস্ট!!


"এটা হচ্ছে বালের জীবন। কুত্তাদের জীবন এর থেকে অনেক সুন্দর। অথচ এই বালের জীবনকেই আমরা মডেল হিসেবে নিয়েছি। মোটামোটি উপরে উল্লেখিত জীবনই আমাদের কাছে স্বপ্নের জীবন।"

এক্কেরে মনের কথাগুলা লিখছেন ... ছোটবেলায় মনে হইতো, হিমালয়ের গুহায় গিয়া সাধুরা কি শান্তি পায়? এখন বুঝি ;)

অদ্ভুত একটা কাকতাল! আপনার নানার মতো স্মাইল আওয়ারের কথা এক জাপানী বৃদ্ধের কাছে শুনেছিলাম

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: ভাইজান, অনেক ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য। স্মাইল আওয়ারের ধারণাটা অন্যভাভেব হলেও আমি আরো কয়েকজনের কাছ থেকে শুনেছি। মনে হয় সবার মধ্যেই ধারণাটা লুকিয়ে তাহকে, কেউ বলতে পারে, কেউ পারেনা। তাছাড়া গ্রেটম্যান থিন্ক এলাইক!!! :)



"এক্কেরে মনের কথাগুলা লিখছেন ... ছোটবেলায় মনে হইতো, হিমালয়ের গুহায় গিয়া সাধুরা কি শান্তি পায়? এখন বুঝি "

আমিও! :)

২৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৯
লুথা বলেছেন:
অসাধারণ...মন ভালো হয়ে গেলো পডে... +++
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

২৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: নিজের মনের ভেতরের ভাবনা গুলো ভাবনাই থেকে যায়, গুছিয়ে লেখা আর হয়না।
কেউ গুছিয়ে লিখলে, মনের কথাগুলো সরল করে প্রকাশ করলে তাকে
টুপি বিয়োজন না করে কোন উপায় থাকেনা।

সরাসরি টুপি বিয়োজন।

ভালো থাকুন আর এম্নি করে আমাদের বোধ জাগ্রত রাখুন।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকুন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
নারনিয়া বলেছেন: এম্নি করে আমাদের বোধ জাগ্রত করার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু একটা বিনীত প্রশ্ন আপনি কি এই বোধ পালন করেন আপনার জীবনে? ধরে নিচ্ছি অবশ্যই করেন তা না হলে এত সুন্দর করে লিখতে পারতেন না, এই পৃথিবীতে অনেকেই এই মানবিকতা গুলো নীরবে পালন করে বলেই কিন্তু পৃথিবী আজও টিকে আছে । +++++++++++
৩০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
নারনিয়া বলেছেন: এম্নি করে আমাদের বোধ জাগ্রত করার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু একটা বিনীত প্রশ্ন আপনি কি এই বোধ পালন করেন আপনার জীবনে? ধরে নিচ্ছি অবশ্যই করেন তা না হলে এত সুন্দর করে লিখতে পারতেন না, এই পৃথিবীতে অনেকেই এই মানবিকতা গুলো নীরবে পালন করে বলেই কিন্তু পৃথিবী আজও টিকে আছে । +++++++++++
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১১

লেখক বলেছেন:

হ্যাঁ, করার চেষ্টা করি। ভাল থাকুন।

৩১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
শুন্য মানব বলেছেন: "অনেক সংঘটন আছে যারা মাসে মাসে মাত্র ৫০(বা তারও কম) ডলারের বিনিময়ে দেশে একজন পথশিশুর বা গ্রামের গরীব শিশুর পড়ার ভার নিবে" --- ভাই কয়েকটার নাম একটু বলবেন ?? আমি চেষটা করে দেখব তাহলে

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: https://www.planusa.org/sponsorachild/index.php

Click This Link

Click This Link

http://plan-international.org/


ওয়ার্ল্ড ভিশান আর প্ল্যান দুটাই ভাল। তবে ভালমতে খোঁজখবর নিয়ে স্পন্সর করবেন। আমি নিজে প্রত্যক্ষভাবে পছন্দ করি, কোন অর্গানাইজেশানের মাধ্যমে না। তবে অর্গানাইজেশানের মাধ্যমে হলে অনেক ঝামেলা কমে যায়। ভাল থাকুন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: এছাড়া আপনি যেখানে থাকেন সেখানেও অনেক ছোটাখাট এনজিও থাকবে যারা অনেক বেশি কেয়ারিং হয়। তাদের কাছ থেকে খোঁজ নিতে পারেন। যেটাই করুন, একটু দেখেশুনে করবেন যেন টাকাটা ঠিকঠাক বাংলাদেশী কোন শিশুর কাছেই যায়।

৩২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ে অসম্ভব ভালো লাগল। মাঝে মাঝে মনে হয় এমন কিছু করি। কিন্তু কিছু করা হয়ে উঠে না। কয়েকদিন আগে দেখলাম ঢাকা ভার্সিটির একটি ডিপার্টমেন্ট এর কয়েকজন মিলে পথ শিশুদের হয়ে ফুল বিক্রি করে দিচ্ছে। আমারো খুব ইচ্ছে হয় এরকম কিছু একটা করি। কিন্তু করা হয়ে উঠে না। কাউকে বললে মনে করে মাথা খারাপের লক্ষন। তাই ইচ্ছাটা কখনো প্রকাশও করা হয় না। আমাদের প্রত্যকেরই নিজের অবস্থানে থেকে দৃষ্টিভঙ্গি বদলেরও প্রয়োজন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই ব্যাপারটুকু এত সুন্দরভাবে প্রকাশ করার জন্য।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন:
আপনার অনুভূতির জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্রথম প্রথম অনেকেই অনেক কিছুই বলবে। এসব নিয়ে একদমই ভাববেননা। আপনি শুরু করে দিন, দেখবেন দৃষ্টিভংগি বদলে যাবে অনেকেরই। ভাল থাকুন নিরন্তর। আবারো ধন্যবাদ।

৩৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: জানেন, বহু বহু বহুদিন পরে লগ ইন করলাম আপনার পোস্টটা দেখে, ভালো লেগেছে ভাই, খুব ভালো...

স্মাইল আওয়ারের ব্যাপারটা প্রথম পড়ি হু আ এর 'নুহাশ এবং আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ' বইয়ে, এরপর থেকে প্রতিনিয়ত এরকম কিছু করার চেষ্টা করি...তবে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কিন্তু টাকার তেমন প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন সদিচ্ছার আর ভালোবাসার...আমার মনে হয়...

ভালো থাকবেন!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার সাথে একমত যে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে টাকার তেমন দরকার নেই। তবে এখানে আমি কিছু নিজের সীমার মধ্যে থেকে পরিবর্তন আনার কথাই বলছি, সামান্য টাকার বিনিময়েই সেটা সম্ভব। যাই হোক, আপনার অনুভূতির জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন নিরন্তর।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক।

৩৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: অসাধারণ উপলব্ধি! খোলস খুলে সত্যিকার মানুষেরা বের হয়ে আসুক!

আপনার লেখার মধ্য আপনার সত্যিকারের আকুতি, অনুভূতি, ক্ষোভ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে! খুব খুব গভীর একটা লেখা। পড়লাম, বুঝলাম আর হ্যা মেনে চলার চেষ্টা করবো অবশ্যই!

খুব ভাল থেকেন ভাই!

[ও! লেখাটা ফেইসবুকে শেয়ার করেছি। অনুমতি নেই নি দেখে দুঃখিত। আপনার আহ্বান সবার কাছে পৌঁছে দেয়া প্রয়োজন বলে মনে হলো।]
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। অনুমতি নেওয়ার কোন প্রয়োজনই নেই, শেয়ার করে অনেক ভাল করেছেন। যত বেশি মানুষের কাছে যাবে ততই ভাল। বরং শেয়ার করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভাল থাকুন।

৩৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২
নাজনীন১ বলেছেন: খুবই ভাল লেখা।

আর শুধু একদিনের জন্য অপেক্ষা না করে যেকোন দিনই এটা করা যেতে পারে, যে যখন সুযোগ পায়। তা না হলে পরের বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। না, এখানে ১৪ই ফেব্রুয়ারীর জন্য অপেক্ষা করাটাই উদ্দেশ্য নয়, যাস্ট ভালবাসা ছড়িয়ে দেওয়াটায় উদ্দেশ্য। সেটা যেকোন সময় হতে পারে। ভাল থাকুন।

৩৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৫
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: হু , সারাবছর ই .........করা যায় ভাল কাজ গুলো ...।
লেখাটা ভালো লাগলো অনেক। অসার জীবন-চক্রটা অনেক টাচী করে লিখেছেন!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৪
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক ভালো লাগল লেখাটা। এই জীবন চক্র টাকে আমারো ভয় অনেক। অনেক কথা আমার নিজের চিন্তার সাথে মিলে গেছে। যেমন সবাই রাস্তায় বা বাড়িতে খুব অল্প কিছু দেয়। হয়ত ৫ টাকা বা ১০ টাকা। আমি বলতে চাচ্ছি, আমি সারাজীবনে যত জন মানুষকে এই টুকরো টুকরো টাকা দিয়েছি , তা দিয়ে যদি একজন মানুষকেও কিছু একটা করে দেয়া যায় যেটা দিয়ে সে সারাজীবন চলতে পারবে সেটা বেশী ভালো হয়।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন।

৩৯. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩
আউলা বলেছেন: নেন একটা পেলাস নেন। আপনি তো লেখক হইয়া যাইতেছেন...যদিও আগে থেকেই লেখেন ;)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: হ, লেখক হইয়া গেলাম, কুবি আর হইতে পারুম বলে মনে হয়না!! :):)
আপনিও নেন, ধন্যবাদ নেন একটা।

৪০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০০
রথে চেপে এলাম বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৪১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩
মোহাম্মদ আশরাফ বলেছেন: আপনার এই লেখাটা পড়ে কাঁদলাম, এবং কাঁদলাম...
কোন অংশটাকে যে সেরা বলব ভেবে পাচ্ছি না। ঠিকই বলেছেন, আমরা ফুলের সৌরভ নিতে ভুলে গেছি, ভুলে গেছি বৈশাখের তপ্ত দুপুরে সোনালী রঙের ধান মাঠে ছড়ানে। ভুলে গেছি খোলা আকাশের নীচে শুয়ে রাতের শুভ্র চাঁদ, তারার মেলা দেখা। ভুলে গেছি শান্ত নদীর ডাক।

আসলে এই ২১ বছরের জীবনে সুখ খুঁজেছি, কিন্তু একটি পথশিশুর সাথে কথা বলে যে সুখ কিংবা আনন্দ যাই বলি না কেন, তা কখনো পাই নি প্রকৃতির কোল, আর মা'কে আলিঙ্গন ছাড়া।

এই পোস্ট টা পড়ে মনে পড়ে গেলে রবীন্দ্রনাথের দান কবিতার দু'টো লাইন।

আমি যাহা দিতে পারি সামান্য সে দান হোক ফুল, হোক তাহা প্রভাতের গান।

প্রিয়তে...
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। মূল উদ্যোগে শরীক হলেই পোস্টের সার্থকতা।

৪২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
জানজাবিদ বলেছেন: আমার অবশ্য কোন অ্যামবিশন নাই, সাদামাটা জীবন। খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকলেই খুশী। তবে আজকাল আপনার মতই ভাবছি। একটু চেষ্টা করলেই অন্তত: একটা জীবন তো পরিবর্তণ করা যায়।

লেখাজোকা শামীমের একটা লেখা আছে প্রায় একই বিষয় নিয়ে। উনি অবশ্য উনার নিজের কিছু কাজের উদাহরণ দিয়েছেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ জানজাবিদ। ভাল থাকুন।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: :) কি খবর বাদশাভাই?

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৯
জলপাই দেশি বলেছেন: হাসন রাজার গান দেখে লগ-ইন করলাম। পোস্ট পড়ে ভালো লাগলো। ব্যতিক্রমী পোস্ট। ধন্যবাদ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আপনেকও ধন্যবাদ।

৪৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৩
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: ভাই মনে হয় আপনি আমার মনের কথা বলেছেন।আপনার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারলে ভালো লাগত্।আমরা সবাই কমপক্ষে একটা করে বাচ্চার দায়িত্ব নিতে পারি না?যার যার জায়গায় থেকেই যা পারি করি না কেন?তাহলৈই তো নিজের বিবেকের শান্তি পাওয়া যায়।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৭. ২৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:২৯
ফেরিওলা বলেছেন: পরে সময় নিয়ে পড়বো এখন হাতে কাজ আছে অনেক! মতামত তখনই দেই!
৪৮. ২৯ শে মে, ২০১০ রাত ১১:১৪
ফেরিওলা বলেছেন: হাতের কাছে আরশী নগর, কি দেখতে যাও দিল্লি লাহোর!

একটা কনসেপ্ট নোট তৈরী করেন। আমরাই এমন উদ্যোগ নিয়ে ফেলি! ৫০ ডলারের বাধ্যবাধকতা থাকবেনা!

কি বলেন? এইটা কিন্তু সম্ভব একটা কাজ। তবে পথটা পিচ্ছিল!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: সেটাই। আপনার সক্রিয়তার জন্য ধন্যবাদ।

৪৯. ১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৮
মএসএইসভূইয়া বলেছেন: bhai, sobcheye apnar life cycle ta ekbare true. ami nijeo er shikar. ekhon baire ms stage e achi... cycle er ero onek baki... but maje maje sob orthohin mone hoy.
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: তাই। জীবনকে সার্থক করার জন্য এরকম কিছু করতেই হবে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫১. ১৪ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:০৯
পাপী বলেছেন: অনেক দেরী করে পড়লাম!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: পাপী, সমস্যা নাই। পোস্টের বিষয়বস্তু অনুযায়ী কিছু করলেই বরং ভাল লাগবে। অনেক ধন্যবাদ।

৫২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০১
নরাধম বলেছেন:
যারা মন্তব্য করেছেন সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ব্যস্ততার জন্য রিপ্লাই দিতে পারিনি সময়মত। ভাল থাকুন।

http://hridoyabangladesh.org/helpedu10.html
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
আহাদিল বলেছেন: সারাজীবন তো ভালবাসা পাওয়ার জন্য হাহাকার করেছি, এবার একটু ভালবাসা দিয়ে দেখি?

মানুষের জীবনের মূল্য নির্ভর করে সে কতটুকু স্মাইল-আওয়ার সংগ্রহ করেছে তার উপর।

খুব ভাল লাগল আপনার উপলব্ধি। আমরা সবাই যদি এমন করে ভাবতে পারতাম!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: ভাবার চেয়েও কাজে নেমে পড়াটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০০
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: আচ্ছা আপনি বলবেন?সেই দু ঘন্টা স্বর্গীয় মুহূর্ত তাকে দেবার পর কোন অধিকারে তাকে আবার নরকের মদ্যে ফেলে আসবো?
৫৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০০
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: আচ্ছা আপনি বলবেন?সেই দু ঘন্টা স্বর্গীয় মুহূর্ত তাকে দেবার পর কোন অধিকারে তাকে আবার নরকের মধ্যে ফেলে আসবো?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্ন যৌক্তিক, সেজন্যই পরবর্তীতে তার আরো টেক-কেয়ার করা উচিৎ। এটা প্রত্যাশিত যে তার সাথে ঘন্টা দুয়েক সময় কাটানোর পর একটা নতুন উপলব্ধি জন্ম নিবে এবং কিছু করার জন্য ইচ্ছে হবে।

৫৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৯
আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন: পোস্টটির প্রায় এক বছর পূর্তিতে লেখককে শুভেচ্ছা :)
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ।

৫৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৪৯
নাআমি বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপনার লেখাটি..মনটা ছুয়ে গেল।

কত সময় তো আমাদের কোন কারণ ছাড়াই কেটে যায়, দু-ঘন্টা সময় কি আপনি আলাদা করতে পারবেননা?

শ্রদ্ধা জানাই আপনার মানসিকতাকে.....

শুভেচ্ছা ......
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৬০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২৭
শিমুল আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার পোস্টটির জন্য । আমিও কিছু একটা করার চেষ্টা করবো ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। গুডলাক!

৬১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫২
মেসবাহ বলেছেন: শত শত প্লাস। বহু দিন পর ভাল একটি লেখা পড়লাম।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

৬২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫৫
আমি তুমি আমরা বলেছেন: পড়ে বেশ ভাল লাগল।রেগুলার লেখেন না কেন???
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: কি হবে লিখে রেগুলার? :):) তোমার কি অবস্থা?

৬৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৬
দুখী মানব বলেছেন: অনেক ভালো লাগল। চিন্তা গুলো একদম আমার সাথে মিলে গেছে।

এই বালের জীবন চাই না
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৫৮
ইনকগনিটো বলেছেন: এটি একটা অসাধারণ লেখার থেকেও বেশি কিছু ।
৬৬. ১২ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১০:৫৮
ইনকগনিটো বলেছেন: এটি একটা অসাধারণ লেখার থেকেও বেশি কিছু ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ইনকগনিটো। ভাল থাকুন।

৬৭. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৭
আহমদ শরীফ বলেছেন: লেখাটা প্রিয়তে নিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনি কমেন্ট করেছেন সেজন্য আমিও সম্মানিত বোধ করছি।

৬৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪৬
আমি তুমি আমরা বলেছেন: অনলাইন আছেন নাকি?
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: হ!

৬৯. ২১ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৮
অহন_৮০ বলেছেন: দেরি হল পড়তে...........এতো টাচি কেন???? +++++++
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: সেটাই!

৭০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১৭
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: আজ আপনার অনেকগুলো লেখা পড়া হয়ে গেল বিভিন্ন ব্লগে। যখন এখানে অ্যাকটিভ ছিলাম, তখন আপনার লেখা এত কম পড়েছি দেখে ভীষণ আফসোস হচ্ছে।
ভালো থাকবেন।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: সম্মানিত বোধ করছি, অনেক ধন্যবাদ।

৭১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০৯
নরাধম বলেছেন:
ভালবাসা দিবসের পোস্ট হিসেবে সবাইকে পোস্ট পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই